আমার প্রিয় পোস্ট

যা বুঝি, যা দেখি, যা শুনি এবং যা বলতে চাই

ইসলাম শুধু আপনাদের বাপ-দাদার না

১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

এ ব্লগে অনেকেই মনে করেন ইসলাম শুধু তারাই বাপ-চাচার সূত্রে পেয়েছেন। অন্যদের এতে কোনো অধিকার নেই। আবার অনেকে মনে করেন জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে যে কথা বলে সে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধেই কথা বলে। যে ইসলামী শাসনের পক্ষে শেস্নাগান দেয় না সে ইসলামের শত্রু। তাদের এরকম হাজার মতামত দেখতে পাবেন ব্লগের পাতায়। তাই নিয়ে তারা আবার মাঝে মাঝে নেত্য শুরু করে, কে ইসলামের শত্রু, কে কাফির হয়ে গেল, কে নাসত্দিক হয়ে গেল, কার ঘাড়ে লানত পড়বে ইত্যাদি।

সভ্যতা মানুষের অগ্রগতিতে ধর্মের অবদান কতটুকু, প্রয়োজন কতটুকু এ সম্বন্ধে তাদের বাচালতা, মাদ্রাসা-পড়া খোঁড়া-যুক্তি দেখলেই তাদের বুদ্ধির দৌড় খোলাসা হয়ে যায়। কিন্তু নতুন শিং-ওঠা বাছুরের মত তাদের আবার গুঁতোগুঁতির ভীষণ স্বভাব। ধৈর্য ধর বাছারা, গায়ে চর্বি জমতে দে।

তাদের চোখ-কান বন্ধই থাকে, তবু বলি, ইসলাম আমরাও বাপ-চাচার সূত্রে পেয়েছি। যারা মুসলমানের ঘরে জন্মেছি তারা নুনু-কাটা কাল থেকে ইসলামের সাথে আছি। টুপি-তসবিহ-জায়নামাজ-কোরান-হাদিস নাড়া-চাড়া করেই বড় হয়েছি। যারা মুসলমানের ঘরে জন্ম নেইনি তারাও বই-পত্রে ইসলাম পড়েছি, পাড়া-প্রতিবেশির উৎসবে-উদযাপনে ইসলাম দেখেছি।

আমি পেয়েছি জন্মসূত্রে। তবে নামাজের পর টুপিটা মাথা থেকে খুলে রাখতেই দেখেছি। গাধা মার্কা উচ্ছনে যাওয়া চাচাতো/মামাতো-ভাইদেরকে মাদ্রাসায় যেতে দেখেছি। আমাদের যেতে হয়নি। আমরা স্কুল-কলেজের হাওয়া-বাতাসে বড় হয়েছি। মিলাদ পড়ানোর পর মসজিদের মৌলবীর হাতে পঞ্চাশ টাকার নোট আমরা দিয়েছি, কোরবানির পর গরুর চামড়াটা।

বাপ-চাচার সূত্রে পাওয়া জমি-জিরেত নিয়ে আমরা আর লাঠালাঠি করি না। অনেকেই করে। তাদের দৃষ্টি-ভঙ্গি নিয়ে জীবন-যাপনও আমরা করি না। অনেকেই করে। আমাদের এই উত্তরণে বাপ-চাচারাও খুশি। তারাও এমন চাইতেন।

বাপ-চাচার ধর্মকে আমরাও রেখেছি। যতটুকু দরকার ততটুকু। এটা আমাদের সচেতন সিদ্ধান্ত। মাদ্রাসায় পড়ি নাই বলে ধর্মটা আপনাদের কাছে বন্ধক দেই নাই। কোরান_খতম, তারাবিহ, জানাজায়, বিয়ে-শাদি, আকিকায় আপনাদেরকে ডাকা হবে। ওয়াজেও চাঁদা দিব। তাই বলে, দিন-রাত চেঁচামেচি করে ফয়দা হবে না।

তসবিহটা তোলা আছে। টুপিটাও ভাঁজ করা আছে। কাউরে ধর্ম বন্ধক দেই নাই। জমিতে যাই না বলে আমার বাপ-দাদার জমি অন্যরেও দিয়া দেই নাই।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে ।

 

  • ১০১ টি মন্তব্য
  • ১২০৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ধর্ম আর ধর্ম নয়
অবাধ ব্যবসার তরবারি
বিশ্বাস বেছে নিয়েছে কিনে
বিবেক আমাদের-ই

একই মাটি একই রক্তস্রোত
তবুও সৃষ্টি ভ্রান্তিময়
স্রষ্টার বাণী ঐক্যপথ
মিথ্যে ওরা সত্য নয়

রাজ্যশালা অন্ধকূপ
অশ্লীল এই রাজনীতি
মুখোশে ঢাকা সত্যরূপ, সূক্ষ্ম অভিনয়
ক্ষমতার লোভে মূর্খ সব
বলে যায় প্রাণহীন প্রলাপ
পৃথিবীর চোখে আমরা তাই অভিশপ্তময়।
২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫৫
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: না না না
আমনের বাপ-দাদা আর আমনের ভাগও আচে
দাবী লইয়া আগাইয়া যান, দেহি কুন হালায় আটকায়
৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
comment by: হাসান বলেছেন: গ্রেট পোষ্ট ... এখনও আছি।
৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনের পুটকির বাল আপনি বটি দিয়া কাটেন গা। তাতে আমার কি?

পোলা জন্ম দিলেই বাপ হওয়া যায়না। যদি তার পরিচর্চা না করেন। তেমনি পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ধর্ম না মানলে আপনি তার দাবীদার হওয়ার অযোগ্য। ব্যাট বল কিনে ঘরে রাইখ্যা দিলেই আপনাকে ক্রিকেটার কইবো কোন হালায়? আপনি নিজেও তা (ক্রিকেটার হিসেবে) দাবী করতে পারবে না।
৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি নিজেরে নিজে নাস্তিক বললেই কি নাস্তিক হইলাম.আর আমার জাহান্নাম কনফার্ম হইল,আর যদি কেউ আমারে নাস্তিক বলে তাতেই কি আমি জাহান্নামি হইলাম???

