একমাত্র ব্যানমুক্ত ব্লগ!

উট লইয়া গবেষণা করিবার বিপদ

০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৮

শেয়ারঃ
0 0 0

© ইহা একটি কাল্পনিক গল্প। জীবিত বা মৃত কোন ব্যক্তি কিংবা ঘটনার সাথে মিল খুঁজিয়া পাইলে তাহা অনভিপ্রেত কাকতাল মাত্র।
××××××××××××××

বাঁশখার ওসমান সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তাহার পিতা গাজী- পিতামহ দরবেশ হিসাবে খ্যাতি লভিয়াছিলেন। বালেগ হইবার পর গবেষণার নিমিত্তে তাহাকে আরব ভুমিতে প্রেরণ করা হইলো।

আরব ভুমিতে অবতীর্ন হইবার পর বাঁশখার ওসমান তাহার আশু ভবিষ্যত লইয়া ভাবিতে লাগিল। সে ভাবিয়া দেখিল এমন কিছু লইয়া গবেষণা করিতে হইবে যাহাতে তাহাকে সবাই কদর করিতে বাধ্য হয়! ভাবিতে গিয়া সে দেখিল, আরব ভুমিতে বসিয়া উট লইয়া গবেষনা করাই উত্তম হইবে! উট অতি বিখ্যাত প্রাণী, উহার খ্যাতি সুদুর আরব ভুমি ছাড়াইয়া গাবতলীর হাঁট পর্যন্ত পৌছাইয়া গিয়াছে! পয়গম্বরগন উটের পিঠে চড়িয়া ধর্মপ্রচার করিয়া বেড়াইতেন। ভাবিয়া চিন্তিয়া বাঁশরাফ রহমান সিদ্ধান্ত গ্রহন করিল, সে উট লইয়া গবেষনা করিয়া খ্যাতি লভিবে।

পরদিন প্রাতঃকালে তাহার মনোষ্কামনা পূর্ণ করিবার নিমিত্তে সে বাটী হইতে বাহির হইলো। মরুভুমিতে পথ চলিতে চলিতে সে কাহিল হইয়া পড়িল। তীব্র দাবদাহে তাহার প্রাণবায়ু নির্গত হইবার উপক্রম হইলো। এমতাবস্থায় সে দেখিল বেশ কিছুটা দুরে একটি ছোট্ট মরুদ্যান। প্রাণ বাঁচানোর তাড়নায় সে মরুদ্যান লক্ষ্য করিয়া চলিতে লাগিল। মরুদ্যানের সম্মুখে আসিয়া সে জ্ঞান হারাইলো।

জ্ঞান ফিরিয়া আসিবার পর সে আবিষ্কার করিল, একজন শুশ্রুমণ্ডিত ব্যক্তি তাহার উপর ঝুঁকিয়া আছে। কিয়ৎকাল বাদে একটু সুস্থির হইবার পর, সেই শুশ্রুমণ্ডিত ব্যক্তি তাহারা অভিপ্রায় জানিতে চাহিল।

--জনাব, আমি পবিত্র প্রাণী উট লইয়া গবেষনা করিয়া জগতে খ্যাতি লভিতে চাই। সেই লক্ষ্যে বাটি হইতে বাহির হইয়াছি। যেখানেই উট লইয়া গবেষণা করিবার সুযোগ মিলিবে, আমি সেখানে ঘাঁটি গাড়িব।
--শেখ তাহাকে জিজ্ঞাসিলো, “উট লইয়া গবেষণা করা জিহাদ করার সামিল তুমি কি তাহা জান? তোমার ভিতর কি সেই জেহাদী জোশ আছে বলিয়া মনে হয়? আমিও এমনই একজনকে খুঁজিতে ছিলাম। ইচ্ছা হইলে তুমি আমার মরুদ্যানে রক্ষিত উট লইয়া গবেষণা করিতে পার। বিনিময়ে তুমি মাসোহারা পাইবে।”

