আমার প্রিয় পোস্ট

সবকিছুতেই নির্মোক থাকছি, সবকিছুই ইদানীং অর্থহীন মনে হয়; নিজের এই নেতিবাচক প্রবণতায় নিজেই লজ্জিত ।:(

দোহা/কাতারের আউলা ঘুরাঘুরিঃ রাত পর্ব

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৭

শেয়ারঃ
0 0 0

কোন পোস্টই মনে হয় ধারাবাহিক করা উচিত না,যেমন এই দোহায় ঘুরাঘুরিরসবটা এক সাথে না লিখে
দিন পর্ব রাত পর্ব করায় এখন আর লিখতে ইচ্ছে করছে না। এর মাঝে আরো অনেক প্রসঙ্গ ও চলে এসেছে। লালনের ভাস্কর্য ভাঙ্গার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার শেষাংশ দেখলাম ফিরে এসে। অনেকটা ঐ প্রসঙ্গটির সাথে যুক্ত বলেই এই পর্ব।


সম্পর্কিত পোস্টঃ
দোহা/কাতারের আউলা ঘুরাঘুরিঃ দিন পর্


কাতারে যে সাইকেলটা দেখে আমাদের ছবি তোলার তাড়াহুড়ো। পঁইয়তাল্লিশ ডিগ্রী সেলসিয়াসের আর অক্টেন আঠারো টাকা , পানি বিয়াল্লিশ টাকার শহরে যদি কেঊ সাইকেল চালায় তাহলে সে সেলেব্রেটি হতেই পারে।



কুয়াশার মত বাস্পে ভরা পারস্য উপসাগর, ভ্যাপসা আর প্রচন্ড গরম। বিকেলে। দূরে তিন আমেরিকান লেংটু আর্মি ‘সমুদ্রস্নান’ সারছে !







দোহায় একটা মার্কেট প্লাস কমন সেন্টার বানিয়েছে , নাম দিয়েছে ভেনিস ইন কাতার। গেলাম। কনসেপ্ট হিসাবে নতুন, ভালোই। ইনডোর একটা জায়গায় ইউরোপিয়ান আদলে দোকানপাট , রেস্টুরেন্ট। কৃত্রিম আকাশটা চমৎকার।খুব ভালো জায়গা সময় কাটানোর জন্য, কিন্তু পরে ইঊরোপে গিয়ে বুঝেছিলাম মিনিয়েচার হিসাবে ওটা ছিলো একটা ব্যার্থ প্রচেষ্টা।
(আগের পোস্টের কাট-পেস্ট,ছবিগুলো নতুন।)

ইফতার করলাম কাতারে আমাদের আরেক হোস্টের বাড়ীতে , ওইদিন অনেক বাঙালীর দাওয়াত ছিলো। প্রায় সবাই চট্টগ্রামের একটা অঞ্চলের লোকজন, প্লাস কিছুটা দলীয় সমাবেশ ও মনে হলো। এখানে রাজনৈতিক দলের সমর্থনভেদে হাল্কা একটা বিভাজন আছে ধারণা হলো, নিশ্চিত নই।

ইফতারের পর দোহায় উরাধুরা ঘুরা , গাড়িতে করেই। একটা এলাকায় দেখলাম প্রচুর এশিয়ান লোকজন, ছোট ছোট অনেক দোকান। আজ শুক্রবার , তাই লোকজন এইসব এলাকায় জড়ো হয়ে সুখ-দুঃখের আলাপ-আলোচনা করে, খোঁজ-খবর দেয়ানেয়া হয়। আমরা বাংলাদেশ স্টোর টাইপের লেখা একটা গলিতে নেমে চা-খেলাম, চারপাশে নানা আঞ্চলিক বাংলা ভাষায় কথাবার্তা শুনতে শুনতে । দুজনের সাথে হাল্কা কথাবার্তা ও হলো, একজন ফেণীর, আরেকজনের বাড়ি মতলব,চাঁদপুর। খারাপ লাগছিলো দেখে , এলাকাটা মোটামুটি নোংরা করে ফেলা। যেখানে সেখানে কাপ, বোতল, প্লাস্টিক প্যাকেট।




