সায়েন্স ফিকশন: কপোট্রনিক ছাগুদি
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৫০
মারা যাচ্ছি ব্যাপারটি চিন্তাকরে কেন জানি খুব একটা অবাক হলাম না। মৃত্যুভয় উপস্থিত হলে মনে হয় অবাক হওয়া বা দুঃখিত হওয়ার মতো সহজ অনুভুতিগুলি কাজ করে না। ল্যাবরেটরির মাঝামাঝি জায়গায় দাড়িয়ে আমি মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে লাগলাম। আর দশ মিনিটের মধ্যে যে এক্সপেরিমেন্টটি শুরু হতে যাচ্ছে-সেটা থেকে যে পরিমাণ তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হবে, তার লক্ষভাগের একভাগ একটি শক্তিশালী ঘোড়াকে এক সেকেন্ডের ভেতর মেরে ফেলতে সক্ষম। বাঁচতে হলে আমাকে দশ মিনিটের ভেতর ল্যাবরেটরি থেকে বের হতে হবে আর তা করতে হবে মাথা ঠান্ডা রেখেই।
কন্ট্রোল প্যানেলের সামনে একটি অতিকায় রবোট দাড়িয়ে আছে। রবোটটি তৃতীয় মাত্রার বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন, অল্পকিছূ কারিগরি জ্ঞান আর তৃতীয় শ্রেণীর যুক্তিতর্ক ছাড়া এটি আর কিছু বোঝে না। এখন এই রবোটটিকে বুঝিয়ে আমাকে এখান থেকে বের হয়ে যেতে হবে। ব্যাপারটি সহজ হবার কথা নয়, তবুও আমাকে চেষ্টা করতে হবে। আমি রবোটটিকে ডাক দিলাম, “এই রবোট, শোনো।”
-বলুন।
-আমি এখান থেকে দশ মিনিটের মধ্যে বের হতে না পারলে মারা যাব।
-জানি।
-আমি মারা গেলে এই এক্সপেরিমেন্টটার কোন মুল্য থাকবে না। আর কেউ এই ফলাফল বুঝতে পারবে না।
-আমাকে বলা হয়েছে সবচেয়ে কম ঝামেলায় এই এক্সপেরিমেন্টটি শেষ করতে। আপনাকে বের হতে দিলে এই এক্সপেরিমেন্টটি আবার গোড়া থেকে শুরু করতে হবে। এতে করে প্রায় ছয় হাজার ডলারের মতো খরচ হবে। সেই তুলনায় আপনার শরীরের মুল্য মাত্র দুইশ তেইশ ডলার। আপনার মৃত্যুতে খুব বেশী একটা আর্থিক ক্ষতি হবে না।
আমি ব্যর্থ হয়ে ফিরে এলাম। হতাশায় নিজের চুল টেনে ধরলাম। এখন কি করতে পারি। ল্যাবরেটরির অতিকায় যন্ত্রপাতির ভেতর নিজেকে নিতান্তই অসহায় মনে হতে লাগলো। তক্ষুনি মনে পড়লো কোনায় ঝোলানো টেলিফোনটার কথা। দৌড়ে গিয়ে রিসিভার তুলে নিলাম, “হ্যালো। হ্যালো।”
-কে? প্রফেসর?
-হ্যাঁ।
-আমরা বুঝতে পেরেছি। আপনাকে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কিছু করা যাচ্ছে না কারন রবোটটি সবকিছু নিয়ন্ত্রন করছে।
-রবোটটির কানেকশন কেটে দাও।
-ওটার কোন কানেকশন নাই- একটা পারমাণবিক ব্যাটারি সরাসরি বুকে লাগানো।
-সর্বনাশ! তাহলে উপায়?
-আমরা দেখি কি করতে পারি। ঘাবড়াবেন না।
রিসিভারটি যথাস্থানে রেখে আমি মেগাট্রনটির গায়ে হেলান দিয়ে মেঝেতে পা মেলে বসলাম। মেগাট্রনের ভেতর থেকে একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম রবোটটিকে বিকল করা যাবে না। আর রবোটটিকে বিকল করতে না পারলে এক্সপেরিমেন্টটি বন্ধ করা যাবে না। এক্সপেরিমেন্টটি বন্ধ করতে না পারলে আর ছয় মিনিটের ভেতর আমি মারা যাচ্ছি।
এখানে সিগারেট ধরানো সাংঘাতিক বেআইনি জেনেও একটি সিগারেট ধরালাম। কিছুক্ষনের ভেতর মারা যাচ্ছি। এখন আর কিছুতেই কিছু যায় আসে না। হঠাৎ একটা বুদ্ধি মাথায় উঁকি দিয়ে গেল। বেঁচে যাওয়ার একটা সম্ভাবনার ঝিলিক দেখতে পেয়ে আমি নতুন প্রাণ ফিরে পেলাম।
গলা উঁচিয়ে আমি রবোটটিকে ডাকলাম- “এই রবোট।”
-বলুন।
-আমার একটা সমস্যা সমাধান করে দিতে পারবে? বেশিক্ষন লাগবেনা। নীচুস্তরের যুক্তিতর্ক ভিত্তিক সমস্যা।
-বলুন সমস্যাটি কি?
