আমার প্রিয় পোস্ট
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- বাংলায় পর্তুগীজ জাতি - ইমন জুবায়ের
- মা - দীপান্বিতা
- ব্লগার দীপান্বিতার - কথাচ্ছলে মহাভারত- সমগ্র - যাযাবরমন
- যদিদং হৃদয়ং তব, তদিদং হৃদয়ং মম ..... - দীপান্বিতা
- বব মার্লের জীবনের শেষ কিছু সময় - (সাথে সবকটি গান ডাউনলোড লিংক) - কবির চৌধুরী
- ভবঘুরে থেকে করপোরেট সম্রাট - মোঃ সিরাজুল হক
- এক অসাধারণ জীবনকথা ..স্টিভ জবস– অ্যাপেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা - হিমূ
- স্টিভেন পল জবস্ : বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের প্রতি সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ : বিদায় বন্ধু... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো... - আমিই রাকিব
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- শুভ জন্মদিন, প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুন (প্রিয় কবিতা সংকলন) - আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়
- চর্বি কমাতে পারে বৈশাখের এমন ১৩টি খাবার - সোহরাব সুমন
- মানুষ ভ্যান গগ - ইমন জুবায়ের
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- গল্পঃ সুখ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- ঠাকুরের বেটার ছিন্নপত্র ও ইন্দিরা দেবীঃ একটি ছবি ব্লগ - সেলিম তাহের
- এনিগমার The Child In Us ... ব্যাখ্যা -বিশ্লেষন ... - ইমন জুবায়ের
- একটি আপেল গাছের গল্প - সিস্টেম
- ফেরদৌসির শাহনামা: ইসলামপূর্ব পারস্যের লোককথা এবং ইতিহাস-১মপর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ~ দার্জিলিং ~ - তারার হাসি
- আমার বিড়ালের কথা............. - সোহরাব সুমন
- কোন রকমে টিকে থাকা শেষ, বেঁচে থাকার শুরু.... - একলোটন
- নেহেরু, শ্যামাপ্রসাদ, গান্ধী, এলিজাবেথ, বুলগানিন, ক্রুশ্চেভ ... - ছায়া দে
- অজানা আমাজন অরন্য... - জর্জিস
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (২) - ম্যাভেরিক
- Hachiko-A dogs true story. - জামিল আনসার
- গাহি সাম্যের গান - আকাশ অম্বর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৩ - তায়েফ আহমাদ
- বোধ - জীবনের নতুন মানে - বিলাশ বিডি
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২১ > সেই রাতে যেন কেয়ামত নেমে এসেছিল - মনজুরুল হক
- স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মতীথিতেঃ ছাত্রসমাজের প্রতি জগদীশচন্দ্র বসু - ভিন্ন চিন্তা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- পছন্দের কিছু গজল - জগজিৎ সিং - মে ঘ দূ ত
- বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- বব ডিলানের একটি গান: দি টাইমস দে আর আ-চেঞ্জিং - ইমন জুবায়ের
- Raju Uncle 2d Animation - বাপ্পা dipson
- দান্তে'র প্রার্থনা (দিদিকে) - আকাশ অম্বর
- অন সান সু কিঃ বিবেকের বন্দী দুত - সুফিয়ান ডট কম
- সত্যজিৎ রায় - ২ - মে ঘ দূ ত
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- কাঞ্চনজংঘা ----- (অঞ্জন দত্ত) - বিষাক্ত মানুষ
- আমার পাপা - দীপান্বিতা
- মা দিবস শুরুর ইতিহাস ও মা-হারাদের জন্য একটি গান। - বিপ্লব কান্তি
শান্তিনিকেতন -দ্বিতীয় পর্ব
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ডাইরী থেকে-
আজ রামপুরহাট থেকে শান্তিনিকেতন পৌছালাম। স্টেশনের ভোজনালয়েই পুর ১৯জনের দল মাছ-ভাত খেয়ে পেট পুজো সাঙ্গ করলাম। গাড়ি ঠিক করাই ছিল। বেলা একটায় আমি আবার শান্তিনিকেতন এলাম।
প্রথমেই মিউজিয়াম যাওয়া হল। বেশি সময় ছিলনা তবু আমরা ঘুরে ঘুরে দেখলাম।
সবচেয়ে ভাল লাগলো পুরান অদেখা ছবিগুলো। যেমন – তিনমেয়েকে নিয়ে মৃণালিনী দেবী, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথের দাড়ি কামানো মুখ, নিচের ঠোট থেকে অনেকটা যেন হেমন্তকুমারের মত লাগলো!