সিটি সেন্টার দোহা।
মনে হয় এটাই দোহার সবচেয়ে বড় শপিং মল। শুক্র-শনিবার থাকায় ছিলো ফ্যামিলি ডে, তাই মনে হয় প্রচুর বাচ্চা-কাচ্চা আর মহিলাকে দেখা গেলো। এখানে মহিলাদের কিছু গ্রুপকে কোনো পুরুষ সঙ্গী ছাড়াই দেখলাম, সৌদী আরবের তুলনায় এখানে মহিলারা অনেকটাই লিবারেটেড।
সেন্টারের মাঝে বিশাল এক স্কেটিং কোর্ট দেখে ইচ্ছে জাগলো কিন্তু সাইয়ীদ ভাই তার টিম নাকি মাথা গুনে গুনে বার্লিনে নিয়ে যেতে চায়, কাতারের পঙ্গু হাসপাতালে কাঊকে রেখে যাবার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা উনার নাই, এইসব বলে আমাকে নিবৃত্ত করলেন।


এরাবিয়ানদের সাধারণত মাথা গরম (আমার আরেক কলিগ বলে মাথায় যে ৪০% পানি আছে সেটাই গরম !! উনি আবার ব্যাপক উঠাবসা করেছেন এরাবিয়ানদের সাথে , অবিশ্বাসও করতে পারি না) আর রাফ বলে খ্যাতি আছে। সিটি সেন্টারে একটা দৃশ্য দেখে ওটা অসম্ভব মনে হলো না। একটা ফুটফুটে পিচ্চি
কারিফাওরে আলাদা হয়ে গেছে মা-বাবা থেকে ,কান্নাকাটি শুরু করে আরেকটা বাচ্চার মায়ের পিছনে ঘুরাঘুরি শুরু করলো। (কারিফাওরের মত বড় সুপারস্টোরে বড়দেরই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, বাচ্চারা তো কিছুই না।) অবশেষে পিচ্চির মা-বাবাকে খুঁজে পাওয়া গেলো। কিন্তু এর পর যা ঘটলো তাতে আমরা একটু ধাক্কা খেলাম। পিচ্চির মা কোলে নিতেই বাবা লাগিয়ে দিলো বিশাল এক চড় আর বকতে লাগলো , পিচ্চির মুখ লাল হয়ে উঠলো।




সিটি সেন্টারের নিচেরতলায় আমাদের হোস্ট হ্যাগেন-ড্যায এর আইসক্রীম খাওয়াতে নিয়ে গেলেন। (এত মজা পেয়েছিলাম, পরে পোল্যান্ড গিয়ে সব হ্যাগেন-ড্যায খালি করে দিয়েছি :) )


হঠাৎ দেখলাম একটা মঞ্চের মতো সাজানো , ওখানে ভালোই আরবীতে গান-বাজনা হচ্ছে। আরবীয় শিঙা ও দেখলাম। কিছুক্ষন পর দুইজন আরবী পোশাকে সেজে এসে ছন্দময় গানের তালে তালে নাচতে লাগলো, হাতে গোল গোল পাখা (এটাকে কি চামর বলে?)।


আমাদের হোস্ট বললেন , পুরো রমজান মাসেই নাকি মধ্যরাত পর্যন্ত এইরকম হামদ-নাত ( রাসুল(সাঃ) এর প্রশংসাবাণী ) গাওয়া হয়, সরকার থেকে প্রচুর অনুদান ও পায় এইসব বাদকদল।

সহকর্মীকে বললাম, বাংলাদেশে হলে এখনি তুমুল লঙ্কাকান্ড বেঁধে যেত, তখন তো জানতাম না এই কথাটাই মাস দুয়েক পরে সত্যি হবে লালনের ভাস্কর্য নিয়ে।

