আমার প্রিয় পোস্ট
- সহজিয়া ফেসবুক : আরো দ্রুত , আরো স্বাছ্যন্দ - আরিফ বল্গ
- অনিকেত প্রান্তর (আর্টসেল) - নষ্ট ছেলে
- আমার ফটোগ্রাফী শেখা -১ - ওরাকল
- আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুন - নতুন রাজা
- সকলেই বলছে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলী গেল, কিন্তু কি করে বুঝলাম না.... - শিবপ্রিয়া
- সময়গুলো সব এমনি করেই কোথায় যেন চলে যায়!! - ত্রেয়া
- ভাবতেছি একটা ছাইয়া নিক খুলুম
আর মজা দেখুম
(পুরাই ফান পোষ্ট
) - চতুষ্কোণ
- ব্লগার্স মেন্টাল হসপিটাল
- ১ম পর্ব - এরশাদ বাদশা
- ঢাকায় কোথায় কোন উল্যেখযোগ্য লাইব্রেরীঃ - জুল ভার্ন
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি -৯ [ ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবারের কিছু ব্যক্তিগত ছবি ] - কুঁড়ের বাদশা
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- 3 Idiots সবচেয়ে বেষ্ট প্রিন্ট (প্রায় ডিভিডি রিপ) - বিডি আইডল
- বিদেশী ছেলে মানেই সোনার ছেলে নয় ,আপনার মেয়েকে,বোনকে বিয়ে দেওয়ার আগে একটু ভাবুন - এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি
- সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার, টেকনাফ, হিমছড়ি, ইনানী - রুদ্ধশ্বাস ভ্রমণ, ৩ দিন, ৬ টি স্থান, ৫০০ ফটো -১ম পর্ব - মাহমূদ হাসান
- ভারতের তারা টিভিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পদদলিত ! সরকারের ব্যবস্থা কি ? - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ২০০৯ সাল ও আওয়ামীলীগ - অন্তীম
আপচুচ পুরা আ'লীগ টায় নব্য রেজাকারে ভইরা গেলো। সত্য ঘটনা অবলম্বনে।
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১
![]()
বি:দ্র: কারও গায়ে জ্বালা লাগলে এই পোস্টে ঢুকা নিষেধ।
কুষ্টিয়া আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন কমিটির নেতৃত্বে একাত্তরে বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্বজনরা!
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন শাখার নেতৃত্বে একাত্তরে বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্বজনরা রয়েছেন। ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি কুষ্টিয়া শাখা ঘোষিত একটি তালিকা পর্যালোচনা করে বিষয়টি জানা গেছে। গত ১১ ডিসেম্বর কৃষ্টিয়ামুক্ত দিবসে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জেলার পাক হানাদার বাহিনীর দোসর রাজাকারদের নামের তালিকা প্রকাশের ঘোষণা দেয়। পরে তালিকাভুক্ত ৯৭১ জন রাজাকারের মধ্যে ১২৯ জনের নাম ঘোষণা করা হয়।
ওই তালিকায় রয়েছেন কুমারখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর। তার পিতা মরহুম জোয়াদ আলী ছিলেন পিস কমিটির সভাপতি। কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ আলম মধু। তার পিতা মরহুম জালাল উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন রাজাকার।
জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী। তার পিতা আবু তালেব ছিলেন কুখ্যাত রাজাকার। জেলা যুব লীগের সভাপতি একে সিদ্দিক। তার পিতা ডা. আকবর আলী ছিলেন রাজাকার। ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রানা। তার ভাই শামীমুল ইসলাম ছানা ভেড়ামারা যুবলীগ নেতা। তাদের দাদা হাজী হামিজ উদ্দিন, পিতা ছামসুল হক, চাচা আব্দুর রাজ্জাক রেনু ছিলেন রাজাকার।(whole family) ভেড়ামারা শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন লাল্টু। তার পিতা হাজী গোলজার হোসেন ছিলেন রাজাকার।
হায়রে আমলীগ তুই জাতিকে আর কতো মুলা দেখাবী।
তোমার দলের সাঙ্গপাঙ্গ এবং ব্লগার রা চিকরাই শিবির গুলা রাজাকার পুত্র আর এখন তোমার গুলা কি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান?