অতি প্রাচীন কালে নব্বুই ও চব্বিশ কো-অর্ডিনেটে একটা ছোট্ট শহর ছিল ঢাকা। সেখানে এক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব জন্ম নিয়েছিল, তাকে সবাই রাগুদি ডাকতো- সবসময় রেগে থাকতো কিনা! সেই রাগুদি, তৎকালীণ সময়ের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের সাথে হার্ভাড, ইয়েল, এম.আই.টি ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছিলেন। আমেরিকায় না এসে তিনি কিভাবে হার্ভাড, ইয়েল, কলম্বিয়াতে পড়ালেখা করলেন, তাও একসাথে তৎকালীণ পৃথিবীর সবশ্রেষ্ঠ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিভাবে পড়ালেখা করা সম্ভব হলো? তার কোর্সমেটরা যখন তার সাথে লেখাপড়া করতেন, তখন তারা অবসরে সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডীন হিসাবে কাজ করতেন। এটা কিভাবে সম্ভব হয়েছিল?
রবোটটির মাথাটা ডানদিকে কাত হয়ে হেলে পড়লো- আমি নিশ্চিন্ত হলাম যে রবোটটি এই ধাঁধার সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত তার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রনটুকু ফিরে পাবে না। আর নিয়ন্ত্রনটুকু ফিরে না পেলে সে এক্সপেরিমেন্টটা শুরু করতে পারবেনা। আমার হাতে এখন অফুরন্ত সময়।
আমি আরেকটা সিগারেট ধরিয়ে মেগাট্রনটির গায়ে হেলান দিয়ে আবারও মেঝেতে পা মেলে বসে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম। বাইরে তখন লেজার বীম দিয়ে দরজা কাটা হচ্ছে। তারপর একটা পাদ দিলাম, এখানে পাদ দেয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ জেনেও।
-----------------------
মুহম্মদ জাফর ইকবালের “কপোট্রনিক বিভ্রান্তি” অবলম্বনে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অরূপ বলেছেন:
৫ দিলাম
বেন্ড হারাধন বলেছেন:
লা জবাব !!!
বেন্ড হারাধন বলেছেন:
লা জবাব !!!
দন্ডায়মান বলেছেন:
দ্রহী ভাই খামাকা ত্যানা প্যাচান ক্যান।৫ দিলাম দেখে মনে কইরেন না এইসব আমি পসন্দ করি। যাস্ট প্যারডিটা মজা হইছে দেখে দিলাম।
চোর বলেছেন:
৪ দিসি। ৫ দিতে গেলে রাইসুদাকে ৫ দেওয়ার কাহিনী মনে পড়ে যায়।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
৪ দিসি ( ৫ দিতাম মাগার ভয়ে দিলাম না , বেশি দিলে উনি মাইন্ড খাইবেন ৭ টা শর্মার লাহান )
কেমিকেল আলী বলেছেন:
মাগার এতক্ষন ব্লগে ফালাইতাছি আর এই জোশ জিনিষটা এতপরে চোখে আসল, যাই হোক ৫/৫।ছবি আছে তাই ছবি দিছে, চাটিফিকেট থাকলে সেটা হয়ত গলায় ঝুলিয়ে রেখে ফুটুক তুলে আমাদেরকে দেখাত,
যাউকগা, এম, আই, টি মিস করছেন লিখতে, তিনি সেখানেও "..." উগাড়াইয়াছিলেন।
তেনার ভাষ্যমতে।
দাশর্নিকরা বলে, তেনেই নাকি হিজড়া, তাই রাগে... মাথা আওলাইয়া থাকে ২৪/৭।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
জটিল বস!!
