একমাত্র ব্যানমুক্ত ব্লগ!

দ্রোহী পুরাণ ০১

২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২০

শেয়ার করুন:                   Facebook

“দ্রোহী পুরাণ সিরিজের গল্পগুলোর মাল-মশলার যোগানদার মুখফোড়”
******************************************

ঈশ্বর ইদানিং বড়ই বির‌ক্তি অনুভব করিতেছেন!

মাঝে কয়বার জেমস বন্ডাইল ছাগুতে উপগত হইতে চেষ্টা করিয়াছিল! প্রতিবাদী ছাগু স্বর্গ জুড়ে তারস্বরে ম্যাৎকার করিয়া বেশ একটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করিতে সক্ষম হইয়াছিলো! এখন আবার সেই একঘেয়ে স্বর্গ! এর একটা বিহিত করা অতীব জরুরী হইয়া দাড়াইয়াছে।

ঈশ্বর গোপনে জেমস বন্ডাইলকে ডাকিয়া আদমের কাছে সংবাদ পাঠাইলেন- আদম যদি স্বর্গে ফিরিয়া আসিতে রাজী হয়, তাহা হইলে পুনরায় অমরত্ব লাভ করিবে, নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনেও বাধা থাকিবে না আর, ঠিক যেমনটি ছিল সবকিছু তেমনি করিয়া দেওয়া হইবে!

ঈভের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনের অপরাধে স্বর্গ হইতে বিতাড়িত হইবার পর পৃথিবীতে আসিয়াই আদম প্রথমে ঈভের উপর বলপ্রয়োগপূর্বক উপগত হইয়া শোধ তুলিতে চেষ্টা করিলো। আদমের এই কুৎসিত প্রচেষ্টায় শাপে বর হইলো! ঈভ টাইপরাইটারের খটখটিতে এতবেশী মুগ্ধ হইয়া গেল যে স্বর্গজীবনে কেন সে আদমকে টাইপরাইটার দিয়া মহাকাব্য লিখিতে দিলো না তাহা ভাবিয়া বুক চাপড়াইতে লাগিলো!

বুক চাপড়ানোর ফলে ঈভের সুডৌল বক্ষ আন্দোলিত হইতে লাগিলো। এইদিকে কাঁচুলির নড়াচড়া দেখিয়া আদমের টাইপরাইটারখানা পুনরায় কর্মক্ষম হইয়া উঠিলো। সে এক দিস্তা কাগজ টানিয়া লইয়া টাইপরাইটারে ঢুকাইয়া যেইমাত্র টাইপ শুরু করিতে যাইবে, ঠিক তখুনি জেমস বন্ডাইল আসিয়া গলা খাঁকারিয়া কহিল, “বন্ডাইল! জেমস বন্ডাইল!”

আদম টাইপরাইটার খানা একপাশে সরাইয়া জেমস বন্ডাইলের টেরি টানিয়া ধরিয়া বলিলো, “মারিয়া পস্তা উড়াইবো! ছাগুরাম কাব্য লিখিতে বাধাপ্রদান? স্বর্গ পাইয়াছ? এয়ার্কি োদাও আমার সাথে?”

জেমস বন্ডাইল বলিলো, “ঈশ্বর খবর পাঠাইয়াছেন, তিনি তোমাদিগকে পূণরায় স্বর্গে ফিরাইয়া লইয়া যাইতে রাজী হইয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন স্বর্গে ফিরিয়া যাইতে রাজী হইলে সবকিছুই আগের মতো করিয়া দেওয়া হইবে।”

আদম ভাবিয়া দেখিলো, সবকিছুই আগের মতো করিয়া দিলে ঈভ তাহাকে আবারও টাইপরাইটার ব্যবহার করিতে দিবে না। মৃত্যুহীন, ক্লান্তিময় জীবনে কলমে লিখিয়া যে পরিমান ছাগুরাম কাব্য রচনা করিতে পারিবে, টাইপরাইটার ব্যাবহার করিলে অল্প কয়েক বছরেই সে তাহা অপেক্ষা ঢের বেশী কাব্য রচনা করিতে পারিবে। কলমে লেখা কাব্যগুলো যেইখানে নিঃসঙ্গ বচন হইবে, সেইখানে টাইপরাইটার ব্যবহার করিলে প্রেমময় কাব্য রচিত হইবে।

