আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান - যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দানে বিরত থাকুন।

আবারো ফরহাদ মজহার - যিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না।

২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩১

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাংলাদেশের সংবিধানে যখন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে, যেখানে বিশ্বের সকল উন্নত দেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন...সেখানে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আটকে রাখা হয়েছিল। কারা লাভবান ছিল? নিশ্চিত ভাবে প্রশাসন ক্যাডার। এরা গাছেটাও খাচ্ছিল - তলারটাও কুড়াচ্ছিল। সুপ্রিম কোর্টরে চাপে সরকার যখন বিচার বিভাগের পৃথকীকরন শেষ করে আনছে - তখন প্রশাসন ক্যাডার একটা সভা করে তাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

সেটা তারা করেছে অবৈধ ভাবে। একটা মাফিয়া চক্রের মতো সরকারের ভিতরে থেকে সরকারকে চাপ দিয়ে বিব্রত করার প্রচেষ্টা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন - ফরহাদ মাজহার।

তার বক্তব্য দেখুন -


"বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মানে শুধু পৃথককরণ নয়, এর অর্থ জণগণ যাতে সুবিচার পায় তারও ব্যবস্থা করা। কিš' এখানে পৃথককরণের নামে যে প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে, তা প্রতারণা মাত্র। রাষ্ট্র অখণ্ড, এখানে বিচার বিভাগ এককভাবে স্বাধীন থাকতে পারে না। পৃথককরণের বিষয়টি মানা গেলেও এর স্বাধীনতার বিষয়টি মানা যায় না। ফরহাদ মজহার বলেন, নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত র্কাকর করা ঠিক হবে না। এটা সাংবিধানিক প্রশ্ন। সুতরাং সংসদই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। সংসদকে পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে এ সিদ্ধান্ত নিলে দেশ আরও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে তিনি মত দেন।
সেমিনারে অন্যান্য বক্তরা বলেন, বিচার বিভাগকে এতোটা স্বাধীনতা দিলে তা অকার্যকর হয়ে পড়বে। এর ফলে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হবে।" (দৈনিক আমাদের সময়)

"আমি ব্যক্তিগতভাবে বিচার বিভাগের কোন স্বাধীনতা বিশ্বাস করিনা। " - (দৈনিক সমকাল)

প্রশাসন ক্যাডারের সমাবেশে গিয়ে বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে উসকানী দিয়ে কি উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চাচ্ছেন - এই বুদ্ধিজীবি?

 

 

  • ৬৬ টি মন্তব্য
  • ৭৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫২ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: হুমম...
২. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৪২
comment by: ক্ষ্যাপা বলেছেন: এরে ডলা দেওন দরকার ।
৩. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫২
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বিচার বিভাগের পৃথকীকরন এর সুবিধা অসুবিধা গুলো আমার নিজের কাছেও স্বচ্ছ না । আরও জানতে চাই ।
৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: আপনার লিখার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমি বিষাক্ত মানুষের সাথে ঐক্যমত পোষন করছি। এ ব্যাপার আমার নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। সময়সাপেক্ষে এ ব্যাপারে আলোচনা করার প্রত্যাশী।
৫. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:১৫
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: ফরহাদ মজহারের সাথে একমত না। উনি হঠাত ক্ষেপলেন ক্যান?
স্বাধীন বিচারবিভাগ হওয়া জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। প্রত্যেকটা দল নির্বাচনের সময় মেনিফেস্টোতে বিচার বিভাগ স্বাধীন করার অঙ্গীকার করে, কিন্তু স্বার্থের কারণে কেউ করেনি। এ সরকার যদি সফল হয় তাহলে সমস্যা কোথায়?
৬. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:১৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: কেউ মনে হয় গুতা দিছে তারে বলার জন্য।
৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২৩
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আমার জানা মতে এখন যা হচ্ছে - তা হলো বিচার বিভাগকে প্রশাসন থেকে আলাদা করা হচ্ছে।

এতোদিন ডিসি সাহেবগন সকালে এসে এজলাশে বসে ওরে ধর ওরে ডিটেনশান দিয়ে পরে প্রশাসনিক কর্মকান্ড করতেন।

ফলে দেখা যেত - পুরো বিচার ব্যবস্থাটাই চলতো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে। জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটগন উপরের দিকে তাকিয়ে থাকতো বা টেলিফোনের নির্দেশে রায় লিখতো। এখন হয়তো বিচারকগন আইনের বইগুলো অনুসরন করবেন।