দ্রোহী বলেছেন:
অরূপ: মাত্র ৫? হাত খুলে আরও বেশী দিতে পারলেন না?বেন্ড হারাধন: ধন্যবাদ হারু।
দন্ডায়মান: কি করবো ভাই। ত্যানা আছে তাই প্যাচাই- রাগুদি ত্যানা সাপ্লাই না দিলেই পারেন।
চোর: হে হে। ঠিকাছে......
মাহবুব সুমন: বস ঠিকাছে......
ফারহান দাউদ: তেনার নামে এইসব বলেন কেন। পরে আপনাকেও আমার মত "আবাল বোকাচোদা" বলে দেবেন। তখন কাইন্দা কুল পাবেন না।
কেমিকেল আলী: এম.আই.টি অ্যাড করে দিসি। এত বড় বড় সব ইউনিভার্সিটি.... নাম লইতেই ভয় লাগে গুরু।
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন: আবার কখন আইবেন গুরু?
দ্রোহী বলেছেন:
খনড ত: আরেকটু বেশী দেন।
বেন্ড হারাধন বলেছেন:
আমার দনই নাই
চোর বলেছেন:
হারুর ধন কি বেন্ড হয়া গেছে?
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
হুমম, ছয়টা এন্টি-পোস্টই মনোযোগ দিয়ে পড়লাম ।সবগুলাই মাথার উপর দিয়ে গেছে - সত্যি কথা বলতে ।
ভয় লাগতেছে - আমার মস্তিষ্কের আয়তন দিন-দিন কমে যাচ্ছে না তো !
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
ভাই, অ্যারোগ্যান্ট মানুষদের ছেড়ে দেয়াই ভালো ।ওনারা ব্যক্তিগত জীবনে নিজেদের মূল্যায়ন হয় না বলেই তো এরকম ভার্চুয়াল জগতে হম্বি-তম্বি করার চেষ্টা করেন - নয় কি?
একজন মানুষ যদি এই প্রায়-অবাস্তব জগতে নিজের অথবা নিজের কাছাকাছি কারও সান-সার্টিফায়েড সার্টিফিকেট এর কথা বলে কোন সুবিধা বা সম্মান পেতে চায় -- তার বাস্তব জীবনে যে কোথাও সমস্যা আছে - সেটা কি আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয় ?
আর কেউ যদি নিজের সম্মান বাঁচানোর জন্যে বন্ধু-বান্ধবের শিক্ষাগত পরিচয় এনে হাজির করে - বুঝতে হয় - তারও কোথাও ঘাটতি আছে।
তবে সরাসরি সেটা না বলাটাই শোভন ।
দ্রোহী বলেছেন:
প্রত্যুত্তরে আমি কিছু বললাম না। --তবে নিরপেক্ষভাবে বলবো, এন্টি-পোষ্টগুলো রম্য হয়ে উঠতে পারেনি। --আসলে কারও প্রতি রাগ, ঘৃনা বা জিঘাংসা নিয়ে রম্য লেখা সম্ভব নয়।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
দ্রোহী, ওম শান্তি
দ্রোহী বলেছেন:
মাহবুব সুমন: ওম শান্তি।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
জগতের সকল নারী সুখি হোক
দ্রোহী বলেছেন:
ক্ষরণেই নির্বাণ ও নিষেক।
হোসেইন বলেছেন:
আমি তার রম্যের ভক্ত।এ বিষয়ে কিছু বললে আমি মাইন্ড খামু@আ.বো.চু।
দ্রোহী বলেছেন:
ওটা ছিল ওনার সাময়িক, খেয়ালী আচরণ। আমি সেন্টু খাইনাই@মু.সা.আঁ
হোসেইন বলেছেন:
আমিও খাই নাই। খাইতে চাইছিলাম।এ জন্য একটা ট্রেলার পোস্টও দিসিলাম (স্বর্গে গান্ধীজির ছাগলের সাথে বাতচিত)।কিন্তু তিনি আরিফ ভাইরে জড়াইয়া একটা ডবল ফালতু পোস্ট করিলেন।সেইটা দেইখা আর কী করা।নি:শর্ত সারেন্ডার।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
ওনার শুকনার প্রভাব আছে মনে হয়, মাঝে মাঝেই চোখে পরে তো তাই।
হাসিব বলেছেন:
আরিলরে কওন লাগবো রেটিং ৫ এ আর কুলাইতেছে না । আর কেমিক্যাল কেমনে কি? উনি কি চায়ে লিকার কম দুধ চিনি বেশী ফর্মুলায় বিশ্বাসী ?
কেমিকেল আলী বলেছেন:
এই তো হাসিব ভাই একদম জি-স্পটে হিট করছেন।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
জাফর ইকবালের ভাত মারতে আইছে এই পোলায়!
