আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান - যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দানে বিরত থাকুন।

আয়ান হারসা আলি একজন "মুসলমান-নাস্তিক"

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

শেয়ার করুন:                   Facebook

আয়ান হারসা আলি। ইথিওপিয়ায় জন্ম গ্রহনকারী একজন মুসলিম-নাস্তিক। যিনি তার পিতার পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে হল্যান্ডে পালিয়ে যান। সেখানে রাজনৈকি আশ্রয় লাভ করে নারীবাদী সংগঠনের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ৯/১১ এরপর ইসলাম নিয়ে তার খোলামেলা মন্তব্যের কারনে দ্রুতই মিডিয়াতে চলে আসেন। পরে হল্যান্ডের লিবারেল পার্টির টিকেটে এমপি নির্বাচিত হন। এমপি হিসাবে মুসলিম মেয়েদের বোরকা পড়া, প্রকাশ্যে গেজাব নিষিদ্ধ করা, ইসলামী শিক্ষা নিষিদ্ধ করা নিয়ে একাধিক বিল এনে সংসদে হল চৈ ফেলে দেন।

ইতোমধ্যে ইসলামের বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে বই লিখেন। তার লেখা চিত্রনাট্যের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা শর্ট ফিল্ম "সাবমিশন" বিতর্কৈল ঝড় তোলে - এবং পরিচালক থিয়ো ভ্যান গগকে হত্যা করা হয়।

কিন্তু আয়ান হারসে আলির নেদারল্যান্ডের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয় সেখানকার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ - মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে রিফিউজী হিসাবে আশ্রয় পাওয়ার অপরাধে তার নাগরিকত্ব বাতিল করে - এবং তাকে নেদারল্যান্ডস থেকে বহিস্কারের আদেশ দেয়। ইতোমধ্যে আমেরিকান এক কনজারভেটিভ থিং ট্যাংক তাকে চাকুরীসহ আমেরিকায় থাকার ব্যবস্থা করে।

নেদারল্যান্ডস থেকে আমেরিকা যাওয়ার পথে টরন্টোয় অবস্থান কালে টরন্টোর স্টার পত্রিকার সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেন -

`I'm a Muslim atheist. When I see things going wrong in my community ... I have an obligation to make it known and challenge it'

[ আমি একজন মুসলিম নাস্তিক, যখন আমি আমার সমাজে কোন ভুল দেখি .. তখন আমায় দায়িত্ব এসে যায় সেইটা জানানো এবং চ্যালেঞ্জ করা]

পুরো সাক্ষৎকার পড়ুন। Click This Link


(২)

যারা বাংলাদেশী নাস্তিকদের শুধু ইসলাম নিয়ে গবেষনা করা কার জানতে চান তাদের জন্যে আয়ান হারসে আলির মম্তব্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। মুসলমান-নাস্তিক শুনতে কাঠালে আমসত্বের মতো শুনা গেলেও ৯/১১ উত্তর দুনিয়ার এর বাজার বেশ তেজী। আজ ব্লগে দেখলাম ফেল্টুস নাস্তিকদের একটা হোম ওয়ার্ক দিয়েছে আর নাস্তিকগন হাবুডুবু খাচ্ছেন তার প্রশ্নের জবাব দিতে। আয়ান হারসা আলি "মুসলিম-নাস্তিক" বিষয়টা উনাদেরও সহায়তা করবে আশা করছি।

 

 

  • ৩৯ টি মন্তব্য
  • ৬৩৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ১৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
comment by: অপ্‌সরা বলেছেন: ফেল্টুস নাস্তিক!! হাহাহা।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?

২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
comment by: দেশী ক্যাঙ্গারু বলেছেন: বস্ এই খবর পাইলেন ক্যামনে আপনি। সেটা বড়ো কথা না, খবরটার জন্য থ্যাংকস।

বাট্, ওই বিলগুলান কি পাস হইছিল? মুসলিম মেয়েদের বোরকা পড়া, প্রকাশ্যে গেজাব নিষিদ্ধ করা, ইসলামী শিক্ষা নিষিদ্ধ করা।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: না - একটাও পাশ হয়নি। কারন সে দল বদল করে অন্য দলের পে রোলে চলে গেলে ইমিগ্রশেন বিষয়ক জটিলতায় তাকে দেশ ছাড়তে হয়।

৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮
comment by: মো: শামসুজজামান বলেছেন: ইসলাম নিয়ে তার বাড়াবাড়ি ঠিক না। খুব খারাপ।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: কোন বিষয় নিয়েই বাড়াবাড়ি ঠিক না।

৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
comment by: সৌম্য বলেছেন: অভিজ্ঞতা থেকে দেখি ব্যাক্তিজীবনে কিছু খারাপ সময় মানুষকে ধর্মের প্রতি বিরুপ করে তোলে। মনে হচ্ছে উনার ইথিওপিয়ান জীবনটা সুন্দর ছিল না। ইবনে বতুতা তার বাবার বাড়াবাড়ি ধর্ম অনুরক্তি আর তাকে পুশ করার জন্যে যাযাবর হয়েছিলেন। হারসা আলীর বাবা ব্যার্থ কারণ উনি তার সন্তানের মনে ধর্মের প্রতি ভালোবাসা নয় ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। ভয় থেকেই পালটা আক্রোশ জন্মাইছে। বেচারা
৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
comment by: নির্বাক সুশীল বলেছেন:
বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিলটা কখন বের হবে?
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: দড়ি দেখে সর্পে ভ্রম হওয়া কিন্তু একটা ব্যাধি বটে! :)

৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: গত ২/১ শ বছরে ইসলাম, মুসলমানগোর জগতে অবদান কি? কি বাল ফেলাইছে বিজ্ঞানে, চিকিৎসা, মানবিকতা, সাংষ্কৃতি, রাজনীতি, বানিজ্যে? সর্বকলের সর্বশ্রেষ্ঠ জীবন বিধান কইয়া মুখে ফেনা তুলবো আর টুইন টাওয়ার উড়াইয়া দিব, বুদ্ধমুর্তি ভাঙবো আরও কত কি; ম্লেচ্ছরা মুসলমানগো পিছনে লাগবো না কার পিছনে লাগবো। যাইহোক নিচের মন্তব্যটাই একটা জবাব হইতে পারে এই পোস্টটার।

মানুষের পৃথিবী বলেছেন:

আমাদের দেশ কিন্তু বাংলাদেশ। ইন্ডিয়া কিংবা আমেরিকা নয়। এই বাংলাদেশে মুসলমান, হিন্দু, খৃষ্টানদের অনুপাত জানেন? নিশ্চয় আঁচ করতে পারেন। ছোটবেলায় পুজার সময় প্রচুর ঢাক ঢোলের আওয়াজ শোন যেত, এখন গুটিকয়েক এলাকা ছাড়া শুনাই যায় না। বাংলাদেশে এই প্রজাতিটি প্রায় বিলুপ্তির পথে। আর আছে হাতে গোনা কয়েকজন খৃষ্টান। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই আমাদের তথা নাস্তিকদের টার্গেট থাকবে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণ। ইন্ডিয়ার নাস্তিকগণ আবার হিন্দুধর্মের দেবদেবী, অনাচার ইত্যাদি তাদের দেশে তুলে ধরবেন। আবার খৃষ্টান দেশের নাস্তিকদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

আরেকটা কথা হলো আমারদের তথা নাস্তিকদের অধিকাংশই মুসলমান বংশোদ্ভুত হওয়ায় আমরা যতখানি এই ধর্মের কুসংস্কার, নষ্টামি এবং মিথ্যাচার দেখেছি অন্য ধর্মের গুলো ততটা দেখিনি। এদেশে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রেক্ষিতে (যেমন নামাজ পড়িনা কেন?) আস্তিক বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মিয়-স্বজনের প্রশ্নের মুখোমুখি হই। তাদের প্রশ্নগুলো ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত হওয়ায় আমরা এই ধর্মকে যতটা স্টাডি করি ততটা অন্য ধর্মকে নয়।

আশা করি এবার আপনি বুঝতে পারছেন কেন আমরা তথা বাংলাদেশী নাস্তিকগন ইসলাম নিয়ে বেশী বলি।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৪

লেখক বলেছেন: কি বাল ফেলাইছে বিজ্ঞানে, চিকিৎসা, মানবিকতা, সাংষ্কৃতি, রাজনীতি, বানিজ্যে?


বিজ্ঞানে, চিকিৎসা, মানবিকতা, সাংষ্কৃতি, রাজনীতি, বানিজ্যে "বাল" গজাইল কবে?

৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
comment by: সামিউল জাহান বলেছেন: একটা জিনিস খেয়াল করেন, তাগো আক্রমনের মূল বিষয় কিন্তু ইসলাম,
হিন্দূরা যারা মুর্তি বানিয়ে তার পায়ে গড়াগড়ি খায়, খ্রিষ্টানরা যারা একজন মানুষকে ঈশ্বরপুত্র বলে, বৌদ্ধরা যারা গৌতম বুদ্ধকে ভগবান বলে তাদের কিন্তু তারা কমই আক্রমন করে, বেশী করে ইসলামকে কারণ, ইসলামই যা একমাত্র সত্য ধর্ম। একমাত্রই ইসলামই যে সকল বাতিলের বিরুদ্ধে। বাতিল পথের মানুষেরা তো চাইবেই ইসলামকে হেয় করতে।

