বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ খাদ্যে মানব দেহের জন্যে বিষাক্ত উপাদান রয়েছে
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
চীন থেকে শিশুখাদ্য হিসেবে আমদানি করা দুধে বাংলাদেশও মেলামাইন পেয়েছে! এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সত্যিই জন-স্বাস্থ্যের জন্য সাংঘাতিক এই হুমকি বন্ধ তো করতেই হবে! চীন থেকে বাংলাদেশে দুধ আসছে তা ঢাকাকে জানিয়েছিলো বেইজিং! কেমন বুঝলেন?
Click This Link
এদিকে বাংলাদেশের বাজারে যে সব খাদ্য-পন্য বিক্রি হয় তার ৪০ শতাংশে বিষাক্ত উপাদান রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এ সব উপাদান খাদ্য দ্রব্যে মেশানোর কাজ চলছে প্রায় নির্বিবাদে। এসব খাবারে যে রং বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় তা মানব দেহে নানা উপদ্রবের সৃষ্টি করতে পারে। ক্যান্সার, শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস বা বন্ধ হয়ে যাওয়া, কিডনী এবং যকৃত অচল হয়ে পড়া, ক্যান্সার এমনই কয়েকটি উপদ্রবের নাম। কিন্তু খাদ্য দ্রব্যে এমন সব উপাদানের ব্যবহার বন্ধ করার বাংলাদেশব্যাপী কোনো কঠোর উদ্যোগ আজও দেখা যায়নি। যা দেখা গেছে তা হলো, রাজধানী ঢাকা সহ কয়েকটি বড় শহরে সামান্য কিছু অভিযান মাত্র। বিষমুক্ত, ভেজালহীন, বিশুদ্ধ খাবার কবে পাবে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ!
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বাবুয়া বলেছেন:
আমার নিজের ভয়ের কোন কারন নেই-কারন দুধ জাতীয় কোনা খাবার আমি খাইনা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















বন্ধু প্রিয় ; ঈদের শুভেচ্ছা। আর আমাদের ছোট্ট গ্রুপ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ আমন্ত্রণ। আমারা একসাথে পথ চলতে চাই; আমাদের প্রিয় রুগ্ন দেশটাকে সুস্থ করে তুলতে চাই শব্দের হাতিয়ার কাঁধে নিয়ে।
আমরা ভাগাভাগি করে নেব আমাদের সব স্বপ্ন; আমরা পথ করে দেব নতুন প্রজন্মকে; যাদেরকে দেখতে হবে না রাষ্ট্রের ময়লা রূপ। যারা চোখ মেললেই দেখবে চারিদিকে সুখি মানুষের কোলাহল! আমরা নির্মান করতে চাই হাজারো শব্দের কারিগর; যারা শব্দ দিয়ে বদলে দিতে চান সমাজের কাঠামো; যারা ভেঙে ফেলতে চান সব শেকল; শোষিত মানুষকে নিয়ে যেতে চান দেয়ালের বাইরে-
Click This Link