আমার প্রিয় পোস্ট

বুদ্ধি-বিবেক বর্জিত সব ধরণের সন্ত্রাসী ঘটনার নিন্দা জানাই। আসুন মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রামে নিয়োজিত হই।

"মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল?" - এক অর্বাচীন বালকের জিজ্ঞাস্য।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

"মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" এই ধারণা বিক্রয় করিয়া কতক মনুষ্য বাজার মাত করিয়া রাখেন। এই ব্লগটাকেও তাহারা মাত করিয়া রাখিয়াছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক, বাহক ও লালনকারী বলিয়া নিজদিগকে প্রকাশ করিতে উহারা কোনরূপ শংশয় করেননা। ইহা নিঃসন্দেহে একটি মহত্‌ কর্ম। আমরা উহাদিগকে এরূপ কর্মে লাগিয়া থাকিবার জন্য সাধুবাদ জ্ঞাপন করি। ব্লগ-লিখন যে একটি ইন্টারনেট শিল্প তাহা উহাদের কল্যাণে এই ব্লগ সাইটে নতুন মাত্রা লাভ করিয়াছে।

যাহা হউক, আমি অদ্য পর্যন্ত "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" কি তাহা বুঝিতে সক্ষম হইয়া উঠিতে পারি নাই। ইহার মূল কারন ব্যক্তিগত ভাবে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করিতে পারি নাই এবং উহা দেখিবার সামর্থও আমার হয় নাই। আর যাহারা সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফেরি করিয়া থাকেন তাহারাও কখনো এই চেতনার কথাটা উন্মুক্ত করিয়া বলিয়া দেন নাই। উহারা সব সময় "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বাগরীতিটি ব্যবহার করিয়া থাকেন। কিন্তু চেতনাটি কি ছিল তাহা বলিয়া আমাদিগের অজ্ঞতা দূর করিবার চেষ্টা করেন নাই।

ব্যক্তিগতভাবে এই অর্বাচীন বালক কিছু মুক্তিযোদ্ধাকে দেখিবার সৌভাগ্য অর্জন করিতে পারিয়াছে। বড় হইবার পর একদিন শুনিলাম আমাদিগের গ্রামের একলোক মুক্তিযোদ্ধা। দরিদ্র মনুষ্যটি অন্যদের ক্ষেত্রে শ্রমিকের কর্ম করিয়া কোনরূপে জীবিকা নির্বাহ করিয়া থাকে। তাঁহাকে কদাপিও নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলিয়া পরিচয় দিতে আমি দেখি নাই। তাহার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা শুনিবারও সুযোগ হয় নাই। ইহা ছাড়াও বড় হইবার পর আরো জানিলাম আমাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক এবং আমাদিগের দূর সম্পর্কের ভগিনীপতিও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের দলপতি ছিলেন। তাঁহাকেও আমি কখনো মুক্তিযুদ্ধের কোন চেতনার কথা বলিতে কদাপি শুনিতে পাই নাই। আমার মাতার ৪ জন পিসতুতো ভাই যুদ্ধপূর্ব কালে ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক ছিলেন যাহারা যুদ্ধ শুরু হইতেই মুক্তিযোদ্ধাদের দলে ভিরিয়া গিয়াছিলেন। ইহাদেরকেও আমি কদাপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলিতে শুনিতে পাই নাই। ইহারা যে কেহ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাহাও আমি অবগত হইয়াছি তখন যখন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িতে শুরু করিয়াছি। আরেকবার এক মুক্তিযোদ্ধার গৃহসঙ্গী (হাউস মেট) হইবার সৌভাগ্য হইয়াছিল যিনি আহসান উল্লাহ্‌ কারিগরি কলেজ (বর্তমানকালের বুয়েট) হইতে পাশ করা প্রকৌশলী। তবলীগ জামাআতের সাথে থাকিয়া লম্বা শশ্রু ধারণ করিয়াছেন বলিয়া মুক্তিযুদ্ধকালে মাতৃগর্ভেও আসেন নাই এমন কিছু "মুক্তিযোদ্ধা" কর্তৃক অপমানিত হইয়াছিলেন। এই ভদ্রলোকও এই অর্বাচীনকে কদাপি বলেন নাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল। স্বদেশের বাহিরে আসিয়া আরেক মুক্তিযোদ্ধার সাথে পরিচিত হইলাম যিনি মসজিদের নামাজের আহবানকারী। এই ভদ্রলোক, যাহাকে আমরা চাচা বলিয়া সম্বোধন করি, মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাহা আমি কষ্মিনকালেও কল্পনা করিতে পারি নাই। একদিন একজন ভ্রাতা জানাইলেন আমাদিগের চাচা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। চাচার প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ ছিল তাহা আরো বাড়িয়া গেল। চাচার সহিত বাক্যালাপ করিয়া জানিলাম যে তিনি মেজর রফিকের সেক্টরে যুদ্ধ করিয়াছেন। আর চাচা আমাদের "শেখ মুজিব" বলিতে পাগল। চাচাকে আমি জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম "কিসের লাগিয়া আপনারা যুদ্ধ করিয়াছিলেন?" তিনি একখানা উত্তর দিয়াছিলেন, যাহা আমি আপাতত পাঠকদিগকে জানাইতেছিনা? তবে কোন বিশেষ চেতনার কথা চাচা আমাকে জানাইতে অপারগ হইয়াছিলেন।