তবে এখনই বলা ঠিক হবে না - পৃথকীকৃত বিচার ব্যবস্থাই সব সমস্যার সমাধান।

৮. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: তাদের বেতন ভাতা সহ বাকি আর্থিক সুবিধা তো আসবে সরকার থেকে। তাইলে তারা কতটুকু মাথা উচাবে, জানি না। গত সরকার দুই নির্বাচন কমিশনারের ভাতা দেয়া মনে হয় পেন্ডিং রেখেছিল সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলায়। তাই কনফিউজড এইসব ব্যাপারে!
৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৩
comment by: এস্কিমো বলেছেন: সেইটা ঠিক। এটা এক দিকের কথা। অন্যদিকটা হলো - যদি এর মধ্যেও যদি কেহ সঠিক রাস্তায় থাকতে চায় বর্তমান ব্যবস্থায় সেটা সম্ভব নয়।

কথা প্রসঙ্গে বলছি - আমার কিছুদিন বাংলাদেশ সরকারের কামলা হিসাবে কাজের সুযোগ হয়েছিলো। সেই সুবাদে বলছি - প্রশাসন ক্যাডার হলো সকল জটিলতার ফ্যাক্টরী। ৩৭ বছরে এদের অর্জন ছাড়া কোন ক্ষয় হয়নি - এবার একটু অঙ্গহানী হচ্ছে বলেই এদের আর্তনাত শুনা যাচ্ছে ...@রাশেদ
১০. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: একমত।


আর এই জরুরী অবস্থায় হুঙ্কার দিতেছে এরা, নিশ্চয় বড় কেউ আছে এদের পিছে। লেলিয়ে দিছে এদেরকে।
১১. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৪০
comment by: জেনারেল বলেছেন: আর এই জরুরী অবস্থায় হুঙ্কার দিতেছে এরা, নিশ্চয় বড় কেউ আছে এদের পিছে। লেলিয়ে দিছে এদেরকে।
১২. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৭
comment by: ফকির ইলিয়াস বলেছেন: ফরহাদ মজহার , মাজহার - নয়।
ফরহাদ ভাই অনেক নতুন আইডিয়া নিয়া চলেনতো
তাই !!!!!
১৩. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৪
comment by: এস্কিমো বলেছেন: তাই নাকি? ফরহাদ মজহার ভাইএর সরকারী খরচে বিদেশ ভ্রমন আর এনজিও চালানোও কি নতুন আইডিয়া?
১৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:১৮
comment by: ফকির ইলিয়াস বলেছেন: তা বলতে পারবো না, সরি !
১৫. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:২৮
comment by: মনিটর বলেছেন: রতির ভ্রম অথবা ভিমরতি।
১৬. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৪
comment by: ক্ষ্যাপা বলেছেন: ফরহাদ মার্জার কি অধঃরেতা@মনিটর?
১৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৮
comment by: মনিটর বলেছেন: বিগতরেতা?
১৮. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:০১
comment by: ক্ষ্যাপা বলেছেন: সেইটা ও হইতে পারে এর লাইগা তার মাথা গরম,ঝিম ঝিম লাগে,চউখে নানা রং দেখে
১৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:০৫
comment by: ইরতেজা বলেছেন: আমিও একমত।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চাই।
২০. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:২৬
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: অন্যায্যতা ও পক্ষপাতিত্বের চাবুক খেতে খেতে রক্তাক্ত আমাদের বিচারব্যবস্থার পাছার দিকে তাকিয়ে সমুদয় নাগরিকমন তাকে সমীহ না করে সন্দেহ করা শিখে গিয়েছিল, রক্তাক্ত পাছাধারী কোনো মানুষই নিজের ব্যথামোচন চিন্তার আগে আর্তের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারে না, পারে না হতে বিচারপ্রার্থীর যোগ্য অভিভাবক

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা লালসাদা দালানগুলো বহুদিন থেকে অভিভাবকের ভান ধরে মানুষের সাথে শত্রুর আচরণ করে এসেছে, হেলে থেকেছে ডানে নয় বাঁয়ে, শোনা গেল বহুদিন ধরে প্যাঁদানি খাওয়া আমাদের বিচারব্যবস্থার পাছায় এবার করা হবে স্বাধীনতার ইলোকট্রোপ্লেটিং, যখন তখন চাবকাতে পারবে না কেউ আর চাইলেও

