somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রক্তের স্রোতে মুক্তির গান গেয়ে স্বাধীনতা আসে
কঠিন সাধনা, অকান্ত শ্রমের শেষে
অর্জণের সুখে কান্ত সাধক হাসে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28778821 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28778821 2008-03-13 17:11:57
প্রিয় ব্লগারবৃন্দ একটু দয়া করবেন কি? প্লিজ................. প্রিয় ব্লগারবৃন্দ আমাকে একটু সাহায্য করেন প্লিজ। কিছু প্রয়োজনীয় কাজের জন্য কয়েকটি ওয়েব সাইটের ঠিকানা প্রয়োজন। বিশেষ করে লন্ডন তথা ইংল্যান্ডের বাংলা পত্রিকার ওয়েবসাইট, ইউ এস এ আমিরিকার বাংলা নিউজ পেপারের ওয়েবসাইট, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা মিডিলইস্ট তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা পত্রিকার ওয়েবসাইট। দৈনিক কিংবা সাপ্তাহিক পত্রিকা হতে।

এছাড়া ফটো এজেন্সি এবং নিউজ সার্ভিস এর ওয়েবসাইট প্রয়োজন। দয়াকরে আমার প্রিয় ব্লগারবৃন্দ এতটুকু উপকার করবেন? প্লিজ......................!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28776688 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28776688 2008-03-05 20:44:30
ভালবাসা কারে কয়.........? ভালোবাসা হচ্ছে ভালোবাসা।
ভালোবাসা হচ্ছে রাতভর নেটওয়ার্ক জ্যাম
ভালোবাসা হচ্ছে দিনে ঘুম আর রাতভর জেগে থাকা।
ভালোবাসা হচ্ছে দুই মোবাইল সাতটা সিম
ভালোবাসা? আপনে বলেন তো দেখি?
ভালোবাসা হচ্ছে পাশের বাড়িতে কে ছাদে উঠল কে উঠল না কেন উঠল না ।

এই যুগের প্রেম ভালোবাসা

গোটা পাঁচের পছন্দ থাকেই। কারও জন্য তো আর জীবন থেমে থাকতে পারে না।
এই দাঁড়াও তোমার সঙ্গে একটু পরে কথা বলছি অথবা কল ওয়েটিং, ইউজার বিজি জাতীয় কার্যক্রম।
নিজের সময়কে অনেকের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার মহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

ভালোবাসা বা প্রেম করবেন কেন?

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে
যা নিজের কোটা পূর্ণ করতে।
কথা বলে মোবাইল কোম্পানিগুলোকে অর্থ সংস্থানে সাহায্য করতে।
খাওয়া-দাওয়া করে রেস্টুরেন্ট বা ফাস্টফুডের কুক ব্যাটার চাকরি বাঁচিয়ে রাখতে।
ঘুরে বেড়িয়ে ওয়ান্ডারল্যান্ড, নন্দন পার্ক, ফ্যান্টাসি কিংডমের আয়োজনগুলো সফল করতে।
ঘুরে অথবা খেয়ে রিকশাওয়ালা, বাদাম ওয়ালা, চানাচুর ওয়ালা, চা ওয়ালা ভাইদের ভ্রাম্যমান পেশাকে মহিমান্বিত করতে।
অথবা এমনি এমনি জীবনের একখানা অর্থ খুঁজতে।

ভালোবাসা বা প্রেম কেন করবেন না
ষ টাকা খরচ না করে পকেটকে আরও অনেকদিন সমৃদ্ধ রাখতে।
ষ প্রেম মানুষে করে ৈনানা জায়গায় এ জাতীয় ম-ব্য করে নিজেকে একটু উচ্চ-রের প্রমাণ করতে।
ষ কারনে অকারনে বাংলা মিনেমার ডায়ালগ এড়িয়ে চলতে

সেই যুগের প্রেম ভালোবাসার

মজনু, ফরহাদ চন্ডিদাসদের যত্তসব আলোচিত কার্যক্রম।
লাইলী, শিরি, রজকীনিসহ কতিপয় নারীদের স্মরণীয় উপাখ্যান
একজনের হৃদয়ে একজনেরই প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।
কেউ কাউকে না পেলে নানামুখি ঐতিহাসিক ডিসিশন।
কোনভাবে বেঁচে থেকে প্রেমটাকেই একমাত্র বিষয় হিসেবে গ্রহণ।
ব্যর্থ হলে জীবন-মৃত্যুর অলিখিত চুক্তি গ্রহণ।

প্রেম যোগাযোগে বাধা, সমস্যা

বাঁশির সুর, বা বাড়ির সামনের পুকুরে মাছ ধরা নিয়মিত হওয়ায় অনেকের সন্দেহের কারণ হয়ে যেত। আর অনেক সময় অল্প শব্দের বাঁশির সুর জায়গামতো পৌঁছাতও না।
কারও মাধ্যমে বা কবুতর মারফত চিঠি আদান-প্রদান বেশ বিলম্বিত ছিল। কখনও আত্মীয়-স্বজনের কাছে ধরা, কখনও কবুতরের মন-মর্জির ওপর প্রেম সাফল্য নির্ভর করত।
ডাক বিভাগের চিঠি ভাগ্যের ওপর নির্ভর করত। বহু রেকর্ড আছে চিঠি অনেক দেরিতে পৌঁছেছে, কখনও বা অজ্ঞাত কারণে পৌঁছে না।
টেলিফোনে এনালগ সময়ে তো এক জায়গার কোন অন্য জায়গায় নিয়মিত চলে যেত। আর প্যারালাল লাইন থাকলে ঘরের অন্য রুমে তা তো ব্যাপক সমস্যার কারণ ছিল।
মোবাইলে ব্যালেন্স ফুরিয়ে যাওয়া নেটওয়ার্ক না পাওয়া নিরবিচ্ছিন্ন প্রেম অন্যতম সমস্যার কারণ।
ইন্টারনেটে প্রেম আরও ব্যাপকভাবে ছড়াক তখন সমস্যা বের করে জানিয়ে দেয়া যাবে।

প্রেম যোগাযোগ যুগে যুগে

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট দিয়ে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে- প্রেম চালানো যায় অনায়াসে। ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবহার করে এদেশের মাসুদ রানার সঙ্গে বিদেশী স্টেলার প্রেম এখন সবার জানা। টিভিতেও সে কাহিনী ফলাও করে প্রচার হচ্ছে নিয়মিত।
সূত্রঃ সংগ্রহ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28770608 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28770608 2008-02-14 21:04:41
ভালবাসা িক ............................? ভালোবাসা হচ্ছে ভালোবাসা।
ভালোবাসা হচ্ছে রাতভর নেটওয়ার্ক জ্যাম
ভালোবাসা হচ্ছে দিনে ঘুম আর রাতভর জেগে থাকা।
ভালোবাসা হচ্ছে দুই মোবাইল সাতটা সিম
ভালোবাসা? আপনে বলেন তো দেখি?
ভালোবাসা হচ্ছে পাশের বাড়িতে কে ছাদে উঠল কে উঠল না কেন উঠল না ।

এই যুগের প্রেম ভালোবাসা

গোটা পাঁচের পছন্দ থাকেই। কারও জন্য তো আর জীবন থেমে থাকতে পারে না।
এই দাঁড়াও তোমার সঙ্গে একটু পরে কথা বলছি অথবা কল ওয়েটিং, ইউজার বিজি জাতীয় কার্যক্রম।
নিজের সময়কে অনেকের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার মহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

ভালোবাসা বা প্রেম করবেন কেন?

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে
যা নিজের কোটা পূর্ণ করতে।
কথা বলে মোবাইল কোম্পানিগুলোকে অর্থ সংস্থানে সাহায্য করতে।
খাওয়া-দাওয়া করে রেস্টুরেন্ট বা ফাস্টফুডের কুক ব্যাটার চাকরি বাঁচিয়ে রাখতে।
ঘুরে বেড়িয়ে ওয়ান্ডারল্যান্ড, নন্দন পার্ক, ফ্যান্টাসি কিংডমের আয়োজনগুলো সফল করতে।
ঘুরে অথবা খেয়ে রিকশাওয়ালা, বাদাম ওয়ালা, চানাচুর ওয়ালা, চা ওয়ালা ভাইদের ভ্রাম্যমান পেশাকে মহিমান্বিত করতে।
অথবা এমনি এমনি জীবনের একখানা অর্থ খুঁজতে।

ভালোবাসা বা প্রেম কেন করবেন না
ষ টাকা খরচ না করে পকেটকে আরও অনেকদিন সমৃদ্ধ রাখতে।
ষ প্রেম মানুষে করে ৈনানা জায়গায় এ জাতীয় ম-ব্য করে নিজেকে একটু উচ্চ-রের প্রমাণ করতে।
ষ কারনে অকারনে বাংলা মিনেমার ডায়ালগ এড়িয়ে চলতে

সেই যুগের প্রেম ভালোবাসার

মজনু, ফরহাদ চন্ডিদাসদের যত্তসব আলোচিত কার্যক্রম।
লাইলী, শিরি, রজকীনিসহ কতিপয় নারীদের স্মরণীয় উপাখ্যান
একজনের হৃদয়ে একজনেরই প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।
কেউ কাউকে না পেলে নানামুখি ঐতিহাসিক ডিসিশন।
কোনভাবে বেঁচে থেকে প্রেমটাকেই একমাত্র বিষয় হিসেবে গ্রহণ।
ব্যর্থ হলে জীবন-মৃত্যুর অলিখিত চুক্তি গ্রহণ।

প্রেম যোগাযোগে বাধা, সমস্যা

বাঁশির সুর, বা বাড়ির সামনের পুকুরে মাছ ধরা নিয়মিত হওয়ায় অনেকের সন্দেহের কারণ হয়ে যেত। আর অনেক সময় অল্প শব্দের বাঁশির সুর জায়গামতো পৌঁছাতও না।
কারও মাধ্যমে বা কবুতর মারফত চিঠি আদান-প্রদান বেশ বিলম্বিত ছিল। কখনও আত্মীয়-স্বজনের কাছে ধরা, কখনও কবুতরের মন-মর্জির ওপর প্রেম সাফল্য নির্ভর করত।
ডাক বিভাগের চিঠি ভাগ্যের ওপর নির্ভর করত। বহু রেকর্ড আছে চিঠি অনেক দেরিতে পৌঁছেছে, কখনও বা অজ্ঞাত কারণে পৌঁছে না।
টেলিফোনে এনালগ সময়ে তো এক জায়গার কোন অন্য জায়গায় নিয়মিত চলে যেত। আর প্যারালাল লাইন থাকলে ঘরের অন্য রুমে তা তো ব্যাপক সমস্যার কারণ ছিল।
মোবাইলে ব্যালেন্স ফুরিয়ে যাওয়া নেটওয়ার্ক না পাওয়া নিরবিচ্ছিন্ন প্রেম অন্যতম সমস্যার কারণ।
ইন্টারনেটে প্রেম আরও ব্যাপকভাবে ছড়াক তখন সমস্যা বের করে জানিয়ে দেয়া যাবে।

প্রেম যোগাযোগ যুগে যুগে

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট দিয়ে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে- প্রেম চালানো যায় অনায়াসে। ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবহার করে এদেশের মাসুদ রানার সঙ্গে বিদেশী স্টেলার প্রেম এখন সবার জানা। টিভিতেও সে কাহিনী ফলাও করে প্রচার হচ্ছে নিয়মিত।
সূত্রঃ সংগ্রহ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28769740 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28769740 2008-02-12 21:39:27
ব্লগার বদমাইস ভাগিনা ওর এডিটে লিখেছিল জম্ম থেখেই বদমাইস
কেউ জানলে আওয়াজ দিয়েন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28743763 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28743763 2007-11-08 17:06:10
সাবাশ তুমি কর আমার উপেক্ষা!
তোমার জন্যে ঝাড়ি খাই।
তুমি কর নব প্রেমের প্রতিক্ষা!
তোমার জন্যে পকেট কাটি।
তুমি কর হিসেব-নিকেশ,সমিক্ষা!
আর এদিকে মানিব্যাগের স্বাস্থ্য
হল খারাপ ,চলে গেলে আমায় ছেড়ে তুমি,
এই কি তোমার প্রেমের রিতী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28734803 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28734803 2007-10-01 13:06:50
এই ছবি কার? ঠিক আছে আমি সামান্য বলে দিচ্ছি...
এই ছবিটা আমাদের এই ব্লগের একজন ব্লগারের!!!
এখন আপনারাই বলুন এই ছবির ব্যাক্তির নাম...






আজ আমার মন ভাল নেই! তাই ছবি দিয়েই আজ শুরু করলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28734670 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28734670 2007-09-30 19:21:22
ম্যারেজ মিডিয়ার প্রতারণা সহßত্রাপুর থানার ওসি মোহাল্ফôদ আলী বলেন, এই প্রতারক চত্রেক্রর সঙ্গে যদি কোনো পুলিশ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তা হলে অবশ্যই তাদের বিরুদেব্দ আইনানুগ ব্যবস্টÿা নেওয়া হবে। স্ট্বর্ণাকে ৩ দিনের, সজীব ও সাগরকে আবারো ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
গতকাল স্ট্বর্ণা সহßত্রাপুর থানায় সমকালকে জানায়, নয়া পল্কল্টনের একটি অফিসের ঠিকানায় ‘গ্রামীণ মার্কেটিং কোানি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গত বছর ফেব্রুয়ারিতে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্টিস্ন দেয়। ওই বিজ্ঞপ্টিস্ন অনুযায়ী সে সেখানে আবেদন করে। সাক্ষাৎকারের পর মাসে ৫ হাজার টাকা বেতনে অফিস এিকিউটিভ পদে চাকরি হয় তার। এর পর প্রতারক সাগর ও সজীব টয়েনবি সার্কুলার রোডের এসএমসি মার্কেটে একটি অফিস ভাড়া নেয়। নাম দেয় ‘বিএমএমসি’। কিছুদিন পর ওই প্রতিষ্ঠানে স্ট্বর্ণাকে বসতে বলে তারা। স্ট্বর্ণা নয়াপল্কল্টন থেকে নতুন অফিসে বসতে থাকে। সে জানতো প্রতিষ্ঠানের মালিক সজীব, সাগর, মাহবুব ও আনিস মার্কেটিংয়ের ব্যবসা করে। তারা স্ট্বর্ণাকে বলে, কোনো ডিলার অফিসে গেলে সে যেন এমনভাবে কথা বলে যেন ডিলার তাতে সন্তুষ্দ্ব হয়।
গত বছর এপ্রিলে তারা মাহবুবের পরামর্শে ম্যারেজ মিডিয়া খোলে। বিভিল্পম্ন পত্রিকায় পাত্র-পাত্রী চাই কলামে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছে। বিজ্ঞাপন দেখে ওই অফিসে সহজ-সরল কেউ গেলে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিত চত্রেক্রর সদস্যরা। বিষয়টি নিয়ে স্ট্বর্ণা প্রতিবাদ করলে তার ‘বস’রা তাকে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর আলমগীরের ভয় দেখায়। আলমগীর ওই অফিসে প্রায়ই যাওয়া আসা করত। সজীবের সঙ্গে ছিল তার বল্পব্দুত্ম্ব। স্ট্বর্ণা বলে, আলমগীরও একদিন আমাকে ভয় দেখিয়ে বলে সজীব সাগর যা বলবে সেভাবেই কাজ করতে হবে। তা না হলে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হবে। আমি পুলিশকে খুব ভয় পাই। এ কারণে তাদের কথামতো কাজ করেছি। তারা আমাকে চারটি বিয়ে দিয়েছে; কিন্তু মন থেকে আমি কাউকে বিয়ে করিনি। তারা কত টাকা নিয়েছে তাও আমি জানি না। শুধু আমাকে বলা হতো সবুজ ফরমে স্ট্বাক্ষর করলে তারা ৩৫ হাজার টাকা পাবে।
স্ট্বর্ণা জানায়, শুত্রক্রবার সমকাল পত্রিকায় রিপোর্ট ছাপা হওয়ার পর সে জানতে পেরেছে, জাকির নামের একজনের সঙ্গে তাকে বিয়ে দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সাগর, সজীবরা। মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করার পর স্ট্বর্ণা জানতে পেরেছে, সজীব ও সাগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পত্রিকায় তার ছবিসহ সংবাদ ছাপা হওয়ার পর সে মোবাইল ফোনে বিষয়টি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর আজাদকে জানায়। আজাদ তাকে পরামর্শ দেয় বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য। স্ট্বর্ণা বলে, আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। বাড়ি থেকে পালিয়ে যাব কেন। এ কারণে পালাইনি। এক প্রশেম্নর জবাবে স্ট্বর্ণা জানায়, তাকে যারা বিয়ে করেছে তারা নিতে চাইলে সে তাদের সঙ্গে যাবে না।
স্ট্বর্ণার পরিচয় ঃ গ্রেফতারকৃত সজীব ও সাগর পুলিশের কাছে জানিয়েছিল মেয়েটির নাম তানিয়া ইসলাম তুলি, ওরফে নাবিলা ওরফে নাতাশা। গতকাল স্ট্বর্ণা জানায়, তার আসল নাম ইফফাত জেরিন খান স্ট্বর্ণা। তার নাম তুলি, নাবিলা, নাতাশা এসব সে জানে না। তার বাবার নাম জালাল আহমেদ খান। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তারা দু’ভাই এক বোন। সে সবার বড়। স্ট্বর্ণা ২০০৫ সালে এসএসসি পাস করে। এর পরই তার চাকরি করার স্ট্বপম্ন জাগে। নিজের আয় দিয়ে ইন্টারমিডিয়েট পড়ার জন্য সে চাকরি নেয় বলে জানায়। স্ট্বর্ণার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়ায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28733096 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28733096 2007-09-23 18:24:33
রুমনি'র যত অভিযোগ
এরপর গত ২৫শে জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৪-এ তার সাবেক স্বামী অপির বিরুদ্ধে একটি পিটিশন মামলা করেন। এ মামলাতেই অপি এখন জেলহাজতে।

তিনি জানান, ২০০০ সালে বরিশালে খেলতে গিয়ে ফারজানা হক পপির সঙ্গে অপির পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সময় অনেক হোটেলে পপিকে নিয়ে রাত কাটিয়েছেন। ক্রিকেটাররা আমাকে ফোন করে এসব কথা বলেছেন। চার বছর আগে পপিকে বিয়ে করে উত্তরায় বাসা ভাড়া করে সংসার শুরু করেন। তখন পপির কাছ থেকে অপিকে ফিরিয়ে আনতে অনেক হুজুরের কাছে গিয়েছি। তাবিজ এনেছি। ওই সময় আমার শাশুড়ি শাহনাজ হোসেন দিলু ও ফুফু শাশুড়িও সঙ্গে ছিলেন। তবে ফেরাতে পারিনি। ফেনসিডিল সেবন থেকে ফেরাতে তাবিজ -কবজে কাজ হয়নি। তিনি আরও বলেন, আড়াই বছর আগে উত্তরার বাসা থেকে অপিকে ধরে নিয়ে আসি। আরজু, আইরিন ও মুন্নি ভাই-বোন। অপির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়। আমি কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করিনি। অপির লোকজন ২৫শে জুলাই থেকে আমার পেছনে লেগে আছে। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। পপির ঘরে সাত মাসের ছেলে আছে। রম্ননি বলেন, ১৯৯৮ সালের ২৮শে মার্চ অপির সঙ্গে সম্পর্ক করে আমার বিয়ে হয়। আমার আট বছরের সংসার পপি ভেঙে দিয়েছে। এখনও সংসার করছেন। আমারও চার বছরের মাহাদিন মেহরাব ইয়াস নামের এক ছেলে রয়েছে। এরপরও আমি এসব কারণে গত বছর ২৭শে নভেম্বর অপিকে ডিভোর্স দেই। এরপর থেকেই অপি তার বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে আমাকে হুমকি দিতে থাকেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28730817 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28730817 2007-09-12 18:27:20
আকস্মিক বুকে ব্যথা হলে কি করবেন
কারণ হার্টের পেইন বা ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের ব্যথা গ্যাস পেইনের থেকে আলাদা করা যায়। গ্যাসের ব্যথায় এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবনে ব্যথার নিরাময় ঘটে। তবে যাদের বার বার বুকে ব্যথা হয় তাদের অবশ্যই কোন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে চেকআপ করিয়ে নেয়া ভালো। বুকে ব্যথা কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। তাই সাবধান থাকুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28729921 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28729921 2007-09-07 17:26:21
পুলিশ কি এখনো উৎকোচ নেয়?
এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল হোসেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহিদ আলমসহ থানার সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কলেজ প্রভাষক আবদুল জলিল পাসপোর্ট করতে পুলিশি তদন্ত রিপোর্ট এবং মামলার তদন্তে অর্থনৈতিক তদবির ছাড়া রিপোর্ট জমা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি করা হয় বলে জানালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট এবং ১৫ দিনের মধ্যে মামলার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন। বক্তাদের অনেকেই এখনো নীরবে ঘুষ লেনদেন চলছে উল্লেক করে এ ব্যাপারে ঊধ্বর্তন পুলিশ কতৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করেন।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিগত সময়ের স্মৃতিচারণ করে জানান, চেয়ারম্যান থাকাকালে থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে আসামি আমাদের দলের কিনা এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হতো। এখন অবস্থা পাল্টে গেছে বলে জানান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্থাপিত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশকে সাধারণ মানুষের বন্দু হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28729522 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28729522 2007-09-05 12:26:04
আপনাদের মাঝে আজই আসলাম http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28729420 http://www.somewhereinblog.net/blog/emon007blog/28729420 2007-09-04 20:30:00