তাই অদ্য "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বণিকদিগের কাছে এই অর্বাচীন বালকের জানিবার ইচ্ছা, "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বলিতে আপনারা প্রকৃতই কি বুঝাইয়া থাকেন? অনুগ্রহপূর্বক প্রকৃত অর্থটা আমাদিগকে জানাইয়া বাধিত করিবেন, যাহাতে আমাদিগের অর্বাচীনতা দূরীভূত হইয়া যায়, আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরাও সমুদ্ভাসিত হইয়া উঠিতে পারি।

যাহারা মন্তব্য করিবেন তাহাদের জন্য দ্রষ্টব্যঃ "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" এই ধারণাটার সংজ্ঞাই শুধু মন্তব্যে প্রদান করিবেন। অন্যকিছু লিখিলে তাহা মুছিয়া ফেলিতে বাধ্য হইব।
বিজয়ের এই মাসে মুক্তিযুদ্ধ বণিকরা খুব সরব থাকেন। আশা করি তাহারা আমাদিগকে "মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা" সম্পর্কে অবগত করাইয়া বাধিত করিবেন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধের চেতনামুক্তিযুদ্ধের চেতনামুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশ  বিভাগে ।

 

  • ৬১ টি মন্তব্য
  • ৪৫৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ১৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৭
comment by: নিধিরাম সর্দার বলেছেন: আশরাফ ভাই এ রকম ছাগলীয় পোষ্ট নিজ নামে দেন। কেননা আপনারে কিছু শিখানো আর ছাগলরে সিল্ক খাইতে দেওন একি ব্যাপার।
২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৯
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: তুই রাজাকার।
নাইলে ঠিকই বুজতারতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি, তাইলেই আর অর্বাচীন অইতি না!

তুই রাজাকার।
৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: @প্রশ্নোত্তর
চেতনার কথাটা নিজ থেকে বলিয়া দিন। অন্য কিছু নয়। তাই আপনার মন্তব্য মুছিয়া ফেলিব একটু পরে।
৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৪
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: মুছিয়া দেও...অই বালই পারবা...কিন্তু চেতনা জানবা না ... চক্কু খুলো

তুই রাজাকার!
৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: @ নিধিরাম সর্দার
আমি আপনার আশরাফ ভাই নহি। আপনাদের মতন কম্পিউটার জ্ঞানীরাতো তাহা খুব সহজে বাহির করিতে পারেন। আশরাফ রহমান ইরানে/বাংলাদেশে থাকেন। আমি থাকি পশ্চিম গোলার্ধে।
আর আপনি যা চেতনা বুঝিয়া থাকেন তাহাই আমাদেরকে লিখিয়া জানাইয়া দেন। আমরা তাহা সাদরে গ্রহন করিব।
৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @বালক

পশ্চিম গোলার্ধ কী?
৭. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন :
২০০৭-১২-০৫ ২২:২৯:৪১
তুই রাজাকার।
নাইলে ঠিকই বুজতারতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি, তাইলেই আর অর্বাচীন অইতি না!
তুই রাজাকার
দ্বীপবালক ইহাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: @ কেক বাংলাদেশ
আমি কিছুই বুঝিতে পারি নাই। "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বলিতে আপনি কি বুঝিয়া থাকেন? তাহা লিখুন।
৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: কেক চ্যাতো ক্যা? বিবাহ যেমন হয় তালাক তেমন হইতে পারে...
১০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" এই ধারণা বিক্রয় করিয়া কতক মনুষ্য বাজার মাত করিয়া রাখেন।

