পাঠশালার কবিতা : কবি মুজিব মেহদী
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
নব্বইয়ের যে ৫জন তরুণের কবিতা ক্রমান্বয়ে পোস্ট করবো বলে পণ করেছি, এবারে সে ধারাবাহিকতায় কবি মুজিব মেহদীর ৫টি কবিতা ব্লগে তুলে দিলাম, পাঠক ও কবিবন্ধুদের সঙ্গে কাব্যপাঠের অভিজ্ঞতা মিলিয়ে নেবার জন্য। এ কবিতাগুলো অনেকেরই কাছে ইতঃপূর্বে পঠিত বলে মনে হতে পারে, কেননা বাঁধ ভাঙার আওয়াজ-এ কবির ব্লগে তা প্রকাশিত।
উল্লেখ্য যে, গত ১৮ অক্টোবর `সেলিম আল দীন পাঠশালা'র কবিতা অধিবেশনে নব্বইয়ের দশকের ৫জন কবি স্বকণ্ঠে স্বনির্বাচিত কবিতা পাঠ করেছিলেন। সে ৫জন কবি : চঞ্চল আশরাফ, জাফর আহমদ রাশেদ, মুজিব মেহদী, সাখাওয়াত টিপু ও সৈকত হাবিব। অনুষ্ঠানে আলোচক হিশেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আজফার হোসেন।
মুজিব মেহদী
জন্ম : ৩ জানুয়ারি ১৯৬৯-এ, ময়মনসিংহে। ১৯৯৪-এ বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর।
লেখালেখি করেন কেবল লিটল ম্যাগাজিনে। সম্পাদনার প্রথম অভিজ্ঞতা অর্জন করেন ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত সাহিত্যপত্র দ্বিতীয় চিন্তা থেকে। পরে একা ও সবান্ধবে সিঁড়ি, অবয়ব, শিরদাঁড়া এবং লোক-এর বিনয় মজুমদার সংখ্যা সম্পাদনা করেছেন।
বছরখানেক ধরে নিয়মিত ব্লগিং করছেন
বাঁধ ভাঙার আওয়াজ (Click This Link) ও
সচলায়তন (http://www.sachalayatan.com/muzib_mehdy_0)-এ।
লিখেন আমারব্লগ (http://amarblog.com/author/muzib-mehdy) ও
মুক্তাঙ্গন নির্মাণব্লগ (http://www.nirmaaan.com/blog/muzib-mehdy)-এও।
অতি সম্প্রতি প্রথমআলোব্লগ (Click This Link)-এ নিবন্ধন করেছেন।
প্রকাশিত সৃজনশীল গ্রন্থ :
মমি উপত্যকা, কবিতা, শ্রাবণ ২০০১
http://mmmomyupattyaka.blogspot.com/
শ্রেণিকরণ এমন এক সংকীর্ণতা যা সৃষ্টির মহিমাকে ম্লান করে দেয়, উভলিঙ্গ রচনা, প্রতীতি ২০০৩
http://mmsrenikoronsonkirnota.blogspot.com/
বৃষ্টিগাছের তলায়, উভলিঙ্গ রচনা, বাংলাপ্রসার ২০০৬
http://mmbristigachertolay.blogspot.com/
ময়দানের হাওয়া, কবিতা, পাঠসূত্র ২০০৭
http://mmmoydanerhaowa.blogspot.com/
প্রকাশিত মননশীল গ্রন্থ :
মাদ্রাসা শিক্ষা : একটি পর্যবেক্ষণ সমীক্ষা, অনুসন্ধান, বিএনপিএস ২০০১ Click This Link
হাওর : জলে ভাসা জনপদ, অনুসন্ধান, আইইডি ২০০৫ Click This Link
ইকোপার্ক উন্নয়ন : জীববৈচিত্র্য রক্ষার নামে জীবন ও প্রতিবেশ বিনাশী তাণ্ডব, অনুসন্ধান, আইইডি ২০০৫ Click This Link
মুক্তিযুদ্ধ ও নারী, রোকেয়া কবীরের সঙ্গে যৌথভাবে, অনুসন্ধান, আইইডি ২০০৬
http://www.iedbd.org/muktijuddho.htm
মুজিব মেহদীর সাম্প্রতিক রচনা থেকে কবি কর্তৃক নির্বাচিত এবং তৎকর্তৃক সেলিম আল দীন পাঠশালার অনুষ্ঠানে পঠিত ৫টি কবিতা এখানে তুলে দেয়া হলো।
ভ্রমণ, গদ্যভঙ্গিতে
গদ্যভঙ্গির অদূরে স্থাপিত সুউচ্চ আশ্রয়কেন্দ্রে তোমার