এর কিন্তু একটা ভালো দিক আছে। ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করি।নবী করিম(peace be upon him) যখন ইসলামের বানী নিয়ে আসলো তখন কিন্তু ইসলাম প্রচার অনেকাংশে হয়েছে অমুসলিমদের দ্বারাই।কি রকম ভাবে? আবু জেহেল বাড়ী বাড়ী গিয়ে বলে আসলো ,'তোমরা শোন মুহম্মাদ(peace be upon him) বলতেছে সে নাকি আল্লাহর বানী নিয়ে আসছে।তোমরা খবরদার তার কাছে যাবানা ,তার কথা শুনবানা।' তখন অনেকেই চিন্তা করলো মুহাম্মাদ(peace be upon him) কি বলে শোনা দরকার। তারা মুহাম্মাদের(peace be upon him) কাছে গেলো, মুহাম্মাদ(peace be upon him) তখন কোরানের বানী পাঠ করতেছিলেন।
তারা কানে আঙ্গূল দিয়ে গিয়েছিলো, তারা কান থেকে আঙ্গুল সরিয়ে ফেললো, তখন কোরানের মধুর আয়াত শুনে অনেকেই সাথে ইসলাম কবুল করলো। দেখেন একজন কাফের বাড়ী বাড়ী গিয়ে মানুষের কাছে গিয়ে দাওয়াত দিয়ে আসছে।আল্লাহর কি মহিমা!

আর এ যুগে দেখেন ৯/১১ এর পরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে পশ্চিমাদের আগ্রহ বেড়ে গেছে। তারা লাইব্রেরীতে গিয়ে খোজ করছে মুসলমানদের বাইবেল আছে কিনা! তারা এমনকি জানেও না মুসলমানদের বাইবেল নেই আছে কোরান।
তারা কোরান সংগ্রহ করছে, নিয়ে পড়ছে, এবং যখন দেখছে যে তাদের জীবনের সকল সমস্যার সমাধান আছে কোরানে। তখন তারা বলছে, 'লা ইলাহা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ'।
বর্তমানে 'ISLAM is the fastest growing
religion'.
৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: আয়ান হারসে আলির কি এইডস অইছে
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: জানিনা।

৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
comment by: বেতাল বলেছেন: @সামিউল জাহান , আপনি বলেছেন
" আর এ যুগে দেখেন ৯/১১ এর পরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে পশ্চিমাদের আগ্রহ বেড়ে গেছে। " - এটা ঠিক। তবে, ৯/১১ তে যেন কি হয়েছে, বলবেন কি??? মানুষ মারাকে আর কতদিন জিহাদি আন্দোলন বলবেন?
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: মানুষ মারাকে আর কতদিন জিহাদি আন্দোলন বলবেন?

বলেছি কি কোথাও?

১০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮
comment by: প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট +

নাস্তিকদের কাজে লাগবে
১১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
comment by: কুম্ভকর্ণ বলেছেন: আরেকজন আছে ওয়াফা সুলতান। সেও মিথ্যাবাদী সেটা পরে ধরা খাইছে। ইসলামের বিরুদ্ধে বললে অনেক লাভ এখন।
১২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
comment by: ধীবর বলেছেন: যারা ৯১১ এর ঘটনার জন্য জিহাদকে দায়ি করছেন, তারা দয়া করে লুজ চেইঞ্জ নামের ডকুমেন্টরিটা দেখে নিয়ে পারেন। ইউ টিউবে আছে। আর এই আয়ান হিরসি আলি হলো রুশদি, তসলিমার মতই হাতের পুতুল, যেমন নাচায় তেমনি নাচে। নইলে ইসলাম সমন্ধে জ্ঞান গম্যিহীন এই ইথপিয়ান কি করে রাতারাতি ইসলাম সংস্কারক হয়ে খ্যাতি লাভ করতে পারে?
১৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৮
comment by: ভূপর্যটক বলেছেন: এখানেই মন্তব্য করতে চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেনি। তাই আলাদা পোষ্টে আবির্ভাব।
Click This Link
১৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৫
comment by: অচেনা সৈকত বলেছেন: সামিউল জাহান@"আর এ যুগে দেখেন ৯/১১ এর পরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে পশ্চিমাদের আগ্রহ বেড়ে গেছে। তারা লাইব্রেরীতে গিয়ে খোজ করছে মুসলমানদের বাইবেল আছে কিনা! তারা এমনকি জানেও না মুসলমানদের বাইবেল নেই আছে কোরান।" এসব ভিত্তিহীন কথা কোথায় পান?আপনি কি জানেন ৯/১১ এর জন্য আমেরিকায় এখন মুসলিমদের সন্দেহ ও ভয়ের চোখে দেখা হয়?আমরা এখানে পারতপক্ষে নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় দেই না। আপনার কাছে কোন পরিসংখ্যান আছে যে পশ্চিমারা দলে দলে মুসলিম হচ্ছে? সূত্র ছাড়া এধরনের ভিত্তিহীন কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়ানো কি ঠিক? নিরপরাধ মানুষ হত্যা করাই যদি আপনাদের জিহাদ হয়ে থাকে তবে আমি আপনাদের সেই জিহাদের ধ্বংস কামনা করি।
১৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: আমার ব্লগে আপনি হট্টগোলের পোস্টে বেশ কিছু কথা বলেছেন- যার জবাবে আমি কিছু আলোচনা করেছি। সেটা এখানে প্রাসঙ্গিক হতে পারে মনে করছি বিধায় এখানে কপি পেস্ট করলাম.........

