somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ছাগল তাড়াই
একটা ছাগল খুব চিল্লাচিল্লি করছে, ছাগলটার চিল্লাচিল্লিতে অতিষ্ঠ হয়ে বেজায় রাগ উঠে গেল। তাই একটা লাঠি নিয়ে দিলাম মাইর।

আপাতত সামহোয়্যারইন ব্লগ ছেড়ে সচলায়তনে মনযোগ দিয়েছি। তবে অনেকদিনের ভালোবাসা সামহোয়্যারইন ব্লগ, তাই এত সহজে ছাড়া সম্ভবপর হবে না।

মাঝে মাঝে আসব, ছাগল তাড়াতে এবং জীবন বাঁচাতে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28718694 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28718694 2007-06-30 23:22:20
শুভকামনা রইলো
একান্ত ব্যক্তিগত কিছু কারনে সামহোয়্যারইন ব্লগ থেকে সাময়িকভাবে বিরত থাকবো বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। জানি না আবার ফিরে আসা হবে কি না! ফিরে আসতে পারি, আবার নাও আসতে পারি।

আমার থাকা না থাকায় কারও কিছু আসে যায় না। প্রার্থনা করি সবাই যেন ভালো থাকেন।

শুভকামনা রইলো সবার প্রতি।
-দ্রোহী]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28717325 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28717325 2007-06-23 23:32:50
দ্রোহী মরে নাই!!
আশা প্রকাশ করা যাচ্ছে যে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই বেচারা পুনরায় স্বরুপে আবির্ভুত হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28716562 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28716562 2007-06-19 10:14:21
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ: একটি জাতির জন্ম
প্রাণীকুলের ক্ষেত্রে জাইগোট থেকে ভ্রুনে পরিনত হবার ব্যাপারটুকু ব্লাষ্টুলা, গ্যাষ্টুলা এবং অর্গানোজেনেসিস নামক কয়েকটি ধাপে সংগঠিত হয়।

মনুষ্য ভ্রুন সৃষ্টির প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে মেরুদন্ড তৈরি হয়। পঞ্চম ও ষষ্ঠ সপ্তাহে এসে গর্ভধারিণীর রজঃনিবৃত্তি ঘটে। এসময় মানব ভ্রুন অর্গানোজেনেসিস প্রকৃয়ার ভেতর দিয়ে যেতে থাকে। হাত-পা সৃষ্টির উপসর্গ তৈরি হয়।

সপ্তম থেকে অষ্টম সপ্তাহে এসে মায়োজেনেসিস এবং নিউরোজেনেসিস প্রকৃয়া এমন এক ধাপে উন্নীত হয়, তখন মানবভ্রুন নড়াচড়া করতে শুরু করে। দেহে চোখ সৃষ্টি হতে শুরু করে।

এভাবে আরও কিছু প্রকৃয়ার ভেতর দিয়ে দেহের গঠন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং ভুমিষ্টকালীন সময় নিকটবর্তি হতে থাকে। অবশেষে ৭ থেকে ১০ মাসের ভেতর একটি পূর্ণাঙ্গ মানব শিশু ভুমিষ্ট হয়।

××××××××

উপরোল্লিখিত বিজ্ঞানটুকু ব্যবহার করে একটি জাতির জন্মপ্রকৃয়া বিশ্লেষণ করা যাক।

শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঙালী তথা বাংলাদেশী জাতির জনক হিসাবে ডাকা হয়। বর্তমানে যদিও অনেকেই শেখ মুজিবুর রহমান কে জাতির জনক হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, কিন্তু তাদেরকে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিস্থাপক হিসাবে নতুন কারো নাম প্রস্তাব করতে বলা হলে পিছিয়ে যান। সুতারাং তত্ত্ব বিশ্লেষণের জন্য জনক হিসাবে একমাত্র উপযুক্ত প্রতিনিধি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে ধরা হল। (বাঙালী/বাংলাদেশী নিয়ে ক্যাচাল লাগাইলে ধরিয়া পোন্দাইয়া দিব!)

আমরা জানি, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে নয়মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশের জন্ম হয়। উপরোল্লিখিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের বিশ্লেষণের জন্য পিতৃ অংশ হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাতৃ অংশের জন্য পাকিস্তানকে ধরে নিলে তত্ত্বটুকু বুঝতে সুবিধা হবে।

দেখা যাচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের উপর উপুর্যপুরি উপগত হয়ে বাঙালী জাতির জন্ম দিয়েছে। একটি মানবভ্রুন সাধারণত ৭ মাসের পর ভুমিষ্ট হবার উপযোগী হয়ে যায়। বাংলাদেশ নামক ভ্রুনটি নয়মাস সময় ধরে ভুমিষ্ট হবার প্রকৃয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করেছে।

১৯৭১ সালের শুরুর দিকে শেখ মুজিবুর রহমান কতৃক পাকিস্তানের জঠরে বাংলাদেশ নামক ভ্রুনটির নিষেকে জাইগোটের সৃষ্টি হয়।

সমাজ বিজ্ঞানীদের অনেকেই বলে থাকেন, পাকিস্তান সামাজিক জীবনের পবিত্রতা রক্ষায় অক্ষম ছিল। পাকিস্তানের বহুগামিতার কথা সমাজ বিজ্ঞানের অধ্যায়ে অধ্যায়ে বর্ণীত রয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, পাকিস্তানের বহুগামিতার সুযোগ নিয়ে গোলাম আযম, খাজা খয়ের উদ্দিন, মতিউর রহমান নিযামী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ পাকিস্তানের পূর্ব অংশে উপগত হয়েছিল।
ফলশ্রুতিতে একটি জটিল প্রকৃয়ায় দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শুক্রানু কতৃক একটি ডিম্বানু নিষিক্ত হয়ে পড়ে।

ডারউইনের বিখ্যাত তত্ত্ব “প্রাকৃতিক নির্বাচনবাদ: যোগ্যতমের জয়” অনুসারে জাইগোটটি মাইটোসিস প্রকৃয়ায় বিভাজিত হবার বদলেএকটি সবল এবং বড় অংশ আরেকটি দুর্বল ও ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। সবল অংশটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের শুক্রানুর বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হতে থাকে। ক্রমান্ময়ে বড় অংশটি অমরার দখল নিয়ে নিতে থাকে, এবং দুর্বল অংশটিকে কোনঠাসা করে পায়ুপথের দিকে ঠেলে দিতে থাকে।

ধীরে ধীরে দুটি অংশই মাতৃজঠরে বেড়ে উঠতে থাকে। অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরে সবল অংশটি স্বাভাবিক প্রকৃয়ায় ভুমিষ্ট হয়-দুর্বল অংশটি জায়গা না পেয়ে পায়ুপথে পৃথিবীর আলো দেখে।

সবল অংশটির নাম দেয়া হয় বাঙালী তথা বাংলাদেশী আর দুর্বল অংশটিকে রাজাকার প্রসুত জামায়াত-শিবির নামে অভিহিত করা হয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712901 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712901 2007-05-27 15:29:11
দ্রোহী পুরাণ ০৪ ******************************************

ঈশ্বর রোষকষায়িত লোচনে আদমকে ভস্ম করিবার ব্যর্থ চেষ্টা করিলেন। আদম একটুও না ভড়কিয়া জানাইলো, “ঈভ বলিয়াছে জ্ঞানবৃক্ষের ফল না খাইতে পারিলে ইয়ে করিতে দিবে না। স্বর্গদূতরা জ্ঞানবৃক্ষের ফল খাইয়া স্বর্গদেবীদের সাথে রাতভর হই-হুল্লোড়ে মজিয়া থাকে আর এইদিকে সৃষ্টির সেরা জীব হইয়াও আমি রাতভর টাইপরাইটারখানা পাশে রাখিয়া কলমে লিখিয়া মরি! এ বড়ই অবিচার!”

ঈশ্বর ভাবিলেন, হায়! এ কোন চোদনাকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি! অতঃপর তিনি ওয়েষ্টপেপার বাস্কেট হইতে ধানক্ষেত সম্পাদিত বড়দের মৌদুধীপুরাণখানি বাহির করিয়া আদমের দিকে নিক্ষেপ করিলেন।

তিনি আদমকে নির্দেশ প্রদান করিলেন-মৌদুধীপুরাণখানা উত্তমরুপে অধ্যায়ণ করিবে, তাহা হইলে তোমার দেহ হইতে জেহাদী জেল্লা বাহির হইবে। সেই জেল্লার রুপে ঈভ এমনই মুগ্ধ হইবে; সে কাজ ফেলিয়া প্রতি রাতে তোমায় কামনা করে বিন্দুর ন্যায় কবিতা টাইপ করিবে।

“ঈশ্বর শালা একটা রসময়গুপ্ত!”- আদম মনে মনে ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করিয়া একটা গালি দিলো।

ঈশ্বর বলিলেন, “বাজে কথা চোদাইয়ো না আদম। যাও কুটিরে ফিরিয়া যাও, যাহা বলিয়াছি তাহা অক্ষরে অক্ষরে পালন করিতে চেষ্টা কর।”

আদম কুটিরে ফিরিয়া আসিয়া দেখিলো ঈভ বাটনা বাটিতেছে। বাটনা বাটার তালে তালে ঈভের পশ্চাৎদেশখানা দুলিতেছে। সে জুলু জুলু দৃষ্টিতে ঈভের দিকে তাকাইয়া বলিল, “রমণ করিতে দিবি না মাগী? তোকে বশ করিবার ঔষধ আনিয়াছি ঈশ্বরের কাছ থেকে। আজ অলক্যাপস লক করিয়া ডাবল স্পেসে টাইপ করিয়া তোকে বুঝাইবো আদম কি চিজ!”

ঈভ হাসিয়া বলিলো, “তোর মত ফুটা বোটের কাপ্তেন করিবে টাইপ? কত ফটর ফটর দেখিলাম! যার সংবিধান ই নাই, সে টাইপ করিবে সংবিধান সমুন্নত হইবার গল্প! যা যা বড় বাজে বকিস না।”

আসন্ন উত্তেজনাকর মুহুর্তের কথা কল্পনা করিয়া আদম ভাবিলো আপাতত ঝগড়াঝাটিতে ইস্তফা দেয়াই মঙ্গলময় হইবে। অতঃপর সে ধানক্ষেত সম্পাদিত মৌদুধীপুরানখানা অধ্যায়ন করিতে বসিলো।

ঈশ্বর আরাম কেদায়ার বসিয়া তাম্বুল সহযোগে ধুম্রপান করিতেছেন। জেমস বন্ডাইল আসিয়া বলিলো, “বন্ডাইল! জেমস বন্ডাইল।”

ঈশ্বর একখানি পাদুকা ছুড়িয়া মারিলেন জেমস বন্ডাইলকে লক্ষ্য করিয়া। জেমস বন্ডাইল নিজেকে পাদুকা হইতে রক্ষা করিয়া বলিলো, “মাননীয় জেন্টুলম্যান, আদম-ঈভের কুটির হইতে অশ্রাব্য গালিগালাজ ভাসিয়া আসিতেছে। কতিপয় স্বর্গদূত মারামারির শব্দ শুনিয়াছে বলিয়া জানাইয়াছে।”

ঈশ্বর জেমস বন্ডাইলকে বলিলেন স্বর্গদূত গুজরিল কে খবর দিবার জন্য। জেমস বন্ডাইল আসিয়া দেখিলো গুজরিল এক স্বর্গবালার সহিত ঊনসত্তর ধারায় প্রেমরত!

