somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এস.এম.এস সার্ভারের ব্যপারে জানতে চাই সবাই কেমন আছেন? অনেকদিন পর ব্লগে কীবোর্ড চালাচ্ছি। তবে বরাবরের চেয়ে একটু ভিন্ন উদ্দেশ্যে-
আমি একটা এস.এম.এস সার্ভার সেটআপের ব্যপারে আগ্রহি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমার জ্ঞানের পরিধি খুবই সীমিত। অভিজ্ঞ কারো মতামত/উপদেশ চাচ্ছি। আমার প্রশ্ন হলো-

# এস.এম.এস সার্ভার সিস্টেমের জন্য কি কি ডিভাইস প্রয়োজন?
# এতে সর্বমোট খরচ কত হতে পারে (আনুমানিক)?
# দেশে ডেভেলপ করা এস.এম.এস সার্ভার সফটওয়্যার আছে কি? কারো যদি জানা থাকে তবে তাদের যোগাযোগের ঠিকানা;



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28863046 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28863046 2008-11-01 17:06:36
পুনশ্চ: বিষন্ন উৎসব
নিদারুন উল্লাসে ফোয়ারারা রক্ত ছুড়ছে আকাশের পানে,
সমগ্র নগর-তোরন ছেয়ে গ্যাছে ধূসর ফেস্টুনে।
এমনই এক উৎসবমুখর মাঝরাতে, আদিমতা সেরে
যখন মৃত এক কবি দীর্ঘশ্বাস ফ্যালে
হারনো তার সব কবিতার কথা ভেবে-
তখন উড়ে যায় নিশাচর প্রেতাত্মারা।
খোলা জানালার পর্দার ব্যালে নৃত্যকে তুমুল করতালিতে ভাসিয়ে,
যুগল ধোঁয়াশারা বিবর্ণতার মুখোশ পড়ে হয়ে যায় অবিনশ্বর।
আর আমি নীলের অর্থ খুঁজে ফিরি
ধূসর সব ক্যানভাসের আনাচে-কানাচে।

ছাতের কিনারে আর নেই কারো ছায়া আজ
শুধুই অশ্রুর মতো চাঁদের পাশে তারা বিষন্ন চেয়ে রয়
উৎসবে ডুবে যাওয়া এই শহরের পানে...
ফিরে এসেছে বিষন্ন উৎসব আবারো
মৃত সেই কবিতার টানে।

________________
রচনাকাল: সমসাময়িক অতীত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28828545 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28828545 2008-08-08 00:34:44
তথ্যবহুল লিংক; সৌজন্যে সুদীপ্ত সরকার আমার পোস্টে করা সুদীপ্ত সরকারের কমেন্ট। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ সুদীপ্তদা।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824535 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824535 2008-07-27 01:59:41
ভূমিকম্প বিষয়ক পোস্ট জরিপ <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> সাইনে প্রচুর পোস্ট এসেছে ভূমিকম্প বিষয়ক। সবগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেলো কমেন্টের দিক দিয়ে মাহবুবা আখতারের পোস্ট সবচেয়ে হিট। একজন দেখলাম উনার পিসি এবং খালার খোজখবর নিতাসে। বড়ই মজাক পাইছি কমেন্ট পইরা।

সবচেয়ে তথ্যবহুল পোস্ট দিয়েছেন জি,এম, শাহারীয়া আযম (রুমি)। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824527 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824527 2008-07-27 01:27:49
ভূমিকম্প!!! বিশাল ঝাঁকি মারসে! আর একটু লম্বা হইলে খবর আসিলো।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824508 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824508 2008-07-27 00:58:33 ভূমিকম্প!!! http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824503 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28824503 2008-07-27 00:56:43 জীবনের মানে গহীন হৃদয়ে গোপন দরোজা খুলে যায়,
হঠাৎ বয়ে যাওয়া এক ঝলক বিষন্ন বাতাসে।
কি যে বিষন্ন সে বাতাস!
কোথা হতে আসে?
আর কোথায়ই বা যায়.....?
কেউ কি তা জানে?!
এতোদূর পথ হেঁটে এসে আজো হলোনা জানা-
এই জীবনের মানে.....