- যখন জানেন একটা পন্য বিক্রয় হয়, সেটা কিনে নিন। @আবু সামীহা
১১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৩
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: @মাহিরাহি
জী! এই পোস্টের মন্তব্যসমূহকে আমরা "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" রূপে ধরিব। কারন, পোস্টে বলা হইয়াছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল তাহা জানাইবার জন্য।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হিসাবে এই পোস্টের মন্তব্যের আলোকে নতুন পোস্ট আসিবে।
১২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: দ্বীপ মিয়া
বাংলাদেশের মানচিত্রখান যে লাগাইচো, বাংলাদেশের জন্ম-যুদ্ধের চেতনা নাই বুইঝা? এইডা কেমুন কাম করলা?

নাকি ম্যাপ লাগানের উদ্দেশ্য অন্য ম্যাপ আড়াল করা?
১৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
comment by: নিধিরাম সর্দার বলেছেন: মুক্তিযু্দ্ধের চেতনা জানিবার ইচ্ছা থাকিল ব্লগে আসিয়া গোলমাল না পাকাইয়া, স্বাধিনতা যুদ্ধের দলিল পত্র ১-৬ খন্ড পড়েন গিয়া। ব্লগ তো আর কোচিং কেলাস না যে আপনারে পড়ামু আমরা।
১৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৮
comment by: রাজীব বলেছেন: এই সব ভনিতা ছাড়েন। জানার ইচ্ছা আপনার ভেতরে আসলে নাই। থাকলে না জানার কোন কারণ নেই।
আর একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে কিন্তু চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়, কিন্তু একবার রাজাকার মানে আজীবন রাজাকার। আর আপনার আশপাশের মানুষরা যে আপনাকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এটা বোঝিয়ে বলতে পারিনি এটা ওদের ব্যর্থতা নয়। ওদের যোগ্যতা হল ওরা ওদের সময়কে উপলব্ধি করতে পেরেছে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছে। আপনি একটা স্বাধীন দেশে থাকেন আর স্বাধীনতার চেতনা কি সেটা বোঝেন না যথেষ্ট বড় হওয়ার পরও। আমার মনে হয়না আপনি কোন দিনও এই ব্যাপারটা বুঝবেন। কারণ ব্যাপারটা আত্মউপলব্ধির। অন্য কেউ এসে এটা আপনাকে বুঝিয়ে দেবে না। যেমন ১৯৭১ এ কেউ কাউকে বুঝিয়ে বলেনি আস আমরা মুক্তিযুদ্ধে যাই বা রাজাকার হই। যে যার মত করে বুঝে নিয়েছে... সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তাই বলি ভনিতা ছাড়ুন। আপনি কি বুঝেন সেটা পরিস্কার করে বলুন। আর কি বুঝতে চান না সেটা ও পরিস্কার করে বলুন।
১৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৮
comment by: এস্কিমো বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ চেতআ বুঝার জন্যে রাজাকারের পদলেহন বন্ধ করা প্রাথমিক কর্তব্য।
১৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বুঝার জন্যে ভণ্ডামী বন্ধ করা জরুরী।

১৭. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫১
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: বেজন্মা বলিতে বাধ্য হইলাম! যেই আলো-বাতাসে বড় হয় তার সাথে বেঈমানী করে কেবল বেজন্মারাই!
১৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫১
comment by: মাথামোটা বলেছেন: রাজাকারের বাচ্চা

১৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৪
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: @নিধিরাম সর্দার
গোলমাল পাকাইলাম কোথায় ভাই? ঐ দলিল পত্রের এককথা আর যাহারা নিজেরা যুদ্ধ করিয়াছিল তাহাদের অন্যকথা এবং অদ্যাবধি যুদ্ধের যাহারা কথা বলিয়া থাকেন আমরা তাহাদের কথা শুনিতে চাই। ইত্যবসরে আমি আমার গ্রামের ঐ শ্রমিক মুক্তিযোদ্ধা, ভগ্নীপতি মুক্তিযোদ্ধা, আমার মায়ের পিসতুতো ভাই মুক্তিযোদ্ধাগণ, ও আমার মসজিদে পরিচয় হওয়া চাচা মুক্তিযোদ্ধার যুদ্ধে অংশগ্রহনের চেতনা জানিয়া লইব। ইহা ছাড়াও আমার আশপাশের আরো মুক্তিযোদ্ধা খুঁজিয়া লইয়া তাহাদের যুদ্ধ করার চেতনাও জানিয়া লইব। তাহার পর এই সমস্ত চেতনার মধ্যে মধ্যে মিল খুঁজিয়া দেখিয়া নিজের ধারণা প্রতিষ্ঠিত করিব। এবং তাহার সম্পর্কে একখানা পোস্ট দিব।
২০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৮
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: @রাজীব
আপনাকে ধন্যবাদ। মুক্তিযুদ্ধের একটু চেতনা আপনার মন্তব্যে পাওয়া গেল। আর তাহা হইল ভদ্র হইতে পারা।
আবারও ধন্যবাদ।
২১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১১
comment by: রাজীব বলেছেন: এই যে আপনি আসল ব্যাপারকে পাস কাটিয়ে অন্য দিকে বেশি কনসেনট্রেশন দিচ্ছেন... আপনি চেষ্টা করুন বুঝতে আপনি আপনার সব ব্যাপারে কি চান ? এটাই আপনার ব্যক্তিগত মুক্তির চেতনা। কোন জাতি যখন তাদের নিজেদের অধিকারের ব্যাপারে কোন কিছু চাই...সেটাই তাদের চেতনা। আর এই চেতনাকে ছোঁয়ার জন্য যে কর্য়ক্রম সেটা হল চেতনার বহিপ্রকাশ... পৃথিবীর সমস্ত জাতির মুক্তির চেতনা কমবেশি একই রকম, শুধু বহিপ্রকাশটা ভিন্ন।
২২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৩
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে একটি বাক্যে ধারণ করিলে দাঁড়ায়- জয় বাংলা। ১৯৭১ সালে সংগঠিত মহান মুক্তিযুদ্ধে পবিত্র কলেমার বদলে এই বাক্যটি মুখে লইয়া বহু মুসলমান মুক্তিযোদ্ধা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করিয়াছেন। তাই বলিয়া তাহারা বে-ঈমান হইয়া মারা যান নাই, তাহারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করিয়াছেন দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। আরেকটু বিষদ ব্যাখ্যায় গেলে বলিতে হয় তখন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাহাদের পদলেহী জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র সংঘ (যাহা বর্তমানে ছাত্র শিবির নামে পরিচিত)। স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা এইসব যুবারা জানিত এইসব কুলাঙ্গার ইসলাম নামে একটি পবিত্র ধর্মের নাম ভাঙ্গাইয়া, ভারত এবং কমিউনিস্টদের জুজু দেখাইয়া ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের ভীত সমর্থন লইয়া বাঙালীদের নির্বিচার হত্যা করিতেছে। লাখো মা-বোনদিগকে ধর্ষন করিতেছে। কোলের শিশুও রেহাই পাইতেছে না। তাই দেশের এইসব শত্রুদিগকে নির্মূল করাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের তখনকার চেতনা। তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পদলেহী জামাত-সংঘ-শিবির দ্বারা গঠিত রাজাকার-আলবদররা তাহাদের অপকর্ম জায়েজ করিবার জন্য যেসকল প্রলাপ বকিত তাহা ইদানিংকার যেসকল নব্য শশ্রুধারী ওহাবি মওদুদীর অনুসরণকারীদের মাঝে দেখা যায়, মুখে শোনা যায়, তাহাদের নির্মূল করার সেই মুক্তিযুদ্ধকালীন চেতনাই এখনকার বণিকরা ব্যবহার করিয়া থাকে। ইহা সামহোয়ারইন নাম একটি ব্লগেও অতীব সত্য। এইখানকার মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ীসকল ততকালীন রাজাকার-আলবদর তথা জামাত-সংঘের অপকীর্তির ফিরিস্তি নিয়মিতই দিয়া থাকে তথ্য-উপাত্ত সহকারে। উহা যাহাদের গায়ে বিছুটি জ্বালা ধরায় তাহাদের অবশ্য ম্যাতকার মাত্রই সাধারণ ব্লগাররা চিহ্নিত করিয়া ফেলে। অতঃপর যে গাদন চলে উহাও প্রকারান্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন ময়দানে তাহার খানিকটা দেখা গিয়াছে যাহা চিত্র সহকারে অনেক রাজাকার নন্দনই দিনকয়েক পরপর পরিবেশন করিয়া থাকে।
যাহা হোক অর্বাচিনতা যার মননে, তাহাকে আমার চেতনা সম্পর্কে ধারণা দিতে যাওয়া বোকামী। বরং বলিতে পারি যে প্রশ্নোত্তর নামে একজন ব্লগার মন্তব্যে যাহা বলিয়া গিয়াছেন তাই এই পোস্টের মালিকের সম্পর্কে অনেকখানি তুলিয়া ধরে। উহা এইরকম যে
প্রশ্নোত্তর বলেছেন :
২০০৭-১২-০৫ ২২:২৯:৪১
তুই রাজাকার।
নাইলে ঠিকই বুজতারতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি, তাইলেই আর অর্বাচীন অইতি না!