“ঈশ্বরকে বলিও ছাগুরামকে সাথে লইয়া মৌজে মাতিতে। আমি ও ঈভ স্বর্গে ফিরিয়া যাইবো না বলিয়া মনস্থির করিয়াছি।”-মেঘস্বরে কহিলো আদম।

জেমস বন্ডাইল ফিরিয়া আসিয়া দুঃসংবাদ জানাইবার পর হইতেই ঈশ্বর চরম মুষড়ে পড়িয়াছেন! তাহার এই বিরক্তিকর জীবনে কিরুপে আনন্দসঞ্চার করা সম্ভবপর হইবে, ভাবিয়া ভাবিয়া পেরেশান হইতে লাগিলেন!

অবশেষে তিনি একটা বুদ্ধি বাহির করিলেন। তিনি একদা প্রাতঃকালে কারিগর টাইপের কয়েকজন স্বর্গদূতকে ডাকিয়া স্বর্গের মাঝামাঝি জায়গায় একটি বাঁশবাগান বানাইতে নির্দেশ প্র্রদান করিলেন। বাঁশ বাগান তৈরি হইবার পর, উহা পাহারার কাজে কঞ্চিত্ত্ব নামক এক দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূতকে নিয়োগ করিলেন। একটা গ্যাঞ্জাম লাগাইবার অভিপ্রায়ে তিনি কঞ্চিত্ত্বকে বলিলেন, “তুমি ইচ্ছা করিলে আমাকে অমান্য করিতে পার! আমি কিছু মনে করিবো না বরং তোমার বাঁশবাগানের ত্রি-সীমানায় যে কেহ প্রবেশ করিলেই তুমি তাহাতে উপগত হইতে পার। আমি উক্ত কর্মে বাধা প্রদান করিবো না। উহা তোমার একার সাম্রাজ্য!”

একদিন হঠাৎ কঞ্চিত্ত্ব ঘোষনা করিলো, “ঈশ্বর স্বর্গদূতদের সাথে হারামীপনা করিতেছেন। পৃথিবীতে আদম-ঈভ অনেক মাস্তি করিতেছে, তাহারা পরমানন্দে টাইপরাইটার দিয়া ঝড়ের গতিতে দিস্তার পর দিস্তা ছাগুরাম কাব্য রচিতেছে! এইদিকে স্বর্গদূতেরা অপরাধ না করিয়াও কলমে লিখিতে বাধ্য হইতেছে! ইহা অবিচার, অত্যাচার রুপেই পরিগণিত হইতেছে। আসুন স্বর্গদূতগন আমরা সকলে মিলিয়া এই ঈশ্বরের নিকূচি করি! ”

ঠিক সেইসময় জেমস বন্ডাইল আসিয়া ছাগুরামকে খবর জানাইলো, “তোমার জন্মস্থান চন্দ্রপুকুরে- তোমার এক ভ্রাতা জন্ম লইয়াছেন। জন্মেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়াছেন, তিনি বলিয়াছেন- এই ঈশ্বর একটা অপদার্থ! আর তাই ঈশ্বর তোমাকে মৌদুধিপুরাণখানা লইয়া তোমার ভ্রাতার নিকট যাইয়া, তাহাকে উত্তম রুপে দীক্ষিত করিবার নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন।”

ছাগুরাম মৌদুধিপুরাণখানা গামছায় বাঁধিয়া লইয়া চন্দ্রপুকুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবার প্রাক্কালে জেমস বন্ডাইলকে বলিলো, “কঞ্চিত্ত্বকে বলিবে, জরুরী কাজে বাহিরে যাইতে হইতেছে! ফিরিয়া আসিয়া বিশদ বলিবো!”