গুজরিল ঈশ্বরের সম্মুখে আসিয়া বলিলো, “গুস্তাখী মাফ করিবেন জনাব, আমি ছাগুরামের জন্য পনসপত্রের খোঁজে বাহির হইয়াছিলাম।”

ঈশ্বর গুজরিলকে বলিলেন, “আদম-ঈভ কাজিয়া করিতেছে। উহাদের দুইজনকে চটকনা মারিয়া আমার কাছে লইয়া আস।”

কিয়ৎকাল বাদেই আদম-ঈভ সমবিব্যহারে গুজরিল আসিয়া উপস্থিত হইলো। ঈশ্বর দেখিলেন আদমের ঠোঁট কাটিয়া ফুলিয়া রহিয়াছে। ঈভের সমগ্র শরীর রক্তাক্ত, তাকে চেনা যাইতেছে না।

ঈশ্বর রোষকষায়িত নেত্রে আদমকে বলিলেন, “রে পামর! তোর এত বড় আস্পর্ধা? আমার সৃষ্ট জীবের গায়ে হাত?”

আদম উল্টা রাগ দেখাইয়া বলিলো, “আপনি বালের ঈশ্বর। আপনার ঔষধে কাজ হয় না। নিজে রমণ করিতে পারেন না দেখিয়া আমাকেও রমণ হইতে বঞ্চিত করিয়া রাখিয়াছেন?”

আদমের এহেন আচরণে ঈশ্বর বাক্যহারা হইয়া গেলেন। খানিকটা সুস্থির হইবার পর তিনি আদমকে জিজ্ঞাসিলেন, “কি হইয়াছিল? খুলিয়া বল।”

আদম বলিলো, “আপনার দেয়া মৌদুধীপুরাণখানা পড়িয়া উত্তেজিত হইয়া ঈভকে আদর করিতে চাইলাম। মাগী আমায় ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। তখন জোর করিতে চাইলাম, মাগী আমায় বেলুন লইয়া তাড়া করিল। আমি দমিলাম না। চাপিয়া ধরিয়া উপগত হইতে গেলাম। তখন মাগী আমায় গালি দিয়েছে। গালি শুনিয়া আমার বেজায় রাগ হইয়াছিল, তাই মাগীকে ধরিয়া গোটা কতক মারিয়া বসিয়াছি।”

“গালি দিয়াছে?” অবাক ঈশ্বর শুধাইলেন।

“ঈভ আমায় সৃষ্টিজগতের সবচাইতে ঘৃণ্য প্রাণীর নাম ধরিয়া ডাকিয়াছে।” বলিলো আদম।

ঈশ্বর অবাক হইয়া জিজ্ঞাসিলেন, “কি সেই প্রাণী? ঈভ কি নামে ডাকিয়াছে?”

আদম বলিলো, “ঈভ আমাকে গোলাম আযমের পায়ুজাত ইবনে সালাম বলিয়াছে।”
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712839 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712839 2007-05-27 13:24:38
সুমন চোধুরীর দেখাদেখি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712614 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712614 2007-05-26 12:17:34
ফ্লাডুপনা: একটা গান শুনুন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712563 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712563 2007-05-26 02:10:24
দ্রোহী পুরাণ ০৩ ******************************************

বলহরি নামক এক কবিরাজ আসিয়া ঈশ্বরকে জানাইলো, “স্বর্গের চিপা-চুপায় অযত্নে কিছু আগাছা বাড়িয়া উঠিতেছে; উহাদের ঔষধিগুন রহিয়াছে, খানিকটা যত্ন লইতে পারিলে ভবিষ্যতে উহারা আগাছা নাম গুছাইয়া সুশীল উদ্ভিদ শ্রেনীতে অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে। এইসব উদ্ভিদকে কাজে লাগাইয়া কার্যকরী ঔষধ প্রস্তুত করা সম্ভবপর হইবে। আপনি মহাশক্তিধর, আপনি ব্যবস্থা করিয়া দিলে আমি নামমাত্র পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এই আগাছাগুলিকে উপযুক্ত যত্নে বড় করিতে পারি।”

ঈশ্বর অতিশয় বিরক্ত হইয়া ভাবিলেন-এ কোন চোদনা আসিয়া জুটিলো! আমি বিশ্বজগৎ কিরুপে সৃষ্টি করিব তাহা লইয়া চিন্তিত আর এই চোদনা আসিয়াছে আগাছাদের যত্ন লইবার আর্জি লইয়া! কত বড় বড় কাজ সম্মুখে পড়িয়া রহিয়াছে, তাহা রাখিয়া এই চোদনা আগাছা লইয়া পড়িয়া রহিয়াছে!- কিরুপে ইহা সম্ভব হইতে পারে তাহা ভাবিয়া কুল পান না ঈশ্বর।

তিনি স্বর্গদূতদের ডাকিয়া বলিলেন বলিলেন- “চোদনাটাকে ঘাড় ধরিয়া বাহির করিয়া দাও।”

কিয়দ্দিন বাদে আবারও একই ঘটনা ঘটিলো। কিরুপে‌ এই চোদনা কবিরাজ স্বর্গে টিকিয়া আছে তাহা ভাবিয়া কোনরুপ কুল-কিনারা খুঁজিয়া পান না ঈশ্বর!

কয়েকদিন পর বলহরি পূণরায় একই আর্জি লইয়া যখন ঈশ্বরের শাহী দরবারে উপস্থিত হইলো-ঈশ্বর যারপরনাই অবাক হইলেন! তিনি ভাবিলেন, এই চোদনাটা নাছোড়বান্দা! অতঃপর বিরক্ত ঈশ্বর, কয়েকজন স্বর্গদূতকে ডাকিয়া স্বর্গীয় হাসপাতালের পশ্চাৎ দিকের দুইটি খালি কামরা বলহরির কাজের জন্য বরাদ্দ করিয়া দিতে বলিলেন।

কাজের শুরুতেই বলহরি স্বর্গের আনাচে কানাচে অযত্নে বাড়িয়া উঠিতে থাকা আগাছাগুলিকে সেইখানে লইয়া আসিতে শুরু করিল। সে উত্তমরুপে আগাছাগুলিকে পরিচর্যা করিতে লাগিল- বড় বড় কাজে ব্যস্ত ঈশ্বর বলহরির কথা ভুলিয়া গেলেন।

অনেককাল গত হইয়াছে। বলহরির আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রটি গায়ে-গতরে বাড়িয়া উঠিয়াছে। বলহরির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রটি সেবার প্রকৃত উদাহরণ সৃষ্টি করিয়াছে।

জেমস বন্ডাইল আসিয়া ঈশ্বরকে শুধাইলো-আদম ইদানিং জ্ঞানবৃক্ষের আশে পাশে ঘোরাঘুরি বন্ধ করিয়া দিয়াছে। তাহাকে ইদানিং বলহরির আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রের আশে পাশে দেখা যাইতেছে। নিষিদ্ধ ফলের পরিবর্তে ঔষধি আগাছা দিয়া কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করিয়া ঈভকে বশ করিবার তাল খুঁজিতেছে।

ঈশ্বর অতিশয় চিন্তিত হইয়া পড়িলেন! বলহরি আর আদম চোদনাদ্বয় মিলিয়া স্বর্গের বারোটা বাজাইতে চলিতেছে! চোদনাদ্বয়কে কিরুপে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভবপর হইতে পারে তাহা লইয়া ভাবিত হইলেন। অতঃপর তিনি এক বুদ্ধি বাহির করিলেন।

ঈশ্বর “কপি খামি” নামক এক পক্ককেশ স্বর্গদূতকে ডাকিয়া বলিলেন, “আমি সদা ব্যস্ত-বড় বড় চিন্তায় ডুবিয়া থাকি সারাক্ষন। আর তাই অদ্য হইতে আগাছা নিয়ন্ত্রন কেন্দ্রের উপদেষ্টারুপে তোমায় নিয়োগ করিলাম। অদ্য হইতে তুমি বলহরির কার্যক্রম মডারেট করিবে। তোমার সিদ্ধান্তই ঐশ্বরিক সিদ্ধান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।”

কপি খামি দায়িত্বপ্রাপ্ত হইয়া কাজে ঝাঁপাইয়া পড়িল। সে প্রথমেই আগাছা নিয়ন্ত্রন কেন্দ্রের কোষাগার হইতে নিজের নামে বড় অঙ্কের মাসোহারার ব্যবস্থা করিল। বলহরি কিরুপে কাজ করিলে আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রের উন্নতি হইবে তাহা নিরুপন করিবার জন্য একটি পরিদর্শক কমিটি অনুমোদন করিয়া দুইজন স্বর্গদূতকে নিয়োগ করিল।

পরিদর্শক কমিটি তাহাদের কার্যক্রম চালাইতেছে কিনা তাহা পর্যবেক্ষন করিবার জন্য একটি মান নিয়ন্ত্রন কমিটি করিয়া উহাতে দুইজন স্বর্গদূতকে নিয়োগ দেয়া হইলো। স্বর্গদূতদের একজন রিপোর্ট লিখিবে, অন্যজন পরিদর্শন করিবে।

স্বর্গদূতদের মাসোহারা হিসাব রাখিবার জন্য একজন টাইম কিপার ও একজন পে-রোল অফিসার হিসাবে দুইজন স্বর্গদূতকে নিয়োগ দেয়া হইলো।

আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী স্বর্গদূত কপি খামি অতঃপর একটি প্রশাসনিক কমিটি তৈয়ার করিয়া তিনজন স্বর্গদূতকে যথাক্রমে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং আইন বিষয়ক উপদেষ্টারুপে নিয়োগ দান করিলো।

বাৎসরিক হিসাবে দেখা গেল এই বছর বাজেটের অতিরিক্ত বিশ হাজার স্বর্গমুদ্রা খরচ হইয়াছে। সকলেই বলিয়া বেড়াইতে লাগিল- বলহরি কোষাগার হইতে অর্থ সরাইয়া ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দের পিছনে অতিরিক্ত ব্যয় করিয়াছে। সকলে মিলিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলো- এইরুপ অপব্যয়ী ব্যক্তি দিয়া কোন প্রতিষ্ঠান চলিতে পারে না।