আর নিজেরে আস্তিক বললেই কি জান্নাতের সার্টিফিকেট পাইলাম ,নাকি নিজেরে আস্তিক বললে কেউ জান্নাতের সার্টিফিকেট দিব???

আমি আপনারে এক আঙ্গুল দিয়ে দেখাই আপনি দোষী...আর আমার চার আঙ্গুল বলে আমি দোষী.

ভাল লাগল পোস্ট টা.হ ইসলাম শুধু তাগো বাপ দাদার না.

ঈমান গেল নাকি???
৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ভালো পোস্ট। আছি।

খালি দুয়েকটা পোকামাকড় রাস্তাঘাটে ব্যাট গুরাইয়া ক্রিকেটার হইতে চায়।
৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: শো.ম.চৌ,
আপনি ক্ষেপে গিয়ে যুক্তিহীন কথাবার্তা বলছেন। ইসলাম নিয়ে কথা বলতে চাইলে (বিশেষ করে যখন দাবী করবেন আপনি নিজেও ইসলাম মানেন) আরেকটু শালীন হতে হয়। এখানে বাপ-দাদা টেনে আনাটা অর্থহীন লাগছে।

একটা কথা কি জানেন? আপনি ইসলাম মানেন কি মানেন না তাতে আমার বা অন্যান্ন বিশ্বাসীদের এবং সৃষ্টিকর্তার কিছু যায় আসে না। আপনি ইসলাম মানলে সেটি আপনার নিজের জন্যই ভাল।

তবে আপনি চিৎকার চেঁচামেচি নিয়ে যা বলছেন তা কিছুটা ভিত্তিহীন। এখানে আপনারা ইসলামকে গালি দিয়ে যত চিৎকার করেন তার 10 ভাগেরও যদি আমরা জবাব দিতাম আপনাদের মত ভাষা ব্যাবহার করে তাহলে এইব্লগ ছেড়ে সবাই পালিয়ে যেত। একজন সত্যিকারের মুসলিম আপনাদের মত অশালীন ভাষা ব্যাবহার করতে পারে না। গালাগালিও করতে পারে না। আমাদের ইসলাম আমাদের সেই শিক্ষা দেয় না।

তবে ইসলাম নিয়ে আপনারা যত আজগুবি ও বানোয়াট কথাবার্তা বলেন তাতে ইসলামের কোন ক্ষতি না হলেও অনেক মুমিনের পক্ষেই স্থির থাকা সম্ভব হয় না। তারা প্রতিবাদ করে। তবে অবশ্যই সুন্দর ভাষায়।

আর এই প্রতিবাদটা হলো এক ধরনের জেহাদ। আপনার এতে বিশ্বাস না থাকতে পারে, সেটি আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার, কিন্তু যাদের বিশ্বাস আছে তারা তা করবেই। এবং আপনি তাতে বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, কিছুই আসে যায় না।

সাবি্বর, এখানে কেউ কাউকে জান্নাতের সার্টিফিকেট বা জাহান্নামের সার্টিফিকেট বিতরন করতে আসেনি। আর কেউ কাউকে নাস্তিক বা কাফেরও বলেনি এখানে। যাদের নাস্তিক ধরা হয়, তারা [link|http://www.somewhereinblog.net/trivuzblog/post/8672|wb
৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, যা বয়ে আসছে এই পৃথিবীর প্রথম মানব আদম আলাহিসসালাম হতে।

ইসলাম সম্পর্কে আমি আমার দৃষ্টি ভঙ্গি তুলে ধরছি। আমি নিজে কোন মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম না। এই বিষয়ে আমি পরে বলছি।

"ইসলাম হচ্ছে এই ধরণীর একমাত্র অধিকর্তার একমাত্র পরিপূর্ন জীবন ব্যাবস্থা"। আর সত্যিকার অর্থে মুসলিম ঐ ব্যাক্তি, যিনি এই ব্যাবস্থাকে মনে প্রানে বিশ্বাস করে সেই মোতাবেক (আল-কোরআন ও রাসুলের জীবনী যা হাদিস নামে সংকলিত) চলেন।

অতএব, এর সাথে বাপ দাদার সম্পর্ক কি ?... শেষ নবী ও রাসূল মুহাম্মদ সালি্ললাহু আলাইহি ওসাল্লাম এর সময়কালে যারা অন্যান্য ধর্ম বিশ্বাস থেকে ইসলামের ছায়াতলে তথা মুসলিম হয়েছেন, তারা কি বাপ-দাদার সূত্রে তা পেয়েছিলেন ?

কিংবা এর পরবতর্ীতে যারা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন...মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেও তাদের সম্পর্কে কি বলবেন ?

আশাকরি , একটু ভেবে দেখবেন ।
ধন্যবাদ।
আল্লাহ সুবাহানু ওতাআলা আমাদেরকে সঠিক পথে অবিচল থাকার তওফিক দান করুন, এবং অবুঝদেরকে তার রহমত দ্বারা হেদায়াত দান করুন ।

আমিন।
৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, যা বয়ে আসছে এই পৃথিবীর প্রথম মানব আদম আলাহিসসালাম হতে।

ইসলাম সম্পর্কে আমি আমার দৃষ্টি ভঙ্গি তুলে ধরছি। আমি নিজে কোন মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম না। এই বিষয়ে আমি পরে বলছি।

"ইসলাম হচ্ছে এই ধরণীর একমাত্র অধিকর্তার একমাত্র পরিপূর্ন জীবন ব্যাবস্থা।" আর সত্যিকার অর্থে মুসলিম ঐ ব্যাক্তি, যিনি এই ব্যাবস্থাকে মনে প্রানে বিশ্বাস করে সেই মোতাবেক (আল-কোরআন ও রাসুলের জীবনী যা হাদিস নামে সংকলিত) চলেন।

অতএব, এর সাথে বাপ দাদার সম্পর্ক কি ?... শেষ নবী ও রাসূল মুহাম্মদ সালি্ললাহু আলাইহি ওসাল্লাম এর সময়কালে যারা অন্যান্য ধর্ম বিশ্বাস থেকে ইসলামের ছায়াতলে তথা মুসলিম হয়েছেন, তারা কি বাপ-দাদার সূত্রে তা পেয়েছিলেন ?