এছাড়া, কত সুন্দর সুন্দর সামগ্রী। জুতো, ছোট্ট কফি মেসিন, গাউন, কোন এক রাজার দেওয়া তানপুরা, জাপানী পাখা-এগুলোই এখন চট্ করে মাথায় আসছে। নোবেলটা চুরি গেছে তাই তার রেপ্লিকা দেখেই সন্তুষ্ট হতে হল।
ওখান থেকে বেরিয়ে পাশে যত্নে রাখা তার কালো গাড়িটা দেখলাম। যার সামনে আরো দুটো চাকা এমনিই লাগালো।
এরপর সেই বিখ্যাত পাঁচটি বাড়ি দেখতে চললাম।
‘উদয়ন’ বন্ধ ছিল।
‘কোণার্ক’ গেলাম। ভেতরে ছোট্ট ছোট্ট ঠান্ডা ঠান্ডা ঘর। বাইরে বসার জায়গাটা কি সুন্দর করে দেশীয় আসবাবেই সাজান।
এরপর ‘শ্যামলী’-যেন মাটির বাড়ি- পরে শুনলাম শ্যামলীকেই যতটা সম্ভব আগের মত রাখার চেষ্টা হয়েছে। এটি নন্দলাল বসুর তত্ত্বাবধানে হয়। গান্ধীজী সস্ত্রীক শ্যামলীতে ছিলেন। আমরা শীতকালে এলেও এখানে প্রচন্ড রোদের তাপ! কিন্তু বাড়িগুলোতে ঢুকে প্রাণ যেন শান্তিতে জুড়িয়ে যায়- এত ঠান্ডা! শ্যামলীতে ছোট ছোট অনেক ঘর ছিল। যেন আমার নিজের ঘর! একটাতে বসে আঁকা শেখাই, অন্যটাতে গান, তার পাশেরটাই নাচের ক্লাস হয়। খুব আপন।
এছাড়া ‘পুনশ্চ’ আর ‘উদীচী’ বন্ধ ছিল। ‘উদীচী’টা মনেহল বৃদ্ধাশ্রম। কারণ, জানলা সব খোলা আর সামনে কিছু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা বসে রোদ পোহাচ্ছিলেন।
সামনেই বিশাল গোলাপের বাগান। কিন্তু সবচেয়ে শান্তি এই ছড়ান বাড়িগুলোর মাঝে মাঝে ছোট ছোট গাছের বিশ্রামশালা। মানে লোহার আর্চ, মাঝে পাকা বসার স্থান-সবটাই গাছে ঢাকা। সকলেই একটু একটু বিশ্রাম নিচ্ছিল। রবীন্দ্রনাথও এসব স্থানে থাকতেন, ঘুরতেন ভেবে সবাই মনে মনে নিশ্চয়ই আনন্দিত হচ্ছিল আর আজ নিজ়েরাও ঘুরছে ভেবে গর্ববোধ করছিল। তাদের দলে আমিও ছিলাম।
এখান থেকে আমরা বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে গেলাম। সরকারী গাইড নেওয়া হল। তিনি বেশ মানুষ! গান গেয়ে গেয়ে খুব সুন্দর করে প্রায় দু’ঘন্টা ধরে সব দেখালেন, বোঝালেন। যতটা মনে পরছে বলছি।
প্রথমে ‘কলাভবন '। এখানে অনেক ছোট-বড় মূর্তি আছে। রামকিঙ্কর বেইজের ‘সাঁওতাল পরিবার’, ‘কলের ডাক’- ভাষ্কর্যগুলো দেখলাম। প্রথমে নাকি লোহার মডেল বা খাঁচা করে হালকা ভাবে প্রলেপ দিয়ে দুর থেকে ছুঁড়ে ছুঁড়ে এগুলোর সৃষ্টি। ![]()
‘কালোবাড়ি’ দেখলাম। এটা মাটির তৈরি কিন্তু আলকাতরার প্রলেপ দেওয়া। কালোবাড়ির গায়ে বিভিন্ন ভারতীয় কলার কাজ।
সত্যজিতের ‘ইনার আই’-এ বিনদবিহারীর তৈরি দেওয়ালের কাজও দেখেছি। এছাড়া মিউরাল বা মুরাল আর্ট। নন্দলাল বসুর আঁকা দেওয়াল চিত্র, যেমন-চিত্রাঙ্গদা, শ্যামলী আরো কত! এখন গুলিয়ে যাচ্ছে।
যেগুলোর কথা ভোলার নয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লোহার কুমীর,কচ্ছপ-ভাষ্কর্য। একটা মাত্র পাথর কেটে পুংকেশর ও গর্ভকেশরের মিলন দৃশ্য। প্রচন্ড তাপে জলে সাঁতাররত মহিষের ভাষ্কর্য। শিল্পীর কল্পনায় মহিষের পেছনের পা’দুটি মাছের লেজের মত হয়ে গেছে। এটি রামকিঙ্কর বেইজেরই করা!
