somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ফরিদপুরে স্কুলছাত্রের দু’হাতের রগ কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা রাজেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক দেবাশীষ বাবু জানান, রাজেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষে গতকাল শনিবার বায়তুল আমান শাখায় কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় সভা শুরু হওয়ার পর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন নিয়ে ফারহান গ্রুপ ও জনি গ্রুপ পরস্পর বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দু’গ্রুপের বিবাদের পরিপ্রেক্ষিতে সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়। এরপর দুপুর ১টার দিকে বাসযোগে শহরের আলিপুর থেকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী বায়তুল আমানে গিয়ে প্রথমে জনির ওপর হামলা চালায়। এ সময় জনিকে রক্ষা করার জন্য অপু এগিয়ে এলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দুই হাতের রগ কেটে দেয়া হয়।

সূত্রঃ
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28856710 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28856710 2008-10-19 04:19:19
একজন অধ্যাপক, একজন নরাধম ও কিছু ফালতু প্যাঁচালী
ছোটবেলায় আমার এক খালাত ভাইয়ের সাথে "কেরোসিন" নিয়ে লাগে বিপত্তি। বয়সে আমার তিন বছরের বড় ভাইটি কেরোসিনকে বলেন "কেরাসিন"। আমি যতই বলি আসলে বানানটা হচ্ছে কেরোসিন উনি মানতে নারাজ। কিছু করার নেই, তাই হাল ছেড়ে দিলাম।

১৯৮৬ মেক্সিকোতে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা চলাকালীন সময়ে কলেজের কিছু বড় ভাই মেক্সিকো [মেক্‌সিকো] বলতে লাগলেন মেস্কিকো [মেস্‌কিকো]। তাদের যতই বলি তারা যেভাবে বলছেন সেটা ভুল তারা মানতে নারাজ। এদের কে বুঝাবে?

এখানে আসার পর একটা বাঙালী মুদির দুকানে ক'দিন কাজ করেছিলাম। সেখানে আড্ডা দিতে আসতেন এক দেশী পণ্ডিত(!) ব্যক্তি। নানা বিষয়ে তাঁর খুব জ্ঞান(!)। কথায় কথায় একদিন শুনলাম তিনি ইহুদীদের উপাসনালয়কে বলছেন "সিনাঘর"। আমি বললাম ওটা "সিনাঘর" নয়, "সিনাগগ" [Synagogue]। ভদ্রলোক মানতে নারাজ। কী আর করা!

আমাদের ব্লগের এক মহান পণ্ডিত(!) [নরাধম ওরফে হ্যারি সেলডন]সম্প্রতি অধ্যাপক এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিতর্কিত একজন সাবেক নেতার অধ্যাপনা নিয়ে মেতে উঠেছেন। তিনি একবার এ ব্লগে একবার সে ব্লগে গিয়ে সবার কাছে প্রশ্ন করে বেড়াচ্ছেন ঐ ভদ্রলোক কোথায় অধ্যাপক ছিলেন? শেষমেষ উনি বিষয়টা নিয়ে একজন ব্লগারকে উদ্দেশ্য করে আলাদা একটা পোস্টই দিয়ে দিলেন।
এতে অবশ্য আমার কিছু যায় আসেনা। কিন্তু দেখলাম উনি শিরোনামে আবার আমার নিকটাও যোগ করে দিলেন। অগত্যা আমি নীচের কথাগুলো জবাব হিসেবে দিলামঃ
"দ্বীপবালক বলেছেন: অধ্যাপনা একটা পেশা। আর সে পেশাটা হল কোন কলেজে/বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পেশা। কলেজে/বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকে বাঙ্গালায়/সংস্কৃততে অধ্যাপনা বলে। গোলাম আজম সাহেব যদি কারমাইকেল কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করে থাকেন তাহলে তাকে অধ্যাপক বললে সমস্যা কোথায়?
আমেরিকায়তো গ্রাজুয়েট টিচিং এসিস্ট্যান্টদেরকেও ছাত্ররা প্রফেসর বলে সম্বোধন করে। এই প্রফেসর বা অধ্যাপক পেশাগত পরিচিতি, একাডেমিক পদ নয়। কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা অধ্যাপনা করেন তাদের একাডেমিক পজিশন শুরূ হয় প্রভাষক থেকে, যেখানে সর্বোচ্চ পদের নাম অধ্যাপক। এই ক্ষেত্রে অধ্যাপক হল তার র‌্যাংক (rank) । কিন্তু প্রভাষক থেকে অধ্যাপক পর্যন্ত সবাই পেশাগতভাবে অধ্যাপক। এটা নিয়ে এত বাড়াবাড়ি করার কোন মানে আছে? নিছক পাগলামী না থাকলে কেউ এ বিষয়টাকে ইস্যু বানায়না।"

কিন্তু এ উত্তরটা ভদ্রলোকের এবং তাঁর সমমনাদের মনঃপুত হয়নি, কারণ তাঁর জ্ঞানের সীমার মধ্যে পড়েনি আমার উত্তর। এজন্য তারা নিজেদের মত করে এ নিয়ে বেশ ব্যঙ্গও করে গেলেন। কেউ কেউ গোলাম আজমের রংপুর কারমাইকেল কলেজে অধ্যাপনার বিষয়টিকেই অস্বীকার করে বসলেন, আবার কেউ কেউ ওটাকে খন্ডকালীন বলে হালকা করে দিতে চাইলেন।

গোলাম আজম নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু নরাধম তার পোস্টের শিরোনামে আমার নিক যোগ করায় আমি উত্তরটা দিয়েছিলাম। প্রকৃত ব্যাপার হল কলেজে/বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকে সংস্কৃত ও বাংলাসহ অন্যান্য সংস্কৃতজাত ভাষায় অধ্যাপনা বলে। আর যারা এই অধ্যাপনা করেন তাদের উপমহাদেশের লোকেরা অধ্যাপক বলেই সম্বোধন করেন। এটা শুধু আমাদের উপমহাদেশেই নয় পৃথিবীর অনেক দেশেই কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অধ্যাপক বলা হয়। কোন কোন দেশেতো হাইস্কুল শিক্ষকদেরও অধ্যাপক বলা হয়। নীচের ইংরেজী উদ্ধৃতিটা দেখুনঃ
"The meaning of the word professor (Latin: professor, person who professes to be an expert in some art or science, teacher of highest rank[1]) varies. In some English-speaking countries, it refers to a senior academic who holds a departmental chair, especially as head of the department, or a personal chair awarded specifically to that individual. For example, in the United Kingdom and Australia it is a legal title conferred by a university denoting the highest academic rank, whereas in the United States, Brazil, Canada, Hong Kong, individuals often use the term professor as a polite form of address for any lecturer, or researcher employed by a college or university, regardless of rank. In some countries, e.g. Austria, France, Romania, Serbia, Poland and Italy, the term is an honorific applied also to secondary level teachers". Reference: Professor in Wikipedia
কেউ উইকির এই উদ্ধৃতিটার বাংলা না বুঝলে আওয়াজ দিয়েন। বাংলা করে দেব তখন।

"যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা" বলে বাংলায় একটা কথা আছে। গোলাম আজম নিয়ে অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু তার অধ্যাপক হওয়া নিয়ে ফালতু প্যাঁচাল না পাড়লে কি ভাল হয়না?
আর অধ্যাপক সংক্রান্ত আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে জানলে এধরণের পণ্ডিতি-মূর্খতায় ভূগতে হবেনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28806255 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28806255 2008-06-04 19:02:22
এই মাইয়াগুলানের কী হইল?
অহন কথা হইল এই মাইয়াগুলার কী হইছে। হেগো কী মাথা টাথা খারাপ নিহি? হেরা কিয়ের লাইগ্যা এই পঁছা ধর্মটারে দলে দলে গ্রহন করবার লাগছে? কিছু বুঝবার পারেন আপ্নেরা?
আহেন হেই মাইয়াগো কিছু কথা হুনি, কী কইবার চায় হেরা।
American Angela Collins "girl next door" reverts to Islam


হেরা কেম্নে হেগো লাইবারটেরিয়ান লাইফস্টাইল ছাইড়া দিয়া ব্যাকওয়ার্ড মাজলেমগো কঞ্জারভেটিভ লাইফস্টাইল গ্রহন করল?


