আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান - যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দানে বিরত থাকুন।

আমার জন্মদাতা যদি হতেন ‘রাজাকার’

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

মঝে মধ্যে সত্যই অবাক হই - বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নিয়ে একদল তরুন কিভাবে মিথ্যা আর বিকৃত ইতিহাস প্রচার করে। আমি নিজে মুক্তিযুদ্ধের একজন প্রত্যক্ষদর্শী। ছোট ছিলাম। কিন্তু যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতা ভয়াবহ ভাবে উপলদ্ধি করেছি। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছি - পরিবারের সবার জীবন রক্ষার জন্যে। আমার বোনরা ছিলো বড় - তাদের সম্ভ্রম রক্ষাও ছিলো আমাদের পরিবারের আরেকটা প্রধান দায়িত্ব।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন করে লেখা হচ্ছে। একটা ভার্সান লেখা হয়েছে ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ এর মধ্যে - যাতে একজন সামরিক শাসককে বড় করার জন্যে স্বাধীনতার মুল নায়কদের আড়াল করা হয়েছে। ছোট সন্তানসহ স্বপরিবারের নেতাকে হত্যা আর জেলের ভিতরে নির্মমভাবে হত্যা করা চার মুক্তিযুদ্ধের চার সেনানীকে শুধু হত্যাই করা হয়নি - সেই হত্যার বিচারে পথ বন্ধ করে দিয়ে তাদেরকে ইতিহাস থেকে বিসর্জনের সকল প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।

দুঃখজনক হলেও সত্য - একজন মুসলমান হিসাবে আমি খুবই লজ্জিত থাকি - যখন মুক্তিযুদ্ধকালে ভিন্নধর্মী - বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার করা হয়েছে - তাদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। সেই অত্যাচারীদের মধ্যে অনেকে এখন বড় বড় ধর্মীয় নেতা সেজে টিভিতে ধর্মের বিষয়ে জ্ঞান বিতরন করেন - তারা ইসলামের কোন নির্দেশ থেকে আদিষ্ট হয়ে হিন্দুদের বাড়ীঘর দখল করে ছিলেন - তার জবাব হয়তো তাদের কাছে নেই। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে এই সকল ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মের যে ক্ষতি করেছে - সকল নাস্তিকরা মিলে করতে পারবে না। আমি মুসলমান হিসাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ৭১ এর ঘটনাবলীর জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি।

এখন দেখছি ১৯৭১ এর ইতিহাসের আরেক ভার্সান লেখা শুরু হয়েছে। যথারীতি ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য আর আমেরিকান ওয়ার অন টেররে টাকায় ভূরাজনৈতিক চলমান ঘটনা - যেমন ফিলিস্থিন, আফগান, ইরাক থেকে মুসলামনদের দৃষ্টি অণ্যদিকে রাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে জামাত-শিবির আবারো নেমেছে নতুন ইতিহাস তৈরীতে। নিজেরা ইসলামের পথ অনুসরন না করলেও ইসলামী জোস তৈরী করে তরুন সমাজকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

৩৭ বছর এমন কিছুই না - একন অনেক মানুষ জীবিত আছে যাদের শরীরে পাকবাহিনীর বুলেট রয়ে গেছে। এখনও অনেক মা বোন জীবিত আছেন - যারা পাকিদের অত্যাচারের চিহ্ন নিয়ে বেড়াচ্ছে। এখনও অনেক যুদ্ধ শিশু দেশে বিদেশে বেঁচে আছেন - যারা ইতিহাসের জ্বলজ্বলে স্বাক্ষী বটে। তাই এই ঘাতক দালালদের পক্ষে ইতিহাস বিকৃতি করা কঠিন।

তারপরও দেখি কুছু তরুন-যুবক সেই বিকৃত ইতিহাস প্রচার করে। আগে বুঝতে পারতাম না - কেন এরা এই কাজ করে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনাবলী থেকে বুঝতে পারলাম - এদের অধিকাংশের পূর্বপুরুষ ১৯৭১ এ পাক বাহিনীর দালাল হিসাবে নিজের দেশের মানুষের সাথে বেঈমানী করেছে। এদের পূবপুরুষ রাজাকার আলবদর হিসাবে নিজেদের মা বোনকে পাকিদের ক্যাম্পে পাঠিয়েছে। এরা প্রচন্ড ভাবে ঘৃনা করে আহবামান বাংলা সংস্কৃতিকে।

