আমার প্রিয় পোস্ট

বাচঁতে চাই সঞ্জীবদার মত...

২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

ভদ্রলোককে আমি কখনো সামনা সামনি দেখিনি, তার গানও খুব বেশী শুনিনি । মাঝে মধ্যে হটাত দেখেছি টিভিতে, ঝাকড়া চুল আর গোঁফে বেশ লাগতো । গত কয়দিনে সেই লোকটাকেই চিনলাম বেশ আপন করে । যা জানলাম, শেষ ২/৩টা দিন বাদ দিলে বেচেঁ থাকার প্রতিটা মূহুর্ত উপভোগ করেছেন তিনি । অপরিমিত জীবন-যাপনের মধ্য দিয়েও লেখা-গানের পরিমিতি আর গুন বজায় রেখেছেন অতি সচেতনভাবেই । কখনো নামের বা অর্থের পিছনে ছোটেননি; সদাহাস্য, কথাবার্তায় অতি নম্র আর বিনয়ী ছিলেন । তার উপকার পেয়েছে পরিচিত-অর্ধপরিচিত-অপরিচিত সবাই । যে একবার পরিচিত হয়েছে সেই মনে রাখতে বাধ্য হয়েছে । মাত্র বছর ৪৫ বেচেঁছিলেন, যারা জীবনটাকে বছরের পাহাড় বানাতে ব্যস্ত তাদের দেখিয়ে দিয়ে গেলেন বাচাঁ কাকে বলে । যে ভালবাসা আর সম্মানের মধ্যে দিয়ে গেলেন, একটা জীবনে এর চেয়ে চাওয়া-পাওয়ার আর বেশী কিছু থাকতে পারেনা । আমাদের অবশ্য অপুরনীয় ক্ষতি হল, সাংবাদিকতা আর সংগীতের জীবন্ত মানদন্ড হারালাম আমরা । তার কাছ থেকে আরো অনেক কিছু পাওয়ার ছিলো এ পোড়া দেশের, তা পোড়া দেশের পোড়া কপাল আরো একটু পুড়লো । দূঃখ তার স্ত্রী-কন্যার জন্য, জানিনা কিভাবে চলবে তাদের দিন-মাস, ভালবাসা-সম্মানে তো আর পেট চলেনা ।

যা হোক একটাইতো জীবন...বাচঁতে চাই সঞ্জীবদার মত...জীবনের পেয়ালায় চুমুক...চিয়ার্স বস

~

 

 

  • ৫ টি মন্তব্য
  • ১৭৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৭
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: সঞ্জীবদার মত বাঁচার চেষ্টা কইরেন না। মোটেও জীবনকে উপভোগ করতে পারেন নি তিনি। সারাটা জীবন শুধু যন্ত্রনায় দগ্ধ হয়েছেন... ফলশ্রুতিতে যা হয়...
২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩০
comment by: খোমেনী ইহসান বলেছেন: প্রতিভাধররা জীবন উপভোগই করেন। আর আতেলরা জীবন যাপন করে মাত্র। সঞ্জীব একজন বহুমাত্রিক প্রতিভার মানুষ ছিলেন, যা তার সাথে সময় কাটিয়ে বুঝা গেছে। বড় ভালো মানুষ ছিলেন।
৩. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৯
comment by: বহুরুপি বলেছেন: বাচঁতে চাই সঞ্জীবদার মত...জীবনের পেয়ালায় চুমুক...চিয়ার্স -------------------আহা যদি পারতাম (এতোটা মনের সাহস নেই।)
৪. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
comment by: কাউছার আহমেদ বলেছেন: দাদার জন্যে আমার একটু বেশিই কষ্ট হচ্ছে, কারন একই বেঞ্চে বশে চা খাওয়ার পরেও দাদাকে চিনতে পারলাম না, একটু কথা বলতে পারলাম না। ব্যাপারটা একটু পরিষ্কার করি, আমি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ি। থাকি ওসমানি হলে। হলের পাশেই যায়যায়দিন। সেখানে রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে প্রত্যেকদিন চা খেতে যেতাম। প্রায়ই দেখতাম সঞ্জীব চৌধুরি চা খাচ্ছে অথবা বসে বসে আড্ডা মারছে। ওনাকে দেখতে সঞ্জীব চৌধুরির মতো লাগত। একদিন আমার রুমমেট কে বললাম যে, দেখ ঐ লোকটাকে সঞ্জীব চৌধুরির মত লাগছেনা? সেও বলল তাইতো! কিন্তু Sure হতে পারলাম না। ভাবলাম কত মানুষই তো দেখতে এক রকম হয়। এরপর অনেকবার দেখা হয়েছে, পাশে বসে চা খেয়েছি কিন্তু কথা হয়নি। এখন খুব কষ্ট হচ্ছে কেন একবার কথা বললাম না।.............
৫. ২৩ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: বাচঁতে চাই সঞ্জীবদার মত...জীবনের পেয়ালায় চুমুক...চিয়ার্স বস

+++

 



 


যে সমাজ ব্যবস্থায় আমি থাকি, তাতে আমার কোন আস্থা নাই... যে মানবিক সম্পর্ক গুলো আমার চারপাশে, তাতে আমার কোন বিশ্বাস...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩৭২৮