কপি খামি অবিলম্বে বলহরিকে ইস্তফা দান করিবার নির্দেশ প্রদান করিলো।
************

ছবি: এখানে

বলহরি নামক এক কবিরাজ আসিয়া ঈশ্বরকে জানাইলো, “স্বর্গের চিপা-চুপায় অযত্নে কিছু আগাছা বাড়িয়া উঠিতেছে; উহাদের ঔষধিগুন রহিয়াছে, খানিকটা যত্ন লইতে পারিলে ভবিষ্যতে উহারা আগাছা নাম গুছাইয়া সুশীল উদ্ভিদ শ্রেনীতে অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে। এইসব উদ্ভিদকে কাজে লাগাইয়া কার্যকরী ঔষধ প্রস্তুত করা সম্ভবপর হইবে। আপনি মহাশক্তিধর, আপনি ব্যবস্থা করিয়া দিলে আমি নামমাত্র পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এই আগাছাগুলিকে উপযুক্ত যত্নে বড় করিতে পারি।”

ঈশ্বর অতিশয় বিরক্ত হইয়া ভাবিলেন-এ কোন চোদনা আসিয়া জুটিলো! আমি বিশ্বজগৎ কিরুপে সৃষ্টি করিব তাহা লইয়া চিন্তিত আর এই চোদনা আসিয়াছে আগাছাদের যত্ন লইবার আর্জি লইয়া! কত বড় বড় কাজ সম্মুখে পড়িয়া রহিয়াছে, তাহা রাখিয়া এই চোদনা আগাছা লইয়া পড়িয়া রহিয়াছে!- কিরুপে ইহা সম্ভব হইতে পারে তাহা ভাবিয়া কুল পান না ঈশ্বর।

তিনি স্বর্গদূতদের ডাকিয়া বলিলেন বলিলেন- “চোদনাটাকে ঘাড় ধরিয়া বাহির করিয়া দাও।”

কিয়দ্দিন বাদে আবারও একই ঘটনা ঘটিলো। কিরুপে‌ এই চোদনা কবিরাজ স্বর্গে টিকিয়া আছে তাহা ভাবিয়া কোনরুপ কুল-কিনারা খুঁজিয়া পান না ঈশ্বর!

কয়েকদিন পর বলহরি পূণরায় একই আর্জি লইয়া যখন ঈশ্বরের শাহী দরবারে উপস্থিত হইলো-ঈশ্বর যারপরনাই অবাক হইলেন! তিনি ভাবিলেন, এই চোদনাটা নাছোড়বান্দা! অতঃপর বিরক্ত ঈশ্বর, কয়েকজন স্বর্গদূতকে ডাকিয়া স্বর্গীয় হাসপাতালের পশ্চাৎ দিকের দুইটি খালি কামরা বলহরির কাজের জন্য বরাদ্দ করিয়া দিতে বলিলেন।

কাজের শুরুতেই বলহরি স্বর্গের আনাচে কানাচে অযত্নে বাড়িয়া উঠিতে থাকা আগাছাগুলিকে সেইখানে লইয়া আসিতে শুরু করিল। সে উত্তমরুপে আগাছাগুলিকে পরিচর্যা করিতে লাগিল- বড় বড় কাজে ব্যস্ত ঈশ্বর বলহরির কথা ভুলিয়া গেলেন।

অনেককাল গত হইয়াছে। বলহরির আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রটি গায়ে-গতরে বাড়িয়া উঠিয়াছে। বলহরির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রটি সেবার প্রকৃত উদাহরণ সৃষ্টি করিয়াছে।

জেমস বন্ডাইল আসিয়া ঈশ্বরকে শুধাইলো-আদম ইদানিং জ্ঞানবৃক্ষের আশে পাশে ঘোরাঘুরি বন্ধ করিয়া দিয়াছে। তাহাকে ইদানিং বলহরির আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রের আশে পাশে দেখা যাইতেছে। নিষিদ্ধ ফলের পরিবর্তে ঔষধি আগাছা দিয়া কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করিয়া ঈভকে বশ করিবার তাল খুঁজিতেছে।

ঈশ্বর অতিশয় চিন্তিত হইয়া পড়িলেন! বলহরি আর আদম চোদনাদ্বয় মিলিয়া স্বর্গের বারোটা বাজাইতে চলিতেছে! চোদনাদ্বয়কে কিরুপে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভবপর হইতে পারে তাহা লইয়া ভাবিত হইলেন। অতঃপর তিনি এক বুদ্ধি বাহির করিলেন।

ঈশ্বর “কপি খামি” নামক এক পক্ককেশ স্বর্গদূতকে ডাকিয়া বলিলেন, “আমি সদা ব্যস্ত-বড় বড় চিন্তায় ডুবিয়া থাকি সারাক্ষন। আর তাই অদ্য হইতে আগাছা নিয়ন্ত্রন কেন্দ্রের উপদেষ্টারুপে তোমায় নিয়োগ করিলাম। অদ্য হইতে তুমি বলহরির কার্যক্রম মডারেট করিবে। তোমার সিদ্ধান্তই ঐশ্বরিক সিদ্ধান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।”

কপি খামি দায়িত্বপ্রাপ্ত হইয়া কাজে ঝাঁপাইয়া পড়িল। সে প্রথমেই আগাছা নিয়ন্ত্রন কেন্দ্রের কোষাগার হইতে নিজের নামে বড় অঙ্কের মাসোহারার ব্যবস্থা করিল। বলহরি কিরুপে কাজ করিলে আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রের উন্নতি হইবে তাহা নিরুপন করিবার জন্য একটি পরিদর্শক কমিটি অনুমোদন করিয়া দুইজন স্বর্গদূতকে নিয়োগ করিল।

পরিদর্শক কমিটি তাহাদের কার্যক্রম চালাইতেছে কিনা তাহা পর্যবেক্ষন করিবার জন্য একটি মান নিয়ন্ত্রন কমিটি করিয়া উহাতে দুইজন স্বর্গদূতকে নিয়োগ দেয়া হইলো। স্বর্গদূতদের একজন রিপোর্ট লিখিবে, অন্যজন পরিদর্শন করিবে।

স্বর্গদূতদের মাসোহারা হিসাব রাখিবার জন্য একজন টাইম কিপার ও একজন পে-রোল অফিসার হিসাবে দুইজন স্বর্গদূতকে নিয়োগ দেয়া হইলো।

আগাছা পরিচর্যা কেন্দ্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী স্বর্গদূত কপি খামি অতঃপর একটি প্রশাসনিক কমিটি তৈয়ার করিয়া তিনজন স্বর্গদূতকে যথাক্রমে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং আইন বিষয়ক উপদেষ্টারুপে নিয়োগ দান করিলো।

বাৎসরিক হিসাবে দেখা গেল এই বছর বাজেটের অতিরিক্ত বিশ হাজার স্বর্গমুদ্রা খরচ হইয়াছে। সকলেই বলিয়া বেড়াইতে লাগিল- বলহরি কোষাগার হইতে অর্থ সরাইয়া ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দের পিছনে অতিরিক্ত ব্যয় করিয়াছে। সকলে মিলিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলো- এইরুপ অপব্যয়ী ব্যক্তি দিয়া কোন প্রতিষ্ঠান চলিতে পারে না।

কপি খামি অবিলম্বে বলহরিকে ইস্তফা দান করিবার নির্দেশ প্রদান করিলো।
************

ছবি: এখানে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712472 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712472 2007-05-25 13:44:43
ফলাফল: ১০০% খাঁটি বঙ্গবন্ধু
আশরাফ রহমান মনে করেন, মরুভুমির বুকে উট নিয়ে গবেষনা করেই কেবলমাত্র প্রকৃত সত্য উপলব্দি করা সম্ভব। কেননা মরুভুমিতেই শুধুমাত্র সাম্যবাদের বিজয় দেখা যায়। সেখানে মালিক-কর্মচারি একই খাবার ভক্ষন করে, এই বিছানায় ঘুমায়। তাঁর বিশ্বাস, শেখ মুজিবুর রহমানকে গত ৩৬ বছর ধরে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ডেকে জাতি এক ভয়ানয় ভুল করছিল।

এক যুগসন্ধিক্ষনে তিনি উপলব্দি করলেন, গত ৩৬ বছর ধরে জাতি শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু নাম ধরে ডেকে মারাত্বক ভুল করেছে। দীর্ঘদিন ধরে উট বিষয়ক গবেষনা করে জগতের বুকে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে নিজের যোগ্যতা প্রমান করেছেন তিনি। অতি গবেষনা করে দেখিয়েছেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে বড়জোর ৪৫ দিয়ে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া যায়। তাঁর আক্ষেপ, ১০০ ভাগ বঙ্গবন্ধু উপাধী পাওয়ার মতো নেতা এখনো বাংলাদেশে দেখা যায়নি।

আর তাইতো আমাদের এই সামান্য আয়োজন, বেছে নিন ১০০ ভাগ খাঁটি বঙ্গবন্ধু।

বেছে নিন: ১০০% খাঁটি বঙ্গবন্ধু পোষ্টটিতে করা ২৭ টি মন্তব্যের মধ্যে ১০ জন ব্লগার কোন না কোন ব্যক্তিকে বঙ্গবন্ধু হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন যথাক্রমে অধ্যাপক গোলাম আযম, মাওলানা মতিউর রহমান নিযামী, আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ কামারুজ্জামান এবং সবশেষে আশরাফ রহমান।

১০ জন ব্লগারের মধ্যে ৪ জন ব্লগার অধ্যাপক গোলাম আযমকে ১০০ ভাগ বঙ্গবন্ধু মনে করেন। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ট ব্লগাররা (৬ জন) মনে করেন আশরাফ রহমানই হচ্ছে একমাত্র মানুষ যাকে ১০০ ভাগ খাঁটি বঙ্গবন্ধু হিসাবে মনোনীত করা যায়।

ক্রিকেট খেলায় যেমন ১১ জন মানুষ সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন, তেমনি খাঁটি বঙ্গবন্ধু নির্বাচনে ভোটদাতা ১০ জন ব্লগারকে সমগ্র সামহোয়্যারইন ব্লগের প্রতিনিধি হিসাবে ধরে নিলে আমরা একজন বঙ্গবন্ধু পেয়ে গেছি। তিনি আর কেউ নন, তিনি আমাদের অতি আপনজন, জনাব আশরাফ রহমান।

এই অভূতপূর্ব বিজয়ে আশরাফ রহমানের জন্য রইলো অভিনন্দন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712407 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712407 2007-05-24 23:35:43
বেছে নিন: ১০০% খাঁটি বঙ্গবন্ধু
আশরাফ ভাই আজ এক সুচিন্তিত বাণী প্রদান করিয়া জাতিকে দিশা দিয়াছেন। আজ এক বার্তায় তিনি বলিয়াছেন:
-
আমার তো মনে হয় ১০০ ভাগ বঙ্গবন্ধু উপাধী পাওয়ার মত নেতা এখনো বাংলাদেশে দেখা যায়নি।
-

আসুন আমরা আশরাফ ভাইয়ের জন্য কয়েকজন প্রার্থীর নাম ঠিক করিয়া দিই। ইহাদের মধ্যে কে বঙ্গবন্ধু হইবার যোগ্য তাহা তিনি আমাদিগকে বলিয়া দিন।


বঙ্গবন্ধু পদের জন্য প্রাথমিকভাবে পাঁচজন প্রার্থীকে লওয়া হইয়াছে। পাঠকের অনুরোধে প্রার্থীর সংখ্যা পরিবর্তিত হইতে পারে।

১. অধ্যাপক গোলাম আযম: জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রাক্তন আমীর।

২. মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (আলবদর হাইকমান্ড: সারা পাকিস্তান প্রধান)- প্রাক্তন মন্ত্রী (গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার)

৩. আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ (আলবদর পূর্ব পাকিস্তান প্রধান) - প্রাক্তন মন্ত্রী (গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার)

৪. মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক) - দুষ্টজনেরা বলে তিনি নাকি সৎ!