যা হউক সত্যি যে ছাপা থাকেনা তা আবার দেখা গেল, সো মি: আ'লীগ হুশিয়ার, কেছোঁ খুড়তে গেলে এভাবে সাপ বেরিয়ে আসে।
সূত্র-আমাদের সময়....০১/০১/১০ ইং
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হুলো-বেড়াল বলেছেন:
রাজাকাররা আম্মালীগ করলেই মুক্তিযোদ্ধা বনে যায়...আপনার টেনশন নেয়ার কিছু নাই...
লেখক বলেছেন: একদম ঠিক, আসুন এদের মুখোশ খুলে দি।
লেখক বলেছেন: সবাই ক্ষুব্ধ............................
বুদ্ধিজিবী বলেছেন:
এই লন পেলাস...+
লেখক বলেছেন: লইলাম
েহলাল খান বলেছেন:
কৌতুহলি ব্লগার আপনার কাছ থেকে এরকম আরও তথ্য চাই। মামলা করুম।আপচুচ ওরা নাকি যুদ্ধাপারধূর বিচার করবে, নিজেরাই এতে ভরা।
লেখক বলেছেন: ঠিক।
েহলাল খান বলেছেন:
এই লন পেলাস...+++++
লেখক বলেছেন: এতো + দিয়ে কি করুম
আবু সালেহ সুমন বলেছেন:
প্লাস+
লেখক বলেছেন: + আমাকে না দিয়ে আমলীগরে দেন।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
এই পোষ্ট লইয়া আম্লিগ ইতিমধ্যে ভারতের কাছে নালিশ করছে। আপ্নের খবর আছে।+
লেখক বলেছেন: Alas!!!
বিডিআর বলেছেন:
আওয়ামী লীগ রে জুতা সহকারে মাইনাস। পোষ্টে প্লাস
লেখক বলেছেন: এতো রাগ করার কি আছে। আরও সাপ বের হবে।
সুধাসদন বলেছেন:
আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম, একে ফায়জুল হক, বর্তমান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ (হাসিনার বেয়াই) , পিরোজপুরের সাংসদ ডা. আনোয়ার হোসেন এরা সবাই স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেন। এছাড়া আওয়ামী বুদ্ধিজীবী কবি-সাহিত্যিকদের একটা বড় অংশ একাত্তরে পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছেন। কবি শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, কবির চৌধুরী, শাহরিয়ার কবীর এরা আওয়ামী লীগের কাছে মহান মুক্তিযোদ্ধা হলেও একাত্তরে এরা পাকিস্তানের পক্ষে সংগ্রাম করেছেন। লেখক বলেছেন: এই ইতিহাস গুলো কি সুধাসদনে লিপিবদ্ধ আছে?
লেখক বলেছেন: আলীবাবার দরজা খুলে গেল, সব পরিষ্কার দেখা গেলো।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
+++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
বুদ্ধিজিবী বলেছেন:
@সুধাসদন...আপনার সঙ্গে ১০০ ভাগ সহমত...
লেখক বলেছেন: আমিও
বুদ্ধিজিবী বলেছেন:
@সুধাসদন...আপনার সঙ্গে ১০০ ভাগ সহমত...
লেখক বলেছেন: মি টু।
সুধাসদন বলেছেন:
আমার আগের একটি পোস্টে কয়েকজন মন্ত্রী এমপির কথা বলেছিলাম যারা একাত্তরে স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেন। দেখুন--১.শেখ হাসিনার বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছিলেন ফরিদপুর শান্তি কমিটির প্রধান। তিনি শেখ হাসিনার বেয়াই।
২. বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের এমপি ডা.আনোয়ার হোসেন একজন যুদ্ধাপরাধী। তার সম্পর্কে সাঈদ বাহাদুর লিখিত ‘গণহত্যা ও বধ্যভূমি ৭১’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ডা. আনোয়ার হোসেন ১৯৭১ সালে তার সহপাঠী ও যশোর বোর্ডের কৃতী সন্তান গণপতি হালদারকে রাজাকারদের হাতে তুলে দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন।
৩. শেখ হাসিনার আগের মন্ত্রীসভায় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মাওলানা নুরুল ইসলাম ছিলেন জামালপুরে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান। দালাল আইনে ৫ বছরের জেল হয়েছিল তার । তিনি তিন বছর জেল খেটেছেন।
৪. শেখ হাসিনা পাটমন্ত্রী করেছিলেন একে ফয়জুল হককে। যিনি দালাল আইনে ১ বছর জেল খেটেছেন।
Click This Link
আর বাকী কবি সাহিত্যিকদের ব্যাপারেও অনেক প্রমাণ আছে। তারা একাত্তরের পাকিস্তানের পক্ষে কলম ধরলেও স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগার বনে যান। মোটকথা রাজাকারদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের অবদান একেবারে কম নয়।
লেখক বলেছেন: অনেক তথ্য পাওয়া গেল। ভবিষ্যতে কাজে আসবে বলে মনে হচ্ছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ফলাফল অশ্বডিম্ব।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
হুলো-বেড়াল বলেছেন: রাজাকাররা আম্মালীগ করলেই মুক্তিযোদ্ধা বনে যায়...আপনার টেনশন নেয়ার কিছু নাই...