লালনের ভাস্কর্য নিয়ে অনেক ধরণের সাধারণ , তাত্ত্বিক, শ্রেণী-অর্থ-রাজনীতি-সমাজ-ধর্ম বিভিন্নরকম পোস্ট এসেছে, আমি শুধু আমার জিজ্ঞাসা করে যাই। অল্পস্বল্প ধর্মপ্রাণ একজন মানুষ হিসাবে মাঝে মাঝেই আমার যে প্রশ্নটা জাগে সেটা হলো, পুরোপরি আকাট ইসলাম এর প্রয়োগ ক্কি আসলেই সম্ভব, ব্যাক্তিগত ও সামষ্টিকভাবে? আঞ্চলিক সংস্কৃতির সাথে একেবারেই মিথস্ক্রিয়া না করে? কারণ মিথস্ক্রিয়ার পরে কিছুটা পরিবর্তিত ইসলাম ছাড়া ইসলামের প্রয়োগ বা প্রসার আমার জানামতে নেই। আমার মনে হয় আমরা যারা বাঙালী এবং মুসলিম দুটি জাতীয়তার পরিচয়ের মাঝে সংঘর্ষ আনতে না চাই , এই প্রশ্নটির উত্তরের ডাইমেনশন আমাদের ভাবতে হবে।

টানা ঘোরাঘুরিতে ক্লান্ত আমরা , রাতের বাজে প্রায় একটা । পরদিন (আসলে ঐদিনই) সাতটায় বার্লিনের ফ্লাইট । তারপরেও নিস্তার নাই। হোস্টের কথা হলো কাতারে এসে বিখ্যাত আরবীয় শিশা (হুক্কা) না চেখেই চলে যাবো? সুতরাং যাওয়া হলো ঐরকম এক রেস্টুরেন্টে। সুবাসিত ধোঁয়ায় অন্ধকার বিশাল তাঁবুর মত রেস্টুরেন্টটিতে এমিরেকান-ফ্রেঞ্চ-কাতারি-ইন্ডিয়ান সবার মেলা বসেছে। শিশা-জ্যুস-কাবাব-নান-মাছের গ্রীল এর ফরমাশ দেয়া হলো।

কাবাব খাইয়াই মেজাজ বিলা হইলো, মোস্লেম-মুস্তাকিমের কাছে কিচ্ছু লাগে না। আফসুস, কাতারি গুলার জন্য।
অবশ্য কাবাব খামুই কি, পুরা রুমে ধুমায়া কার্ড খেলা হইতেছে , বক্ষলগ্ন না হইলেও বগললগ্ন হয়ে ‘আফা’রা ভাইদের তাল দিতাছেন, কলিগের শ্বশুর, হোস্ট আর উনার স্ত্রীর নজর এড়ায়া সবাই আমার পিছনের লাল গেঞ্জী *** ‘আফা’র দিকে চাইতে লাগলো। আমি একবার ঘাড় ঘুরাইতেই সাইয়ীদ ভাইয়ের ধমক খাইলাম, আমার নাকি বয়স হয় নাই।:(



জীবনে বিড়ি-সিগারেটে একটা টান ও দেই নাই, আইজকা ধরায়া দিছে হুক্কা। নিকোটিন-তামাক কিছু নাই, তাও ধোঁয়াতো। পানি , জ্যুস সব খাইয়াও একটান দেওয়া মাত্রই, পৌনঃপুনিক খক-খক-খক...। শরমাইলাম। কারণ পূর্বোক্ত ‘আফা’ সমানে ধুম্র উদগীরণ চালায়া যাইতেছেন, আর এইসব বীর পুঙ্গবের এর দশা! সিগারেটখোররা ভালোই চালাইলো।( ছবিতে আধাকাটাজন আমাদের পিএম, বাকিজন কাতারের বাঙালী সঙ্গীদের একজন।)

