আমার প্রিয় পোস্ট
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- বাংলা ব্যবহার (উৎসর্গ প্রিয় ব্লগার এস্কিমো ) - মুহিব
- খুনী এ কে এম মহিউদ্দিনের বিষয়ে সিবিসির সত্যানুসন্ধান - এস্কিমো
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- জামায়াতের নির্বাহী কমিটির ১১ জনই রাজাকার - সবাক
- টরন্টো তসবির - ফরিদ
- স্রস্টার অনস্তিত্তের পক্ষে সাদামাটা কিছু যুক্তিঃ নাস্তিকতা নিয়া ব্লগে যারা লম্ফঝম্ফ শুরু করেছেন তাদেরকে যুক্তিখণ্ডনের আহ্বান... - দস্যু বনহুর
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- ইতিহাসের পাতা থেকে - বোলারস ব্যাকড্রাইভ
- আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন? - হ্যারি সেলডন
- শোনো ও বকুল ----- (রবীন্দ্র জৈন) - বিষাক্ত মানুষ
- ছোটগল্প: মুরগীচোর - তীরন্দাজ
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া উচিত - মুক্তি
- অশ্লীল! - অহনা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- খুনী আল-বদরের উত্তরসূরী ছাত্র শিবির : উত্থানের ভয়াবহ দলিলপত্র - অমি রহমান পিয়াল
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- জামাতি বুদ্ধিজীবির ছাঁচে গড়া সুশীল কারিগর - সংস্থাপক
- ডিজিটাল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাসঙ্গিকতা: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ (শেষ অংশ) - ফাহমিদুল হক
- বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (শেষ পর্ব) - ফাহমিদুল হক
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- সবাস শাহাদাত !! সাবাস বাংগালী আরেকটু ধরে রাখ !! (ক্রিকেট) - রাতুল"
- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন এর পোস্ট এর কমেন্ট - মহিলা ছাগল
- এবারের একুশে বইমেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বই ( ২য় পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- অভিনন্দন এস্কিমো পরিবার! - মনিটর
- জামায়াত নিয়ে নতুন বছরের সেরা মুঠোবার্তা - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার গোলাম আযমের আত্মজীবনী পাঠ: আসুন নাগরিকত্ব মামলায় পক্ষে রায় দেওয়া সেই বিচারকের পরিচয় জানি - শওকত হোসেন মাসুম
- ত্রিভুজের ফাঁদে কি ধরা পড়ল?
- ত্রিভুজ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের মন্তব্য, ও 'বাংলাদেশী এস্কিমো' ভাইয়ের পোস্ট - আওরঙ্গজেব
- অভিনন্দন বাংলাদেশ,নিউজিল্যান্ডকে হারাবার জন্য - ফারহান দাউদ
- বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় কারো কাম্য ছিল না (উৎসর্গ :বিদায়ী ধূসরছায়া বৃন্দ) - আরিফ জেবতিক
- জামাতী পেইড ব্লগার চেনার উপায় কি? - সু-শান্ত
- প্রপোগান্ডা, স্টপ জেনোসাইড ও জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- শিক্ষকদের শাস্তি দেয়া হলো - ফাহমিদুল হক
- উতসর্গ: এস্কিমো-সত লুকের রাজনীতিতে যুগ দেওনের তরীকা - লাল সালু
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- এই রায়টি মোটিভেটেড - ফাহমিদুল হক
- আওরঙজেব, আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না? - এস্কিমো
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- সিডর'র তান্ডবঃ - প্রবাসীরা এখনই যা করতে পারি। (একটি প্রস্তাব) - এস্কিমো
- সাইক্লোন সিডর - অলৌকিক হাসান