কিংবা এর পরবতর্ীতে যারা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন...মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেও তাদের সম্পর্কে কি বলবেন ?

আশাকরি , একটু ভেবে দেখবেন । ধন্যবাদ।

আল্লাহ সুবাহানু ওতাআলা আমাদেরকে সঠিক পথে অবিচল থাকার তওফিক দান করুন, এবং অবুঝদেরকে তার রহমত দ্বারা হেদায়াত দান করুন ।

আমিন।
১০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: ছাগুরাম পর্যন্ত মাঠে নাইমা পড়ছে! খাইছে! তাইলে তো সমস্যা। ওরে কে আছিস আমাকে ধর!

ছাগু, তোমার এছটাইলটা আমার বড়ই পসন্দ হইছে। যুক্তির জবাবে নছিহত। লুডুস রাইন্ধা খাও আর বড়ি ছাড়ো।

তোমার ইয়ারদোস্তরা যে কী সুন্দর ভাষায় প্রতিবাদ করে তা উপরেই দেখা যায়। আর সবাই যদি নিজেরে মুমিন বইলা দাবী করা শুরু করে তাইলে তো আল্লাহর বিচারআচারের কোন দরকারই পড়ে না। কে মুমিন কে মুমিন না কে সেইটা আল্লাহ বিচার করবেন। তুমি বলার কে?

তোমার মতো ছাগল যদি জেহাদে নামে, তাহলে সেই জেহাদরে সবার উচিত ডরায় চলা। তোমার সাথে যারা জেহাদ করে, তাদের উপর যেন আল্লাহর রহমত নাজিল হয়।
১১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ .....ভাল করে পড়েন.তারপরে উত্তর দিয়েন.আর না বুঝলে চুপ থাকা ভাল.
১২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সাবি্বর,
বলেছি শো.ম.চৌ কে.. উনি বুঝতে পেরেছেন কি বলেছি এবং কেন বলেছি।
(কারন এই পোষ্টটি আরেকটি পোষ্টের কিছু মন্তেব্যের জবাব হিসেবে দেয়া হয়েছে।)
১৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা

আসলেই আপনি ভাল বুঝেন.আমি ঘাস খাই.......
১৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাবি্বর, আর আপনার উদ্দেশ্যে করা মন্তব্যটায় আসলে আরো কিছু লাই যুক্ত করা উচিতৎ ছিল.. শুধু ভূমিকাটুকু চলেগিয়েছিল...
বাকীটুকু বলছি-
কেউ নিজেকে আস্তিক দাবী করলেই জান্নাতে যাবে না জাহান্নামে যাবে সেটা তার কাজকর্মের উপর নীর্ভর করে। তদ্রুপ জাহান্নামে যাওয়ার ব্যাপারটাও....
তবে কেউ যদি নিজেকে নাস্তিক দাবী করে এবং পুনরায় আস্তিক বলে ঘোষনা না দিয়ে মৃতু্যবরন করে তাহলে আমাদের ধর্ম বলে তার জান্নাতে যাবার কোন রাস্তা নেই। সুতরাং এটা নিয়ে ফিলোসফি করে লাভ নেই। ব্যাপারটা দিনের আলোর মতই পরিষ্কার।

তবে যারা ইসলামেই বিশ্বাস করে না, তারা এব্যাপারে নিজের মত করে নিয়মকানুন বানিয়ে নিয়ে আত্নতৃপ্তি পেতে চাইলে কিছু করার থাকে না।
১৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: দুটো মন্তব্য পর পর করেছি...
দ্্বিতীয়টি পড়ে তারপর যা খুশি খেতে পারেন.. আপত্তি নেই
১৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: ঐ বেটা ত্রিভুজ,
এই কল্কি মাকর্া লেখায় মন্তব্য দিয়া গুরূত্ব বাড়াইতেছস ক্যা?

শোঃমঃচৌঃ রাম ছাগলের ব্যা ব্যাইস্কেপ করলেই অয়।
১৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: দারুণ ।

তিরিভুজ কি নও-মুসলিম নাকি ?
বাপ-দাদা মুসলিম বলেই তো আপনি ইসলামের কথা বলতে বলতে ফেনা তুলে ফেললেন । না কি আপনারা মওদুদ সাহেবের আবিষ্কৃত নতুন কোন ইসলাম পালন করেন ?
তাহলে অন্য নাম দিয়ে ফেলেন আপনাদের ধর্মের, আমরা অল্প বিদ্যা আলা মানুষ বিভ্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচি ।


সে যাইহোক, শোমচৌ র এই পোস্টে অশালীন কিছুই তো খুঁজে পেলাম না আপনার কথামতো ।
১৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ঠিক বলেছেন শোচৌদা, যতোটুকু দরকার ততোটুকু। যেমন আমরা বিয়ার আর পাগলা পানি ঠিকই খাব কিন্তু নবীজির সুন্নত মানিয়া , মানে 3 ঢোকে পান করিবো! তাই না শোচৌদা!
১৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সাবি্বর, তুমি আমি ঘাস খাইরে ভাই। তাই কাডল পাতা খাওয়া 'প্রজ্ঞা' নাই। ছাগুরামের লগে কথা না বাড়ানোই ভালো