নাস্তিকের ধর্মকথা অক্টোবর ৫, ২০০৮ ১:১০ পূর্বাহ্ন

@এস্কিমো,
ফিরে এসেছেন দেখে ভালো লাগলো।

এবারে কিছু আলোচনায় যাই।

"বাচ্চা লাথি শিখের মায়ে কোলে থেকে মাকে লাথি দিয়েই - কিন্তু বড় হয়ে যদি মাকেই লাথি দিতে থাকে - সেইটাই সমস্যা। বাঙ্গালী নাস্তিকগন কখনও কি বড় হবে না? আর বাঙ্গালী নাস্তিকগনের দৌড় এইটুকুই - মুখসেদুল মোমেনিন বা বড় জোর সাইদীর ওয়াজ। এর বাইরে যাওয়ার মতো মেধা খুব কমই দেখি।"/এস্কিমো
=========>>>>>>>>>>
মাকে লাথি মেরে লাথি শেখা আর বড় হয়ে মাকেই লাথি মারার সমস্যার সাথে নাস্তিকদের সমস্যার মিল কোনদিক থেকে হলো? কিভাবে হলো? এসব উদাহরণ শুনতে ভালো- যারা নাস্তিকতার বিরোধী তারা সাথে সাথে তালিও দিতে পারে- তবে উদাহরণ দিতে গেলে মিনিমাম মিল থাকা দরকার বলে মনে করি। তা না হলে- মূল যুক্তির বাইরে এসে অযৌক্তিক আক্রমণ হয়ে যায়। আপনার উদাহরণটা পড়লে মনে হয়- নাস্তিকদের কাজটি মাদের লাথি মারার মত- যেটা বাচ্চাকালে মানায়, কিন্তু পরিপক্ক অবস্থায় মানায় না। আসলে কি তাই? ধরেন, কোন কোন বাঙালি নাস্তিক আসলেই মেধাশূন্য- তাদের দৌড় সাঈদী আর মোকসেদুল মোমেনীন পর্যন্তই। তো তারা নাস্তিকতার বাচ্চাকালেও সাঈদী-মো.মোমেনীন কে লাথি মারতো- এখনো মারে। সেটার সাথে যখন মায়ের সাজুজ্জ আনেন তখন কি একবারো ভাবলেন না যে- সাঈদী আর মো. মুমেনীনকে কত উপরে তুলে দিলেন???

আর, দ্বিতীয়ত যখন নাস্তিকদের মেধা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন- গড়পরতায় সমস্ত বাঙালি নাস্তিকদের- তখন তো সে বিষয়ে আপনাকে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়াই উচিৎ- বাঙালি নাস্তিকদের মধ্যে আরজ আলী মাতুব্বর, আহমদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ প্রমুখদের কথা নাহয় নাই বললাম- আপনি ব্লগে আমার - অভিজিৎ বাবু- অপবাক- রাসেল… প্রমুখের নাস্তিকতার আলোচনায় কতটুকু সাঈদী- আর মোকসেদুল মোমেনীনকে পেয়েছেন????? আর, আপনাদের যাদের মেধা অতুলনীয়- তারা নাহয় এই মেধাশূন্য নাস্তিকদের সাঈদী ওয়াজ আর মোকসেদুল মুমেনীনকে নিয়ে করা আলোচনা টাইপ যুক্কগুলোকেই খণ্ডাতে পারছেন না কেন????

এসব মেধা - শিক্ষা সংক্রান্ত গলাবাজি বাদ দিয়ে, আপনারা কি সরাসরি যুক্তি করতে পারেন না??