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- মুক্তিযোদ্ধা শিবির! - লাল দরজা
- প্রসঙ্গঃ বাচ্চু রাজাকার ও জনকন্ঠ - আওরঙ্গজেব
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উইকিয়াতে সবাইকে নিমন্ত্রণ - রাগিব
- বোমাবাজী ও নিজামী - আওরঙ্গজেব
- এস্কিমোর জামায়াত বিরোধিতার আড়ালে ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ--- মুসলিম ভাই-বোনেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি - মিজু
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- হিন্দুরা কেন গো-মাংস ভক্ষণ করে না? - আশরাফ রহমান
- মগবাজারে ৮ তলা বাড়িতে থাকে গোলাম আযম: একদল সত লোকের জীবন যাপনের নমুনা - আমি সাগর
- সতেরোটি সত লোক আর যতসব মিথ্যা আর দুর্নীতি-১ - কিন্তু কি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা - মিরাজ
- একুশে টিভিতে মুজাহিদরে দেইখ্যা আমি হাসতেই আছি: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে রাষ্ট্রীয় কমিশন চাই - আমি সাগর
- আশরাফ রহমান - বাংলাদেশের সাফল্য আপনি নীরব কেন? - এস্কিমো
- বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার কি অসম্ভব? - অমি রহমান পিয়াল
- মাহমুদ রহমান - একটা প্রশ্ন ছিল... - এস্কিমো
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- শিবিরের চোখে স্বাধীনতার ইতিহাস - আড্ডাবাজ
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর্কাইভ সাইট করতে যাচ্ছি...(খসড়া পোষ্ট) - ত্রিভুজ
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না - হাসান মোরশেদ
- ত্রিভুজের "ছাগু" হয়ে উঠা!!! - এস্কিমো
মুসলিম এইড, আরিফ জেবতিকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আর আমার সামান্য সংযুক্তি
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
প্রথমেই আরিফ জেবতিকে ধন্যবাদ, প্রত্যক্ষদর্শীর অভিজ্ঞতার Click This Link মাধ্যমে একটা ধর্মের নামে প্রতারনার একটা চিত্র প্রকাশ করার জন্যে। জামাত-শিবির (মুলত মৌদুদীবাদীরা) যে ধর্মের নামে কতটা নীচে নামতে পারে তার একটা দলিল হয়ে থাকবে এই অভিজ্ঞতার বিবরনটি। ধন্যবাদ, আরিফ জেবতিক।
এই সুযোগে আমার একটা ছোট্ট অভিজ্ঞতার কথা বলি।
সিডরের পরপর কর্মক্ষেত্রে বাঙালীরা অর্থ সাহায্যের বিষয়ে আলোচনা শুরু করলো। সবাই মিলে আমাকে দায়িত্ব দিলো কোথায় সেই অর্থ পাঠানো যায় - তা নির্ধারন করতে হবে। সব কিছু বিবেচনা করে রেডক্রিসেন্টে কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু একজন মুসলিম এইড নামের একটা সংস্থার বিষয়ে বেশ জোরালো বক্তব্য রাখায় আমার প্রস্তাব নিয়ে একটু দ্বিধার সুস্টি হয়।
কোন ধর্মীয় সাইনবোর্ডের নীচে কোন প্রতিষ্টানের বিষয়ে আমার একটু খুত খুতে ভাব আছে। এর কারন হলো এদের জবাবদীহিতা কম। এরা যেহেতু ধর্মীয় অনুভুতিকে ব্যবহার করে তাই এদের হিসাব নিকাশ নিয়ে কেউ তেমন একটা উচ্চবাচ্য করে না। আমি শুধু মুসলিমের কথাই বলছি না - অন্য ধর্মীয় চ্যারিটি গুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের অসংল্পনতা দেখেছি। যেমন ক্রিস্টিয়ান প্রতিষ্টানগুলো যেভাবে এইডস এর কথা বলে অর্থ সংগ্রহ করে প্রাইভেট জেটে আফ্রিকায় বিলাস বহুল ট্যুর করে তা সত্যই অবাক করার মতো।