বিগ সি, চমৎকার লিখেছেন। ছাগুরামগো ইসলাম হইলো অগো ফাকেস্তানী বাপ-দাদাগো পিউর এচলাম। এইডা আপনের বাপ-দাদার আধা-মালাউন বাঙালি ইসলাম না, ফ' শ্যুও'। অরা এমনে চিল্লাইয়া গলা ফাডাইয়াই ফেলবো। অগো মওদুদী- আল্লার সংবিধানে মালাউন-বাঙালিগো লানতের লিস্টি চলতেই থাকবো।
২০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: শোমচৌ এখানে গালাগালি করলেন কোথায়? ফালতু কথার সীমা থাকা দরকার।
লেখাটি ভাল হয়েছে। একেবারে খাঁটি কথা।
২১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: আরেকটা কথা বরতেই ভুলে গেলা দাদা আপনেতো সব বইলা দিলেন। কোরান কতম, জানাজায় হাসির হওয়া, তসবিহ জপা, তারাবিহ, বিয়ে সাদি, আর ওয়াজে টাকা দেয়াটাই ইসলাম। আসলে কি হয়ছে বলি। বেচারাদেরতো আপনার মতো উদারমনা জীবের সাথে চলার সৌভাগ্য হয় নাই আর আপনার মেেতা পড়াশোনার করার বয়স হয়নাই তাই এই অবস্থা! সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ সময়ের ব্যাপার মাত্র। আপনি প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যেতে থাকুন অবশ্যই বাংলাদেশকে একটি তালেবান রাষ্ট্র প্রমান করতে পারবেন, ইনশাল্লাহ। আল্লাহ আপনার সাথে আছেন। (ইয়ে আবার তাদের সাথেও আছেন আল্লাহ। আল্লাহ তো আপনার একার নয়)!
২২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: শালীনতা বিষয়ে জ্ঞান নিতে হইবো, যথাযথ কতর্ৃপক্ষের কাছ থেইকা এই বিষয়ে তথ্য মাগিতেছি।
২৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: অনুভুতি শূন্য ভাই.. অনুভুতি না থাকলে পাইবেন কেমনে?

কোন ব্যাপারে বাপ-দাদা তোলার ব্যাপারটাই অশালীন। শো.ম.চৌ এর সাথে তর্ক হয়েছে [link|http://www.somewhereinblog.net/shaon/post/23646|Avgvi I kvI
২৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: কার টপিক কোথায় শেষ?
এইরম মাস্টারী করনের বহুত জায়গা আছে এইখানে করেন ক্যান?
২৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২৪
comment by: কুয়াশা বলেছেন: ইসলাম মানে যদি শুধু নামাজ পড়া রোজা রাখা হত তাহলে রাসুলকে এত কষ্ট করতে হতো না। মার খাওয়া লাগত না। রাসূল যখনই বললেন লা ইলাহা ইল্লাল। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তখনই আরবের নেতারা বুঝে গেল তারা যদি এই কথা মেনে নেয় তাহলে তাদের নেতাগীরি আর থাকবে না। আমরা বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে বা ইসলামী জলসায় দেখি মানুষ জিকির করে কালেমার প্রথম অংশটুকু পড়ে। আমরা মনে করি তারা কি আল্লাহ ওয়ালা মানুষ। তারা আল্লাহ খুব নেককার বান্দা। অনেক সময় এইসব মাহফিল গুলিতে এত বেশি লোক হয় যে শেষ পর্যন্ত মাইকের ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু যদি কালেমার এই অংশটিই বাংলায় বলা হয় তাহলে পুলিশ নিশ্চিত আপনাকে ধরে জেলে ভরব। কারণ "ইলাহ" শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে রিজিক দাতা, বিধান দাতা, আই্ন দাতা সহ সবকিছু। আপনারা হয়ত বলবেন ইসলামের আবার নতুন ব্যাখা শুরু হয়েছে। তারপরও তর্কের খাতিরে যদি আপনাদের কথা ধরে নেই যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। অর্থাৎ আমরা যে টা বুঝি তার কোন শরিক নেই তাহলেও কথা থেকে যায়। আমরা প্রতিদিন নামাজে সুরা ফাতেহা পড়ি। এর মধ্যে এক জাগায় আছে "ইয়া কনা বুদু ওয়া ইয়া কানাস তাইন" অর্থাৎ আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই। আবার নামাজের শুরুতেই বলি "ইনি্ন ওজ্জাহাতু ওজহিয়া লিল্লাজি ফাতারস সামাওয়াতি ওল আরদা হানিফও ওমা আনা মিনাল মুসরেকিন"। অর্থাৎ আমি সকল মত ও পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে শুধু মাত্র একমুখি হয়ে তোমার দিকে ফিরলাম। আমরা প্রতিদিন নামাজে আল্লাহর কাছে এই ওয়াদা করছি। কিন্তু নামজ শেষে হলে রাস্তায় বেরিয়ে আমাদের নেতা হিসাবে বলছি "শেখ মুজিব" / "খালেদা" / "জিয়া" / "হাসিনা"/ "কালমার্কস" / "লেলিন"/ "এরশাদ" সহ আরও অনেক নেতার নাম। তাহলে আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদার কি মূল্য থাকল।

আর কোরআনের প্রথমেই বলা হয়েছে " কোরআন হেদায়েত দান করেছে সে সমস্ত লোকদের যারা মুত্তাকীন, যারা গায়েবে বিশ্বাস করে, নামাজ কায়েম করে,আমি তাদের যে রিযিক দান করছি তা থেকে ব্যয় করে। যারা ঈমান আনে আপনার উপর অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের কিতাব সমূহের প্রতি আর যারা বিশ্বাস রাখে পরকালের প্রতি। সূরা বাকারা(2-4)

