আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান - যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দানে বিরত থাকুন।

চার শিবির ক্যাডারের ফাঁসি - বাংলাদেশ কি প্রস্তুত ভবিষ্যতের জন্যে?

২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

চার শিবির ক্যাডারের ফাঁসি - বাংলাদেশ কি প্রস্তুত ভবিষ্যতের জন্যে?

ব্লগে মাঝে মধ্যে দেখি - বিভিন্ন পোস্ট। এসো শিবির করি। শিবিরের নানান ফিরিস্তি। প্রথম প্রথম বিরক্ত হতাম। আরে ভাই, দেশে বড় দুইটা রাজনৈতিক দল আছে। তাদেরও ছাত্র সংগঠন আছে। কখনও দেখিনি ব্লগে এসে কেউ বলছে - এসো ছাত্রদল করি বা ছাত্রলীগ করি। তাইলে শিবির করার ডাক ব্লগে কেন?

ধীরে ধীরে বুঝতে পারলাম। শিবির সম্ভাব্য সকল সুযোগ নিয়ে নিজেদের প্রচার করতে চায়। প্রকৃতপক্ষে শিবির হলো ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির থেকে উঠে আসা জামায়াতের "ফার্স্ট লাইন অব ডিফেন্স" বা বলতে পারি ১ম রেজিমেন্ট। পারিবারিক বা অর্থের ফাঁদে পড়ে শিবিরে নাম লেখানো ছেলে-মেয়েরা নিজেদের বিবেক বুদ্ধির ধার ধারে না। এরা তাদের জন্যে তৈরী ম্যানুয়ারের ভিত্তিতে কথা বলে।

গত বছর শেষ দিকে শিবিরের এক কর্মী খুবই গর্বের সাথে জানায় যে - চাপাই নবাবগঞ্জে কোরানের সমন্মান রক্ষায় মিছিলে শিবিরের কর্মী জীবন দেয়। তালিকায় দেখি - কয়েকজন ক্লাশ সিক্সের ছাত্রের নাশ একজন ছাত্র ক্লাশ সিক্সে পড়ার সময় তার বয়স কতো হতে পারে - ১২/১৩। এই ছোট্ট বয়সের ছেলেদের পুলিশের গুলির সামনে ঠেলে দিয়ে যারা ইসলাম রক্ষার পক্ষে জেহাদ ঘোষনা করে - আমরা দেখি তাদের ছেলে মেয়ে ফ্রান্স বা অস্ট্রেলিয়া বা লন্ডনে পড়ে। তারা কিন্তু মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরানের উপর পড়তে না গিয়ে ফ্রান্সে আইন পড়ে।

এই বিষয়টা বহু দিন মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে - ভাবছিলাম - শিবির কি আসলেই ইসলাম রক্ষার জন্যে কাজ করে। কিন্তু ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে যা পেলাম - তাদের আলোচনার খুব সামান্যই ধর্মের উপর - বেশির ভাগই জামাতের নেতাদের অতীত কর্মকান্ডের বিশেষ করে ৭১ এ গনবিরোধী এবং হত্যাকারীর ভুমিকাকে সাফাইয়ে সীমাবদ্ধ। এই বিষয়গুলো যখন দেখছিলাম - একদিন ইন্টারনেটে একটা খবর চোখে পড়লো - রীতিমত চমকে উঠলাম। খবরটা শিবিরে ক্যাডার। এরা ভাড়ায় খুন করে - চাঁদাবাজী করে - মাদক ব্যবসা করে। তাইলে ধর্ম কই গেল।

এই বিষয়ে দুইটা পোস্ট দিয়েছিলাম: মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন (!): আটটি বুলেট শরীরে নিয়ে শেষ হলো মেধাবী ছাত্র “আহমইদ্দ্যা” (শিবির রহস্য) Click This Link