সেই রাজাকার আর দালালচক্র রাজনীতি আর সামরিক শাসনের বদৌলতে বেঁচে গিয়ে তাদের সন্তানদের যথারীতি ঘৃনা করতে শিখাচ্ছে। এরা ঘৃনা করে আমারদের মুক্তির যুদ্ধকে - আমাদের প্রগতিশীলতাকে - আমাদের আধুনিকতাকে। ফলে আমরা দেখি রমনায় বোমা হামলা - দেখি শামসুর রাহমানরের মাথায় কুড়ালো কোপ - দেখি হুমায়ুন আজাদের রক্তাক্ত মুখ।

আমিও যদি কোন রাজাকারের সন্তান হতাম - তবে হয়তো ঘৃনা করতাম শেখ মুজিবুর রহমানকে - যে একজন সাধারন মানুষের কাতার থেকে উঠে এসে একটা জাতিকে নিজের পরিচয় দেবার মতো ভু-খন্ড প্রাপ্তির সংগ্রামের স্বপ্ন দেখিয়ে স্বপ্নের দোড়গোড়ায় পৌছে দিয়েছে। আমি হয়তো ঘৃনা করতাম জেলে নিহত চার নেতাকে - যারা কঠিন সময় তাদের মেধা আর প্রজ্ঞা দিয়ে একটা যুদ্ধে জাতিকে বিজয়ী করেছে। হয়তো ঘৃনা করতাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে - যে মানবতার কথা বলে বাঙালী জাতিকে আলোর পথ দেখাচ্ছে।

অন্যদিকে হয়তো আমি মহান মানুষ ভেবে কৃতজ্ঞতায় স্মরন করতাম সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানকে - যার বদৌলতে আমার বাবা জীবনকাল বেড়েছে আর আমার জন্ম হয়েছে। হয়তো বাঙালী জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে কুখ্যাত দালাল গোলাম আজমকে মহান নেতা ভাবতাম - কারন তার সুবাদে সৌদী অর্থের চালানের কিছু অংশ পেয়ে আমার বাবা আমাকে ফ্রান্স অথবা অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চ শিক্ষার জন্যে পাঠাচ্ছেন। আমি হয়তো রাজাকার বাহিনীর জন্যে একটা কবিতা লিখতাম - কারন আমার বাবা রাজাকার হিসাবে গর্বিত হয়ে ছোট কাল থেকে আমাদের রাজাকার বিষয় গল্প শুনাতেন।

সত্যই যদি আমি রাজাকারের সন্তান হতাম - হয়তো আমিও মুক্তিযুদ্ধের সন্ত্রাসী বলতাম আর রাজাকারদের বলতাম ইসলামের মহান যোদ্ধা। কারন আমার রাজাকার বাবার কোন দৃশ্যত আয়ের উৎস ছাড়াই আমাদের উচ্চ বিত্তের জীবনযাপন করাতেন - আমার ভাইকে পাঠাতেন কোন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাস্তায় হেটে বেড়ানো নেংটা মানুষ গুলোর জীবন যুদ্ধ দেখে আমি নিশ্চয় কৃতজ্ঞ থাকতাম আমার বাবার কাছে - সেই কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ হতো - আমি মাঝে মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে বিকৃত ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক তৈরী করতাম।

 

 

  • ২৯ টি মন্তব্য
  • ৪০৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৯ জনের ভাল লেগেছে, ১০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
comment by: |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: অর্থের চালান জামাতের উত্থানের অন্যতম কারণ, ঠিক পয়েন্টেই ধরেছেন...