হযবরল বলেছেন:
মাঝি ডরেই থাকে, নতুন কইরা ডরানোর কিছু নাই।
ত্রিভুজ বলেছেন:
অরুপ দা'র সায়েন্স ফিকশানে একটু দুর্বলতা আছে। তাই মনে হয় ৫ দিছে। অরুপ দা'র একটা সায়েন্স ফিকশনের বাকী অংশ লিখার কারনে অরুপ দা আমারে ব্যান দিছিল.. দ্রোহীও দিতে পারেন.. তাইলে শুরু করি--------------------------------------
রোবট টির বুদ্ধিমত্তা অনেক নীচু পর্যায়ের হলেও সে জানতো গুগল নামক একটি সাইটে সার্চ করলে অনেক কিছুর জবাব পাওয়া যায়। তাই সে 'রাগু' লিখে গুগলে সার্চ দিলো। সাথে সাথে পেয়ে গেল কিছু ওয়েব লিংক। লিংকগুলোর কনটেন্ট তার অনুবাদক মডিউলের সহায়তায় ইংরেজীতে রুপান্তর করে সমস্যার সমাধান পেয়ে প্রফেসরের দিকে তাকালো। তার মনে হলো এত নিন্মবুদ্ধি সম্পন্ন একজন মানুষ্য প্রজাতি এই বিজ্ঞানাগারে কি করে? এই গুড ফর নাথিং এখানে থাকলে গবেষনার বারোটা বাজবে। তারচেয়ে বরং আমিই একে টার্মিনেট করে দেই। যেই ভাবা সেই কাজ। জরুরী মূহুর্তে ব্যাবহারের জন্য রোবটটির বুকে লুকিয়ে রাখা লেজার গানটি আস্তে আস্তে বের হতে লাগলো......
একদিন পর:
সামহোয়্যারইনব্লগ নামক একটি অতি পুরানো সাইটে সাইটে একটি দু:সংবাদ দিয়ে কেযেনো একটি পোষ্ট দিয়েছে। সেই পোষ্টের মন্তব্যে অনেকেইল লিখে দিল, 'ইন্না লিল্লাহির..... রাজেউন'..... আহারে..অনেক বংশ ধরেই তাহারা ব্লগিং করে আসছিলো। বহুত পুরানা ব্লগার...............
(বি:দ্র: লিংকগুলোতে রাগুদির হার্ভাড, ইয়েল, এম.আই.টি সহকর্মীদের ছবি ও কিছু বক্তব্য ছিলো। তবে আমাদের রোবটটি খুব বিরক্ত হয়েছিলো তিনটি ভার্সিটিতে না পড়েও যে তিনটি ভার্সিটির লোকদের সাথে কাজ করা যায়, তা এই বেটা গুড ফর নাথিং প্রফেসর জানেনা দেখে।)
অরূপ বলেছেন:
ত্রিভুজরে ষাড়ে পাঁচ দিলাম! মুখফোড়ের ভাত মারবে, জাতও মারবে
অরূপ বলেছেন:
বাই দ্য ওয়ে ত্রিভুজ, তোমারে সাইন্স ফিক্শানের জন্য ব্যান করি নাই। লেখাটা সুখপাঠ্য ছিল। ব্যান করেছিলাম তোমার টিপিকাল ইমবেসিলিক কথাবার্তার জন্য..
হোসেইন বলেছেন:
ব্যন ট্যান কিছু না।ঘরের ভিতর ছাগল ঢুকলে হেরে কয় খেদানো,ব্যন কয় না।
ত্রিভুজ বলেছেন:
হা হা হা.. ঠিকাছে @ অরুপ!
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
চমত্কার! লজিক সাবরুটিনের ব্যাপারটায় আরেকটু ডিটেলিং করতে পারতেন। আই-রোবোট সিনেমাটি আমার খুব প্রিয়, আর স্পিলবার্গের এআই ছবিটিও, এগুলি দেখেছেন নিশ্চয়ই?
দ্রোহী বলেছেন:
আই রোবট দেখবেন? কিংবা ডাউনলোড করবেন? দিবো লিংক? হাই স্পিড ইন্টারনেট থাকতে হবে।
খারেজি বলেছেন:
আসলেই বুঝতাসি না ইমনের পিসে লুকে আগে থাইকাই লাইগা রইসে কেন?
কেউ কি ফ্যাক্টস লিংকস মেইল করবেন অধমরে?
খারেজিখারেজি@জিমেইল.কম
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