৫. আশরাফ রহমান (ইরানে কর্মরত সাংবাদিক) -তিনি বহুবার তাঁর বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে জাতিকে দিয়েছেন দিশা।

×××××××
ফলাফল ঘোষনা করা হবে ১২ ঘন্টা পর।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712206 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28712206 2007-05-23 17:41:07
দ্রোহী পুরাণ ০২ ******************************************

ইদানিং আদম খুব বখিয়া যাইতেছে! তাহাকে প্রায়শই নিষিদ্ধ বৃক্ষের আশে পাশে ঘুরাফিরা করিতে দেখা যাইতেছে। কতিপয় স্বর্গদূত আসিয়া ঈশ্বরকে বলিলো, আদম তাহাদিগকে ঘুষ প্রদান করিয়া নিষিদ্ধ ফল হাতাইতে চাহিয়াছে!

ঈশ্বর চিন্তিত হইয়া পড়িলেন। আদমের একটা বিহিত না করিলেই নয়! তিনি বুঝিতে পারিলেন, আদমকে শাস্তি প্রদান করিবার সময় ঘনাইয়া আসিয়াছে। আদমকে দেয়া সাবধানবাণী অনুযায়ী তিনি আদমকে পৃথিবীপৃষ্ঠেই নিক্ষেপ করিবেন বলিয়া ঠিক করিলেন।

আদমকে পৃথিবীপৃষ্ঠে নিক্ষেপ করার পূর্বে পৃথিবী সৃষ্টি করিতে হইবে। আর তাই ঈশ্বর একটি পাইলট প্রজেক্টের অনুদান চাহিয়া একখানা প্রজেক্ট প্রপোজাল লিখিয়া জেমস বন্ডাইল মারফত পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করিলেন। পরিকল্পনা কমিশন একটি সাময়িক প্রজেক্টের জন্য অনুদান দিতে রাজী হইলো।

ঈশ্বর বলিলেন, “লেট দেয়ার বি লাইট!”

কারিগর স্বর্গদূতগন জিজ্ঞাসা করিলো, “আলো কিরুপে তৈয়ার করিব?”

ঈশ্বর স্বর্গদূতদিগকে বুঝাইয়া দিলেন, “একটি বিশাল অগ্নিকুন্ড সৃষ্টি করিবে। তাহাই হইবে আলোকের উৎস।”

স্বর্গদূতগন বলিলেন, “অগ্নিকুন্ড হইতে যে ধোঁয়া সৃষ্টি হইবে তাহা কিরুপে নিয়ন্ত্রন করিব?”

ঈশ্বর বিরক্ত হইয়া স্বর্গদূতদিগকে ধোঁয়াবিহীন অগ্নিকুন্ড সৃষ্টি করিতে নির্দেশ প্রদান করিলেন। স্বর্গদূতগন ঈশ্বরকে জানাইলো আলোক উৎস সৃষ্টি করিলে পরিবেশের কোনরুপ ক্ষতিসাধিত হইবে না এই মর্মে “বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর” হইতে একখানা নির্মান পারমিট ইস্যু করিতে হইবে।

ঈশ্বর আলোক উৎস সৃষ্টি করিবার অনুমতি প্রদান করিবার জন্য একখানা নির্মান পারমিট চাহিয়া “বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর” বরাবরে পত্র লিখিলেন।

বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর আলোক উৎস তৈয়ার করিবার অনুমতি প্রদান করিল এবং সেইসাথে জানাইয়া দিল- ক্রমাগত আলো জ্বালাইলে থার্মাল পলিউশনে জগতের ক্ষতিসাধিত হইবে। সুতারাং অর্ধেক সময় ধরিয়া আলোক উৎস বন্ধ রাখিতে হইবে।

ঈশ্বর চরম বিরক্ত হইয়া ক্ষেদোক্তি করিলেন, “ভালোই হইয়াছে! অর্ধেক সময় ধরিয়া আদমকে পাপাচার হইতে বিরত রাখা সম্ভব হইবে।” অতঃপর তিনি আলোকোজ্জল অংশের নামকরণ করিলেন “দিন” এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের নামকরন করিলেন “রাত”।

পৃথিবী সৃষ্টি করিবার পর ঈশ্বর ভাবিলেন, “পৃথিবীকে উদ্ভিদ ও প্রাণীতে পরিপূর্ণ করিয়া দেয়া যাক! আকাশে পাখি উড়িয়া বেড়াইবে, ঝরনা হইতে পানি ঝরিবে, চারিদিকে সবুজের সমারোহ হইবে। পশু-পাখীরা খেলাধুলা করিয়া পরমানন্দে দিনাতিপাত করিবে। দেখিতে বেশ হইবে!”

স্বর্গদূতগন জানাইলো, “উদ্ভিদ ও প্রাণী সৃষ্টি করিতে হইলে যথাক্রমে “বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর” এবং “পশুসম্পদ অধিদপ্তর” হইতে অনুমতি লইতে হইবে।”

বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কেবলমাত্র প্রাকৃতিক বীজ হইতে উদ্ভিদ সৃষ্টি করিবার অনুমতি প্রদান করিলো। কিন্তু পশুসম্পদ অধিদপ্তর ক্যাচাল লাগাইলো- তাহারা জানাইলো, পশু-পাখীদের খেলাধুলার ব্যবস্থা করিবার জন্য “ক্রীড়া নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের” অনুমতি লাগিবে।

ঈশ্বর ক্রীড়া নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর বরাবরে একখানা পত্র লিখিয়া পশু-পাখীদের খেলাধুলা করিয়া দিনাতিপাত করিবার অনুমতি প্রদান করিবার জন্য জানাইলেন।

ক্রীড়া নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর ঈশ্বরকে জানাইলো, “খেলাধুলার ব্যবস্থা করিতে হইলে স্টেডিয়াম বানাইতে হইবে, ইহাতে নিদেনপক্ষে বছরখানেক সময় লাগিবে। স্টেডিয়াম তৈয়ার করিবার জন্য দরপত্র আহবান করা হইয়াছে। ইহা ছাড়াও ধর্ম মন্ত্রনালয়ের সহিত মিটিং করিয়া নারীদিগের জন্য খেলাধুলা করিবার অনুমতি লইতে হইবে। সবকিছু মিলাইয়া একবছরের বেশী সময় লাগিবে।”

ঈশ্বর বলিলেন, “কিন্তু আমিতো ছয়দিনে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করিয়া সপ্তম দিনে বিশ্রাম লইবো বলিয়া ভাবিতেছি!”

ক্রীড়া নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর জানাইলো, তাহারা নিরুপায়- বিভিন্ন অধিদপ্তরের লাল-ফিতার দৌরাত্ব্য হইতে স্বয়ং ঈশ্বরেরও মুক্তি নাই! সুতারাং একবছরের কম সময়ে তাহারা উক্ত প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করিতে পারিবে না জানাইয়া ক্ষমাপ্রার্থণা করিল।

ঈশ্বর ইতিমধ্যেই মহাবিশ্ব সৃষ্টির জন্য ছয়দিন সময় বরাদ্দ করিয়া লইয়াছিলেন। তিনি ভাবিতে বসিলেন কি রুপে এই ছয়দিন সময়কে কাজে লাগাইবেন।

তিনি সিদ্ধান্ত লইলেন, এই ছয়দিন ধরিয়া তিনি এমন কিছু একটা বানাইবেন যাহা পৃথিবীতে নিক্ষেপের আগ পর্যন্ত আদমের অজ্ঞাতসারে তাহাকে মডারেট করিবে। অতঃপর তিনি পরিকল্পনা কমিশনের কাছে পত্র পাঠাইলেন - কোন অধিদপ্তরের অনুমতি ব্যতিরেকে তিনি আগামী ছয়দিনে একজন মডারেটর তৈয়ার করিতে চান, যাহার মান নিয়া তাহার কোনরুপ মাথাব্যাথা নাই।

পরিকল্পনা কমিশন আদমকে মডারেট করিবার জন্য মডুরাম হিসাবে “ছাগুরাম” সৃষ্টির জন্য একটি প্রজেক্ট অনুমোদন করিল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711986 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711986 2007-05-22 11:51:04
দ্রোহী পুরাণ ০১ ******************************************

ঈশ্বর ইদানিং বড়ই বির‌ক্তি অনুভব করিতেছেন!

মাঝে কয়বার জেমস বন্ডাইল ছাগুতে উপগত হইতে চেষ্টা করিয়াছিল! প্রতিবাদী ছাগু স্বর্গ জুড়ে তারস্বরে ম্যাৎকার করিয়া বেশ একটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করিতে সক্ষম হইয়াছিলো! এখন আবার সেই একঘেয়ে স্বর্গ! এর একটা বিহিত করা অতীব জরুরী হইয়া দাড়াইয়াছে।

ঈশ্বর গোপনে জেমস বন্ডাইলকে ডাকিয়া আদমের কাছে সংবাদ পাঠাইলেন- আদম যদি স্বর্গে ফিরিয়া আসিতে রাজী হয়, তাহা হইলে পুনরায় অমরত্ব লাভ করিবে, নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনেও বাধা থাকিবে না আর, ঠিক যেমনটি ছিল সবকিছু তেমনি করিয়া দেওয়া হইবে!

ঈভের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনের অপরাধে স্বর্গ হইতে বিতাড়িত হইবার পর পৃথিবীতে আসিয়াই আদম প্রথমে ঈভের উপর বলপ্রয়োগপূর্বক উপগত হইয়া শোধ তুলিতে চেষ্টা করিলো। আদমের এই কুৎসিত প্রচেষ্টায় শাপে বর হইলো! ঈভ টাইপরাইটারের খটখটিতে এতবেশী মুগ্ধ হইয়া গেল যে স্বর্গজীবনে কেন সে আদমকে টাইপরাইটার দিয়া মহাকাব্য লিখিতে দিলো না তাহা ভাবিয়া বুক চাপড়াইতে লাগিলো!