জিহাদের কথা শুনিয়া বাঁশরাফ উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। সে কালবিলম্ব না করিয়া রাজী হইয়া গেল। পরদিন প্রাতঃকালে সে নিজ বাটি অভিমুখে রওয়ানা হইলো। বাটিতে পৌঁছিয়া সে পরিহিত লুঙ্গী খানা খুলিয়া তাহার এক প্রান্তে গিট্টু দিল, অতঃপর লুঙ্গীর ভিতর তাহার সমুদয় সম্পত্তি ভরিয়া মরুদ্যান অভিমুখে রওয়ানা করিল।

মরুদ্যানে পৌছিয়া সে কালবিলম্ব না করিয়া গবেষণায় লিপ্ত হইল। প্রথমেই নোটবই খানা বাহির করিয়া তাহাতে হাবিজাবি লিখিতে শুরু করিয়া দিল।

রাত্রিকালীন আহারে শেখ তাহাকে “শরাবন তহুরা” দিয়া আপ্যায়ন করিল। আহারান্তে তাহার দুইজন একত্রে ঘুমাইতে গেল। আরব ভুমিতে সাম্যবাদের জয়জয়কার! মালিক-কর্মচারী একত্রে ঘুমাইবে ইহাই স্বাভাবিক!

ঘুমের মধ্যে সে দুঃস্বপ্ন দেখিল, একটি উট তাহাকে পোঙামারার নিমিত্তে তাড়া করিতেছে! বাঁচার অভিপ্রায়ে সে শেখের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছে। শেখ তাহাকে “পানির উপর দিয়ে হাঁটিতে সক্ষম এক জোড়া জুতা” পরিধান করিতে দিল। বাঁশরাফ উহা পরিধান করিয়া পানির উপর দিয়া হাঁটিয়া সেইবারের মত নিজের ইজ্জত রক্ষা করিল। প্রাতঃকালে ঘুম হইতে উঠিয়া সে লক্ষ্য করিল পশ্চাৎ প্রদেশে ব্যাপক ব্যাথা অনুভুত হইতেছে।

পশ্চাৎদেশকে আমল না দিয়া সে পুনরায় গবেষনা কর্মে লিপ্ত হইলো। সেইদিন রাত্রে “শরাবন তহুরা” যোগে আহারান্তে ঘুমাইতে যাইবার পর আবারও দুঃস্বপ্ন দেখিতে আরম্ভ করিল।

এইবার দেখিল, শেখ তাহাকে পোঙামারা দিবার নিমিত্তে তাড়া করিতেছে। রক্ষা পাইবার জন্য সে উটের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছে। উট তাহাকে রক্ষা করিবার জন্য ছুটাছুটি করিতে আরম্ভ করিল। ফলশ্রুতিতে মরুঝড় সৃষ্টি হইলো, “মরুঝড় সৈনিক হিসাবে” তাহাকে সেইবারের মত পোঙামারা খাওয়ার হাত হইতে রক্ষা করিল। পরদিন ঘুম হইতে উঠিয়া সে দেখিল তাহার পোঙায় আবারও ব্যাপক ব্যাথা অনুভুত হইতেছে।

উপায়ন্তর না দেখিয়া বাঁশফার রহমান ভাবিল শেখকে তাহার স্বপ্নের কথা খুলিয়া বলিবে! সবকিছু শুনিয়া শেখ তাহার পশ্চাৎদেশ খুলিয়া দেখিতে চাহিলো। দেখিবার পর শেখ তাহাকে বলিল, “হুম... পশ্চাৎদেশ খানা কিঞ্চিত লাল হইয়া রহিয়াছে।”

বাঁশফার কে আশ্বস্ত করিবার নিমিত্তে শেখ তাহাকে বলিল, “কেবলমাত্র পূণ্যবান ব্যক্তিরাই উটের মত পবিত্র প্রাণীর সহিত সঙ্গমের সুখ লভিতে সক্ষম হয়। মৃত্যুপরবর্তীকালে নিশ্চয়ই তাহাকে স্বর্গে অধিষ্ঠিত করা হইবে।”

স্বর্গপ্রাপ্তির কথা শুনিয়া বাঁশফার চুপ হইয়া গেল। কিন্তু দিনের পর দিন পশ্চাৎদেশের বেদনা সহ্য করিয়া স্বর্গলাভ অতি মুষ্কিল! সে জিজ্ঞাসিলো, “দ্বিতীয় রাত্রিতে দেখিলাম আপনি আমাকে পোঙামারা দিতে চাইছেন, উট আমাকে রক্ষা করিতেছে- উহার কি ব্যাখা দিবেন?”