রাইত চারটা বাজলো। পারলে ওখানেই ঘুমায়ে পড়ি। সুতরাং , হোটেলে ফেরা । বাইরে দেখি কাতারে কাতারে ল্যাম্বারগিনি-অডি আরো কি কি জানি ফেলে রাখছে । গাড়ি ফ্রেক দুইজন ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলো। আমি নাদান-ফকির মানুষ, আমার কাছে লেক্সাস আর তিনচাকার ভ্যান একই জিনিষ, তবে ল্যাম্বারগিনিটা দেখে আসলেই কি জানি কয়, ‘জোস’ লাগলো।

গুডবাই ফর্টি-ফাইভ ডিগ্রী সেলসিয়াস, গুডবাই দোহা। পা বাড়ালাম হোটেলের দিকে, যেখানে থাকা হবে মাত্র আধাঘন্টা।



 

প্রকাশ করা হয়েছে: ঘোরাঘুরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: মজাই, তবে শেষদিকে 'চাইরা দে মা ঘুমায়া বাঁচি' অবস্থা হইছিলো। :)

২. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
সাইফুর বলেছেন: কও কি? সিটিজি আসলো টোকা দিও
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: দেশে নাইম্যাই সোজা বাসায় গেছিলাম। পরের বার দিমুনে। আর এম্নিতে অর্ধেক সময় আমি চকবাজারেই থাকি গেলে।

৩. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০১
জেনারেল বলেছেন: আমার কাছে বেড়াইতে আইসেন

হোটেল রিজেন্সী
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: রিজেন্সী -দোহা। শুনছি মেলা টেকা! অফিসেরে কইলে আমারে হয়ত দৌড়াইবো!

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: মজার শুরু। খালি হুক্কা খাইতে পাল্লাম না এই দুঃখ।

৫. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২০
রাস্তার ছেলে বলেছেন: সবকিছু মিলিয়েই প্লাস!
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: ভার্চুয়ালী আমার সাথে ঘোরাটা শেয়ার করতে পারলেই আমি খুশী। :)

৬. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৫
জেনারেল বলেছেন: টেকার কিছু নাই,
আমি রিজেন্সীতে পিয়াজ কাটি ।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: থাকতে তো মেলা টেকা লাগে! তিনের বেশী স্টার হইলে এই ব্রাত্য গায়ে কেমন জানি হাঁস ফাস লাগে,টেকা যদিও অফিস দিবো। জাকার্তা রিজেন্সীতে ছিলাম তিনদিন।
ঢাকায় এখনো বন্ধুবান্ধব আইলে ফ্লোরিং করি।

রিজেন্সী কাতার?

৭. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৬
নুশেরা বলেছেন: আমিও ঘুরলাম, মেজবান খাইলাম, লাল কোর্তাআলা থুক্কু লাল গেঞ্জীওয়ালীরে ভাবলাম :P...
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: আপু কি করবো নাদান বয়স :) , আমরা আর কি, আঙ্কেলরাও যে উকিঁ মারেন নাই কে জানে :)

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: :) মজাক আরো আইতেছে।

৯. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ভালো হইছে।

আপনি সম্ভবত এন,এস,এন-এ কাজ করেন।মাথা কাটা আরবীয় হুক্কাটানা
পি,এম-এর নাম "রিক" না?

"কোন রাস্ট্রের পক্ষেই সংস্কৃতকে অস্বীকার করে পুরোপুরি ধর্ম(শতভাগ) মেনে চলা অসম্ভব"।একমত।

তবে মুসলিম এবং বাংগালী আমি দুই পরিচয়ের কোনটাতেই স্বস্তিবোধ করিনা।(ব্যাপারটা বিশ্বাস-অবিশ্বাসে প্রশ্ন নয়, আত্মপরিচয় সম্পর্কিত)।শুধু বাংলাদেশি পরিচয়েই সন্তুষ্ঠ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: তবে মুসলিম এবং বাংগালী আমি দুই পরিচয়ের কোনটাতেই স্বস্তিবোধ করিনা।(ব্যাপারটা বিশ্বাস-অবিশ্বাসে প্রশ্ন নয়, আত্মপরিচয় সম্পর্কিত)।শুধু বাংলাদেশি পরিচয়েই সন্তুষ্ঠ।