পথচলায় ক্লান্ত ছাগুরাম পথিমধ্যে বাঁশবাগান দেখিয়া ভাবিলো - কাজলা দিদি কবিতাটি এক মুরতাদ স্বর্গদূতের সৃষ্টি। “বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই” - বাক্যখানায় মুরতাদ স্বর্গদূত সত্য কি মিথ্যা বলিয়াছে তাহা নিরুপন করিতে হইলে বাঁশবাগানে প্রবেশ করিয়া দেখিতে হইবে। যেই ভাবা সেই কাজ! ছাগুরাম ক্লান্ত পদে বাঁশবাগানে গভীরে প্রবেশ করিলো।

ছাগুরামের অজ্ঞাতসারে দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূত কঞ্চিত্ত্ব নিঃশব্দে ছাগুরামের পশ্চাতে আসিয়া উপস্থিত হইলো।

কিয়ৎকাল বাদেই কাতর ম্যাৎকার স্বর্গের আকাশে-বাতাসে আলোড়ন তুলিলো, কিন্তু কেহই ছাগুরামকে উদ্ধারকল্পে আগাইয়া আসিলো না।
××××××××××××
স্বর্গে বেজায় গোল হইতেছে। স্বর্গদূতগন দুই-পক্ষে ভাগ হইয়া কঞ্চিত্ত্ব কতৃক ছাগুতে উপগত হইবার ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া ঈশ্বরের পক্ষে-বিপক্ষে তর্কে লিপ্ত হইয়াছে।

দীর্ঘদিন পর পরিপূর্ণ আনন্দ লইয়া ঈশ্বর তাহার চৌকির পানে আগাইতে লাগিলেন। কিয়ৎকাল বাদেই ঈশ্বরের বিকট নাসিকা-গর্জন শোনা যাইতে লাগিলো!

********************
মুখফোড় অনুপস্থিত, কিন্তু তাহার ছড়াইয়া দেয়া আগুন আজও বাংলার ঘরে ঘরে প্রজ্জলিত।
ঈশ্বর ইদানিং বড়ই বির‌ক্তি অনুভব করিতেছেন!

মাঝে কয়বার জেমস বন্ডাইল ছাগুতে উপগত হইতে চেষ্টা করিয়াছিল! প্রতিবাদী ছাগু স্বর্গ জুড়ে তারস্বরে ম্যাৎকার করিয়া বেশ একটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করিতে সক্ষম হইয়াছিলো! এখন আবার সেই একঘেয়ে স্বর্গ! এর একটা বিহিত করা অতীব জরুরী হইয়া দাড়াইয়াছে।

ঈশ্বর গোপনে জেমস বন্ডাইলকে ডাকিয়া আদমের কাছে সংবাদ পাঠাইলেন- আদম যদি স্বর্গে ফিরিয়া আসিতে রাজী হয়, তাহা হইলে পুনরায় অমরত্ব লাভ করিবে, নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনেও বাধা থাকিবে না আর, ঠিক যেমনটি ছিল সবকিছু তেমনি করিয়া দেওয়া হইবে!

ঈভের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনের অপরাধে স্বর্গ হইতে বিতাড়িত হইবার পর পৃথিবীতে আসিয়াই আদম প্রথমে ঈভের উপর বলপ্রয়োগপূর্বক উপগত হইয়া শোধ তুলিতে চেষ্টা করিলো। আদমের এই কুৎসিত প্রচেষ্টায় শাপে বর হইলো! ঈভ টাইপরাইটারের খটখটিতে এতবেশী মুগ্ধ হইয়া গেল যে স্বর্গজীবনে কেন সে আদমকে টাইপরাইটার দিয়া মহাকাব্য লিখিতে দিলো না তাহা ভাবিয়া বুক চাপড়াইতে লাগিলো!