(সময়কাল: বিস্মৃত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28819313 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28819313 2008-07-12 01:19:41
ব্হুদিন পর!! মাঝখানে বয়ে গেছে নদীর অনেক জল। বহুদিন পর আজ আবার পোস্ট করতেছি সামহোয়্যারইন এ.... কেমন আছেন সবাই?

এখন খিচুরী দিয়া লাঞ্চ করতে যামু। আইসা অফিসের সেকেন্ড হাফে আরেকবার পোস্টাইতে পারি.. দোয়া রাইখেন। <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28816402 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28816402 2008-07-03 13:48:18
বৃক্ষের ইশতেহার (কবিতা) আর সব শুকনো-গুড়োরা পুড়ে পুড়ে ফুসফুসের স্টপেজ ছুঁয়ে উড়ে গেছে সেই সে কবে।

জীবন এখন আর আর আগের মত জীবনময় নয়- অভিযোগ করলো এক বেদুইন উট!
আমি কি শুষে নিয়েছিলাম সেই উদর-নর্তকীর মেদ ছুঁয়ে আসা শ্বেদবিন্দু?
ভাবতে ভাবতে ৫৫টি বালুঝড় শু্য়ে বসে কাঁটিয়ে দিলো এক চিমসে যাওয়া বুক।

নর্তকী... ওলো নর্তকী
দিসনি তুই দিতে আমায় ডুব সাঁতার, তোর গভীর নাভিতে
খুবলে খেলো এক শকুনী, আমার সব বৃত্তবন্দী সুখ।

১৬ মে, ২০০৮

(উৎসর্গ: "ঘোলাটে কাঁচের" কোন এক কবিকে।)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28798499 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28798499 2008-05-16 02:43:05
আমার হাতে মলাটে-বাঁধা ঘোলাটে কাঁচের ওপাশে... <img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28798477 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28798477 2008-05-16 01:33:58 কত্তদিন পর !!!
আসতালা (উইন্ডোজ) ভিসতা বেইবী.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28794526 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28794526 2008-05-05 18:51:53
.... সকালে অফিসের পথে গাড়িতে বসে আনমনে কি জানি ভাবছিলাম। আব্বার কথায় ঘোর কাটলো- "আজকে রতনের মৃত্যুবার্ষিকি"। রতন, আমার মেজোচাচা; চাচাদের মধ্যে আমার আব্বার সবচেয়ে প্রিয়জন ছিলো সে। আর আমার অদ্বিতীয় মেজোচাচ্চু। "দশ বছর হয়ে গেল"- আব্বার আবার বললেন। আমি তার দিকে তাকালাম। ছোটভাইয়ের স্মৃতির ধুলো পড়া তাঁর লালচে ভেজা চোখের দিকে তাকিয়ে আমি আবার ঘোরে পড়ে গেলাম। এখনো ঘোরেই আছি।

মেজোচাচ্চুর, বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28792015 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28792015 2008-04-28 09:34:55
অতিপ্রাকৃত ব্যর্থতা (কবিতা) মুখোমুখি দু'জন অন্ধকার দেয়াল;
তুমি উলম্ব আবেশে মগ্ন, আমি অনুভূমির সমান্তরাল।

এই আমি-তুমির খেলায় ডুবে থাকা এক সনাতন গর্দভ আয়েশ খোঁজে নানা আসনে,
প্রেমের অসুখ আর প্রতিদানের কথামালা ঝুলতে থাকে তার মৃত অস্তিত্বের কল্লা ধরে।

বুকের খাঁচাটার ফাটল চুঁইয়ে টপ্ টপ্ করে ঝরে পড়তে থাকে সব ইতিহাস তারপর।
রাতের আকাশ আর তারার দিকে পিঠ ফিরিয়ে,
মুখ গুঁজে সেই প্রতীক্ষারত বুকের শূণ্যতায় তখন দাঁত বসায় টাটকা মৃত্যু।
সেফটি ট্যাঙ্কে কিলবিল করতে থাকা কীটের মত
মৃত্যু ধীরে ধীরে ভরে ফেলতে থাকে বুকের সবটুকু শূণ্যতা।
আর সেই সনাতন গর্দভ আহ্লাদে গদোগদো হয়ে ওঠে-
"শূণ্য খাঁচায় নাকি ফিরেছে অচিন পাখি!"
ছোলা কলা দিয়ে বুকের খাঁচায় মৃত্যুটাকেই পুষতে থাকে সেই অলৌকিক গর্দভটা;