এখানে অনেক গুলি কথার মধ্যে একটি কথা বলা হয়েছে নামাজ কায়েক করার কথা। আপনি যদি নামজ ঘরে বসে বা মসজিদে গিয়ে পড়ে তাহলে শুধু নামাজ আদায় হবে। নামাজ কায়েম হবেনা। নামাজ তখনই কায়েম যখন মুসলমানরা নামাজ না পড়লে শাস্তির বিধান রচিত হবে। আর নামাজ তো এমনি এমনি কায়েম হবেনা তার জন্য চাই রাষ্ট্র শক্তি। আবার নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য চাই ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা। আপনি নামাজ পড়লেন, সৎ পথে অর্থ উপার্জনও করলেন, কিন্তু ব্যাংকে যে টাকা রাখলেন ঐ টাকার সুদ ও খেলেন তাহলে আপনার নামাজ কবুল হবে না। আবার কোরআনের অন্য জাগায় বলা হয়েছে "আকিমুস সলাত ওয়াতুজ যাকাত" অর্থাৎ তোমরা নামাজ কায়েম কর ও যাকাত আদায় করর।

যাকত দিলে শুধু ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত আদায় হয়ে গেল কিন্তু ইসলামের বিধান পরিপূর্ন হলোনা। কারণ যাকাত আদায়ের দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের।

রাসুল (সা:) ইনতেকালের পর হযরত আবুবকর যখন খলিফা হলেন তখন কিছু কিছু লোক যাকাত দিতে অস্বিকার করলো। তারা বললা আমরা ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত আদায় করে দিব। হযরত আবুবকর এই কথা শুনে বলল যারা যাকাত দিবেনা আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করব। তখন হযরত উমর (রা:) বললেন আপনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন। যারা নামাজ পড়ে ও রাসূলকে শেষ নবী হিসাবে মানে। তখন হযরত আবুকর উমর উদ্দেশ্যে একটি মন্তব্য করলেন। মন্তব্য টি হচ্ছে উমর তুমি ইসলাম গ্রহনের আগে বাঘ ছিলে এখনকি ভেড়া হেয়ে গেছ"। এরপর আবুবকর (রা:) বললেন যারা নামাজ ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে আমি তাদের বিরুদ্দে যুদ্ধ ঘোষনা করব এবং তোমরা কেউ যদি আমাকে সঙ্গ না দাও তবে আমি একাই যুদ্ধ করব। এরপর হযরত উমর তার ভূল বুঝতে পারলেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত আদায় করলে যাকাত আদায় হচ্ছে না।

এ কথা গুল বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে শুধু নামাজ পড়া ও রোজা রাখা, হজ্জ করাই ইসলাম না। আরও অনেক কিছুর সমষ্টি হচ্ছে ইসলাম। তাই ইসলামকে জানতে হলে বেশী বেশী করে অধ্যায়ন করেন। অর্থ ও ব্যাখ্যা বুঝে কোরআন ও হাদিস পড়েন।
২৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৩২
comment by: কুয়াশা বলেছেন: ইসলাম মানে যদি শুধু নামাজ পড়া রোজা রাখা হত তাহলে রাসুলকে এত কষ্ট করতে হতো না। মার খাওয়া লাগত না। রাসূল যখনই বললেন লা ইলাহা ইল্লাল। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তখনই আরবের নেতারা বুঝেগেল তারা যদি এই কথা মেনে নেয় তাহলে তাদের নেতাগীরি আর থাকবে না। আমরা বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে বা ইসলামী জলসায় দেখি মানুষ জিকির করে কালেমার প্রথম অংশটুকু পড়ে। আমরা মনে করি তারা কি আল্লাহ ওয়ালা মানুষ। তারা আল্লাহ খুব নেককার বান্দা। অনেক সময় এইসব মাহফিল গুলিতে এত বেশি লোক হয় যে শেষ পর্যন্ত মাইকের ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু যদি এটিই বাংলায় বলা হয় তাহলে পুলিশ নিশ্চিত আপনাকে ধরে জেলে ভরব। কারণ ইলাহ শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে রিজিক দাতা, বিধান দাতা, আই্ন দাতা সহ সবকিছু। আপনারা হয়ত বলবেন ইসলামের আবার নতুন ব্যাখা শুরু হয়েছে। তারপরও তর্কের খাতিরে যদি আপনাদের কথাই ঠিক ধরে নেই যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। অর্থাৎ আমরা যে টা বুঝি বা যেটা জেনা আসছি তার (আল্লাহর) কোন শরিক নেই তাহলেও কথা থেকে যায়। আমরা প্রতিদিন নামাজে সুরা ফাতেহা পড়ি। এর মধ্যে এক জাগায় আছে "ইয়া কনা বুদু ওয়া ইয়া কানাস তাইন" অর্থাৎ আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই। আবার নামাজের শুরুতেই বলি "ইনি্ন ওজ্জাহাতু ওজহিয়া লিল্লাজি ফাতারস সামাওয়াতি ওল আরদা হানিফও ওমা আনা মিনাল মুসরেকিন"। অর্থাৎ আমি সকল মত ও পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে শুধূ মাত্র একমুখি হয়ে তোমার দিকে ফিরলাম। আমরা প্রতিদিন নামাজে আল্লাহর কাছে এই ওয়াদা করছি। কিন্তু নামজ শেষে হলে রাস্তায় বেরিয়ে আমাদের নেতা হিসাবে বলছি "শেখ মুজিব" / "খালেদা" / "জিয়া" / "হাসিনা"/ "কালমার্কস" / "লেলিন"/ "এরশাদ" সহ আরও অনেক নেতার নাম। তাহলে আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদার কি মূল্য থাকল।

আর কোরআনের প্রথমেই বলা হয়েছে " কোরআন হেদায়েত দান করেছে সে সমস্ত লোকদের যারা মুত্তাকীন, যারা গায়েবে বিশ্বাস করে, নামাজ কায়েম করে, আমি তাদের যে রিযিক দান করছি তা থেকে ব্যয় করে। যারা ঈমান আনে আপনার উপর অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের কিতাব সমূহের প্রতি আর যারা বিশ্বাস রাখে পরকালের প্রতি। সূরা বাকারা(2-4)