মানুষ অভিজ্ঞতাবলে একে যেভাবে সন্দেহ করতে শিখে গেছে, তা দূর হতে আরো কতদিন লাগবে, জানে কি বিচারালয়ের মিনার, তাছাড়া সুযোগ পেলে বেড়াও যে খেত খায় মানুষ তার অভিজ্ঞতা থেকে সেটাও তো জেনেছে

এতদিন যারা একে প্যাঁদিয়ে এসেছে, তাদের রূপও আস্তে আস্তে খুলছে ও খুলবে, মানুষ দেখছে ও দেখবে আঁধারপ্রেমীরা ভোর হবার সম্ভাবনা দেখলেই কেমন অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করে
২১. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৭
comment by: ইকরাম বলেছেন: ক্ষুদ্র মাথায় জটিল তথ্যগুলো ধারন করার চেষ্টা করছি
২২. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
comment by: এস্কিমো বলেছেন: কঠিন হয়ে গেল...?@ইকরাম
২৩. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
comment by: ইকরাম বলেছেন: মোটেও না, আমি সকাল থেকেই এব্যাপারে নিউজগুলো বেশ আগ্রহ নিয়ে পড়ছি কিন্তু বুদ্ধিজীবীদের কথায় বারবার দিকভ্রান্ত হচ্ছি। তাই বলতে পারেন এই পোস্টের সকলের মন্তব্য গুলোই আমার কাছে ভরসা
২৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:১৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: ঠিকাছে...@ইকরাম
২৫. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম টু অল,
আমি এবিষয়ে কম বুঝি, বাট নিচের মতামত গুলো আপনারা পড়ে দেখতে পারেন।

১. বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়া প্রয়োজন। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। জনগনের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির এটি অন্যতম পুর্বশর্ত।

২. এর সাথে আরেকটি বিষয় সম্ভবত বেশী প্রয়োজন, তা হল আইন বিষয়ে যেখানে যেখানে পড়ানো হয় ও যেখানে যেখানে প্রাক্টিস করা হয় সে সব জায়গায় (কলেজ/ইউনিভার্সিটি ও কোর্ট) পলিটিক্স ব্যান করা অপরিহার্য। কারন, না হলে নিম্নোক্ত ফলাফল হতে পারে:
ক. বিচারকরা স্টুডেন্ট লাইফ থেকে পলিটিক্সে জড়িয়ে যাবেন, এতে কর্মক্ষেত্রে পলিটিক্স বিষয়ক মামলায় ওনার পক্ষে নিরপেক্ষ থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।
খ. নিরপেক্ষ বিচারক পাওয়া কষ্টকর হতে পারে। বিচারক নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়েও সমস্যা হবে। উদাহরণ: বিচারক ফয়েজির পদোন্নতি, প্রধান বিচারপতি নিয়োগে কিছু সিনিয়র বিচারপতিকে সুপারসিড, বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়ানোর জন্য আইন পাস, ইত্যাদি।
গ. সংবিধান মতে সুপ্রীম কোর্টের সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ট বিচারক তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন। সম্প্রতি (২০০৬-২০০৭) ঘটে যাওয়া তত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অনিশ্চয়তা এর বড় উদাহরণ।
ঘ. আইন ব্যবসায়, বিশেষ করে সুপ্রীম কোর্ট বার সমিতিতে যারা আছেন, তাদের প্রায় অনেকে রাজনীতির সাথে জড়িত। এদের যার যার রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের ফলে অনেক সময় অনৈতিক ভাবে বা প্রভাব খাটিয়ে (টাকার লেনদেন তো আছেই) মামলার রায় নিজেদের পক্ষে আনার চেষ্টা করেন। ২০০৬-২০০৭ সালে আমরা বিচারাঙ্গনে কতিপয় সিনিয়র আইনজীবী কর্তৃক ভাঙচুর ও প্রভাব খাটিয়ে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে মামলার রায় তাতক্ষনিক প্রত্যাহারের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি।

৩. কলামিস্ট ফরহাদ মজহার বলেন, নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্জকর করা ঠিক হবে না। এটা সাংবিধানিক প্রশ্ন। সুতরাং সংসদই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। সংসদকে পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে এ সিদ্ধান্ত নিলে দেশ আরও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে তিনি মত দেন।

