সারা বিশ্ব জানে, আমরা রাজনৈতিক জাতি। আমরা নির্বাচনের জাতি। শেষ পর্যন্ত তা প্রমাণিতও হল।
জাতিসংঘের নারী বৈষম্য বিলোপ-সংক্রান্ত কমিটির নির্বাচনে সর্বোচ্চসংখ্যক ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। কমিটি অন দ্য অ্যালিমিনেশন অব ডিসক্রিমিনেশন এগেইনেস্ট ওম্যান হচ্ছে দ্য কনভেনশন অন দ্য অ্যালিমিনেশন অব ডিসক্রিমিনেশন এগেইনেস্ট ওম্যানের (সিইডিএডব্লিউ-সিডও) কার্যনির্বাহী পরিষদ। ১৮৫টি দেশ সিডওর সদস্য।
এ বছর সিডও কমিটির ১২টি সদস্যপদের জন্য ২১টি দেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বেলজিয়ামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ইসমাত জাহান। সর্বোচ্চ ১৫৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ভোট পেয়ে কমিটিতে নির্বাচিত হয়েছেন ইসমাত জাহান।
নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জাপানের প্রার্থী। তিনি পেয়েছেন ১৪৩টি ভোট। কমিটিতে নির্বাচিত বাকি ১০টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে তুরস্ক, স্লোভেনিয়া, মিসর, সুইজারল্যান্ড, প্যারাগুয়ে, ক্রোয়েশিয়া, মরিশাস, তিমুর লেস্ট, ইসরায়েল ও আলজেরিয়া।
ইসমাত জাহান বাংলাদেশের প্রথম নারী যিনি একজন সচিব পদমর্যাদার পেশাদার কূটনীতিক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের টাফট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং ফেলো হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সরকারী চাকরি করা অবস্থায় কোন বিদেশী নাগরিককে বিয়ে করা নিষিদ্ধ হলেও বিগত কেয়ারটেকার সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে আইন সংশোধন করিয়ে তিনি রাষ্ট্র দূত থাকা অবস্থায়ই জনৈক বিদেশী কে বিয়ে করে বিতর্কের সৃষ্টি করেন। কিন্তু একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা তার আত্নীয় হ্ওয়াতে তিনি অধ্যাদেশ জারির সুবিধা নিয়ে বহাল তবিয়তে থাকেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