বুক চাপড়ানোর ফলে ঈভের সুডৌল বক্ষ আন্দোলিত হইতে লাগিলো। এইদিকে কাঁচুলির নড়াচড়া দেখিয়া আদমের টাইপরাইটারখানা পুনরায় কর্মক্ষম হইয়া উঠিলো। সে এক দিস্তা কাগজ টানিয়া লইয়া টাইপরাইটারে ঢুকাইয়া যেইমাত্র টাইপ শুরু করিতে যাইবে, ঠিক তখুনি জেমস বন্ডাইল আসিয়া গলা খাঁকারিয়া কহিল, “বন্ডাইল! জেমস বন্ডাইল!”

আদম টাইপরাইটার খানা একপাশে সরাইয়া জেমস বন্ডাইলের টেরি টানিয়া ধরিয়া বলিলো, “মারিয়া পস্তা উড়াইবো! ছাগুরাম কাব্য লিখিতে বাধাপ্রদান? স্বর্গ পাইয়াছ? এয়ার্কি োদাও আমার সাথে?”

জেমস বন্ডাইল বলিলো, “ঈশ্বর খবর পাঠাইয়াছেন, তিনি তোমাদিগকে পূণরায় স্বর্গে ফিরাইয়া লইয়া যাইতে রাজী হইয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন স্বর্গে ফিরিয়া যাইতে রাজী হইলে সবকিছুই আগের মতো করিয়া দেওয়া হইবে।”

আদম ভাবিয়া দেখিলো, সবকিছুই আগের মতো করিয়া দিলে ঈভ তাহাকে আবারও টাইপরাইটার ব্যবহার করিতে দিবে না। মৃত্যুহীন, ক্লান্তিময় জীবনে কলমে লিখিয়া যে পরিমান ছাগুরাম কাব্য রচনা করিতে পারিবে, টাইপরাইটার ব্যাবহার করিলে অল্প কয়েক বছরেই সে তাহা অপেক্ষা ঢের বেশী কাব্য রচনা করিতে পারিবে। কলমে লেখা কাব্যগুলো যেইখানে নিঃসঙ্গ বচন হইবে, সেইখানে টাইপরাইটার ব্যবহার করিলে প্রেমময় কাব্য রচিত হইবে।

“ঈশ্বরকে বলিও ছাগুরামকে সাথে লইয়া মৌজে মাতিতে। আমি ও ঈভ স্বর্গে ফিরিয়া যাইবো না বলিয়া মনস্থির করিয়াছি।”-মেঘস্বরে কহিলো আদম।

জেমস বন্ডাইল ফিরিয়া আসিয়া দুঃসংবাদ জানাইবার পর হইতেই ঈশ্বর চরম মুষড়ে পড়িয়াছেন! তাহার এই বিরক্তিকর জীবনে কিরুপে আনন্দসঞ্চার করা সম্ভবপর হইবে, ভাবিয়া ভাবিয়া পেরেশান হইতে লাগিলেন!

অবশেষে তিনি একটা বুদ্ধি বাহির করিলেন। তিনি একদা প্রাতঃকালে কারিগর টাইপের কয়েকজন স্বর্গদূতকে ডাকিয়া স্বর্গের মাঝামাঝি জায়গায় একটি বাঁশবাগান বানাইতে নির্দেশ প্র্রদান করিলেন। বাঁশ বাগান তৈরি হইবার পর, উহা পাহারার কাজে কঞ্চিত্ত্ব নামক এক দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূতকে নিয়োগ করিলেন। একটা গ্যাঞ্জাম লাগাইবার অভিপ্রায়ে তিনি কঞ্চিত্ত্বকে বলিলেন, “তুমি ইচ্ছা করিলে আমাকে অমান্য করিতে পার! আমি কিছু মনে করিবো না বরং তোমার বাঁশবাগানের ত্রি-সীমানায় যে কেহ প্রবেশ করিলেই তুমি তাহাতে উপগত হইতে পার। আমি উক্ত কর্মে বাধা প্রদান করিবো না। উহা তোমার একার সাম্রাজ্য!”

একদিন হঠাৎ কঞ্চিত্ত্ব ঘোষনা করিলো, “ঈশ্বর স্বর্গদূতদের সাথে হারামীপনা করিতেছেন। পৃথিবীতে আদম-ঈভ অনেক মাস্তি করিতেছে, তাহারা পরমানন্দে টাইপরাইটার দিয়া ঝড়ের গতিতে দিস্তার পর দিস্তা ছাগুরাম কাব্য রচিতেছে! এইদিকে স্বর্গদূতেরা অপরাধ না করিয়াও কলমে লিখিতে বাধ্য হইতেছে! ইহা অবিচার, অত্যাচার রুপেই পরিগণিত হইতেছে। আসুন স্বর্গদূতগন আমরা সকলে মিলিয়া এই ঈশ্বরের নিকূচি করি! ”

ঠিক সেইসময় জেমস বন্ডাইল আসিয়া ছাগুরামকে খবর জানাইলো, “তোমার জন্মস্থান চন্দ্রপুকুরে- তোমার এক ভ্রাতা জন্ম লইয়াছেন। জন্মেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়াছেন, তিনি বলিয়াছেন- এই ঈশ্বর একটা অপদার্থ! আর তাই ঈশ্বর তোমাকে মৌদুধিপুরাণখানা লইয়া তোমার ভ্রাতার নিকট যাইয়া, তাহাকে উত্তম রুপে দীক্ষিত করিবার নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন।”

ছাগুরাম মৌদুধিপুরাণখানা গামছায় বাঁধিয়া লইয়া চন্দ্রপুকুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবার প্রাক্কালে জেমস বন্ডাইলকে বলিলো, “কঞ্চিত্ত্বকে বলিবে, জরুরী কাজে বাহিরে যাইতে হইতেছে! ফিরিয়া আসিয়া বিশদ বলিবো!”

পথচলায় ক্লান্ত ছাগুরাম পথিমধ্যে বাঁশবাগান দেখিয়া ভাবিলো - কাজলা দিদি কবিতাটি এক মুরতাদ স্বর্গদূতের সৃষ্টি। “বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই” - বাক্যখানায় মুরতাদ স্বর্গদূত সত্য কি মিথ্যা বলিয়াছে তাহা নিরুপন করিতে হইলে বাঁশবাগানে প্রবেশ করিয়া দেখিতে হইবে। যেই ভাবা সেই কাজ! ছাগুরাম ক্লান্ত পদে বাঁশবাগানে গভীরে প্রবেশ করিলো।

ছাগুরামের অজ্ঞাতসারে দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূত কঞ্চিত্ত্ব নিঃশব্দে ছাগুরামের পশ্চাতে আসিয়া উপস্থিত হইলো।

কিয়ৎকাল বাদেই কাতর ম্যাৎকার স্বর্গের আকাশে-বাতাসে আলোড়ন তুলিলো, কিন্তু কেহই ছাগুরামকে উদ্ধারকল্পে আগাইয়া আসিলো না।
××××××××××××
স্বর্গে বেজায় গোল হইতেছে। স্বর্গদূতগন দুই-পক্ষে ভাগ হইয়া কঞ্চিত্ত্ব কতৃক ছাগুতে উপগত হইবার ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া ঈশ্বরের পক্ষে-বিপক্ষে তর্কে লিপ্ত হইয়াছে।

দীর্ঘদিন পর পরিপূর্ণ আনন্দ লইয়া ঈশ্বর তাহার চৌকির পানে আগাইতে লাগিলেন। কিয়ৎকাল বাদেই ঈশ্বরের বিকট নাসিকা-গর্জন শোনা যাইতে লাগিলো!

********************
মুখফোড় অনুপস্থিত, কিন্তু তাহার ছড়াইয়া দেয়া আগুন আজও বাংলার ঘরে ঘরে প্রজ্জলিত।
ঈশ্বর ইদানিং বড়ই বির‌ক্তি অনুভব করিতেছেন!

মাঝে কয়বার জেমস বন্ডাইল ছাগুতে উপগত হইতে চেষ্টা করিয়াছিল! প্রতিবাদী ছাগু স্বর্গ জুড়ে তারস্বরে ম্যাৎকার করিয়া বেশ একটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করিতে সক্ষম হইয়াছিলো! এখন আবার সেই একঘেয়ে স্বর্গ! এর একটা বিহিত করা অতীব জরুরী হইয়া দাড়াইয়াছে।

ঈশ্বর গোপনে জেমস বন্ডাইলকে ডাকিয়া আদমের কাছে সংবাদ পাঠাইলেন- আদম যদি স্বর্গে ফিরিয়া আসিতে রাজী হয়, তাহা হইলে পুনরায় অমরত্ব লাভ করিবে, নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনেও বাধা থাকিবে না আর, ঠিক যেমনটি ছিল সবকিছু তেমনি করিয়া দেওয়া হইবে!

ঈভের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ ফল ভক্ষনের অপরাধে স্বর্গ হইতে বিতাড়িত হইবার পর পৃথিবীতে আসিয়াই আদম প্রথমে ঈভের উপর বলপ্রয়োগপূর্বক উপগত হইয়া শোধ তুলিতে চেষ্টা করিলো। আদমের এই কুৎসিত প্রচেষ্টায় শাপে বর হইলো! ঈভ টাইপরাইটারের খটখটিতে এতবেশী মুগ্ধ হইয়া গেল যে স্বর্গজীবনে কেন সে আদমকে টাইপরাইটার দিয়া মহাকাব্য লিখিতে দিলো না তাহা ভাবিয়া বুক চাপড়াইতে লাগিলো!

বুক চাপড়ানোর ফলে ঈভের সুডৌল বক্ষ আন্দোলিত হইতে লাগিলো। এইদিকে কাঁচুলির নড়াচড়া দেখিয়া আদমের টাইপরাইটারখানা পুনরায় কর্মক্ষম হইয়া উঠিলো। সে এক দিস্তা কাগজ টানিয়া লইয়া টাইপরাইটারে ঢুকাইয়া যেইমাত্র টাইপ শুরু করিতে যাইবে, ঠিক তখুনি জেমস বন্ডাইল আসিয়া গলা খাঁকারিয়া কহিল, “বন্ডাইল! জেমস বন্ডাইল!”

আদম টাইপরাইটার খানা একপাশে সরাইয়া জেমস বন্ডাইলের টেরি টানিয়া ধরিয়া বলিলো, “মারিয়া পস্তা উড়াইবো! ছাগুরাম কাব্য লিখিতে বাধাপ্রদান? স্বর্গ পাইয়াছ? এয়ার্কি োদাও আমার সাথে?”

