somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কুৎসিত দৃশ্যগুলো দেখার আগেই টিভির চ্যানেলটা ঘুরিয়ে দেই।
তারপর এলো ১/১১। যদিও জানতাম সামরিক সরকার - তারপরও কৌতুহলী হয়ে উঠে। নিয়মিত টিভির খবর দেখা শুরু করি। বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সান পড়া শুরু করি। কিছুটা আশার আলো দেখি। হয়তো আইনের শাসন চালু হবে - হয়তো চেপে বসা দূর্নীতির পাহাড়ের নীচ থেকে মুক্তি পাবে ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের ভুখন্ডটি। যেই দেশটার মুক্তির জন্যে জীবন দিয়েছে ত্রিশ লক্ষ মানুষ - সেই ভুখন্ডটি কেন অন্ধকারের দিকে হাঁটবে - আলোকিত পথের যাবার জন্যে কি করেনি সেই দেশের সাধারন মানুষ।

কিন্তু ধীরে ধীরে হতাশ হয়ে যাচ্ছি। দেশে আবার শুরু হয়ে মন্দের প্রতিযোগীতা। এখন প্রমান করতে হবে কে কার চেয়ে বড় শয়তান। আমরা "ভাল" না বলে এখন বলা হবে "তুমি খারাপ" - আর জনগন বিতর্কে মশগুল হবে - কে কম খারাপ আর বেশী খারাপ তা প্রমান করতে। বিগত দেড় বছরে মানুষ জানলো কত বড় বড় দূর্নীতির সাথে জড়িত রাজনৈতিক দলগুলো শীর্ষ নেতারা। কিন্তু কোথায় তাদের আত্নগ্লানী - কোথা তাদের আত্নজিজ্ঞাসা! এখন বরঞ্চ চোর পুলিশকে দৌড়াবে। সৎ মানুষরা লজ্জায় মুখ লুকাবে অসৎদের দাপটে।

দলে দলে জেল থেকে বেড়িয়ে আসছে দূর্নীতিবাজরা। এরা রাজনীতিতে বংবেরঙএর পোষাক পড়ে - মিউজিক্যাল চেয়ার খেলে সব সময়ই দই-মাখনটা খেয়েছে আবারও খাবে। এর সাথে সাথে হয়তো দেখবো ৩রা নভেম্বর আর ১৫ই আগস্টের জল্লাদরা খন্ডিত বিচারের ফাঁক ফোকর দিয়ে বেড়িয়ে এসে দাঁতাল হাসি ছুড়ে দেবে সমাজের দিকে। অসহায় বিবেক বসে বসে হিসাব মেলাবে - মূল্যবোধের অবক্ষয়ের নিম্নসীমানাটা কোথায়!

এই জঘন্য দৃশ্যগুলো টিভিতে দেখানো হয়। সংবাদপাঠক আর সংবাদদাতা তাজিমের সাথে উচ্চারন করে - আজ কতজন ভিআইপি বন্দির জামিন হলো। অপরাধীদেরও ভিআইপি মর্যাদা আছে তাহলে! অপরাধীরা সমাজের বা দেশের কতটুকু ক্ষতি করলে তাকে ভিআইপি অপরাধী বলা হয় - তা যদিও পরিষ্কার না তবে ধারনা করি - দেশের সম্পদের শতকোটি লুটপাট করলে এরা ভিআইপি মর্যাদা পাওয় যায়। দেশের সম্পদলুট করে বিদেশে বিনিয়োগ আর ছেলেমেয়ের জন্যে নিশ্চিত ভবিষ্যত তৈরী করে যারা দেশটাকে দূর্নীতির শীর্ষ সূচকে পৌছে দিয়েছে - এরা ভিআইপি বটে!

টিভিতে ইদানিং দেখানো সবচেয়ে কুৎতিস দৃশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চাঁদাবাজ রাজাকার, টেন্ডারবাজ ছাত্রনেতা আর শেয়ারমার্কেটের বড় চোরের গলায় মালাসহ জেলগেটে সমর্থক পরিবেষ্টিত হয়ে সহাস্য ছবি। এরা শুধু জামিন পেয়েই বিজয়ী হাসি হাসছে - কারন এরা জানে আইনকে কিভাবে নিজেদের পকেটে ঢুকাতে হয়।

অচিরেই হয়তো দেখবো - বিগত সরকারের আমলে সমান্তরাল সরকার চালানোর জন্যে প্রতিষ্ঠিত হাওয়া ভবনের যু্বরাজ কোরবানীর গরুর মতো ফুলের মালা গলায় দিয়ে জেল থেকে বেড়িয়ে আসছ একদল মানুষরুপী দুইপায়ে দাড়ানো ভেড়া একই সুরে চিৎকার করছে। এই নোংরা দৃশ্যটা বোধহয় সহ্য করা কঠিন। তাই এখন এখন টিভি দেখার সময় রিমোট কন্ট্রোলটা হাতের কাছে রাখি - প্রয়োজনে দ্রুত চ্যানেল বদলানো যায়।

কথ হলো আমি না হয় নিজের রক্তচাপ ঠিক রাখার জন্যে চ্যানেল বদলালাম - কিন্তু আমার অসহায় জন্মভুমিটা এতো অনাচার সইবে কিভাবে? এই কথা ভাবতেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে আসে বুকের গভীর থেকে - আর মুখে বলি "ঈশ্বর বাংলাদেশকে রক্ষা করুন"।


ছবিঃ দূর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এই ধর্মব্যাপরী জামিন পেয়ে 'ভি' চিহ্ন দেখাচ্ছে - এর অথ কি? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28836108 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28836108 2008-08-28 22:48:59
মাননীয় বাংলাদেশ সরকার, একটা বিনীত প্রার্থনা, আমার দোস্তরে জেলে ঢুকান!
জানতে পারলাম, সবাই মোটামুটি গুছিয়ে নিয়েছে। ঢাকায় ৩০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার এপার্টমেন্ট থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ী আর ছেলেমেয়েরা উচ্চবেতনের স্কুলে পড়ছে। এক কথায় একদম ফিলিপস বাতির মতো ফকফকা ভবিষ্যৎ। দেখে শুনে খুশী হওয়ার চেয়ে হতাশই হলাম বেশী। জানতাম এরা সবাই টেবিলের নীচ দিয়ে টু-পাইস কামায় বটে - কিন্তু পুকুর চুরির কথা কল্পনাও করিনি।

অবশেষে টার্গেট করলাম এক বন্ধুকে। যে ছাত্র জীবনে আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতি করতো আর পাশ করার পর কখনও ঢাকায় থাকেনি জীবন যাত্রার ব্যয় বেশী বলে। ওর যুক্তি ছিল মফস্বলে থাকবো - স্বল্প আয়ে সৎ থাকা যাবে। বন্ধুকে ফোন করে ঢাকায় আসতে বললাম। দেখা হবার পর উপলদ্ধি করলাম - পঞ্জিকার অনেক পাতাই নাই হয়ে গেছে - গঙ্গা যমুনায় কোটি কোটি লিটার পানি গড়িয়ে গেছে - বন্ধু আমার ঝাঁকে মিশে গেছে। ওর সম্পদের বর্ননায় বললো - মফস্বল শহর আর সাভারে জমি কিনেছে যার বাজার মূল্য দেড় কোটি টাকা। তবে বন্ধু আমার অবশ্যই ঢাকার বিষয়ে নমনীয় হয়নি - ফলে ঢাকায় ফ্লাট কিনেনি।

নীচু গলায় জানতে চাইলাম - ব্যাংকে কি কিছু রেখেছো - নাকি সবই জমি কিনে ফেলেছো।

বন্ধু হেসে বললো - পাগল নাকি, এফডিআর না থাকলে বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ কি হবে।

এফডিআর এর যে হিসাব দিলো তা ওর চাকুরী জীবনের সব বেতন যোগ করলেও সমান হবে না। তখন নাসিরউদ্দিন হোজ্জার মতো জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা করছিলো - বিড়ালের ওজন যদি ১ কিলো হয় কবে মাংস গেল কই? কিন্তু শত হলেও বন্ধু - অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি ওর সাথে - তাই মনে কষ্ট দিতে চাইনি।

যে বন্ধুর বাসায় বসে আড্ডা হচ্ছিলো - ওর বাসাটার দাম ৬০ লক্ষ টাকা (অবশ্য ছোট ভাই একমত নয় - ওর মতে অনেক বেশী, কারন ফিটিংসগুলো সবই বাইরের থেকে আনা)। ছোট ভাই সাথে ছিলো - ওর অনুরোধে বাথরুমে গিয়ে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। এই টুকু জীবনে ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দামী হোটেলে থাকার সুযোগ হয়েছে - কিন্তু বন্ধুর বাথরুমটা দেখে চমকে যেতে হয়েছে। ওতো চকচক আর সোনালী-সাদার ছটা - চোখ ঝলসে দেয়। আর ফিটিংসগুলো বলাই বাহুল্য প্রচুর দামী। ছাত্রজীবনে ওর বাড়ীতে অনেকবার গেছি - ছালার চটের আড়াল দেওয়া চাকের টয়লেট আর পুকুরের পাড়ে তালগাছের কান্ড দিয়ে বানানো গোছলখানা। মাথার ভিতর একটা প্রশ্ন ঘুরতে লাগলো - এক প্রজন্মেই এতো!

অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে সামলাতে না পেরে বলেই ফেললাম - এই সব কি খুবই দরকার তোমার?

বন্ধু মুখ কালো করে বললো - আরে, বাচ্চার মামারা সব দিয়েছে।

ঘটনাচক্রে আমি যে ওর বাচ্চার মামা - যিনি গার্মেন্সের একাউন্টেট তাকে চিনি - ও হয়তো তা ভুলে গেছিলো।

(২)

যাই হোক - বন্ধুদের সীমাহীন দূর্নীতি আর বিলাসী জীবন দেখে চরম হতাশ হয়ে যখন দেশের সফর শেষ করছি - তখন ছোটভাই বললো - আরে তুই তো আসল জনকেই দেখলি না।

সেই আসলজন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতির সূত্রে বন্ধু - দোস্ত দোস্ত করতাম। তেমন কোন ঘনিষ্টতা ছিলো না। ও একটা ব্যাংকে চাকরী করে আর মগবাজারের কাছে বাসা - দুইটা কন্যা সন্তানের জনক - এই পর্যণ্ত জানতাম।

ছোটভাইএর বদৌলতে ওর মোবাইল নাম্বার পেয়ে ফোন করতেই দোস্ত হৈ চৈ শুরু করলো। কতদিন আছি - কি কি প্র্রোগ্রাম ইত্যাদি জানার পর বললো - বন্ধু আমি ছুটি নিচ্ছি - তোমার সাথে দুইদিন ঘুরে বেড়াবো। বলা দরকার যে আমার অন্যান্য বন্ধুরা এতো ব্যস্ত ছিলো যে - এক জনের সাথে দেখা করতে গিয়ে তিন ঘন্টা অফিসে অপেক্ষার পর চলে আসতে হয়েছিলো। ওদের আমিও একরকম দৌড়ে ধরেছি। আর এই দোস্ত বলে কি? দুই দিন ছুটি নেবে আমা জন্যে। ও নাছোড় বান্দা। বললৌ - দেখ, তোমরা কতদুর থেকে কতদিন পর আসো, আর আমি তোমার জন্যে দুইনি ব্যয় না করলে পরে হয়তো দেশেই আসতে চাইবে না। এইটা একটা সত্য কথা - দেশে যাই দেশের মানুষের সাথে সময় কাটানোর জন্যে জন্যে - তা না হলে হাজার হাজার ডলার খরচ করে দেশে যেতে চাইতো কে?

যাই হোক, পরের দিন বসুন্ধরা সিটি সেন্টারের দোস্তের সাথে দেখা। নানান আলাপের পর ওর কথা জানতে চাইলাম। ও যা বললো - শুনে আবার হতবাক হলাম। ও বললো - বন্ধু, বাসা ভাড়া বেশী বলে পুরানো ঢাকায় চলে গেছি - তা ছাড়া গিন্নি একটা চাকুরী যোগার করেছে। কোন ভাবে দিনকাল চলে যাচ্ছে। এই বেতনে এর চেয়ে বেশী কি আশা করি। যদি দিন বদলায় - তখন হয়তো ভাল থাকবো।

জানতে চাইলাম - অন্যান্য বন্ধুদের কথা - ওদের মতো হচ্ছে না কেন?

উত্তরে ও বললো - ওরা কেমনে যে কি করে দোস্ত, জানি না। যখন কথা গুলো বলছিলো - ওর মুখের দিকে ভাল করে তাকিয়ে দেখেছে - শিশুশুলভ কৌতুলে চোখদুটো জ্বলছে - আসলে সমাজের পিচ্ছিল পথগুলোর হদিস পায়নি বন্ধু আমার।

পরে ছোটভাইও একই কথা বললো। ওর কর্মস্থলে সবাই ওকে সযত্নে এড়িয়ে চলে - আর ঘুষ কি বিষয় তা উনাকে বুঝানোর মতো মানুষ হয়তো পৃথিবীতে জন্মায়ইনি।

(২)

এই সরকার যখন ক্ষমতায় এলো তখন আমার বন্ধুদের কথা ভেবেছি। ভেবেছি হয়তো এরা ভয়ে ঠিকমতো ঘুম-খাওয়া ছেড়েই দিয়েছে। ওদের সাথে ফোনে কথা হয়েছে - ওরা মহা বিরক্ত এই সরকারে উপর - রোজা আর কতদিন রাখা যায়।

ধীরে ধীরে দিন বদলাচ্ছে। দূর্নীতিবাজরা আবার স্বমূর্তিতে ফিরে আসছে। এক চরম দূর্নীতিবাজের বাথরুমে পড়ে মাথা ফাটার অপরাধে নিরাপরাধ মানুষ মরছে। হাইকোর্টের বিচারপতিগস তাদের প্রভুদের ঋণ শোধ করছে দিনে ডজন ডজন দূর্নীতিবাজকে জামিন দিয়ে। নিজামী বাসায় বসেই হাইকোর্ট থেকে জামিন পাচ্ছে। এখন দূর্নীতিবাজরা সরকারকে হুমকী দিচ্ছে। এতে নিশ্চয় আমার বন্ধুরা খুশী। আবার ওরা শুরু করতে পারবে ওদের বেহেস্তি জীবন।

কিনউত আমি চিন্তিত হচ্ছি আমার দোস্তটার জন্যে - যখন সকল দূর্নীতির হোতারা আবার স্বমূর্তিতে আর্বিভূত হয়ে বাংলাদেশকে দূর্নীতির র্শীর্ষে পাঠানোর মহান ব্রতে নেমে পড়বে - তখন আমার দোস্তের কি হবে!

তাই সরকার বাহাদুরের কাছে অনুরোধ - আমার দোস্তকে নিরাপদ হেফাজতে নিন। দূর্নীতিবাজ - মহাচোরদের বেড়িয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হয়ে যাওয়া জেলের ভিতরে সুরক্ষিত করুন। আগামী প্রজন্মের জন্যে উহাহরন হিসাবে এই বিরল প্রজাতির প্রানীগুলোকে নিশ্চিহ্ন হওয়া থেকে রক্ষার করার মহান দায়িত্ব পালন করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28835397 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28835397 2008-08-27 00:45:13
তারেকের বাথরুমে পড়ে যাওয়া আর একজন নিরাপরাধ মানুষের মৃত্যু - একটা প্রশ্নের মিমাংসার আশায়।
এই খবরটি যখন পড়ছিলাম তখন পুরানো একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অভি-নীরু-বাবলুর রাজত্ব। খালেদা জিয়া তখন প্রচন্ড পরিশ্রমঅ নেত্রী। ছাত্রদলের উপর ভর করে বিএনপি ধীর ধীরে দাড়াচ্ছে।

একদিন সন্ধ্যায় প্রচন্ড বিস্ফোরনে কেঁপে উঠলো পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। হৈ চৈ শুরু হলো। পরে জানা গেল মহসিন হলের চারতলায় বিস্ফোরনের ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা মারা গেছে।

শুরু হলো রাজনীতি। প্রথমে আসলো সরকারের নাম। তখন স্বৈরাচারী এরশাদ ক্ষমতায়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার কোন প্রভাব নেই - তাই সেই থিয়োরী চললো না। পরে ছাত্রলীগের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা হলো। তাও কাজ করলো না - কারন তখন মুহসিন হল ছাত্রদলের দূর্গম ঘাঁটি - সেখানে কেউ বোমা বসাবে ভাবাই যায় না। পরে জানা গেছে যে নিজেদের বোমায় এরা মারা গেছে। এর মধ্যে বাবলু নামের সন্ত্রাসীটাই ছিলো অন্যতম - যে খালেদা জিয়া খুবই প্রিয়ভাজন ছিলো বটে।