![]()
এছাড়া দেখলাম সাঁচীর স্তুপের আদলে তৈরি স্থাপত্য, ছোট্ট চৈত্য।
চৈতে স্টুডেন্টদের সেরা কাজের মডেল রাখা হয়।
বিশাল ঘন্টাও লাগানো। স্কুলের কাজ়ে ব্যবহার হয়। পাশে একজন বাউল বসেছিলেন। আমাদের দলটাকে দেখেই গান ধরলেন।
ইন্দিরা গান্ধী ছাত্রী অবস্থায় যে হোস্টেলে থাকতেন সেটাও দেখলাম, দুর থেকে।
রবীন্দ্রনাথের ছোট ছেলে শমীন্দ্রনাথের নামে পাঠাগারটা বড্ড চেনাচেনা লাগলো এখানেই মনে হল ছোটবেলা পরীক্ষা দিই, যদিও উৎরাতে পারিনি।
গৌড়প্রাঙ্গণ রাতে
ঘড়িবাড়ি
গৌড়প্রাঙ্গণ দেখলাম। এখানেই পিসির সাথে আসি। ওপাশে লর্ড সিন্হার দেওয়া ঘড়িবাড়িটিও দেখা হল।
এবার এলাম ‘দেহলী'’। এখানে রবীন্দ্রনাথ সপরিবারে থাকতেন। যদিও মৃণালিনী দেবীর মৃত্যুর পর আর উনি এখানে থাকেন নি।
![]()
এরপর ‘আম্রকুঞ্জ’ । এখানে খোলা আকাশের নিচে খোলা নিচু মঞ্চে বড় বড় সব অনুষ্ঠান হয়।
তারপর ‘তিনপাহাড়’! এর কথা রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলার আত্মকথায় আছে। দেবেন্দ্রনাথের উৎসাহে অসংখ্য পাথর কুড়িয়ে বুড়োবটের নিচে ছোট্ট রবীন্দ্রনাথ জমিয়ে এই পাহাড় বানান- এখন বাঁধান হয়েছে। দেবেন্দ্রনাথ এখানে ধ্যান করতেন।
![]()
উপাসনা মন্দির -১৮৯১
এছাড়া কাঁচের ‘উপাসনা মন্দির’ও দেখা হল। ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে প্রতি বুধবার এখানে উপাসনা হয়। এই উপাসনায় সকল ধর্মের মানুষ যোগ দিতে পারেন। এটি মহর্ষির জ্যেষ্ঠ পুত্র দ্বিজ়েন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠা করেন।
‘শান্তিনিকেতন বাড়ি’
![]()
‘অনির্বাণ শিখা’
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের তৈরি ‘শান্তিনিকেতন বাড়ি’ও দেখলাম। দেখেই ভক্তি হবে, বিশাল বাড়ি। সামনে রামকিঙ্কর বেইজের মা ও শিশুর ‘অনির্বাণ শিখা’ মূর্তি। এর অর্থ, এক জননী শান্তিনিকেতনকে শিশুরূপে কোলে তুলে ঈশ্বরের কাছে তার মঙ্গল কামনা করছেন।
‘বকুলবীথি’ দূর থেকে দেখা হল। এখানে বকুলগাছের নিচে ক্লাস হয়। প্রতিটি গাছের নিচে বেদী করা।
সবশেষে ‘ছাতিমতলা’ গেলাম। যদিও পুরানো দুটো ছাতিমগাছই মারা গেছে। পরে ওই জায়গায় দুটি ছাতিমচারা রোপণ করা হয়।
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ পুর সম্পত্তি রায়পুরের জমিদারের কাছে কেনেন। প্রায় ২০বিঘে জমি। জমিদারবাড়ি থেকে ফেরার পথে বিস্তীর্ণ প্রান্তরের উপর এই বিশাল ছাতিমগাছ দুটিকে দেখে তিনি অদ্ভূত আনন্দ ও শান্তি পান। গেটের মাথায় এখনও লেখা আছে, “তিনি আমার প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি” ।।