আজ খবরে দেখলাম - সেই হত্যা মামলার রায় হয়েছে। সেই রায়ে চার শিবির ক্যাডারকে ফাঁসি, তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বিচারক রায়ের আদেশে উল্লেখ করেন, দ-বিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি সাজ্জাদ হোসেন ওরফে সাজ্জাদ, আলমগীর কবির ওরফে বাইট্টা আলমগীর, মোঃ আজম ও মোঃ সোলায়মানকে মৃত্যুদ- দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। সাজ্জাদ ও সোলায়মান পলাতক।

দ-বিধির ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় আসামি এনামুল হক, আবদুল কাইয়ুম, হাবিব খানকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে হাবিব খান ও এনামুল হক পলাতক।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি এটিএম মেজবাহুল কবির, আজিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মিয়া মোঃ তৌফিক, নেছার আহমদ, মোঃ ইলিয়াছ, আবদুল হাকিম, আবদুল হামিদ, বজল আহমেদ, বায়েজীদুর রহমান, বিডিআর সেলিম, রেজাউর রহমান মুক্তি ও ইকবাল হোসেনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মামলার অপর দুই আসামি আজরাইল দেলোয়ার ও গিট্টু নাছির র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ১২ জুলাই বেলা ১১টায় নগরীর কালামিয়া বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম সরকারি কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটে ছাত্রলীগ নগর শাখার সমাবেশে যোগদানের জন্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একটি মাইক্রোবাসে যাওয়ার পথে শিবির ক্যাডারদের সশস্ত্র হামলার শিকার হয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে ৬ জন আর হাসপাতালে ২ জন মারা যায়।

এই রায় ঘোষনার সময় বাদী পক্ষের কেউই উপস্থিত ছিলো না। খবরের আরো দেখা যায় - মামলার দূর্বলতা, সাক্ষীদের ভয় ভীতির কারন যথাসময়ে স্বাক্ষী না দেওয়া অনেককে খালাশ পেয়ে যায়।

এই ঘটনা ছাড়াও দেখা গেছে শিবির চট্রগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস করেছে এবং করছে। মুক্তিবুদ্ধি শিক্ষকদের খুন করেছে আর খুনের হুমকী দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশে এরা আস্তানা তৈরী করে সন্ত্রাসের সুযোগ খুজছে।

যুদ্ধাপরাধীদের দল যে কোন ভাবেই বাংলাদেশে তাদের আধিপত্য বিস্তার আর মুক্তিযুদ্ধের সকল অর্জনকে নষ্ট করার লক্ষ্যে দরিদ্র আর ধর্মপরায়ন কোমলমতি বাচ্চাদের নিয়ে শিবির নামক সংগঠন তৈরী মাধ্যমে সেই নিরাপরাধ ছেলেদের হয় পুলিশ বা র‌্যাব বা প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে পরিনত করছে। দেখা গেছে আত্নঘাতী বোমা হামলা আর দেশ ব্যাপী বিচারকদের উপর হামলার জন্যে দায়ী জেএমবি ও হরকতুল জেহাদের কর্মীদের হাতে খড়ি শিবিরের মাধ্যমে। সংগত কারনেই বিগত সরকারের আমলে জামাতের ক্ষমতার যোগসূত্রের সুবাদে দেশে ধর্মের নামে সন্ত্রাস বেড়েছে - আর জামায়াতের শীর্ষ নেতারা সংসদ ও বাইরে প্রকাশ্যে তাদের রক্ষার জন্যে প্রচারনা চালিয়েছে।

দেশে গনতান্ত্রিক রাজনীতির সুযোগে গড়িয়ে উঠান এই আগাছা গুলো সময়মতো পরিষ্কার করার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যেই কারনে জেএমবি আর হুজি নিষিদ্ধ হয়েছে - সেই একই কারনে (১৯৭১ এর ভুমিকা) জামাত আর দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিত সন্ত্রাস, খুন আর বোমাবাজীর অভিযোগে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা জরুরী।

