আমার প্রিয় পোস্ট
- অশোকনামা - সিদ্দিক আহমেদ
- পরাধীন ভারতে প্রাচ্যজাগতিক চর্চা ও বুদ্ধিজীবীদের বর্ণ বিদ্বেষ - রঞ্জন বর্মণ
- মুসলমানের দর্শন ও বিজ্ঞান তথা মুক্তবুদ্ধি চর্চা (পর্ব-১১) - পারভেজ আলম
- প্রিয়বরেষু জাহিদুর রহমান মাসুদের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত নোট - প্রতিধ্বনি, তুমিতো
- প্রাচীন বাঙলার শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর - ভাবসাধক
- স্রষ্টা তার স্পেশ্যাল এজেন্ট এর কাছে কতই না অসহায়.......... - ত্রিদীব
- আবদুল্লাহ্ ইবনে সাবার কল্পকাহিনী ও শীয়া মতবাদ - জাগারণ
- বাঙালি মুসলমানের পরিচয়.. - খারেজি
- কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি - সাহোশি৬
- মদিনার তিনটি ইহুদি গোত্রের বিতাড়ণ -এপোলোজেটিক এবং এটাকিং ভার্শন - দুরের পাখি
হায় ঈশ্বর!!! শেষপর্যন্ত তুমিও আমাদেরকে দালালের খপ্পরে ফেললে!
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
আমাদের সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাটা এমনভাবে গড়ে ওঠেছে যে আপনি জমি কিনতে বা বিক্রি করতে চান, পাসপোর্ট করতে চান, ইন্সুরেন্স করতে চান, বিদেশে যেতে চান, সরকারি অফিসে কোন তদবিরে যান, ঠিকাদারি সংক্রান্ত কোন কাজ বা অন্য যেকোন কাজ করতে চান আপনাকে এক শ্রেণীর লোককে ভায়া ধরে তা করতে হবে। কোন সময়ই সরাসরি কর্তৃপক্ষের দেখা বা তাঁদের মাধ্যমে তা করতে পারবেন না। এই শ্রেণীটিকে আপনি মধ্যস্বত্ত্ব ভোগী, ব্রোকার, প্রমোটর বা খাঁটি বাংলায় দালাল বলতে পারেন। সাধারণ লোকের কাছে এই শ্রেণীটি রক্তচোষা জোকের চাইতে হিংস্র বলে বিবেচিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এদের কদর অনেক বেশি। কারণ এদের যোগানো অর্থেই সংশ্লিষ্টদের প্রাসাদ, স্ত্রী'র দামী অলংকার, দেশ-বিদেশ ঘুরা, সন্তানদের অভিজাত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ার খরচ চলে।
ঈশ্বর হচ্ছেন কর্তৃত্বের ও কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ স্তর। কাজেই তাঁকে আপনি এতো সহজে পেয়ে যাবেন তা চিন্তা করলেন কি করে! আপনি কোন অবস্থায়ই তাঁর কাছে সরাসরি পৌছতে পারবেন না। সরাসরি কোন কিছু চাইতে পারবেন না। তার কাছে পৌছার জন্য, চাওয়ার জন্য ঈশ্বরও এক শ্রেণীর মধ্যস্বত্ত্বভোগী, ব্রোকার কিংবা দালাল শ্রেণী নিযুক্ত করেছেন। যাদেরকে আপনি তাঁর প্রেরিত পুরুষ, পুত্র, বন্ধু বা মুক্তিদাতা বলে স্বীকৃতি না দিলে আপনারও মুক্তি মিলবে না। দুনিয়ার মধ্যস্বত্ত্বভোগী, ব্রোকার কিংবা দালাল শ্রেণী যেমন কর্তৃপক্ষের কাছে অতি প্রিয় তেমনি ঈশ্বরের দালালরাও ঈশ্বরের কাছে অতি প্রিয়। তাঁদের সবাইকেই বিনা হিসেবে শুধু স্বর্গই প্রদান করা হয়নি বরং তাদের সুপারিশ ব্যতিত আপনি স্বর্গের দরজার টিকিটিরও নাগাল পাবেন না। কাজেই আপনার ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার প্রথম ধাপ হচ্ছে এই দালাল শ্রেণীটিকে সন্তুষ্ট করা।
হায় ঈশ্বর!!! জগৎপিতা হয়েও তুমি সুবিধাবাদীদের মতো আচরণ করলে! শেষপর্যন্ত তুমিও আমাদেরকে দালালের খপ্পরে ফেললে!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
ভালো লেগেছে। +
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
কি আর করবে বলুন???