আমার মতে, এটি একটা কঠিন ব্যাপার। কারন,

আসলে যেহেতু এটি সংবিধানের ব্যাপার, বর্তমান অনির্বাচিত তত্বাবধায়ক সরকার সংবিধান পরিবর্তন করতে পারেন না। সংসদে প্রয়োজনীয় বিল পাস করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলে এ সরকার তা পারবে না।

আবার দেখা যাচ্ছে অতীতের নির্বাচিত সরকাররা বার বার সুপ্রীম কোর্ট থেকে সময় নিয়েও বিচার বিভাগকে আলাদা করেনি। তার মানে ফরহাদ মজহারের মন্তব্য কতখানি প্রযোজ্য তাও প্রশ্নসাপেক্ষ।

সর্বোপরি, এই অনির্বাচিত তত্বাবধায়ক সরকার দেশের দুই শীর্ষ দলের দু'প্রধানকে কারাগারে রেখে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আনাতে নিজস্ব কোন লাভ আছে কিনা তাও বিবেচনা করা যেতে পারে। কারন, এপর্যন্ত তত্বাবধায়ক সরকারের কিছু কিছু কাজ অনেকের দৃষ্টিতে সমালোচিত হয়েছে, তার মানে তত্বাবধায়ক সরকার সবসময় নিরপেক্ষতার মানদন্ড অতিক্রম করতে পারেনি। এমতাবস্হায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কারণে, ফরহাদ মজহারের মতো বিচক্ষণ কলামিস্ট (সব কলামিস্টরাই বিচক্ষণ, কারন তাঁরা অনেক জানেন) প্রশ্ন তুলতেই পারেন।
২৬. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৭
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মানে কী বিচারকেরা স্বাধীন নাকি প্রশাসন থেকে বিচারবিভাগ স্বাধীন। আশা করি বিস্তারিত বলবেন।৫+
২৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৮
comment by: জুবেরী বলেছেন: 'পৃথককরণের বিষয়টি মানা গেলেও এর স্বাধীনতার বিষয়টি মানা যায় না"]

পৃথককরণের ও স্বাধীনতার বিষয় দুইটি আলাদা এটি
টিক আছে ।
কিন্তু ফ:মা: হলো সেই ধরনের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী যারা কিনা সবসময় তার চার পাশে বির্তক জিইয়ে
রেখে বুদ্ধিকে জীবিকা করে । ফ:মা: নিজেকে একসময়ের আপসহীন স্টেবলিসমেন্ট বিরোধী বুদ্ধিজীবী থেকে নিজেকে বাজারি বুদ্ধিজীবী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন খুব সফল ভাবেই কারন তিনি এখন বাংলাদেশের সবথেকে স্টেবলিসমেন্ট গোষ্টি প্রশাসন আমলাদের পেশাজীবি সংগঠনের সেমিনারে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী হিসাবে উপস্থিত থাকেন । ।
২৮. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ুমম !
আচানক কত কিচুই যে দেখুম রে মা !
কে স্বাধীন ?
হা হা হা হা হা হা হা হা হা
শালার নাটক কত প্রকার ও কি কি !
দেশ শুদ্ধা সমস্ত বিভাগ ও ক্ষমতার জায়গা গুলারে আষ্টে পৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে । তখনই বিচার বিভাগকে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে , যখন "বিচার" বলে কিছু থাকবে না । কিনে ফেলা বিচারকদের দিয়ে "স্বাধীন বিচার বিভাগ" হয় না । তবু , কেন যে তবু, আশায় বুক বাঁধতে ইচ্ছা করে!
২৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩০
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: ফরহাদ মজহারের অনেক বিষয় নিয়াই বিতর্ক করনের স্কোপ থাকে তা সত্য। তার সমাজ ব্যখ্যা অনেক সময়েই হয়তো আমার কিম্বা আমার অনেক বন্ধুর সাথে মিলে না...বরং মনে হয় তাতে অনেক ভনিতা আছে...কিন্তু এই বিষয়ে তিনি যা বললেন তাতে ঠিক কোন জায়গাটা আপনের কাছে ঠিক মনে হয় নাই?
৩০. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: 'ফরহাদ মজহার বলেন, নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত র্কাকর করা ঠিক হবে না। এটা সাংবিধানিক প্রশ্ন। সুতরাং সংসদই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। সংসদকে পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে এ সিদ্ধান্ত নিলে দেশ আরও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে তিনি মত দেন।'