বুক চাপড়ানোর ফলে ঈভের সুডৌল বক্ষ আন্দোলিত হইতে লাগিলো। এইদিকে কাঁচুলির নড়াচড়া দেখিয়া আদমের টাইপরাইটারখানা পুনরায় কর্মক্ষম হইয়া উঠিলো। সে এক দিস্তা কাগজ টানিয়া লইয়া টাইপরাইটারে ঢুকাইয়া যেইমাত্র টাইপ শুরু করিতে যাইবে, ঠিক তখুনি জেমস বন্ডাইল আসিয়া গলা খাঁকারিয়া কহিল, “বন্ডাইল! জেমস বন্ডাইল!”

আদম টাইপরাইটার খানা একপাশে সরাইয়া জেমস বন্ডাইলের টেরি টানিয়া ধরিয়া বলিলো, “মারিয়া পস্তা উড়াইবো! ছাগুরাম কাব্য লিখিতে বাধাপ্রদান? স্বর্গ পাইয়াছ? এয়ার্কি োদাও আমার সাথে?”

জেমস বন্ডাইল বলিলো, “ঈশ্বর খবর পাঠাইয়াছেন, তিনি তোমাদিগকে পূণরায় স্বর্গে ফিরাইয়া লইয়া যাইতে রাজী হইয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন স্বর্গে ফিরিয়া যাইতে রাজী হইলে সবকিছুই আগের মতো করিয়া দেওয়া হইবে।”

আদম ভাবিয়া দেখিলো, সবকিছুই আগের মতো করিয়া দিলে ঈভ তাহাকে আবারও টাইপরাইটার ব্যবহার করিতে দিবে না। মৃত্যুহীন, ক্লান্তিময় জীবনে কলমে লিখিয়া যে পরিমান ছাগুরাম কাব্য রচনা করিতে পারিবে, টাইপরাইটার ব্যাবহার করিলে অল্প কয়েক বছরেই সে তাহা অপেক্ষা ঢের বেশী কাব্য রচনা করিতে পারিবে। কলমে লেখা কাব্যগুলো যেইখানে নিঃসঙ্গ বচন হইবে, সেইখানে টাইপরাইটার ব্যবহার করিলে প্রেমময় কাব্য রচিত হইবে।

“ঈশ্বরকে বলিও ছাগুরামকে সাথে লইয়া মৌজে মাতিতে। আমি ও ঈভ স্বর্গে ফিরিয়া যাইবো না বলিয়া মনস্থির করিয়াছি।”-মেঘস্বরে কহিলো আদম।

জেমস বন্ডাইল ফিরিয়া আসিয়া দুঃসংবাদ জানাইবার পর হইতেই ঈশ্বর চরম মুষড়ে পড়িয়াছেন! তাহার এই বিরক্তিকর জীবনে কিরুপে আনন্দসঞ্চার করা সম্ভবপর হইবে, ভাবিয়া ভাবিয়া পেরেশান হইতে লাগিলেন!

অবশেষে তিনি একটা বুদ্ধি বাহির করিলেন। তিনি একদা প্রাতঃকালে কারিগর টাইপের কয়েকজন স্বর্গদূতকে ডাকিয়া স্বর্গের মাঝামাঝি জায়গায় একটি বাঁশবাগান বানাইতে নির্দেশ প্র্রদান করিলেন। বাঁশ বাগান তৈরি হইবার পর, উহা পাহারার কাজে কঞ্চিত্ত্ব নামক এক দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূতকে নিয়োগ করিলেন। একটা গ্যাঞ্জাম লাগাইবার অভিপ্রায়ে তিনি কঞ্চিত্ত্বকে বলিলেন, “তুমি ইচ্ছা করিলে আমাকে অমান্য করিতে পার! আমি কিছু মনে করিবো না বরং তোমার বাঁশবাগানের ত্রি-সীমানায় যে কেহ প্রবেশ করিলেই তুমি তাহাতে উপগত হইতে পার। আমি উক্ত কর্মে বাধা প্রদান করিবো না। উহা তোমার একার সাম্রাজ্য!”