মাইনষে এই বর্বরগো ধর্মটারে এইভাবে গ্রহন করতাছে ক্যান? তাইলে কি ইসলাম আর মুসলমানগো লইয়া যা কওয়া হয় তার বেশীরভাগ শত্রুতা?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28796802 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28796802 2008-05-12 03:28:03
একজন সাবেক ইহুদী ও একজন নাস্তিকের সংলাপ

ইয়োসেফ কোহেনের কাহিনী নীচের ভিডিওতেঃ

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28796713 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28796713 2008-05-11 22:06:30
ইহা কী প্রকারের বাংলা ভাষা? "বাংলা ভাষা জানা কতোটা প্রয়োজন!" শিরোনামের পোস্টে নতুন বাংলা বানান রীতি দেখিতে পাইলাম। আপনারাও লক্ষ্য করুনঃ

========
আমি একজন বাঙ্গালী এবং "নিযেকে" বাঙ্গালী হিসেবে পরিচয় দিতেও ভালোবাসি। আমি যে পরিবেশে "বেরেউঠেছি", সেখানে আমি বাংলা ভাষার সাথে আরও ৫টা ভাষার সহাবস্থান দেখেছি। সেই দিক থেকে বলতেগেলে আমি বাংলার সাথে আরও ৫টা ভাষা বেশ ভালোকরে বলতে ও বুঝতে পারি। আমার মা বাবা বাঙ্গালী এবং তারা বাংলাতেই কথা বলেন। কিন্তু তারাও অনেক "ভাসা যানেন"। আমি নেপালী, হিন্দি, ইংলিশ, মারাঠি, অসমীয়া বলতে পারি। এবং ইংলিশ, বাংলা, হিন্দিতে লিখতে পারি। কিন্তু এই সব "ভাসার" মধ্যে আমার ইংলিশ খুব সহজ বলে মনেহয়। এতে মনের ভাব প্রকাশ করা যেমন সহজ ঠিক তেমনি, লেখাও সহজ। ঠিক সেই কারনেই আমাদের দেশে ইংলিশ কে বেশি প্রেফার করাহয়। "তাছারা" আমাদের দেশের "সমস্থ" সরকারী কাজ ইংলিশ এ হয়। আমাদের ওয়েস্ট বেঙ্গল, সমস্থ সরকারী কাজ বাংলাতে করার আদেশ জারি করেছিল। কিন্তু তা ১ মাসের মধ্যেই মুখথুবড়ে পরে। কারন বাংলাতে সরকারী কাজের "বিধিন্ন" প্রতিশব্দ খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই কারনে আবার ইংলিশ চালু হয়। তাছারা ইংলিশ এর আনেক গুরুত্ত আছে। একে একে বলিঃ
১) বাংলা থেকে ইংলিশ আনেক সহজ।

২) বাংলার থেকে ইংলিশ এ স্পেলিংমিস্টেক হবার চান্স কম।

৩) ইংলিশ একটা ইন্টারন্যাসানাল ভাষা।

৪) গ্লোবের সব জায়গায় ইংলিশ চলে, বাংলা চলেনা।

৫) হায়ারস্টাডি করতে গেলে ইংলিশ ছারা গতি নেই।

৬) কম্পিউটার এর মূল ভাষা ইংলিশ।

৭) ইংলিশ ছারা কম্পিউটার সায়েন্স এর কথা ভাবাজায়না।

৮) ইংলিশ মানুষকে দেশের বাইরের চিন্তা করতে সেখায়।

৯) দেশের বাইরে চাকরি করতে গেলে ইংলিশ ছারা সম্ভব নয়।

১০) যে সব দেশ ইংলিশ এর গুরুত্ত বুজেছে, সেসব দেশের উন্নতি আনেক দ্রুত হয়েছে।
========================
এই জন্যই বাংলা বাদ দিয়া ইংরেজীর জন্য এত দরদ! এই ব্লগে বাংলার অপমান না করিয়া আপনার পদ্ধতিতে দাদাদের জন্য নতুন একখানা বাংলা ব্লগ প্রস্তুত করিয়া সেইস্থানে পড়িয়া থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28765189 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28765189 2008-01-29 09:53:58
ইহা কি ব্লগ বিরতি না গালি বিরতি?
অন্য যাহারা নিষিদ্ধ হইয়াছেন তাহাদের জন্য কোনরূপ সহানুভূতি পোষণ করিনা, কারণ উহারা এই ব্লগ গৃহখানিতে মানব ভাষার বর্জ্য-নিক্ষেপ ব্যতীত আর কোন ভাল কিছু উপহার প্রদান করেন নাই। ইহাদের নিক্ষিপ্ত বর্জ্যের দূর্গন্ধে এই ব্লগ গৃহখানার পার্শ্ব অতিক্রম করণ নিতান্তই দূঃসাধ্য হইয়া উঠিয়াছিল।

ইহারা এই ব্লগে কখনো কোন গঠনমূলক আলোচনা করিতনা। কেহ করিলেও তাহার বিরুদ্ধে ইহারা উঠিয়া-পড়িয়া লাগিয়া যাইত। ইহারা ব্লগে অন্যদের লেখার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল লিখা ব্যতীত খুব কমই কোন মৌলিক লিখা প্রদান করিত। কিন্তু ঐ প্রতিক্রিয়াশীল লেখনী দ্বারাই উহারা প্রায়ই প্রথম্ পৃষ্ঠা দখল করিয়া রাখিত।

এখন ইহারা কলম বিরতিতে যাইবার আন্দোলন করিতেছেন। কিন্তু আমি কতিপয় আন্তরিক ও ভাল মানুষ ব্লগার ব্যতীত ইহাদের অন্যদিগকে কলম বিরতিতে অংশগ্রহন করিতে দেখিনাই। ইহারা একের পর এক পোস্ট দিয়া যাইতেছে বয়কট ও বিরতিতে যাইবার জন্য। নিষিদ্ধ হইবার আগেও যেমন ইহারা ব্লগে ভাল কোন কিছু লিখিতনা, এখনও ইহারা ভালভাবে চুপচাপ কলম-বিরতি না চালাইয়া প্রথম-পৃষ্ঠে দখলএ রাখিবে। ইহারা বলিবে লগ-আউট থাকুন। কিন্তু ইহা বলিয়াই উহারা পোস্ট দিতে থাকিবে।

বিরতি কোথায়? সেই পূর্বের রূপেই ইহারা আছেন। গালাগালিও কিন্তু ইহাদের অনেকে এখনও বন্ধ করে নাই।

আমি যাহা বুঝিতে পারিয়াছি তাহা হইল ইহারা এই ব্লগ গৃহখানিতে শান্তি আসিতে দিবেনা বলিয়া প্রতিজ্ঞা করিয়াছে, কারণ ইহারা ইহাদের শান্তির গৃহ অন্যস্থানে নির্মাণ করিয়াছে, যেই গৃহে "এলিট" লেখক ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28759979 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28759979 2008-01-11 08:17:42
কুর'আনের অসংগতি ও একজন ক্যাচালের ক্যাচালী অহূদ বংশ(The people of Aad) ধংস করতে আল্লাহ কয়দিন সময় নিয়েছিলেন?