যাই হোক - আগে কথায় আসি। কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে বেশ বড় অংকের ডলার উঠে ছিলো । কিন্তু গিন্নি একটা সমস্যা তৈরী করলো। ও এনটিভির বিজ্ঞাপনে দেখেছে মুসলিম এইডএর কিভাবে ওরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সাহায্য করছে - যা সত্য।ই প্রসংশা পাওয়ার মতো । ওর কথা হলো মুসলিম এইড ভাল হতে পারে - একটু যাচাই করা যাক। আমি ইন্টারনেটে দেখলাম বিরাট ব্যপার স্যাপর। কিন্তু মন থেকে পুরোপুরি সায় দিচ্ছিলোনা - কারন বিজ্ঞাপন তো আর খবর না আর বিজ্ঞাপন বানানো হয় প্রফেশনাল দিয়ে - ভাল হতেই হবে। আমার দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখে গিন্নিও বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে - কারন ওর একটা অংশ ছিলো সেই সংগৃহিত অর্থের মধ্যে। এক পর্যায়ে গিন্নিকে বললাম - দেখো হয়তো কোন রাজাকার এই সংস্থা চালাচ্ছে। গিন্নি এতে বেশ বিরক্ত হয়ে বললো - মুসলিম নাম দতেখেই তোমার রাজাকার মনে হচ্ছে। তবে সত্য বলতে কি, কথাটা খুব একটা ভেবে বলিনি। কিন্তু আমার একটা বিশ্বাস - জামাতি/রাজাকারগোষ্ঠী পিছনে না থাকলে এতো সুন্দর ফটো তুলে এনে টিভিতে দেখিয়ে টাকা উঠাতো না। ধর্মপ্রান মুসলমানরা গোপনেই দানের বিষয়টা সারতে চায় - আর তাদের ভাষাটাও হয় সহজ সরল। কিন্তু এরা পুরোপুরি পশ্চিমা প্রফেশনালিজমের সাথে ধর্মকে মিশিয়ে একটা করুন রসের আবেশে মুসলমানদের ওয়ালেটের দিকে লক্ষ্য নির্ধারন করেছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রায় এক সপ্তাহ চলে গেল। আমি কিছুটা দ্বন্দ্বের মধ্যে - রেডক্রসে না কি প্রধান উপদেষ্টার ত্রান তহবিলে ডলারগুলো পাঠাবো। মুসলিম এইডে পাঠাবো না - মোটামুটি স্থির করে ফেলেছি - কিন্তু তার জন্যে ভাল একটা যুক্তির দরকার।
সেই যুক্তিটা এনে দিলো মুসলিম এইডের এটিভিতে প্রচারতি তিন ঘন্টার সরাসরি প্রচারিত ফান্ডরাইজিং ক্যাম্পেইন অনুষ্টানটি। তিনদিন বিজ্ঞাপনী প্রচারনার পর যেদিন ফান্ডরাইজিং অনুষ্টান শুরু হলো - আমি তখন কাজে। গিন্নি বেশ আগ্রহ নিয়ে অনুষ্ঠান দেখছে - হঠাৎ আমার কাজের ফোন বেজে উঠলো। গিন্নি উত্তেজিত কন্ঠে বলেছে -
"তুমি কিভাবে জানতে যে মুসলিম এইডে রাজাকার আছে?"
আমি বললাম - "আমার মনে হয়েছে।"
- তুমি ঠিক। এই মাত্র একটা ঞটনা হয়ে গেল। যখন ফান্ডরাইজিং এর অনুস্ঠান সরাসরি দেখাচ্ছে - উপস্থাপকের পাশ এবসে ছিলো এক ব্যক্তি - একটা টেলিফোনে ওয়াশিংটন থেকে একজন ভদ্র মহিলা উপস্থাপকের সাথে বেশ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেছে। ভদ্রমহিলা পাশে বসা লোকটিকে একটা আল-বদর হিসাবে চিহ্নিত করে তার পিতার হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত লোকটির সাথে মুসলিম এইডের সম্পর্ক জানতে চেয়েছে। কিন্তু উপস্থাপক সেই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ফোন বন্ধ করে বলছে - আপনারা সিডর বিষয়ে কথা বলুন। এদিকে ক্যামেরা যখন সরিয়েছে - পাশে বসা আল-বদরটা সেখান থেকে সরে গেছে আর তাকে টিভির পর্দায় দেখা যায়নি। এই ঘটনা পর টরন্টো ও অন্যান্য শহর থেকে টেলিফোনে প্রশ্নকারীরা মুসলিম এইড, জামাত আর পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক বিষয়ে প্রচুর প্রশ্ন করলে উপস্থাপক বিরক্ত হয়ে যায় আর বিষয়ের বাইরে প্রশ্ন না করতে বলছে।
ঘটনার পর পুরো অনুষ্ঠানে ছন্দপত হয়- ফলে ফান্ডরেইজিং তেমন হয় নি।
