মুক্তিযুদ্ধের হাসির গল্প
১০ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৪
১৯৭১ সালের অক্টোবর মাস। সারাদেশ জুড়ে যুদ্ধ চলছে। ক্রমশই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। মুক্তিযোদ্ধারা বিপুল বিক্রমে একের পর এক ঘাঁটি দখল করে নিচ্ছে।
পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর একটা গ্রুপ ঘাঁটি গেড়েছে এক গ্রামের স্কুল মাঠে।
একদিন মুক্তিযোদ্ধারা সেই ঘাঁটি আক্রমন করলো। দুই দল মুখোমুখি! মুক্তিযোদ্ধারা গাছের আড়ালে, ঝোঁপের ভেতর থেকে গুলি করছে! পাকিস্তানী মিলিটারীরা বালির বস্তার আড়াল থেকে গুলি করছে।
মুখোমুখি অবস্থা!
হঠাৎ মুক্তিবাহিনীর একজন যোদ্ধা চেঁচিয়ে উঠলো, “জাফরি, কাঁহা হো তুম?”
বালির বস্তার আড়াল থেকে জাফরি উঠে দাড়িয়ে বললো, “কেয়া হুয়া?” সাথে সাথেই মুক্তিবাহিনীর ভেতর থেকে একজন গুলি করে তাকে ফেলে দিলো!
একটু পরে মুক্তিবাহিনীর আরেকজন যোদ্ধা ডাক দিলো, “হাশমি, তুম কিধার হ্যায়?”
বালির বস্তার আড়াল থেকে হাশমি উঠে দাড়িয়ে বললো, “কেয়া হুয়া?” সাথে সাথে মুক্তিবাহিনীর ভেতর থেকে কেউ একজন মেশিনগান দিয়ে হাশমিকে ঝাঁঝরা করে দিল।
দুজন সৈন্য হারিয়ে পাকিস্তানীদের কিঞ্চিৎ বুদ্ধি বাড়লো। তাদের ভেতর থেকে একজন চিৎকার করে বললো, “জাব্বার, তুম কাঁহা হো?”
মুক্তিযোদ্ধাদের ভেতর থেকে একজন বললো, “জাব্বার ঘার চালা গায়া। কেয়া তুম খালিলি হ্যায়?”
খালিলি উঠে দাড়াবার সাথে সাথেই একজন মেশিনগান দিয়ে তাকে ফুটো করে দিল।
**************************
আইডিয়া কইত্তে পাইছি কমু না।
**************************
একটু কষ্ট করে ইউটিউবে এই ভিডিওটা দেখেন এবং খানিকটা গালাগালি করে আসেন (লিংকের জন্য অরূপকে ধন্যবাদ)
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দ্রোহী বলেছেন:
দেখছি........আমিতো আরবীতে ঝাড়ছি.......
কেমিকেল আলী বলেছেন:
আপনে তো আবার নয়া হাফেজে আলেম হযরত মাওলানা শাহ মোঃ আব্দুল আল "সূফি"
অব্যক্ত বলেছেন:
দ্রোহী@ ভালো হয়েছে লেখা.. কিন্তু আফসোস্.. আহা রে! মুক্তি যুদ্ধ যদি আমাদের বীর যোদ্ধাদের জন্য এমন JOYRIDE হতো!!! কি ভয়ংকর কষ্টটাই না ওনারা করেছেন যুদ্ধের সময়.. তবু আপনার কল্পনাটির প্রশংসা করছি.
দ্রোহী বলেছেন:
কেমিকেল আলী: আবার কয়.............অব্যক্ত: কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে কোন অর্জন অনেক বেশী মধুর, কথাটা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন।
মুকুল: ধন্যবাদ
রাগ ইমন বলেছেন:
এট্টা গলপ ( গল্প না) আপনার জন্যি । টুরু ইস্টোরি । পরিচিত এক দুলাভাই গ্যাছে পাকিস্তানে । দুলাভাই খানিক "ইয়ে ঘেষা বিভ্রান্ত লোক"। আপার মুখের দিকে তাকিয়ে , সংসার রক্ষা কল্পে , আমরা মুখ বুঁজে সহ্য করি তার আবোল তাবোল প্রলাপ ।
প্রথম বারের মত স্বপ্নের পাক স্তান থেকে ফিরে দেখি আপা খালি "দাঁত কেলায় হাসে আর দুলাভাই স্পিকটি নট"। দুলা মিয়া ইসলামিক কান্টি , পাক পবিত্র লুকদের অবস্থা দেখিয়া বড়ই মর্মাহত। তিনি যা দেখিয়াছিলেন -
১। যেই পাকি নারীদের উদাহরন টানিয়া দুলা মিয়া আপাকে বোরখায়িত করিবারে প্রানান্ত করিয়াছেন , সেই সব পাকি নারী "জর্জেটের উড়না নামক সুতলি পরিয়া ঘুরিয়া বেড়ায় ।" পার্টিতে পার্টিতে বিভিন্ন নারীর উদার স্পর্শ পাইয়া " ধম্ম বাঁচাইতে বউকে চাই" কল্পে বসকে চিঠি দিতে বাধ্য হন।
২। পবিত্র স্থানে সাচচা মোচম্মান্দের পাট্টিতে সুরার নহর বইয়া যায় । এইটা বেহেস্ত এর "দুনিয়া ভার্স্ন না ট্রেইলার " -এই টেইল ট্রেস করা যায় নাই ।
৩। বউ এর জন্য ফুল কিনিতে গিয়াছিলেন । বিক্রেতার সাফ হিসাব -
প্রতি হালি গোলাপ - ১০ রুপি ।
তবে , ১ ডজন গোলাপ - ৪০ রুপি ।
ফাজলামো পাইসো মিয়া? এক সাথে ১২টা গোলাপ নিবা আর দাম দিবা ৩০ রুপি ! কভি নেহি!
কেমিকেল আলী বলেছেন:
ঐটা সূরা না, ঐটা হইল "শরাবন তহুরা" @ রাগ ইমন
তারেক রহিম বলেছেন:
দ্রোহী, তুম কিধার হ্যায়? ডরনা মাত, বস্তা কি আড়াল সে জবাব দো। ম্যায় তুমহারি বস্তাসে ভি উড়া দুঙ্গা।(উর্দু হইসে না বস?)
অন্ধকার বলেছেন:
আচ্ছা হ্যায়!
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
বুঝছি, আপনের মেম্বারের সাট্টিফিকেট লাগবো।
চোর বলেছেন:
চ
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
হ
দ্রোহী বলেছেন:
আড্ডাবাজ বলেছেন:
হাসি।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ণ
হযবরল বলেছেন:
একটু নৃশংস। কিন্তু জম্পেশ।
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
দ্রোহী বলেছেন:
আমি আবার কি করলাম?
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
৭৮৬
দ্রোহী বলেছেন:
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ঠেলা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














.jpg)

যুত কইরা দিছি বস!!