ঈশ্বরওতো ঠেকে আছেন সমুদয় মুরখ বান্দাদের নিয়ে। যে কেবলই পেতে চায়। ভবেও স্বর্গেও!!!!!
মুফতে পাওয়ার লোভে তারা বকে অবিরাম!!!!
আবার পেলেও তারেই বোকা বলে হাসে মূর্খের হাসি!!!!!!
তো বেচারা আর কি করে?? সাইজ করার জন্য আর কি?????
মাসুম রাঢ়ী বলেছেন:
মনে নেই মানিকের সেই অমর উক্তি!! ঈশ্বর থাকেন ভদ্র পল্লিতে এখানে তাকে খুজে পা..........
লেখক বলেছেন: ঠিক করা হয়েছে।
অনেক ধন্যবাদ
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আরে তাইত, ঈশ্বরের উচিত ছিল সবাইকে ইমেইল করে নিজের কথা বলা। ঠিক না?আরে ভাই, আপনিও নাগরদোলায় চড়ে ঘুড়েন, আর পৃথিবীটাও ঘুড়ে। দুইটাকে এক সাথে উদাহরণ হিসেবে দিয়ে নোবেল পুরস্কার নেয়ার ইচ্ছা সবারই থাকে, সেটা বুঝলাম।
গায়েবী আওয়াজ দিয়ে মাইকের মতন আওয়াজ করে ঈশ্বর নিজের কথা ১ বছর পরে পরে বললে মানুষ বানিয়ে লাভ কী? সবাই তখন ফেরেশতা হত, ঠিক না?
সব সৃষ্টি আসলে সৃষ্টিকর্তার কাছে খেলা, আর কিছু না! আমার বা আপনার পক্ষ-বিপক্ষে যাওয়াতে উনার কিছু যায় আসে না, যদি কারও কিছু যায় আসে, সেটা আমাদেরই।
আর, একেক ধর্মে এককে ঈশ্বর আছে। আপনার মতের শিওরিটি কেউ দিবে না। শুধু বিশ্বাসের উপর সব। অনেক ধর্মেই ঈশ্বর কাউকে পাঠায়নি, বরং নিজেই অবতার হিসেবে এসেছেন। আপনার আগ্রহ বেশি হলে ওদিকেও যেতে পারেন।
কিন্তু কথা হল, প্রথমে আপনার সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ হন।
লেখক বলেছেন: "আর, একেক ধর্মে এককে ঈশ্বর আছে। আপনার মতের শিওরিটি কেউ দিবে না। শুধু বিশ্বাসের উপর সব। অনেক ধর্মেই ঈশ্বর কাউকে পাঠায়নি, বরং নিজেই অবতার হিসেবে এসেছেন। আপনার আগ্রহ বেশি হলে ওদিকেও যেতে পারেন।"
আপনার মন্তব্যের এই অংশটি যথেষ্ট আপত্তিকর এবং তা শালীনতার পর্যায়ে পড়েনা। আমি কোনদিকে যাব সেটা একান্তই আমার নিজস্ব। এটা আপনার লিজের সম্পত্তি নয়।
আমার বিবেক আছে এবং তার নির্দেশে চলার মতো মানসিক দৃঢ়তাও আছে। আমার দালাল ধরার প্রয়োজন নেই। কথাটি শুধু আমার ক্ষেত্রে নয়, সর্বজনীন সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ঈশ্বরের দালাল তাঁদেরই প্রয়োজন যারা ঈশ্বরকে নিয়ে ব্যবসা করতে চায়।
মুঘল সম্রাট বলেছেন:
শিক্ষক হতে চাইলে আপনাকে প্রথমে ছাত্র হতে হবে।জগতে শিক্ষকের সাহায্য ছাড়া শিক্ষক হওয়ার সংখ্যা আছে কিনা আমার যানা নেই।
আপনি যে দালালদের কথা বলেছেন এদের সংখ্যা তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতেই বেশি বিদ্যমান।
বাবা হতে হলে প্রথমে কারও না কারও সন্তান হতেই হবে। এক্ষেত্রে বাবাকে দালাল বললে বোধ হয় খুব বেশি অপরাধ হবে না।
.....................
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















