সুযোগ পেলেই কানাডার সিবিসি রেডিওর প্রশংসা করি। আসলেই কর্পোরেট সংতির ভিতরেও একটা পাবলিক ব্রডকাস্টিং সংস্থা দারুন অনুষ্টান প্রচার করে। আরও ধন্যবাদ দেই মনে মনে মারকোনী সাহেবকে - যিনি রেজিও আবিষ্কার করেছেন।
মনে হচ্ছে ধান ভানতে শিবের গীতই শুরু করলাম। আসলে এই রেডিও থেকেই গল্পটা শুরু। একদিন কি একটা বিষয়ে বিরক্ত ছিরাম। গাড়ীতে বসে স্টার্ট দিতেই চমৎকার বাঁশির সুর ভেসে এসো। অবাক হয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখলাম আসে পাশে কোন গাড়ী নেই - কমপক্ষে কোন ভারতীয় থাকলে হয়তো ভাবতাম - ওদের গাড়ীতে এই সুর বাজছে। ভাল করে লক্ষ্য করলাম - কেউ কি কোন সিডি ভুলে গাড়ীতে রেখে গেছে কিনা। কিন্তু না -দেখলাম সিবিসি রেডিও বাজছে। পরের কয়েক মিনিট মুগ্ধ হয়ে বসে থাকলাম - যতক্ষন না বাঁশি সুরটা শেষ না হয়।
কয়েক মিনিট পর - অনুষ্ঠানের উপস্থাপক জানালো - এতোক্ষন আমরা ক্যাথেরিন পোর্টারের বাজানো বাঁশি শুনলাম।
ধন্যবাদ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ - মানে সেইটা ছিলো ক্যাথেরিন পোর্টার নামের এক শিল্পীর সাক্ষাৎকার।
এতো চমৎকার বাঁশি আগে কখনও শুনিনি। কিন্তু শুধু নামটা শুনলাম শিল্পীর "ক্যাথেরিন পোর্টার"।
পরে ইন্টারনেটে খুঁজতে গিয়ে আরেক ঝামেলা - CATHERINE POTTER বানানটা কি হবে। অনেক ঝামেলার পর পেলাম লিল্পীর জীবনী। সে এক অবাক বিস্ময়। ক্যাথেরিনের জন্ম মন্ট্রিয়লে - শুধু বাঁশি শেখার জন্যে ভারতে চলে গিয়েছিলো।
পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরসিয়ার কাছে বাঁশি শেখার সাথে সাথে জ্যাজ, ইন্ডিয়ান মিউজিকসহ ক্লাসিক্যাল মিউজিকের উপর দক্ষতা রয়েছে ক্যাথেরিনের।
ক্যাথেরিন পোর্টার পূর্ব-পশ্চিমের সংগীতকে এক সুতায় বাধার প্রয়াস হিসাবে "দুনিয়া" নামে একটা ফিউশান দল তৈরী করেন। মজার বিষয় দেখলাম সেই দলে সুবীর দেব নামের এক বাঙালী তবলা বাদকও আছে।
বর্তমানে কানাডার সব নামী-দামী অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠান করে বেড়াচ্ছে।
একাগ্রতা আর শেখার আগ্রহই ক্যাথেরিনকে কানাডার সবচেয়ে ভাল বংশীবাদ হিসাবে পরিচিত করে।
ক্যাথেরিন পোর্টারের সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে - Click This Link
অডিও ফাইল: http://www.catherinepotter.net/AUBE.mp3
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