নতুবা আগাছায় ছেয়ে যাবে স্বাধীনতার ফসল বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ আরেকটা পাকিস্তান হবার সম্ভাবনা তৈরী হবে - যারা হয়তো বাইতুল মোকাররম মসজিদ দখল করে সালেহীনদের মুক্তি চাইবে।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ দৈনিক ইত্তেফাক

 

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ৪১০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এই ধরনের নিশংশতা শুধু মাত্র এরাই করতে পারে। এতবড় একটা কাজ কোনোমতেই ঝোকের বশে করা হয়নি বা হুট করে মাথা গরম করেও নয়। পুরো প্ল্যান করে আর হাইকমান্ড খেকে গ্রীন সিগনাল নিয়েই করা হয়েছিল। ভেবে দেখুন কেমন নিশংস্ব এরা। আর কোন রাজনৈতিক দলের কি এমন নজির আছে? এমনটা শুধূ এদের আর চরমপন্থীদের ক্ষেত্রেই শোনা যায়। আরও শোনা যেত ফ্রিডম পার্টি নিয়ে।

৪ জনের ফাসির খবর শুনে আমি অন্তত উল্লসিত নই। মুল হোতাদের আরও ২২ জন বাদ পড়ে গেছে সাক্ষ প্রমানের অভাবে। এ ঘটনার সাক্ষী ছিল অনেক লোক। এরা ভয়ে আদালতে আসতে পারেনি। এরজন্য কোর্ট বিরক্তি প্রকাশ করেছে। এমনকি মামলার বাদীও প্রানভয়ে নিস্ক্রিয় থেকেছে। এটাকে মগের মুল্লুক ছাড়া আর কি বলা যায়।
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত বলার জন্যে ধন্যবাদ। যারা দন্ড পেয়েছে এরা মুলত নিম্নশ্রেনীর ক্যাডার। মুল পরিকল্পাকারীরা এখনও ধরাছোয়ার বাইরে।

২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: জামাত শিবির নিপাত যাক
নিষিদ্ধ হউক
৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩৫
comment by: মুকুট বলেছেন: শিবির যে ধোঁয়া তুলসি পাতা নয়, এটা আরো একটা প্রমাণ, আর এরা নিজেদের স্বার্থের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে, তাও দেখা গেল!
৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: শিবির যে ধোঁয়া তুলসি পাতা নয়, এই কথাটাই অবান্তর। এদেশে সন্ত্রাসী দল যদি কোনটা থেকে থাকে তো তারা। আলীগ বিএনপি গুন্ডামী শিখেছে ৯২/৯৩ এর পরে, যখন শিবির এক্ষেত্রে বিগবস। আর আ,বি'র গুন্ডামি হোন্ডা মহড়া, হকিস্টিত নিয়ে মারামারি, গ্রুপিং, টেন্ডারবাজি আর ককটেল পর্যন্তই। আর শিবির শুরুই করে রগকাটা দিয়ে।
৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
comment by: এস্কিমো বলেছেন:
৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: শিবির যতটা অর্গানাইজডভাবে চলে, অন্য দলগুলোর সেইরকম কিছুই নাই। তাই তাদের কুকামগুলোও সেইরকম হয়। ফেইক একটা আদর্শ কিভাবে এতগুলো মানুষকে অন্ধ করে, সেইটা আসলেই অবাক লাগে। এমন না যে সবাই অশিক্ষিত, কলেজ ইউনির পোলাপাইনও যে কেম্নে এদের সাপোর্ট করে!!
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: একটু লক্ষ্য রাখলেই দেখা যাবে:

১) জামাতি পরিবার
২) দরিদ্র আর মেধাবী ছেলে মেয়ে - যারা জামাতের অর্থ সাহায্যে ( মধ্যপ্রাচ্যের ইসলাম প্রচারের নামে আসা অর্থ) পড়াশুনা করা - পরবর্তীতে জামাতি সংগঠনের চাকুরী করা লোকজন