-এভাবে আমার শান্তিনিকেতনের সাথে পরিচয়। আবার যাওয়ার ইচ্ছে আছে। এ এক অদ্ভূত অনুভূতি! কিছু বইএ পড়া, টিভিতে দেখা-সব সামনা সামনি দেখছি! এক বিশাল কর্মকান্ড, বিরাট হৃদয়ের মানুষজনের! আর সবচেয়ে বড় কথা রবীন্দ্রনাথ হয়ত, হয়ত কেন অবশ্যই এসবই নিজ়ে হাতে স্পর্ষ করে গেছেন। আজ আমি তা দেখলাম! অনেকটা অনুভব করলাম, কিছুটা হয়ত হৃদয়ঙ্গম হল। আনন্দে মন পূর্ণ হল।
শান্তির নিকেতন-“শান্তিনিকেতন” ।।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নীড় ~ বলেছেন:
সুন্দর অভিজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...![]()
(এখনও এডিট করছি...তার উপর কম্পিউটরটা বিগরেছে
)
![]()
লেখক বলেছেন: ভাল আছি...আপনি কেমন! ![]()
হ্যাপী নিউ ইয়ার ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ![]()
happy new year ![]()
![]()
এন এইচ আর বলেছেন:
চমৎকার লাগলো ..............আপনার বর্নণাও অনেক সুন্দর হয়েছে........মুগ্ধ হয়ে পড়ে আর দেখে গেলাম-
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...
![]()
হযরত মামুন আব্দুল্লাহ্ বলেছেন:
না গিয়েও দেখা হলো। অনেকগুলো টাকা বচিয়ে দেয়ার জন্য আমার কাছে আপনার একটা খাওয়া পাওনা রইলো (সিরিয়াসলি).... লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ! ধন্যবাদ…ধন্যবাদ!…
আমার স্মৃতিশক্তি খাওয়া পাওনার ব্যাপারে বিশেষ ভাবে তীব্র কিন্তু! ![]()
শান্তিনিকেতন অবশ্যই একবার ঘুরে যান... ![]()
![]()
নীলচে তারা বলেছেন:
আপনি কি কলকাতা হয়ে গেছেন?কিভাবে যেতে হয় ইন ডিটেইল আরেকটু জানাবেন?আরেকটি পর্ব করে সেখানে জানাতে পারেন ইনফরমেশনগুলি।
লেখক বলেছেন: কলকাতা থেকে অনেক ট্রেন আছে... ‘শান্তিনিকেতন’ নামেও একটি খুব সুন্দর ট্রেন যায়! আমরা হাওড়া থেকে ‘গণদেবতা’ ধরেছিলাম... ‘গয়া এক্সপ্রেস’ও যাচ্ছে......এছাড়া, স্পল্যানেড থেকে বাসতো আছেই!
কলকাতায় আছেন! চট্ করে ঘুরে আসুন, এখনই! পৌষের মেলা এখনও চলছে!
![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
যাবার অনেক ইচ্ছে আছে ।সুন্দর অভিজ্ঞতা । হিংসে হচ্ছে
ছবি গুলো সুন্দর ছবি, সুন্দর লেখা ।
Happy New Year আপু
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ…ধন্যবাদ…Happy New Year!
আমাকেও হিংসে করে! ![]()
ছবির উৎস নেট ....