এর পর গিন্নীর পক্ষ থেকে মুসলিম এইডএ বিষয়ে আর সমর্থন থাকেনি। মুসলিম এইডের ফান্ডরেইডিং ক্যাম্পনেইনের অনুষ্ঠানের নামে আল-বদরকে উপস্থাপনে গিন্নী মর্মাহত। তবে আমি তেমন একটা অবাক হয়নি। কারন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দেখেছি - যদিও জামাতিরা মিলাদকে বেদাত হিসাবে বিবেচনা করে - তারপরও জামাতি নেতারা মিলাদের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করার চেষ্টা করেছে - যা ঠেকাতে যথেষ্ঠ ঝামেলা করতে হয়েছিলো। যেনতেন ভাবে ধর্মীয় লেবাসে রাজাকার- আলবদরদের পুর্নাবসন ও রক্ষা করাই জামাত নামক প্রতিষ্ঠানটির মুল কর্মসূচী - এই বিষয়টা জেনে দীর্ঘকাল আগেই।
মুসলিম এইডের নামে ধর্মের আড়ালে ধর্মপ্রান প্রবাসীদের অর্থ দিয়ে উপমহাদেশে মৌদুদীবাদের প্রচার ও প্রসার ঘটনানোর চেষ্টার বিষয়টা বোধ হয় আর আড়াল করা গেল না। আশা করি প্রবাসীরা সাইনবোর্ডে ধর্ম দেখে আর বিভ্রান্ত হবেন না।
আকাশচুরি বলেছেন:
+++
তীরন্দাজ বলেছেন:
ভাল লেখা...! +++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: তাই নাকি, ভালই বলছেন।
মাইনুল বলেছেন:
আপনি বিদেশে থাকেন বলে, এই কথা গুলি সহযে বলতে পারছেন। সিডর আক্রান্ত ব্যাক্তিরা যাদের খাবার জন্য পানিও ছিল না, তাদের জন্য কানাডা থেকে ইম্পোর্ট করে প্রথম বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট বসিয়েছে মুসলিম এইড। যদি কখন ও দিনের পর দিন যখন অভুক্ত থাকেন পীপাসার্ত থাকেন তখন শত্রু ও যদি সাহায্য দেয় সবার আগে দৌড় দিয়ে নিবেন।লেখক বলেছেন: আপনার সম্যা কি ভাই, এক কমেন্ট বিভিন্ন পোস্টে পোস্ট করেন।
পেমেন্ট কি কমে গেল?
কৌশিক বলেছেন:
বোরখা পড়া চোদনবাজি
লেখক বলেছেন: বুঝি নাই।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আমার মনে হয় সিডর উপলক্ষে তোলা পুরো টাকাটা বাংলাদেশে আসেনি। এটা এদের মুল ফান্ডে জমা হয়েছে। কিছুটা বাংলাদেশে খরচ হয়েছে।কিন্তু আমার সন্দেহ এদের বেশীরভাগ টাকাই পাকিস্তানে খরচ করা হয়।
লেখক বলেছেন: আমি ওদের ফোন করে জানতে চেয়েছিলাম। বলেছে পরে আমাকে কল ব্যাক করবে। কিন্তু কখনও করেনি।
প্রায় সবগুলো এনজিওই ইন্টারনেটে বাৎসরিক হিসাব বিবরন দিয়ে থাকে। মুসরিম এইড এর ব্যতিক্রম।
এদের পাকিপ্রীতি দেখার মতো বটে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
চিতা + দেয়, আরো সন্দেহ জনক!
লেখক বলেছেন:
শেষ প্রহর বলেছেন:
রাজাকারী এইড এরা ++++
আরিফুর রহমান বলেছেন:
শুধু পাকিস্তান নয়, সারা বিশ্বে মোল্লাতোষনে এই ফান্ড খরচ করা হয়!তার মানে এরা এতোদিন কৈয়ের তেলে কই ভাজছিলো!!!!!
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
পানির প্লান্টের নামে কত টাকা নিজেরা মেরে দিয়েছে সেই তথ্য জানতে আগ্রহী। খুব ভাল লিখেছেন এস্কিমো। +
লেখক বলেছেন: মইনুলরে ধরেন, ও বোধ হয় হিসাব জানে ![]()
ধন্যবাদ মাসুম ভাই।
সামিয়া বলেছেন:
মুসলিম এইড নিয়ে আমার আগের লেখার ইউ টিউব ওনারা সরিয়ে কি প্রমান করতে চাইলেন ?ভিডিও তে একজন চেনা রাজাকারকে দেখা গিয়েছিলো বলে?এভাবে হয়না .....রাজাকার রা সবসময় রাজাকার । ......
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এখানে তারা বাংলা টিভিতে অনুষ্ঠান করে প্রচুর টাকা পায়। সে অনুযায়ী দেশে কিছু দেয় বলে তো দেখী না। বরং আমাদের এলাকায়(সিলেট) বৃটেন ভিত্তিক অন্যান্য চ্যারিটিগুলোকে দেখা যায় প্রচুর কাজ করতে যারা মু.এ এর মত এত টাকা তুলতে পারে না।তাহলে মু.এ এ টাকা কই যায়? পাকিতে...