"একটা বিশেষ মতবাদের প্রতি গালাগালি করে নাস্তিক হওয়ার প্রচেষ্টা যেমন ডারইউইনের চরিত্র নিয়ে বিতকর্ করে বিবতর্ন বাদকে বাতিলের চেষ্টা। এই টুকু বুঝার ম নাস্তিক একনও পাইনি।"/এস্কিমো
===========>>>>>>>>>>>..
মতবাদের প্রতি গালাগালি মানে কি? বিবর্তনবাদকেও যদি মতবাদ বলি- তবে সেটাকে খণ্ডন করেই তো বিবর্তনবাদকে বাতিলের চেস্টা করতে হবে- তাই নয় কি? সেটাকে গালাগালি কেন বলবেন? আর- ডারউইনের চরিত্র নিয়ে আলোচনা করে বিবর্তনবাদকে খণ্ডন করা যাবে না- এটা সবাই জানে- এ কারণে যে, বিবর্তনবাদের মধ্যে ডারউইনের চরিত্রের কোন ভূমিকা নেই। তিনি কেবল এই সূত্রদাতা।

কিন্তু, মুহম্মদ সা কিন্তু ইসলাম ধর্মের প্রণেতাই নন- তার ভূমিকা এখানে বিশাল। মুহম্মদ সা যা করেছেন- তা সমস্ত কিছুই মুসলমানের জন্য অনুকরণীয়- অনুসরণীয় বলা হচ্ছে; মুহম্মদ সা কে বলা হচ্ছে- সরাসরি আল্লাহর রাসুল। মুসলমানদের প্রধান কালেমার সাথেই মুহম্মদ সা এর নাম জড়িত। মুহম্মদ সা কে অস্বীকার করা মানেই কিন্তু মুসলমানের খাতা থেকে নামই বাদ। সুতরাং ইসলাম নামক মতবাদের সাথে মুহম্মদ সা এবং বিবর্তনবাদ মতবাদের সাথে ডারউইন- এদুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন।

[জবাব]

নাস্তিকের ধর্মকথা অক্টোবর ৫, ২০০৮ ১:৪২ পূর্বাহ্ন

"পুরোপুরি নিজেদের মতো করে বলার চেষ্টা না করে বলুন - আপনাদের সেই হেডাম নেই অন্য ধমর্ নিয়ে লিখার - কারন ইহুদীদের নিয়ে একটা কটু কথা বললেই এন্টি রেসিজম আইনে ধরা, আর খুস্টানদের নিয়ে লেখতে লেখলে কেউ পাত্তা দেয় না - হিন্দুদের নিয়ে লেখলে সবআই মিলে মৌলবাদী বানাবে - সো ঘরের বৌ ইসলাম - ইচ্ছা মতো কিলা" /এস্কিমো
==========>>>>>>>>>>
আমার কথা যদি বলি- অন্য ধর্ম নিয়ে না লেখার পেছনে হেডমের অভাবের চেয়ে প্রয়োজনীয়তা বোধের অভাবই পাই।
মুসলিম ফ্যামিলিতে জন্মের কারণে ইসলাম নিয়েই বেশী জানাশুনা-পড়াশুনা, নাস্তিক হওয়ার পরে আত্মীয়স্বজন-বন্ধুবান্ধব বেশীরভাগ মুসলিম হওয়ায় ডিবেটে ইসলামই বেশী হয়েছে, ফলে ইসলাম নিয়েই বেশী ঘাটাঘাটি করতে হয়েছে- ইসলাম নিয়েই জানি বেশী। এরপরে জানি বেদ-বেদান্ত এবং বৌদ্ধ-জৈন দর্শন সম্পর্কে। সেটা অবশ্য ভারতীয় দর্শনের প্রতি একটা আকর্ষণের জায়গা থেকে। তারচেয়েও কম জানি খৃস্ট ধর্ম সম্পর্কে- আরো কম জানি ইহুদী ধর্ম সম্পর্কে। ফলে- অন্য ধর্ম নিয়ে না লেখার আরেকটা কারণ হচ্ছে কম জানাও। তবে মূল কারণ প্রয়োজনীয়তা বোধের অভাব- এবং এ কারণেই তো অন্য ধর্মের (বিশেষত খৃষ্ট ও ইহুদী) সম্পর্কে বেশী পড়ার আগ্রহও পাইনি।
তারপরেও এটুকু বলতে পারি- আমার লেখাগুলো ফলো করলে বুঝতেন, অন্য ধর্মও এসেছে। সমস্যা হলো- এখানকার মুসলিম আস্তিকদের অন্য ধর্ম নিয়ে মাথাব্যাথা নেই- ফলে আমি যখন অন্য ধর্মের সমালোচনাও আনি- সেটা তাদের চোখের আড়ালে পড়ে যায়, আমার লেখার কোন কোন অংশ তার ধর্মচিন্তার সাথে সংঘর্ষ তৈরী- সেটা নিয়ে তার মাথাব্যাথা।