লেখক বলেছেন: এটা ঐতিহাসিক সত্য কথা।
সালমান খান বলেছেন:
এইডা কি কইলেন হ্যাতেগো পিতা শেখ মুজিব,আর শেখ মুজিবের সন্তানেরা,পাকি রাজাকারের সন্তান হয় কি করে,
লেখক বলেছেন: কি জানি।
কাওছার৯৯ বলেছেন:
যদি এমন হয় তাহলে লীগ পরিবাররা রাজাকারের বিচার ক্যামনে করবে
লেখক বলেছেন: তাইতো, আর বিচার করলে ওরা কি ওদের বাবার ফাসীঁ সহ্য করতে পারবে?
লেখক বলেছেন: তাহলে ছাগুদের নিয়ে এতো টানাটানি কেন?
লেখক বলেছেন: কান্না আসে মাঝে মাঝে।
লেখক বলেছেন: আমি গাজর খেতে লাইক করি।
অমেদুল বলেছেন:
আম্লীগের কাউকে দেখিনা যে । ক্ষমতার এক বছর না যেতেই ব্লগ থেকে পলায়ন। আর এক বছর গেলে কি দেশ ছেড়ে পালাবে?আম্লীগের পাচাটা গোলাম "গরীব মানুষ" কোথায়?
লেখক বলেছেন: এভাবে বলবেন না তাতে তারা আরও ভয় পাবে।
লেখক বলেছেন: পোস্টটি ৩১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি।
লাস্ট আপডেট
রহমানরক্তিম বলেছেন:
সুধাসদন বলেছেন: পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
তার মানে কি দাড়ায়?তার মানে দাড়ায় তাদের বেতন বন্ধ আছে। ওরা কই? মনে হয় সংঘবদ্ধ হচ্ছে।
যাহোক আমি ঘুমাতে যাচ্ছি
রাতের অন্ধকারে মাইনাস পড়লে খবর আছে। রাতে মাইনাস দেয়া কাপুরুষের কাজ।
লেখক বলেছেন: হুমকি দিয়ে লাভ নেই।
নিউজকাস্টার বলেছেন:
শুধু কুষ্টিয়ায় কেন, সারাদেশে বহু যুদ্ধাপরাধী আওয়ামী লীগের পতাকাতলে আশ্রয় নিয়েছে। সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর দেশের কয়েকটি স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলাও হয়েছে। সঠিক বিচার হলে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা ফেঁসে যাবে ভেবে সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচারে অযথা কালক্ষেপন করছে। তারা নিজেদের দলের যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর লক্ষ্যে কতিপয় ‘চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী’র বিচার করার ঘোষণা দিয়েছে। তার মানে তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে চায়, প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নয়। আওয়ামী লীগ নেতারা যে যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত তা সুধাসদনের পোস্ট থেকে স্পষ্ট হয়েছে। তারপরও নিচের দুটো খবরের দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বগুড়ায় সাবেক আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা
মার্চ ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ) জাতীয় সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাশ হবার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি মামলা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম আদালতে আকবর আলীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন নন্দীগ্রাম উপজেলার ধোন্দার হিন্দুপাড়া গ্রামের চৈতন্য নাথ দাস। হাকিম মো. জিয়াউর রহমান অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নন্দীগ্রাম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ১৭ মে আসামি আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন এবং যাবার সময় আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়। এ সময় বাদী পার্শ্ববর্তী দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে আশ্রয় নেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, নন্দীগ্রাম উপজেলার পূর্ব একডালা গ্রামের লালমন প্রামাণিকের ছেলে আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ও শান্তি কমিটির নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।
সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা
বুধবার, 19 আগস্ট 2009 23:16
Click This Link
এবার যুদ্ধাপরাধ মামলা চেপেছে জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ স্থানীয় নেতা সহ তার দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশে এরই মধ্যে মামলাটি রেকর্ড হয়েছে শ্যামনগর থানায়। তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ। মামলাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তোলপাড়।
শ্যামনগরের কাশিমারি গ্রামের কানাই গাজীর পুত্র আব্দুল হামিদ গাজী নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে উল্লেখ করে সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট হুমায়ূন কবিরের আদালতে অভিযোগে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর তার মুক্তিযোদ্ধা ভাই মোক্তার আলী, চাচাত ভাই একব্বার ও আবু তালেবকে কয়েক রাজাকার বাড়ি থেকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাদেরকে শ্যামনগরের চুনানদীর তীরে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেয়। যারা এই নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটায় তারা হচ্ছে, উপজেলার কাশিমারি গ্রামের ইউসুফ আলী কারিকরের দুই পুত্র আনোয়ার হোসে কারিকর ও আদর আলী কারিকর, গোলাম তরফদারের পুত্র ছইলউদ্দীন তরফদার, নাটু তরফদারের পুত্র আব্দুল হক তালুকদার, জহুরুল হক মোল্লার পুত্র আব্দুস সবুর মোল্লা, আব্বাস আলীর পুত্র রহিম পাড় সহ অজ্ঞাত পরিচয়ের ১০/১২ জন। তিনজনকে গুলি করে হত্যা ছাড়াও বাদি তাদের বিরুদ্ধে মহিলাদের সম্ভ্রম হানি ও লুটতরাজের অভিযোগ এনেছে। বাদি তার আরতি উল্লেখ করেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর হত্যাকারি রাজাকাররা আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। মামলার প্রধান আসামী আনোয়ার হোসেন কারিকর বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং মামলায় পাঁচ নম্বর আসামী আব্দুস সবুর মোল্লা শ্যামনগর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী। অপর তিন আসামী আওয়ামী লীগের কর্মী বলে জানা গেছে। বাদি গত ৫ আগস্ট মামলাটি সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। বিচারক শ্যামনগর থানার ওসিকে অভিযোগটি এফ আই আর হিসাবে গন্য করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ পাওয়ার পর গত ১৬ আগস্ট শ্যামনগর থানায় নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: কি দেখার কথা কি দেখছি,কি বলার কথা কি বলছি।
স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরেও আমি তাকে খুজছি।
হায়দার আলী
লেখক বলেছেন: সনাতন মাইরের প্রয়োজন।
ত্রিমাত্রিক বলেছেন:
ভাই হাম্বলীগরে খেপাইয়েন না, পরে দেখবেন আপনার নামও রাজাকার লিস্টিতে চইলা আইছে।
লেখক বলেছেন: আমি যদি হয় ছাগু তাতে কি সব মিছা হয়ে যাবে কাগু?
তর্ষ বলেছেন:
এদের যে বিশ্বাস করছে সে গেছে মানে মুক্তিযোদ্ধা হয়া গেচে........
লেখক বলেছেন: সত্যি বললে যত দোষ।
বিডি আইডল বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি কইরা খাওয়া পাট্টির কাছ থেকে এর বেশী কিছু আশা করাও ঠিক না
লেখক বলেছেন: অতীতে তারা এ কাজ করেছে, ভবিষ্যতে যে করবেনা এটা আশা করা অবান্তর।
সমাজ্ঞী বলেছেন:
সুধাসদন@শাহরিয়ার কবীর সম্পর্কে একটু ভুল সংশোধন করে নিলে ভাল হবে।