শিবিরের কর্মী। কোন ছেলে সজ্ঞানে শিবির করে এমন ঘটনা দেখিনি।

৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কেউ খবর রাখেন কিনা জানি না। শিবির কিন্তু স্কুল গুলোতে যে কার্যক্রম পরিচালনা করে তা শুধুই কিশোরকন্ঠ পড়ানো আর বিক্রি করা না। এদের কার্যক্রম আরও ভয়াভহ। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম যখন দেখেছিলাম আমাদের স্কুলেও( হবিগন্জ গভট....এক্সিমো হয়ত চিনে থাকবেন.,) এদের কমিটি হল তাও ক্লাসরুমে বসে মিটিং করে। আমি অনেক আগেই স্কুল ছেড়েছি, তবুও ব্যপারটা চোখে পড়ে গেল। খোজ নিয়ে জানলাম ওটা কিশোরকন্ঠের পাঠক বৈঠক না ( যা শিক্ষকরা মনে করেছিলেন) বরং এদের সাংগঠনিক বৈঠক। স্যারেদের এ কথা বলার পর এদের ক্লাসরুমে মিটিং করার সুযোগ বন্ধ হয়, কিন্তু যে ছেলেদের এরা টার্গেটে ফেলে দিয়েছে তাদের কি মুক্তি হবে?
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৫১

লেখক বলেছেন: শায়েস্তাগঞ্জ হাই স্কুলে কোরান শিক্ষার আসর নামে একটা সংগঠন করে শুরু করলেও পরে ধরা পড়ে পিটুনী খেয়েছে।

৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০২
comment by: স্করপিয়ন্স বলেছেন:

সপ্তম লাইনের ১৮৭১ এর টাইপিং মিসটেকটা ঠিক করেন
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: ঠিক করলাম। ধন্যবাদ।

৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
comment by: স্করপিয়ন্স বলেছেন:
রাশেদ বলেছেন: জামাত শিবির নিপাত যাক
নিষিদ্ধ হউক
১০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এই সব শ্লোগান এ কাজ হবে না।
জামাত শিবির রাজাকার
এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়'
অনেকদিন শুনে আসছি, কাজ হল কই?
১১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: এস্কিমো, আপনি বললেন কোন ছেলে সজ্ঞানে শিবির করে এমন ঘটনা দেখেননি। তাহলে বলতেই হয় আপনার ভাগ্য আমার চেয়ে ভালো! আমি এমন ছেলে (এবং মেয়েও) দেখেছি। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর কিছুদিন পর শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটবে। আমি দেখেছি কীভাবে গত ৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জামাতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ওদের সামনে ভাল চাকুরীর হাতছানি আছে নিশ্চয়।

১২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: মুকুল বলেছেন: *****
১৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
comment by: কাজ করে খাই বলেছেন: +
১৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৩
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: রাশেদ বলেছেন: জামাত শিবির নিপাত যাক
নিষিদ্ধ হউক

ঠিক
+
১৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
comment by: ভক্কডা বলেছেন: ভাইসাব, আপনে পেরায়ই ভালো পোষ্ট দেন। আমার ভালো ব্লগারগো তালিকায় আপনে একজন। একটা অনুরুদ করুম। ধর্মের নাম লইয়া রাজনিতী বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হউক এই মর্মে এক্কান পোস্ট দেন। আমি কামলা মানুষ। হাতে সময় খুব কম। তাই আপ্নেরে কইতাছি। ধর্মের নাম লইয়া দল করা আর দৌর পরতিযোগীতায় দশ কদম আগে খারানি আমাগো দেশের পেরেক্কাপটে এক কথা।
১৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: মাঠ পর্যায়ে যারা শিবির করে, এদেরকে ধর্মের মুলা দেখিয়ে ধর্ম থেকে বিচ্যুত করা হয়। এমনভাবে ব্রেন ওয়াশ করা হয়, যাতে শিবিরের জন্য জীবন দেয়াকেই শহীদ হওয়া বলে মনে হয়। এই ব্যাপারটা খুব ভয়ঙ্কর। কারণ, নিজের জীবনের মায়া না থাকায় এরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। কারো বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিলে কোন রকম বিকার ছাড়া ঠান্ডা মাথায় খুন করতে পারে।