আমার বিজ্ঞান ও ধর্ম সংক্রান্ত লেখায় (ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান) কোরআনের উদাহরণও যেমন দিয়েছিলাম, তেমনি গীতা-বেদের থেকে উদাহরণ টেনেছিলাম। অথচ- সেগুলো কারো মাথা ব্যাথা হয়নি- কমেন্টে সমস্ত যুক্তি-পাল্টা যুক্তি এসেছে কোরআনের বক্তব্য সংক্রান্ত। শুধু একজায়গায় একব্যক্তি অভিযোগ তুলেছিলেন- হিন্দু ধর্মের পাশাপাশি ইসলাম ধর্মকে টেনে আনায় ইসলাম ধর্মের মর্যাদা নাকি ক্ষুন্ন হয়েছে!! বুঝুন। ফলে স্বভাবতই- আমাকে পুরো মন্তব্যের আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখতে হয়েছিল- ইসলাম নিয়েই। এমনটি হয়েছে এই ব্লগে।

আমার অধিকাংশ পোস্ট এখানে এসেছে- এ ধরণের প্রতিক্রিয়া পোস্ট। এখানকার আস্তিকদের বিভিন্ন অযৌক্তিক পোস্টের আলোচনায় আমার এসমস্ত পোস্ট তৈরী করতে হয়েছে- অন্য ধর্ম নিয়ে কি আমাদের দেশের ব্লগগুলোতে সেরকম কোন পোস্ট আসে??

পশ্চিম বঙ্গের একটি সাইটের জন্য আমরা একটি লেখা তৈরী করেছিলাম (ছাপায়নি)- সেটা একবার ভেবেছিলাম সাইনে দেই। পরে ভেবে দেখলাম- সেটা এখানকার জন্য শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়- ক্ষতিকরও। হিন্দু পুরান মতে এরকম নিয়ম আছে যে, স্বামীর অবর্তমানে বা অক্ষমতায় অন্যকে দিয়ে (দেবর-ব্রাহ্মণ ঠাকুর প্রমুখ) স্ত্রীকে গর্ভধারণ করানো যায়- সরাসরি শ্লোক আছে এমন যে- শস্যের মালিকানা চাষীর নয়- জমির মালিকের: অর্থাৎ স্ত্রী হলো জমি- জমি তথা স্ত্রীর মালিক তার পতিদেবতা এবং অন্য কেউ চাষ করলেও (গর্ভবতী বানালেও) সন্তান হবে মালিকের অর্থাৎ পতিদেবতার!!- এখন এসবকে কেন্দ্র করে আমাদের সেই লেখাটি এখানে প্রকাশ করাটা ক্ষতিকরই মনে করি- যেমন ক্ষতিকর মনে করি- ভারতের কোন সাইটে বা কোন স্থানে আমার এখানকার বিভিন্ন পোস্ট যেখানে কোথাও মুহম্মদ সা এর বিয়ে নিয়ে লিখেছি- কোথাও তার স্ত্রীদের নিয়ে লিখেছি- কোথাও কোরআন নিয়ে লিখেছি।

আশা করি বুঝাতে পারছি- আমার অবস্থানটি।
১৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @এস্কিমো,

বেশ আগেই এ প্রশ্ন (সন্ধ্যাবাতি/আওরঙ্গজেব এদের খুব প্রিয় প্রশ্ন ছিল একসময়- আজ তারা নেই - কিন্তু প্রশ্ন বন্ধ হয়নি!!) পেয়ে একটি পোস্টে জবাব দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। আমার (একজন নাস্তিকের পোস্টে) সেই পোস্ট টিতে যাওয়ার ব্যাপারে এলার্জী থাকতে পারে বিবেচনা করে- এখানে সেই পোস্ট কপি পেস্ট করছিঃ

ব্লগের নাস্তিকেরা কি কেবল ইসলাম বিদ্বেষী???
০৪ ঠা মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫
লিংকঃ Click This Link


মাঝে মাঝেই এই প্রশ্ন পাওয়া যায়। ঠিক প্রশ্ন নয়, অনেকটা অভিযোগ আকারে এটি বলেন অনেকে, কেউ কেউ তো প্রচণ্ড রাগ-ক্ষোভও ঝেড়ে দেন।

যেমন সেদিন আমার এক পোস্টে সাইফুর বললেন, "নাস্তিক ভাই অন্য ধর্ম নিয়েও এরকম পোষ্ট দিন দয়া করে"।

একই পোস্টে েক আিম বললেন, "নাস্তিকের ধর্মকথা আর এই ব্লগের অনান্য নাস্তিক দের একটা বিনম্র প্রশ্ন: আপনাদের সব লেখাগুলোই ইসলাম কেন্দ্রিক: পৃথিবীর অন্য ২টা ধর্ম: খৃষ্টান আর ইহূদিজম আর সবচেয়ে পুরাতন ধর্ম সনাতন (হিন্দু) ধর্মকে কি ধর্ম মনে হয় না। নাস্তিক হলে তো সব ধর্ম নামের ভন্ডামির বিপক্ষেই চিন্তা আর অবস্থান থাকার কথা!! তাহলে কি আপনারা ইসলামকেই একমাত্র ধর্ম মেনে নিচ্ছেন না???"

