somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুই হাজার কোটি টাকার দেশি বিনিয়োগ হুমকির মুখে : ফ্রিকোয়েন্সি পাচ্ছে ভারতের টেলিযোগাযোগ কোম্পানী

২৪ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের টেলিকম বাজার দখল করতে চায় ভারত। এ আকাঙ্খার অংশ হিসেবে গত ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ভারতী এয়ারটেল। এখন লাইনে রয়েছে টাটা ও রিলায়েন্স। রিলায়েন্স বাংলাদেশের বাজারে আসতে চায় মূলত তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সেবা (থ্রিজি) দিতে। অন্য দিকে টাটা সব ধরনের সেবা দিতে চায়।
সম্প্রতি বাতিল করে দেয়া পাঁচটি পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন) বা বেসরকারি ল্যান্ডফোন কোম্পানির ফিন্সকোয়েন্সি ভারতীয় এ তিনটি কোম্পানির যেকোনো একটিকে বরাদ্দ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
টাটা কমিউনিকেশন্স ২০০৮ সালের ২ এপ্রিল বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাব করেছিল। সে প্রস্তাব সরকার এখন সক্রিয় বিবেচনায় রেখেছে বলে পাওয়া খবরে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশের টেলিবাজারে ভারতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে রয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহম্মেদ রাজু। তবে বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা টিঅ্যান্ডটি মন্ত্রীর বিপক্ষে অবস্খান নিয়েছেন। তারা সরকারের বাইরের কিছু প্রভাবশালী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভারতীয় কোম্পানির পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানাচ্ছে, টাটা অথবা রিলায়েন্সকে পিএসটিএন অপারেটরদের থেকে কেড়ে নেয়া ফিন্সকোয়েন্সি দেয়া না হলেও ভারতী এয়ারটেলকে দেয়া হবেই। ভারতী এখন যে পরিমাণ ফিন্সকোয়েন্সি ওয়ারিদের তরফে পাচ্ছে, তার সাথে এগুলোও যুক্ত হবে।
এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না দাবি করে বিটিআরসি’র মহাপরিচালক কর্নেল আহসান বলেছেন, ‘ফিন্সকোয়েন্সি খালি ফেলে রাখা ঠিক নয়। তবে এটা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেন ন্যাশনাল ফিন্সকোয়েন্সি অ্যালোকেশন কমিটি। তাদের সিদ্ধান্তই অনুমোদন করে বিটিআরসি।’
ভিওআইপি’র অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে বিটিআরসি গত মার্চ মাসে বন্ধ করে দেয়া পাঁচটি কোম্পানির (পিএসটিএন) লাইসেন্স চলতি মাসে বাতিল করেছে। এ পাঁচটি কোম্পানি হলোন্ধ রেঙ্কসটেল, পিপলসটেল, ঢাকাফোন, ন্যাশনাল টেলিফোন ও ওয়ার্ল্ডটেল। এ পাঁচটি অপারেটরের লাইসেন্স বাতিল করে দেয়ায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার দেশী বিনিয়োগ সঙ্কটের মুখে পড়লেও সরকার সেদিকে নজর না দিয়ে এ ফিন্সকোয়েন্সি ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে দিতে চাইছে।
পিএসটিএন লাইসেন্সগুলো যে বাতিল হতে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে গত ২৪ মার্চ বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জিয়া আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অভিযুক্ত অপারেটরদের শোকজ করা হয়েছে। তারা ‘সন্তোষজনক’ জবাব দিতে না পারলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
