কৃত্রিম প্রাণ তৈরিতে বিজ্ঞানীদের সাফল্য
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৪৮
প্রথমবারের মতো কৃত্রিম প্রাণ তৈরিতে সাফল্য পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। তারা জানান, প্রথমে একটি ব্যাকটেরিয়ার কৃত্রিম জিন নকশা তৈরি করা হয়। এরপর একটি ব্যাকটেরিয়ার শূন্য কোষে এটি প্রতিস্থাপন করে জীবনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড এবং ক্যালিফোর্নিয়ার জে ক্রেইগ ভেন্টার ইন্সটিটিউটের ড. ক্রেইগ গবেষকদলের নেতৃত্ব দেন।
গবেষণায় প্রথমে একটি ব্যাকটেরিয়ার জিন নকশা তৈরি করে অন্য একটি ব্যাকটেরিয়ার কোষে তা প্রতিস্থাপন করা হয়। পরে একে একে এই জিন নকশা থেকে আরেকটি ব্যাকটেরিয়ায় তা প্রতিস্থাপন করা হয়। সেই ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ আগেই খালি করে রাখা ছিল।
এ প্রতিস্থাপন পক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়াটি নতুন জীবন পায়। বিজ্ঞানীরা একে নতুন একটি কৃত্রিম জীবন্ত কোষ বলছেন। যাতে রয়েছে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা প্রাণ।
গবেষক দলের প্রধান ক্রেইগ ভেন্টার বলেন, এটাই প্রথম বিভিন্ন রসায়ণের মিশ্রণে তৈরি সিনথেটিক কোষ।
কৃত্রিম জীবন্ত কোষ সৃষ্টিতে বিজ্ঞানীদের যুগান্তকরী এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে ওষুধ ও জ্বালানি তৈরি ছাড়াও কার্বন শোষণে কাজে আসবে এ কোষ।
তবে কেউ কেউ মনে করছেন কৃত্রিমভাবে তৈরি এ প্রাণের কিছু বিপদও আছে। এটি জীবাণু অস্ত্র বানাতে ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এখনই এ ব্যাপারে সতর্ক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সেইসঙ্গে মার্কিন আইন পরিষদের জ্বালানি ও বাণিজ্যিক কমিটি এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহে এক শুনানির আয়োজন করেছে, যেখানে এর ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
সুত্রঃ রয়টার্স।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মিথুন-১ বলেছেন:
এই সৃস্টিশীলতায় এক সময় স্বাভাবিক জীব বৈচিত্র অস্বাভাবিক হয়েযাবে। যা হবে সৃস্টিকুলের জন্য এক অভিশাপ।
লেখক বলেছেন: সৃস্টিকুলের জন্য এক অভিশাপ।
লেখক বলেছেন: সৃস্টিকুলের জন্য এক অভিশাপ।
বিলাশ বিডি বলেছেন:
এটা কৃত্রিম "প্রাণ" তৈরি নয়। অনেকটা কৃত্রিম কোষ তৈরির মতো। বিজ্ঞানীরা একটা কোষের পুরো ক্রোমোজম আরেকটা কোষের ক্রোমোজম দিয়ে প্রতিস্থাপন করেছেন।Click This Link
Click This Link
লেখক বলেছেন: লিংকের জন্য ধন্যবাদ।
বিবর্ণ বলেছেন:
মিথুন-১ বলেছেন: এই সৃস্টিশীলতায় এক সময় স্বাভাবিক জীব বৈচিত্র অস্বাভাবিক হয়েযাবে। যা হবে সৃস্টিকুলের জন্য এক অভিশাপ।
লেখক বলেছেন: সৃস্টিকুলের জন্য এক অভিশাপ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
মাথার উপর দিয়ে গেল।আমার হাত কেটে আরেকজনের হাতে লাগিয়ে, ওই হাতটা যদি কাজ করে, তাহলে এটা কৃত্রিম হাত হয়ে গেল !!!!! খাইছে।
কৃত্রিম হইলে ব্যাকটেরিয়া বানানোর দরকারটাই বা কী! অন্য কিছু বানাক।
লেখক বলেছেন: মানুষ বানাক।
ফেরিওলা বলেছেন:
তাতে কি! ইন্টরেস্টিং লাগলো যখন ওরা বিবিসি তে এটার বিতর্ক নিয়ে নিজেরাই একটা ক্ষেত্র তৈরী করলো! না হইলে যে হালে পানি পাবেনা! আবিস্কার ভালো জিনিষ! তবে রটনাটা নিয়ে সতর্ক না থাকলে খামাকাই আমরা কথার উপর কথা বলতে থাকবো! আর অবশেষে বিভ্রান্তিতে দিনাতিপাত। দেখা যাক কি হয়! এইটার পক্ষ বিপক্ষ নেয়ার কিছুই নাই! যে পর্যায়ে আছে এতে বেশী হলে লাভ হবে তেল কোম্পানীগুলোর যারা কিনা এই গবেষণাটার স্পন্সর করেছে! দেখি কি হয়!
লেখক বলেছেন: দেখি কি হয়!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