কাটিয়ে এসেছি গুরুতর সন্ধ্যা এক থই থই এবার ভাদরে
পথে ছিল জল বাক্যে বাক্যে ঢেউ চাল ছুঁয়ে থাকা
বাঘে-মোষে একাকার হয়ে থাকা পৃষ্ঠা জুড়ে
বহুত্ববাদের সব চারাগাছ দুলতে দেখেছি
বিষাক্ত একটা সাপ প্রকাশ্যে সাঁতরে এসে যে বাক্যে বসেছে
পাশে তার একটি শিশুর হাতে লুটছে পৃথিবী
বানের জলের কোনো প্যারাস্পেস নেই
টানাস্রোত ভেঙে ভেঙে যেখানে দাঁড়াই
সেটা ছিল বিস্তারিত ফুটনোট গলাঅব্দি জলে
অনুজ্ঞাজ্ঞাপক এক বাক্যের কোমর ধরে সামনে এগোতে দেখি
একটু-আধটু করে কমে জল জেগে ওঠে ঊর্ধ্বমুখী সিঁড়ি
মিতক্রিয়াময় বাক্যদের জানালায় টই টই প্রভূত বাতাস
শৈলীপনা
একটা শব্দকে ধরে ঝুলে পড়ে
কতদূর যাওয়া যায় দেখিয়ে গেছে
আমাদের সুরেশ কাহারি
রেশ ধরে যেতে গেলে, জানত সুরেশ
যারা থাকে পড়ে থাকে পথের দু’ধারে
একদিন ঝুলে পড়া ছেড়ে দিয়ে
ভাবের পাখায় সে ভাসতে থাকে অবলম্বনহীন
দেখা গেল, যাপনবিষাদঘেঁষা ওর সব স্মৃতি থেকে
নতুন কাঠামো গড়তে উঠে আসছে
ফেলে আসা স্যাঁতসেঁতে জীবনের আনাচকানাচ
ওর কিছু শৈলীপনা আমাদের ভালো লেগেছিল
শোনা যায়, একান্ত দুর্দিনে কিছুদিন
পথেই থেকেছে আমাদের সুরেশ কাহারি
মন খুলবার শব্দ
মন খুলবার শব্দ পেলাম নরম এই কুয়াশা শরতে, ভেজা ঘাসমাঠ হাহা হিহি করে জানিয়ে গেল রোদের কাছে এই কাণ্ডকীর্তি, বিপ্লবী ঘটনা যেন পুঁজিতান্ত্রিক বিশ্বে
কথার শক্তি বিষয়ে আমার ধারণা জন্মেছিল বেশ বালক বয়সে, তবে কথাদের কলা হয়ে উঠতে যে অস্ত্রশস্ত্র লাগে, লাগে যে শানবিদ্যা, বাতাসের চেয়েও ওটা কম আয়ত্তে ছিল, এমনকি জানতাম না যে আয়রনি কাকে বলে, ঘৃণাকে আমি ঘৃণার অধিক কিছু কখনো ভাবি নি
বহু তিতিক্ষা তরণি বেয়ে মতিফুল ফুটল এবার, রামধাতানির মধ্যে চুপে মন খুলবার শব্দ পেলাম তোমার, সাক্ষী হয়ে মাথা নাড়ল অরূপ চাহনি
মায়া দিয়ে লেখা
অনন্তের দিক থেকে যাত্রা শুরু করে ফের ক্রমশ অনন্তে
মিশে যাওয়ার মধ্যিখানে কেবল মায়াই সত্য
শৈশব ফেলে কৈশোরে যাই, মায়া থাকে
কৈশোর ফেলে যৌবনে, তাও মায়া
যৌবন রেখে প্রৌঢ়ত্বে, মায়া
প্রৌঢ়ত্ব থেকে বার্ধক্যে, সেখানেও মায়া
মায়াজন্ম এ জগতে অবিরাম ঘটেই চলেছে
সংসার ভেঙে যায়, থাকে মায়া
সম্পর্কে ফাটল ধরে, নুয়ে যায়, মায়া থেকে যায়
স্বজন হারাই, মায়া এসে সামনে দাঁড়ায়
গ্রাম ছেড়ে আমরা শহরে আসি
মায়া পড়ে থাকে
ফের শহর বদল করি
মায়া সঙ্গে আসে
মায়া ঘুমে, মায়া তন্দ্রাচ্ছন্নতায়
মায়া সর্বত্র ছড়ানো
মায়ায় মায়ায় ভরা এ জগৎ
মায়াই আঁঠার মতো লেগে থেকে
এ জগৎ অখণ্ড রেখেছে
সময়ের ফুরালে সময়
তীরের নিকটে এসে ডুবে গেল তরী
এই ক্ষত বয়ে বেড়াবে অনন্ত জল
আমার মনের
একটা নতুন রেখা সমতলে জেগেছিল বলে
কোনোভাবে এইবারও বেঁচে যাওয়া হলো
সঞ্চয়ের মতো মনে হয় যতসব নুড়ি
আসলে সঞ্চয় নয়
পাহারা বসিয়ে রেখে তার চারপাশে
শুধু শুধু বেঁচে থাকা
করে যাব হয়ত উদযাপন
সময় সইছে বলে এত কিছু