জামাতে ইসলামী সবসময়ই খুনীর দল। কাদিয়ানী হত্যা, ৭১ এর গণহত্যা এগুলো এদের স্বাভাবিক কর্মপরিকল্পনারই অংশ।

জিয়া মুক্তিযোদ্ধা হলেও মুক্তিযুদ্ধে তার পরিকল্পনার জন্য একটা বিরাট সংখ্যক সামরিক অফিসার মারা যান। জিয়া ক্ষমতায় আসার পরেও এই ট্রেন্ড অব্যাহত থাকে। মূলত সুবিধাবাদীদের নিয়ে গড়া দল বিএনপিতে তাই বর্ন-সুবিধাবাদী জামাতকে দরকার হয়, তাদেরকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেয়া হয়।

জিয়া মুক্তিযুদ্ধও করেছে, দেশের পোংগাও মেরেছে ভালোভাবেই। নিজে বাঁচতে পারেনি; কিন্তু যা করে দিয়ে গিয়েছে, দেশকে বাঁশ দেয়ার জন্য তা-ই যথেষ্ট ছিলো, তা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনা ছত্রছায়ায় থাকা তার বউ, তার বড় ছেলে এবং চেহারা মিলেনা কোকোও মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছে হাঁড়ে হাঁড়ে।

মাথামোটা হাসিনা পর্যন্ত জামাত খুনীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য। রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছে গোল্লাটা; কিন্তু মাঝখান থেকে জামাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

জামাত শিবির নিষিদ্ধ করা হোক। তাদের প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করা কুলাঙ্গারদেরকেও তাদের প্রাপ্য 'সম্মান' দেয়া হোক।
১৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: শিবির তৃণমূল লেভেলে অনেক অর্গানাইজড ... বিশেষ করে মসজিদ/মাদ্রাসা এ্যারেনায় ... বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে যারা নিয়মিত যায়, তারা সবাই রাজনৈতিক যে এনটিটির সাথে পরিচিত হয় সেটা শিবিরের ... মাদ্রাসা তো আর বলার অপেক্ষা রাখেনা ... এই দুই জায়গায় যা একটু শিবিরকে ঠেকিয়ে রাখছে সেটা তাবলীগওয়ালারা ... আমার মনে আছে আমাদের মসজিদে প্রতিদিন জোহরের নামাজের পর শিবির আর তাবলীগ দুই গ্রুপ দুইকোণে হাদীস পড়ত ... অন্য রাজনৈতিক দলগুলো এই মাঠ একদম বিনা বাঁধায় ছেড়ে দিয়েছে শিবিরের উপর ...

শিবির এখন বিরাট বিষফোঁড়া ... এই ফোঁড়া বাড়তে দেয়ার বাইপ্রোডাক্টই হলো জেএমবি ... শিবিরকে এনকাউন্টার করতে হলে যে পরিমাণ পরিকল্পনা নিয়ে আগাতে হবে সেটা সম্ভবতঃ ছাত্রলীগ/দল কারুরই নেই ... তারা ব্যস্ত টাকা কামাই নিয়ে

১৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: মেধাবীদের সংগঠনের কর্মীদের ফাঁসী? আদালতে বোমা হামলা হোক।
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: :)

১৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: জামাত শিবির নিপাত যাক
২০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৪৩
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: আমি বুঝি না ইয়ং জেনারেশন নাকি এদের ভক্ত কারন তাদের ইলাবরেট প্রপাগান্ডা মেশিনারি।

প্রচুর বই, প্রোমোশনাল ম্যাটিরিয়াল এরা বিতরন করে রিক্রুটমেন্টে।

বাংলাদেশের অন্য ছাত্ররাজনীতির দলগুলি এরকম কাজে নামে না কেনো।

ইয়ং জেনারেশন যখন বোধ লাভ করে তাদের সামনে অপশন দেয়া উচিত। শুধুমাত্র শিবিরের খপ্পরে পড়ে কারন আর কেউ ময়দানে নেই বলে। এটা তো অন্যদেরই ব্যার্থতা!!
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: আরিফ,