কিন্তু যে ঘটনাটা আমার মনে ভীষন ভাবে প্রভাব ফেলেছিলো তা হলো ছাত্রদলে নেতাদের কর্মকান্ড। সন্ধ্যায় কয়েকজন মধ্যসারির ছাত্রদল নেতা - আমানুল্লাহ আর ফজলুল হক মিলন ছিলো তাদের মধ্যে। এরা এসে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি হলের সামনে সমবেত ছাত্রদের বললো - এখনউ পলাশীর মোড়ে গিয়ে বাস ট্রাক যা পাওয়া যায় তাই জ্বালিয়ে দিতে হবে। যতটুকু মনে পড়ে ওরা সমবেত সবাইকে নিজেদের কর্মী ভেবেছিলো।

আমি একটু আগ বাড়িয়ে জানতে চাইলাম - বাস-ট্রাকের দোষ কি? ওদের কেন জ্বলতে হবে।

আমান খুবই উত্তেজিত হয়ে উত্তর দিলো - তুমি রাজনীতি বুঝ? তাওয়া গরম থাকতেই রুটি ভাজতে হয়।

আশে পাশের লোকজনের তাকানো আর উত্তেজিত বাক্যর আড়ালো আমার পরবর্তী প্রশ্ন হারিয়ে গেল।

আজ প্রথমটা মনের ভিতরে ঘুরপাক খাচ্ছে, আমানের বর্ণিত "তাওয়া"ই বা কোনটা আর "রুটি" বা কে? আমি হয়তো সেই রাজনীতি বুঝিনি যাতে তাওয়া গরম করে জনগনকে কিভাবে ভাজতে হয় তা শিখানো হয়।

তাইলে কি আজকের নিহত জাহাঙ্গীর আলমই রুটি - যাকে সেঁকার কথাই বলেছিলো সেই দিনের ছাত্রনেতারা।

(ছবি - বিডি নিউজের সৌজন্যে) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28834957 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28834957 2008-08-25 23:38:43
একটা সফটওয়্যারের প্রচার দেখে মনে পড়া কৌতুক!
অপারেশনের পর লোকটি যখন বাসায় ফিরে এলো তখন সে শুধু হিক্কারই না - তোতলামিও শুরু করেছে। এখন হিক্কারের সাথে সাথে তোতলামি যুক্ত হয়ে শুরু হলো মহা বিপদ। একটা শব্দ বলতেই কয়েক ঘন্টা পেড়িয়ে যায়।

আত্নীয় স্বজন খোঁজ নিয়ে জানতে পারলো - যে ডাক্তার তার অপারেশ করেছে - সে প্রচন্ত তোতলামিতে আক্রান্ত।

---

একজন ব্লগার একটা "স্পেলচেকার" বা "বানান" শুদ্ধিকরনের জন্যে উনার নিজের ওয়েব সাইটে যেতে বলেছে। তা বুকমার্ক করে ব্যবহার করতে হবে। ঘটনা হলো যে লেখাটায় এই বানান শুদ্ধির তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতেও বানান ভুল। পরীক্ষাকে লিখেছেন "পরিক্ষা"।

এখন বলুন যে নিজের লেখার বানান চেক করে তা অন্যদের ব্যবহার করতে বলছেন - তারই যদি এই অবস্থা হয় - তবে আমাদের মত আমজনতার সেই টুল ব্যবহার করে বাসান শুদ্ধি করলে কি দশা হবে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28834636 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28834636 2008-08-25 09:41:36
গাই বাছুরে মিল হলে গৃহস্থ বিপদে পড়ে।

এর আগে ১৪ জুলাই একই বেঞ্চ তাকে দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আদেশ দেন। আজ ২৪ এ আগস্ট। নতুন জামিন শুরু হতে আরো বিশ দিন বাকী। এদিকে সরকারের দিক থেকে এই জামিনের বিরুদ্ধে আপীল করার কোন গরজ দেখা যায় নি।

ঘটনা কি? জামাত কি আসলেই দেশের বিচার বিভাগকে কিনে ফেলেছে। এই দুই বিচারপতি দেখছি মেশিনের মতো জোট সরকারের চোর-ডাকাত-লুটেরাদের জামিন দিয়ে দিচ্ছে।

আসলে জামাতি গাই আর তাদের তাবেদার বিচারপতি বাছুরগুলা যেভাবে এক হয়ে গেছে - এখানে আইন আর জনগন সত্যই অসহায়। এরা যে কত দুর যাবে - আল্লাহই জানেন।

সৃষ্টিকর্তা বাংলাদেশের মঙ্গল করুন। আমিন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28834217 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28834217 2008-08-24 06:29:56
একজন ধর্মব্যবসায়ী ও যুদ্ধাপরাধীর নাম - দেলোয়ার হেসেন সাইদী
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তার এলাকায় অপর চারজন সহযোগী নিয়ে 'পাঁচ তহবিল' নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন, যাদের প্রধান কাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী বাঙালি হিন্দুদের বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল করা এবং তাদের সম্পত্তি লুণ্ঠন করা। লুণ্ঠনকৃত এ সমস্ত সম্পদকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী 'গনিমতের মাল' আখ্যায়িত করে নিজে ভোগ করতেন এবং পাড়ের হাট বন্দরে এসব বিক্রি করে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

পাড়ের হাট ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিয়ন কমান্ডের মিজান তালুকদার একাত্তরে সাঈদীর তৎপরতার কথা উলেখ করে জানিয়েছেন- দেলোয়ার হোসেন সাঈদী স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় লিপ্ত ছিলেন। তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে পাড়ের হাট বন্দরের হিন্দু সমপ্রদায়ের ঘরবাড়ি লুট করেছেন ও নিজে মাথায় বহন করেছেন এবং মদন নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীর বাজারের দোকানঘর ভেঙে তার নিজ বাড়ি নিয়ে গেছেন। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেব বাজারের বিভিন্ন মনোহারি ও মুদি দোকান লুট করে লঞ্চঘাটে দোকান দিয়েছিলেন।

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর অপকর্ম ও দেশদ্রোহিতার কথা এলাকায় হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিম আজো ভুলতে পারেনি। (মাসিক নিপুণ, আগস্ট 1987)। এছাড়াও মিজান তালুকদার বলেন, একাত্তর সালের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার বড়ো ভাই আব্দুল মানড়বান তালুকদারকে ধরে পাড়ের হাটে পিস কমিটির অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আব্দুল মানড়বান তালুকদারের ওপর সাঈদী পাশবিক নির্যাতন করে এবং তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা মিজান তালুকদার কোথায় আছে জানতে চায় ও তার সন্ধান দিতে বলে।

গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা পিরোজপুরের এডভোকেট আলী হায়দার খানও সাঈদীর বির"দ্ধে অনুরূপ অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাঈদীর সহযোগিতায় তাদের এলাকার হিমাংশু বাবুর ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করা হয়েছে। পিরোজপুরের মেধাবী ছাত্র গণপতি হালদারকেও সাঈদী ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তৎকালীন মহকুমা এসডিপিও ফয়জুর রহমান আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত এসডিও আবদুর রাজ্জাক এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান, স্কুল হেডমাস্টার আব্দুল গাফফার মিয়া, সমাজসেবী শামসুল হক ফরাজী, অতুল কর্মকার প্রমুখ সরকারি কর্মকর্তা ও বুদ্ধিজীবীদের সাঈদীর প্রত্য সহযোগিতায় হত্যা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তথ্য সরবরাহকারী ভগীরথীকে তার নির্দেশেই মোটরসাইকেলের পিছনে বেঁধে পাঁচ মাইল পথ টেনে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পাড়ের হাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন খান জানিয়েছেন, সাঈদীর পরামর্শ পরিকল্পনা এবং প্রণীত তালিকা অুনযায়ী এলাকার বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রদের পাইকারি হারে নিধন করা হয়। পাড়ের হাটের আনোয়ার হোসেন, আবু মিয়া, নূর"ল ইসলাম খান, বেনীমাধব সাহা, বিপদ সাহা, মদন সাহা প্রমুখের বসতবাড়ি, গদিঘর, সম্পত্তি এই দেলোয়ার হোসেন সাঈদী লুট করে নেন বলে তিনি গণতদন্ত কমিশনকে জানিয়েছেন। পাড়ের হাট বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমীন নবীন জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদী এবং তার সহযোগীরা পিরোজপুরের নিখিল পালের বাড়ি তুলে এনে পাড়ের হাট জামে মসজিদের গনিমতের মাল হিসেবে ব্যবহার করে। মদন বাবুর বাড়ি উঠিয়ে নিয়ে সাঈদী তার শ্বশুর বাড়িতে স্থাপন করেন। রুহুল আমীন জানান, 1971 সালের জুন মাসের শেষের দিকে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রেশন সংগ্রহ করতে পাড়ের হাটে গেলে দেখেন স্থানীয় শান্তিকমিটি ও রাজাকারদের নেতৃত্বে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর 60-70 জনের একটি দল পাড়ের হাট বন্দরে লুটপাট করছিল। পিরোজপুরের শান্তি কমিটি ও রাজাকার নেতাদের মধ্যে সেদিন পাকিস্তানি সেনা দলটির নেতৃত্বদিয়েছিলেন দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, সেকান্দার শিকদার, মওলানা মোসলেহ উদ্দিন, দানেশ মোলা প্রমুখ। এ ছাড়াও সাঈদীকে একটি ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন রুহুল আমীন।