পিছনে অন্ধকার দেয়ালে মুখোমুখি দু'জন মুগ্ধচোখে
কেবলই চেয়ে থাকে একে অপরের দিকে।
আর ভালবাসার কথা কয়....
টিক্ টিক্ টিক্ ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28791571 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28791571 2008-04-27 00:58:24
ঝিম্ সাঁতার (কবিতা) ঝিম্ সাঁতার

বৈদ্যুতিক দোলাচলের ঝাঁকিতে ঝাঁকিতে ভেসে দারুন সব কবিতারা
আবার খুবলে খাচ্ছে আমাকে বহুদিন পর;
আমার পায়ের অবশ কনিষ্ঠাঙুল
প্রথম সঙ্গমের ভূল
যখন ডুবে যায় ঈশ্বরের ভেড়ার উন্মাতাল ধাতব ঝঙ্কারে,
জংলি ছোপের বেডশীটটা ঝাপসা হয়ে
ঝুলতে থাকে সূর্যের ডিম...
ঝুলতে থাকে প্রশ্ন...
বলতে পারেন পঁচাত্তরে মিলবে কয়টি আম?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28789158 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28789158 2008-04-19 00:54:31
শামসুর রাহমানের কবিতা: কবিকে দিও না দু:খ
কবিকে দিও না দু:খ
শামসুর রাহমান

কবিকে দিও না দু:খ দিলে সে-ও জলে স্থলে হাওয়ায় হাওয়ায়
নীলিমায় গেঁথে দেবা দু:খের অক্ষর। কবি তার নি:সঙ্গতা
কাফনের মতো মুড়ে রাখে আপাদমস্তক, হাঁটে
ফুটপাতে একা,
দালানের চূড়ায় চূড়ায়, দিগন্তের অন্তরালে
কেমন বেড়ায় ভেসে, চাঁদের নিকট যায়, নক্ষত্র ছিটোয় য্ত্রতত্র
খোলামকুচির মতো। তাকে দু:খ দিও না, চৌকঠ থেকে দূরে
দিও না ফিরিয়ে।
ফেরালে নক্ষত্র, চাঁদ করবে ভীষণ হরতাল, ছায়াপথ তেজস্ক্রিয়
শপথে পড়বে ঝরে, নিমেষেই সব ফুল হবে নিরুদ্দেশ।

প্রায়শ পথের ধারে ল্যাম্পোস্টে হেলান দিয়ে খুব
প্রচ্ছন্ন দাঁড়িয়ে থাকে, কখনো বা সীমাহীন রিক্ততায়
রেস্তোঁরায় বসে
বান্ধববিহীন বিষাদের মুখোমুখি
নিজেই বিষাদ হ'য়ে। মাঝে মধ্যে চৌরাস্তা খুঁড়ে তোলে এক
গোপন ফোয়ারা পিপাসার্ত পথিকের আঁজলা ভরবে ব'লে।
আবার কখনো তার মগজের উপবনে লুকোচুরি খেলে
খুনী ও পুলিশ!

মধ্যরাতে শহরের প্রতিটি বাড়ির দরজায় কিছু ফুল
রেখে আসে নিরিবিলি কাউকে কিছু না ব'লে। কবি সম্মেলনে
রাজধানী আর মফস্বলে স্টেজে কয়েক ডজন
পঙক্তির জোৎস্নায় রৌদ্রে পুনরায় স্নান সেরে স্বকীয় গোপন ঘুলঘুলিটার
দিকে চোখ রেখে নীলিমার সঙ্গে বাণিজ্যের কথা ভাবে, ভাবে
সুদূর অনন্ত তাকে চোখ টিপে বেঘোরে ঘোরাবে কতো আর?
কবি সম্মেলনে তেজী যুবরাজ, প্রেমের নিকট বাস্তবিক
বড়ো নগ্ন, বড়ো অসহায়!