তিনি বিচিত্রার সাহাদাত চৌধুরী, নাসিরূদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর সাথের নন-আওয়ামী লীগার মুক্তিযোদ্ধা। আওয়ামী লীগার না হয়েও যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলেন - এই সুযোগ করে দিয়েছিলেন একমাত্র কে ফোর্সের খালেদ মোশাররফ। বিখ্যাত রুমি, যার মা জাহানারা ইমাম, সেই রুমি এদের সঙ্গে ছিলেন।
শাহরিয়ার কবীর চীনপন্থি কমিউনিষ্টদের কোন এক ধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বশেষ উমর ভাইয়ের সাথে রাজনীতি করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে তিনি জহির রায়হান, শহিদুল্লাহ কায়সারের সম্পর্কিত ভাই, সম্ভবত চাচাতো।
"ঘাতক দালালেরা কে কোথায়?" - নামে ১৯৮৫-৮৬ বইটা বের করার সময়ও তিনি আওয়ামি লীগার নন, বিচিত্রায় চাকরি করতেন। তখনও তিনি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল নুরুজ্জামানের সাথে সম্পর্কিত।
এছাড়া সে আমলের তারকালোক কাজ করতেন এমন একজন যিনি মূলত বইটা সংকলিত করেছেন তিনি এখন বিএনপি করেন। রাজনীতিগত ভাবে এরা সকলে সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি বিরোধী - শেখের আমলেই আওয়ামী লীগ বিরোধী মুক্তিযোদ্ধা সংসদ করেছেন তারা।
জহির রায়হান প্রসঙ্গে শাহরিয়ার কবিরের এক মারাত্মক অবসশেন আছে। রাজাকার বা জামাতে ইসলামীর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ সেই অবসেশনের অংশ। এই কাজ করতে যেয়ে তাঁর অবসেশন একসময় ১৯৭১ যুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় জেনারেলদের সাক্ষাৎ, সাক্ষাৎকার নেবার দরকার জাগিয়ে তুলে। নিজের রাজনৈতিক ব্যকগ্রাউন্ড এক্ষেত্রে তার একসেস পাওয়ার ক্ষেত্রে ছিল বড় বাঁধা।
কোন একভাবে তিনি তাজউদ্দিনের বউ জোহরা তাজউদ্দিনের শরাণাপন্ন হন। তাজউদ্দিনের বউ হিসাবে এখনও পুরানো লিঙ্কগুলো কমবেশি তিনি মেইটেন করেন, ক্ষমতা রাখেন। জোহরা তাজউদ্দিনের তাকে সে সুযোগ করে দেন।
তবে সেটা শুধু সুযোগ করেই সেটা শেষ হয়নি, বরং আস্ত শাহরিয়ার কবিরকেই আওয়ামী লীগের বিরল এসেট হিসাবে পেয়ে যান। আমার জানা মতে চীনপন্থি কমিউনিষ্টদের কেউ পরে আওয়ামি লীগ করেছেন এমন একটা বিরল ঘটনা শাহরিয়ার কবির। তার হাতের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ২০০১ সাল থেকে তিনি নিরলস এই সার্ভিস দিয়ে আসছেন।
শাহরিয়ার কবির স্পষ্ট কোন রাজনৈতিক জায়গা নিজের জন্য দাঁড় করাতে পারেননি, এমনকি পুরানো কোন বাম হলেও হয়ত চলত, বিশেষত অবসেশন যখন কোন রাজনীতিই হতে পারে না - এই বেড়াছেড়া অবস্হায় এখান থেকে কেবল "ঘাতক দালাল নির্মুল" করবেন বলে ঝান্ডা তুললে এটা শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের গোলায় গিয়েই পরিণতি পাবে, একটা ধান্দার সুযোগ হিসাবে হাজির হবে এটাই স্বাভাবিক - এটাই শাহরিয়ার আর একবার প্রমাণ করেছেন। নিজের সারা জীবনের রাজনৈতিক অর্জন ধুলায় মিটিয়ে শুধু না, সেটা বিক্রি করে এখন তার কামাই খাচ্ছেন। ইতিহাসে এমন বহু কিছু আবর্জনা তৈরি হয়।
লেখক বলেছেন: কঠিন ইতিহাস। ধন্যবাদ।
শাহরিয়ার কবীর সম্পর্কে আরও জানুন-http://www.somewhereinblog.net/blog/Rahmanrocks/29067970
ও.জামান বলেছেন:
এটাই আম্লীগের আসল চেহারা। তারা ক্ষমতা চায়, সেটা রাজাকরের সাথে আপোষ করে হলেও....
লেখক বলেছেন: অতীতে তারা এ কাজ করেছে, ভবিষ্যতে যে করবেনা এটা আশা করা অবান্তর।
আবুল'স বাহার বলেছেন:
পোস্টটি ২৯ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
লেখক বলেছেন: ঐ একজনটা কে এখনও জানা গেলোনা।
লেখক বলেছেন: আমি যদি হয় ছাগু তাতে কি সব মিছা হয়ে যাবে কাগু?