মজহার সাহেবের সারকথা হলো এটা।


৩১. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: "আমি ব্যক্তিগতভাবে বিচার বিভাগের কোন স্বাধীনতা বিশ্বাস করিনা। "

কেন এই কথা সার কথা না?@সারোয়ার চৌধুরী
৩২. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৯
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আপাতত যতটুকু বুঝি, প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগকে আলাদা করা। স্বাধীনতার কথাটা আসছে এই জন্যে যে, এতোদিন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগের অধীনে ছিল। এখন একটা আলাদা বিভাগ হবে। @আলী আরাফাত শান্ত
৩৩. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২
comment by: এস্কিমো বলেছেন: জামাল ভাস্কর,
মনে হয় প্রশ্নটা আমাকে করেছেন। এর উত্তর হলো:

একটু ভাল ভাবে ফ.ম. বক্তব্যটা দেখুন:

১) এখানে পৃথককরণের নামে যে প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে, তা প্রতারণা মাত্র।

[ এটা উনার মনে হয়েছে। এই মামলা চলছে ১৮ বছর যাব, এবং একটা বিশেষ গোষ্ঠী এটাকে ঠেকিয়ে রেখেছে, হটাত করে এর মধ্যে প্রতারনা দেখলেন কিভাবে। ১৯৭২ সালের সংবিধানে এটাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে - উনার বক্তব্য মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা কৌশল]

২) রাষ্ট্র অখণ্ড, এখানে বিচার বিভাগ এককভাবে স্বাধীন থাকতে পারে না।

[এটা আরেকটা চতুরতা, রাষ্ট্রের অখন্ডতার সাথে একটা স্বাধীন সংস্থার কোন বিরোধ আছে কি? আমরা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, স্বাধীন দূর্নীতি দমন কমিশন, স্বাধীন ইউসিসি নিয়ে এই রকমের বক্তব্য শুনিনি... এটা হলো একটা চিপ শর্ট]

৩) পৃথককরণের বিষয়টি মানা গেলেও এর স্বাধীনতার বিষয়টি মানা যায় না।

[উনি আবারও বিভ্রান্ত বা বিভ্রান্তির সৃস্টি করছেন - প্রশাসন থেকে আলাদা হওয়াকেই স্বাধীনতা বলা হয়েছে - কিন্তু দেশের সংবিধানের বাইরে যাবার কোন সুযোগ কি আছে কোন সংস্থার?]

৪) ফরহাদ মজহার বলেন, নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত র্কাকর করা ঠিক হবে না। এটা সাংবিধানিক প্রশ্ন। সুতরাং সংসদই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

[ এটা হলো একটা চরম চালাকি। সংবিধান এবং সংসদ এই বিষয়ে অনেক আগেই অনুমোদন দিয়ে রেখেছে - এটা উনার না জানার কথা নয়]

৫) সংসদকে পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে এ সিদ্ধান্ত নিলে দেশ আরও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে তিনি মত দেন।

[ বর্তমান সরকারকে ব্লাক মেইল করার চেষ্টা। এই সরকার যা করছে সবই আগামী সংসদে অনুমোদন পেতে হবে এবং সেটা হবে পারষ্পারিক বিশ্বাসের উপর...সেখানে একটা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সরকারকে একটু ভড়কে দেওয়া চেষ্টা করেছেন]

উপরের বিষয়গুলো পরষ্পর বিরোধী। উনি প্রশাসন ক্যাডারের আমন্ত্রনে একজন ভাড়াটিয়া হিসাবে কিছু বিতর্ক সৃস্টি করেছে...লাভ কি? উনিও ভাল বলতে পারবেন।
৩৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ৫
৩৫. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
comment by: এস্কিমো বলেছেন: দেখলাম জামাতী দৈনিক ঢরহাদ মজহারকে শিরোনাম করেছে। এটাই মজার। তাগুতী আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যে ফরহাদ মজহারের এই উন্নতি। বাকী থাকলো একটা স্টেটমেন্ট...তাহলেই ফরহাদ মজহারের উন্নতি ঠেকায় কে?