রাজাকার বাপ ছাড়া ও বাচ্চা রাজাকার হবার অন্যতম কারণ সংঘঠিত পদ্ধতিতে এদের ব্রেইন-ওয়াশ প্রকল্প... ছোটবেলায় ফুঁলকুড়ি আসর করে আর শিবির কে খুব কাছ থেকে দেখে এটা আমি বুঝতে পেরেছি...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক।

সেইটা আরেক অংশ - দারিদ্র্যতার সুযোগে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থের কারনে এরা সহজেই মেধাবী দরিদ্র ছাত্রদের ফাঁদে ফেলে দেয়।

২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
comment by: ক-খ-গ বলেছেন: ভাল লাগলো।
৩. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: তার মানে কি আপনি শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেই মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক? মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন বলেই তার নেতাদের শ্রদ্ধা করেন?
আর বি.এন.পি. জামাতের সকল কর্মি-সমর্থকই রাজাকারের সন্তান? তাহলে তো বলতে হয় - এ'দেশে রাজাকাররাই সংখ্যাগরিস্ঠ।

এ'ধরেনর চরম একপেশে মনভাব থেকে বিরত থাকাই মঙ্গলজনক। আমরা সবাই দেশের কল্যান চাই, দেশের মানুষের সামগ্রিক মুক্তিই প্রতিটি সচেতন নাগরিকের একান্ত কামনা। হতে পারে আমাদের মত-পথ ভিন্ন, হতে পারে আমাদের বিশ্বাস-কর্মপন্থা আলাদা, হতে পারে আমাদের জাতীয় চেতনা ভিন্ন স্তরের, হতে পারে আমাদের শক্তি-সামর্থে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান - কিন্তু তার পরও আমি বিশ্বাস করি দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের আন্তরিক কামনা দেশের ও জনগনের সামগ্রিক উন্নতি। এখানে "শুধুমাত্র আমি ঠিক বাকি সবাই ভুল", "শুধুমাত্র আমি দেশপ্রেমিক বাকি সবাই বেইমান", "শুধুমাত্র আমি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক বাকিসব রাজাকারের সন্তান" এই ধরনের উগ্র-সংকীর্ণ-চরমপন্থী মনভাব আমাদের দেশের জন্য মোটেই কল্যানকর নয়।
প্রতিযোগিতাটা কে কত খারাপ সেই দিকে না হয়ে কে কত ভাল সেদিকে হওয়াই বাঞ্চনীয়। আপনি এবং আপনার সমর্থিত দল ভাল হয়ে দেশের ৯০% মানুষের সর্থন আদায় করে নিতে পারলে আর প্রতিপক্ষের অস্তিত্বই থাকবে না। আর প্রত্যেকে প্রত্যেকের পিছনে লেগে থাকলে, আমাদের সময় শ্রম পুরোটাই অন্যের দোষ খোজায় ব্যায় করলে তা দেশের জন্যতো ভাল হবেই না নিজের বা দলের জন্যও কোন কল্যান বয়ে আনবে না।
আশা করি আমার বক্তব্য পরিষ্কার করতে পরেছি। ধন্যবাদ।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ কমেন্টের জন্যে। নীচে বৃত্তবন্দী আপনার প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিয়েছেন। তাই আর কিছু বলার নেই।

৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: কাঙ্গাল সাহেব বুঝতে কি একটু ভুল করলেন???
আমার বুঝে যদ্দুর আসে লেখক কিন্তু কোথাও বলেননি যে তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা বলে তিনি মুক্তযুদ্ধের সমর্থক। তিনি যা বলেছেন তা হলো, তিনি রাজাকার/রাজাকারপন্থীদের উত্থানে শংকিত; সাথে সাথে শংকিত বারংবার ইতিহাস বিকৃত হওয়ায়। শুধু লেখক না শংকিত আমরাও যারা মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরে জন্মেছি, তবু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বুকের মাঝে লালন করে চলি।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ রইল।

৬. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: পৃত্বিঋণ বইলা কথা।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: :)

৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৪
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: বিশেষ কিছু বলার নাই। বৃত্তবন্দীর সাথে একমত।

ভালো থাকুন এস্কিমো ভাই।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৯
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: আবারো বল্লাম -- এই কুলাঙ্গারগুলারে চাবকানো দরকার
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: সেইটাই।

৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩০
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: সহমত
১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম। প্রিয়তে।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ভাল থাকো।

১১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: কঁাকন বলেছেন: অসাধারন
ভালো থাকুন
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৪
comment by: আবুল বাহার বলেছেন: কাঙাল মিয়া , লেখাটা আবার পড়েন । বুঝার চেষ্টা করেন ।

আজাইরা ফাল না পাড়লে হয় না ?