লেখক বলেছেন: সেই প্রশ্নের উত্তর জামাতিরা কখনও দেবে না। নিশ্চিত থাকে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এজন্যই ইংল্যান্ডে যারা বসবাস করছেন তাদের সচেতন হওয়া উচিত। যেকোন দুর্যোগে বা প্রয়োজনে ইংল্যান্ডের বাঙালীরা টাকা দান করেন। ফান্ড রাইজিং প্রোগ্রাম হলে ৩ ঘন্টায় লাখ পাউন্ড উঠে যায়। আমাদের উচিত সচেতন হওয়া আর মু,এ এর তহবিলে কোন টাকা না দিয়ে অন্যাণ্য বাংলাদেশী চ্যারিটিতে দেয়া। এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
লেখক বলেছেন: সরাসরি বাংলাদেশ সরকারের তহবিলে দেওয়টাই ভাল মনে হয়।
এস্কিমো বলেছেন:
একটা বিষয় ভেবে দেখুন - বাংলাদেশে জামাত হলো একটা সংগঠন যারা পেইড নেতা কর্মী পোষে।
আমার পরিচিত এক লোক চাকরি ছেড়ে জামাতে ফুল টাইমার। চাকরীতে থাকতে সে সাইকেল করে আফিসে যে - এখন মোটর সাইকেল করে জামাতে করে। ওর মাসিক ভাতা, মোটার সাইকেলে খরচ সবটাই জামাত দেয়।
এভাবে যদি কমপক্ষে ২ জন করে প্রতি জেলায় পেইড কর্মী থাকে তবে তবে ১২৮ জন + মহানগরে বেশী ধরে কমপক্ষে ২০০, উপজেলায় ৫০০ হিসাবে মোটামুটি হাজারখানেক নেতাকর্মীর মাসুক বেতন, পার্টির কর্মী সংগ্রহের জন্যে মেস চালানো, কেন্দ্রীয় নেতাদের নিরাপত্তার জন্যে কর্মীবাহিনী পালন ও তাদে লজিস্টিকস। পার্টির অফিন , নেতাদে পাজেরো - এর খরচ কতো হতে পারে বছরে।
কোন একজন একাউন্টেন এই বিষয়ে কিছু ধারনা দিতে পারেন।
ড. আবুল বারাকাতে মতে - মৌলবাদের অর্থনীতি দেশের অর্শনীিতর ১৯% (ইসলামী ব্যাংক, ইবে সিনা, এনজিও...) আর এর প্রফিটের একটা অংশ (সম্ভবত ২০%) ব্যয় হয় জামাতের জন্যে। কিন্তু এই অর্থ পরিপূর্ন পেইড পার্টি চালানোর জন্যে যথেষ্ঠ নয়।
তাই দেখি - যখন এই সরকার এসে রাজনৈতিক দল গুলো হিসাবে বিষয়ে কথা বলা শুরু করলো - জামাত প্রথ প্রতিবাদ করেছে। আর মইনুল হোসেন দ্রুত বিষয়টা থামিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশে দূর্নীতির মুল উৎপাটনের জন্যে রাজনৈতিক দলগুলোর আর্থিক স্বচ্ছতা আর জবাবদীহিতা জরুরী। কিন্তু জামাত সেইটা করতে দেখে না। কার ওদের আয়ের উৎসও যেমন গোপন রাখতে আগ্রহী - তেমনি ব্যয়এর বিষয়টা লুকানো জরুরী - কারন এতে ওদের জঙ্গীদের অর্থায়নের বিষয়টা এসে যাবে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হয়ত। কিন্তু সরকারী তহবিলের উপর ভরসা কম। সেনা বাহিণীর ত্রান তহবিলে এক টাকা গেল। এর ব্যবহার কিন্তু দেশে খূব একটা পাওয়া যায় না।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হুমম ... খুবই চিন্তার বিষয় । তবে হায়ানার মুখোশ ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে ।
লেখক বলেছেন: চিন্তারতো বটেই!
রণদীপম বসু বলেছেন:
আসলে ধর্মীয় নাম ব্যবহার করা যেকোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকেই যে কোন দান ত্রান বা এজাতীয় কাজে সম্পূর্ণ বর্জন করা উচিৎ বলে মনে হয়।
লেখক বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়।
ভয়ের কারণ হচ্ছে , এরা সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে।
লেখক বলেছেন: মানুষ এদের চিনে ফেলবে, ইলিয়াস ভাই।
রাশেদ বলেছেন:
অসাধারন। ধন্যবাদ আপনাকে।


