কবিকে দিওনা দু:খ, স্বপ্নের আড়ালে তাকে তীব্র
আবৃত্তি করতে দাও পাথর, পাখির বুক, গাছ,
রমণীয় চোখ,
ত্বক, হেঁটে যেতে দাও ছায়াচ্ছন্ন পথে, দাও সাঁতার কাটতে বায়ুস্তরে একা,
অথবা থাকতে দাও ভিড়ে নিজের ভেতরে। রোজ
হোক সে রূপান্তরিত বার বার। নিজস্ব জীবন রেখেছে সে
গচ্ছিত সবার কাছে নানান ধরনে অকপট।
কবিকে দিও না দু:খ, একান্ত আপন দু:খ তাঁকে
খুঁজে নিতে দাও।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28788344 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28788344 2008-04-16 13:51:47
"বন-আপেতিত" http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28787021 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28787021 2008-04-12 08:15:23 ফেরারি প্রতিক্ষা

গত জীবনের শেষে যখন দাঁড়িয়েছিলাম মৃত্যুর দ্বারে,
শেষবারের মত পিছু ফিরে আমি খুঁজেছি তোমায় ক্ষণিকের তরে।
ছিলেনা তুমি আমার অপেক্ষায় হায়;
জন্মান্তরের শেকলে বাঁধা আমি, আজো খুঁজে চলেছি তোমায়।

বিবর্ণ প্রহরগুলো ধুসর তুলিতে আঁকা,
দিকহারা পথিক, পথে একাকী চলতে থাকা;
একবুক অভিমান কান্না হয়ে রয়ে যায়।
ছিলেনা তুমি আমার অপেক্ষায় হায়;
জন্মান্তরের শেকলে বাঁধা আমি, আজো খুঁজে চলেছি তোমায়।

হারালো সব স্বপ্নগুলো হারিয়ে যাওয়া কোন গানের সাথে,
ছিলে তুমি পাশে আমার, ছিল তোমার ছোঁয়া আমার এই হাতে।
আগুনরাঙা সন্ধ্যায় আমি তোমার কাছ থেকে নেইনি বিদায়,
ফুরোলো একাকী পথ কেনও তবু শূণ্যতায়...

ছিলেনা তুমি আমার অপেক্ষায় হায়;
জন্মান্তরের শেকলে বাঁধা আমি, আজো খুঁজে চলেছি তোমায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28786749 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28786749 2008-04-11 03:50:06
বুড়া হইয়া যাইতাছি... সবসময় মুরুব্বিদের মুখ শুনে এসেছি এই টাইপের কথা। কিন্তু ব্যপারটা বুঝি নাই। এখন বুঝি। বেড়ে চলেছে বয়স। তৃতীয় বিশ্বের নাগরিক হিসাবে নিম্ন গড় আয়ুর একটা প্যাঁচে পড়ে অবস্থা আরো কঠিন। জিগরি দোস্তরা মিলে গলির মোড়ে সান্ধ্যকালীন আড্ডার সময় ইদানিং আলোচনায় আরও বেশি বেশি চলে আসছে টপিকটা। বয়স আমাদের কতই বা আর?! সবার বয়সই ২৫-২৭ এর কোঠায়। এই বয়সে অন্যান্য (পশ্চিমা) দেশের যুবক/যুবতীরা যখন তাদের কামনা-বাসনার ওয়াইন দিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা জীবনের বার-বি-কিউ। আর আমরা প্রতিটি অবসর সন্ধ্যায় দোকানের সামনে পার্ক করা গাড়ীর গায়ে হেলান দিয়ে এনার্জি ড্রিংক এ চুমুক দিতে দিতে উড়িয়ে দিতে থাকি নিজেদের আয়ু, সোনালি বাক্স থেকে আসা শলাকার সাথে পুড়িয়ে। সেই সময়ই মঞ্চের পিছনে চলে অন্য খেলা। কারো মগজের ভিতর একটু পর পর ঘাই মার ২ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে গাড়িতে সি.এন.জি নেয়ার দুশ্চিন্তার মাগুর মাছ। বিয়ের গিলোটিন প্রেতাত্নার ছায়ার মত ঝুলে আছে কারো মাথার উপরে। বেকারত্নের অদৃশ্য জালে মোড়া কারও প্রতিটি হাসি। দম বন্ধ হয়ে আসা ছোট ১০/৮ ফুট বাক্সে গরমে ঘামতে ঘামতে কাশির দমকে গভীর রাতে যখন ভেঙে যায় ঘুম তখন খুব হিংসে হয় প্রেমিকার মাথা বুকে নিয়ে সাগর পাড়ের বাংলোয় ঘুমিয়ে থাকা যে কোন কাউকে। তখন শ্বাপদের মত একটা উপলব্ধি ঝাপিয়ে পড়ে কামড়ে ধরে কাঁচা ঘুম থেকে জেগে উঠা এলোমেলো সব চিন্তার অস্তিত্বটাকে- স্বাভাবিক মৃত্যুর সৌভাগ্যও যদি জোটে এই কপালে, তাহলে আনুমানিক ৫০ বছরের গড় আয়ুর অর্ধেকটা পথ পেড়িয়ে এসেছি। এখনো দেখিনি, করিনি, পাইনি অনেক কিছু্ই।