ভন্ড আর কাকে বলে!
৩৬. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৪২
comment by: ডাক্তার অব নাজির শাঈল রমনপ্রিয় বলেছেন: সালোয়ার ভাই কি ফরহাদ মাজহারের সাথে রিলেটেড নাকি? সাইমুমের পশচাত দেশ যেমনে চাটতেন, ফরহাদের নিতম্ব প্রদেশ একই ভাবে চাটাচাটি শুরু করসেন যে
৩৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫০
comment by: নাভদ বলেছেন: ৫
৩৮. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৯
comment by: মিসকিন বলেছেন: মার্জারটাকে আইন স্কুলে পাঠানো হউক। তাহলেই বুজতে পারবে যে বিচারবিভাগ স্বাধীন হলেই একটা দেশের অখন্ডতা শেষ হয়ে যায়না। বিচারবিভাগ স্বাধীন মানে এখানে টেলিফোনে কোন কাজ করতে কেউ বাধ্য হবেনা। একটা ভাল কাজ করতে গেলে দুএকজন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাবেই তার জন্য বড় ধরনের কাজ থেমে থাকতে পারেনা। মার্জাররা কেউ কেউ বুঝে ো বুঝেনা। তাই তাদের স্কুলে পাঠানো হোক।
৩৯. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:১৬
comment by: নিজেরআয়না বলেছেন: একটা ভুলে যাওয়া অতীত আপনাদের মনে করিয়ে দিই। প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারি সফরসঙ্গী হয়ে ফরহাদ মজহার বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন। সুতরাং বিএনপি-জামায়াত জোটের সঙ্গে তার প্রীতির সম্পর্ক আপনাদের স্মরণ থাকা উচিত।
৪০. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:২৩
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: নিরংকুশ স্বাধীনতা বলতে জগতে কিছু নেই। ব্যক্তি যিনি ভাবেন তিনি স্বাধীন, তাকেও দায়বদ্ধতার পরাধীনতা মানতে হয়।@এস্কিমো

ফরহাদ মজহার বুদ্ধিজীবি মানুষ, দার্শনিক মানুষ, তাঁকে যে কেউ সাথে নিলেই উনি তাদের হয়ে গেলেন না। তিনি সাপ্তাহিক ২০০০ হাজারে লিখেন বলে তিনি তাদেরও নন আবার নয়া দিগন্তে লিখেন বলে তিনি তাদেরও নন। @নিজের আয়না
৪১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৩০
comment by: মনিটর বলেছেন: ফরহাদ মজহার>>> - - - ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সব পাতে পরিবেশন যোগ্য খাবার। >>> তাই নয়াদিগন্ট থেকে প্রথমআলো সব জায়গায় স্থান
৪২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪০
comment by: আমি কে বলেছেন: মনিটর বলেছেন :
২০০৭-১০-২৩ ০১:৩০:৫৬
ফরহাদ মজহার>>> - - - ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সব পাতে পরিবেশন যোগ্য খাবার। >>> তাই নয়াদিগন্ট থেকে প্রথমআলো সব জায়গায় স্থান
৪৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪০
comment by: নিজেরআয়না বলেছেন: আমি নয়াদিগন্ত বা প্রথম আলো কিম্বা সাপ্তাহেক ২০০০-এ ফরহাদ মজহারের লেখা নিয়ে কিছু বলিনি। যে পত্রিকাগুলো তার লেখা ছাপছে সেটা তাদের সম্পাদকীয় দৃষ্টিভঙ্গীর ব্যাপার। বিভিন্ন মতের লেখা রাখার জন্য নিশ্চয়ই সম্পাদকরা তাকে তাদের পত্রিকায় জায়গা করে দেন।
আমি ফ. ম-এর বুদ্ধিবৃত্তির সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি। খালেদা বা হাসিনার সঙ্গে প্রীতির সম্পর্ক যাদের গড়ে ওঠে, তাদের উভয়ের বা নির্দিষ্ট কারোর রাজনৈতিক নীতি-আদর্শের (??) প্রতি যাদের সহমর্মিতা জন্মায় তারা নিশ্চয়ই দলনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে পারেন না। ফ. ম-কে আমরা সেই দৃষ্টিতেই দেখবো। আমাদের অধঃপতিত রাজনৈতিক নেতাদের জন্য তার ভালোবাসার কারণ আছে অবশ্যই।
৪৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪০
comment by: ডাক্তার অব নাজির শাঈল রমনপ্রিয় বলেছেন: সালোয়ার এ পোষ্টে নীরব কেন?
৪৫. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪৫
comment by: মনিটর বলেছেন: চৌধরি সাব আমার এক পোস্টেও প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন না। কেন?
৪৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪৫
comment by: জল রঙ বলেছেন: বিপ্লব
৪৭. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৪৭
comment by: