একদিন টিচার গরু রচনা লিখতে দিয়েছেন। কোরবান লিখেছে:
"গরু একটি উপকারী প্রাণি। গরুর একটি লেজ, দুটি কান ও চারটি পা আছে। ঘাস গরুর প্রধান খাদ্য। তাই বলে গরুকে কেউ নদীর ধারে বেঁধে রাখবেন না, কেননা নদীতে কুমির আছে।
আর আমরা জানি কুমির একটি হিংস্র প্রাণি। কুমিরের চারটি পা, একটি লেজ ও মুখে অনেকগুলা ধারাল দাঁত আছে। সারা গায়ে কাটা কাটা কাটা কাটা......"
আরেকদিন টিচার লিখতে দিয়েছে বাড়ির রচনা। কোরবান লিখলো:
"বাড়িতে আমরা বাবা, মা, ভাই-বোন নিয়ে বসবাস করি। বাড়ি আমাদের নিরাপদ আশ্রয়। তাই নদী-নালার ধারে বাড়ি বানানো উচিৎ নয়, কেননা নদীতে কুমির আছে।
আর আমরা জানি কুমির একটি হিংস্র প্রাণি। কুমিরের চারটি পা, একটি লেজ ও মুখে অনেকগুলা ধারাল দাঁত আছে। সারা গায়ে কাটা কাটা কাটা কাটা...."
কোরবানের এই কাণ্ড কারখানায় টিচার খুবই ত্যাক্ত বিরক্ত। তিনি ঠিক করলেন কোরবানকে এমন কিছু লিখতে দিতে হবে যাতে সে কিছুতেই কুমিরের প্রসংগ টেনে আনতে না পারে। অনেক চিন্তা ভাবনা করে তিনি ক্লাসে রচনা লিখতে দিলেন, বিষয়: পলাশীর যুদ্ধ। কোরবান খুব সুন্দর হস্তাক্ষরে লিখে নিয়ে আসলো:
"পলাশীর যুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক ঘটনা। এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বাহিনী ইংরেজদের কাছে পরাজিত হ্য় এবং বাংলা পরাধীন হয়ে পড়ে। নবাবের বিশাল বাহিনীর কাছে এই যুদ্ধ জয় করা কোন ব্যাপারই ছিল না, কিন্তু নবাব সিরাজউদ্দৌলা যুদ্ধের ময়দানে মীরজাফরকে বিশ্বাস করে যেন খাল কেটে কুমির ডেকে আনলেন।
আর আমরা জানি কুমির একটি হিংস্র প্রাণি। কুমিরের চারটি পা, একটি লেজ ও মুখে অনেকগুলা ধারাল দাঁত আছে। সারা গায়ে কাটা কাটা কাটা কাটা.... "
------------------------------------------------------------------------
এভরিবডি টেক কেয়ার

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