তুই রাজাকার।
২৩. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:২৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: অন্য একটি পোষ্টে যেটা হয়তো তার মনপূত হয়নিঃ
*************************************

দ্বীপবালক বলেছেন :
২০০৭-১২-০২ ২১:৪৯:২২
যাহারা জাগিয়া নিদ্রা যায় তাহাদিগকে আপনি জাগরিত করিতে পারিবেননা। উহারা চক্ষুতে একপ্রকারের রঙ্গিন কাঁচের চশমা পরিধান করিয়া আছেন। ঐ রঙ্গিন কাঁচ তাহাদিগকে একটা বিশেষ কালের ও রঙের বস্তুই দেখিতে বাধ্য করে, আর কিছু নহে।
কি আর বলিব!!!!!!!!

২৪. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৪৫
comment by: নরাধম বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন :
২০০৭-১২-০৬ ০৩:২৬:৪৯
অন্য একটি পোষ্টে যেটা হয়তো তার মনপূত হয়নিঃ
*************************************

দ্বীপবালক বলেছেন :
২০০৭-১২-০২ ২১:৪৯:২২
যাহারা জাগিয়া নিদ্রা যায় তাহাদিগকে আপনি জাগরিত করিতে পারিবেননা। উহারা চক্ষুতে একপ্রকারের রঙ্গিন কাঁচের চশমা পরিধান করিয়া আছেন। ঐ রঙ্গিন কাঁচ তাহাদিগকে একটা বিশেষ কালের ও রঙের বস্তুই দেখিতে বাধ্য করে, আর কিছু নহে।
কি আর বলিব!!!!!!!!

২৫. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৪৬
comment by: নরাধম বলেছেন: বালক, একখান পোস্ট দেন "আমার বাপ কে?"

যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুঝেনা সে বাপকেও চিনার কথা না। কারণ তাদের বাপ থাকে পশ্চিম পাকিস্তানে।
২৬. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪১
comment by: সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে হলো ১৯৪৭ সালে যে চেতনা থেকে পাকিস্তানের জন্ম তার বিপরীত অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষ জনপ্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক সমাজের চেতনা।
২৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৫
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধারা আজো অবহেলিত। তাদের নিয়ে ব্যবসা করতেই তথাকথিত ধ্বজাধারিরা ব্যস্ত! আপনি তাদের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন বলে দেখেন তাদের কেমন গা জ্বালাপোড়া করা শুরু করেছে! এটাই তাদের চেতনা!
২৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৮
comment by: এস্কিমো বলেছেন: তুই রাজাকার
২৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১৩
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে একটি বাক্যে ধারণ করিলে দাঁড়ায়- জয় বাংলা।" - আওয়ামী লীগ না করলে রাজাকার আর আওয়ামী লিগ করলে হয় মুক্তিযোদ্ধা।