অন্যরকম বলেছেন:
আগামী ৫ বছরেও (এখন ৪ বছর হবে) যুদ্ধাপরাধের বিচার তারা করতে পারবে না। যেটা করবে সেটা হবে একটা আইওয়াশ! এর বেশি আর কিছুই না! তাদের কর্মকান্ডই এসব প্রমাণ করে!+
লেখক বলেছেন: এরপর তারা(আ'লীগ) কি বলবে জানেন? বলবে এখন জামায়াতে আর রেজাকার নাই সো তাদের সাথে জোট বাধাতে আর কোন বাধা নেই। তারা মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের দল। আর জামাতও বেশী যেদিকে পাবে সে দিকে দৌড়বে।
রহমানরক্তিম বলেছেন:
পোস্টটি ৩৬ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি মনে হয় এই দুই জনের বংশে রাজাকার আছে, তাই তাদের এই লিখা ভাল লাগে নাই।
লেখক বলেছেন: ঝাঁঝা কমেন্টস।
চন্দন বলেছেন:
হুলো-বেড়াল বলেছেন: রাজাকাররা আম্মালীগ করলেই মুক্তিযোদ্ধা বনে যায়...আপনার টেনশন নেয়ার কিছু নাই...
লেখক বলেছেন: বিড়ালের কথা ঠিক।
সুধাসদন বলেছেন:
@সম্রাজ্ঞী, শাহরিয়ার কবির সম্পর্কে যা বলেছি তা একেবারে সত্য নয়। তিনি বঙ্গবন্ধুর আমলে ছিলেন পিকিংপন্থী। বঙ্গবন্ধু ছিলেন তার দৃষ্টিতে জনশত্রু। ৭৪ এর নভেম্বরে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় প্রকাশিত শাহরিয়ার কবিরের ‘ওদের জানিয়ে দাও’ শিরোনামের লেখাটিতে বলা হয়, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের পর আওয়ামী লীগের বড় নেতারা দেশ থেকে ভারতে কোটি কোটি টাকার পাট, ওষুধ পাচার করছে। দেশের দরিদ্র মানুষদের রক্ত চুষে তারা ইন্ডিয়ান ব্যাংকে টাকা জমাচ্ছে।’
শাহরিয়ার কবির মুজিব আমলে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের ‘র’ এর টাকা খেয়ে ছাতা ঘুরিয়ে ধরেন। এখন সে আওয়ামী লীগের প্রথম সারির বুদ্ধিজীবী। অথচ ৭১ সালে এ লোকটি স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সেক্টর কমান্ডার কাজী নুরুজ্জামান। দেখুন--
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (অবঃ) কাজী নুরুজ্জামান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ ও তার পরবর্তী সময়ে আমাদের মধ্যে যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে তার পেছনে মূল কারণ হল গোড়ার গলদ। মুক্তিযোদ্ধাদের পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি, তাদেরকে পরিকল্পিতভাবে হেয় করা হয়েছে এবং যারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি তারাই সমাজের সব জায়গা দখল করে নিয়েছে। এমন হাজারটা উদাহরণ দেয়া যায়, সর্বশেষ উদাহরণ হল সাংবাদিক লেখক শাহরিয়ার কবির। তিনি কোথায় যুদ্ধ করেছেন তা কোনভাবেই জানতে পারিনি। কিন্তু সাম্প্রতিককারে তাকে এত বড় করে দেখানো হচ্ছে যাতে মনে হয় শাহরিয়ার কবির মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
তিনি বলেন, শাহরিয়ারকে আমি ছেলের মতো স্নেহ করি, আমরা একসঙ্গে বহুদিন কাজ করেছি,বিশেষ করে ’৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে। কিন্তু যখনই জানতে চেয়েছি সে কোথায় যুদ্ধ করেছে তখনই সে নিশ্চপ থেকেছে, কোনদিন সদুত্তর দেয়নি। সম্প্রতি তাকে এত বড় করে দেখানো হচ্ছে যে, সে মুক্তিযুদ্ধে প্রতীক হয়ে উঠেছে বলে মনে হচ্ছে, তাই ভাবলাম কবির কোথায় যুদ্ধ করেছে খোঁজ নেয়া দরকার। তার বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করে কিছু জানা গেল না। তার আত্মীয়দের কাছে জানতে চেয়ে দেখা গেল কেউ কিছু জানে না। (দৈনিক যুগান্তর ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০২ সংখ্যা)
লেখক বলেছেন: উচিত জবাব।
মিনরুল বলেছেন:
আপনার খবর আছে কিন্ত !!!!!!
লেখক বলেছেন: কি খবার ভাই? ডিভি পাইছি? জয়ের দেশে যাইবার মন্চায়।
সুধাসদন বলেছেন:
সংশোধনী : ''শাহরিয়ার কবির সম্পর্কে যা বলেছি তা একেবারে সত্য নয়। "আসলে হবে "শাহরিয়ার কবির সম্পর্কে যা বলেছি তা একেবারে অসত্য নয়।''
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