জেমস বন্ডাইল বলিলো, “ঈশ্বর খবর পাঠাইয়াছেন, তিনি তোমাদিগকে পূণরায় স্বর্গে ফিরাইয়া লইয়া যাইতে রাজী হইয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন স্বর্গে ফিরিয়া যাইতে রাজী হইলে সবকিছুই আগের মতো করিয়া দেওয়া হইবে।”

আদম ভাবিয়া দেখিলো, সবকিছুই আগের মতো করিয়া দিলে ঈভ তাহাকে আবারও টাইপরাইটার ব্যবহার করিতে দিবে না। মৃত্যুহীন, ক্লান্তিময় জীবনে কলমে লিখিয়া যে পরিমান ছাগুরাম কাব্য রচনা করিতে পারিবে, টাইপরাইটার ব্যাবহার করিলে অল্প কয়েক বছরেই সে তাহা অপেক্ষা ঢের বেশী কাব্য রচনা করিতে পারিবে। কলমে লেখা কাব্যগুলো যেইখানে নিঃসঙ্গ বচন হইবে, সেইখানে টাইপরাইটার ব্যবহার করিলে প্রেমময় কাব্য রচিত হইবে।

“ঈশ্বরকে বলিও ছাগুরামকে সাথে লইয়া মৌজে মাতিতে। আমি ও ঈভ স্বর্গে ফিরিয়া যাইবো না বলিয়া মনস্থির করিয়াছি।”-মেঘস্বরে কহিলো আদম।

জেমস বন্ডাইল ফিরিয়া আসিয়া দুঃসংবাদ জানাইবার পর হইতেই ঈশ্বর চরম মুষড়ে পড়িয়াছেন! তাহার এই বিরক্তিকর জীবনে কিরুপে আনন্দসঞ্চার করা সম্ভবপর হইবে, ভাবিয়া ভাবিয়া পেরেশান হইতে লাগিলেন!

অবশেষে তিনি একটা বুদ্ধি বাহির করিলেন। তিনি একদা প্রাতঃকালে কারিগর টাইপের কয়েকজন স্বর্গদূতকে ডাকিয়া স্বর্গের মাঝামাঝি জায়গায় একটি বাঁশবাগান বানাইতে নির্দেশ প্র্রদান করিলেন। বাঁশ বাগান তৈরি হইবার পর, উহা পাহারার কাজে কঞ্চিত্ত্ব নামক এক দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূতকে নিয়োগ করিলেন। একটা গ্যাঞ্জাম লাগাইবার অভিপ্রায়ে তিনি কঞ্চিত্ত্বকে বলিলেন, “তুমি ইচ্ছা করিলে আমাকে অমান্য করিতে পার! আমি কিছু মনে করিবো না বরং তোমার বাঁশবাগানের ত্রি-সীমানায় যে কেহ প্রবেশ করিলেই তুমি তাহাতে উপগত হইতে পার। আমি উক্ত কর্মে বাধা প্রদান করিবো না। উহা তোমার একার সাম্রাজ্য!”

একদিন হঠাৎ কঞ্চিত্ত্ব ঘোষনা করিলো, “ঈশ্বর স্বর্গদূতদের সাথে হারামীপনা করিতেছেন। পৃথিবীতে আদম-ঈভ অনেক মাস্তি করিতেছে, তাহারা পরমানন্দে টাইপরাইটার দিয়া ঝড়ের গতিতে দিস্তার পর দিস্তা ছাগুরাম কাব্য রচিতেছে! এইদিকে স্বর্গদূতেরা অপরাধ না করিয়াও কলমে লিখিতে বাধ্য হইতেছে! ইহা অবিচার, অত্যাচার রুপেই পরিগণিত হইতেছে। আসুন স্বর্গদূতগন আমরা সকলে মিলিয়া এই ঈশ্বরের নিকূচি করি! ”

ঠিক সেইসময় জেমস বন্ডাইল আসিয়া ছাগুরামকে খবর জানাইলো, “তোমার জন্মস্থান চন্দ্রপুকুরে- তোমার এক ভ্রাতা জন্ম লইয়াছেন। জন্মেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়াছেন, তিনি বলিয়াছেন- এই ঈশ্বর একটা অপদার্থ! আর তাই ঈশ্বর তোমাকে মৌদুধিপুরাণখানা লইয়া তোমার ভ্রাতার নিকট যাইয়া, তাহাকে উত্তম রুপে দীক্ষিত করিবার নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন।”

ছাগুরাম মৌদুধিপুরাণখানা গামছায় বাঁধিয়া লইয়া চন্দ্রপুকুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবার প্রাক্কালে জেমস বন্ডাইলকে বলিলো, “কঞ্চিত্ত্বকে বলিবে, জরুরী কাজে বাহিরে যাইতে হইতেছে! ফিরিয়া আসিয়া বিশদ বলিবো!”

পথচলায় ক্লান্ত ছাগুরাম পথিমধ্যে বাঁশবাগান দেখিয়া ভাবিলো - কাজলা দিদি কবিতাটি এক মুরতাদ স্বর্গদূতের সৃষ্টি। “বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই” - বাক্যখানায় মুরতাদ স্বর্গদূত সত্য কি মিথ্যা বলিয়াছে তাহা নিরুপন করিতে হইলে বাঁশবাগানে প্রবেশ করিয়া দেখিতে হইবে। যেই ভাবা সেই কাজ! ছাগুরাম ক্লান্ত পদে বাঁশবাগানে গভীরে প্রবেশ করিলো।

ছাগুরামের অজ্ঞাতসারে দুবৃত্তরুপী স্বর্গদূত কঞ্চিত্ত্ব নিঃশব্দে ছাগুরামের পশ্চাতে আসিয়া উপস্থিত হইলো।

কিয়ৎকাল বাদেই কাতর ম্যাৎকার স্বর্গের আকাশে-বাতাসে আলোড়ন তুলিলো, কিন্তু কেহই ছাগুরামকে উদ্ধারকল্পে আগাইয়া আসিলো না।
××××××××××××
স্বর্গে বেজায় গোল হইতেছে। স্বর্গদূতগন দুই-পক্ষে ভাগ হইয়া কঞ্চিত্ত্ব কতৃক ছাগুতে উপগত হইবার ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া ঈশ্বরের পক্ষে-বিপক্ষে তর্কে লিপ্ত হইয়াছে।

দীর্ঘদিন পর পরিপূর্ণ আনন্দ লইয়া ঈশ্বর তাহার চৌকির পানে আগাইতে লাগিলেন। কিয়ৎকাল বাদেই ঈশ্বরের বিকট নাসিকা-গর্জন শোনা যাইতে লাগিলো!

********************
মুখফোড় অনুপস্থিত, কিন্তু তাহার ছড়াইয়া দেয়া আগুন আজও বাংলার ঘরে ঘরে প্রজ্জলিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711773 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711773 2007-05-21 11:20:26
আশরাফ রহমানের প্রতি জিজ্ঞাস্য
আমি মামলা করবো। আপনি নামগুলো বলেন! প্রথম জনের নাম আমি বলে দিলাম।

১. "শেখ হাসিনার বেয়াই"
২.
৩.
৪.
৫.

বাকী চারটা বলবেন এখন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711724 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711724 2007-05-21 01:13:09
এক পর্বে সমাপ্য সম্পুর্ণ রঙীন উপন্যাস খ এ খগেন
গ এ গড়াগড়ি
ঘ এ ঘষাঘষি
ঙ! ঙ! ঙ! ঙ! ঙ!

চ এ চুমোচুমি
ছ এ ছোয়াছুড়ি
জ এ জড়াজড়ি
ঝ এ ঝাঁপাঝাপি
ঞ! ঞ! ঞ! ঞ! ঞ!

ট এ টিপাটিপি
ঠ এ ঠাপাঠাপি
ড এ ডলাডলি
ঢ এ ঢলাঢলি
ণা! ণা! ণা! ণা! ণা!

ত এ তালে তালে
থ এ থেমে থেমে
দ এ দুলে দুলে
ধ এ ধীরে ধীরে
না! না! না! না! না!

প এ পিছে পিছে
ফ এ ফিরে ফিরে
ব এ বসে বসে
ভ এ ভেবে ভেবে
মা! মা! মা! মা! মা!

য এ যাবে যাবে
র এ রসে রসে
ল এ লাফে লাফে
শ! শ! শ! শ! শ!
××××××××××
ঘটনা বুঝছেন?

বিঃদ্রঃ- এটা আমার নেকা না। মাইরা দিসি- অনেকদিন আগে শুনছিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711635 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711635 2007-05-20 17:44:26
অনলাইনে দেখুন: The Phantom of the Opera
ছবিটি অনলাইনে দেখতে চাইলে যা করতে হবে:

প্রথমেই দেখে নিন আপনার কম্পিউটারে “DivX Web Player” ইনস্টল করা আছে কি না। যদি না থাকে তাহলে এখান থেকে ইনষ্টল করে নিন।

ভালো ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে অনলাইনেই সরাসরি ছবিটি উপভোগ করতে পারবেন।

এখানে ক্লিক করুন এবং ছবিটি দেখুন।

ছবিটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711369 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711369 2007-05-19 11:08:49
চরম ফালতু পোষ্ট (উৎসর্গ: হোসেইন)
করিলাম।

কাজ হইলো, আশরাফ রহমান ব্লগ ছাড়িয়া পালাইয়াছে।

হোসেইন, আপনি আসলেই "আবাল গবেষণা কেন্দ্রের" প্রধানের দায়িত্ব পালনে সক্ষম।

আপনার জন্য জাঝাস্বরুপ আমার ভাগের ৩৬টা হুরপরী প্রদান করিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711340 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711340 2007-05-19 03:35:25
2001: A Space Odyssey
মুক্তি পাবার পর পরই এ ছবিটি সবার মনযোগ আকর্ষন করতে সক্ষম হয়। পজিটিভ, নেগেটিভ-দুই ধরনেরই সমালোচনা হতে থাকে ছবিটিকে ঘিরে। বর্তমান চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মতানুসারে এ ছবিটিকে “সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ” ছবিগুলোর একটি হিসাবে ধরা হয়।

******
ছবিটি অনলাইনে দেখতে যা করতে হবে আপনাকে:
******
অনলাইনে সরাসরি উপভোগ করতে চাইলে অতি অবশ্যই আপনার দ্রুতগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।

প্রথমেই দেখে নিন আপনার কম্পিউটারে “DivX Web Player” ইনস্টল করা আছে কি না। যদি না থাকে তাহলে এখান থেকে ইনষ্টল করে নিন।

এবারে এখানে ক্লিক করুন এবং ছবিটি উপভোগ করুন।

যদি আপনার ইন্টারনেট সংযোগ ভালো না হয়, কিন্তু দেখার ইচ্ছা অদম্য হয়, তাহলে ছবিটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন নিচের লিংক থেকে।

ডাউনলোড লিংক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711284 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28711284 2007-05-18 18:58:08
আবাল চিকিৎসা কেন্দ্র
আবাল চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে উৎসাহীগন নিন্মোক্ত রুগীদ্বয়ের উপর প্রয়োগকৃত চিকিৎসা প্রনালী অবলোকন করিতে পারেন।

১. সর্বজনাব হামিদা বেগম
২. সর্বজনাব সুর বাংলা

বর্তমানে যাহারা আবাল চিকিৎসা কেন্দ্রের সহিত জড়িত আছেন তাহাদের নাম নিন্মে দেয়া হইলো। উৎসাহী ব্যক্তিগন “আবাল নন” সাপেক্ষে উক্ত কার্যক্রমে চিকিৎসক হিসাবে জড়িত হইতে পারেন।

আবাল চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক সদস্যগনের নাম নিন্মে দেয়া হলো:

১.ঠুকেমারি
২.এস্কিমো
৩.যুঞ্চিক্ত
৪.আঈজুদ্দিন চৌধুরী
৫.শমসের আলম
৬.হোসেইন
৭.কেমিকেল আলী
৮.ত্রি-ভন্ড
৯.হাসিব
১০.দ্রোহী
১১.অমিত
১২.হিমু
১৩.অনুভুতি শূণ্য কেউ একজন
১৪.তারেক রহিম
১৫.ধুসর ছায়া

যদি কেহ আবাল চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হইতে অনীহা প্রকাশ করিয়া থাকেন, তাহা হইলে তাহাকে সম্মানের সহিত অব্যাহতি দেয়া হইবে।
×××××××××××××
যাহারা আবাল চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হইতে আগ্রহী, তাহারা মন্তব্যের ঘরে সম্মতিজ্ঞাপনপূর্বক মন্তব্য করিয়া যাইবেন, পরবর্তীকালে তাহা লিষ্টে সংযুক্ত করিয়া লওয়া হইবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28710499 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28710499 2007-05-14 08:51:03
ম্যা...ক্রোস্কপিক ছাগুতা সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হয়েছে ছাগুরাম;
মানুষদের জগতে আসেনি সে খবর।

একটি ছাগল সেদিন আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে,
আম্রিকায় আসার স্বপ্নে বিভোর,
জি.আর.ই. এর জন্য দোয়া খুঁজে বেড়ায়।

দিকে দিকে হচ্ছে তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি,
মানুষের সমাজে আজ ভোটাভুটি।
ছাগলদের কিইবা আসে যায় তাতে?

×××××××××××××××××
ত্রিভুজের “মাইক্রোস্কপিক” কবিতা অবলম্বনে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28710047 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28710047 2007-05-10 23:56:26
মুক্তিযুদ্ধের হাসির গল্প
পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর একটা গ্রুপ ঘাঁটি গেড়েছে এক গ্রামের স্কুল মাঠে।

একদিন মুক্তিযোদ্ধারা সেই ঘাঁটি আক্রমন করলো। দুই দল মুখোমুখি! মুক্তিযোদ্ধারা গাছের আড়ালে, ঝোঁপের ভেতর থেকে গুলি করছে! পাকিস্তানী মিলিটারীরা বালির বস্তার আড়াল থেকে গুলি করছে।

মুখোমুখি অবস্থা!

হঠাৎ মুক্তিবাহিনীর একজন যোদ্ধা চেঁচিয়ে উঠলো, “জাফরি, কাঁহা হো তুম?”

বালির বস্তার আড়াল থেকে জাফরি উঠে দাড়িয়ে বললো, “কেয়া হুয়া?” সাথে সাথেই মুক্তিবাহিনীর ভেতর থেকে একজন গুলি করে তাকে ফেলে দিলো!

একটু পরে মুক্তিবাহিনীর আরেকজন যোদ্ধা ডাক দিলো, “হাশমি, তুম কিধার হ্যায়?”

বালির বস্তার আড়াল থেকে হাশমি উঠে দাড়িয়ে বললো, “কেয়া হুয়া?” সাথে সাথে মুক্তিবাহিনীর ভেতর থেকে কেউ একজন মেশিনগান দিয়ে হাশমিকে ঝাঁঝরা করে দিল।

দুজন সৈন্য হারিয়ে পাকিস্তানীদের কিঞ্চিৎ বুদ্ধি বাড়লো। তাদের ভেতর থেকে একজন চিৎকার করে বললো, “জাব্বার, তুম কাঁহা হো?”

মুক্তিযোদ্ধাদের ভেতর থেকে একজন বললো, “জাব্বার ঘার চালা গায়া। কেয়া তুম খালিলি হ্যায়?”

খালিলি উঠে দাড়াবার সাথে সাথেই একজন মেশিনগান দিয়ে তাকে ফুটো করে দিল।
**************************
আইডিয়া কইত্তে পাইছি কমু না।
**************************

একটু কষ্ট করে ইউটিউবে এই ভিডিওটা দেখেন এবং খানিকটা গালাগালি করে আসেন (লিংকের জন্য অরূপকে ধন্যবাদ)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709923 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709923 2007-05-10 11:34:28
তেলেসমাতি স্ক্রিপ্ট হাগুর আর্কাইভ বানানোর বুদ্ধি করছিলাম!

পরদিন বাঁশরাফের উট গবেষণা বিষয়ক একটা পোষ্ট দিলাম।

ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আমার পোষ্ট দুইটা "টপ রেটেড" পোষ্টের শেষ দুই স্থান দখল করে আছে। দেখে অবাক হয়ে গেলাম। আমার সামহোয়্যার ইনে তিনটা আইডি আছে। কিন্তু ওগুলো দিয়ে নিজের পোষ্টে রেটিং করে আনন্দ পাই না।

বিকালে দেখা ছাগুর সাথে। ছাগুকে দেখলাম "টপ রেটেড" পোষ্টের ব্যাপারে খুবই ক্ষ্যাপা!

ছাগু কইলো ১০০০ আইডি বানাবো, তারপর "টপ রেটেড" পোষ্টের দফারফা কইরা দিবো।

আমি ছাগুরে কইলাম, "১ মিলিওন আইডি বানান।"

ছাগু কইলো, "ব্যাপার না। তেলেসমাতি স্ক্রিপ্ট বানাইছি! ১০০০ বানাইতে যতক্ষন লাগবে, এক মিলিওনে তার চাইতে সামান্য বেশী সময় লাগবে।"

মুগ্ধ হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম। সারাদিন বসে রইলাম। ওদিকে ছাগু সারারাত জেগে রইলো,আমার যখন সন্ধ্যা হয় তখন গুনে দেখলাম ৪০ টা আইডি হয়েছে!

বুঝলাম না কি তেলেসমাতি স্ক্রিপ্ট বানাইলো!বইসা বইসা ইমেইল আইডি বানাইয়া সামহোয়্যার ইনে নিক রেজিষ্ট্রেশন করলে একরাতে ১০০ টা আইডি বানানো সম্ভব!

×××××××××××××××××××

তারপর তেলেসমাতি কিছু ব্যাপার ঘটলো। সামহোয়্যার ইনের টপ রেটেড পোষ্ট গুলো থেকে কিছু পোষ্ট ঝরে পড়ে গেল। এর মধ্যে কয়েকটি পোষ্ট ছিল "ছাগু গং" কতৃক লিখিত। নতুন কিছূ পোষ্ট এসে জায়গা করে নিল সেস্থানে।

প্রথমেই যা মনে হলো, তাহলে কি সেই পোষ্ট গুলোতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে টপ রেটেড লিষ্টে নিয়ে আসা হয়েছিল। এখন কলঙ্ক ঢাকার জন্য এই ছাগলামী প্রচেষ্টা? হতেও পারে!

×××××××××××××××××××

তবে একটা ব্যাপার বুঝলাম। ছাগু "হাসান মোরশেদ" কে ডরায়। বিশ্বাস না হলে টপ রেটেড পোষ্টের দিকে তাকিয়ে দেখেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709806 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709806 2007-05-09 15:57:19
ফালতু পোষ্ট
ত্রিভুজ - বাঁশরাফ পরিষদ বিভিন্ন লেখায় মন্তব্য করে "ভালো পোষ্ট, লেখাটা কপি করে রাখলাম। পরে পড়ে মন্তব্য করবো।"

এই পরে পড়ার ব্যাপারটা আদৌ ঘটে কি?

একটা পোষ্টে দেখলাম বাঁশরাফ ত্রিভুজের একটা লেখা না পড়েই সমর্থন দিয়ে বসে আছে।

জারীর কে দেখলাম মন্তব্য করছে, "না পড়েই পাঁচ দিলাম!"

(শু্ত্রঙ্গকশু্ত্রঙ্গাজআপহাসি) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709801 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709801 2007-05-09 15:08:32
উট লইয়া গবেষণা করিবার বিপদ ××××××××××××××

বাঁশখার ওসমান সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তাহার পিতা গাজী- পিতামহ দরবেশ হিসাবে খ্যাতি লভিয়াছিলেন। বালেগ হইবার পর গবেষণার নিমিত্তে তাহাকে আরব ভুমিতে প্রেরণ করা হইলো।

আরব ভুমিতে অবতীর্ন হইবার পর বাঁশখার ওসমান তাহার আশু ভবিষ্যত লইয়া ভাবিতে লাগিল। সে ভাবিয়া দেখিল এমন কিছু লইয়া গবেষণা করিতে হইবে যাহাতে তাহাকে সবাই কদর করিতে বাধ্য হয়! ভাবিতে গিয়া সে দেখিল, আরব ভুমিতে বসিয়া উট লইয়া গবেষনা করাই উত্তম হইবে! উট অতি বিখ্যাত প্রাণী, উহার খ্যাতি সুদুর আরব ভুমি ছাড়াইয়া গাবতলীর হাঁট পর্যন্ত পৌছাইয়া গিয়াছে! পয়গম্বরগন উটের পিঠে চড়িয়া ধর্মপ্রচার করিয়া বেড়াইতেন। ভাবিয়া চিন্তিয়া বাঁশরাফ রহমান সিদ্ধান্ত গ্রহন করিল, সে উট লইয়া গবেষনা করিয়া খ্যাতি লভিবে।

পরদিন প্রাতঃকালে তাহার মনোষ্কামনা পূর্ণ করিবার নিমিত্তে সে বাটী হইতে বাহির হইলো। মরুভুমিতে পথ চলিতে চলিতে সে কাহিল হইয়া পড়িল। তীব্র দাবদাহে তাহার প্রাণবায়ু নির্গত হইবার উপক্রম হইলো। এমতাবস্থায় সে দেখিল বেশ কিছুটা দুরে একটি ছোট্ট মরুদ্যান। প্রাণ বাঁচানোর তাড়নায় সে মরুদ্যান লক্ষ্য করিয়া চলিতে লাগিল। মরুদ্যানের সম্মুখে আসিয়া সে জ্ঞান হারাইলো।