শেখ তাহাকে উল্টা প্রশ্ন করিল, “উট তোমাকে রক্ষা করিতে চাহিতেছে, উহাকে কি প্রতীয়মান হয়?”

“প্রতীয়মান হয় যে আপনি আমাকে পোঙামারা দিতে চাহিতেছেন।” কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলিলো বাঁশরাফ।

অতঃপর সে উট লইয়া গবেষনা কর্মে ইস্তফা দিল। তাহার সমুদয় সম্পত্তি লুঙ্গীর মধ্যে লইয়া বাটির পথে রওয়ানা হইলো।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাহাকে, “হিন্দুরা কেন গো মাংস ভক্ষন করে না” তাহা লইয়া গবেষণা করিতে দেখা গিয়াছে।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:১৫
অমিত বলেছেন: রে রে ইহুদি নাসারাদের ইয়ে..নিসছই আফোনার ঝইন্য ফরকালে উত্তম জাঝা নেই..চ..
২. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:১৮
অমিত বলেছেন: বলগের বুজুর্গ লোকদের নিয়ে এই ইতর মশকরা নিশছই মুমিন সমাজ মেনে নিভে না...
৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:২১
কেমিকেল আলী বলেছেন: আরে বস!! কতক্ষন ধইরা ফাঁন-পাইতা বইসা আছি কখন একটা ভাল লেখা পাইব!! শেষ পর্যন্ত দেখা পাইলাম। তা বস “শরাবন তহুরা” সম্পর্কে এই অধম কিছুই জানে না, জানাইলে উপকারীর উপকার স্বীকার করিয়া কৃতজ্ঞ রহিব।

শেষে সাদিক আলমের ভাষায় চামচ হইলাম।
৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ ভোর ৫:২৬
হাসান মোরশেদ বলেছেন: হাহাহা ...
রম্যে তো আপনারা একজন আরেকজন কে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন ।

ঘোষনা দিয়াই চামচামি করলাম ।
৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৭
ডঃ ফচটাচ বলেছেন: আমাদের দার্শনিকগনের সারিতে দেখা যাচ্ছে বাঁশ-রাফ রহমান উটের দার্শনিক হিসাবে আসিতেছে.......ন।
৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:০৫
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: হিন্দুরা কি উটের মাংস ভক্ষন করে ??
৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
দ্রোহী বলেছেন: অমিত: পরকালে উত্তম জাঝা আছে কিনা জানি না। কিন্তু ইহকালে জাঝা বিষয়ক কবিতাখানা পড়িবার পর আমার কান ঝাঁ ঝাঁ করতে শুরু করেছিল।


কেমিকেল আলী: "শরাবন তহুরা" এবং "হুর পরী" এই দুইটা জিনিষই তো বেহেশতের মুল বস্তু।


হাসান মোরশেদ: কাউকে ছাড়িয়ে যাবার যোগ্যতা আমার নেই।


ডঃ ফচটাচ ( নামটা জানতাম ফস্টাস!): বাঁশ-রাফ জন্ম থেকেই দার্শনিক।


আঈজুদ্দিন চৌধুরী: আমারও একই প্রশ্ন।


মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান: কিরে.................. ?
৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬
চোর বলেছেন: সাধু! সাধু!!!!!
ব্যাপক।
১০. ০৮ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১:০০
দ্রোহী বলেছেন: চোর্দা: কি ব্যাপক? কিসের কথা বলছেন?...বাঁশফার রহমানের পশ্চাৎ প্রদেশের ব্যথা?
১২. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:১৬
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: নিতম্ব প্রদেশ, পষ্চাত দেশ