সময়েরও ফুরালে সময় একদিন
নুড়িপাথরের প্রেম ভেঙে যাবে
বালির জগতে গিয়ে জমা হবে
জীবনের সকল রসদ
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নব্বইয়ের কবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সেলিম আল দীন পাঠশালা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কবিতা সম্পর্কে কিছু বললে শেয়ার করতে পারতাম।
ঘোর বলেছেন:
ভালো উদ্যোগ। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনুষ্ঠানে আপনাকে পাই না কেন?
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
আগে পড়েছিলাম। আবার পড়ার সুযোগ করে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও, কবিতাগুলি আবার পড়বার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আফসার। ভালো থাকবেন।
কৌশিক বলেছেন:
চমৎকার আয়োজন। কবিকে শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও। ধন্যবাদ।
প্রচেত্য বলেছেন:
মেহেদী ভাইয়ের কবিতাগুলি ভাল লাগে
লেখক বলেছেন: নিঃসন্দেহে কবির জন্য সুসংবাদ। ধন্যবাদ আপনাকে।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
কবিতাগুলো খুবই সুন্দর। তবে মুজিব ভাই যেদিন এইগুলা পাঠ করেছিলেন, সেই দিন এইগুলার আলোচনা ভাল লাগে নাই। যিনি আলোচক ছিলেন, তিনি এই দিকে একদমই আলো ফেলেন নাই।
শুধু বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ নিয়ে লিখলেই নাকি কবিতা হয়, এই রকমের হাস্যকর কথাও ওইদিন শুনেছি।
তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এতগুলো সুন্দর কবিতা একসঙ্গে এখানে পোষ্ট করার জন্য। ভাল থাকা হোক।
লেখক বলেছেন: আলোচক সত্যিই আমাদের খানিকটা পাজল্ড করেছেন। ব্যাপারটা তাকে জানিয়েছি। উনি লেখায় হয়তো নিজেকে পরিষ্কার করবেন। অবশ্য উনি সরাসরি বাহাসে বসার প্রস্তাবও দিয়েছেন। বিষয়টা হয়তো মজার হবে। আপনারা রাজি থাকলে আয়োজন করা যেতে পারে।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। শীঘ্র সাক্ষাৎ হোক আমাদের।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
সময় পাইলে জানাবো। তবে বাহাস টা কী নিয়ে হবে। কবিতাকে কেন্দ্র করে? নাকি বিশ্বব্যাংক, সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে? এইগুলো আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার।
লেখক বলেছেন: বাহাসটা কবিতার নন্দন-তত্ত্ব ও তার উৎপত্তি, ভাষার বিবর্তন ও ক্ষমতানির্মাণ, প্রথাগত কাব্যালোচনার সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা ইত্যাদি নিয়ে। উনি আশলে উনার আলোচনা সম্পর্কে আমাদের আপত্তিগুলো শুনতে আগ্রহী। এবং হয়তো তা খণ্ডন করতেও।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
জানলাম না "কবি স্বকণ্ঠে স্বনির্বাচিত কবিতা পাঠ করেছিলেন" ভক্ত দের নিরাশ করা ঠিক নয়।
ধন্যবাদ আপনাকে... ধন্যবাদ প্রিয় কবিকেও...