এখানে একটি কথা বলা হয়েছে নামাজ কায়েক করার কথা। আপনি যদি নামজ ঘরে বসে বা মসজিদে গিয়ে পড়ে তাহলে শুধু নামাজ আদায় হবে। নামাজ কায়েম হবেনা। নামাজ তখনই কায়েম যখন মুসলমানরা নামাজ না পড়লে শাস্তির বিধান রচিত হবে। আর নামাজ তো এমনি এমনি কায়েম হবেনা তার জন্য চাই রাষ্ট্র শক্তি। আবার নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য চাই ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা। আপনি নামাজ পড়লেন, সৎ পথে অর্থ উপার্জনও করলেন, কিন্তু ব্যাংকে যে টাকা রাখলেন ঐ টাকার সুদ ও খেলেন তাহলে আপনার নামাজ কবুল হবে না। আবার কোরআনের অন্য জাগায় বলা হয়েছে "আকিমুস সলাত ওয়াতুজ যাকাত" অর্থাৎ তোমরা নামাজ কায়েম কর ও যাকাত আদায় করর। যাকত দিলে শুধু ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত আদায় হয়ে গেল কিন্তু ইসলামের বিধান পরিপূর্ন হলোনা। কারণ যাকাত আদায়ের দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের।

রাসুল (সা:) ইনতেকালের পর হযরত আবুবকর যখন খলিফা হলেন তখন কিছু কিছু লোক যাকাত দিতে অস্বিকার করলো। তারা বললা আমরা ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত আদায় করে দিব। হযরত আবুবকর এই কথা শুনে বলল যারা যাকাত দিবেনা আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করব। তখন হযরত উমর (রা:) আপনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন। যারা নামাজ পড়ে ও রাসূলকে শেষ নবী হিসাবে মানে। তখন হযরত আবুকর উমর উদ্দেশ্যে একটি মন্তব্য করলেন। মন্তব্য টি হচ্ছে উমর তুমি ইসলাম গ্রহনের আগে বাঘ ছিলে এখনকি ভেড়া হেয়ে গেছ"। এরপর আবুবকর (রা:) বললেন যারা নামাজ ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে আমি তাদের বিরুদ্দে যুদ্ধ ঘোষনা করব এবং তোমরা কেউ যদি আমাকে সঙ্গ না দাও তবে আমি একাই যুদ্ধ করব। তাহলে দেখা যাচ্ছে ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত আদায় করলে যাকাত আদায় হচ্ছে না।

এ কথা গুল বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে শুধু নামাজ পড়া ও রোজা রাখা, হজ্জ করাই ইসলাম না। ইসলাম হচ্ছে আরও অনেক কিছুর সমষ্টি। আমরা মনে করি শুধু নামজ পড়লে, রোজা রাখলে, হজ্জ করলে ইসলাম পালন হয়ে যাবে। না হবে না।

ইসলাম কে জানতে হলে বেশী বেশী করে অধ্যায়ন করেন। অর্থ ও ব্যাখ্যা বুঝে কোরআন ও হাদিস পড়েন।
২৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা
২৮. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: কুয়াশা, হেভি জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিলেন। এরপরে আর কোনো হালার পুত ঈমান না আইনা থাকবার পারবো না

আপনার বক্তৃতা পইড়া মনে হইতেছে, আপনার বর্ণিত ইসলামে আমার ঈমান নাই । অনেক পেসকি সিচুয়েশনে পইড়া গেলাম ভাই। একটু বুঝাইয়া বলেন তো, নামাজ কায়েমের জন্য রাষ্ট্রশক্তি শাস্তির বিধান করবে, এটা কোথায় পেলেন? তবে মওদুদীর কোনো কোরানের রেফারেন্স দিয়েন না। আব্দুল্লাহর পোলা মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মাধ্যমে যে কোরান আল্লাহ পাঠিয়েছেন মানুষের জন্য, ওখান থেকে কিছু বলুন। মুহাম্মাদের আল্লাহ কারে কারে তাঁর দায়িত্ব ডেলিগেট করেছেন, একটু দেখি।

-------------
জনস্বার্থে@কুয়াশা:
এই বিষয়ে কুরআনের আয়াত না দেখাইতে পারলে নিজের কথাগুলো নিজের পুটকির মধ্য দিয়া ঢুকায়া রাখেন। এইখানে প্রচার করতে আইসেন না।
২৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:২০
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাই কুয়াশা,

অনেক কিছু বলার ছিল,কিন্তু দুইটা কথা না বলে পারছি না.....

1। দলীয় যে নেতাদের নাম বলছেন, ওখানে গোলাম আজমের নাম নাই।তার মানে কি তার নামে শ্লোগান দিলে সমস্যা নাই? কিন্তু ভাই ওনি তো আবার খালেদা হাসিনার নাম না নিয়া থাকতে পারেন না। পাছ বছর হাসিনার চামচা গিরি করছেন, এখোন করছেন খালেদার।

2। আপনার "কায়েম" শব্দটার অর্থ পড়ে যার পরনাই আনন্দিত আমি। আমি জানি না আপনি কোথায় এমন অর্থ পড়েছেন। আমি যে ধর্মিয় আলেমের কাছে ইসলাম শিখেছি, সে কোরআন হাদিসের প্রেক্ষিতে যে ব্যখ্যা দিয়েছেন, তার সাথে আপনার মূলেই তফাৎ।কায়েম হলো, মন -প্রান এক করে,আপনার পনচ ইন্দ্্রিয় কে বশ করে শুধু খোদার চিন্তা নিয়ে নামাজ পড়া। নামাজ কে নামাজ পড়া বলে না, বলে নামাজ কায়েম করা।শুধু উঠলেন আর বসলেন, এতে নামাজ কায়েম হয় না।আপনি কি মুখে বলছেন, কি চিন্তা করছেন, কার উদ্দেশ্যে করছেন তা আপনাকে জানতে হবে।আর এর সব ই হতে হবে খোদার নামে। তা যদি না হয়, তা হলে এই নামাজ কে কায়েম করা বলে না।
৩০. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৪৭
comment by: কুয়াশা বলেছেন: "আকিমুস সলাত" শব্দের অর্থ যদি মনে প্রাণে নামাজ পড়া হয় তাহলে আকিমুদ দ্্বীন শব্দের অর্থ কি হবে দয়া করে আমাকে একটু জানাবে।
৩১. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৪৯
comment by: কুয়াশা বলেছেন: আগে জানতে চাই চোর কোন ধর্মাঅবলম্বী।

