আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান - যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দানে বিরত থাকুন।

একটি দৈনিকের মিথ্যাচার (ব্লগে কয়েকবার প্রচারিত) বনাম প্রকৃত সত্যঃ দালাল আইনে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করা হয়নি।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর দোসর - যারা সুস্পস্ট যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত, তাদের স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার কর্তৃক ক্ষমা করা হয়েছে - এটা একটা মিথ্যা প্রচারনা ছাড়া কিছুই নয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার ২৪ শে জানুয়ারী ১৯৭২ এ প্রনীত "Bangladesh Collaborators (Special Tribunals)" (বিশেষ দালাল আইন ১৯৭২) এর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে। একই বছর অধ্যাদেশটি পরিবর্তন করা হয় - যাতে সুস্পস্ট ভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা গোস্ঠী যারা গনহত্যা, মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড, পুরুষ, নারী বা শিশুদের নির্যাতন, সম্পত্তি ধংস করার সাথে জড়িত এবং পাকিস্থানী সৈন্যদের সহায়তা করেছে তাদের বিচারে আওতায় আনা হয়।

এই অধ্যাদেশের অধীনে ১১টি ট্রাইবুনাল গঠনের প্রক্রিয়া এবং কার্যক্রম বর্ননা করা হয় - যা মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করা যাবে।

সরকার ১৯৭৩ সালের জুলাই ২০ তারিখে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী (ট্রাইবুনালস) এক্ট পাশ করে - যাতে পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে অধীনে আনা যায়।

১৯৭৩ সালের নভেম্বর ৩০ এ সরকার একটি সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করে - যাতে করে যাদের বিরুদ্ধে সুস্পস্ট যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেই তারা স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারে এবং জাতি গঠনে অবদান রাখতে পারে।
সেই আদেশে সুস্পস্ট ভাবে বলা হয়েছে - "Those who were punished for or accused of rape, murder, attempt to murder or arson will not come under general amnesty."

সেই সময় আটক থাকা সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীর মধ্যে প্রায় ৩৭,০০০ জনের মধ্যে প্রায় ২৬,০০০ সাধারন ক্ষমার অধীনে ছাড়া পেয়ে যায়।

প্রায় ১১,০০০ তখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচারাধীন ছিল। জেনারেল জিয়াউর রহমান সামরিক অধ্যাদেশ দিয়ে (ডিসেম্বর ৩১, ১৯৭৫) কে সংশোধন করে নতুন আদেশ জারী করে যার বদৌলতে সেই বিচারাধীন ১১,০০০ যুদ্ধাপরাধী ছাড়া পেয়ে যায়।

(অনুদিত)

 

 

  • ২৫ টি মন্তব্য
  • ২৬৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৮
comment by: নরাধম বলেছেন: জিয়া ছিল একটা সুযোগসন্ধানী।
২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: হুমম...
ভাবছি এখন কী ই বা করার আছে.....
৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯
comment by: জেনারেল বলেছেন: জিয়া ছিল একটা সুযোগসন্ধানী।
৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
comment by: মুকুল বলেছেন: *****
৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৪
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: স্বার্থের পাগল, ক্ষমতার পাগল
চলছিল, চলছে এবং চলবে
এটাই স্বাধীন দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠা
এগুলো ভাবতেই কষ্ট হয়
৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: এই ধরনের আরো কিছু রেফারেন্স তূলে ধরলে ব্যাপারটা আরো ক্লিয়ার হবে।
৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৫
comment by: মনিটর বলেছেন: নাজিরুল ৫ দিল কেমনে?ঘুম হৈসে?
৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
comment by: অপূর্ব বলেছেন: জিয়াউর রহমান ভন্ড জামাতিদের ক্ষমা করে তাদের প্রতিষ্টা করে দিয়েছেন।
৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
comment by: চে বলেছেন: ৫
১০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ৫
১১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ৫
১২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: ৫
১৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০২
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ৫
১৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৬
comment by: নিজেরআয়না বলেছেন: ৫
১৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৫
comment by: হাসিব বলেছেন: নাজিরুলের কি হৈলো ?!! ৫ দিলো দেইখা অবাক লাগতেছে ।
১৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২০
comment by: রাশেদ বলেছেন: আরেক পুস্টের কমেন্ট এইখানে করল নাকি!
১৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৩
comment by: নাভদ বলেছেন: ৫
১৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৬
comment by: নাভদ বলেছেন: ৫
১৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৭
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: এ ব্যাপারটা বছরের পর বছর কিছু সুযোগসন্ধানী চতুর কৌশলে ব্যবহার করে আসছে। আমি কয়েকবার এ ব্যাপারে 'জামাতপন্থী' ব্লগারদের শুধরাবার ব্যর্থ চেষ্টা করেছি। কথায় কথায় তারা সত্যের পথিক হয়, কিন্তু সত্যিটা নিজের বিরুদ্ধে গেলে পাশ কাটিয়ে যায়! "দরকার হলে মিথ্যা বিশ্বাস করবো, কিন্তু স্ববিরোধী সত্যি মানবো না" - তাদের আচরন দেখে আমার মনে হয়, এই তাদের নীতি!

৫।
২০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪০
comment by: গুড ফর নাথিং বলেছেন: ৫
২১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: ধন্যবাদ।
সকল বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হয়ে যুদ্ধপরাধীর বিচারে ঐক্য বদ্ধ হওয়া জরুরী।
২২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: যত দেরী হবে বিভ্রান্তিও তত বাড়বে। মাত্র ৩৭ বছরেই অবস্থাটা এমন হয়েছে যে নতুন প্রজন্মের জন্য সঠিক ইতিহাস খুঁজে পাওয়া, তারপর বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে! এভাবে চলতে থাকলে, আর ২০ বছর পর অবস্থাটা কেমন দাঁড়াবে তা সহজেই অনুমেয়।

ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে আমরা শীঘ্রই এইসব ঘন্য যুদ্ধাপরাধীদের তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিতে পারবো এবং ক্রমান্বয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব সমৃদ্ধির দিকে - এই প্রত্যাশা আজ।
২৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৭
comment by: আমি মাহমুদ বলেছেন: 5
২৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: নাজিরুল হক বলেছেন :
২০০৭-১১-০৭ ১০:০০:০৩
এই ধরনের আরো কিছু রেফারেন্স তূলে ধরলে ব্যাপারটা আরো ক্লিয়ার হবে।

- ৩৭ বছরের ৩৭ ইঞ্চি ধুলা পড়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ফাইলের উপর - (অবশ্যই যদি সেগুলো ধ্বংশ না করা হয়ে থাকে)।

আমাদের বড় ধরনের ঝাড়ু দরকার...সত্যটাকে দেখার জন্যে।
২৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০০
comment by: নিধিরাম সর্দার বলেছেন: নাজির শাইলের কালার কি চেইনজ করতাসে?>

 



 


এস্কিমো এখনও প্রথম আলো ব্লগে যায় নাই।

[এস্কিমো ব্লগের সতর্কীকরন: রাজাকার, আল বদর, আল শামস্, শান্তি কমিটি, ও '৭১ এর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২০৩৮১২