ঐ স্থানে তিনি কুরআনের তিনটি আয়াতের মধ্যে অসংগতি থাকার মত "আনন্দদায়ক তথ্য" আমাদিগকে জানাইয়াছিলেন। আমিও বড়ই আনন্দ পাইয়া নিম্নোক্ত মন্তব্যখানা পেশ কোরিয়াছিলামঃ
====================
আয়াতগুলো কুর'আনে আছে তবে অহূদ জাতি বলে কোন জাতির কথা নাই। যেইটা আছে সেইটা হইল আপনার পরে ইংরাজী যোগ করা "আদ জাতি" [people of the Aad]।

আর এই আয়াতগুলার মইধ্যে কন্ট্রাডিকশন কই পাইলেন। আপ্নের আর আমার ভাষা যদি ঐগুলার ঠিকমতো অনুবাদ করতে না পারে তাইলে সেইটা আপনের আর আমার ভাষার সমস্যা, কুরআনের না। এখন দেখেন আমিও ঐগুলার একটা তর্জমা দিই।

৪১/১৬ - শেষ পর্যন্ত আমরা কয়েকটি খারাপ দিনে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া তাহাদের উপর পাঠাইয়া দিলাম, যেন তাহাদিগকে দুনিয়ার জীবনেই অপমান ও লাঞ্ছনাময় শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাইতে পারি। আর পরকালের আযাবতো ইহা হইতেও বেশী লাঞ্ছনাকর। তথায় তাহাদিগের সাহায্যকারী কেহ হইবেনা।

৫৪/১৯ - আমরা এক অতীব বড় ও ক্রমাগত অশুভ দিনে প্রবল ঝড়ো-হাওয়া তাহাদের উপর প্রেরণ করিয়াছি।

৬৯/৬-৭ - আর 'আদকে ধ্বংস করা হইয়াছে একটি ভয়াবহ তীব্র ঝঞ্ঝা বাত্যার আঘাতে। আল্লাহ্‌ তা'আলা উহাকে সাত রাত ও আট দিন পর্যন্ত তাহাদের উপর চাপাইয়া রাখিযাছিলেন।

৫৪ # সূরার ১৯ # আয়াত লইয়ায় আপ্নের যত আপত্তি। এখানে আপত্তিটা কিশের। একদিন বলিছেন সেইজন্য। ওই জায়গায় আল্লাহ্‌ তা'আলা বলছে আরবীতে
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ

শেষের শব্দটা "মুস্তামিররুন" যার মানে হলো ক্রমাগত চলতে থাকা। যেখানে নির্দিষ্ট কইরা একদিন বুঝায়না। এইখানে আর ৪১ # সূরার ১৬ # আয়াতে সময়টা অনির্দিষ্ট। আর ৬৯ # সূরায় আইসা ঐটারে নির্দিষ্ট কইরা দিসে। আর ৫৪ # সূরায় যদি একদিনও বুঝায় তাইলেও সমস্যা কি? তিনিতো কইছেন ঐদিনে পাঠাইছেন। ঐদিনেই ঐটারে সম্পূর্ণ শেষ কইরা দিছেন আয়াতে সেইটাতো কন নাই। আমি কাউরে কোন যায়গায় একদিন পাঠাইতে পারি আর তারপর সেইখানে তারে কয়েকদিন রাইখতেও পারি। তারপর যদি আমি কই যে অমুকরে অমুকদিন অমুক যায়গায় পাঠাইছি তাইলেকি আমার কথার মইধ্যে কন্ট্রাডিকশন বুঝা যাইব। মাথায় ঘিলু যাগো একটু কম অথবা যাগো একটু বেশী বুঝনের প্রবণতা হেরাই খালি উলটা বুঝব।

আরবী বিরাট একখান লেক্সিকন আছে, যার নাম হইল "লিসানুল আরব"। ঐটা পইড়া কুর'আনের ভুল ধরতে আইসেন। আর একজন ভালা ক্লাসিক্যাল আরবী জানে এরকম উস্তাদের কাছে যাইয়া আগে আরবী শিখি নিয়েন।

নিজে এইসব উল্টা-পাল্টা ক্যাচাল থুইয়া কিছু ভালা গঠনমূলক কাম করেন। তাইলে মাথাটা ভাল কামে লাগব।

ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28754430 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28754430 2007-12-27 22:22:51
"মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল?" - এক অর্বাচীন বালকের জিজ্ঞাস্য।
যাহা হউক, আমি অদ্য পর্যন্ত "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" কি তাহা বুঝিতে সক্ষম হইয়া উঠিতে পারি নাই। ইহার মূল কারন ব্যক্তিগত ভাবে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করিতে পারি নাই এবং উহা দেখিবার সামর্থও আমার হয় নাই। আর যাহারা সর্বদা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফেরি করিয়া থাকেন তাহারাও কখনো এই চেতনার কথাটা উন্মুক্ত করিয়া বলিয়া দেন নাই। উহারা সব সময় "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বাগরীতিটি ব্যবহার করিয়া থাকেন। কিন্তু চেতনাটি কি ছিল তাহা বলিয়া আমাদিগের অজ্ঞতা দূর করিবার চেষ্টা করেন নাই।

ব্যক্তিগতভাবে এই অর্বাচীন বালক কিছু মুক্তিযোদ্ধাকে দেখিবার সৌভাগ্য অর্জন করিতে পারিয়াছে। বড় হইবার পর একদিন শুনিলাম আমাদিগের গ্রামের একলোক মুক্তিযোদ্ধা। দরিদ্র মনুষ্যটি অন্যদের ক্ষেত্রে শ্রমিকের কর্ম করিয়া কোনরূপে জীবিকা নির্বাহ করিয়া থাকে। তাঁহাকে কদাপিও নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলিয়া পরিচয় দিতে আমি দেখি নাই। তাহার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা শুনিবারও সুযোগ হয় নাই। ইহা ছাড়াও বড় হইবার পর আরো জানিলাম আমাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক এবং আমাদিগের দূর সম্পর্কের ভগিনীপতিও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের দলপতি ছিলেন। তাঁহাকেও আমি কখনো মুক্তিযুদ্ধের কোন চেতনার কথা বলিতে কদাপি শুনিতে পাই নাই। আমার মাতার ৪ জন পিসতুতো ভাই যুদ্ধপূর্ব কালে ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক ছিলেন যাহারা যুদ্ধ শুরু হইতেই মুক্তিযোদ্ধাদের দলে ভিরিয়া গিয়াছিলেন। ইহাদেরকেও আমি কদাপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলিতে শুনিতে পাই নাই। ইহারা যে কেহ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাহাও আমি অবগত হইয়াছি তখন যখন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িতে শুরু করিয়াছি। আরেকবার এক মুক্তিযোদ্ধার গৃহসঙ্গী (হাউস মেট) হইবার সৌভাগ্য হইয়াছিল যিনি আহসান উল্লাহ্‌ কারিগরি কলেজ (বর্তমানকালের বুয়েট) হইতে পাশ করা প্রকৌশলী। তবলীগ জামাআতের সাথে থাকিয়া লম্বা শশ্রু ধারণ করিয়াছেন বলিয়া মুক্তিযুদ্ধকালে মাতৃগর্ভেও আসেন নাই এমন কিছু "মুক্তিযোদ্ধা" কর্তৃক অপমানিত হইয়াছিলেন। এই ভদ্রলোকও এই অর্বাচীনকে কদাপি বলেন নাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল। স্বদেশের বাহিরে আসিয়া আরেক মুক্তিযোদ্ধার সাথে পরিচিত হইলাম যিনি মসজিদের নামাজের আহবানকারী। এই ভদ্রলোক, যাহাকে আমরা চাচা বলিয়া সম্বোধন করি, মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাহা আমি কষ্মিনকালেও কল্পনা করিতে পারি নাই। একদিন একজন ভ্রাতা জানাইলেন আমাদিগের চাচা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। চাচার প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ ছিল তাহা আরো বাড়িয়া গেল। চাচার সহিত বাক্যালাপ করিয়া জানিলাম যে তিনি মেজর রফিকের সেক্টরে যুদ্ধ করিয়াছেন। আর চাচা আমাদের "শেখ মুজিব" বলিতে পাগল। চাচাকে আমি জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম "কিসের লাগিয়া আপনারা যুদ্ধ করিয়াছিলেন?" তিনি একখানা উত্তর দিয়াছিলেন, যাহা আমি আপাতত পাঠকদিগকে জানাইতেছিনা? তবে কোন বিশেষ চেতনার কথা চাচা আমাকে জানাইতে অপারগ হইয়াছিলেন।

তাই অদ্য "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বণিকদিগের কাছে এই অর্বাচীন বালকের জানিবার ইচ্ছা, "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" বলিতে আপনারা প্রকৃতই কি বুঝাইয়া থাকেন? অনুগ্রহপূর্বক প্রকৃত অর্থটা আমাদিগকে জানাইয়া বাধিত করিবেন, যাহাতে আমাদিগের অর্বাচীনতা দূরীভূত হইয়া যায়, আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরাও সমুদ্ভাসিত হইয়া উঠিতে পারি।

যাহারা মন্তব্য করিবেন তাহাদের জন্য দ্রষ্টব্যঃ "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা" এই ধারণাটার সংজ্ঞাই শুধু মন্তব্যে প্রদান করিবেন। অন্যকিছু লিখিলে তাহা মুছিয়া ফেলিতে বাধ্য হইব।
বিজয়ের এই মাসে মুক্তিযুদ্ধ বণিকরা খুব সরব থাকেন। আশা করি তাহারা আমাদিগকে "মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা" সম্পর্কে অবগত করাইয়া বাধিত করিবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28749619 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28749619 2007-12-05 22:25:01
ইহারা কোনকালে সভ্য হইবে?
কিন্তু এই সমস্ত মুখোশের অন্তরালে ইহাদের রহিয়াছে অত্যন্ত কদাকার একটি রূপ। সর্বদা মুখোশের অন্তরালে মুখমণ্ডল ঢাকিয়া চলিলেও কদাচিত্‌ অসাবধানতা বশতঃ ইহাদের মুখোশ খুলিয়া গিয়া কদাকার অবয়বগুলি দৃশ্যমান হইয়া পড়ে। ইহাদের কদাকার অবয়বগুলি এত অধিক পরিমান অন্ধকার ছড়াইয়া থাকে যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রদীপ জ্বালাইয়াও ঐ অন্ধকার দূরীভূতকরণ কঠিন হইয়া পড়ে। ইহাদের কদাকার অবয়বগুলি শুধু অন্ধকারই ছড়ায়না, ইহারা পরিবেশকে পুতি-গন্ধময় করিয়াও তোলে।

অসিষ্ণুতা ইহাদের সর্বাধিক বড় বৈশিষ্ট। ইহাদের মতের সাথে না মিলিলে ইহারা অত্যন্ত ক্ষেপিয়া যায়। [অবশ্য শুধু ক্ষেপিয়া যাওয়া কোন সমস্যা নহে। কাহারও ধারণার বিপরীত কিছু দেখিলে ক্ষেপিয়া যাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক]। ইহাদের ক্ষেপিয়া যাওয়ার বিশেষ ধরণ হইতেছে যে ইহারা তখন দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হইয়া পড়ে। পরিণামে যাহা হয় তাহা হইল তখন ইহাদের মুখোশগুলি খুলিয়া পড়িয়া কদাকার রূপটা দৃশ্যমান হইয়া পড়ে। ইহাদের অসহিষ্ণুতার ধরণ হইতেছে ইহারা তাহাদের প্রতিপক্ষকে বুদ্ধিবৃত্বিকভাবে মুকাবিলা না করিয়া গালাগালি ও প্রসঙ্গ-বহির্ভূত ব্যক্তি আক্রমনে জর্জরিত করিয়া তোলে।

ইহাদের সাম্প্রতিক এইরূপ একখানা কর্ম হইতেছে বিবেক সত্যির ব্লগের মন্তব্য। তাহাকে মেরু প্রদেশে বসবাসকারী এক অসভ্য অনাকাংখিতভাবে গালি প্রদান করিয়াছে। [এখানে দেখুন]। উত্তর মেরুতে বসবাসকারী এই ব্লগার একইভাবে আমাকেও ব্যক্তি আক্রমন করেছিলেন "আবূসামীহার ব্লগে"। ঐস্থানে আমি মন্তব্য করিয়াছিলাম মোহাম্মদ আলী আকন্দ নামক জনৈক ব্লগারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁহার প্রতি। মেরুবাসী ঐ ব্লগার জেনারেলের মুখোশ ধারণ করিয়া আসিয়া আমাকে গালাগালি করিয়া গেলেন তখন যদিও তাহার সম্পর্কে বা তাহার মন্তব্য সম্পর্কে আমি কোনরূপ মন্তব্য করি নাই। আবূসামীহা পরবর্তীতে সেই মন্তব্যগুলি মুছিয়া দিয়াছেন।

উত্তরমেরুর বাসিন্দা এস্কিমোরা হয়তোবা সভ্যতা হইতে দূরে অবস্থান করিয়া থাকে। কিন্তু তাই বলিয়া উহারা এইরূপ কুত্‌সিত্‌ উক্তি করিবার মতন অসভ্য নহে। তাহাদের নাম লইয়া যাহারা এইরূপ কর্ম করিয়া থাকে তাহাদের প্রতি ধিক্কার রহিল। উহারা সভ্য হইয়া উঠুক, এই কামনা করিতেছি।

পুনশ্চঃ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যাহারা সত্যিকার ধারক-বাহক তাহাদিগকে কটাক্ষ করিবার কোনরূপ ইচ্ছা আমি পোষণ করি নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28747562 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28747562 2007-11-25 22:41:01
ব্লগীয় রাজার-আকার ও শান্তি বিনষ্টকারীগণ আমি জানিনা উপরোক্ত মন্তব্যে সম্মানিত ব্লগারগণ কি হৃদয়ঙ্গম করিতে পারঙ্গম হইলেন। কিন্তু এরূপই একটি মন্তব্য আমাকে উপহার প্রদান করিয়াছিলেন উত্তর মেরুতে বসবাসরত জনৈক ব্লগার। ব্লগীয় এক ভগিনী একদা একখানা অস্থায়ী পোস্ট করিয়াছিলেন জনৈক রুচি-বিবর্জিত ও সভ্যতা-পূর্ব যুগে বসবাসকারী ব্লগারের কতিপয় শ্লীলতা বিবর্জিত পোস্টের ব্যাপারে, যেখানে নিষিদ্ধ আত্মীয়-স্বজনের সাথে যৌন কর্মের কথা উল্লেখ করা হইয়াছিল, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের নিমিত্তে। তিনি উপরোক্ত পোস্টে উক্ত ব্লগারের রুচির ব্যাপারেও মন্তব্য করিয়াছিলেন। এই অর্বাচীন বালক ও আরো কতিপয় ব্লগার উক্ত শ্রদ্ধাস্পদ ভগিনীর সহিত মতামতের একাত্মতা ঘোষণা করিয়াছিল।
মেরুর দেশে বসবাসকারী আমাদের আলোচিত ব্লগার হঠাৎ করিয়া আসিয়া কিছুই না বুঝিয়া মন্তব্য করিলেন এবং নির্দিষ্ট করিয়া জানিতে চাহিলেন কাহার সম্পর্কে এই পোস্ট। উল্লেখ্য যে, উক্ত ভগিনী শুধু বলিয়াছিলেন কর্তৃপক্ষ কি নাসিকায় তৈল মর্দন করিয়া নিদ্রা যান যে ব্লগের ঐসব রুচি ও সভ্যতা-বিবর্জিত সদস্যদের আচরণ দেখেননা? তিনি কাহারও নাম উল্লেখ করিয়া বা উক্ত ব্লগারের ব্লগের ঠিকানা উল্লেখ করিয়া কিছু লিখান নাই। কিন্তু যাহারা দেখিয়াছিল তাহারা বুঝিয়াছিল। যাই হোক, আমার ব্যাপারে আমাদের আলোচিত মেরুপ্রদেশীয় ব্লগার শুরুর মন্তব্যখানা ঝারিয়া দিয়াছিলেন সেখানে।
অতঃপর দীর্ঘদিন অতীত হইয়া গিয়াছে। এই অর্বাচীনও এতদিন ব্লগে আসিতে পারে নাই। ব্লগে আসিয়া আবার প্রত্যক্ষ করিতে লাগিলাম অশান্তি। আর তখন স্মরণ আসিল "রাজার আকার" এর ব্যাপারটা। ব্যক্তিগত ভাবে এই অধম মনে করে রাজার কাজ রাজ্য পরিচালনা, রাজ্যে শান্তি-শৃংখলা আনয়ন করা, আইনের প্রয়োগ ঘটানো, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন, প্রজাদের মঙ্গল সাধন, রাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষা, ইত্যাদি। অবশ্য এই অর্বাচীন যেহেতু এই ব্লগের মালিক নহে তাই তাহার পক্ষে এখানকার রাজা হওয়া সম্ভব নহে। তবে রাজার-আকার ধারণ করিতে কোন সমস্যা আমি দেখিতে পাইনা। রাজা না হইলেও, রাজার আকারে ব্লগীয় অশান্তি সৃষ্টিকারীদের দমন করিতে রাজাকে সাহায্যতো করা যাইবে। অশান্তি সৃষ্টিকারীদিগের দমন করিয়া শান্তি আনয়ন করিতে রাজাকে সাহায্য করিতে আজি হইতে আমি "রাজার-আকার" ধারণ করিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28739384 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28739384 2007-10-24 09:08:51
মুখোশধারী ইসলামবিরোধী অন-লাইন যোদ্ধারা - ২
মূল এখানে


এদের মধ্যে সম্ভবত সবচে’ এগিয়ে রয়েছেন কানাডার টরোন্টোতে বসবাসরত ‘ফতেমোল্লা’। আসল নাম হাসান মাহমুদ। বাংলারইসলাম ডট কম নামে একটি ওয়েবসাইট চালান তিনি। ইচ্ছেমত ইসলামের বিরুদ্ধে মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে লিখে চলেছেন অবিরত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে লেখাপড়া করলেও এখন তিনি মুসলিম নামধারীদের নিয়ে মুসলমানদের উস্কে দেয়া সংগঠন মুসলিম কানাডিয়ান কংগ্রেস বা এমসিসি’র শারীয়া অ্যান্ড ইসলামিক ল’ বিভাগের ডিরেক্টর। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্থানের তারেক ফাতাহ্‌। উল্লেখ্য, মুসলিম সার্কেল অফ কানাডা বা এমসিসি নামে আরেকটি বাংলাদেশী মুসলমানদের সংগঠনের অস্তিত্ব রয়েছে যারা কিনা নিজ দেশের মানুষদের সমস্যা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যাহোক, মুসলিম নাম ব্যবহার করে পশুত্বেরও বিরোধী সমকামী আন্দোলনকেও ইসলামের সহমত মানবাধিকার আখ্যা দিয়ে তারেক ফাতাহ্ ও ফতেমোল্লার দল কিভাবে মুসলমানদের সর্বনাশ করে চলেছে তা কৌতুহলী পাঠকেরা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট মুসলিমকানাডিয়ানকংগ্রেস ডট অর্গ ব্রাউজ করলেই বুঝতে পারবেন। ২০০৫ সালে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে পারিবারিক সমস্যা সমাধানের জন্য আর্বিট্রেশন এ্যাক্টকে বিভিন্ন ধর্মীয় কোর্টে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নিয়মতান্ত্রিক ও যুক্তিভিত্তিক আন্দোলন না চালায়ে শারীয়া আইন নিয়ে ঘৃণ্য ও কুৎসিত অপপ্রচারে মেতে ওঠে এই এমসিসি। ড: তাজ হাশমীকে সাথে করে ফতেমোল্লা তার নিজের ভাষায় '৭১-র মত গর্জে উঠে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন! নিয়তের পরিহাসে এবার তিনি সহযোদ্ধা হিসেবে বাংগালীর বদলে পেয়েছেন পাকিস্তানী তারেক ফাতাহসহ পারভেজী, ইয়াজিদী, পারসিক, বাহাঈ, কালদিয়ান সম্প্রদায়ের মুসলিম নামধারী অন্য ধর্মের কিছু অনুসারী, যাদের সম্মন্ধে আমেরিকা ও কানাডার মুসলিম স্কলাররা নাম বিভ্রাটে পড়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সর্বদা সতর্ক করেন। পাঠকরা হয়তো জেনে থাকবেন, মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশে ইসলাম ছাড়া অন্য সব ধর্মের অনুসারীরাও আরবি ভাষাভাষী হওয়ায় মুসলিম ধরণের নাম (যেমন, রইস, মাহমুদ, আব্বাস, নাফিস, আব্দুল্লাহ ইত্যাদি) ও ইসলামী পরিভাষা (যেমন আল্লাহ, সালাম, জাযাকাল্লাহ ইত্যাদি) ব্যবহারসহ সুন্দর করে কুরআন তেলয়াত ও লম্বা সাদা মাথা ঢাকা কোর্তা পরিধান করেন। অথচ বিশ্বাসে ইসলামের সাথে আকাশ পাতাল ফারাক। যেমন, ইরাকে যীশু খ্রীষ্টের জন্মেরো আগে থেকে আজ পর্যন্ত ক্ষুদ্র ইয়াজিদী সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব রয়েছে যারা ঘোষণা দিয়ে শয়তানের ঊপাসনা করে, পারসিকরা এখনো আগুন জালিয়ে চারদিকে জড়ো হয়ে আগুনের নিকট ভাল-মন্দ প্রার্থণা করে, পারভেজীরা তো মুহম্মদকে পুরোপুরি অস্বীকার করে ইত্যাদি । উক্ত এমসিসি’র ক্ষুদ্র এ দল কানাডা সরকারের উদার ও মুক্তনীতির আনুকূল্যে বিভিন্ন টক শো’তে অংশ নিয়ে পলিটিকেল ইসলাম থেকে সরে মুহম্মদ (সাঃ) এর জন্মের ছয়শো বছর পরে বিস্তৃত সুফী ইসলাম এর দিকে আসতে মুসলমানদেরকে নসিহত করেন যদিও নিজেরা কোনটিতেই আস্থা রাখেন বলে প্রতীয়মান হয় না। এরা কানাডায় বসে শারীয়া আইনকে ইসলাম বিরোধী আখ্যায়িত করে একে শুদ্ধ পথে নিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন (দৈনিক নিউএজ, ১৮ই এপ্রিল, ২০০৫)। যেটি তারা নিজ নিজ দেশে ফেরত গিয়ে করলেই বেশী মানাত।

অনলাইন সাপ্তাহিকী ‘সাপ্তাহিক ২০০০’ এর জন্য অটোয়ায় থাকা ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটনের সাথে সাক্ষাৎকারে হঠাৎ গজিয়ে উঠা এই মোল্লা বলেছেন, ‘পয়গম্বর’ মানে হলো পয়গাম অর্থাৎ বার্তাবাহক, রাজনীতিক নয়। কোরআন শেষ নবীকে শুধু পয়গাম পৌছে দিতে বলেছে এবং বলেছে -‘ তুমি তাদের শাসক নও।‘ সংগীত সম্মন্ধে বলেছেন, সমস্ত সৃষ্টিটাই তো একটা সংগীত, কোরআন নিজেই এক মহাসংগীত। হজরত দাউদ (আঃ) নিজেই সংগীতজ্ঞ ছিলেন (Click This Link)।

ফতেমোল্লাকে সম্বোধণ করে ডঃ তাজ হাশমী লিখেছেন, আমি বিশ্বাস করি শুধুমাত্র কুর’আনের শিক্ষাদানের মাধ্যমে ইসলামকে পরিশুদ্ধ করার এখনোই উপযুক্ত সময়, ইমাম বুখারী-গাজ্জালী-আবু হানিফা যা করতে বলেছেন তার মাধ্যমে নয় (দৈনিক নিউএজ, ১৮ই এপ্রিল, ২০০৫)।
উল্লেখ্য, ডঃ তাজ হাশমী কানাডার ভ্যানকোভারে সিমন ফ্রেজার বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস পড়ান, ‘নো টু পলিটিকেল ইসলাম’ এর কনভেনর এবং ‘উইমেন এন্ড ইসলাম ইন বাংলাদেশ’ গ্রন্থের লেখক।

নিউইয়র্ক ও নিউ অরলিয়েন্স থেকে ডঃ জাফর উল্লাহ নামে আরেকজন অধ্যাপক নেটে ইসলামের বিরুদ্ধে ক্লান্তিহীনভাবে যাচ্ছে তাই লিখে মুসলিমদেরকে উস্কে দেয়ার কাজে লিপ্ত রয়েছেন। তরুন ইসলামী চিন্তাবিদ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী মুঃ সাইদুল ইসলামের এক ক্ষুরধার লেখার জবাব এনএফবি (News From Bangladesh)-তে এভাবে দিয়েছেন, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ইন্টারনেট ফ্রি থিংকাররা মুহম্মদের বাণী (মুসলিমরা যাকে কুর’আন বলে)-কে সম্পুর্ণ প্রত্যাখান করেছেন (Click This Link
31&hidType=OPT&hidRecord=0000000000000000004863)। পশ্চিম বাংলার তসলিমার ঘনিষ্ঠ অনুসারী মুহম্মদ আসগর বা ইঞ্জিনিয়ার আসগরকে সাথে করে ডঃ জাফর জায়নবাদীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ওয়েব সাইটসমূহে ইসলামকে বিশ্বের সমস্ত অশান্তির মুল কারণ এবং বাংলাদেশের সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পেছনে ইসলামের গন্ধ খুঁজে বের করার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরেক নরাধম নাইন ইলেভেনের পরে নিজ ধর্ম ইসলাম ত্যাগ করেছেন বলে আত্মপ্রচার করে এর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর কাজে সর্বশক্তি নিয়োজিত করেছেন মুহম্মদ (সাঃ) এর ডাক নাম ‘আবুল কাসেম’ নাম ধারণ করে (Click This Link)। কেনইবা মুসলিম হয়েছিলেন আবার কেনইবা তা ছেড়েছেন সেদিকে না যেয়ে পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন শব্দের বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়ে ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উত্তেজনা সৃষ্টির কাজ নির্লজ্জের মত চালিয়ে যাচ্ছেন। যেমন, ‘মুশরিক’ শব্দের অনুবাদ ‘মুর্তিপূজারী’ না করে এই নরাধম জেনে বা না জেনে ইহুদী-খ্রীষ্টান ও অবিশ্বাসীদেরকে এক কাতারে নিয়ে এসে নিজের মত করে ব্যাখ্যা দাঁড় করায়ে ইসলামের শ্ত্রুদের পোষা ক্রীড়নক হিসেবে ব্যবহ্নত হচ্ছেন। অথচ তার উদ্দেশ্য ভাল হলে বিভিন্ন ধর্মের মধ্যকার মিলসমুহ বের করে শান্তির অমিল বাণী প্রচার করতে পারতেন। অধিকন্ত, তিনি পবিত্র কুর’আন যে ঐশী গ্রন্থ না তা প্রমাণ করার অপচেষ্টায় কবি ইমরুল কায়েস, যায়েদ বিন আ’মর বিন নওফেল, কবি লাবিদ, ওরাকা, হাসান বিন সাবিতসহ ১৫ জনের তালিকা তৈরি করে এই বলে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে যে তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাবেই মুহম্মদ এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন!

ইন্টারনেটের আরেকজন মুখোশধারী লেখক ওয়াশিংটন থেকে নিয়মিত লেখেন তিনি হলেন সাইদ কামরান মির্জা। আসল নাম ডঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে রাশিয়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রী নিয়ে আমেরিকার ফেডারেল কৃষি বিভাগে চাকরি করেন। কোরআন পড়াশোনা করে তিনি যা পেয়েছেন তা হলো “..............চাকরানীর সাথে যৌন সম্পর্ক দিব্বি করা যাবে, অন্য ধর্মের মানুষ হত্যা করলে ছওয়াব হবে, অমুসলিম মরলে তার জন্য বদদোয়া করতে হবে, ইসলাম ছাড়া অন্যসব ধর্মকে মেরে তাবা করতে হবে, স্ত্রীদেরকে দিব্বি পেটানো যাবে, মেয়ে মানুষকে (চেহারা ঢেকে) বোরখা পড়াতে হবে এবং গৃহে বন্দী রাখতে হবে...... । ইসলাম বর্তমান বিশ্বের সভ্যতার প্রতি একটা বিরাট হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। তাই ইসলামের বিষদাঁত ভেংগে শান্তির ধর্ম বানানো সবার আজ দায়িত্ব।.........এটা হবে তখন শান্তির ইসলাম, যেমনটি আমরা দেখতে পাচ্ছি শান্তির খ্রীস্টান, শান্তির জুইশ, শান্তির হিন্দু এবং শান্তির বৌদ্ধ বহাল তবিয়তে আছে............. (http://www.shodalap.com/_MUKHOS_1.htm)।‘
সহযোগী হিসেবে সাথে রেখেছেন একই পথের পথিক বন্ধু জামাল হাসানকে। এদের যোগসুত্র বের করতে গিয়ে অনলাইন জার্নাল সদালাপের তৎকালীন সম্পাদক জিয়াউদ্দীন জামাল হাসানের ই-মেইলের বরাত দিয়ে লিখেছেন, ‘After we moved to this region and as I started to work with Dept. of Justice,……..I contacted my friend Dr. Khurshed Chowdhury……..(Date: Fri13,2001,5:30PM)।‘

দিগন্ত, নন্দিনী হোসেন, ঢাকাইয়া, নিত্যানন্দ, পরশপাথর, আবীসিনা, আমিল ইমানী, আয়েশা আহমেদ, দারিউস সিরাজী, ইমরান হোসেন, মোহাঃ সগীর, শেরখান, সাব্বির আহমেদ, সাইয়্যেদ এম. ইসলাম, সাইয়্যেদ ইব্রাহীমসহ অন্য যে কোন নামেই ছাপা হোক না কেন, এটা যে রসুনের এক একটি কোয়া আর রসুনটি যে টলারেন্সের ঠিকাদার সেটি যে ফেইথফ্রিডম ডট অর্গ (http://www.faithfreedom.org/Authors.htm)তা আর কাউকে বলে কয়ে বুঝাতে হবে না। সেই সাথে ঢাকার দেখভাল করার জন্য শাহরিয়ার কবীরের উপর যে কি দায়িত্ব দেয়া রয়েছে তা উক্ত ওয়েব সাইট ব্রাউজ করলেই বোধ করি পরিষ্কার হবে। ফেইথফ্রিডমের মিশন সম্মন্ধে বলা হয়েছে, প্রাক্তন মুসলিম হিসেবে একনিষ্ঠতার সাথে পুর্ব ধর্ম ইসলামের কদর্যরুপ মানুষের নিকট উন্মোচন করা ইত্যাদি। এর সাথে ইন্ধন যোগাচ্ছে প্রতিবেশী দেশ থেকে পরিচালিত বাংলাদেশকে উগ্র ধর্মীয় ও অকার্যকর রাষ্ট্র প্রমাণ করার নিরন্তর প্রয়াসে লিপ্ত সাউথ এশিয়ান এনালাইসিস গ্রুপ বা সায়াগ ডট অর্গ (http://www.saag.org)।

ছদ্মনাম ছাড়াও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লেখার আরেকটি নতুন সংযোজন হলো ই-মেইল জালিয়াতি বা ভূয়া ই-মেইল সৃষ্টি করে অত্যন্ত সুচতুরতার সাথে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার বা কমপক্ষে বিভ্রান্তি করার অপচেষ্টা। অন্যদিকে অন্যদেরকে বোকা ভেবে একাজটি করলেও প্রকৃতির অমোঘ বিধানে পাপীর পাপ ধরার পড়ার কোন না কোন নিয়মও সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। নিজের কম্পিউটারের অরিজিনাল আইপি এড্রেস ঠেকাতে রাউটার ব্যবহারের মাধ্যমে অসংখ্য ভূয়া আইপি এড্রেসের জন্ম দিয়ে অসৎ ঊদ্দেশ্য চরিতার্থ করার প্রয়াস ব্যর্থ করে দিচ্ছে এটিকেও ‘ডিটেক্ট’ করার নতুন কৌশল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে। সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক দলকে বিভ্রান্ত করতে ওই দলের নিজস্ব নামে একাউন্ট ওপেন করে ইমেইল করতে গিয়ে ধরা পড়ে যান প্রধাণ একটি দলের আমেরিকা শাখার সাবেক এক নেতা। তার পার্সোনাল কম্পিউটারের আইপি এড্রেস ও বাসার ফোন নাম্বার ট্র্যাক করে দেখা যায় মেইলটি মূলত আসছে মেরীল্যান্ডের ওয়াশিংটন থেকে।

অন্য আরেকটি ঘটনার ঊদাহরণ হিসেবে আমরা ‘দৈনিক আমার দেশ’-র এ বছরের জুন মাসের ১, ৬ ও ৮ তারিখের অনলাইন সংস্করণের লীড নিউজের নীচে ‘আপনার মন্তব্য দিন’ এর ঘরে গেলে দেখতে পাব কিভাবে অন্য আরেকটি ইয়াহু গ্রুপ ডাহুক থেকে অন্যজনদের লেখা চুরি করে প্রতিপক্ষ একটি দলের প্রধাণ নেতার নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে (Click This Link এবং Click This Link) । নিয়মিত ইন্টারনেটসেবীরা নিশ্চয়ই অবগত আছেন কোন্‌ চৌধুরী ও ভূঁইয়া নানা রং বেরঙের আঁকা বাকা লেখায় নিজ মতের বাইরের ব্যক্তিদের চরিত্র হননে সদা তৎপর।

আন্তর্জাতিক হিউম্যান রাইট্‌স এ্যাক্টে কোন ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের বিরুদ্ধে হিংসা, ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো অত্যন্ত গর্হিত ও দন্ডনীয় অপরাধ। যেহেতু এসব ষড়যন্ত্রের মূল হোতারা বেশীরভাগই কানাডায় বসবাসরত, আমরা সেদেশের ক্রিমিনাল কোডের দিকে নজর দিলে সেকশন ৩১৯ (১) এ দেখতে পাব (আমেরিকার আইনও মোটামুটি এরুপই );

319(1) Public incitement of hatred

Everyone who, by communicating statements in any public place, incites hatred against any identifiable group where such incitement is likely to lead to breach of the peace is guilty of
(a) an indictable offence and is liable to imprisonment for a term not exceeding two years; or
(b) an offence punishable on summary conviction.

শাস্তির এরকম সুস্পষ্ট বিধান থাকা সত্বেও দিনের পর দিন নিজেদের আড়ালে রেখে সরকারী অফিস-আদালত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব, পাবলিক লাইব্রেরী ইত্যাদি ব্যবহার করে শুধু এক দল মানুষের মর্মমূলে খুঁজে খুঁজে স্পর্শকাতর বিষয়সমূহ বের করে আঘাত চালানোর উদ্দেশ্য যে সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপাত্যবাদীদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে সারাক্ষন পৃথিবীটাকে অশান্ত রেখে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করা তা আমাদের বোঝা উচিত।
সত্যিকারের মুসলিমসহ সব ধর্মের অনুসারীদের নব্য ও পুরোনো সব ষড়যন্ত্রের নাড়ি নক্ষত্র সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থেকে মাথা ঠান্ডা রেখে বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে তা মোকাবেলার প্রস্ততি গ্রহন করলে অশান্ত পৃথিবীটাতে কিছুটা হলেও শান্তির সুবাতাস বইবে।

*লেখক সংবাদ কর্মী, ইমেইলঃ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28730020 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28730020 2007-09-08 09:28:36
মুখোশধারী ইসলামবিরোধী অন-লাইন যোদ্ধারা -১
মূল এখানে

মুখোশঃ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইন্টারনেটে লেখার অতি নিরাপদ হাতিয়ার!
-আবুসামারাহ*

এমন একটা সময় ছিল যখন নামকরা অনেক কবি, সাহিত্যিক নিজের লম্বা বা জটিল নামটাকে লুকিয়ে রেখে সুন্দর এবং ছোট্ট ছদ্মনাম ধারণ করে লিখতে পছন্দ করতেন। এখনো অনেকে লেখেন। ঊদ্দেশ্য যদি মহৎ হয় কিংবা তিনি যদি আত্মপ্রচার বিমুখ হন তাতে তো দোষের কিছু নেই। বনফুল নামের প্রিয় লেখকটি যদি সাদামাটা রেস্তোঁরায় বিকেল বেলার সিঙারা, পুড়ি খাওয়ার আপনার নিত্যদিনকার বন্ধু বলাইচন্দ্র হন, তাহলে তো আর কৌতূহলের শেষ নেই! এর মজাই আলাদা। শুধুমাত্র কাছের লোকেরাই জানেন চারুবাকের আসল নাম কোনটি অথবা লুব্ধকই বা কে?

সমস্যা তখনই দেখা দেয় যখন কেউ পুরুষ হয়েও মহিলার নাম ধারণ করে অথবা হিন্দু হয়েও মুসলিম সেজে কিংবা স্বনামে-বেনামে নোংরা, বিশ্রী ও অযৌক্তিক ভাষায় সমাজে অনাচার, বিভেদ ও ঘৃণা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন ইন্টারনেট গ্রুপে এক বিলিয়নেরও বেশী মানুষের ঐতিহ্য ও বিশ্বাস এবং নিজ দেশের বিরুদ্ধে বিরামহীনভাবে মসী চালিয়ে যান। নিজের বিশ্বাস যাই হোক না কেন (তাতে কারো যায় আসে ও না), কারও বিশ্বাসে আঘাত করাও যে জঘন্যতম অপরাধ তা তারা উদ্দেশ্যমুলক ভাবে না জানার ভান করেন বলে মনে হয়। অথচ এই ব্যধিগ্রস্ত লোকেরা উপলব্ধি করে না যে তারাও দুনিয়ার বুকে দাংগা, হাংগামা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে কম ভূমিকা রাখছেন না। উগ্র, উন্মাদ বা ফ্যানাটিকদের কবলে পড়ে সারা পৃথিবী আজ অশান্ত। ধর্মীয় বা জাতিগত ফ্যানাটিক যেমন ভয়ংকর আবার এদের দমনে কট্টর বিরোধী হওয়াও কম ভয়াবহ নয়।

এদের উদ্দেশ্যও হয়তো হবে মানুষজনেরা তাদের নিয়েই ব্যস্ত থাকুক। আমরা তাই বিস্তারিতভাবে সেদিকে আলোচনায় যাব না, শুধু পাঠকদেরকে মুক্ত আকাশ সংস্কৃতির এই হীন অপতৎপরতা সম্পর্কে সচেতন করতে যেটুকু তুলে না ধরলেই নয়, সেটুকু নিয়েই আলোকপাত করব।

সে যাহোক, দিন বদলেছে। নিজেকে লুকোনোর যত চেষ্টাই করা হোক না কেন, কম্পিউটার কিংবা ইন্টারনেটের এই যুগে আসল নামটা এক সময় নিজের ব্যক্তিগত সমস্ত গোপন খবরাদি নিয়ে বের হয়ে আসতে পারে। তখন একটি মিথ্যেকে প্রতিষ্ঠিত করতে শত শঠতা, মিথ্যে ও ভণিতার আশ্রয় নিতে হয়। অবশ্য মাঝে মধ্যে নির্দোষেরাও যে ‘ভিকটিমাইজ্‌ড’ হন না তাও কিন্ত নয়।
ঘরের মধ্যে বসেই ঐতিহাসিকভাবে চরম মুসলিম বিদ্বেষী ও বাংলাদেশের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা ইসরায়েলের কে বন্ধু তা জানাও আজ অসাধ্য নয়। সার্চ ইঞ্জিন গুগ্‌ল এ টাইপ করুন ‘আর ইউ ফ্রেন্ড অফ্‌ ইসরায়িল’, দেখবেন ঠিকই চলে আসছে ২৭১ নম্বরে সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর নাম (http://reborn-by-design.com/if-project03.html)। অথচ বেচারা কতবারই না অস্বীকার করেছিলেন! কৌতুহলী পাঠকদের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটসমূহ দেয়ারও চেষ্টা করব যাতে করে তারা ব্রাউজ করে পরে আরো অনেক তথ্য জেনে নিতে পারেন।
বিভিন্ন ই-গ্রুপে বছর চারেক আগে ‘রুদ্র মুহম্মদ’ নামে ইসলামকে তুলোধুনো করে নিয়মিত লিখত। পরে তার
কম্পিউটারে কৃত এক্রোবেট পিডিএফ ফাইলের প্রপার্টিজ এবং আইপি এড্রেস তালাশ করে দেখা গেল ‘রুদ্র মুহম্মদ’ নামের মুখোশধারী হলেন স্বঘোষিত নাস্তিক সিংগাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র অভিজিত রায়। মুক্তমনা ও ভিন্নমত নামের চরম ফ্যাসিস্ট দুটি ওয়েবসাইট ও ইয়াহুগ্রুপের কর্ণধার। সাথে রেখেছেন গুটি কতেক মুখোশধারী ‘কুদ্দুস খান’, ‘মেহুল কামদার’, ও ‘বিপ্লব পাল’ কে। তসলিমা নাসরিনের কবিতা “..............পাখি হয়ে ফিরব একদিন” ছেপে ও তার গুণকীর্তনের মধ্য দিয়ে সম্প্রতি মুক্তমনার নিবেদন ‘মুক্তান্বেষা’ র প্রথম বর্ষ , প্রথম সংখ্যা বের হলো ঢাকার ৬/৭ সেগুন বাগিচা ও বি/৬ ডোমিনো এল্ডোরাডো থেকে। যোগাযোগের জন্য নাম দেয়া হয়েছে সাইফুর রহমান তপনের (Click This Link)।

এ দুটি ওয়েবসাইট ও ইয়াহু গ্রুপের কাজই হলো অশালীন ও নীতিবিবর্জিত পন্থা অবলম্বন করে ইসলাম ও বাংলাদেশের নেতিবাচক দিক তুলে ধরে লিখে দ্রুত ইন্টারনেটে পোস্ট করা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ পথ হিসেবে নিজেদের আসল নাম আড়াল করাকে তারা পছন্দ করেন।
যেমন এক ‘আলমগীর’ লিখেছেন ‘নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিন, মুখোশ ছুঁড়ে ফেলি (http://www.shodalap.com/mukhosh_alamgir.pdf)’। নবী মুহম্মদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কুৎসিত চিত্র অংকনে ব্যস্ত সেতারা হাশেমের পরিচয় খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল বস্ততই তিনি একজন পৌঢ় পুরুষ, আসল নাম মহিউদ্দীন। নিউইয়র্কে থাকেন, বামপন্থী ঘেঁষা সংসদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে থাকেন কখনো কখনো (Click This Link)। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28730019 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28730019 2007-09-08 09:19:44
গৃহযুদ্ধের আহবান জানালেন আগাচৌ নিউ ইয়র্কে উদীচীর অনুষ্ঠানে আব্দুল গাফফার চৌধুরী - সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই
==============================
বিখ্যাত কলামিস্ট ও লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সকল সমস্যার উত্‌স হচ্ছে সেনাবাহিনী। বঙ্গবন্ধু, ৪ নেতা সহ দেশের সেরা সন্তানদের হত্যা করেছে ওরাই। এরাই এখন চক্রান্ত করছে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে শেষ করার। এজন্য বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই।

উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী ও দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

গত শনি ও রোববার নিউ ইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়াতে অবস্থিত পি.এস. ১১২-তে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলন।

আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের নয়। ওরা ভাড়াটে পাকিস্তানী। ৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে। আর এবার যুদ্ধ করতে হবে পাকিস্তানী দাসদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, এই সেনাবাহিনী প্রতিটি হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী। বাংলাদেশের জাতীয় নেতা ছাড়াও উদীচী ও রমনা বটমূল বোমা হামলার নেপথ্য নায়ক হচ্ছে তারা। এজন্য এদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া জাতি মুক্তি পাবেনা।
............................
গাফফার চৌধুরীর বক্তব্য রিপোর্টে আরো অনেক উস্কানীমূলক কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আমি তা আর উল্লেখ করে পাঠকদের বিরক্তি উত্‌পাদন করতে চাইনা।
কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার। তার বক্তব্য সুস্পষ্টভাবে গৃহযুদ্ধের আহবান। সেনাবাহিনী এবং সরকারের বিরুদ্ধে "সশস্ত্র সংগ্রামকে" গৃহযুদ্ধ ছাড়া আর কিছু বলা যায় কিনা আমার জানা নেই।

কি চান, মিঃ আগাচৌ? যারা তার মতো করে ভাবেন তারাও কি চান? দেশটাকে ছারখার করলে কার লাভ? গৃহযুদ্ধ লেগে গেলে লাভ হবে কাদের? দুনিয়ার অসংখ্য সশস্ত্র সংঘাত থেকে আমরা কি কোন শিক্ষালাভ করতে পারিনা?

দেশের নাগরিকরা যারা নানামূখী রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে দিশেহারা তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সমস্ত ধংসের দূতদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ছাড়া এখন আর কোন বিকল্প নেই। সশস্ত্র যেকোন সংগ্রামকে রুখে দেয়ার জন্য আমাদেরকে তৈরি থাকতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28728170 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28728170 2007-08-28 07:12:35
ইরানিয়ান ব্যাড গার্লস
লিংক ছবির এখানে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28724505 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28724505 2007-08-06 23:44:25
চাপ দিক দিল্লী, আর্জি নিয়ে হাসিনার দূত আমার কোন মন্তব্য নেই।
পুরো খবর নীচের লিংকেঃ
চাপ দিক দিল্লী, আর্জি নিয়ে হাসিনার দূত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28722670 http://www.somewhereinblog.net/blog/dwipboyblog/28722670 2007-07-25 23:05:07