ক্লান্ত আমি
০৪ ঠা জুন, ২০০৮ দুপুর ১:১০
আমি ক্লান্ত, খুব ক্লান্ত। আজকাল আর পারিনা, কোন বোঝা টানতে। এভাবে বলা হয়ত ঠিক হচ্ছে না। নিজের জগত নিজের সংসার তা যেমনই হোক না কেন, বোঝা নিশ্চয় বলা যায় না। কিন্তু কি করি বা কি করব, আমি যে আর পারি না। আজকাল অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠি। খুব বিরক্তি নিয়ে কাজ করতে যাই। আমার আজকাল খুব ইচ্ছা করে যাযাবর হয়ে যেতে। একটা কথা আছে তা হল, সুখে থাকলে ভুতে কিলায়। আমারও হয়েছে সে দশা ! আমার কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হয় না খুব একটা, চাইলে মাত্র সব হাতের কাছে পেয়ে যাই, সব কিছু থেকে দূরে থাকতে থাকতে যা হয়েছে তা হল আমি আজকের এই ক্লান্ত আর বিষন্ন আমিতে পরিণত হয়েছি।
এর থেকে বের হওয়া দরকার। অনেক ভাবে চেষ্টা করেছি, ঘরের কাজে মন দিয়ে দেখলাম, আমার রুমকে নতুন করে গোছানোর দিকেও গিয়েছি, কিছুতেই কিছু হয় না। উৎসাহ হারিয়ে ফেলি মাঝপথে। আমি শুধু আমার কাজের ক্ষেত্রকেই ভালবাসি। বাসায় ফিরলেই আলস্য ঘিরে ধরে। দিন দিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।
একটা কাজই খুব ভাল পারি, গান শুনতে শুনতে বই পড়া। এটাই আমার জগত, বাকি সব মিথ্যা।
আমি চিৎকার করতে চাই খুব, বষ্টিতে ভিজতে ভিজতে !!!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: সব যদি এমন ভাল হত।
লুবনাআহেমদ বলেছেন:
এ যেন আমার নিজের কথা। কিভাবে মিলে গেলো?
লেখক বলেছেন: আমরা মানুষ বলেই হয়ত।
চে বলেছেন:
আপনার চেয়ে আমি ভাল আছি। জীবনটা ছাড়া কিছুই রেডিমেড পাইনি, সবই অর্জন করতে হয়েছে। ক্লান্ত হওয়ার মত অবসর পাইনি।১৭/১৮ বছর আগে টিভি-তে একটা এড দিত। যতদুর মনে পড়ে লুডিওমিল নামের একটা ঔষধের এড। সেখানে একটি বিষন্ন মেয়ে বসে কাগজ টুকরো টুকরো করে ছিড়ছে। টেলেপে একটি লেখা উঠত, বিষন্নতা একটি রোগ।
এ এডের পরিপ্রেক্ষিতে আমার এক প্রিয় মানুষ বলেছিলেন (এডের) ঐ মেয়েটাকে লুডিওমিল না দিয়ে একশ গ্রাম মরিচ বাটতে দিলে বিষন্নতা কোথায় পালাত।
গুড়া মসলার যুগে মরিচ বাটার দরকার নাই। বেশী বেশী লিখুন। ভাল লাগবে।
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়ে আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম, এত সুন্দর করে বুঝিয়ে বলেছেন।
উধাও ভাবুক বলেছেন:
আপনার মত এমন ভাবনার বা যাতনার শিকার অনেকেই আছেন।আমি একটা গল্প লিখেছিলাম, গল্পটার নাম মানুষের ভীড়ে।
সেখানে যাকে নিয়ে গল্পটার মুল কাহিনী সে একসময় ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে আর ঘরে ফিরবেনা বলে। সারাদিন আবোল-তাবোল চিন্তা করে ঘুরে ফিরে একসময়, তখন রাত ১০ টার মত বাজে। প্রচন্ড গর্জণে ঝড় ছাড়ছে। সে দেখলো রাস্তার ওপারে মানুষ হুড়মুড় করে গাড়ীতে উঠছে ঘরে ফিরে যাবার জন্য। ঠিক তার পাশ দিয়ে লাঠি দিয়ে ঠুক্ ঠুক্ করে পথ চিনে ঘরে ফিরছে এক অন্ধ ভিখারী। সে ভাবে
কিসের টানে মানুষ গরে ফেরে গৃহপালিতের মত ? কে পুষছে মানুষকে ?
মায়া, মায়ায় পুষছে মানুষকে। যার টানে মানুষ গরে ফেরে আবার নতুন করে সাজায় সবকিছূ। একসময় গল্পের নায়ক ও সেই মানুষের ভীড়েই মিশে যায়।
অসগ্লগ্ন ! না মোটেও না। একদম সত্য কথাটা বলেছেন। আর এভাবে বলতে পারলে অনেকটা হালকা হওয়া যায়। আসা করি ভাল আছেন। ভাল থাকুন। সেই প্রত্যাশাই করি।
লেখক বলেছেন: খুব ভাল লাগল আপনার কথাগুলি, খুব খাঁটি কথা বলেছেন !
নিলা বলেছেন:
সারাদিন ঝিম মেরে বসেই থাকি.........তবুও কেনো জানি ক্লান্তি আর বিষন্নতা আমারও মনটা ছেয়ে যায়। গান আর বই পড়তে যেহেতু ভালো লাগে, তাহলে অবসর সময়ে সেটাই করুন।
মনের মেঘ সরে গিয়ে ঝলমলে হয়ে উঠুন এই কামনা করি। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমি সবসময় ভাল থাকি, দিন গিয়ে যেমন রাত আসে তেমনি করে আসে বিষন্নতা। আপনিও ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এটা পাওয়া যাচ্ছে না , বিকল্প কি আছে ?
উধাও ভাবুক বলেছেন:
বাংলা সাহিত্যের বাইরে অন্যকিছু পরেন না ? বিশেষ করে টলস্টয়, গোর্কি, দস্তয়ভস্কি এসব ?
উধাও ভাবুক বলেছেন:
নতুন লেখা কোথায় ?
পারভেজ বলেছেন:
আপনার লেখা পড়তে গিয়ে উধাও ভাবুকের লেখার দিকে চোখ চলে গেল! চমৎকার লিখেন উনি!!আপনি লিখতে থাকুন! কত সময় পার হয়ে যাচ্ছে কতো কিছুই তো হয়ে যাচ্ছে, তাই না? ভাল থাকবেন!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না