---


রাষ্ট্রীয় – জাতিগত – ধর্মগত তিনটা পরিচয় আমাদের আছে। ব্যাক্তিগতভাবে আমিও রাষ্ট্রীয় পরিচয়টাকেই প্রাধান্য দেই, কিন্তু আরো দুটি অক্সিলিয়ারি পরিচয়ের মাঝে সমযোজনটাও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন। আমার মনে হয় এই ব্যাপারটা আমাদের সবারই প্রশ্ন।



---পি এম .........।।
বস দেখি চিনেছেন। উনি ছবি বা নাম ফেসবুকে ও দেন না, আমি অনুমতি ছাড়া কোনো ছবিও আপ্লোড করি না। আপনার চোখ তো মারাত্নক! যদ্দুর জানি আপনি আফ্রিকার কাছাকাছি কোনো প্রজেক্টে আছেন। বাংলাদেশে কোথায় ছিলেন?

১০. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ব্যাপারটা হলো বাংগালী পরিচয়ে একটা বৃহৎগোষ্ঠির সাথে একাত্ম থাকার আত্মপ্রসাদ কিংবা মুসলিম পরিচয়ে বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠির সাথে বন্ধুত্বের আরোপিত প্রশান্তি, আমার কাছে আত্মবিশ্বাসহীনতা মনে হয়।

বন্ধুত্ব আসলে সমানে সমানে হতে হয়।একজন শুধুই বন্ধুত্বের টান অনুভব করে, আরেকজন সেটাকে স্রেফ ইগনোর করে;তারপরেও বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা স্রেফ আত্মবিশ্বাসহীনতাই।

অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি।আপনি অনেক দেশ ভ্রমণের করেছেন।
ব্যাপারটা অনুভব করতে পারার কথা।

আমি আফ্রিকার কাছাকাছি না, খোদ আফ্রিকাতেই থাকি।

প্রথমে উৎসাহিত হইছি(বি ইনস্পায়ার্ড), তারপর সম্মুখভাগে অগ্রসর হয়ে(টেকিং ইউ ফরওয়ার্ড) দেশ ছাড়ছি :)
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: আপনার প্রথম দুটো প্যারা নিয়ে চিন্তাভাবনা করলাম। এইভাবে ভাবি নাই, তবে মনে হচ্ছে ঠিকই।

ব্যাপারটা আসলেই বাইরে গেলে বোঝা যায়, বাংলাদেশী , এই পরিচয়টাই, ভালো-খারাপ আর অর্জন গুলোই ফোকাসড থাকে। তবে বাংলাদেশী পরিচয়ে আমরা যতটা আবেগপ্রবণ , তার সিকিভাগ পরিশ্রম ও আমরা এই পরিচয়কে মুখ্য করার জন্য ব্যয় করি না।


আমি একসাথে অর্জন করতে করতে (এচিভিং টুগেদার) বিরক্ত হইয়া কমিউনিটির সমযোজন করতেছি (ইউনাইটিং কমিউনিটিস)...।

আপনের দেখি মজার সিকুয়েন্স... অপারেটর-ভেন্ডর-ফ্রিল্যান্সার...

১১. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪
চাঙ্কু বলেছেন: হেগো সব জিনিস দেখি সাদা সাদা ;)
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: হাচাই তো! :)

১২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
ভাদাইম্মা বলেছেন: অপনার ব্লগ প্রথম পড়লাম... ভালো লাগলো... কলিগের শ্বশুর বেশ রসিক মানুষ ভালো জায়গাইয় নিয়ে গেছে...
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাদাইম্মা ভাই। আপ্নিও দেখি ঘুরতে আছেন :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৪৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রচুর স্বপ্ন দেখি,কিন্তু প্রচুর হতাশায় ভুগি| প্রচুর কাজ করি,কিন্তু প্রচন্ড অলস| জীবনকে উপভোগ করার পক্ষে, কিন্ত জীবনের সার্বিক যোগফল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