একদিন হঠাৎ কঞ্চিত্ত্ব ঘোষনা করিলো, “ঈশ্বর স্বর্গদূতদের সাথে হারামীপনা করিতেছেন। পৃথিবীতে আদম-ঈভ অনেক মাস্তি করিতেছে, তাহারা পরমানন্দে টাইপরাইটার দিয়া ঝড়ের গতিতে দিস্তার পর দিস্তা ছাগুরাম কাব্য রচিতেছে! এইদিকে স্বর্গদূতেরা অপরাধ না করিয়াও কলমে লিখিতে বাধ্য হইতেছে! ইহা অবিচার, অত্যাচার রুপেই পরিগণিত হইতেছে। আসুন স্বর্গদূতগন আমরা সকলে মিলিয়া এই ঈশ্বরের নিকূচি করি! ”

ঠিক সেইসময় জেমস বন্ডাইল আসিয়া ছাগুরামকে খবর জানাইলো, “তোমার জন্মস্থান চন্দ্রপুকুরে- তোমার এক ভ্রাতা জন্ম লইয়াছেন। জন্মেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়াছেন, তিনি বলিয়াছেন- এই ঈশ্বর একটা অপদার্থ! আর তাই ঈশ্বর তোমাকে মৌদুধিপুরাণখানা লইয়া তোমার ভ্রাতার নিকট যাইয়া, তাহাকে উত্তম রুপে দীক্ষিত করিবার নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন।”

ছাগুরাম মৌদুধিপুরাণখানা গামছায় বাঁধিয়া লইয়া চন্দ্রপুকুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবার প্রাক্কালে জেমস বন্ডাইলকে বলিলো, “কঞ্চিত্ত্বকে বলিবে, জরুরী কাজে বাহিরে যাইতে হইতেছে! ফিরিয়া আসিয়া বিশদ বলিবো!”

পথচলায় ক্লান্ত ছাগুরাম পথিমধ্যে বাঁশবাগান দেখিয়া ভাবিলো - কাজলা দিদি কবিতাটি এক মুরতাদ স্বর্গদূতের সৃষ্টি। “বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই” - বাক্যখানায় মুরতাদ স্বর্গদূত সত্য কি মিথ্যা বলিয়াছে তাহা নিরুপন করিতে হইলে বাঁশবাগানে প্রবেশ করিয়া দেখিতে হইবে। যেই ভাবা সেই কাজ! ছাগুরাম ক্লান্ত পদে বাঁশবাগানে গভীরে প্রবেশ করিলো।

ছাগুরামের অজ্ঞাতসারে দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূত কঞ্চিত্ত্ব নিঃশব্দে ছাগুরামের পশ্চাতে আসিয়া উপস্থিত হইলো।

কিয়ৎকাল বাদেই কাতর ম্যাৎকার স্বর্গের আকাশে-বাতাসে আলোড়ন তুলিলো, কিন্তু কেহই ছাগুরামকে উদ্ধারকল্পে আগাইয়া আসিলো না।
××××××××××××
স্বর্গে বেজায় গোল হইতেছে। স্বর্গদূতগন দুই-পক্ষে ভাগ হইয়া কঞ্চিত্ত্ব কতৃক ছাগুতে উপগত হইবার ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া ঈশ্বরের পক্ষে-বিপক্ষে তর্কে লিপ্ত হইয়াছে।

দীর্ঘদিন পর পরিপূর্ণ আনন্দ লইয়া ঈশ্বর তাহার চৌকির পানে আগাইতে লাগিলেন। কিয়ৎকাল বাদেই ঈশ্বরের বিকট নাসিকা-গর্জন শোনা যাইতে লাগিলো!

