আজ শুরু বিজয়ের মাস -তোমাদের যেন না যাই ভুলে।
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চে জন্ম নেওয়া দেশটি এই মাসেই বিশ্বের মানচিত্রে একটা সার্বভৌম দেশ হিসাবে নিজের স্থান দখল করে।
অন্তরের সকল শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি লক্ষ শহীদদের আর তাদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।
আমরা তোমাদের ভুলবনা - কখনই না।
১৯৭১ সালের এই দিনেই বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল শত্রু মুক্ত হয়ে যায়। ১ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর বিক্রম বলছেন এই দিনের কথা।
"১ ডিসেম্বর নাগাদ সমস্ত বেলুনিয়া অঞ্চল মুক্ত হয়ে যায় এবং ফেনী মুক্ত করার জন্যে অভিযান চালাতে আমাদের সব প্রস্তুতি তখন চুড়ান্ত"।
এই চিত্র ছিল সীমান্ত অঞ্চলের প্রায় সর্বত্র।
মানুষ অধীর হয়ে গুনছিলো শেষ প্রহরের। দামাল ছেলেরা মরিয়া হয়ে পাক-বাহিনী আর সহযোগী রাজাকারদের বিরুদ্ধে একটার পর একটা সফল অভিযান পরিচালনা করে শত্রুর মনোবল ভেঙ্গে দিচ্ছিলো।
কিন্তু একদল পাকি দালাল আর রাজাকারদের নেতারা তখনও গোপনে চালাচ্ছিলো তাদের পরিকল্পনা। তারই প্রতিফলন দেখা যায় জামাতের পত্রিকার ৩০ শে নভেম্বরের সংখ্যায়।
সংগ্রামের বলা হয় - "ঢাকা শহরে জামাতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম ঘোষনা করেন যে, ভারত পূর্ব পাকিস্থানের সীমান্তে নয় বরং এদেশের মুসলমানদের ঈমানে উপর হামলা চালিয়েছে। তিনি কখনো পরাজিত হয় না, তারা শহীদ অথবা বিজয়ী হয়ে গাজী হয়।"
১লা ডিসেম্বরের পর এই সকল দালাল- রাজাকারদের শহীদ বা গাজী হওয়ার চেয়ে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে বেশী ব্যস্ত ছিলেন। অনেকে এই সময়ে পালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চলে যান। অনেকে আবার তাদের পিতৃভূমি পাকিস্থানে চলে গিয়েছিলো।
১৯৭৫ সালের পর ধীরে ধীরে "না-শহীদ" বা "না-গাজী" এই ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে দেশে ফিরে এসেছে এবং খামছে ধরেছে আমাদের বিজয়ের পতাকা। এরা বিতর্কিত করছে আমাদের বিরাট অর্জনকে। প্রমান করতে চাচ্ছে আমাদের বিজয়টি ভুল। ধর্মের আড়ালে লক্ষ শহীদের জীবনের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে টেনে নিয়ে যেতে চাইছে অন্ধকারের দিকে। এরা নিজেরা বহাল তবিয়তে পেশাধারী রাজনীতিক হয়ে ধর্মের প্রলোভন দেখিয়ে যুবকদের বিপদগামী করে "শহীদ" বা "গাজী" হবার লোভ দেখায় - যদিও নিজেরা অট্টালিকা আর সুরম্য প্রাসাদ বানিয়ে পার্থিব ভোগে বিভোর।
বিজয়ের আনন্দের মধ্যে যে আমরা কোন ভাবেই এই যুদ্ধাপরাধী আর স্বাধীনতার শত্রুদের ভুলে না যাই। ওদের বিচারের জন্যে সোচ্চার হই। ঐক্যবদ্ধ হই মুক্তিযুদ্ধাদের পিছনে - যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবীকে গনদাবীতে পরিনত করি।
আসুন বিজয়ের মাসে যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবীর বিজয়ের আরেকটা আনন্দ করি।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।