আমার প্রিয় পোস্ট

শান্তিনিকেতন -দ্বিতীয় পর্ব

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

শেয়ারঃ
0 0 0


ডাইরী থেকে-
আজ রামপুরহাট থেকে শান্তিনিকেতন পৌছালাম। স্টেশনের ভোজনালয়েই পুর ১৯জনের দল মাছ-ভাত খেয়ে পেট পুজো সাঙ্গ করলাম। গাড়ি ঠিক করাই ছিল। বেলা একটায় আমি আবার শান্তিনিকেতন এলাম।

প্রথমেই মিউজিয়াম যাওয়া হল। বেশি সময় ছিলনা তবু আমরা ঘুরে ঘুরে দেখলাম।
সবচেয়ে ভাল লাগলো পুরান অদেখা ছবিগুলো। যেমন – তিনমেয়েকে নিয়ে মৃণালিনী দেবী, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথের দাড়ি কামানো মুখ, নিচের ঠোট থেকে অনেকটা যেন হেমন্তকুমারের মত লাগলো!
এছাড়া, কত সুন্দর সুন্দর সামগ্রী। জুতো, ছোট্ট কফি মেসিন, গাউন, কোন এক রাজার দেওয়া তানপুরা, জাপানী পাখা-এগুলোই এখন চট্‌ করে মাথায় আসছে। নোবেলটা চুরি গেছে তাই তার রেপ্লিকা দেখেই সন্তুষ্ট হতে হল।

ওখান থেকে বেরিয়ে পাশে যত্নে রাখা তার কালো গাড়িটা দেখলাম। যার সামনে আরো দুটো চাকা এমনিই লাগালো।


এরপর সেই বিখ্যাত পাঁচটি বাড়ি দেখতে চললাম।
‘উদয়ন’ বন্ধ ছিল।
‘কোণার্ক’ গেলাম। ভেতরে ছোট্ট ছোট্ট ঠান্ডা ঠান্ডা ঘর। বাইরে বসার জায়গাটা কি সুন্দর করে দেশীয় আসবাবেই সাজান।
এরপর ‘শ্যামলী’-যেন মাটির বাড়ি- পরে শুনলাম শ্যামলীকেই যতটা সম্ভব আগের মত রাখার চেষ্টা হয়েছে। এটি নন্দলাল বসুর তত্ত্বাবধানে হয়। গান্ধীজী সস্ত্রীক শ্যামলীতে ছিলেন। আমরা শীতকালে এলেও এখানে প্রচন্ড রোদের তাপ! কিন্তু বাড়িগুলোতে ঢুকে প্রাণ যেন শান্তিতে জুড়িয়ে যায়- এত ঠান্ডা! শ্যামলীতে ছোট ছোট অনেক ঘর ছিল। যেন আমার নিজের ঘর! একটাতে বসে আঁকা শেখাই, অন্যটাতে গান, তার পাশেরটাই নাচের ক্লাস হয়। খুব আপন।
এছাড়া ‘পুনশ্চ’ আর ‘উদীচী’ বন্ধ ছিল। ‘উদীচী’টা মনেহল বৃদ্ধাশ্রম। কারণ, জানলা সব খোলা আর সামনে কিছু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা বসে রোদ পোহাচ্ছিলেন।

সামনেই বিশাল গোলাপের বাগান। কিন্তু সবচেয়ে শান্তি এই ছড়ান বাড়িগুলোর মাঝে মাঝে ছোট ছোট গাছের বিশ্রামশালা। মানে লোহার আর্চ, মাঝে পাকা বসার স্থান-সবটাই গাছে ঢাকা। সকলেই একটু একটু বিশ্রাম নিচ্ছিল। রবীন্দ্রনাথও এসব স্থানে থাকতেন, ঘুরতেন ভেবে সবাই মনে মনে নিশ্চয়ই আনন্দিত হচ্ছিল আর আজ নিজ়েরাও ঘুরছে ভেবে গর্ববোধ করছিল। তাদের দলে আমিও ছিলাম।

এখান থেকে আমরা বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে গেলাম। সরকারী গাইড নেওয়া হল। তিনি বেশ মানুষ! গান গেয়ে গেয়ে খুব সুন্দর করে প্রায় দু’ঘন্টা ধরে সব দেখালেন, বোঝালেন। যতটা মনে পরছে বলছি।


প্রথমে ‘কলাভবন '। এখানে অনেক ছোট-বড় মূর্তি আছে। রামকিঙ্কর বেইজের ‘সাঁওতাল পরিবার’, ‘কলের ডাক’- ভাষ্কর্যগুলো দেখলাম। প্রথমে নাকি লোহার মডেল বা খাঁচা করে হালকা ভাবে প্রলেপ দিয়ে দুর থেকে ছুঁড়ে ছুঁড়ে এগুলোর সৃষ্টি।


‘কালোবাড়ি’ দেখলাম। এটা মাটির তৈরি কিন্তু আলকাতরার প্রলেপ দেওয়া। কালোবাড়ির গায়ে বিভিন্ন ভারতীয় কলার কাজ।

সত্যজিতের ‘ইনার আই’-এ বিনদবিহারীর তৈরি দেওয়ালের কাজও দেখেছি। এছাড়া মিউরাল বা মুরাল আর্ট। নন্দলাল বসুর আঁকা দেওয়াল চিত্র, যেমন-চিত্রাঙ্গদা, শ্যামলী আরো কত! এখন গুলিয়ে যাচ্ছে।

যেগুলোর কথা ভোলার নয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লোহার কুমীর,কচ্ছপ-ভাষ্কর্য। একটা মাত্র পাথর কেটে পুংকেশর ও গর্ভকেশরের মিলন দৃশ্য। প্রচন্ড তাপে জলে সাঁতাররত মহিষের ভাষ্কর্য। শিল্পীর কল্পনায় মহিষের পেছনের পা’দুটি মাছের লেজের মত হয়ে গেছে। এটি রামকিঙ্কর বেইজেরই করা!

এছাড়া দেখলাম সাঁচীর স্তুপের আদলে তৈরি স্থাপত্য, ছোট্ট চৈত্য।
চৈতে স্টুডেন্টদের সেরা কাজের মডেল রাখা হয়।
বিশাল ঘন্টাও লাগানো। স্কুলের কাজ়ে ব্যবহার হয়। পাশে একজন বাউল বসেছিলেন। আমাদের দলটাকে দেখেই গান ধরলেন।

ইন্দিরা গান্ধী ছাত্রী অবস্থায় যে হোস্টেলে থাকতেন সেটাও দেখলাম, দুর থেকে।

রবীন্দ্রনাথের ছোট ছেলে শমীন্দ্রনাথের নামে পাঠাগারটা বড্ড চেনাচেনা লাগলো এখানেই মনে হল ছোটবেলা পরীক্ষা দিই, যদিও উৎরাতে পারিনি।


গৌড়প্রাঙ্গণ রাতে

ঘড়িবাড়ি
গৌড়প্রাঙ্গণ দেখলাম। এখানেই পিসির সাথে আসি। ওপাশে লর্ড সিন্‌হার দেওয়া ঘড়িবাড়িটিও দেখা হল।

এবার এলাম ‘দেহলী'’। এখানে রবীন্দ্রনাথ সপরিবারে থাকতেন। যদিও মৃণালিনী দেবীর মৃত্যুর পর আর উনি এখানে থাকেন নি।


এরপর ‘আম্রকুঞ্জ’ । এখানে খোলা আকাশের নিচে খোলা নিচু মঞ্চে বড় বড় সব অনুষ্ঠান হয়।

তারপর ‘তিনপাহাড়’! এর কথা রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলার আত্মকথায় আছে। দেবেন্দ্রনাথের উৎসাহে অসংখ্য পাথর কুড়িয়ে বুড়োবটের নিচে ছোট্ট রবীন্দ্রনাথ জমিয়ে এই পাহাড় বানান- এখন বাঁধান হয়েছে। দেবেন্দ্রনাথ এখানে ধ্যান করতেন।


উপাসনা মন্দির -১৮৯১
এছাড়া কাঁচের ‘উপাসনা মন্দির’ও দেখা হল। ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে প্রতি বুধবার এখানে উপাসনা হয়। এই উপাসনায় সকল ধর্মের মানুষ যোগ দিতে পারেন। এটি মহর্ষির জ্যেষ্ঠ পুত্র দ্বিজ়েন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠা করেন।


‘শান্তিনিকেতন বাড়ি’

‘অনির্বাণ শিখা’
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের তৈরি ‘শান্তিনিকেতন বাড়ি’ও দেখলাম। দেখেই ভক্তি হবে, বিশাল বাড়ি। সামনে রামকিঙ্কর বেইজের মা ও শিশুর ‘অনির্বাণ শিখা’ মূর্তি। এর অর্থ, এক জননী শান্তিনিকেতনকে শিশুরূপে কোলে তুলে ঈশ্বরের কাছে তার মঙ্গল কামনা করছেন।


‘বকুলবীথি’ দূর থেকে দেখা হল। এখানে বকুলগাছের নিচে ক্লাস হয়। প্রতিটি গাছের নিচে বেদী করা।


সবশেষে ‘ছাতিমতলা’ গেলাম। যদিও পুরানো দুটো ছাতিমগাছই মারা গেছে। পরে ওই জায়গায় দুটি ছাতিমচারা রোপণ করা হয়।
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ পুর সম্পত্তি রায়পুরের জমিদারের কাছে কেনেন। প্রায় ২০বিঘে জমি। জমিদারবাড়ি থেকে ফেরার পথে বিস্তীর্ণ প্রান্তরের উপর এই বিশাল ছাতিমগাছ দুটিকে দেখে তিনি অদ্ভূত আনন্দ ও শান্তি পান। গেটের মাথায় এখনও লেখা আছে, “তিনি আমার প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি” ।।

-এভাবে আমার শান্তিনিকেতনের সাথে পরিচয়। আবার যাওয়ার ইচ্ছে আছে। এ এক অদ্ভূত অনুভূতি! কিছু বইএ পড়া, টিভিতে দেখা-সব সামনা সামনি দেখছি! এক বিশাল কর্মকান্ড, বিরাট হৃদয়ের মানুষজনের! আর সবচেয়ে বড় কথা রবীন্দ্রনাথ হয়ত, হয়ত কেন অবশ্যই এসবই নিজ়ে হাতে স্পর্ষ করে গেছেন। আজ আমি তা দেখলাম! অনেকটা অনুভব করলাম, কিছুটা হয়ত হৃদয়ঙ্গম হল। আনন্দে মন পূর্ণ হল।
শান্তির নিকেতন-“শান্তিনিকেতন” ।।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০
নীড় ~ বলেছেন: সুন্দর অভিজ্ঞতা।
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...:)

(এখনও এডিট করছি...তার উপর কম্পিউটরটা বিগরেছে :( )

২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৩
নীল-দর্পণ বলেছেন: ছবি এবং বর্ননা দুটোই ভাল লাগল।
হ্যাপী নিউ ইয়ার। :)
কেমন আছেন দিদি। :)
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: ভাল আছি...আপনি কেমন! :)

হ্যাপী নিউ ইয়ার :)

০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :)

happy new year :)


৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৯
এন এইচ আর বলেছেন: চমৎকার লাগলো ..............


আপনার বর্নণাও অনেক সুন্দর হয়েছে........মুগ্ধ হয়ে পড়ে আর দেখে গেলাম-
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...:)

৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৪
হযরত মামুন আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: না গিয়েও দেখা হলো। অনেকগুলো টাকা বচিয়ে দেয়ার জন্য আমার কাছে আপনার একটা খাওয়া পাওনা রইলো (সিরিয়াসলি).... :) :) :)
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ! ধন্যবাদ…ধন্যবাদ!…

আমার স্মৃতিশক্তি খাওয়া পাওনার ব্যাপারে বিশেষ ভাবে তীব্র কিন্তু! ;)


শান্তিনিকেতন অবশ্যই একবার ঘুরে যান... :)

৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৬
নীলচে তারা বলেছেন: আপনি কি কলকাতা হয়ে গেছেন?কিভাবে যেতে হয় ইন ডিটেইল আরেকটু জানাবেন?আরেকটি পর্ব করে সেখানে জানাতে পারেন ইনফরমেশনগুলি।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: কলকাতা থেকে অনেক ট্রেন আছে... ‘শান্তিনিকেতন’ নামেও একটি খুব সুন্দর ট্রেন যায়! আমরা হাওড়া থেকে ‘গণদেবতা’ ধরেছিলাম... ‘গয়া এক্সপ্রেস’ও যাচ্ছে......এছাড়া, স্পল্যানেড থেকে বাসতো আছেই!

কলকাতায় আছেন! চট্‌ করে ঘুরে আসুন, এখনই! পৌষের মেলা এখনও চলছে!

৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: যাবার অনেক ইচ্ছে আছে ।

সুন্দর অভিজ্ঞতা । হিংসে হচ্ছে :P
ছবি গুলো সুন্দর ছবি, সুন্দর লেখা ।

Happy New Year আপু
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ…ধন্যবাদ…Happy New Year!

আমাকেও হিংসে করে! ;)

ছবির উৎস নেট ....:P

৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২১
ত্রিশোনকু বলেছেন: সুন্দর ছবি, সাবলীল লেখন।ধন্যবাদ।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....কেমন আছেন! নতুন বছরের শুভেচ্ছা…:)

৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪১
চতুষ্কোণ বলেছেন: শান্তির নিকেতন-“শান্তিনিকেতন” ।।

অপূর্ব লাগলো দিদি! অবশ্যই প্রিয়তে।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ..... :)

তোমার জন্যে

কাঠের কাজ :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন:
আপনার জন্য ;)...:P

১১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৫
চাঙ্কু বলেছেন: ভার্চুয়াল শান্তিনিকেতন দেখতে মজা আছে দেখি । রবীদার মত বিল্ডিংগুলাও দেখি বুড়া :D :)
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ....:)

মোটেও রবীদা 'বুড়া' নন!:P ...দেখুন উপরের ছবিটা......আমার মনে এখন উনি ওই রূপেই ঘুরছেন...;)

বেশি ঝক্‌ঝকে বস্তুর মধ্যে কিন্তু আন্তরিকতার ছোঁয়া কম লাগে!

জানেন! আজ মনটা বিভিন্ন কারণে ডিসটার্ভ ছিলো......তখনই তারা মিউজিকে শামা রহমানের কন্ঠে ওনার গান শুনে মন ভালো হয়ে গেলো :)

১২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১২
নতুন রাজা বলেছেন: হেপি নিউ ইয়ার দিদি...
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: Happy New Year, রাজামশাই! :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...:)



শিল্পী বিনোদবিহারীর কাজ :)

১৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৭
তারার হাসি বলেছেন:
ছবিগুলি টানছে তীব্রভাবে...
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: চলে আসুন, তারার হাসি! চলে আসুন ....লালমাটির দেশে...:)

১৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ছবিগুলো দারুন!
যেতে মন চাইছে.....
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আসলে আরো ভাল লাগবে! তাই, সত্বর!:D

১৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
আকাশ অম্বর বলেছেন: অ পূ র্ব !!


তারার হাসি বলেছেন: ছবিগুলি টানছে তীব্রভাবে...

ওহ্‌ ‘বকুলবীথি’!!!

শান্তির নিকেতন-“শান্তিনিকেতন” ।।
যাব একদিন।




তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....ধন্যবাদ .....8-|

আপনার উস্কানিতেই লেখাটা হলো!...:P



উপাসনা গৃহে অনুষ্ঠান

১৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
সিউল রায়হান বলেছেন: চমৎকার লিখা দিদি :) ঘুরে আসতে হবে সময় করে.....

