
‘আমি অসহায়। আমার বাবা নেই, ভাইও নেই। আমরা দুই বোন। শুধু মা বেঁচে আছেন। পড়ালেখার জন্য তিনি খুব কষ্ট করে আমাকে টাকা-পয়সা দেন। মা ও বোনের স্বপ্ন ছিল পড়ালেখা শেষে আমিই পরিবারের হাল ধরব। কিন্তু এখন আমার ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হতে চলছে কিনা জানি না। সড়ক দুর্ঘটনায় আমি পঙ্গু হতে চলেছি। আমি বাঁচতে চাই, পড়ালেখা করতে চাই। পরিবারের হাল ধরতে চাই। আপনারা সহযোগিতা করুন।’
পঙ্গু হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ফ্যাল ফ্যাল করে কাঁদতে কাঁদতে এ আর্তি জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্রী আসমা আখতার। রোকেয়া হলের আবাসিক ছাত্রী। আসমার বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার নাটিমা ইউনিয়নে। মা আকলিমা বেগম বাড়িতে অন্যের কাঁথা সেলাই করে মেয়েকে পড়ালেখার টাকা দেন। আসমার ছোট বোন এইচএসসি ফলপ্রার্থী।
জানা যায়, দীর্ঘ এক মাস গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে গত ২৭ জুন উত্তরা ইউনিক পরিবহনের গাড়িতে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন আসমা আখতার। পথে মাগুরা-ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৩ জন মারা গেলেও ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান আসমা। আসমা বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালের ওয়ার্ড- ডি, বেড জি-২৭-এ ডাক্তার মুফাখ্খারুল বারীর অধীন চিকিত্সাধীন। আজ সকালে তার পায়ের অপারেশন হওয়ার কথা রয়েছে। বিভাগের শিক্ষক ও হল কর্তৃপক্ষের সীমিত সহায়তায় হাসপাতালে তার চিকিত্সা চলছে। চিকিত্সার জন্য দরকার আরও অনেক টাকা। যা তার অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। আসমার জন্য সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা— নাজমা খাতুন (সম্পর্কে ভাবী), সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-৩১১৪৮, ইসলামী ব্যাংক, ফার্মগেট শাখা, ঢাকা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