জ্ঞান ফিরিয়া আসিবার পর সে আবিষ্কার করিল, একজন শুশ্রুমণ্ডিত ব্যক্তি তাহার উপর ঝুঁকিয়া আছে। কিয়ৎকাল বাদে একটু সুস্থির হইবার পর, সেই শুশ্রুমণ্ডিত ব্যক্তি তাহারা অভিপ্রায় জানিতে চাহিল।

--জনাব, আমি পবিত্র প্রাণী উট লইয়া গবেষনা করিয়া জগতে খ্যাতি লভিতে চাই। সেই লক্ষ্যে বাটি হইতে বাহির হইয়াছি। যেখানেই উট লইয়া গবেষণা করিবার সুযোগ মিলিবে, আমি সেখানে ঘাঁটি গাড়িব।
--শেখ তাহাকে জিজ্ঞাসিলো, “উট লইয়া গবেষণা করা জিহাদ করার সামিল তুমি কি তাহা জান? তোমার ভিতর কি সেই জেহাদী জোশ আছে বলিয়া মনে হয়? আমিও এমনই একজনকে খুঁজিতে ছিলাম। ইচ্ছা হইলে তুমি আমার মরুদ্যানে রক্ষিত উট লইয়া গবেষণা করিতে পার। বিনিময়ে তুমি মাসোহারা পাইবে।”

জিহাদের কথা শুনিয়া বাঁশরাফ উৎফুল্ল হইয়া উঠিল। সে কালবিলম্ব না করিয়া রাজী হইয়া গেল। পরদিন প্রাতঃকালে সে নিজ বাটি অভিমুখে রওয়ানা হইলো। বাটিতে পৌঁছিয়া সে পরিহিত লুঙ্গী খানা খুলিয়া তাহার এক প্রান্তে গিট্টু দিল, অতঃপর লুঙ্গীর ভিতর তাহার সমুদয় সম্পত্তি ভরিয়া মরুদ্যান অভিমুখে রওয়ানা করিল।

মরুদ্যানে পৌছিয়া সে কালবিলম্ব না করিয়া গবেষণায় লিপ্ত হইল। প্রথমেই নোটবই খানা বাহির করিয়া তাহাতে হাবিজাবি লিখিতে শুরু করিয়া দিল।

রাত্রিকালীন আহারে শেখ তাহাকে “শরাবন তহুরা” দিয়া আপ্যায়ন করিল। আহারান্তে তাহার দুইজন একত্রে ঘুমাইতে গেল। আরব ভুমিতে সাম্যবাদের জয়জয়কার! মালিক-কর্মচারী একত্রে ঘুমাইবে ইহাই স্বাভাবিক!

ঘুমের মধ্যে সে দুঃস্বপ্ন দেখিল, একটি উট তাহাকে পোঙামারার নিমিত্তে তাড়া করিতেছে! বাঁচার অভিপ্রায়ে সে শেখের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছে। শেখ তাহাকে “পানির উপর দিয়ে হাঁটিতে সক্ষম এক জোড়া জুতা” পরিধান করিতে দিল। বাঁশরাফ উহা পরিধান করিয়া পানির উপর দিয়া হাঁটিয়া সেইবারের মত নিজের ইজ্জত রক্ষা করিল। প্রাতঃকালে ঘুম হইতে উঠিয়া সে লক্ষ্য করিল পশ্চাৎ প্রদেশে ব্যাপক ব্যাথা অনুভুত হইতেছে।

পশ্চাৎদেশকে আমল না দিয়া সে পুনরায় গবেষনা কর্মে লিপ্ত হইলো। সেইদিন রাত্রে “শরাবন তহুরা” যোগে আহারান্তে ঘুমাইতে যাইবার পর আবারও দুঃস্বপ্ন দেখিতে আরম্ভ করিল।

এইবার দেখিল, শেখ তাহাকে পোঙামারা দিবার নিমিত্তে তাড়া করিতেছে। রক্ষা পাইবার জন্য সে উটের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছে। উট তাহাকে রক্ষা করিবার জন্য ছুটাছুটি করিতে আরম্ভ করিল। ফলশ্রুতিতে মরুঝড় সৃষ্টি হইলো, “মরুঝড় সৈনিক হিসাবে” তাহাকে সেইবারের মত পোঙামারা খাওয়ার হাত হইতে রক্ষা করিল। পরদিন ঘুম হইতে উঠিয়া সে দেখিল তাহার পোঙায় আবারও ব্যাপক ব্যাথা অনুভুত হইতেছে।

উপায়ন্তর না দেখিয়া বাঁশফার রহমান ভাবিল শেখকে তাহার স্বপ্নের কথা খুলিয়া বলিবে! সবকিছু শুনিয়া শেখ তাহার পশ্চাৎদেশ খুলিয়া দেখিতে চাহিলো। দেখিবার পর শেখ তাহাকে বলিল, “হুম... পশ্চাৎদেশ খানা কিঞ্চিত লাল হইয়া রহিয়াছে।”

বাঁশফার কে আশ্বস্ত করিবার নিমিত্তে শেখ তাহাকে বলিল, “কেবলমাত্র পূণ্যবান ব্যক্তিরাই উটের মত পবিত্র প্রাণীর সহিত সঙ্গমের সুখ লভিতে সক্ষম হয়। মৃত্যুপরবর্তীকালে নিশ্চয়ই তাহাকে স্বর্গে অধিষ্ঠিত করা হইবে।”

স্বর্গপ্রাপ্তির কথা শুনিয়া বাঁশফার চুপ হইয়া গেল। কিন্তু দিনের পর দিন পশ্চাৎদেশের বেদনা সহ্য করিয়া স্বর্গলাভ অতি মুষ্কিল! সে জিজ্ঞাসিলো, “দ্বিতীয় রাত্রিতে দেখিলাম আপনি আমাকে পোঙামারা দিতে চাইছেন, উট আমাকে রক্ষা করিতেছে- উহার কি ব্যাখা দিবেন?”

শেখ তাহাকে উল্টা প্রশ্ন করিল, “উট তোমাকে রক্ষা করিতে চাহিতেছে, উহাকে কি প্রতীয়মান হয়?”

“প্রতীয়মান হয় যে আপনি আমাকে পোঙামারা দিতে চাহিতেছেন।” কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলিলো বাঁশরাফ।

অতঃপর সে উট লইয়া গবেষনা কর্মে ইস্তফা দিল। তাহার সমুদয় সম্পত্তি লুঙ্গীর মধ্যে লইয়া বাটির পথে রওয়ানা হইলো।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাহাকে, “হিন্দুরা কেন গো মাংস ভক্ষন করে না” তাহা লইয়া গবেষণা করিতে দেখা গিয়াছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709575 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709575 2007-05-08 05:08:13
হাগা পুরাণ

সামহোয়্যারইন ব্লগে অনেকদিন ধরেই লেখালেখি করছি। এর মাঝে হাগা বিষয়ক লেখা পড়তে শুরু করলাম। হিমু এবং মুখফোড়কেই এ ব্যাপারে কিছু তথ্যমুলক পোষ্ট দিতে দেখলাম। সে সব পড়ে মনে হলো আমাদের হাগা করার ইশটাইলটা অনেক বায়াসড! সে থেকেই আসলে এই বিষয়ে একটি বই লেখার চিন্তা মাথায় ঢুকলো। উদ্দেশ্য হলো, হাগার সঠিক ইশটাইল নতুন প্রজন্মকে জানানো। যাতে কমোড ব্যবসায়ীদের ধান্ধাবাজীগুলো সবাই সহজে ধরতে পারে এবং তাদের প্রতিহত করতে এগিয়ে আসতে পারে।

কাজ শুরু করলাম আজ থেকে.. কমোড, বদনা ও টিস্যু পেপার ঘাটাঘাটি করে কনটেন্ট যোগাড করতে কত সময় লাগবে জানি না। যত দিনই সময় লাগুক, কাজ চালিয়ে যাবো......... ..... বিশাল বাজেট ও পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামলাম.... দেখা যাক কতদুর কি হয়...

সবকিছূ শর্ট আউট করছি এখন... সেই সাথে কিরকম হবে বই, তা নিয়েও পরিকল্পনা করছি...... কারো কোন তথ্য বা পোষ্ট লিংক রেকমেন্ড করে যেতে পারেন.....হাগা সম্পর্কিত যেকোন লেখা, ওয়েব লিংক গ্রহণ করা হবে গবেষনার কাজে....


ব্লগে করা হাগা বিষয়ক কয়েকটি পোষ্ট দিয়ে শুরু করি-

১) হাগু দানবের কান্ড
২) হাগাবিনের আত্মকাহিনী

৩) হাগাবধ কবিতা সমগ্র

(বস চালাইলে আমারও চলবে......)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709302 http://www.somewhereinblog.net/blog/droheeblog/28709302 2007-05-06 02:27:47
ভ্রমণ: নায়াগ্রা ঘুরে এসে (পর্ব-০২)

বাসে উঠেই বাঁশ খেলাম! আমাদের গাইড ফ্র্যাঙ্ক একজন বহুভাষাবিদ! চীনা, জাপানী, কোরিয়ান ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারে কিন্তু ইংরেজিটা ঠিকমতো বলতে পারে না!

আমাদের একটা নূহের আমলে কেনা ভিডিও ক্যামেরা আছে। ট্যুরে গেলে সেটা বহন করা নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রায়শই কলহ বাধে! আমার সেটা কাঁধে নিতে ঘোর আপত্তি, কারন এটা কাঁধে নিলেই আমার কেন জানি মনে হয়-রকেট লঞ্চার নিয়ে হাঁটাহাঁটি করছি! অগত্যা গিন্নী পরাজয় স্বীকার করে নিতে বাধ্য হলেন- গিন্নী রকেট লঞ্চার বহন করবেন, আমি তার হাতব্যাগ বহন করবো! “মৃত্যু অপেক্ষা অপমান শ্রেয়”- খোদ আমেরিকার বুকে রকেট লঞ্চার নিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারানোর চাইতে, বউয়ের হাতব্যাগ বহন করে মান হারানোই শ্রেয়।

ফ্র্যাঙ্ক আমাদের জানায়, নষ্ট হয়ে যাওয়া সময়টুকু পুষিয়ে নেবার জন্য কষ্ট করতে হবে না। ট্যুরটা উল্টা দিক থেকে শুরু হবে-প্রথমে নায়াগ্রা দেখা হবে, অতঃপর ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়া হবে। নায়াগ্রা যাওয়ার পথে “কর্নিং মিউজিয়াম অফ গ্লাস” এ একটা ঢু মারা হবে। ঢু মারা ব্যাপারটিতেই আমার বেজায় আপত্তি। কোথাও ঢু মারতে হলেই সেখানে ঢুকতে হবে। আর