খিয়াল কইরা
১৩. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:১৮
হিমু বলেছেন: কিন্তু বাঁশরাফ যে পরিধানের লুঙ্গিতে গিঁট মেরে ব্যাগ বানিয়ে ফেললো, তার পরনে কি আর কিছু ছিলো না? মরূদ্যানের শেখের পাশে উলঙ্গ হয়ে ঘুমানোর কুবুদ্ধি দরবেশের নাতি গাজির বেটা বাঁশরাফকে কে দিলো?
১৪. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:২০
ডঃ ফচটাচ বলেছেন: দার্শনিকরে লইয়া এইভাবে পশ্চাত লাল করিবার দায়ে উটকে ১০০ দোরড়া মারার আদেশ আর উটের পরিবর্তে আঈজউদ্দিনের গাধা খাম্বা দিয়া যাইতে পারে-- জনার বাঁশ-রাফ কে।
১৫. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:২০
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: উলঙ্গ হইয়া ঘুমানো স্বাষ্হ্য সম্মত, তাই এই ঘটনা ঘটিয়াছে জনাব
১৬. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:২২
ডঃ ফচটাচ বলেছেন: আঈজউদ্দিন তোমার ছবির খাম্বার রস উনাকে খাওয়াইলে তাহার পশ্চাত দেশের লাল-দাগ ও ব্যাথা সবই দূরীভুত হইবেক---- ফতুয়ায় - ইবনে-সিনা।
১৭. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:২৭
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: খাম্বার রস উনাকে খাওয়াইলে উনি পটল তুলিতে পারে জনাব তার চাইটে পষ্চাত দেশ হামলা উভয় পাটির জন্য আনন্দদায়ক
১৮. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:৪৯
অমিত বলেছেন: জাঝা অর্থ পুরষ্কার ফল, সূত্র "জারীর" নামে এক শিশু মোল্লার ক্‌বিতা (!!!)
১৯. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:৫০
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: "জারীর" নামে এক শিশু মোল্লার বয়স টিক কিন্তু শিশু নয়
২০. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:২২
অমিত বলেছেন: হু, কাঁচা বাশে ঘুণ ধরে গেছে..
২১. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:২৩
ঠুকেমারি বলেছেন: হো হো হো কিশুরহোগা জরির। উহাকে ঐ পোঙালোলুপ ছেখের কাছে উটগবেছনা করিতে পাঠান উচিত।
২২. ০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:২৩
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: পষ্চাত দেশ হামলা উভয় পাটির জন্য আনন্দদায়ক
২৩. ০৯ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:১৬
দ্রোহী বলেছেন: দ্যাখো দেখি কি কান্ড!! আমি লিখলাম বাঁশফার আর সবাই বলছে বাঁশ-রাফ..........
২৭. ১৫ ই মে, ২০০৭ রাত ১:৩৮
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: পষ্চাত দেশ হামলা উভয় পাটির জন্য আনন্দদায়ক
২৮. ১৬ ই মে, ২০০৭ রাত ২:২৫
দ্রোহী বলেছেন: মিচকে: শুকরিয়াহ।

আঈজুদ্দিন: যে হামলা করে তার জন্য বেশী আনন্দদায়ক।
৩০. ১৮ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:১২
তেলাপোকা বলেছেন: নাহ, ৫ দিতেই হলো, সময় নিয়ে পড়লাম। গল্পের গন্তব্য আছে ;) ধন্যবাদ দ্রোহী।
৩১. ১৯ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:০০
অলৌকিক হাসান বলেছেন: একেবারে উত্তম জাঝা হইছে বস।
৩৩. ২৫ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:৫০
কনফুসিয়াস বলেছেন: হা হা হা! ছি ছি , আপনি এত খারাপ!
৩৪. ২৫ শে মে, ২০০৭ রাত ১:০২
দ্রোহী বলেছেন: আমি কিছু করি নাই। তিনটা পোষ্ট খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েই তিনটা বিখ্যাত কমেন্ট আবিষ্কার করছি। ওখান থেকেই এই গল্পের আইডিয়া।
৩৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: কেন যে আরো আগে রেজি কর্লাম্না @ স্বপ্নকথক! আগে কি দিন আছিলো! এহন পাইনসা বলগ :( ধুরো
৩৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৫
স্বপ্নকথক বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: কেন যে আরো আগে রেজি কর্লাম্না @ স্বপ্নকথক! আগে কি দিন আছিলো! এহন পাইনসা বলগ ধুরো
এক্কেরে ঠিক কথা হাসান ভাই!! দুস্কে সত্যই কান্দন আহে!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কি মাঝি! ডরাইলা!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