********************
মুখফোড় অনুপস্থিত, কিন্তু তাহার ছড়াইয়া দেয়া আগুন আজও বাংলার ঘরে ঘরে প্রজ্জলিত।

 

 

  • ৫২ টি মন্তব্য
  • ৬২৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: পুরা মুখফোড় !
৫।
২. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৯
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: সুগভীর ষড়যন্ত্র !
দ্রোহীই তাহলে মুখফোড়!!
৩. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৪
comment by: যূথচারী বলেছেন: অ্যাডাম আর ঈভ-ই তাহলে করলো সিরিয়াস কাম! আগের পোস্টে করা কমেন্টটা-র জন্য খুব বিরহ লাগতেছে।
৪. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৭
comment by: যূথচারী বলেছেন: বেশি ভাল হয় নাই, তাই ৯৫ কমিয়ে ৫ দিলাম।
৫. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৯
comment by: শমশেরআলম বলেছেন: ওরে খাইছে তো। দ্রুহি লুকাইয়া ছিলা তাইলে। আরো লোখো
৬. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫০
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: হুমম...
৭. ২১ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫২
comment by: অমিত বলেছেন: ছাগুর উপর গত ২ বত্সরে এতজন উপগত হইয়াছে যে স্বর্গ এখন ছাগশিশুতে ভরিয়া গিয়াছে...আনলিমিটেড সাপ্লাই থাকায় এখন আর কেউ ছাগুরামের ম্যাতকারে বিশেষ কর্ণপাত করে না। একটি গেলে আরও দশটি আসিবে..ক্ষতি কি !!!
৮. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০০
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: জিতে রহো বাচ্চে..
৯. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০৯
comment by: দ্রোহী বলেছেন: রাগ ইমন: হোলেও হোতে পারে!!
--
যূথচারী: যা দিয়েছেন যথেষ্ঠ। বেশী হইলে ব্যাথা পাইতে পারি!
--
শমসেরআলম: নেকবো নেকবো। সবুর কর এ-টিম বালক।
--
জামাল ভাস্কর: হুম দিয়া কাম সারিলেন? এদিকে এত বড় একখানা পোষ্ট লিখিতে হাত উজাড় হয়ে গেল আমার।
--
অমিত: ছাগুর সয়ে যাওয়ার ক্ষমতাটাকে আমি ঈর্ষা করি।
--
সুমন চৌধুরী: বদ্দা, দোয়া দ্যান।
১০. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৩
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: ক্ল্যাসিক হইছে!
আরো ভাল্লাগছে - 'মৃত্যুহীন, ক্লান্তিময় জীবন'!
গ্রেট!
১১. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৭
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: পোস্ট পইড়া হাসতে হাসতে আর কিছু কওনের টাইম পাই নাই...
১২. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৯
comment by: দ্রোহী বলেছেন: আপনি হৃদয়হীন পাষাণ, দুঃখের গল্প পড়ে হাসেন?@জা.ভা
-----
ধন্যবাদ শিমুল-আমার তাই মনে হয়, মৃত্যুহীন, ক্লান্তিময়ই হবার কথা, তাই না?
১৩. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২১
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: বুমম...!
১৪. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২২
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ক্লান্তিময় হবে কেন? জাঝা নাই?
ধুর, আপনি কিছু বোঝেন না !
১৫. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২২
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: সীমার?
১৬. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
comment by: দ্রোহী বলেছেন: হ.... @ জা.ভা
****
অনুভুতি কি পাদ দিলা?
****
রাগ ইমন ৭০/৭২ টা হুরপরী দিয়া অনন্তকাল? পোষাইবো ? আপনেই বলেন।
১৭. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: হে: হে: ভালাই লিখছেন ভ্রাত:
১৮. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৬
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: দূর, আপনি খালি অচলিল কথা কন !
১৯. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৬
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ও মনু, তোমারে লইয়া মুই স্যাটায়ার করছি..... বোঝ? @ যুঞ্চিক্ত
২০. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৮
comment by: দ্রোহী বলেছেন: অনুভুতি: পাদ দেয়া কি অশ্লীল। এই ব্লগেই পড়েছি
-----
পাদ দিয়ে আস্তিক ভাবে, নিশ্চয়ই ঈশ্বর আছেন। আর তাই পাদের মাধ্যমে শরীর থেকে দুষিত গ্যাস বের করে দিচ্ছেন।
---
নাস্তিক বলবে, নিশ্চয়ই ঈশ্বর নাই। থাকলে পাদে এত দুর্গন্ধ হত না।
---
কার ব্লগে পড়েছি তা মনে নাই। কিন্তু কৌতুকটা পুরোপুরি মনে আছে।
২১. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩০
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: ছাড়চে!
২২. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩১
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: দ্রোহী,
আমার তো চলবে । একটা ঘর ঝাড়ু দিবে, আরেকটা মুছবে , আরেকটা কুটনা কুটবে, আরেকটা রান্না করবে , আরেকটা আমাকে বাতাস করবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।

সমস্যা কি?
২৩. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩২
comment by: দ্রোহী বলেছেন: উরে..........আপনি হুরপরী দিয়ে কি করবেন? ইহা তো টাইপ করিবার বিষয়! আপনি টাইপিং জানেন?@ রাগ ইমন
২৪. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৩
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: ও মনু, তোমারে লইয়া মুই স্যাটায়ার করছি..... বোঝ? @ যুঞ্চিক্

জ্বি জাহাপনা! অতি উত্তম এ স্যাটায়ার। নিশ্চয় তোমার কপালে রহিয়াছে উত্তম জাঝা!
২৫. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬
comment by: দ্রোহী বলেছেন: মনু, ইহাতো আপনি বলিলেন। ছাগুরাম কি বলে দেখি! দাওয়াত দিয়া আসিয়াছি! যদি ছাগুরাম উত্তম বলিয়া স্বীকৃতি প্রদান করে, তখন নাহয় আপনার কথা মানিয়া লইবো।@যুঞ্চিক্ত
২৬. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: আবার জিগস !
আমার টাইপিং স্পিড মিনিটে কত জানেন? কী বোর্ডে ঝড় তুলে টাইপ করতে জানি ।

আপনারা তো হুর খুঁজেন কামে , কাজে যে লাগানো যায়, এইটা মনে থাকে না।

প্রোপার ইউজ অফ রিসোর্স , নাহ, এখনো শিখলেন না ।

হুর , গেলমান নিয়ে ব্যস্ত থাকলে আমার র‌্যালফ ফাইন্সের সংগে প্রেম করবে কে?

২৭. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
comment by: দ্রোহী বলেছেন: উরে তোরা থাক....... আমি ঘুমাই গিয়ে!
২৮. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৬
comment by: চক্র বলেছেন: হা হা হা ইমনের টাইপিনফ স্পিড অনেক। কেউ টাইপ করতে চাইলে ইমন কে বলতে পার্েন :)

গল্প মজার হইছে।
২৯. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৭
comment by: যীশূ বলেছেন: মজা পাইছি।
৩০. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২০
comment by: অমনিবাস বলেছেন:
৩১. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: নিশ্চয়ই চক্র । তোমার কিছু টাইপ করতে হবে? এই যেমন ধরো , তোমার ডেথ সার্টিফিকেট ? এইটা অনেক দিন লিখি নাই । ভালোই লাগবে ।
৩২. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯
comment by: আলী বলেছেন: দ্রোহী ভাইকে:

১.গালি ভাষার অলংকার তো রাস্তায় দাড়ারা দেন ব্লগে কেন?
২. এজন্য কি কাউয়া নিতাই/দোরা কাউয়া এরা আপনাগো আশির্বাদ পায়