![]()
ত্রিশোনকু বলেছেন:
সুন্দর ছবি, সাবলীল লেখন।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....কেমন আছেন! নতুন বছরের শুভেচ্ছা…![]()
![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ..... ![]()
তোমার জন্যে
কাঠের কাজ ![]()
লেখক বলেছেন:
আপনার জন্য
...![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ....![]()
মোটেও রবীদা 'বুড়া' নন!
...দেখুন উপরের ছবিটা......আমার মনে এখন উনি ওই রূপেই ঘুরছেন...![]()
বেশি ঝক্ঝকে বস্তুর মধ্যে কিন্তু আন্তরিকতার ছোঁয়া কম লাগে!
জানেন! আজ মনটা বিভিন্ন কারণে ডিসটার্ভ ছিলো......তখনই তারা মিউজিকে শামা রহমানের কন্ঠে ওনার গান শুনে মন ভালো হয়ে গেলো ![]()
![]()
নতুন রাজা বলেছেন:
হেপি নিউ ইয়ার দিদি...
লেখক বলেছেন: Happy New Year, রাজামশাই! ![]()
![]()
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
সুন্দর লেখা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...![]()
শিল্পী বিনোদবিহারীর কাজ ![]()
লেখক বলেছেন: চলে আসুন, তারার হাসি! চলে আসুন ....লালমাটির দেশে...
![]()
লেখক বলেছেন: আসলে আরো ভাল লাগবে! তাই, সত্বর!
![]()
আকাশ অম্বর বলেছেন:
অ পূ র্ব !! তারার হাসি বলেছেন: ছবিগুলি টানছে তীব্রভাবে...
ওহ্ ‘বকুলবীথি’!!!
শান্তির নিকেতন-“শান্তিনিকেতন” ।।
যাব একদিন।
তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....ধন্যবাদ .....
আপনার উস্কানিতেই লেখাটা হলো!...
![]()
উপাসনা গৃহে অনুষ্ঠান
লেখক বলেছেন: আমি ভাল আছি...তোমার খবর কি! ঠান্ডায় ঠান্ডায় এখনই ঘুরে যাও না! ভাল লাগবে... ![]()
কলাভবনে ছাত্ররা
মেহবুবা বলেছেন:
তুমি অনেক প্রত্যাশিত কাজ করছো ।আরো পর্ব কি বাকী আছে শান্তিনিকেতন নিয়ে ?
একসাথে দেবে লিঙ্ক দিয়ে ; তখন সুবিধে হবে ।
কালোবাড়ি ( মাটির ঘর আলকাতরা আবরন ) দেখে এত ভাল লাগল , ইচ্ছে করছে কখনো পারলে এমন একটা বাড়ি করবো ।
অ:ট: তোমার প্রোফাইলের ছবিটা নিকের সাথে যায় না । একটু কি ভাববে বদলে দেবার কথা ?
লেখক বলেছেন: এখন আপাতত শেষ...আবার ঘুরে এসে লিখবো...কবে যাবো তা অবশ্য জানি না...
কালোবাড়ির কাজগুলোও অসাধারণ!
![]()
চিনা ভবনে নন্দলালের কাজ
.......................................
আসলে এটা আমার নিজের আঁকা, বেশ প্রিয়! বদলাতেই হবে বলছেন!![]()
সহেলী বলেছেন:
অনেক দেখা হল আপনার কল্যানে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
![]()
ত্রিশোনকু বলেছেন:
কলা ভবনের ছবিটা মনে করিয়ে দিল বছর চৌদ্দ আগের কথা। শান্তি নিকেতন এক্সপ্রেসে করে কোলকাতা থেকে গিয়েছিলাম। ওয়েষ্ট বেংগল ট্যুরিজমের কটেজে ছিলাম। সত্যিকারের নোবল প্রাইজটা দেখেছিলাম। রবীন্দ্রনাথের পালা একটা সারস পাখিও ছিল সেখানে, জ্যান্ত। শান্তি নিকেতন বন্ধ ছিল বলে ক্লাস নেয়া দেখতে পাইনি।
লেখক বলেছেন: ওয়েষ্ট বেংগল ট্যুরিজম - খুবই বিশ্বস্ত!.........খুব সুন্দর ঘুরেছিলেন......রবীন্দ্রনাথের পোষা সারস! তখনও বেঁচে! দারুন ব্যাপার!