ভিওআইপি’র অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে ১৫ মার্চ ঢাকাফোন, ১৭ মার্চ ওয়ার্ল্ডটেল, ১৯ মার্চ রেঙ্কসটেল, ২১ মার্চ পিপলসটেল এবং ২৩ মার্চ ন্যাশনাল ফোনের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। এসব পিএসটিন’র সার্ভিস বন্ধ করা এবং ১২ মে লাইসেন্স বাতিল করা নিয়ে সরকারের সব মহল একমত না হলেও বিটিআরসি উর্দ্ধতন এক কর্মকর্তা এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে।বাংলাদেশের টেলিকম বাজার দখল করতে চায় ভারত। এ আকাঙ্খার অংশ হিসেবে গত ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ভারতী এয়ারটেল। এখন লাইনে রয়েছে টাটা ও রিলায়েন্স। রিলায়েন্স বাংলাদেশের বাজারে আসতে চায় মূলত তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সেবা (থ্রিজি) দিতে। অন্য দিকে টাটা সব ধরনের সেবা দিতে চায়।
সম্প্রতি বাতিল করে দেয়া পাঁচটি পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন) বা বেসরকারি ল্যান্ডফোন কোম্পানির ফিন্সকোয়েন্সি ভারতীয় এ তিনটি কোম্পানির যেকোনো একটিকে বরাদ্দ দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
টাটা কমিউনিকেশন্স ২০০৮ সালের ২ এপ্রিল বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাব করেছিল। সে প্রস্তাব সরকার এখন সক্রিয় বিবেচনায় রেখেছে বলে পাওয়া খবরে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশের টেলিবাজারে ভারতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে রয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহম্মেদ রাজু। তবে বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা টিঅ্যান্ডটি মন্ত্রীর বিপক্ষে অবস্খান নিয়েছেন। তারা সরকারের বাইরের কিছু প্রভাবশালী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভারতীয় কোম্পানির পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানাচ্ছে, টাটা অথবা রিলায়েন্সকে পিএসটিএন অপারেটরদের থেকে কেড়ে নেয়া ফিন্সকোয়েন্সি দেয়া না হলেও ভারতী এয়ারটেলকে দেয়া হবেই। ভারতী এখন যে পরিমাণ ফিন্সকোয়েন্সি ওয়ারিদের তরফে পাচ্ছে, তার সাথে এগুলোও যুক্ত হবে।
এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না দাবি করে বিটিআরসি’র মহাপরিচালক কর্নেল আহসান বলেছেন, ‘ফিন্সকোয়েন্সি খালি ফেলে রাখা ঠিক নয়। তবে এটা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেন ন্যাশনাল ফিন্সকোয়েন্সি অ্যালোকেশন কমিটি। তাদের সিদ্ধান্তই অনুমোদন করে বিটিআরসি।’
ভিওআইপি’র অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে বিটিআরসি গত মার্চ মাসে বন্ধ করে দেয়া পাঁচটি কোম্পানির (পিএসটিএন) লাইসেন্স চলতি মাসে বাতিল করেছে। এ পাঁচটি কোম্পানি হলোন্ধ রেঙ্কসটেল, পিপলসটেল, ঢাকাফোন, ন্যাশনাল টেলিফোন ও ওয়ার্ল্ডটেল। এ পাঁচটি অপারেটরের লাইসেন্স বাতিল করে দেয়ায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার দেশী বিনিয়োগ সঙ্কটের মুখে পড়লেও সরকার সেদিকে নজর না দিয়ে এ ফিন্সকোয়েন্সি ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে দিতে চাইছে।
পিএসটিএন লাইসেন্সগুলো যে বাতিল হতে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে গত ২৪ মার্চ বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জিয়া আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অভিযুক্ত অপারেটরদের শোকজ করা হয়েছে। তারা ‘সন্তোষজনক’ জবাব দিতে না পারলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
ভিওআইপি’র অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে ১৫ মার্চ ঢাকাফোন, ১৭ মার্চ ওয়ার্ল্ডটেল, ১৯ মার্চ রেঙ্কসটেল, ২১ মার্চ পিপলসটেল এবং ২৩ মার্চ ন্যাশনাল ফোনের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। এসব পিএসটিন’র সার্ভিস বন্ধ করা এবং ১২ মে লাইসেন্স বাতিল করা নিয়ে সরকারের সব মহল একমত না হলেও বিটিআরসি উর্দ্ধতন এক কর্মকর্তা এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে।
http://www.ibnewsonline.com/bangla/news/370
৮টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×