লেখক বলেছেন: কবিতাপাঠের অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিমূলক লেখা পোস্ট করেছিলাম এই ব্লগেই, অনুষ্ঠানের বেশ আগেই। আপনি হয়তো মিস করেছেন।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।
সুমন রহমান বলেছেন:
মুজিব মেহদীর কবিতা মায়াময়। ধন্যবাদ পড়ার চমৎকার সুযোগটি করে দেয়ার জন্য। ঐ অনুষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ হয় নি আমার। পরে শুনেছি ড. আজফার হোসেন সেখানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর আলোচনা নিয়ে সেখানে এবং এখানে অনেককেই নাখোশ হতে দেখলাম। বিষয়টি বোধগম্য হল না আমার। আজফার হোসেন-এর আলোচনা আরাম দিল না কেন? এই পোস্টেও তো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হতে পারে। যারা সরেজমিন শুনেছেন তারাই বলুন না শুনি।
লেখক বলেছেন: আজফার হোসেনের আলোচনাটা অডিও রেকর্ডিং থেকে ট্রান্সক্রাইব হচ্ছে। হলে পরে ব্লগে তুলে দেবো। তার আগে কবিতাগুলো পড়া যাক। তার আলোচনার ব্যাপারে তিনি বাহাস করতে প্রস্তুত। সবচেয়ে ভালো হতো, যদি তাকে ব্লগে আনা যেতো। দেখি কী করা যায়।
ভালো থাকবেন, সুমন ভাই।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা নিয়ে কবি তারিক টুকু আলোচনা করতে চেয়েছিলেন ব্লগে। তাকে এখনো অডিওটা পৌঁছে দিতে পারি নি।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল প্রচেষ্টা। কবিতা আগ্রহী ও পাঠক যারা তারা কিছু উপাদেয় খোরাক পাবেন আপনার এই পোস্টে এবং পরবর্তী পোস্টগুলোতে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ব্লগে নিমন্ত্রণ রইলো পরবর্তী পোস্টগুলো পড়বার জন্য।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ই ভালো প্রচেস্টা...............ভালো লাগলো।
মুজিব মেহদীর কবিতা ভালো লাগে।
আপনাকে শুভেচ্ছা সুন্দর উদ্যোগের জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
সুন্দর উদ্যোগ । অব্যাহত থাকুক । মুজিব ভাইকেও শুভেচ্ছা । "শৈলীপনা" বেশী ভালো লাগল ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা আরিফ। শৈলীপনার সংবাদ পৌঁছে যাক কবির কাছে।
তারিক টুকু বলেছেন:
চমৎকার হয়েছে।
লেখক বলেছেন: চমৎকার আপনার সংক্ষিপ্ত, অনির্দেশ মন্তব্যটিও।
এখানের কবিতাগুলোর মধ্যে সময় ফুরালো সময় ও ভ্রমণ গদ্যভঙ্গীতে- কে চমৎকার লেগেছে প্রথম যখন পড়েছিলাম, তখন থেকেই।
কবি কে অভিনন্দন জানাই। আর ধন্যবাদ জানাই গালিবকে- এর সাথে জড়িত সব কিছুর জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। অনুষ্ঠানে কেন সাক্ষাৎ হয় না, হবেও না কি কোনোদিন?
মামুন মাহবুব বলেছেন:
সঞ্চয়ের মতো মনে হয় যতসব নুড়িআসলে সঞ্চয় নয়
পাহারা বসিয়ে রেখে তার চারপাশে
শুধু শুধু বেঁচে থাকা
করে যাব হয়ত উদযাপন
------- তোর কবিতার মতো.......সত্যি...... আয়োজনটা ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: কবির পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ। পাঠশালার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।
শামস শামীম বলেছেন:
সুন্ধর উপস্থাপনার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: অপূর্ণতা ঠিক কোন জায়গায় বললেন না কিন্তু। শুধু পাঁচ কেন---এটা কি কবিতার সংখ্যা না কবির সংখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন? যদি কবিতার সংখ্যা সম্পর্কে হয়, তবে আমাদের বক্তব্য হলো, এর বেশি কবিতা একটা অনুষ্ঠানে পড়া সম্ভব নয়। আর কবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসার জবাব হলো, একটা অধিবেশন হয়েছে মাত্র। পরবর্তী অধিবেশনে আবার নতুন পাঁচজন কবি আসবেন।
চঞ্চলের আশরাফের কবিতা তো আগেই পোস্ট করেছি। আপনি খেয়াল করেন নি বোধ হয়। Click This Link
যা হোক, শুভেচ্ছা আপনাকে। ১৫ নভেম্বর শনিবার বিকেল ৫টায় আপনাকে নিমন্ত্রণ। Click This Link
আল-ইমরান সিদ্দিকী বলেছেন:
valo laaglo kintu ditio bar porar issa jaglo na
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
বেশ ভালো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