এটা দেখুন তো...![]()
![]()
এস আই সাব্বির বলেছেন:
প্রতিটি মন্তব্যের জবাবে একটি করে নতুন ছবি। দারুন আইডিয়া। ভালো লেগেছে ছবির শান্তিনিকেতন।ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আপনাকেও
![]()
রামকিঙ্করের সাঁওতাল পরিবার
লেখক বলেছেন: মনের ক্যামেরা
....হাঃ...হাঃ! ![]()
এগুলো নেট থেকে ঝেঁপেছি
...
![]()
ত্রিশোনকু বলেছেন:
ধন্যবাদ। এটাই তখন মিস করেছিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
![]()
লেখক বলেছেন: অপুর্ব!
ডিয়ার পার্কে ঝরা পাতা
লেখক বলেছেন:
ঝট্পট্ ঘুরে যান!...অনেক ফটো তুলবেন...আমরাও দেখবো ![]()
লেখক বলেছেন: দারুন ...
কংকালীতলা
সিউল রায়হান বলেছেন:
দিদি আমার শোনা ২০০৯ এর সেরা গান: http://banglasong.evergreenbangla.com/download.php?song_id=7646শুনে দেখুন....ভাল লাগবে
লেখক বলেছেন: শ্রাবন্তীর গলাটা বেশ!......ভাল লাগলো…ধন্যবাদ
![]()
মনপুরা বলেছেন:
"শান্তিনিকেতন" দুটো পর্বই ভাল হয়েছে।শান্তিনিকেতন -দ্বিতীয় পর্ব এই পোষ্টটির ছবিগুলো দেখতে ভীষন লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...![]()
![]()
স্লেট খোদাই-এর কাজ
লেখক বলেছেন: আমার তো দেখেই খুব মজা লেগেছে!
![]()
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর
![]()
লেখক বলেছেন:
.....কি খবর! আবার কোথাও বেড়িয়ে পরলেন নাকি! ...
![]()
লেখক বলেছেন: খারাপ না!...
![]()
উপাসনাগৃহের দ্বার
লেখক বলেছেন: ইস্! অনেকগুলো দেখা হয়নি! চট্পট্ দেখে নিই...![]()
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর!
![]()
লেখক বলেছেন: অপুর্ব ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ![]()
![]()
তাজা কলম বলেছেন:
ভার্চুয়ালি শান্তি নিকেতন বেড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ায় ধন্যবাদ দিদি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
![]()
বড় বিলাই বলেছেন:
অনেক ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: অপূর্ব! ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: ছবিতেই একটা ভ্রমণ হয়ে গেলো!......আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: সত্যি খুব মিস্ করছি!
![]()
তবে আমাদের এই ভাল!![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
"আনন্দে মন পূর্ণ হল।"। অনেক ধন্যবাদ দিপা দেবী। আরো পর্ব আসছে বুঝি?
কদ্দিন ধরে ইচ্ছে শান্তিনিকেতনে একবার গিয়ে বসন্ত উৎসব দেখে আসব
লেখক বলেছেন:
বসন্ত উৎসব তো এখনও দেরি আছে! চলে আসুন, না! খুব ভাল লাগবে... ![]()
আর পর্ব নেই...আবার গেলে, আবার লিখবো...
সুবিদ্ বলেছেন:
শান্তিনিকেতন ভরা বুঝি শুধু শান্তিই.......কবে যে যাওয়া হবে
লেখক বলেছেন: হ্যা!
আমারতো মনে হয়েছিল ব্যাগ ভর্তি শান্তি আর আনন্দ ![]()
![]()
তা’তাড়ি চলে আসুন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ![]()
![]()
খোয়াই
রি য়া দ বলেছেন:
পড়ে ভালো লাগলো....আমার নিজেরো শান্তিনিকেতনের গল্পটা লিখতে ইচ্ছে করছে....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....লিখুন না! খুব ভাল লাগবে পড়তে...![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....ধন্যবাদ ![]()
সুরঞ্জনা বলেছেন:
শান্তিনিকেতনে গেলে আর বুদ্ধদেব বসু প্রতিভা বসুর বাড়ি ঘুরে এলে না?
লেখক বলেছেন: সেই তো!!!.... যাওয়া হয়নি!... ![]()
আপনি কেমন আছেন!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