হ্য়তো এ জীবনে আর হবেও না কখনো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28786605 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28786605 2008-04-10 15:53:20
অপ্রাপ্তিগাঁথা-১
কাঠের গাড়ি
শৈশব সবসময়ই মধুর। পাবলিক বাসের সিটের গা ঘিনঘিন করা চটচটে পুরু ময়লার আস্তরে পিঠ ঠেকিয়ে আমি প্রায়ই দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবি আমাদের সেই কাঠের গাড়িটাকে। পুঁতি-গন্ধময় মুড়ির টিনের ভিতরে জন্মানো সাদাটে পোকার মত ছটফট করতে করতে শৈশবের মধু চেটে চেটে খাই তখন নষ্টালজিক আমি।

আমার নানীর বাড়ি ছোটবেলা থেকেই ছিল আমার খুব প্রিয় জায়গা। মা'র সাথে যখন সেখানে যেতাম, আর সাথে জুটতো সব খালাতো/মামাতো ভাই বোনদের বিশাল ব্যাটালিয়ন, দুনিয়াটাকে তখন মনে হতো ম্যাগাইভারের গবেষনাগার। (সেইসময়কার সুপারহীট টিভি সিরিজ)। আর আমরা সবাই একেক জন ক্ষুদে ম্যগাইভার। নানার রেখে যাওয়া বিরাট জমির এক কোনায় একতলা একটা বাড়ি। সামনের বিশাল খোলা উঠোন। উঠোনের পাশে দেয়াল ঘেঁষে সারি ধরে দাঁড়নো সব গাছ। খেঁজুর, নারিকেল, কাঠবাদাম থেকে শুরু করে কি ছিলনা সেইখানে? জঙ্গলঘেরা সে এক বিশাল রাজত্ব ছিল আমাদের। দাবড়ে বেড়াতাম আমরা সবাই আমাদের সেই রাজত্বে, ইচ্ছেমত। এমনই এক রাজকার্যরত দিবসে, আমার এক মামাতোভাই তিড়িং-বিড়িং লাফাতে লাফাতে চরম এক বাদশাহি সন্দেশ (খবর) নিয়ে এলো। তার পিতা (আমার মামা) নাকি রাজি হয়েছেন আমাদের এক গাড়ি বানিয়ে দিতে। কাঠ দিয়ে বানানো হবে সেই গাড়ি। আকারে মোটামুটি বিশাল। আমাদের মত (চার/পাঁচ বছর বয়সি) ৩/৪ জন সেই গাড়িতে এঁটে যাবে অনায়াসে। সমস্যা হল আমরা সংখ্যায় ৯/১০ জন। কিভাব সেই গাড়ি চালানো হবে সেই ব্যপারে কোন তথ্য নেই। কিন্তু তা নিয়ে আমরা বিশেষ চিন্ভিত হলাম না। কোন একটা রাস্তা মামুজান রেডি রাখবেন নিশ্চয়ই। আমবা তাই "কি ভাবে চালানো হবে" তার চেয়ে "কে কে গাড়িতে আগে উঠবে" সেই সিরিয়াল নির্ধারনেই বেশি মনোসংযোগ করেছিলাম। তখন কি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল এই অস্থির বয়সে এসে তা আজ আর মনে নাই। নিউরনে সংরক্ষণের জন্য বড় অপ্রয়োজনীয় ছিল সেই তথ্য।

কড়া এক ঝাঁকুনি খেয়ে বাসের সিটের বাড়িটা হাঁটুতে হজম করে নিতে নিতে মনে পড়ে- মামার সেই কাঠের গাড়িটা কখনো বানানো হয়ে উঠে নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28786256 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28786256 2008-04-09 02:58:09
আর আসেনা কবিতা... তার স্তন্যাগ্রে দু'আঙুলে চিমটি কেটে কাগজের বুকে দাগ কেটে যাই;
আর তার নাম দেই কবিতা, ব্যস এভাবেই কোনরকম লেখা হয়।
কিন্তু সত্যি বলছি, কবিতা এখন আর আমার শয্যায় পেতে দেয় না তার ঊরু,
কবিতা আর আসে না আমার কাছে।

আগে আমার অভ্যাস ছিল ছড়িয়ে ছিটেয়ে বাতাসে উড়তে থাকা
শিমূলতুলোর মত কষ্টগুলোকে হাত বাড়িয়ে ধরার।
ধরে ধরে সেগুলোকে বুকের ভেতর ভরে আমি একটা বালিশ বানাতাম,
নরম তুলতুলে বালিশ।
সেই বালিশটা কেন জানি কবিতার খুব প্রিয় ছিল।
সেটার লোভেই কবিতা যখন-তখন মেনে নিতো আমার সাথে যন্ত্রনাক্লিষ্ট সঙ্গম;
ছেনালের মত কাতর শব্দে আমাকে গ্রহন করে
সে আঁকড়ে ধরত সেই বালিশটা,
ওটার লোভেই এক গোলাপী রাইটিং-প্যাডে সে এঁকেছিল ২৯টি সঙ্গমের
কালচে রক্তাক্ত চিহ্ন।

ক্ষোভের তীব্র জিঘাংসায় একদিন আমি ছিঁড়ে-খুঁড়ে ফেলেছি
আমার প্রতিপক্ষ সেই কষ্টের বালিশকে।
তারপর খালি বিছানায় টেনে এনে ছুঁড়ে ফেলেছি কবিতাকে;
"এবার আয় নটী, দেখি কত খেলতে পারিস!"
এরপর বড়জোর দু'বার কি তিনবার।
আর আসেনি কবিতা।

আত্নসন্মানের দম্ভে আমিও আর ডাকিনি তাকে, জাহান্নামে যাক...
ইংলিশ রোডে দাঁড়িয়ে গালে সস্তা রুজ মেখে খদ্দের ডাকুক গে খানকী,
তাতে আমার কী?
নীলচে খাঁকি পোষাকের বাতাস লেগে মরুক সেই মাগী,
আমার তাতে কী?

অথচ আমার শিয়রেই বসেছিল সে তখন থেকে।
চিতাকাষ্ঠে পড়ে র‌য়েছে যেন অনন্তকাল ধরে এক আশ্চর্যরকম সতেজ
টাটকা শবদেহ।
গায়ে তার জমছে ধুলো, তেলাপোকা কামড়ে খাচ্ছে তার নরম গোলাপী ঠোঁট।
তারপরও আসেনি আমার কাছে সে।
এতোটা অভিমান কোথায় পেলে? শুধালাম তাকে;
আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে থেকে থেকে
যা ছিল তার সবটুকু নিয়ে নিলে? কবে কোন ফাঁকে!

আমি ডাকি নি বলেই অভিমানি কবিতা আর আসেনা আমার বিক্ষত বুকে।

কবিতা আর আসে না

কবিতা আর আসে না

.... আর আসে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28785622 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28785622 2008-04-06 13:54:23
সত্যদর্শন-২ (পূর্বপ্রকাশের পর)

