আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলা ব্লগ ও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্লগারদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষন!!! - প্রজন্ম৮৬
- আরব আমীরাতে চাকরি পেতে হলে যা জানা দরকার
- বিকল্প ধারা
- শেষ পর্যন্ত জামাতের মুখোশ খুলে দিলো যেই ভিডিওটি - মৌসুম দাশ
- টক শো'র সম্পূর্ণ ভিডিও - নিঝুম মজুমদার
- স্মরন করি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আর বিচারের দাবী করছি ঘাতক আলবদর গোষ্ঠীর। - এস্কিমো
- নাস্তানুবাদ নাস্তিকতার ঐতিহাসিক সেই সংকলন।

- ক্রস ফায়ার০০৭
- হতাশ হতেও ভয় পাই যখন দেখি একটা জনপদ দ্রুত অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে - বৃক্ষ
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- হাসিনা আপার সৌদি যাবার কারন কি? - বুড়া শাহরীয়ার
- ভাড়া কত হওয়া উচিৎ??? ( মাথা ঘুরালে পড়বেন না
) - অরণ্য আনাম
- প্লাস খাওনের টাইম নাই ।। মাইনাসেতো গোস্বা নাই ই ই (পর্ব-১) - সবাক
- জীবন-গণিত - ১ (সুখ)। - নরাধম
- সব শালা নাস্তিক; একটা অনুনাসিক অথবা উন্নাসিক আত্মকথা! - ক-খ-গ
- সিয়েরালিওনের বিশেষ আদালত- রাজাকারদের বিচারেরর দিক নির্দেশনা - মেঘ
- পথগুলো বন্ধ করে দেবার আগে - লাবীব নানকার
- গনপ্রজান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে যুদ্ধাপরাধ কি এবং যুদ্ধাপরাধী কারা? - এস্কিমো
- বাঁশি রবীন্দ্রনাথের একটি আধুনিক কবিতা! - হমপগ্র
- ভালো লাগার দুটি কবিতা!!! - মুকুট
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই: গণস্বাক্ষর সংগ্রহে বিভিন্ন দেশে ও শহরে সমন্বয়কারী প্রয়োজন - শওকত হোসেন মাসুম
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- অনুসরন করুন আপনার পছন্দের ব্লগারদের - আছহাবুল ইয়ামিন
- নিহত যোদ্ধাদের কাছে দিনে দিনে বেড়েই চলেছে ঋণ !! - মনজুরুল হক
- একাত্তরে মীর কাশেম আলী : উতসর্গ আমি সাগর - অমি রহমান পিয়াল
- আল বদর কমান্ডার মীর কাসেম আলী চট্টগ্রামে গণহত্যা লুটপাটের নায়ক - এস্কিমো
- সেক্টর কমান্ডারস কর্তৃক ৫০ যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- টেকনিক্যাল ক্যাতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাগুরাম (পাঠ আবশ্যক) - তোমাদের-ই-লোক
- মুহম্মদ জাফর ইকবালকে কেন আমি এত সম্মান করি - জ্বিনের বাদশা
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আমারব্লগে আরিফের উপরে অন্যায় ব্যাক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক - প্রশ্নোত্তর
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- বাংলা ব্যবহার (উৎসর্গ প্রিয় ব্লগার এস্কিমো ) - মুহিব
- সাইদী সমগ্র - নাভদ
- খুনী এ কে এম মহিউদ্দিনের বিষয়ে সিবিসির সত্যানুসন্ধান - এস্কিমো
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টরন্টো তসবির - ফরিদ
- স্রস্টার অনস্তিত্তের পক্ষে সাদামাটা কিছু যুক্তি... - দস্যু বনহুর
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- ইতিহাসের পাতা থেকে - বোলারস ব্যাকড্রাইভ
- শোনো ও বকুল ----- (রবীন্দ্র জৈন) - বিষাক্ত মানুষ
- ছোটগল্প: মুরগীচোর - তীরন্দাজ
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া উচিত - মুক্তি
- অশ্লীল! - অহনা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- খুনী আল-বদরের উত্তরসূরী ছাত্র শিবির : উত্থানের ভয়াবহ দলিলপত্র - অমি রহমান পিয়াল
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- জামাতি বুদ্ধিজীবির ছাঁচে গড়া সুশীল কারিগর - সংস্থাপক
- ডিজিটাল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাসঙ্গিকতা: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ (শেষ অংশ) - ফাহমিদুল হক
- বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (শেষ পর্ব) - ফাহমিদুল হক
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- সবাস শাহাদাত !! সাবাস বাংগালী আরেকটু ধরে রাখ !! (ক্রিকেট) - রাতুল"
- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন এর পোস্ট এর কমেন্ট - মহিলা ছাগল
- এবারের একুশে বইমেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বই ( ২য় পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- জামায়াত নিয়ে নতুন বছরের সেরা মুঠোবার্তা - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার গোলাম আযমের আত্মজীবনী পাঠ: আসুন নাগরিকত্ব মামলায় পক্ষে রায় দেওয়া সেই বিচারকের পরিচয় জানি - শওকত হোসেন মাসুম
- ত্রিভুজের ফাঁদে কি ধরা পড়ল?
- ত্রিভুজ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের মন্তব্য, ও 'বাংলাদেশী এস্কিমো' ভাইয়ের পোস্ট - আওরঙ্গজেব
- অভিনন্দন বাংলাদেশ,নিউজিল্যান্ডকে হারাবার জন্য - ফারহান দাউদ
- প্রপোগান্ডা, স্টপ জেনোসাইড ও জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- শিক্ষকদের শাস্তি দেয়া হলো - ফাহমিদুল হক
- উতসর্গ: এস্কিমো-সত লুকের রাজনীতিতে যুগ দেওনের তরীকা - লাল সালু
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- এই রায়টি মোটিভেটেড - ফাহমিদুল হক
- আওরঙজেব, আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না? - এস্কিমো
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- সিডর'র তান্ডবঃ - প্রবাসীরা এখনই যা করতে পারি। (একটি প্রস্তাব) - এস্কিমো
- সাইক্লোন সিডর - অলৌকিক হাসান
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- মুক্তিযোদ্ধা শিবির! - লাল দরজা
- প্রসঙ্গঃ বাচ্চু রাজাকার ও জনকন্ঠ - আওরঙ্গজেব
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উইকিয়াতে সবাইকে নিমন্ত্রণ - রাগিব
- বোমাবাজী ও নিজামী - আওরঙ্গজেব
- এস্কিমোর জামায়াত বিরোধিতার আড়ালে ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ--- মুসলিম ভাই-বোনেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি - মিজু
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- হিন্দুরা কেন গো-মাংস ভক্ষণ করে না? - আশরাফ রহমান
- মগবাজারে ৮ তলা বাড়িতে থাকে গোলাম আযম: একদল সত লোকের জীবন যাপনের নমুনা - আমি সাগর
- সতেরোটি সত লোক আর যতসব মিথ্যা আর দুর্নীতি-১ - কিন্তু কি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা - মিরাজ
- একুশে টিভিতে মুজাহিদরে দেইখ্যা আমি হাসতেই আছি: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে রাষ্ট্রীয় কমিশন চাই - আমি সাগর
- আশরাফ রহমান - বাংলাদেশের সাফল্য আপনি নীরব কেন? - এস্কিমো
- বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার কি অসম্ভব? - অমি রহমান পিয়াল
- মাহমুদ রহমান - একটা প্রশ্ন ছিল... - এস্কিমো
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- শিবিরের চোখে স্বাধীনতার ইতিহাস - আড্ডাবাজ
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর্কাইভ সাইট করতে যাচ্ছি...(খসড়া পোষ্ট) - ত্রিভুজ
- সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না - হাসান মোরশেদ
- ত্রিভুজের "ছাগু" হয়ে উঠা!!! - এস্কিমো
৮০০তম পোষ্টঃ কিছু আবোল-তাবোল কথা
২২ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
বেশ কয়েকদিন যাবত ভাবছি দেশে যাবে। শেষ বার গিয়েছিলাম ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে। এরপর থেকে পরিকল্পনা করছি। আসলে দেশে যাবার মুল আনন্দটা বোধ হয় প্রস্তুতিতেই। যাই হোক - দেশে যাবো ভাবলেই দেশের অনেক ছবি - অনেক কথা - অনেক ঘটনা মনে পড়ে যায়। সেই ধরনের কিছু ঘটনা ইদানিং খুবই মনে পড়ছে। তারই কয়েকটা বলবো আজ।
২০০৩ সালের ডিসেম্বরের শেষে দেশে গিয়েছিলাম। সেই সময়কার ঘটনা এইটা। থাকি পুরানা পল্টনের ছোট ভাইএর বাসায়। জেট ল্যাগের কারনে ঘুম ভেঙ্গে গেছে ভোর চারটা- সাড়ে চারটায়। কিছুক্ষন শুয়ে থেকে ভাবলাম - ভোর বেলার ঢাকা শহরটা দেখে আসা যাক আর এই সুযোগে হলে পরটা আর ভাজি খেয়ে আসা যাবে গরম গরম - ভাবতে ভাবতে একাই বেড়িয়ে গেলাম।
রাস্তায় প্রায় ফাঁকা। একটা দুইটা রিক্সা এদিকে ওদিকে যাচ্ছে। কয়েকজন ঝাড়ুদার রাস্তায় ঝাড়ু দিচ্ছে। শব্জিওয়ালার গলিতে ঢুকছে। পত্রিকার হকাররা সবেমাত্র পত্রিকা নিয়ে সাইকেলে করে আসছে। হেটে হেটে যখন বাইতুল মোকাররমের পশ্চিমদিকটায় এসেছি - দেখি কয়েকটা বাচ্চা ছেলে সামান্য কাপড় গায়ে দাড়িয়ে জটলা করছে। বেশ শীত লাগছে - কিন্তু ওরা কিভাবে শীত সহ্য করছে তাই ভাছিলাম। হটাৎ দেখি দুইজন টহল পুলিশ ওদের দিকে দৌড়ে আসছে। নাগালের মধ্যে আসতেই একজন পুলিশ বাচ্চাগুলোকে বেদম পেটাতে লাগলো। ওরাও পড়িমড়ি দৌড়। পুলিশরাও বেশ দৌড়ালো। এক পর্যায়ে পুলিশগুলো থেমে গেলো - আর বাচ্চাগুলো অদৃশ্য হয়ে গেলো। আমি কিছুটা হতবাক হয়ে দাড়িয়ে দেখলাম। অবশেষে এগিয়ে একজন পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলাম - "ভাই, ওদের মারলেন কেন?"
উত্তর - "হালার পুতেরা পায়খানা কইরা এলাকা ভরাইয়া ফেলে।"
বললাম - ওরা তো দাড়িয়ে ছিলো। আমিতো ও রকম কিছু দেখলাম না।
পুলিশ একটু বিরক্ত হয়ে উত্তর দিলো - "আপনে কি ওগো চিনেন?"
বললাম - "না।"
একটু দুরে দেখি একটা ফুটফুটে বাচ্চা রিক্সায় একজন ভদ্রলোকের সাথে বসে আছে। আমি রিক্সার দিকে দেখিয়ে বললাম। "আপনি কি ওকে মারতে পারবেন?"
পুলিলের জবাব - "ভাই, ভ্যাজাল কইরেন নাতো। ওগো মারলে কি হয়?"
তাইতো। ওদের মারলে কি হয়। রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বেতন দিয়ে পোষা পুলিশ রাষ্ট্রের সবচেয়ে অবহেলিত শিশুদের মেরে বলছে - ওদের মারলে কি হয়। ওরা সকালে উঠে খাবার যোগার থেকে রাতে ঘুমারো জায়গা খুজে বের করা পর্যন্ত জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলো মিটানোর অপরাধে ওদের মার খেতে হয়। বঞ্চিত - লাঞ্ছিত এই শিশুরাই একদিন বড় হবে - তখন ওদের গায়ে শক্তি হবে - ওদের মগজে বুদ্ধি বাড়বে - ওরা হয়তো ঐক্য বদ্ধ হবে - তখন সমাজের প্রতি যদি তাদের শিশুকালে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের প্রতিশোধ নেয় - তখন কি হবে। এই সব আবোল তাবোল ভেবে মনটা ভীষন খারাপ হলো।
সকালের ঢাকা দেখা এভাবেই শেষ করে বাসায় ফিরে এলাম।
পাঠক হয়তো ভেবে থাকতে পারেন - বিদেশে থাকার কারনেই দৃশ্যটা আমার নজরে পড়েছে। আসলে তা না। শিশুদের উপর অমানুষিক নির্যাতনের অনেক দৃশ্য একের পর একটা মরে পড়তেই থাকে - যখন একটা মনে পড়ে - সবগুলো এসে ভিড় করে - তখন ভীষন খারাপ লাগে।
আরেকটা ঘটনা বলি।
সম্ভবত ১৯৯৪ সাল হবে। সঠিক মনে নেই। ক্রিকেট খেলা দেখার প্রচন্ড নেশায় অফিস ফাঁকি দিয়ে স্টেডিয়ামে বসে থাকতাম। একদিন এমনভাবেই খেলা দেখছি। সাথে এক ব্যবসায়ী বন্ধু। মনোযোগ দিয়ে খেলা দেখছি আর গল্প করছি আশে পাশের দর্শকদের সাথে। এর মধ্যে একটা প্রচন্ড "চটাশ" শব্দে সব মনোযোগ চলে গেলো উপরের দিকে। দুই গ্যালারীর মাঝের সিড়ি দিয়ে তখন গড়িয়ে যাচ্ছে একটা গামলা - চারদিকে ছড়ানো মুড়ি, টমাটো আর পিঁয়াজ। আরো কিছু সরঞ্চাম। দেখি একটা দশ-বার বছরের শিশু সিড়ির উপর পড়ে আছে। পাশে দাড়িয়ে একজন স্বাস্থ্যবান মানুষ হৈ চৈ করছে। আমার ব্যবসায়ী বন্ধুও বেশ শক্তিশালী মানুষ - ব্যায়াম করে তৈরী শরীর। ( খেলার মাঠে বন্ধুকে সাথে রাখলে নিজেকে সবসময় নিরাপদ ভাবতাম)। বন্ধু উঠে গিয়ে লোকটা সাথে কথা বললো। আমরাও গিয়ে ছেলেটাকে উঠালাম। দেখলাম ওর ঠোঁট কেঁটে রক্ত ঝরছে।
জানা গেল ঝাল মুড়িতে কাংখিত পরিমানে পিঁয়াজের কুঁচি না থাকায় লোকটির মাথায় রক্ত উঠে যায়। ফলে ঝালমুড়িওয়ালা ছেলেটাকে থাপ্পর মারে আর মুড়ির গামলায় লাথি দেয়।
ছেলেটা এদিকে কাঁদছে। লক্ষ্য করলাম - ও নিজের কষ্টের জন্যে কাঁদছে না - কাঁদছে ওর ব্যবসার সরঞ্জাম আর পুঁজির কথা ভেবে। মাকে বাসায় গিয়ে কি বলবে তা ভেবে ও আকুল। মা বুয়ার কাজ করে - কোন সাহেবের থেকে টাকা ধার করে ওকে ব্যবসা করতে দিয়েছে।
এদিকে লোকটাকে যখন ওকে মারার জন্যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিলো - তখন সে বেশ চিৎকার করে বললো - "ফকিন্নির পোলারে মারছি - কি অইছে। কোন মাংগের পোলা পারলে কিছু কর।"
কেউ তাকে আর কিছু বললো না। অবশ্য অনেকে পকেট থেকে টাকা বের করে ছেলেটাকে দিয়েছিলো।
আজও ভাবি। যে ছেলেটার স্কুলে থাকার কথা। সে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঝালমুড়ির ব্যবসা করে - আর তুচ্ছ একটা কারনে ওকে মার খেতে হয়। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার ভিতরে এই শিশুরা কোন মানুষ হিসাবে বিবেচিত না। না-মানুষ হিসাবে বড় হয়ে উঠা এই শিশুর থেকে রাষ্ট্র বা সমাজ কি আশা করবে।
এতো গেল একটা ঘটনা। ট্যাম্পুর হেলপার, চায়ের দোকানের কর্মচারী, হলের বয় থেকে শুরু হালের চাওয়ালা যে বিডিআরের ঘটনায় গুলি খেয়েছে - এমন অসংখ্য শিশু আছে বাংলাদেশে - যারা রাষ্ট্রের সকল আইন আর ব্যবস্থাপনার বাইরে। শিক্ষা থেকে শুরু করে মৌলিক অধিকারগুলো স্বাধীনতার চারদশক পরও এদের জন্যে সোনার হরিন।
আরেকটা ঘটনা বলি। তখন কলেজে পড়ি। একদিন কলেজ থেকে সাইকেলে বাড়ী যাচ্ছি। রাস্তার পাশে দেখি বেশ কয়টা বাচ্চা ছেলে একটা শুকনা-পাতলা ছেলেকে মাটিতে ফেলে বেশ পেটাচ্ছে। সাইকেল থামিয়ে ওদের দিকে দৌড়ে গেলাম। ভাবছিলাম আমাকে দেখে হয়তো ওরা পালিয়ে যাবে। কিন্তু ওদের কোন ভাবান্তর হলো না। কাছে গিয়ে মাটিতে পড়ে থাকা ছেলেটাকে উদ্ধার করে ওদে কাছে জানতে চাইলাম মারামারির কারন। একটা ছেলে বেশ রাগ হয়ে বললো - "আপনে কি বরিশাইল্ল্যাহ, ওতো বরিশাইল্লাহ। ওরে মারলে আপনের কি?"
আমিতো আকাশ থেকে মাটিতে পড়লাম। বললাম - "বরিশাইল্লাহ হলেই মারতে হবে?"
উত্তর - "হ, হালারা দেহেনা ওগো দেশ থাইক্কা এহানে আইনা কম পয়সায় কাম করে - আর চুরি করে।"
বুঝলাম সমস্যা অনেক গভীরে। ওদের কাছ থেকে ছেলেটাকে ছাড়িয়ে নিরাপদ দুরত্বে দিয়ে বাড়ীতে চলে এসেছি।
অবশ্যই পড়ে যখন চাকুরীতে গেলাম। দেখলাম - আঞ্চলিকতা কতটা গভীরে প্রোথিত হয়ে আছে আমাদের সমাজে। অফিসের বস থেকে পিয়ন পর্যণ্ত একসাথে বসে থাকে এক জেলার হলে - আর ভিন্ন জেলার হলে পিয়ন ঠিকমতো বসের সামনে না দাড়ালে চাকুরী হারায়। তখন বুঝতে পেড়েছি শিশুদের কি শিক্ষাই না দেই আমরা।
শেষ ঘটনাটা বলি।
তখন সবে চাকুরী শুরু করেছি। ৭ জন মিলে ভুতের গলির একটা বাসায় মেস করে থাকি। মিঠুর মা আমাদের রান্নাবান্না করে দেয়। চমৎকার মহিলা। সবচেয়ে মজার হলো মিঠু। ৩/৪ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে। মাথায় সামান্য চুল। দেখা হলে জিজ্ঞাসা করতাম - "মিঠু তোর চুল কই?"। উত্তর দিতো - "কাউয়ায় লইয়া গেছে।" উত্তর দিয়ে মিঠু হাসতো - তার চেয়ে বেশী হাসতো মা। আমার লাভ হতো - এককাপ চা। মুলত মেসের প্রায় সবাই মিঠুকে আদর করতো।
একদিন কাজ থেকে ফিরে বাসায় ঢুকার পথে দেখি মিঠুর মা মিঠুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। জিজ্ঞাসা করলাম - কিন্তু সহজে জবাব দিতে চায়না। এক পর্যায়ে বললো - "ভাই, মুকুল ভাই রাগ হইছে। মিঠুরে বাপ তুইলা কথা কইছে।"
ঘটনা হলো - সাপ্তাহিক মুরগী জবাই হয়েছে। মুরগীর গিলা-কলজে একেক সপ্তাহে এক একজনের জন্যে বরাদ্ধ হতো। আমি জানতে পেরেছিলাম মিঠু কলজে খেতে খুব পছন্দ করে - তাই সেইটা মিঠুর জন্যে বরাদ্ধ হতো আমার সময়ে। কিন্তু সেইদিন মুকুলের ( হাইকোর্টের উকিল) টার্ন। কিন্তু মিঠু খুবই কান্নাকাটা করায় মিঠুর মা কলজেটা মিঠুকে খাইয়ে দিয়েছিলো। মুকুল ফিরে এসে রাগ করে বলছে - " এই পোলার বাপের টিক নাই - আবার কইলজা খাওয়ার শখ।"
মিঠুর মা অপমানের সবটুকু ছোট্ট মিঠুর উপর ঢেলেছে। যখন আমি মিঠুকে দেখলাম - বেচারা মার খেয়ে আর ভয়ে জড়সর হয়ে আছে।
একদল মানুষের বাচ্চারা ঠিকমতো খায়না - তাই ডাক্তার দেখায়। আর মিঠুরা খেতে চেয়ে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়। একই দেশের নাগরিক। একই সংবিধানে সকল শিশুর অধিকার নিশ্চিত করা আছে। দুর্ভাগ্য - এতো শুধু কাজীর গরু মাত্র - কিতাবে আছে - গোয়ালে নেই।
(২)
উপরের ঘটনাগুলো কিন্তু বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। পুরো সমাজেই নানান ভাবে শিশুরা নির্যাতিত হচ্ছে - আমরা হয়তো আমাদের জীবনে সবাই দেখি - কিন্তু এড়িয়ে চলি। আমাদের চোখের সামনেই একদল শিশু অমানুষের মতো বেড়ে উঠছে। আমরা সবাই চেচাই - দেশের আইন শৃংখলার চরম অবনতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করি। সরকার র্যাব বানায় - আমাদের অবৈধ সম্পদ যাতে যুদ্ধ করে বড় হওয়া শিশুরা কেড়ে নিতে না পারে - তার জন্যে ক্রশ ফায়ার করে। আমরা নিরাপদ বোধ করি - নয়তো বাড়ীর দেওয়াটা আরো উচু করি - গেটে নতুন তালা লাগাই। আরো ভাল সিকিউরিটি কোম্পানীর কথা ভাবি। কিন্তু তাকিয়ে দেখিনা - আমার ছেলের স্কুল ব্যাগ টেনে নিয়ে যাচ্ছে যে শিশুটা - সে কতটা ঘৃনা নিয়ে বড় হচ্ছে। আমরা সমানাধিকারের কথা বলি - কিন্তু বাসার বুয়া যদি সোফায় বসে টিভি দেখে বা ডাইনিং টেবিলে বসে ভাত খায় - তখন তার অপরাধ ক্ষমাহীন বিবেচনা করি। অফিসের পিয়ন যদি ঠিকমতো ছালাম না দেয় বা রিক্সাওয়ালা যদি বিরক্ত হয়ে কথা বলে তাকে গালি দিতে কুন্ঠিত হইনা।
(৩)
একটা জাতি কোনদিনই সোজা হয়ে দাড়াতে পারবে না - যতক্ষন না দেশের প্রত্যেকটা নাগরিকের নুন্যতম চাহিদাগুলো নিশ্চিত না হবে। রাষ্ট্র একদল মানুষের নিরাপত্তার জন্যে বাহিনী তৈরী করবে - কিন্তু আরেক দলকে অধিকার বঞ্চিত রাখবে - তাহলে একটা বৃত্তের মধ্যেই আটকে থাকবে দেশ। পুলিশকে ২৬০০ টাকা বেতন দিয়ে ১৬০০ টাকার বেতনে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অসন্তোষকে দমনের প্রক্রিয়া বেশি দিন কাজ করবে না। যেমনটা করেনি বিডিআর এর দরিদ্র শ্রেনী থেকে আসা সৈনিকদের উপর রাজকীয় বাহিনীর শাসন চাপিয়ে দিয়ে বিপর্যয় ঠেকানো। সমাজের মুল সমস্যা হলো একদল মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। যতদিন না - প্রতিটি শিশু সমান অধিকার না পাবে - যতদিন না প্রতিটি শিশু সমান শিক্ষার অধিকার না পাবে - যতদিন না প্রতিটি শিশু মানবিক সমাজে বেড়ে উঠার নিম্চয়তা না পাবে - ততদিন আমরা বাংলাদেশ নামক দেশটাকে একটা বৃত্তের ভিতরে ঘুরতেই দেখবো। অধিকার বঞ্চিত শিশুদের একদল অপরাধী হবে - একদল পুলিশের চাকুরী নেবে - দুইদলই একদল আরেকদলের উপর অমানবিক আচরন করবে। আর যতক্ষন না তাদের থাবা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেনীকে নাড়িয়ে না দেবে ততদিন আমরা চুপচাপ থাকবো। এদের বঞ্চনার খবর টিভিতে আসবে না - এরা অগুনতিহারের মরে গেলেও শোকাভিত হবো না।
একটা সুন্দর আর মানবিক দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে দেখতে চাইলে আরো কোন বড় ধরনের বিপর্যয়ের আগেই দেশের প্রতিটি শিশুকে মানুষ হিসাবে বিবেচনা করে তাদের সকলের জন্যে সমানাধিকার নিশ্চিত করা দরকার - এখনই।
(নোট - বাফড়া নিকের আড়ালে থাকা একজন মানুষ বিশেষ আগ্রহ নিয়ে আমার লেখাগুলো পড়ে। তার কথা মনে রেখেই এই পোষ্টটা লেখা হলো। ভাল থাকবেন, বাফড়া)
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জেরী বলেছেন:
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। দু:খিত আপনার মন খারাপ করে দেবার জন্যে।
কৌশিক বলেছেন:
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বাফড়া বলেছেন:
জিনিস টা আগেও ভেবেছি... কিন্তু এই একটা ব্যাপারে আমি খুবই হতাশ.. কারণ শিশুদের ঠিক শিক্ষা দেয়া, সঠিক পরিবেশ দেয়া এইটা ঠিকত দাড়া হতে হতে অন্তত পন্চাশ বছর লাগবে... সিরিয়াসলি শুরু করা হলেও... একটা প্রজেক্ট শুরু করার পর রেজাল্ট আসতে এত দেরি আমার ভাল্লাগে না...আমাদের ছোট শিশু গুলোকে আমরা কিভাবে কি শিখিয়ে বড় করছি কে জানে??? মানুষ হয়তো জানেইনা যে এই সব শিক্ষা কুশিক্ষা যাই সে তার বাচ্চাদের দিক না কেন এইগুলার জন্য সে-ই অ্যাকাউন্টেবল থাকবে??
আজব সিস্টেম, আর আজব মা-বাপ, আর আজব শিক্ষক সম্প্রদায়!!!
৮০০ এর শুভেচ্ছা.... চলতে থাকুক ...
লেখক বলেছেন: বাফড়া,
সমাজে ভাবে কিন্তু কম মানুষ। আসলে কম মানুষেরই ভাবার কথা। যাদের ভাবার কথা তারা না ভেবে একটা স্বল্প খরচে একক শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে দেশকে না এনে নিজেরেদর বংশধরকে শ্রেনী বিভক্ত সমাজের মাথায় বসানোর জন্যে নিজেদের মতো শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরী করে। যা ক্রমে এক শ্রেনীর জন্যে আকাশ কুসুম হয়ে যায়।
যেমন ধরেন - জামাতের নেতারা মাদ্রাসা শিক্ষার পক্ষে কঠিন অবস্থানে আছে। ওরাও জানে সেখানে কুশিক্ষা হয় - তাই নিজেদের ছেলে মেয়ে বাইরে পাঠায় মাদ্রাসা পাশ নির্বোধদের কর্তা হওয়ার জন্যে। এইটা একট উদাহরন মাত্র।
ঠিক তেমনি আমাদের শিক্ষাবিদরাও সাধারন শিক্ষায় নিজেদের বাচআদের না পাঠিয়ে বিশেষ প্রতিষ্টান গড়ে সেখানে নিজেদের ছেলেমেয়েদের পাঠায়।
কিন্তু এর সুদাসল সবাইকে বহন করতে হবে কিন্তু।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
৮০০তম পোস্টের জন্য অভিনন্দন ! আপনারে 'ব্লগের টেণ্ডুলকার, বলা যায় দুর্দান্ত স্কোরের জন্য।
লেখক বলেছেন:
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
খুব ভালো লাগলো লেখাটা ..
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় জিয়া ভাই কে অভিন্দন ৮ম সেঞ্চুরী পোষ্টের জন্য। কিন্তু আপনি মস্ত বড় ভুল করেছেন। ২০০৩ নয় আপনি ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ দেশে এসেছিলেন। আর আপনার সাথে আমার ২০০৫ এর জানুয়ারী তে দেখা হয়। আশা করি তথ্য সংশোধন করবেন। এবারও আপনার সাথে দেখা করার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদ।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
৮০০তম পোষ্টঃ কিছু আবোল-তাবোল কথাআপ্নেও???
আম্রা আবোলতাবোল কৈ ... আপ্নে কন ক্যান?
মেলা অভিনন্দন
কিরম আছেন
তর্পন বলেছেন:
+
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
৮০০তম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। আপনার এই লেখায় এই সমাজের অনেক গভীর রোগব্যাধীর কথা উঠে এসেছে সুন্দরভাবে।
এই ধরনের রোগটা এই সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে আছে।
যেই ছেলে আজ থাপ্পড় আর লাথি খেয়ে বড় হচ্ছে,সেই পরে মস্তবড় সন্ত্রসী
হবে, এইটা আমরা ভুলে যাই।
লেখক বলেছেন: সেইটাই - আপনাকে ধন্যবাদ।
অন্যরকম বলেছেন:
জটিল পওস্ট বস....... অভিনন্দন
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
অভিনন্দন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
লেখাটা ভাল লাগলো, মনও খারাপ হল।কত কিছুই আমরা ভাবি, কিন্তু করি না কিছুই!
৮০০তম পোষ্টের অভিনন্দন।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
না পড়ার আগে ভাবলাম, পড়ার পর বলবো "এত্তো বড় লেখা পড়লাম, ধন্যবাদ দেন"। কিন্তু পড়ে শেষ করার পর চিন্তাভাবনা বদলে গেলো, মনে একটু তোলপাড়.. এ কিছু নয়, কালই আবার ফুরফুরে হয়ে যাবো। এই মন খারাপটাতেই আমার দৌড়, কোনো দ্রোহের মন্ত্রে ঝাঁপিয়ে পড়বো না। কোনো পদক্ষেপ নেয়ার অধিকার বা সাহস আমার নেই। আসলে তেমন কিছু করার মুরোদ নেই। শুধু বলতে পারি, ওদের দুঃখে আমি কষ্ট পাই। খুব পাই। রিক্সা চালানো কী যে কঠিন কাজ, তা যে চালায় সেই জানে। ঘরের সবক'টা কাজ যে করে দেয়, তার কতো কষ্ট সেই জানে...আর আমি বাহবা দিই, বলি অনেক ভালো লাগলো লেখা...
আর এমন লাইন লিখলে তো +++++ দিয়ে যাই...
দুর্ভাগ্য - এতো শুধু কাজীর গরু মাত্র - কিতাবে আছে - গোয়ালে নেই।
এই-তো আর কিছু না।
মাহাফুজ বলেছেন:
ভাল লাগল । অভিনন্দন ৮০০তম পোস্টের জন্য
++++++++++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কঁাকন বলেছেন:
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইউনুস খান বলেছেন:
একদিকে অভিনন্দন জানানোর কামনা অন্যদিকে চোখে শিশুদের দুর্দশা....................অভিনন্দনই দিলাম আগে।
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত..................।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
৮০০ তম পোষ্টের জন্য অভিনন্দন আপনার বলা ঘটনাগুলোর মত অনেক ঘটনা আমাদের সবার জীবনেই আছে, আপনি সুন্দর করে বললেন, আমার নিজের কথাগুলিও মনে পরে গেলো। এইসব বলার চাইতে তাই সবার উদ্দ্যেশ্যে একটা কথাই বলি - অনৈতিকতা আর অত্যাচার দেখলে প্রতিবাদ করুন, চোখ ফিরিয়ে নেবেননা। হয়তো সর্বক্ষেত্রে প্রতিবাদে কাজ হবেনা, যেটুকু হবে, তাই বা কম কিসে? Only One Man Can Make a Change ...
যথারিতি ... অনেক সুন্দর পোষ্ট, ভাল থাকুন।
আবুল বাহার বলেছেন:
আসলে আমরা হয়তো ভাবি শিশুদের কথা ......তবে সেটা লোক দেখানো , শিশুদিবস আসে আমরা নীতি ক্থা বলি, সেমিনার করি সিম্পোজিয়াম করি , মিডিয়ায় কভারেজ পাই , দশ জনে দেখে বাহাবা দেয় । কিন্ত মন থেকে চাই গরীবের ঐ ছেলেটাই আমার ছেলের স্কুলের ব্যাগ টেনে নিয়ে যাক । বুয়ার ছেলেটা না দেখুক আমরা ছেলে মেয়েটা কি কায় ...........
আড় ভাবতে পারছিনা ......
কবে যে শেষ হবে এই বৈষম্যের ।
লেখাটা অনেক বড় হলেও পড়তে শুরু করে শেষ না করে পারিনি ।
৮০০ তম পোষ্টের শুভেচ্ছা ।
দেশে কবে যাচ্ছেন ?
লেখক বলেছেন: আসলেই লেখাটা বড় হয়েছে। পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
দেশে যাবার সময় ঠিক করতে পারিনি।
"ফকিন্নীর পোলা"দের নিয়ে লেখা পোস্টটিকে স্টিকি করার দাবী জানানোটা কি আবার ধৃষ্টতা হবে নাকি?
তাও স্টিকি করার আহবান জানাই।
লেখক বলেছেন:
রাশেদ বলেছেন:
৮০০ পোস্টের অভিনন্দন বড় ভাই।
নরাধম বলেছেন:
অভিনন্দন ভাইজান। পোস্ট পইড়া মনটাই খারাপ হয়ে গেল।
রোবোট বলেছেন:
এটা মিস করলাম কেমন করে। কোন ছাগলের এ পোস্ট ভালো লাগে নাই?
লেখক বলেছেন: মাইনাস আসছে বাই ডিফল্ড - এরা আমার নামের উপর মাইনাস দেয়
পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
অভিনন্দন
ফেরারী পাখি বলেছেন:
সত্যি এটিও আমার কাছে দেখা একটি সেরা লেখা। কতবার যে শিশুদের নিয়ে লিখতে চেয়েছি------------তারপরই মনে হয়েছে, কি হবে এসব লিখে? কে পড়বে? কে বলবে ওদের অধিকার আদায়ের কথা?
আর আপনি এত হৃদয়স্পর্শী করে লিখলেন যাতে মনটা ভারাক্রান্ত হল।
আর আপনার ৮০০তম পোষ্টের জন্য অভিনন্দন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















