খালেদা জিয়ার দাবী অনুসারে নির্দলীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। দাবীর ইকো অবশ্যই সেনাবাহিনীতে হয়েছে।
এরপর গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতা ঢাকার জন্যে নির্বাচিত অসামনিক সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে - আমরা বুঝে অথবা না বুঝে শামসু পাগলার থিয়োরী নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি - সবার নজর সরিয়ে গোয়েন্দারা নিজেদের রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছে।
আর সেনাবাহিনীকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে রাজনীতির খেলায় নেমেছে বিরোধী দল।
মাঝে থেকে বলি হলো - কয়েকজন সাধারন মানুষ - চাওয়ালা আর রিক্সাওয়ালা - এরা দৃস্টিসীমার অনেক দুরে চলে গেছে।
আজ শুনলাম - খালেদা জিয়া বাইরে লোকজন এসে এই হত্যাকান্ড ঘঠিয়েছে বলে দাবী করেছেন। উনার কথার মাঝে যথেষ্ঠ আত্নবিশ্বাস দেখে মনে হলো উনি ঘটনার অনেক গোপন তথ্য জানেন।
একটা কথা সত্য - সেনাবাহিনীর আধিক্য থাকার কারনে তদন্ত কমিটিতে বিডিআরের ঘটনার অনেক সত্য লুকানো হবে - তা করা হবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার আর স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার নামে। অন্যদিকে যে সত্য তদন্ত কমিটি বের করবে তা সবাই নিজের মতো করে গ্রহন করবে। সকল গোষ্ঠী সত্যটাকে নিজের মতো করে খন্ডিত করবে - খন্ডিত সত্য মিথ্যার চেয়ে ভয়ন্কর।
সুতরাং ধরেই নেওয়া যায় - খালেদা জিয়া তদন্ত কমিটির রিপোর্ট মানবে না।
তাই খালেদা জিয়া - যিনি বিরোধী দলীয় নেতা হিসাবে মন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন - একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিবের চেয়ে উনার অবস্থান অনেক উঁচুতে। তাই উনার নেতৃত্বে একটা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি করা হউক।
বিষয়টা হালকা ভাবে নেবেন না - এই ঘটনা কানাডায় ঘটেছে বলেই বলছি।
আফগানিস্থানে কানাডার সৈন্যদের অবস্থানের বিষয়ে বিরোধী দল সংসদে বেশ হৈ চৈ করছিলো - তখন সরকার বিরোধী দলের একজন গুরুত্বপূর্ন সদস্যকে প্রধান করে একটা কমিটি করে দেয়। এরা সরকারের প্রস্তাবের চেয়ে আরো দুই বছর বেশী সময় সৈন্য রাখার পক্ষে প্রস্তাব দেয়।
বিষয়টা ভেবে দেখার জন্যে সরকারের প্রতি তীব্র দাবি জানাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