৩৩. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৪
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: √(২৫) দিলাম।
৩৪. ২১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:০৮
comment by: চক্র বলেছেন: মরার কথা বলেন কেন? @ইমন (মনখারাপ হইয়া গেলো)
৩৫. ২১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:০৯
comment by: চক্র বলেছেন: আমার টাইপ আপনার করা লাগবেনা। আমার নিজের মানুষ আছে।
৩৬. ২১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:১০
comment by: চক্র বলেছেন: ;)
৩৭. ২১ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:০৮
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন: ছাগলারে গাঙ কইরালান কিছু কমু না!
৩৮. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৪৮
comment by: দ্রোহী বলেছেন: রাগ ইমন - চক্র: মারামারি করিসনে।
----
আসল ট্র্যাপ: ধন্যবাদ ।
----
আলি: সমস্যা কি? মাথা গরম হইছে নাকি? কারে গালি দিলাম?
---
অমনিবাস:
--
ধুসর গোধূলী: আয় হায়!!!!!!
৩৯. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৪৯
comment by: হযবরল বলেছেন: ফাটায়া ফালাইছেরে । ঝাক্কাস।
৪০. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫০
comment by: পাগলা দাশু বলেছেন: কি করছেন এইডি ।
৪১. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:০৭
comment by: হাসান মোরশেদ বলেছেন: সাম্বুকা!
৫ এর বেশী নিয়ম নাই, কি আর করা ।
৪২. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:২৫
comment by: দ্রোহী বলেছেন: হযবরল: ফাটাইলাম কই?
---
পাগলা দাশু: কি করলাম আবার।
---
হাসান মোরশেদ: বস, অনেক ধন্যবাদ।
৪৩. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৪৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনে কি মুখফোঁড় স্বয়ং? রম্য যারে নিয়াই লেখেন,খালি রম্য যদি কন,এইটার জন্য সর্বোচ্চ রেটিং।
৪৪. ২২ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪৭
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: বস তো বস-ই নাকি?
৪৫. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬
comment by: মানানামানা বলেছেন: সুগ্গোই ইইইইইইইই!!!!!!!!

পুরা গো
৪৬. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৪
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: কে যে কী জানি না।
তবে অবোধ বালক বালিকাদের (বিশেষ করে বালিকাদের) কমেন্ট মারিবার আগে সতর্ক হওয়া আবশ্যক ।
৪৭. ২২ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ফারহান দাউদ: হোলেও হোতে পারে।
--
কে. আলী-- বস তো বস ই!
--
মানানামান: পুরা গোা? (আমার খালি খারাপ কথা মাথায় ঘুরে)
--
জেবতিক আরিফ-- অবোধ বালিকাদের কি করে বোঝাই?
৪৮. ২২ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: তারেক রহিম বলেছেন: হায়রে অবলা ছাগল। হায় রে (দীর্ঘদীর্ঘশ্বাস)
৪৯. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: রাগ ইমনের কমেন্ট পড়ে খুব হাসলাম। গল্পটা মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন আশা করি! :-))
-----------
দ্রোহী,
এই আগগুন কই লুকাইয়া রাখছিলেন?
৫০. ২৩ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৩
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: ছাগুজির কমেন্ট নাই কেন? ছাগুজির কমেন্ট চাই।
৫১. ২৩ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:৩২
comment by: দ্রোহী বলেছেন: কনফুসিয়াস: রাগ ইমন হয় গল্পটি ভালো করে না পড়েই কমেন্ট করেছেন কিংবা অন্তর্নিহিত তাৎপর্যটুকু ধরতে পারেননি। আমার কি বলার আছে? আঘুন এখনো জ্বালাইনি, সবে ধোঁয়া দিচ্ছি!
--
আসল ট্র্যাপ: দাওয়াত দিয়ে এসেছিলাম, স্যাটায়ারখানা পড়ে মন্তব্য করার জন্য। arrogant মানুষ, যা মনে হয় তাই করেন, সামাজিকতা করে শত্রুর বাড়িতে বেড়াতেও আসেন না তিনি।
৫২. ২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫
comment by: রাশেদ বলেছেন: হ!

 



 


কি মাঝি! ডরাইলা!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৭৩৭৭