কেমন আছেন ??
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি ভাল আছি...তোমার খবর কি! ঠান্ডায় ঠান্ডায় এখনই ঘুরে যাও না! ভাল লাগবে... :)



কলাভবনে ছাত্ররা

১৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৮
মেহবুবা বলেছেন: তুমি অনেক প্রত্যাশিত কাজ করছো ।
আরো পর্ব কি বাকী আছে শান্তিনিকেতন নিয়ে ?
একসাথে দেবে লিঙ্ক দিয়ে ; তখন সুবিধে হবে ।
কালোবাড়ি ( মাটির ঘর আলকাতরা আবরন ) দেখে এত ভাল লাগল , ইচ্ছে করছে কখনো পারলে এমন একটা বাড়ি করবো ।

অ:ট: তোমার প্রোফাইলের ছবিটা নিকের সাথে যায় না । একটু কি ভাববে বদলে দেবার কথা ?
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: এখন আপাতত শেষ...আবার ঘুরে এসে লিখবো...কবে যাবো তা অবশ্য জানি না...:D

কালোবাড়ির কাজগুলোও অসাধারণ!


চিনা ভবনে নন্দলালের কাজ


.......................................
আসলে এটা আমার নিজের আঁকা, বেশ প্রিয়! বদলাতেই হবে বলছেন!/:)

১৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৮
সহেলী বলেছেন: অনেক দেখা হল আপনার কল্যানে ।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: কলা ভবনের ছবিটা মনে করিয়ে দিল বছর চৌদ্দ আগের কথা। শান্তি নিকেতন এক্সপ্রেসে করে কোলকাতা থেকে গিয়েছিলাম। ওয়েষ্ট বেংগল ট্যুরিজমের কটেজে ছিলাম। সত্যিকারের নোবল প্রাইজটা দেখেছিলাম। রবীন্দ্রনাথের পালা একটা সারস পাখিও ছিল সেখানে, জ্যান্ত। শান্তি নিকেতন বন্ধ ছিল বলে ক্লাস নেয়া দেখতে পাইনি।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: ওয়েষ্ট বেংগল ট্যুরিজম - খুবই বিশ্বস্ত!.........খুব সুন্দর ঘুরেছিলেন......রবীন্দ্রনাথের পোষা সারস! তখনও বেঁচে! দারুন ব্যাপার!


এটা দেখুন তো...:)

২১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৬
এস আই সাব্বির বলেছেন: প্রতিটি মন্তব্যের জবাবে একটি করে নতুন ছবি। দারুন আইডিয়া। ভালো লেগেছে ছবির শান্তিনিকেতন।

ভালো থাকবেন।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

আপনাকেও

রামকিঙ্করের সাঁওতাল পরিবার

২২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৯
সিউল রায়হান বলেছেন: আপনি অনেক অনেক ছবি তোলেন দিদি :) কোন ক্যামেরা ব্যবহার করেন ???
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: মনের ক্যামেরা ;) ....হাঃ...হাঃ! :P

এগুলো নেট থেকে ঝেঁপেছি ;) ...:D

২৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৩
ত্রিশোনকু বলেছেন: ধন্যবাদ। এটাই তখন মিস করেছিলাম।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: অপুর্ব! :)




ডিয়ার পার্কে ঝরা পাতা

২৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
বৃত্তবন্দী বলেছেন: লোভ ধরিয়ে দিলেন... আপনাকে মাইনাস... ;)
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন:
ঝট্‌পট্‌ ঘুরে যান!...অনেক ফটো তুলবেন...আমরাও দেখবো :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: দারুন ...:)



কংকালীতলা

২৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩০
সিউল রায়হান বলেছেন: দিদি আমার শোনা ২০০৯ এর সেরা গান: http://banglasong.evergreenbangla.com/download.php?song_id=7646

শুনে দেখুন....ভাল লাগবে


০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: শ্রাবন্তীর গলাটা বেশ!......ভাল লাগলো…ধন্যবাদ :)


২৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৬
মনপুরা বলেছেন: "শান্তিনিকেতন" দুটো পর্বই ভাল হয়েছে।শান্তিনিকেতন -দ্বিতীয় পর্ব এই পোষ্টটির ছবিগুলো দেখতে ভীষন লাগল।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...:)


স্লেট খোদাই-এর কাজ

২৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেখ যে কী শীত চিনে! আমাদের বাংলাই ভালো। কি বলো?
Click This Link
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: আমার তো দেখেই খুব মজা লেগেছে! :)

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর:)

৩১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬
আকাশ অম্বর বলেছেন: হুম! ওরকম উস্কানি ছাড়া হবে না তাহলে! চলতেই থাকবে.....:)
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: :P .....কি খবর! আবার কোথাও বেড়িয়ে পরলেন নাকি! ...:D


৩২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৮
আকাশ অম্বর বলেছেন: নাহ্‌! আপাতত নয় দিদি! বেশ কাটছে সময় তোমার তাহলে! :)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: খারাপ না!...:D



উপাসনাগৃহের দ্বার

৩৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেখ যে বাংলাদেশের উত্তরের একটি গ্রামের শীতের অদ্ভূত এক ছবি:

Click This Link

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ইস্‌! অনেকগুলো দেখা হয়নি! চট্‌পট্‌ দেখে নিই...:D

৩৪. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আর দেখ যে কী সুন্দর প্রবাল দ্বীপ ...
Click This Link
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর!

৩৫. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেখ আরও কিছু ছবি দক্ষিণপূর্ব বাংলাদেশের

Click This Link
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: অপুর্ব :)

৩৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
যীশূ বলেছেন: এই পোস্টের ছবিতে মন ভরেছে অনেকটাই। প্রিয়তে নিলাম। :)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ :)

৩৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
তাজা কলম বলেছেন: ভার্চুয়ালি শান্তি নিকেতন বেড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ায় ধন্যবাদ দিদি।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৩৮. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৪
বড় বিলাই বলেছেন: অনেক ভালো লাগল।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: অপূর্ব! :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: ছবিতেই একটা ভ্রমণ হয়ে গেলো!......আপনাকে অনেক ধন্যবাদ :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: সত্যি খুব মিস্ করছি! :((


তবে আমাদের এই ভাল!:D

৪২. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: "আনন্দে মন পূর্ণ হল।"।

অনেক ধন্যবাদ দিপা দেবী। আরো পর্ব আসছে বুঝি?

কদ্দিন ধরে ইচ্ছে শান্তিনিকেতনে একবার গিয়ে বসন্ত উৎসব দেখে আসব :(। হায়রে আমার ইচ্ছে...
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন:

বসন্ত উৎসব তো এখনও দেরি আছে! চলে আসুন, না! খুব ভাল লাগবে... :)

আর পর্ব নেই...আবার গেলে, আবার লিখবো...:D

৪৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
সুবিদ্ বলেছেন: শান্তিনিকেতন ভরা বুঝি শুধু শান্তিই.......কবে যে যাওয়া হবে
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: হ্যা!:D আমারতো মনে হয়েছিল ব্যাগ ভর্তি শান্তি আর আনন্দ :)


তা’তাড়ি চলে আসুন!

৪৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২১
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার সব ছবির সংগ্রহ :)
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ :)




খোয়াই

৪৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৫
রি য়া দ বলেছেন: পড়ে ভালো লাগলো....আমার নিজেরো শান্তিনিকেতনের গল্পটা লিখতে ইচ্ছে করছে....
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....লিখুন না! খুব ভাল লাগবে পড়তে...:)

৪৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৩
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: প্রিয়তে নিতে বাধ্য করলেন দেখছি :)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .....ধন্যবাদ :D

৪৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১১
সুরঞ্জনা বলেছেন: শান্তিনিকেতনে গেলে আর বুদ্ধদেব বসু প্রতিভা বসুর বাড়ি ঘুরে এলে না?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: সেই তো!!!.... যাওয়া হয়নি!... :(


আপনি কেমন আছেন!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই