পবিত্র মাতাল
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩
অালোর স্কুল থেকে বেরোতেই দেখা হয়ে গেল পথের সঙ্গে: তার সাথে রথের সহযোগী। যাত্রা থেমে গেছে যাবতীয় ধূলোর। রথের চাকা বলে, বড় ক্লান্ত ক্লান্ত লাগে এ শহরে।
এ শহর মানে কলকাতা নগরীর শব্দদূষণ। রিকশার টুঙটাঙ, বাতাসের ঝাপটা, রথের চাকায় পিষ্ট হোয়া ধূলো_ অার দেখো অামার ফতুয়ার পকেট_ কী অবলীলায় একাকার হয়ে যায় তারা।
একাকার হয়ে যাোয়া মানে সাত বীরশ্রেষ্টর মাঝে পড়ে থাকা পাথরের ভগ্নাঙশ। সে- ধূলোর বন্ধু, জড় বন্ধু। তার সামনে কত অালোর খেলা! তার সামনে সাতমাথার সাত নিদ্রা_ তার সামনে ম্যান্ডোলিনের ঘোড়ার হ্রেষা_ তার সামনে সপ্তপদীর সপ্তর্ষী_ তার সামনে এ শহরের সে শহরের কিংবা পৃথিবীর যে-কোনো শহরের সূর্যাস্ত-সাদা ফারুক সিদ্দিকী কিংবা অান্োয়ার অাহমদের দীর্ঘশ্বাস
দীর্ঘশ্বাস মানে কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক। কিংবা সেই সড়কের সোডিয়াম বাল্ব। না, ঐ দীর্ঘশ্বাস মানে এক নিরুদ্দেশ ঘোড়ার গাড়ী
জুয়েল মোস্তাফি. বলেছেন:
এমরান ভাই, ভােলালাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কবি জুয়েল।
দেহের ভেতর কালো বেড়াল কঁাদছে
মুজিব মেহদী বলেছেন:
বগুড়াগাথা বোধকরি। ভালো।টাইপে প্রচুর ভুলভাল হওয়ায় পাঠে কিছু বিঘ্ন ঘটল। ক্রমশ ঠিক হয়ে যাবে।
বিজয় ডিফল্ট করে নিন।
লেখক বলেছেন: এই লেখটি লিখবার পেছনে একটা কারণ অাছে।
সন্ধ্যায় বৃষ্টি হলেই বগুড়া শহরকে অামার কাছে কলকাতা নগরী মনে হয়। রাত যত বাড়ে অামার এই পাগল-চিন্তা অারো পাগলা-ঘোড়া হয়ে োঠে। অামি বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ি, অফিস শেষে।
গত শীতে শৈত্যপৃবাহের দরুণ বৃষ্টি হলে অামি তীব্রশীত-বৃষ্টির মধ্যেই বেড়িয়ে পড়ি। ইলেক্ট্রিসিটি নেই। অন্ধকার। অামি হাঁটছি। কলকাতা নগরী অামাকে ডাকছে। অামি হাঁটছি বৃষ্টি অামাকে ডাকছে।
কিন্তু এটা তো কলকাতা নগরী নয়_ অবশেষে এই সত্যের কাছে ফিরে অাসতেই হয়।
বাসায় ফিরে লিখে ফেললাম।
অাপনি পড়েছেন লেখাটি, অামার যে কী ভালো লাগছে!
সরকার আমিন ১৯৬৭ বলেছেন:
দীর্ঘশ্বাস মানে কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক।


















'দীর্ঘশ্বাস মানে কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক। কিংবা সেই সড়কের সোডিয়াম বাল্ব। না, ঐ দীর্ঘশ্বাস মানে এক নিরুদ্দেশ ঘোড়ার গাড়ী '
ভালো লিখেছেন। আনওয়ার ভাই, ফারুক ভাই, কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক, আপলু ভাইয়ের দোকান- খুব মনে পড়ছে।