এস্কিমো সাহেব অনেক ধন্যবাদ চমৎকার এই লেখাটার জন্য ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৩
comment by: শঙ্খচীল বলেছেন: লেবু বেশী কচলাইলে তীতা হয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত বেশী চর্চা হচ্ছে যে , মানুষ এখন বিরক্ত বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে। দেশের কোটি কোটি মানুশ বেকার। দুনিয়ার সবচেয়ে গরীব দেশ বাংলাদেশে। এখন চিন্তা করতে হবে ভবিষ্যত। আর অর্থনীতি হচ্ছে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট। সুতরাং এইসব পুরনো প্যাচাল নিয়ে মানুষ এখন আর ভাবে না। দেশ কে যে পার্টিই এগিয়ে নিয়ে যাবে মানুষ তাকেই সাপোর্ট দিবে। জামাত ই হোক আর আওয়ামীলীগ ই হোক।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত বেশী চর্চা হচ্ছে যে , মানুষ এখন বিরক্ত বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে।

- আসলে বিরক্ত হচ্ছে মানুষ না - পশুরা। মানুস রুপী এই পশুগুলো কি ভাবে চাইবে এদের আসল চেহারা মানুষ দেখুক।

মু্ত্তি যুদ্ধের কথা বললে অর্থনীতি স্থবির হয়ে যায় - ভাল কথা - কোন অর্থনীতি - বোধ হয় জামাতের তৈরী সৌদী অর্থনীতি।

১৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৩
comment by: মুহিব বলেছেন: আপনার আর্তনাদ মনে হল। ভেল লেখা।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: বুঝিনাই।

১৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৫
comment by: হটডগ বলেছেন: লুইব, হাচা কতা কও চাইন, তুমার ফেমিলির কিডায় রাজাকার আছিল? মাম্মু, চাচ্চু, জেডা, নানা...এনি রিলেটিব?
১৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২১
comment by: এরশাদ বাদশা বলেছেন: শঙ্খচীল বলেছেন: লেবু বেশী কচলাইলে তীতা হয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত বেশী চর্চা হচ্ছে যে , মানুষ এখন বিরক্ত বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে। দেশের কোটি কোটি মানুশ বেকার। দুনিয়ার সবচেয়ে গরীব দেশ বাংলাদেশে। এখন চিন্তা করতে হবে ভবিষ্যত। আর অর্থনীতি হচ্ছে সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট। সুতরাং এইসব পুরনো প্যাচাল নিয়ে মানুষ এখন আর ভাবে না। দেশ কে যে পার্টিই এগিয়ে নিয়ে যাবে মানুষ তাকেই সাপোর্ট দিবে। জামাত ই হোক আর আওয়ামীলীগ ই হোক।


দ্যাখুন সবাই; মুক্তিযুদ্ধ, যেটা বাঙালীর রক্তের দামে কেনা। মা-বোনদের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত, সেটা কিনা এদের কাছে প্যাচাল।

আপনার চান নতুন প্রজন্ম যেন এ বিষয়গুলো নিয়ে কথাবার্তা না বলুক। কারন, ইতিহাস ঘাঁটলে ঠিকই সত্য বেরিয়ে আসবে। দেশের জন্য চিন্তায় হাঁটু ফুলে যাচ্ছে, তাই না। বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি, এ দেশটার জন্য আপনার যতো কম চিন্তা করবেন,ততোই মঙ্গল।


হুমায়ূন আহমেদের নাটকের তোতাপাখিটার অনুকরনে বলি- ''তুই রাজাকার'' @শঙ্খচিল
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন।

 

 


এস্কিমো এখনও প্রথম আলো ব্লগে যায় নাই।

[এস্কিমো ব্লগের সতর্কীকরন: রাজাকার, আল বদর, আল শামস্, শান্তি কমিটি, ও '৭১ এর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২২৭৫০৩