যে রাসূলের ব্যাপারে আদব সহকারে কথা বলতে পারেনা সে আর যাই হোক নিজেকে কি ভাবে মুসলমান বলে?
৩২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৩
comment by: কুয়াশা বলেছেন: আমারই ভূল হয়েছে এখানে রাজাকার গোলাম আযম, নিজামীর, চোমোনই পীর ফজলুল করীম, শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকেরও নাম আশার দরকার ছিল।
কথীত ইসলামী দলের নেতাদের নাম নিয়ে তাদের কর্মীরদের স্লোগান দিতে দেখি নাই তাই তাদের নামটা লিখি নাই । ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
৩৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: প্যাচান ক্যা মিয়া বাই? সোজাসুজি কোরান থেকে রেফারেন্স দেন। আমি রাসূলের আদব রক্ষা করি, না করি ওইটা আল্লাহ দেখবেন, ওই দায়িত্ব আপনারে দেওয়া হয় নাই।

আবারো বলি, যাজিগ্যেস করেছি, জাস্ট সোজাসাপটা কোরান থেকে বাণী তুলে দেন, আমি কোন ধর্মাবলম্বী সে ভার আল্লাহর ওপর ছাড়েন।

আর তা না পারলে জনস্বার্থে আমার আগের কথাটা আবারো...
৩৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: চোর এতোদিনে হাছা কথা কইছে, শোচৌদাকেও বলি জনস্বার্থে চোরের উপদেশ পালণ করূণ, মানে কথাগুলো নিজের পুটকির মধ্যে দিয়ে ঢুকান।

আমি কই নাই চোর কইছে, দষ্ট্রব্য মন্তব্য। ;)
৩৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: মুক্তি, কথাগুলো কুয়াশাকে বলা। আপনি দয়া করে নিজের পুটকি সামলান। মাছি উড়তাছে
৩৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: চোর আপনার শোচৌদা কি কোরনের আয়াত দেখাইয়াতে পারবো নাকি? তাই হের লাইগাও ঐ কথাটা প্রযোজ্য কিনা দেইখেন।

নিজেরটাতো সামলামুই। আপনের মতো কিছু সমকামী পোলাপান আছেনা যারা এতো সুন্দরী মাইয়া থাকতেও, আমার পিছে দৌড়ায়না টাইপের, আর কি!
৩৭. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ;)
চোরা হাসিটা দিতে ভুইলা গেছিলাম।
৩৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: চমৎকার ।
ইতিহাস থেকে যতোসব উদ্ভট ঘটনা তুলে এনে আর বিকৃত সব ফতোয়া দিয়ে মানুষকে মানুষের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়া ।
ঘরে বসে নামাজ পড়লে সেটা নামায কায়েম হয়না, আর কেউ ব্যক্তিগত ভাবে যাকাত দিতে চাইলে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে, মুসলমান হতে চাইলে ধমর্ীয় রাষ্ট্রের জন্য জেহাদ করতে হবে ?
রোজ কেয়ামতে কি আমার হিসাব কি আল্লাহ আমার কাছ থেকে নেবেন, না নায়েবে আমীর দেবেন?

একটা ধর্মের নামে কেনো পৃথিবী জুড়ে আতংক ছড়ায়---- এই বিকৃত মানসিকতার মানুষগুলোর ভাবনাই তার প্রমান ।

********************************

শোহেইল ভাই,
এরকম একটা পোষ্টের অপেক্ষা করছিলাম ।



৩৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:২০
comment by: অতিথি বলেছেন: এই পোস্টটা কিভাবে আমার চোখ এড়ালো। awesome শোমচৌ।
৪০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:৩০
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: কঠিন পোস্ট। ধর্মের বর্মে সুরক্ষিত হয়ে মর্মকথা না জানলে সমস্যা। কুয়োর ব্যাঙ হয়েই জীবন শেষ। ধন্যবাদ শো.মো.চৌ।
৪১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ভীষণ ভালো লাগা পোস্ট। ধন্যবাদ!
৪২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: শুনেন ভায়েরা নিজের মতের সাখে বা নিজের পক্ষে যে কথা হয় সেটাই ঠিক আর বাকি সব মিথ্যা এসব ধান্দা বাজি বাদ দেন। অমি বলেছি বেশি করে অধ্যায়ন করেন। আগে জানেন তার পর তর্কর্ করতে আসবেন।
৪৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: এই প্র্যাক্টিস তো আপেনেরা ভালোই করতেছেন জনাব @ ভোরের সূর্যদয়
৪৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ শোমচৌ। কিন্তু কথাটা হইলো, যখন কোনো মানুষ বিশেষ সুবিধাগ্রহীতা শ্রেণীর আওতাভুক্ত হইয়া পড়ে তখন আসলেই কি তাগো নজর সুবিধাভোগের কৌশল নির্ধারণ ছাড়া অন্য কোনোখানে যাইবার পারে? ধর্ম আপনি মানেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করবার চান না। ধর্ম টারে হাতিয়ার কইরা অন্য কোনো সুবিধা আদায় করবার চান না। আপনি জানেন দ্্বীন কায়েম করবার বিষয়ে কোথায় কোন কথা রইছে। মাগার যে নারী নেতৃত্বরে হারাম কইছিলেন, তাগোর নিচে মাথা রাইখাই 5 বছরে রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার হইয়াও যা বকেন, তা কতোখানি করছেন সেই মূল্যায়ণে গেলে ব্যক্তিগত আক্রমণে মাথা কুটেন। বিচার মানি, তালগাছ আমার এই মধ্যযুগীয় সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতায় জানমাল সঁপে দিয়ে কোথায় সুবিধা পাওন যাইবো সেই সন্ধানে সংগঠনের খরচে (যদিও সেই টাকার উৎস জানা সম্ভব হয় না কখনো) নেটে বইসা নিজের মন্তব্যটাও ঝাড়েন, তাইলে কি আর এমন পোস্টের মন্তব্যে সেই বিশেষ শ্রেণীভুক্ত পাবলিকেরা যা লিখলেন তার বাইরে তাগোর কাছ থেকে কিছু আশা করন যায়?
৪৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: সকালে লগইন করে দেখি 44 টা মন্তব্য। কোন জায়গা থেকে শুরু করবো, কার মন্তব্য-প্রশ্নের জবাব দেব কার প্রশংসা করে ধন্যবাদ দেব বুঝতে পারছি না। কঠিন হয়ে গেছে বিষয়টা।