চাইলে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট কিনতে পারেন।
৩০. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: জয় বাংলা আওয়ামি লীগের কুক্ষিগত কোন শ্লোগান না। এইটা ৭১ এর সেরা শ্লোগান, সেরা বানী, সেরা শব্দ। খালি আওয়ামী লীগরে টানেন ক্যান!!
৩১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: @ উম্মু আবদুল্লাহ
৩২. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২৭
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: টানি, কারন আওয়ামী লীগ নিজেকে একক মালিক মনে করে। আর সেজন্যই গনভবনের ইজারা পর্যন্ত নিয়ে নিয়েছিল। তখনও তো সেই একই গান শুনিয়েছিল।
৩৩. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: হা হা! আপনার বিভিন্ন পোস্টে করা কমেন্ট থাইকা আপনারে বি এন পি পন্থি জামাত (জামাতপন্থী বি এন পি বলি নাই) এর সাপোর্টার লাগে!! আপনি তো খালি আওয়ামী লীগই দেখবেন চাইরদিকে। লীগ ধোয়া তুলসি পাতা কে বলছে!! যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে অন্তত রাজনীতি টাইনেন না।
৩৪. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: গনভবন ইজারার কথা কইলেন!! তাইলে তো খালেদা নটির বেটি আর তার গুনোধর পোলারা কি করছে সেইটাও নিশ্চই জানেন?
৩৫. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪২
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: অন্তত গনভবন ইজারা নেয়ার মানসিকতা দেখায় নি।
৩৬. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: না, তা নেয় নাই! দেশটারেই নিয়া নিছে, সাথে খাম্বা মামুন আর জাতির বিশেষ (!!) পার্টনার অলওয়েজ হাসি ভাই কে নিয়া।
৩৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৬
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মানে কি দাড়ালো !! নটির বেটি আর তার গুনোধর পোলাদের মানসিকতা উন্নততর !!
৩৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: আর জাতির বিশেষ (!!) পার্টনার অলওয়েজ হাসি ভাই ।। হা হা হা ....
৩৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৮
comment by: রাশেদ বলেছেন:
৪০. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: উন্মু আবদুল্লাহরা রাজাকারের দালাল। এরা মুখে স্বাধীনতার ঘোষক আর অন্তরে গোআর নাম নেয়।
৪১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৮
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: নিজের জন্ম নিয়া সন্দেহ ব্লগে জানান না দিয়া, বাপ-মারে জিগা।
৪২. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
comment by: আলমগীর আহসান বলেছেন: হায়রে চেতনা!!
৪৩. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৮
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সেই এস্কিমো, আপনি ছাড়া কেউ কি আর স্বাধীনতার পক্ষে আছে?
৪৪. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪০
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: স্যরি, মন্তব্যটি হবে:

সেই এস্কিমো, আপনি আর আপনার পছন্দ মত লোকজন ছাড়া কেউ কি আর স্বাধীনতার পক্ষে আছে? সেইজন্যই তো সার্টিফিকেট বিক্রি হয়েছিল।

৪৫. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
comment by: নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: বাইরে তো এতো কিছুর পরও এত শিবির দেখি না। এইখানে এতগুলা আইলো কেমনে?
৪৬. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
comment by: তীর্থক বলেছেন: লেখাটা ভালো লেগেছে । আমি নিশ্চিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলতে ঠিক কি বোঝায় সেটা আসলেই আনেকে জানেনা । এটা আসলে অনুভব করার বিষয়, শব্দ গেথে ব্যাক্ষা করার বিষয় না । পিয়াল ভাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'র চমৎকার ব্যাক্ষা দিয়েছেন । তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা'কে একটি বাক্যে ধারন করলে দাড়ায় "জয় বাংলা" এই কথাটা আমি মানতে পারিনা । মনে হয় বিশাল একটা ত্যাগ'কে ছোট্ট একটা বোতলে ভরে ফেলা হল। বড়জোর বলা যেতে পারে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে একটা স্বাধীন দেশ পাওয়া, যার নাম বাংলাদেশ আর একটা স্বাধীন জাতি পাওয়া যার না বাঙ্গালী জাতি । একটি স্বাধীন স্বত্বা ।
৪৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন :
২০০৭-১২-০৬ ১৬:৪০:২৪
স্যরি, মন্তব্যটি হবে:

সেই এস্কিমো, আপনি আর আপনার পছন্দ মত লোকজন ছাড়া কেউ কি আর স্বাধীনতার পক্ষে আছে? সেইজন্যই তো সার্টিফিকেট বিক্রি হয়েছিল।


- অস্বীকার করতে পারলেন কই? গো আজমই তো আপনাদের গুরু, আর জিয়ার মাজারে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধা সাজার মহড়া। সোজা করে রাজাকারকে রাজাকার বলতে যাদের কষ্ট হয় এরাই রাজাকারের দালাল।
৪৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩
comment by: নরাধম বলেছেন: কিছু কিছু জামাতি নিজেদেরকে সরাসরি জামাত বলেনা। বিএনপি'র জন্য প্রেম দেখায়। উম্মু আব্দুল্লাহ সেই ধরণের লোক।


আচ্ছা উনি কি মহিলা?
৪৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩১
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন :
২০০৭-১২-০৫ ২২:৩৮:২৩
@বালক

পশ্চিম গোলার্ধ কী?
৫০. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫০
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "অস্বীকার করতে পারলেন কই?" --- এস্কিমো
=========================

আপনাদের কাছে রাজাকার বিরোধী হবার জন্য তো আমাকে ইসলামকে অস্বীকার করতে হবে। তসলিমার কথাবার্তাকে সমর্থন দিতে হবে। সেটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সুতরাং যা বিশ্বাস করতে চান করতে পারেন।

আমি জানি আমি কিসে বিশ্বাস করি। আর সেটাই আমার কাছে বড়। আপনাদের কাছে মুক্তিযোদ্ধা হবার জন্য আমার নিজের বিশ্বাস বিসর্জন দেয়ার মন মানসিকতা আমার নেই। আমি আমার নিজের কাছে স্বচ্ছ থাকতে চাই।



৫১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: হা হা! ইসলামকে অস্বীকার করতে হবে এইরকম উদ্ভট ধারনা কই পাইলেন!! ধর্ম পালন করুন কিন্তু ধর্মান্ধ হইয়েন না, সেইটাই তো হওয়া উচিত, নাকি?
৫২. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৫
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রাশেদ, আমার পোস্ট টি পড়ুন। দেখুন সেখানে এরকম কোনো মন্তব্য পান কিনা।
৫৩. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: আশরাফ রহমানের মত ভন্ড ইসলাম ব্যবসায়ীকে লেখার আহবান জানান নাই আপ্নে?
৫৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৬
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপাতত অন্য কোনো ব্যক্তি নিয়ে অন্যের ব্লগে আলোচনা করতে চাই না। ব্লগ নীতিমালাও এটা সমর্থন করে না।
৫৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: হা হা! কিছু আর বলার নাই!
৫৬. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১০
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: বাইরে তো এতো কিছুর পরও এত শিবির দেখি না। এইখানে এতগুলা আইলো কেমনে?

৫৭. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১২
comment by: রাশেদ বলেছেন: নিক ফ্যাক্টরির ওভারটাইম চলতেছে ডিসেম্বর উপলক্ষে!
৫৮. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪২
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: ভাল/মন্দ, প্রাসঙ্গিক/অপ্রাসঙ্গিক মিলাইয়া যাহারাই মন্তব্য করিয়াছেন তাহাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
আমি মন্তব্যগুলোর কোন উত্তর এই পোস্টে আর দিতেছিনা। শীঘ্রই নতুন একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করিবার ইচ্ছা রহিল।
৫৯. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫০
comment by: রোকন বলেছেন: তুই রাজাকার
৬০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
সুন্দর লেখা। মুক্তিযুদ্ধের ব্যবসায়ীদের মূখোশ উম্মোচিত হউক।

বাংলাদেশের বুয়েট পাশ এক ইণ্জ্ঞিনিয়ারের সাথে আমার পরিচিতি আছে। বুয়েটের ছাত্র থাকা কালে তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তার কথা বার্তায় যা জানলাম, তা হচ্ছে শেখ মুজিব ও আওয়ামীলীগের উপর তিনি বেজায় খ্যাপা ও বিরক্ত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আজকের এই অবস্হার জন্য। উনি শেখ মুজিবের ৩ বছরের শাসন কালের একজন বড় সমালোচক।

ইণ্জ্ঞিনিয়ার সাহেব নিতান্তই একজন ভদ্রলোক। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, ধার্মিক। ধর্ম সম্পর্কে অনেক জ্ঞানের অধিকারী। পরিচিত সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করেন।
৬১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৮
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
ভাই সাহেব, নিচের লিন্কের আপনার কমেন্ট টি একটি আলাদা পোস্টে দেন। ধন্যবাদ।

Click This Link

 



 


জন্ম আমার গাঙ্গেয় ব-দ্বীপের দেশের উপকূলীয় এক দ্বীপে। ভীষণ ভালবাসি দ্বীপটিকে এবং দেশটিকে। সবচেয়ে বেশী ভালবাসি মানুষকে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৯২৯৩