রুমনি'র যত অভিযোগ
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৭
তাবিজ-কবজ করেও দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানা হক পপির কাছ থেকে ফেরাতে পারিনি অপিকে। ফেনসিডিল সেবনও বন্ধ করতে পারিনি। অবশেষে বাধ্য হয়ে স্বামী সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার মেহরাব হোসেন অপিকে ডিভোর্স দিয়েছি’ জানালেন অপির প্রথম স্ত্রী সাদিয়া হোসেন রুমনি। আর এজন্য অপি তার পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবরা মিলে একের পর এক মামলা দিয়ে তাকে ঘায়েল করার চেষ্টা করে। বৃহস্পতিবার রাত ২টায় অপি (২৯) ও তার সাবেক স্ত্রী সাদিয়া হোসেন রুমনি(২৬) কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুরান ঢাকার আগা সাদেক রোডের ৯৯ নম্বর বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রম্ননি পুলিশ নিয়ে তার সাবেক স্বামী অপিকে ধরাতে গিয়ে নিজেও গ্রেপ্তার হন। পরে অপিকে জেলে পাঠানো হলেও রম্ননি জামিনে মুক্তি পান। এর আগেও রম্ননি রমনা থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ওই সময়ও তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।
এরপর গত ২৫শে জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৪-এ তার সাবেক স্বামী অপির বিরুদ্ধে একটি পিটিশন মামলা করেন। এ মামলাতেই অপি এখন জেলহাজতে।
তিনি জানান, ২০০০ সালে বরিশালে খেলতে গিয়ে ফারজানা হক পপির সঙ্গে অপির পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সময় অনেক হোটেলে পপিকে নিয়ে রাত কাটিয়েছেন। ক্রিকেটাররা আমাকে ফোন করে এসব কথা বলেছেন। চার বছর আগে পপিকে বিয়ে করে উত্তরায় বাসা ভাড়া করে সংসার শুরু করেন। তখন পপির কাছ থেকে অপিকে ফিরিয়ে আনতে অনেক হুজুরের কাছে গিয়েছি। তাবিজ এনেছি। ওই সময় আমার শাশুড়ি শাহনাজ হোসেন দিলু ও ফুফু শাশুড়িও সঙ্গে ছিলেন। তবে ফেরাতে পারিনি। ফেনসিডিল সেবন থেকে ফেরাতে তাবিজ -কবজে কাজ হয়নি। তিনি আরও বলেন, আড়াই বছর আগে উত্তরার বাসা থেকে অপিকে ধরে নিয়ে আসি। আরজু, আইরিন ও মুন্নি ভাই-বোন। অপির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়। আমি কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করিনি। অপির লোকজন ২৫শে জুলাই থেকে আমার পেছনে লেগে আছে। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। পপির ঘরে সাত মাসের ছেলে আছে। রম্ননি বলেন, ১৯৯৮ সালের ২৮শে মার্চ অপির সঙ্গে সম্পর্ক করে আমার বিয়ে হয়। আমার আট বছরের সংসার পপি ভেঙে দিয়েছে। এখনও সংসার করছেন। আমারও চার বছরের মাহাদিন মেহরাব ইয়াস নামের এক ছেলে রয়েছে। এরপরও আমি এসব কারণে গত বছর ২৭শে নভেম্বর অপিকে ডিভোর্স দেই। এরপর থেকেই অপি তার বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে আমাকে হুমকি দিতে থাকেন।
চতুরভূজ বলেছেন:
অপি Stupid টার কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। আরেক ক্রিকেটার শফিউদ্দিন বাবুও এইরকম এক মেয়ের শরীরে এসিড ছুড়ে মেরেছিল। এই জানোয়ারদের মুখে চুনকালি মেখে সারা বাংলাদেশ ঘুরানো উচিত।রুমনির জন্য সহমর্মিতা।
বকলম বলেছেন:
এইসব নিউজ ছড়ানোটা রুচিকর নয়। এটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়।
পরোপকারী বলেছেন:
বাংলাদেশের ক্রিকেট প্লেয়ারদের তথ্য অনুসন্ধানে গোয়েন্দা বাহিনীকে লাগিয়ে দিলে এই রকম আরও অনেক অপি পাওয়া যাবে। একজন ক্রিকেট তারকা হয়ে ফেনসিডিল সেবন,এবং নারী নিয়ে নারকীয় খেলায় মেতে উঠা!!! ছিঃ ছিঃ । ভাবতে অবাক লাগে।অন্যায়ের বিরুদ্বে কথা বলা অন্যায় নয় @ বকলম ভাই।
প্রাকৃতজন বলেছেন:
আমার ঘৃণা লাগছে।
ইলা বলেছেন:
ছিঃ ছিঃ ওরা এটো খারাব! জানতাম নাতো।
তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন:
অপি রে একটা লাথ্থি মারতে চাইতাছি ।


















