একটা বিষয় ভদ্রলোক খেয়াল করেননি, তা হলো উনার দীর্ঘ পোস্টের বিপরীতে আমি যে পোস্টটা দিয়েছিলাম তার সর্বমোট শব্দসংখ্যা ছিল ১৫। এই ১৫টি শব্দ উনার সমস্ত অহংকারকে ভেঙ্গে দিতে সক্ষম হয়েছে - কারন উনি ধরে নিয়েছিলেন - আওয়ামীলীগের যত বেশী বদনাম করা যাবে বিএনপির তত ভাল হবে। সেটা যে ভুল ছিল তা আর বলার অপেক্ষায় নেই।
যা হোক - সেটা আলোচনার বিষয় নয়- যে বিষয়টা মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হলো হঠাত করে কিছু প্রচারিত বিষয়ে এতো হৈ চৈ এর পিছনে কিছু নেই তো?
নীচের বিষয়গুলো একটু দেখা যেতে পারে:
১) যখন গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ধরা হলো এবং দীর্ঘ দুই মাস সাংবাদিকগন আপ্রান চেষ্টা করেও একটা রিপোর্ট করতে পারলেন না।
২) এই পর্যণ্ত প্রায় সকল গ্রেফতাকৃত রাজনীতিকদের রিমান্ডে নেওয়া হলো - কিন্তু সেখনে কি কথা হয়েছে সে বিষয়ে কোন নিউজ মিডিয়া কোন রিপোর্ট করেনি বা করতে পারেনি।
এতে মনে হয় রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ বিষয়টা বেশ গোপনে এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই করা হয়। সেখানে কোন সাংবাদিক, মিডিয়াকর্মী রাখা হয় না বা কোন প্রেস ব্রিফিং করা হয় না।
এই অবস্থায় গত কয়দিন যাবত বড়সড় কয়েকজন নেতার জবানবন্দীর বিস্তারিত বিবরন যেভাবে মিডিয়াতে প্রচারিত হচ্ছে তাতে সন্দেহবাতিকগ্রস্থ কিছু মানুষের জন্যে বিরাট প্রশ্ন তৈরী হয়েছে।
নিচের কয়েকটা বিষয় আবার দেখি:
১) বিগত কয়েক সপ্তাহ যাবত সরকারের কর্মকান্ডের মদ্যে কেমন যেন একটা লক্ষ্যহীনতা দেখা যাচ্ছিল। রাজনৈতিক দলের সংস্কার প্রক্রিয়া প্রায় ভেস্তে যাচ্ছিল।
২) সেনাপ্রধান পত্রিকার সম্পাদকদের সাথে বৈঠক করেন।
৩) বিএনপির সংস্কারপন্থী হিসাবে বাবর হাইপ্রোফাইল লেভেলে চলা ফেরা করছিলেন।
৪) যখন তাদের ধরা হয় তখন সরকারপক্ষ থেকে জানানো হয় - তাদের কাউকে কাউকে ধরা হয়েছে দূর্নীতির খবর বের করা জন্যে - যদিও তাদের নামে দূদকে কোন অভিযোগ ছিলনা।
উপরের বিষয়গুলো এক করলে দেখা যাবে - একটা পরিকল্পনার অংশ হিসাবে মিডিয়াতে জোরসোরে কিছু চমকপ্রদ তথ্য আসছে।
অনেকের হয়তো মনে আছে বিশ্ববেহায়া এরশাদ ক্ষমতায় আসার আগে ঠিক মিডিয়াতে দূর্নীতি নিয়ে তুমুল ঝড় উঠানো হয়েছিল। যুবমন্ত্রী আবুল কাসেমের বাড়ী থেকে সন্ত্রাসী ইমদুকে ধরা হয় - মিডিয়া দূর্নীতি নিয়ে একটা সোরগোল তোলে - আর জাতি পায় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দূর্নীতিবাজকে।
এদিকে একটা বিষয় লক্ষ্য করার মতো - বড় দুই দলেল এই বিপর্যয়ে সবচেয়ে খুশী দালালচক্র। যারা বিগত ৫ বছর লুটপাটের সাথে জড়িত থেকেও নিজেদের ক্লিন হিসাবে দেখাতে চেস্টা করছে।
সর্বশেষ কথা হলো - পুরো বিষয়টাই একটা ধারনার উপরে লেখা এবং আশা করছি বাংলাদেশের মানুষকে আরেকটা প্রতরানার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে না। আশা করছি - কেহ পরিকল্পিত ভাবে আমাদের বোকা বানাচ্ছে না বা আমরা বোকা হচ্ছি না।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১০:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