বাসার সামনে থেকে বাসস্ট্যান্ডের ৫মিনিটের দুরত্ব। রিকশার সিটে বসে সামনে তাকিয়ে থমকে গেলাম; চালকের জামার পিঠে হলুদ অক্ষরে লেখা- "মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রাম পরিষদ"। দুই কাঁধে এ্যাপুলেটে সস্তা লাল প্লাস্টিকের ব্যাজে সোনালি খোদাই- "মুক্তিযোদ্ধা"। গ্লানিতে ভরে গেল মন কিছুক্ষণ আগের নিজের ভাবনার কথা মনে করে। কি করা উচিত ভেবে পাচ্ছিলাম না। কেবলই মনে হচ্ছিল ক্ষমার অযোগ্য একটা কাজ করে ফেললাম। বাংলাদেশের বিজয়ের ৩৬তম বর্ষপুর্তিতে দেশের শ্রেষ্ঠতম সন্তানদের একজনের পিঠে সওয়ার হয়ে বসে আছে আমার তেল-ঘি খাওয়া নধর দেহ!! ৫ মিনিটের পথ এতো দীর্ঘ মনে হয় নাই আগে কখনো।

নিজের অপরাধবোধটা কমানোর জন্য কি করা যায় তাই ভাবছিলাম প্রাণপণে। কি করলে কমবে মনের গ্লানি? একবার ভাবলাম রিকশা ভাড়া ১০টা টাকা বেশী দিয়ে দিব। পরক্ষণেই মনে হল, এতো আরো চরম অপমানকর ব্যপার। ১০ টাকা দিয়ে কি আমি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান(!!) দেখান কথা চিন্তা করছি?!! ছি: ছি: ছি:

ততক্ষণে রিকশা এসে দাড়িয়েছে বাসস্ট্যান্ডের পাশে। রিকশা থেকে নেমে শ্লথ হাতে মানিব্যাগের টাকা ঘাটতে ঘাটতে মনটাকে কিছুতেই সান্ত্বনা দিতে পারছিলাম না। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল আর সংবাদপত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের কথা আর সাক্ষাৎকার দেখে/পড়ে এসেছি আজীবন। মন থেকে তাদের বসিয়েছি অনেক উঁচু সন্মানের স্থানে। আজ, এমন এক বিশেষ দিনে এতো কাছ থেকে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখে কি যে করা উচিত তাই ভেবে পেলাম না! এই প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি আমি। এতোটা মানসিক দৈন্যতা পেলাম কবে? কিভাবে?

মানিব্যাগ থেকে চোখ না তুলেই প্রশ্ন করলাম- "চাচা আপনি কি মুক্তিযোদ্ধা?"। প্রত্যুত্তর এলো একটামাত্র শব্দে, "জ্বী"। ৫টাকার নোটটা তার হাতে দিয়ে ঘুরে দাঁড়ালাম। মাথানত, দাঁড়িয়ে থাকলাম কিছুক্ষণ। পা দুটো পাথরের মত লাগছিল। কি মনে করে যেন আবার ঘুরে দাঁড়ালাম, হাতটা বাড়িয়ে দিলাম লাল-সবুজের দিকে। হাত বাড়িয়ে আমার হাতটা ধরলেন প্রৌঢ় মুক্তিযোদ্ধা। ছোট, খসখসে চামড়ার পরিশ্রমী হাত। আমি কিছু চাইনি তার কাছে, কিছু বলিও নাই। কিন্তু তিনি বললেন। বললেন "দোয়া করি।" আমি মাথা নিচু করে ছিলাম শুরু থেকে শেষ পর্য়ন্ত। চোখ তুলে তাকাতে পারি নাই।

ঘুরে দাঁড়িয়ে যখন আমি বাসস্ট্যান্ডের দিয়ে পা বাড়লাম, চোখ ফেটে পানি আসছিল কেন জানি না। গলার কাছে দলা পাকিয়ে আটকে রেখেছিলাম কান্নাটাকে অনেক কষ্টে। কারণ বাসস্ট্যান্ডের অনেককেই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতে দেখছিলাম আমার মুখের দিকে। কান্না চাপতে গিয়ে কুঁচকে ওঠা চেহারা দেখে তারা অবাক হতেই পারে। কারণ আমার হাতে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধার হাতের স্পর্শটা তাদের চোখে পড়েনি।

পড়ার কথাও নয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28785193 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28785193 2008-04-04 12:55:51
সত্যদর্শন-১
দিনটার শুরুটা আমার জন্য অবশ্য খুব একটা সুখকর ছিল না। ছুটির দিন একটু লম্বা সময় ঘুমের ইচ্ছা নিয়ে বিছানায় গড়াগড়িটা ভালই উপভোগই করছিলাম। কিন্তু মোবাইলের কল্যানে তা আর হল না। অন্যঘরে চার্জে দেয়া নোকিয়াটা ছোটবোন যখন বিরক্তির সাথে আমাকে ধরিয়ে দিয়ে গেল, স্ক্রিনে ততক্ষণে মিসকলের সংখ্যা ১১টা। যেতে হবে মগবাজার। নাস্তার পিছনে বিনিয়োগ করার মত সময় এ্যাকাউন্টে নেই। কোনভাবে জামাকাপড় পড়ে মুখটা ধুয়ে বেড়িয়ে এলাম রাস্তায়। মনে মনে হিসাব করছি উত্তরা থেকে মগবাজার যেতে কতটা সময় লাগতে পারে। চিন্তার ফাঁকেই আনমনে হাত তুলে ইশারায় ডাকলাম চলন্ত একটা খালি রিকশাকে।

আমার সামনে এসে রিকশা ব্রেক কষার আগেই যা আমার নজর কাড়লো তা হলো- প্রৌঢ় রিকশাচালকের জাঁদরেল গোঁফ। মোটা ঘন গোঁফজোড়া পাখা মেলে আছে দুই জুলফির কাছাকাছি পর্যন্ত। চালকের পরনে সবুজ পিরান টাইপের একটা পোষাক (বিটিভির প্রাচীন নাটকগুলোর গ্রাম্য চরিত্রদের পরনে ছাড়া এ বস্তু অন্য কোথাও দেখার সুযোগ হয়নি)। বুকের কাছে লাল বৃত্তের ভিতরে হলুদ মানচিত্রটাও চোখে পড়ল। মনে মনে রিকশাচালকের ফ্যাশন সচেভনতার তারিফ না করে পারলাম না। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজের মডেলদের দেখেছি ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে এরকম টি-শার্ট পড়ে পত্রিকার পাতায় হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে/বসে থাকতে, কিন্তু নিজে সাহস করে কেনা হয় নি। ২৬শে মার্চে এর চেয়ে চালু স্টাইল আর কিই বা হতে পারে? মনে মনে হাসতে হাসতে উঠে পরলাম রিকশায়, বললাম- "চাচা আজমপুর বাসস্ট্যান্ড চলেন।"

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28784877 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28784877 2008-04-03 02:48:59
ভাবতেই ভালো লাগে... আমি এখন প্রথম পাতায়!!!
আপনাকে ফ্রন্টপেইজ একসেস দেওয়া হয়েছে

ব্লগের পরিস্থিতি এখন থমথমে। গুমোট একটা আবহাওয়া সামহোয়্যারইন এর প্রতি পাতায়। নবীন এক ব্লগার হিসাবে আমার শুধু একটাই কামনা- কেটে যাক এই অসহ্য ধূসর মেঘ। হেসে উঠুক জীবনের ছোঁয়ায় সবার বিষাদমাখা হৃদয়। পূর্ণ হোক সবার মনের আশা।

সবাই ভাল থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28784760 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28784760 2008-04-02 19:02:20
পুনরাগমন জীবনপথে
কোথায় ছিলে
যখন চূর্ণ আমি পুড়েছিলাম অনলের সাথে,
দেখেছিলাম ভেসে যেতে জানালা গলে
দিনগুলোকে, জানালার ওপাশে।

কোথায় ছিলে তুমি,
যখন অসহায় অস্তিত্ব আমার বিলীন আঘাতে,
কারণ তুমি আর তোমার শব্দরা ঘিরে ছিল আমায়
মিশে ছিল আমার প্রতিটি প্রশ্বাসে।

::অসমাপ্ত::


(Coming Back to Life; আমার জীবনের চিরন্তন এক অাবেগের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য আকার। মা-ভাষায় ধরতে গিয়ে চতুর্থ চরণে পড়ে গেলাম কুয়ার ভিতর; আর উঠতে পারি নাই। এহেন ধৃষ্টতা প্রদর্শনের জন্য সকল ফ্লয়েডিয়ানদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28784613 http://www.somewhereinblog.net/blog/elsewhere/28784613 2008-04-02 04:33:05