মৃন্ময়কে চমৎকার কবিতাটার জন্য ধন্যবাদ।

ত্রিভুজকে সাবি্বরের কথাটাই মনে করিয়ে দেই। আগে লেখাটা পড়ুন। ভালো করে পড়ুন। শব্দগুলোর ওজন বুঝুন, ব্যবহার বুঝুন। তারপর বলুন এটা শালীন না অশালীন লেখা।
৪৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: শো.ম.চৌ,
বাপ-দাদা টেনে কেউ কিছু বললেই ভাই সেটাকে আমার চরম অশালীন ব্যাবহার মনে হয়।
রিয়েল লাইফে আমাকে বাপ-দাদা তুলে কিছু বললে আমার মেজাজ চরম খারাপ হয়।
৪৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০৯
comment by: শাওন বলেছেন: আচ্ছা , আপনি কি মনে করেন যে , বাপ দাদার সূত্রে পেলে সে মুসলমান ? বড় দাড়ি আর টুপি পরলে সে মুসলমান ? মিলাদ পরলে সে মুসলমান ??
৪৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, শালীন ও অশালীনতা বুঝার ক্ষেত্রেই যখন আপনার এত সমস্যা তাহলে আরেকটু দুরুহ বিষয় যে কিভাবে বুঝবেন সেটাই প্রশ্ন। এজন্য, আগের মন্তব্যে সাবি্বরের কথার প্রতিধ্বনি করেছিলাম। আবার পড়ুন। না পড়ে মন্তব্য করলে তো এরকম মেজাজ খারাপ করা কথাবার্তা ছাড়া কিছুই বের হবে না।
বাপ-দাদা শব্দটাকে আপনার কাছে এত অশালীন কেন? কোনো পারিবারিক সমস্যা আছে নাকি?
৪৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: শাওন তো দেখি হঠাৎ করে লালন ফকির হয়ে গেছেন। সাদিকের মরমী পোস্ট তাহলে কাজ করছে।

বাপ-দাদার সূত্রেই তো জানতাম। তা আপনি কোন সূত্রে মুসলমান, শাওন।
৫০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: পারিবারিক সমস্যা থাকবে কেন! আমার তো মনে হয় যারা যুক্তি তর্ক রেখে বাপ-দাদা নিয়ে টানাটানি করে তাদেরই পারিবারিক সমস্যা থাকে। নতুবা ব্যাক্তিকে রেখে বাপ দাদা কেন??
৫১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: শো.ম.চৌ
আপনার জানামতে মুসলমান যদি শুধু বাপদাদা'র সুত্রেই হয়ে থাকে তাহলে আপনার জানার দৌড়টা আরেকটু বাড়ান।
৫২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৯
comment by: শাওন বলেছেন: লোল , পোস্টের উত্তর পোস্ট দিয়েই হবে আর মন্তব্য না । ( আপনার কথাটা বললাম আর কি )
৫৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: তেরীভূজ ভাই কি এই পোস্টে কেবল একটা শব্দই খুজিয়া পাইলেন? আপনি ঠিকি বলেছেন তেরিভূজ ভাই, শোমচৌদার জানার দৌড় বড়ই কম, আপনের মতো না হইলে কী চলে?
৫৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০৮
comment by: হ।স।ন বলেছেন: আহা বিগসিরে আপনারা জা্বলায়েননা। আইডেন্টিটি ক্রাইসিস চলতেছে উনার।
৫৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: কি বলছেন হ।স।ন!
৫৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: যা বলেছেন ধুসর।
এই যে দেখেন ত্রিভুজ, আপনার গৃহপালিত দাড়াল হাসান যে প্রশ্নটা করলেন সেটাই কি আপনার প্রশ্ন, আইডেন্টিটি ক্রাইসিস? কেন আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছেন ত্রিভুজ।
ইসলাম শুধু আপনাদের বাপ-দাদার না আমাদের বাপ-দাদারও। আবার বল্লাম।
৫৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ শিবলী নোমান।
ত্রিভুজ কেন বলছে সে গন্ডার না তার ব্যাখ্যা তাকেই দিতে হবে। গন্ডার না হলে সে কী?
ভোরের সূর্যদয়, অধ্যয়ন করতে বললে তো হবে না কী অধ্যয়ন করলে আপনার বুদ্ধি-শুদ্ধির মাত্রা বুঝা যাবে তা বলেন।
আগেই তো বলেছি ফাজিল তুতো ভাইদের আমরাই মাদ্রাসায় পাঠিয়েছি। তারপর ফটোশপ শিখিয়ে এখন সৌদিআরবে। লিংক আছে তো একটা...।
৫৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:২১
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হা হা হা!!! গোপন খবর ফাঁস কইরেন না বস। কারো কারো শালীনতাবোধ বড় বেশি ঘাঁটা। তাই সীমারেখাটা স্কেল দিয়া মাইপা দেখবার চায়।
৫৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: বিগ সি, আপনারই ভুল। কারো কারো বাপ-দাদা নিজেই যে একটা জ্বলনশীল (ব ফলা হবে?) গালি এটা ভুলে গেছেন।
৬০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাই , অবশ্য আপনার ইচ্ছে শৌ. ম. চৌ
৬১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৪৩