ডা. হেনরি মর্গানটেলর কানাডার সর্বোচ্চ সন্মানে ভূষিত হলেন।
পোলান্ডে জন্ম নেওয়া এই ডাক্তার ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর চলে আসে সুইডেনে - সেখানে মেডিকেল সাইন্স পড়া শেষ করে কানাডার মন্ট্রিয়লে এসে নিজস্ব ক্লিনিক খুলে। সেখান থেকে তার যাত্রা শুরু। কানাডায় তখন গর্ভপাত (এবরশান) নিষিদ্ধ। শুধু মাত্র রোগীর জীবন বাঁচানোর জন্যে জরুরী বিবেচিত হলে তিনজন ডাক্তারের বোর্ডের অনুমোদনের পর এবরশান করা যেত। এর পেছনে অবশ্যই ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা কাজ করেছে।
মর্গানটেলর নিজের ক্লিনিকে এবরশান করানো শুরু করে। ফলে তাকে জেলে যেতে হয় - তার ক্লিনিকে আগুন লাগানো হয়। সবশেষে ২০০৪ সালে কানাডার সুপ্রীমকোর্ট ঘোষনা দেয় - যার শরীর তার ইচ্ছাই অগ্রাধিকার পাবে। রাষ্ট্র গর্ভপাত নিষিদ্ধ করার অধিকার রাখে না। সেই থেকে সমগ্র কানাডায় শত শত ক্লিনিক খুলেছে মর্গানটেলরের সংস্থা। একটা পরিসংখ্যানে দেখ গেছে ২০০৪ এর আগে অর্থাৎ সুপ্রীম কোর্টের রায়ের আগে হাসপাতালগুলোতে বছরে ৪৮ হাজার গর্ভপাত হতো। সেই সংখ্যা এখন দাড়িয়েছে ১ লাখেরও উপরে।
ড, হেনরির এই যাত্রা সুখকর ছিলোনা মোটেই। যদিও নারীবাদী সংগঠনগুলো ছিলো ওর সাথে - কিন্তু কানাডার একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী কিম ক্যাম্বেল ক্ষমতায় থাকার সময় গর্ভপাত নিষিদ্ধ করে আইন পাশ করার জন্যে প্রচেষ্টা নেয় -যার ফলে ধর্মীয়গোষ্ঠীগুলো আরো সরব হবার সুযোগ পায়।
এখনও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো ড. মর্গানটেলরের খেতাব বাতিলের দাবী করছে - গত বছর লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ড. হেনরিকে সন্মানসূচক ডক্টরেট খেতাব দেওয়া হয় - সেখানেও ধর্মীয় সংস্থাগুলো বিক্ষোভ করেছিলো।
ডাক্তার হেনরি মর্গানটেলর একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব না আলোকিত মানুষ তা একসময় ইতিহাস নির্ধঅরন করবে - কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে তার এই আন্দোলন যে হাজার হাজার নারীকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রন থেকে মুক্তি দিয়েছে - তা অনস্বীকার্য। নারীদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহনে ড. মর্গানটেলরের আন্দোলের অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে "অর্ডার অব কানাডা" খেতাব পাওয়া প্রকৃতপক্ষে অনেকের কাছে মুক্তদেশ হিসাবে কানাডার একটা বিরাট অগ্রগতি বলেই বিবেচিত হবে।
বিস্তারিত পড়তে এখানে দেখুন Click This Link
(২) গতকাল যখন এই খবরটা পড়ছিলাম তখন বাংলাদেশের মেয়েদের কথা মনে হচ্ছিলো। অবৈধ ক্লিরিক আর হাতুরে ডাক্তারদের হাতে জীবন দিচ্ছে কত নারী - তার হিসাব কে রাখে? শুধু ঢাকাই কয়েক হাজার ক্লিনিক আছে যেখানে আয়া-বুয়া নার্সের পোষাক পড়ে মানুসখে ঠকায় আর লোকচক্ষুকে আড়াল করতে গ্রাম থেকে নারীরা আসা নারীরা এই প্রতারকদের খপ্পরে পরে নিজেদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। এই ছাড়াও গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তারদের আয়ের একটা বিরাট অংশ হলো গর্ভপাত করানো। কবিরাজি বা হোমিও চিকিৎতসকরাও কম যায় না এই ক্ষেত্রে।
তুলনামুলক ভাবে বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন অনেক উদার। শুধু মাত্র সচেতনতা আর সরকারী সংস্থাগুলোর সঠিক পদক্ষেপ পারে শত শত নারীকে ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।