এমন অভিযোগ অনেক আগে ফারজানা১৬ তার এক পোস্টেও করেছিলেন, "নাস্তিক, এবার এই পোস্টের বিষয়ের বাইরে আপনাকে একটা প্রশ্ন আছে।
আপনার নিক অনুযায়ী আপনি নাস্তিক, তাই ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করছেন ভাল কথা। হয়ত আপনি জানতে চাচ্ছেন, মানলাম। কিন্তু আপনিতো নাস্তিক হলে সব ধর্ম নিয়ে নাস্তিক হওয়ার কথা। এখন আপনার সব পোস্ট দেখি শুধু ইসলাম, মুসলিম আর কোরআন নিয়ে। এ থেকে দু’টা সন্দেহ দেখা দেয়-
১- আপনার কাছে একমাত্র সত্যিকার ধর্ম ইসলাম। তাই শুধু ইসলাম নিয়েই জানতে চাচ্চেন।
২- অথবা, আপনি মোটেও নাস্তিক নন। আপনি শুধু ইসলাম-নাস্তিক। অর্থাৎ, আপনি অন্য কোনো ধর্মালম্বী, তাই ইসলামকে ভুল প্রমান করতে চান।
৩- অথবা, আপনার পোস্টগুলো সম্পূর্নভাবে উদ্দেশ্যমূলক, শুধুমাত্র ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোই উদ্দেশ্য"।


আরো অনেকেই এই অভিযোগ করেন মাঝে মধ্যেই। কি আর করা, এ বিষয়ে দুচারটি কথা তাহলে বলি...

আমার কৈফিয়াত
১। আমি শুধু ইসলাম নাস্তিক নই।
২। আমি ইসলাম-বিদ্বেষী তো নই-ই, কোন ধর্ম বিদ্বেষীও নই-ই, অর্থাৎ কোন ধর্ম বা ধর্মমতের বিরুদ্ধে কোন রকম বিদ্বেষ আমি পোষণ করি না। তবে, এ সমস্ত ধর্মদর্শনকে ভ্রান্ত দর্শন বলে মনে করি, যদিও এসব ধর্মসমূহের উন্মেষকালীন ইতিবাচক অবদানকে অস্বীকার করি না।
৩। আমার ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম-দর্শন নিয়েও পোস্ট বা আলোচনা আছে। যেমনঃ আমার "নাস্তিক আস্তিক সমাচার" পোস্টে ভারতীয় বিভিন্ন দার্শনিকেরা কিকরে ব্রহ্মাকে নাকচ করেছিলেন- সে আলোচনা করেছি। আমার "বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.." পোস্টে এক জায়গায় আলোচনায় রামকে নিয়েও আলোচনা করেছি (যুদ্ধনীতির ক্ষেত্রে তাঁকে আমার কাপুরুষ মনে হয়েছে)।
৪। এটা ঠিক যে, আমার পোস্ট সমূহ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে, অন্য ধর্মের তুলনায় ইসলাম নিয়ে আলোচনা তুলনামূলক বেশী করেছি। এর কারণ সম্ভবত এরকমঃ
ক) জন্ম সুবাদে ইসলাম সম্পর্কেই তুলনামূলক বেশী জানি, এবং আস্তিক অবস্থান থেকে যখন নাস্তিক হই তখন ইসলামকে খণ্ডন করেই নাস্তিক হতে হয়েছে। ফলে, এই যুক্তিগুলোই ভালো জানি।
খ) আমার চারপাশের মানুষগুলোর মধ্যে মুসলিমের সংখ্যা বেশী, ফলে তাদের সাথে যখন ধর্ম-দর্শন নিয়ে কথা হয়, ইসলাম-ই বেশীর ভাগ সময় আলোচনার কেন্দ্রে থাকে। কেননা, একজন মুসলিমের সাথে শিব-ব্রহ্মা-নারায়ন প্রমুখকে নিয়ে আলোচনা করলে তার প্রতিক্রিয়া হয় সমর্থনমূলক, যদিও সেই সমর্থনমূলক অবস্থান তার মুক্তচিন্তাকে প্রকাশ করে না।
গ) এই ব্লগেও অধিকাংশ ব্লগার মুসলিম পরিবারের। সেকারণে, এখানে ইসলাম নিয়েই তর্ক-বিতর্ক হওয়া সম্ভব। আমার উপরিল্লিখিত পোস্ট দুটিতে হিন্দু ধর্মালম্বী কাউকে তর্ক করতে দেখিনি এবং সেটি মুসলিম ব্লগারদেরও চোখের অন্তরালে তা চলে গিয়েছে। ভারতের বা পশ্চিমবঙ্গের কোন ব্লগে লিখলে (যেখানকার ব্লগাররা হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ) নিশ্চিৎভাবেই হিন্দু-ধর্ম নিয়ে বেশী আলোচনা করতাম। কেননা, সেখানে ইসলাম নিয়ে আলোচনা করা মানে সেখানকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাম্প্রদায়িকতাকেই সুড়সুড়ি দেয়া ছাড়া আর কোন কাজ হতো না! তেমনি এখানে অন্য ধর্ম নিয়ে বেশী আলোচনা করলে মুসলিম ব্লগারদের সাম্প্রদায়িক চেতনাকে আরো উসকে দেয়ার কাজই হবে বলে মনে হয়!
ঘ) আমার পোস্ট গুলো দেখলে বুঝবেন, অধিকাংশ পোস্টই বিভিন্ন পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় লেখা। এখানে ইসলাম নিয়ে যে ধরণের আজে বাজে পোস্ট পড়ে, সেগুলোকে খণ্ডন করতে গিয়েই আমার অনেক পোস্ট অবতারণা করতে হয়। অন্য ধর্মকে নিয়ে যদি এরকম পোস্টের সংখ্যা বেড়ে যায়- তবে সেগুলো নিয়েও আমি লিখবো বৈকি..

৫। আমি ধর্মতত্ত্ব-দর্শন-ইতিহাস-বিজ্ঞান নিয়ে খুবই আগ্রহ বোধ করি এবং যথাসাধ্য পড়ার চেষ্টা করি। এ কারণেই আমার পোস্টগুলোতে ঘুরে-ফিরে এ বিষয়গুলো আসে।

আপানদের সকলকে ধন্যবাদ।
১৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

@এস্কিমো

আপনার এই স্খলন দেখে করুনা হচ্ছে।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: স্খলন শব্দটা বেশ মজার।

আপনার জন্যে আমার আলাদা কিছু কথা আছে - তবে এখন বলবো না।

আপনি যাকে সমর্থন করে আমাদের ববিপরীতে অবস্থান নিছেন - তারজন্যে হয়তো একদিন লজ্জিত হবে।

একটা কষ্টের কতা বলি - যখন আমাকে পেচালীর রাস্তা দেখানো হলো তখন অন্তত আপনার একটা প্রতিবাদ আশা করেছিলাম। কিন্তু আপনাদের মতাদর্শের বাইরে আপনারা কোন বন্ধু চিনেন না - সেইটাই দুঃখের।

১৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:১৬
comment by: বিপন্ন বিস্ময় বলেছেন: পৃথিবী থেকে ধর্ম নামক আবর্জনাটা দূর হয় না কেন?
১৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩২
comment by: দখিনা বাতাস বলেছেন: এই বাংলাব্লগে আসার পর থেকে এস্কিমোর পোস্টে কোনদিন মাইনাস দেওয়ার ইচ্ছা হয়নি। কিন্তু আজকে হলো। দিয়া গেলাম। কেন দিলাম ঐটা নিয়া আর কথা বলতে ইচ্ছা করতেছে না। এই আস্তিক নাস্তিক ঝগড়া আর কত????

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার বিরক্তির তৈরীর জন্যের দুঃখিত।

২০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: আয়ান হারসে আলির কি এইডস অইছে ? ছবিটা এইডস রোগীর
২১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
comment by: ভাইপার বলেছেন: @ নাস্তিকের ধরম কথা

আপনি বলেছেন আপনি ইসলাম ধরম সম্পকে বেশী জানেন। অন্য ধরম সম্পকে কম জানেন এবং কিছু ধম সসম্পকে একেবারেই কম জানেন। আপনার কথা অনুসাের আপনি আবার নাস্তিক। আমার কথা হলো সকল ধম সস্পকে ক্লিয়ার ধারনা না নিয়ে আপনি নিজেকে নাস্তিক বলছেন কিভাবে?
২২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২০
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @ভাইপার,

আপনি যদি বলেন নাস্তিক হয়েছি কিভাবে- তবে তার উত্তরে বলতে হবে- আমার ঈশ্বর সংক্রান্ত ধারণা কিভাবে দূরীভূত হয়েছে তার ইতিহাস। যেহেতু আমি মুসলিম পরিবার থেকে এসেছি- সেহেতু আমার মধ্যকার আল্লাহ সংক্রান্ত ধারণা দূর করেই নাস্তিক হতে হয়েছে।

বিভিন্ন