আপনি জাসদের জন্মকাহিনী জানেন নিশ্চয়। একসময় দেশের সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠন ছিলো জাসদের। এর পিছনে যে কারনগুলো কাজ করেছে - শিবিরের জন্যেও একই কথা প্রযোজ্য।

শিবিরের নাম লেখানো মানেই নিশ্চিত কর্মসংস্থান আর মারা যাবার পর বেহেস্ত। একটিকিটে দুই ছবি কে না পছন্দ করে।

২১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৬
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: একমত @ রন্টি এবং আরিফুর, দেশে বাচ্চাদের কোন ভাল পত্রিক নাই। কিশোরকন্ঠকে এরা স্কুল লেভেলের বাচ্চাদের কাছাকাছি যাবার জন্য ব্যবহার করে। আমি এক পোস্টে বলেছিলাম, শিবিরের যারা সদস্য সংগ্রহের কাজ করে তাদের আচরণ ব্যবহার খুবই মধুর থাকে। একারণে তারা খুব তাড়াতাড়ি ছাত্রছাত্রীদের কাছাকাছি যেতে পারে। কিশোর কন্ঠ কেউ কি পড়েছেন? এর সবকিছুর উদ্দেশ্য থাকে জামাতের আদর্শ প্রচার করা। এমনকি এরা সায়েন্স ফিকশনগুলোও সেভাবে লিখে। জামাতের নিজস্ব অনেক প্রকাশনা আছে। এইসব দিয়ে তারা ছাত্রছাত্রীদের আপন হয়। ধীরে ধীরে তারা এদের ব্রেইন ওয়াশ করে ফেলে। একবার ব্রেইন ওয়াশ করে ফেললে কার সাধ্য তাদের আবার ফেরায়?
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: এইটা একটা মারাত্বক বিষয়। একসময় কিশোর বাংলা বেরুতো। দারুন পত্রিকা।

হতাশ হলাম।

২২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: আমরা কিশোরদের হয়ত অবমুল্যায়ন করছি এটা বলে।

ধুর্ত প্রকৃতির মানুষ যেমন আছে তেমনি মহত মানসিকতারও আছে। কিশোরদের মাঝে এটা প্রবল। শিবির মনভোলানো কথা বলে তাদের রিক্রুট করে, পরে একসময় তারা ভেতরের নোংরামিটা টের পেলেও ততদিনে একটা তকমা এঁটে যাওয়ায় হয়তো বেরিয়ে আসা সম্ভব হয় না।

আমার্ ভাল বন্ধু নটরডেমে পড়ার সময় ঠিক এমনিভাবে আরামবাগের মেসে মগজধোলাইয়ের শিকার হয়েছিলো। কোনমতে বের হয়ে এসেছে সে। কিন্তু সবাই তার মতো ভাগ্যবান না।

বলতে চাচ্ছি, প্রথমেই কি বিকল্প কিছু কি ছিলো তার সামনে? নতুন কিশোরদের কোমল মনে দাগ ফেলা সহজ, তাদের কে স্বাধীনতার প্রতি ভালবাসা, ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য আমরা কি করছি!
২৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: (অফ টপিক)

Click This Link


গুগল ম্যাপে বাংলার দৈন্যদশা কাটানোর জন্য কি করা যেতে পারে!

২৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: (অফ টপিক)

Click This Link


গুগল ম্যাপে বাংলার দৈন্যদশা কাটানোর জন্য কি করা যেতে পারে!

 



 


এস্কিমো এখনও প্রথম আলো ব্লগে যায় নাই।

[এস্কিমো ব্লগের সতর্কীকরন: রাজাকার, আল বদর, আল শামস্, শান্তি কমিটি, ও '৭১ এর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২০৩৭৮০