রুহুল আমীন নবীন আরো জানান, সাইদী এবং তার সহযোগীরা তদানীন্তন ইপিআর সুবেদার আব্দুল আজিজ, পাড়ের হাট বন্দরের কৃষ্ণকান্ত সাহা, বাণীকান্ত সিকদার, তরুণীকান্ত সিকদার এবং আরো অনেককে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন। হরি সাধু এবং বিপদ সাহার মেয়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। বিখ্যাত তালুকদার বাড়িতে লুটতরাজ করেছেন। ওই বাড়ি থেকে 20-25 জন মহিলাকে ধরে এনে পাকসেনাদের ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদের পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শহীদের পুত্র কথাশিল্পী মুহম্মদ জাফর ইকবাল জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সহযোগিতায় ফয়জুর রহমান আহমেদকে পাকিস্তানি সৈন্যরা হত্যা করে এবং হত্যার পরদিন সাঈদীর বাহিনী পিরোজপুরের ফয়জুর রহমান আহমেদের বাড়ি সম্পূর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। (তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র)"

নোট - বিশেষ বিবেচনায় পুনঃপোস্ট করা হলো।

(কৃতজ্ঞতাঃ আড্ডাবাজ)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28833768 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28833768 2008-08-22 23:44:51
এই বোমাবাজির সংস্কৃতি চালু করেছে মৌলবাদী - জামাত শিবির
এরা ধর্মের নামে নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করে তাদের মনোজৈবিক লালসা মিটায়।

এরা বোমা বাজী করার পর "আল্লাহু আকবর" ধ্বনি দেয়।

এই সংস্কৃতি শুরু হয়েছে এই উপ মহাদেশে মওদুদী বাদের বিস্তারের পর পরই।

রগ কাটা থেকে শুরু করে বোমা মেরে বিচারক হত্যা করা- এই পৈশাচিক আনন্দে বিভোর এই মৌলবাদী চক্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে রুখে দাড়াতে হবে।

এদের চেলা চামুন্ডাসহ বঙ্গোপসাগরে বিসর্জন না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ রিরাপদ হবে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28833502 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28833502 2008-08-22 07:54:13
২১শে আগষ্টের নারকীয় হামলা - কিছু অমিমাংসিত প্রশ্ন...
আজ চার বছর হতে চললো। সেই হামলার পর বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী যিনি হাওয়া ভবনের লোক হিসাবে পরিচিত ছিলেন - তার করিতকর্মা পদক্ষেপে মামলাকে যথাযথ ভাবে বিপথে পাঠানো হয়েছে। একজন হিরোইন সেবীকে দিয়ে একটা মিথ্যা মামলা দাড়া করা হয়েছিলো। অনেক নিরিহ মানুষকে অপদস্থও করা হয়েছে েই মামলার নামে। মোট কথা সরকারের সক্রিয় প্রচেষ্টায় যাতে সত্য না বেড়িয়ে আসতে পারে তা পরিপূর্ন ভাবে লক্ষ্য রাখা হয়েছিলো।

আজ কোর্ট একটা মামলা চলছে। সেখানে সাবেক বিএনপি সরকারের মন্ত্রী আসামী।

মামলার চার্জসিট থেকে যা জানা যায় - তাতে দেখা গেছে এই হামলার মোটিভ আর গ্রেনেডের উৎসের বিষয়টা অন্ধকারে রাখা হয়েছে। এই দুইটি বিষয়ে তথ্য না জানা গেলে হয়তো প্রকৃত অপরাধীরা নিরাপদে থাকতে আর ভবিষ্যতেও এই ধরনের ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে।

যে প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা দরকার -

১) এই হামলার মুল পরিকল্পনাকারী কে বা কারা।
২) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মামলাকে ভিন্ন খাতে পাঠানোর জন্যে কেন এবং কার নির্দেশে কাজ করেছে ( মন্ত্রী অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করে)
৩) হামলায় ব্যবহৃত আর্জেজ গ্রেনেড যা অস্ট্রেলিয়ায় তৈরী তা কোনভাবেই মুফতি হান্নানের মতো জংগীদের হাতে আসার কথা না - কে কোথা থেকে এই গ্রেনেড গুলো দিলো।
৪) একজন প্রতিমন্ত্রীর বাসায় বসে এই হামলার পরিকল্পনা হয়েছে - সেই প্রতিমন্ত্রী কার নির্দেশে এই কাজ করেছে।
৫) বিগত সরকার কেন এই মামলাকে ভিন্নখাকে পাঠালো, এই কাজ করতে যে সকল সরকারী কর্মকর্তা আর কর্মচারী জড়িত ছিলো এরা কোথা থেকে নির্দেশ পেল।

আসল ঘটনা গোপন রেখে যখন শুধু হামলাকারী জঙ্গীদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হবে - তখন হামলার পরিকল্পনাকারীরা নিরাপদ হয়ে যাবে।

তাইলে প্রশ্ন আসে - এই সরকারের মধ্যে কি এখন কোন গোষ্ঠী লুকিয়ে কাজ করছে যারা প্রকৃত হামলার পরিকল্পনাকারীদের নিরাপদ করতে চায়?

যতদিন পর্যন্ত না সরকারী সংস্থার কাজ স্বচ্ছ না হচ্ছে - যতদিন পর্যণ্ত আইন নিজস্ব গতিতে না চলতে পারছে - যতদিন পর্যন্ত ৭১ আর ৭৫ এর অপরাধীরা নিরাপদে দেশের ভিতরে থেকে আইনের গতিতে বাধাগ্রস্থ করছে - ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক শাসন আর নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্টার সোনার হরিণটা অধরাই থাকবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28832981 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28832981 2008-08-21 00:38:18
ব্যরিষ্টার তানিয়া আমির ও ব্লগের প্রপাগান্ডা
বাইতুল মোকাররম মসজিদকে ঘিরে ধরেই তো শিবির আর জামাত তাদের কর্মকান্ড চালায়। পুলিশের তাড়া খেয়ে সমজিদের ঢুকে পড়ে তারপর সেখান থেকে পুলিশকে আক্রমন করে।

কি পরিবেশে আর কেন তানিয়া উনার বক্তব্য রেখেছে তা পুরোপুরি না জেনে মন্তব্য করা ঠিক না।

তবে ব্লগে অতি উৎসাহী ইসলামপন্থীদের মিথ্যাচারের নমুনা দেখলে মত্যই লজ্জা হয়।

একজন বলছেন - তানিয়া 'র' এর টাকা নিয়ে ফ্রান্সে গিয়ে ছিলো। উনি এই তথ্য কোথায় পেলেন।

ইসলামের সামান্যতম অনুশাসন না মেনে কিভাবে ধর্মান্ধ হওয়া যায় তার নমুনা দেখুন। শুধু দরকার ভারত বিরোধীতা আর আওয়ামী বিদ্বেষ - তাই হয়তো ওদের ইসলাম! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28832115 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28832115 2008-08-18 11:29:32
সূর্য সন্তান মুজাহিদের নামে কুত্তার নাম রাখা সম্ভব নয় - দুঃখিত
এই বিষয়টি নিয়ে যখন ভাবছিলাম তখন পাশের ফ্লাটে কুকুরের হৈ চৈ শুনে গিয়ে শুনি মালিক কোন ভাবেই কুকুরটাকে সামলাতে পারছে না। আমি যাওয়া মাত্রই কুকুরটি চুপ চাপ হয়ে গেল - কিন্তু মুখ দিয়ে কুই কুই ধরনের একটা শব্দ করতে লাগলো। দেখি চোখেও পানি।

অনেক ভাবনা চিন্তার পর ধরতে পারলাম - কুকুরটি তার তৃতীয় নয়ন দিয়ে কোন ভাবে আমার পোস্টটা পড়েছে। তাই কিছু একটা বলতে চায়।

আমি বললাম - তুমি কি আল বদর চেন?

কুকুর - কুই কুই ( মনে হলো চেনে)

আমি - তা হলে আল-বদর মুজাহিদ কে সূর্য সন্তান হিসাবে তোমার কেমুন লাগে?

কুকুর - ঘেউ ঘেউ ( মনে হলো রেগে গেছে)

আমি - ঠিক আছে, তুমি তা হলে তোমার স্বজাতির নাম আল বদরের নামে হোক তা চাও না?

কুকুর - কুই কই। ( আনন্দ প্রকাশ)

আমি - তাইলে মুজাহিদের নামে কোন কুকুরের নাম না রাখার জন্যে তুমি খুশী।

কুকুর টা মাটিতে একটা গড়ান দিয়ে কুই কুই করে আনন্দ প্রকাশ করলো।

আমি ভাবছি - ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া দেশের কোন মানুষ কি ভাবে বুদ্ধিজীবী নিধনের নায়ক - পাকি দালাল মুজাহিদকে সূর্য সন্তান বিবেচনা করে!

এদের জন্মের কি কোন সঠিক ইতিহাস আমরা জানতে পারবো।

কুকুরটার প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম - কোন রাজাকার/আলবদর/জামাতির নামে কখনও কোন প্রানীর নামক করন করে তাদের অপমান করবো না।

আশা করি আপনারও একমত হবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28831622 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28831622 2008-08-16 22:45:48
৩৩ বছর ধরে বয়ে চলা পাপের বোঝা বহন করা থেকে জাতিকে দ্রুত মুক্তি দিন।
ভোরে ঢাকার সোবাহান বাগ এবং ধানমন্ডির অধিবাসীরা জানলো কিছু একটা হয়েছে..গোলাগুলি আর সামরিক যানের হুংকারে তাদের ঘুম ভেঙেছে।

তারপর রেডিওতে ঘোষনা...আমি মেজর ডালিম বলছি...

মানুষ জানলো জাতির পিতা এবং তার পরিবারবর্গ সেনাবাহিনীর সদস্যদের দ্বারা নির্মম ভাবে নিহত হয়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমান একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে অনেক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শেখ মুজিবের প্রধান এবং সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল পাকিষ্তান ভেঙে বাঙালী জাতির একটা ঠিকানা তৈরী করা। কিন্তু তার চেয়েও অনেক বেশী রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেছে এরশাদ - কিন্তু শেখ মুজিবকে কে মরতে হলো।


১৯৭২ সাল থেকেই প্রতিবিপ্লবী এবং পরাজিত শত্রুরা ধীরে ধীরে সংগটিত হচ্ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পালিয়ে থাকা ঘাতক/দালালরা ধর্মের নামে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সফল হয়েছে। যার একটা উদাহরন হলো - ৭৫ এর নির্মম হত্যাকান্ডের আগে অনেক মুসলিম দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে একটা যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশকে পুর্নগঠনে বাধা সুষ্টি করতে সফল ভাবে সংগঠিত হয়েছে জাসদ। দেশে এরা আর বিদেশে পরাজিত শক্তি বাংলাদেশকে সম্পূর্ন বিপর্যস্থ করে তুলেছিলো। সেই সময় শেখ মুজিবের অনেক পদক্ষেপ ভুল ভাবে ব্যাখ্যা করে যারা জনমত বিষিয়ে তুলেছিলো তাদের অনেককে পরে আমরা জিয়া এবং এরশাদের মন্ত্রীসভায় দেখি।

যা হোক। সেই দিন থেকে তিন দিন পর্যণ্ত সারাদেশে কারফিউ জারি করে শেখ মুজিবের মৃতদেহকে গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়। অন্যদিকে দেখেছি জিয়ার মৃতদেহকে ৪০ দিনের শোকসহ ঢাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন স্থানে মাজার বানানো হয়।

১৯৭৫ সাল থেকে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বেতার টিভিতে শেখ মুজিব ছিল সম্পূর্ন নিষিদ্ধ। ১৯৯১ সাল থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শেখ মুজিবকে নিয়ে কিছু আলোচনা শুরু হলেও ১৯৯৬ সালে টিভিতে শেখ মুজিব রেডিও টিভিতে প্রচারিত হতে শুরু করে।

আজ রাজাকারাও বলছে শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্থপতি!
দীর্ঘ ২৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার সময় যে কথাগুলো প্রচারিত হয় - তা হলো -
১) শেখ মুজিব মরার পর কেহ ইন্নালিল্লাহ পড়েনি ( এখন একজন বললো কুকুর বিড়ালও কাদেনি)।
২) শেখ মুজিবের ছেলেরা ব্যাঙ্ক ডাকাতি করেছে।
৩) শেখ মুজিবের ছেলেরা বিশ্বদ্যালয়ের মেয়েদের উঠিয়ে এনেছে।

ইত্যাদি...

একটা দেশের রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করার পর তিনদিন কারফিউ দিয়ে প‌্যানিক তৈরী করে যদি কেহ বলে কই মানুষতো কাঁদলো না..এর চেয়ে নির্বোধের মতো প্রশ্ন করা মনে হয় সম্ভব নয়। আর মানুষ কাঁদেনি বলেই কি আইন করে সামরিক শাসক জিয়া ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের বিচার বন্ধ করে রেখেছিলো!

দীর্ঘ ২০ বছরের নিষেধাজ্ঞার পরও আজ শেখ মুজির তার ভুমিকায় ভাস্বর। বাংলাদেশের ইতিহাসের মহানায়ক হিসাবে তার ভুমিকায় একফোঁটা কালিমা লেপন সম্ভব হয়নি বলেই আজ রাষ্ট্রপ্রধান টুঙ্গীপাড়া যাচ্ছেন..রাজাকাররা তার গুনরর্কীতন শুরু করেছে। এটা হলো বাস্তবতা।

শেখ মুজিব মারা যাওয়া পর যারা ক্ষমতায় এসেছে এবং ধারাবাহিকভাবে থেকে সবাই ধীরে ধীরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে নষ্ট করেছে। তারা যখন শেখ মুজিবের বাড়ি ফিরিয়ে দিলো তখন তার ব্যাংক একাউন্ড ফেরত চাওয়া হরে তার হদিস সরকার দিতে পারেনি। শেখ মুজিবের ছেলেদের ডাকাতির একটা প্রমান ২০ বছরের কেহ দিতে পারেনি।

সুতরাং এখনও যারা ইতিহাস নিয়ে দ্বিধান্বিত...যারা মনে করছেন শেখ মুজিবকে হত্যা করাটা ছিল ..তারা আসলে বাস্তবতার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটা কাল্পনিক জগতে বাস করেছেন।

সেই জগতটা যারা তৈরী করেছিল তাদের দিন শেষ। গত ১২ বছর যাবত একটা বিচারের সুরাহার করতে যারা বাধা সৃষ্টি করেছে তারা শুধু নিজেদের পাপের বোঝাটাই বাড়িয়েছে।

আশা করি দ্রুতই বাংলাদেশ খুনীদের বিচারের শেষ দেখবে এবং ৩৩ বছরের টেনে নেওয়া পাপের বোঝা টানা থেকে মুক্তিপাবে।

(১৯৭৫ সালে ফার ইস্টার্ন ইকনমিক রিভিউর সাংবাদিক ঢাকায় অবস্থান করছিলেন - সে গতবছর সিবিসি রেডিওর সাথে এক সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের ঘটনা ও পরবর্তী বিচারে বিষয়ে আলোকপাত করে - সাক্ষাৎকারটি শুনার জন্যে -

Click This Link

লক্ষ্যনীয় - অডিও ফাইলটির প্রথম ৯ মিনিট ভিন্ন প্রসংগ - ঠিক ৯:২৫ মিনিটে মুল স্বাক্ষাৎকারটি শুরু হয়েছে। যদি কেউ অডিও ফাইলটি থেকে স্বাক্ষাৎকারটি আলাদা করে দিতে পারেন - তাহলে কৃতার্থ হবো) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28830986 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28830986 2008-08-14 23:46:21
মতি ভাইএর প্রথম আলোর পাঠক মনে হয় ভিন্ন গ্রহেও আছে!
দেখা যাক তাদের পাঠক সংখ্যার গননাটা কেমন। ১ মিনিটে ৫ বার রিফ্রেশ করে যে রাশিমালাটা পেলাম সেইটা এই রকম -

১৬১, ১৭, ২০৬, ৯২, ১৪১, .....

অর্থাৎ এক মিনিটে সর্বোমোট ৬১৭।

কানাডা সময় রাত ১১:১৮ তে সর্বমোট পাঠক সংখ্যা ১,৪৪,৪০৪ ( আপডেট করার মাত্র ৫ ঘন্টায় এই হিট)

শাবাশ প্রথম আলো - দূর্নীতি বিরোধী অভিযানের অগ্রসেনানী - আপনারাও কি একটু সৎ থাকতে পারলেন না? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829610 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829610 2008-08-11 09:26:09
আগে শুনতাম চোরের মার বড় গলা, এখন দেখি চোরের বাপেরও ….
খবরে জানা যায় - উনি বিগত সরকারের আমলে সংসদের কেন্টিনের বাজার বাসায় পাঠাতেন। এখন কিভাবে বাজার করেন সেই বিষয়ে অবশ্য জানা যায়নি।

আজ দেখলাম সরকারকে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়েছে পবনের বাপ। সেই কি হুংকার! যদিও সরকার থেকে বলছে দ্রুত মৃক্তি হচ্ছে - তাই ফাকতালে একটা হুমকী দিয়ে নিজেকে “আপোষহীন পাপোশ” হিসাবে প্রামনের সুযোগ দিলেন।

দেখে শুনে মনে হচ্ছে - “চোরের বাপেরও বড় গলা” বটে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829556 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829556 2008-08-11 01:49:33
দৈনিক আমাদের সময়'র সৌজন্যে প্রাপ্ত একটি রাশিমালা... ৬৭৫,১৯৫,১৫০,১০৫,১২০,........

এই রাশিমালার একটা সমাধান করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে আপনাদের সাহায্য চাচ্ছি, সহৃদয় ব্যক্তিবর্গ সহায়তা করুন।

এই রাশিমালার শানে নযুলটা একটি বলি। অনলাইনে আমাদের সময় পড়তে গিয়ে ব্রাউজার রিফ্রেশ করতেই দেখি সর্বমোট হিট সংখ্যাটা কেমন যেন লাফ দিয়ে বেড়ে গেল। একটু ভাল করে লক্ষ্য করার জন্যে আবারো রিফ্রেশ করে দেখি আরো বড় লাফ দিলো।

এক মিনিট সময়ের মধ্যে পাঁচবার রিফ্রেশ করতেই গিয়ে সর্বোমোট হিটের যে সংখ্যা পেলাম তা হলো ১১৭০৫৫, ১১৭৭৩০, ১১৭৯২৫, ১১৮০৭৫, ১১৮১৮০, ১১৮৩০০ । যাদের পার্থক্য থেকে উপরে সিরিজটা পেলাম।

যার অর্থ হলো - ১ মিনিটে ১২৪৫ টা হিট, ভয়াবহ খবর খোর বাঙালী নাকি আমাদের সময়ের কারিগরী?

দূর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের শ্লোগানে মুখরিত মামাদের সময়ে কত কিই না সম্ভব!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829281 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829281 2008-08-10 10:36:26
প্রবাসে জীবন - ১০ ( জিসাস এভরি হোয়্যার!)
একসময় ওরা দেখলো - ওদের এপার্টমেন্টে প্রচুর পিপড়া। যথারীতি ইরানী যুবকটি গেল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে। অভিযোগ একটা নির্ধারিত ফরম পুরন করে জমা দিতে গিয়ে যুবকটি পিপড়ার ইংরেজী প্রতিশব্দ ভুলে গিয়েছিলো। অনেক চেষ্টা করেও যখন শব্দটা মনে করতে পারলো না - তখন "এন্টস" এর বদলে লিখলো - "এনিম্যাল"।

অভিযোগের ফরমটা নিয়ে বিল্ডিং সুপার যখন দেখলো এপার্টমেন্টের ভিতরের "লটস অব অনিম্যালস" - ওর চক্ষু কপালে উঠে গেল।

সুপার জিজ্ঞাসা করলো - " কোন ধরনের এনিম্যাল"।

যুবকটি হাত নেড়ে - চোখ পাকিয়ে - মাথার দুইপাশে আঙ্গুল দেখিয়ে পিপড়ার দৈহিক বর্ননা দেবার চেষ্টা করলো। কিন্তু সুপার আর বিভ্রান্ত হলো। অবশেষে সুপার ওকে সাথে নিয়ে গেল এপার্টমেন্টে। যুবক দরজা খুললে সুপার খুব সাবধানে যুবককে অনুসরন করে ভিতরে ঢুকলো।

এদিক ওদিক ভাল করে দেখে কোন প্রানীর হদিস না পেয়ে সুপার জিজ্ঝাসা করলো - কোথায় তোমার প্রানীগুলো?

যুবকটি আঙ্গুল দিয়ে পিপড়া দেখিয়ে বললো - এইতো এখানে। এগুলো সারা ঘরে ছড়ানো।

সুপার অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখলো দেওয়ালে কয়েকটা পিপড়া হাটছে। অজ্ঞাতসারে ওর মুখ দিয়ে বেড়িয়ে এলো - "জিসাস!"

যুবকটি হৈ চৈ করে উঠলো - ইয়েস, জিসাস। জিসাস হেয়ার, জিসাস দেয়ার, জিসার অল ওভার দ্যা এপার্টমেন্ট।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829162 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28829162 2008-08-09 22:51:36
যুদ্ধাপরাধী রাদোভানের হেগ গমন আর বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন
কিন্তু সার্বরা তাদের উপর কতিপয় যুদ্ধাপরাধীর কৃতকর্মের দায় নিয়ে ইতিহাসের কলংক বহন করতে চায় না বলেই রাদোভান কারাসজিজকে আজ নেদারল্যান্ডের হেগে পাঠিয়ে দিলো। মানবতার ইতিহাসের একটা মাইল ফলক তৈরী করলো সার্ব নেতারা। যদিও সেখানে এখনও রাদোভান আর মিলোসভিচের সমর্থক কম নেই - যারা রীতিমতো প্রকাশ্যে বিক্ষোভ করছে। সেই পরিস্থিতিতে হয়তো বর্তমান সার্ব নেতাদের ভবিষ্যতে নির্বাচনে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে।

যখন এই দৃশ্যটা টিভিতে দেখছিলাম তখন মনে পড়লো বাংলাদেশের একটা দৃশ্যের কথা। যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম নাগরিকত্ব হারিয়ে পাকিস্থানী পাসপোর্ট নিয়ে দেশে ফিরছে। তাকে ফিরতে সাহায্য করছে একজন মুক্তিযুদ্ধের "বীর উত্তম" (!) খেতাবধারী সামরিক শাসক - মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এই যুদ্ধাপরাধীর ফিরে আসার পথকে পরিষ্কার করার জন্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক শেখ মুজিবুর রহমান আর তার চার ঘনিষ্ঠকে নির্মম হত্যার শিকার হতে হয়েছে। সামরিক বাহিনীতে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর আদলে ডিজিএফআই নামে একটা গোয়েন্দা সংস্থা তৈরী করা হয়েছে - যারা মুলত মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্থানে অবস্থান করেছে তাদের নিয়ে- যাদের মুল কাজ ছিলো রাজাকারদের পূর্নবাসন করা - যা আজ পর্যন্ত এরা নিষ্ঠার সাথে করে যাচ্ছে- - মুক্তিযুদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ন পদ থেকে সরিয়ে পাকিস্থান পন্থীদের বসানো হয়েছে। সর্বোপরি যুদ্ধপরাধী বিচারের চলমান ট্রাইবুনাল বন্ধ করে সামরিক ফরমান জারী করা হয়েছে। মুক্তি দেওয়া হয়েছে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্তদের আর ইতিহাসকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের সকল আয়োজন করা হয়েছে - যাতে নতুন প্রজন্ম এই পশুদের চিনতে না পারে। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত একমাত্র বেতার আর টিভির চ্যানেল থেকে স্বাধীনতার ইতিহাস প্রচার বন্ধ করে বিকৃত ও খন্ডিতভাবে ইতিহাস প্রচার করে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করা শুরু হয়েছে।

ত্রিশ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর মাত্র ৬ বছরের মধ্যেই সামরিক একনায়কের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীরা পুর্নবাসিত হয়েছে - যার ধারাবাহিকতায় সেই সামরিক শাসকের তৈরী করা রাজনৈতিক দল (বিএনপি) যুদ্ধপারাধীদের মন্ত্রীত্বে বসিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে চরম ভাবে অপমানিত করেছে। এই ধরনের কর্মকান্ড পৃথিবীর আর কোথাও হয়েছে কিনা আমাদের জানা নেই।
গনহত্যার দায়ে অভিযুক্তদের সন্মানের সাথে রাষ্ট্র নিরাপত্তা দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে ৩০ লক্ষ শহীদের আত্বার সাথে প্রতারনার এই জঘন্য মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের জন্যে কি কেউ লজ্জিত? একজন মানুষ হিসাবে - একজন মুসলমান হিসাবে একদল পশুর বিচারের সামনে হাজির করার ব্যর্থতা কি আমার মনকে বিক্ষত করে না? বাংলাদেশের মুসলমানরা বিশ্বাস করে ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম আর "মুসলমান"রা শ্রেষ্ঠ মানুষ - যখন অর্থডক্স খৃষ্টানরা ভিন্নধর্মের মানুষকে হত্যার অপরাধে নিজের ধর্মের একজনকে বিদেশের মাটিতে বিচারে জন্যে পাঠায় - তখন মুসলমা হয়ে মুসলামদের গনহত্যার আর গনধর্ষনের দায়ের অভিযুক্তদের আমরা বিচারের উর্ধে তুলে রাখি - এতো মুসলমানদের শ্রেষ্ঠত্ব কোথায় থাকে?

যুদ্ধাপরাধীদের পূর্নবাসনকারী ক্যান্টনমেন্ট থেকে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দলটি আবারও ক্ষমতার রাজনীতিতে মেতে উঠেছে। শেষ খবরে জানা গেল সৌদি দুতের দুতিয়ালীতে বিএনপির মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন যুদ্ধাপরাধীদের সাথে ঐক্য করার প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হয়েছে। একদল দূর্নীতিবাজ বিবেকহীন ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদ সেই বর্নচোরা জেনারেলের ছবি টাংগিয়ে তাকে স্বাধীনতার "মহান ঘোষক" হিসাবে পুঁজার ভান করে আর যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে আরাম কেদারায় বসে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এই ভন্ডদের কর্মকান্ড দেখলে হয়তো স্বয়ং ইবলিশও লজ্জায় মুখ লুকাবে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে - তাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দিয়ে - তাদের ক্ষমতার ভাগ দিয়ে আমরা কি ত্রিশ লক্ষ বিদেহী আত্নাকে অপমান করছি না? এই পশুদের সাথে সহবাসে যে প্রজন্ম তৈরী হবে তাদের নিয়ে কোন দিন কি একটা আধুনিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে? যতদিন পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং সমাজ থেকে নির্মল করে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের ঋণ শোধ না করছে বাংলাদেশ - ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি নেই - তাদের ফিরে ফিরে আসতে হবে শুরুতে - বারবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে।

(একই সাথে আমার ব্লগ ডট কমে প্রকাশিত) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28825758 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28825758 2008-07-30 22:01:11
বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড আর বিচারের উর্ধ্বে উঠা খুনীরা
খুনের এই মহোৎসবকে আরো দীর্ঘিত করেছে আরেক জেনারেল - কর্নেল তাহেরকে প্রহসনের মাধ্যমে হত্যা করে। যদিও সেই জেনারেলকেও একই ভাগ্য বরন করতে হয়েছে। তাকে হত্যাকরা খুনীদেরও প্রহসনের বিচারে দ্রুত হত্যা করা হয়।

তারপর দেখি বাংলাদেশ নামক রাস্ট্রের কৃষ্টিতে পরিনত হয় বিচার বহির্ভুত হত্যা। বিচার বিভাগ আর বিচারকদের অযোগ্যতা আর দূর্নীতির বিষয়ে লেখে রচনা দীর্ঘ না করেই বলা যায় - রাষ্ট্রের এই বিভাগটাকে পুরোপুরি ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে - যেখানে বিচারকগন বিবেকের চেয়ে দলের প্রতি অধিকতর আনুগত্য দেখায়। ফলে সামরিক আদালত দ্রুত বিচারের নামে চমক তৈরী করে। তারই আরেকরূপ হলো দ্রুত বিচার আর বিশেষ বিচার আদালত।

বিচার বিভাগ হলো একটা সভ্য দেশের বিবেকের মতো - সেই বিবেকের নিষ্ক্রিয়তা পুরো সমাজকে একটা নৈরাজ্যের মধ্যে ফেলে দেয়।

অন্যদিকে জনগনের একটা অংশ দূর্নীতিকে তাদের অধিকার হিসাবে বিবেচনা করে - তাদের অবৈধ সম্পদ পাহারা দেবার জন্যে রাষ্ট্রকে কাজে লাগায় - ফলাফল দেখি ঘুষের অর্থ তৈরী প্রাসাদের মালিকের কাছে চাঁদা চাওয়া অপরাধে একজন যুবককে সন্ত্রাসী হিসাবে হত্যা করা হয় - রাষ্ট্রই সেই হত্যাকান্ড চালায় বিচারকে অন্ধকারে রেখে - নিরাপদ হয় ঘুষখোর ব্যক্তিটি।

বিপ্লবের নামে যারা সন্ত্রাসের রাজ্য তৈরী করে - রাষ্ট্রের কর্মচারীরা একসময় এদের সহায়তা নেয় - নিজেদের সম্পদ বাড়াতে - কিন্তু যখন সীমা অথিক্রান্ত হয় - তাদেরও হত্যা করা হয়।

দেখে শুনে মনে হচ্ছে খুনীরাই এখন বীর। যেমন বীরচিত সন্মানে ৭১ এর খুনীরা রাষ্ট্রের আনুকূল্যে মুক্তিযুদ্ধাদের লাথি মারে - রাষ্ট্র জনগনের টাকায় রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধিতাকারী লাখ মানুষের খুনীদের নিছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করে - ৭৫ এর খুনী আর ষড়যন্ত্রকারীদের পুরষ্কৃত করে - তেমনি রাষ্ট্রের সম্পদ লুটকরা মানুষগুলোকে নিরাপদ করার জন্যে বিচারের বাইরে খুন করে রাষ্ট্র। এগুলো আবার আইনের মাধ্যমে বিচারের উর্দ্ধে উঠানো হয়েছে। তাইতো মনে হয় - খুনীরাই রাজত্ব করবে বাংলাদেশে।

যে কোন অপরাধের বিচার হতে হবে - রাষ্ট্রের কাজ জনগনের নিরাপত্তা নিম্চিত করা আর অপরাধী চিহ্নিত করে বিচারের সামনে নিয়ে আসা। রাষ্ট্র যখন খুনের জন্যে বাহিনী তৈরী করে - তাদের বিচারের বাইরে রাখার আইন করে - সেই রাষ্ট্র দিনে দিনে একটা ভয়ংকর হয়ে উঠবে - সেখানে মানুষের আর বিবেকের যায়গা থাকবে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28825367 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28825367 2008-07-29 19:53:45
এখন কি লেজে কুকুর নাড়ায়? আমরা জানি কুকুর ল্যাজ নাড়ে - কেন নাড়ে বিষয়টা পরিষ্কার না। মাছি মশা তাড়ানোর মতো লম্বা ল্যাজ কুকুরের নাই। তবে প্রভুদের সামনে ল্যাজ নাড়ানোর মাধ্যমে প্রভুভক্তি প্রদর্শন করা ছাড়া আপাতত কোন কারন জানা যায়নি।

বাংলাদেশের কয়েকটা রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড দেখে মনে হচ্ছে - বিষয়টা উল্টা।

কয়েকটা ঘটনা লক্ষ্য করুন -

১) খালেদা জিয়া আর তারেক গ্রেফতার হওয়ার পর চরদলের নামে ঘি মাখন চাটা রাজাকারের দল জামাত তিনদিন পর একটা মৃদু প্রতিবাদ করে। তারপর চুপচাপ।

২) যে না আলবদ নিজামী গ্রেফতার হলো - সংগে সংগে পবনের বাপরে পাশে বসে পা নাড়াতে শুরু করলো আলবদর মুজাহিদ। চারদলের সভা শুরু হলো। হৈ চৈ শুরু হলো খালেদা -নিজামীর মুক্তি চাই। নিয়মতান্ত্রিক দল হয়েও নিজামীর মুক্তি দাবীতে বিএনপি নিবাচন বর্জনের অবস্থানে গেল - যদিও তলে তলে সবার প্রার্থী নির্বাচন করছে।

৩) যুবদল - ছাত্রদল নিজামীর মুক্তি জন্যে বিবৃতিমুলক আন্দোলন শুরু করার কর্মসূচী ঘোষনা করলো।

৪) রিমোট কন্ট্রোলে প্রশাসন আর কোর্ট ফ্রিজ করে আলবদর নিজামী জামিন পেল।

৫) এখন আর মুজাহিদ রাজাকার পবনের বাপের কাছে যায়না। চারদলের জোট আবার নিষ্ক্রিয় হলো।

৬) জামাত বা শিবির কখনও খালেদার মুক্তি দাবীতে কোন বিবৃতিও দেয় না - আন্দোলনতো দুরে থাক।

এতো কিছু দেখে মনে হচ্ছে - চারদলের চাবি আসলে জামাতের হাতে। বিএনপি বড় দল হলেও জামাতের পরামর্শ আর চাহিদার উপর নির্ভরশীল। তাইতো বিএনপির সমর্থকরা সব জেনেশুনেও যুদ্ধাপরাধী জামাতিদের বিরুদ্ধে কোন শব্দ উচ্চারন করে না। পাছে জামাত রেগে যায়।

দেখে শুনে মনে হচ্ছে - বাংলাদেশে এখন লেজেই কুকুর নাড়াচ্ছে।

(আমার ব্লগেও প্রকাশিত) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28824188 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28824188 2008-07-26 00:09:39
মুক্তিযোদ্ধা লাঞ্ছনার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের নিস্পৃহতার নিন্দা জানাই।
পরাজিত শক্তি ধীরে ধীরে সামরিক শাসনের আড়ালে বিচারের প্রক্রিয়া আপাত রেহাই নিয়ে নিজেদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এরা টেবিলের ফয়সালায় মন্ত্রীও হয়েছে। লাখ শহীদের বিদেহী আত্না হয়তো ঘৃনায় মুখ ফিরিয়ে রেখেছে - আমরা কতই না অকৃজ্ঞ - ভাবলেও নিজেকে খুবই ছোট মনে হয়।

পরাজিত যুদ্ধাপরাধিদের আষ্পর্ধা এতোটা বেড়েছে যে - মহান মুক্তিযুদ্ধকে কুলশিত করার জন্যে আমড়া গাছে আমের মতো মুক্তিযুদ্ধাদের সংগঠনের নামে একদল টাউটের সমাবেশ করে সেখানে সরল প্রান মুক্তিযুদ্ধাদের প্রতারিত করার ফাদঁ পেতেছে।

সেই প্রতারনার মুখোশ খুলে দেবার মতো সাহস দেখানোর কারনে আলি আহমেদকে লাঞ্ছিত করেছে রাজাকার গোষ্ঠী।

পৃথিবীতে এমন কি কোন দেশ আছে যেখানে বিজয়ী মুক্তিযুদ্ধকে পরাজিতরা অপমান করতে পারে? আমার জানা নেই। বাংলাদেশেই মনে হয় সব সম্ভব - সরকার মুক্তিযুদ্ধের অধিনায়কদের বাইরে রেখে স্বাধীনতা দিবস পালন করে ঘাতক রাজাকারদের নিয়ে - এর চেয়ে চরম কৌতুকের অনুষ্ঠান কি বিশ্বের কেউ কি দেখেছে?

বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী দাবী করে এরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে - কিন্তু ৭১ এর একজন সেনানী যখন পরাজিত রাজাকারদের লাথি খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে - তখন ভাবতেই হয় - মুক্তিযুদ্ধের ফসল এই দেশের সেনাবাহিনীর ভন্ডামীর সীমা কতদূর বিস্মৃত।

প্রায় মাস খানেক হয়ে গেল এই ঘটনার - সারা দেশের মানুষ লজ্জিত - মর্মাহত - একখন মুক্তিযুদ্ধার গায়ে রাজাকারের লাথি যেন আমাদের জাতীয় পতাকার উপর শকুনের থাবা। মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছে নানান ভাবে - মানববন্ধন হচ্ছে - মশাল মিছিল হচ্ছে - পত্রিকাতে লেখালেখির মাধ্যমে প্রতিবাদ হচ্ছে।

ইতোমধ্যে মানুষ জেনেছে কে এই দুষ্কর্ম করেছে - এবং মুক্তিযুদ্ধাদের নামে চালু অবৈধ সংগঠনটি আসলে কে বা কারা চালায়। এখনই কি সরকারে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধাকে অপমানকারী সেই দৃবৃত্তকে প্রেফতার করে বিচারের সন্মুথিন করতে আর সেই অবৈধ সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করতে।

কিন্তু বাংলাদেশ সরকার - যারা একজন রাজাকারের গ্রেফতারী পরোয়ানা কোর্ট থেকে শাহবাগে আসতে তিনদিন সময় লাগায় - কিন্তু হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে একই দালানে আপিল করতে ৭ দিন লাগায়। এরা মুক্তিযুদ্ধা লাঞ্ছিত হওয়ায় বিন্দুমাত্র বিচলিত হয় না।

মুক্তিযুদ্ধের অর্জন বাংলাদেশের সরকারের দায়িত্বে বসে থাকা এই নির্বিকার মানুষ গুলোর জন্যে করুনা করছি - যারা তাদের পূর্বপুরুষের রক্তের ঋনের কথা ভুলে যায় - অথবা বিশেষ কোন মহলের চাপে ভুলে থাকার চেষ্টা করছে।

সময় দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে - মানুষের ধৈর্য্যর একটা সীমা থাকে - সেই সীমা অতিক্রম করার ফলেই আমরা দেখেছি অক্টোবরের মতো ঘটনা। আরেকটা অক্টোবরের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা জন্যে সরকারের দ্রুত দুইটা কাজ করা উচিত - জামাতের ভন্ডামির সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা আর মুক্তিযুদ্ধাকে অপমানকারী কুলাঙ্গারকে গ্রেফতার করে বিচারে সন্মুখিন করা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28823617 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28823617 2008-07-24 11:28:19
প্রিয় সামহোয়ার - আমি সিদ্ধান্ত নিছি এক ধরনের ব্লগারকে ব্লক করবো।
সে যাই হোক - যারা যারা বুঝ। উনি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ফালাইয়া আমারে ব্লক করছেন।

অনেক ভাবনা চিন্তা কইরা আমিও সিদ্ধান্ত নিলাম - যে সকল পুরুষ ব্লগারের লম্বা চুল আর সেই চুলে উঁকুন আছে প্রমান পাওয়া গেলে তাকে ঘ্যাঁচাং - মানে ব্লক করা হবে।

অনেকে হয়তো প্রতিবাদ করতে পারবেন - ভার্চুয়াল ব্লগারদের লম্বা চুলে উঁকুনের বিষয়ে নিশ্চিত হবো কিভাবে!

উত্তর হলো - লম্বা চুলের পুরুষ ব্লগার যাদের কমেন্ট এবং লেখায় রক্তশূন্যতার লক্ষন দেখা যাবে - তাদের মাথায় উঁকুন আছে নিশ্চিত ধরে নেওয়া হবে।

এই সিদ্ধান্ত ফাইনাল!

(বিঃদ্রঃ - কোন একজন ব্লগারকে উদ্দেশ্য করে এই পোষ্ট দেওয়া হয় নাই - যদি সন্মানিত ব্লগারগন এক বা একাধিক ব্লগারের সাথে মিল খুঁজে পান - তা হবে কাকতালীয় ঘটনা - লেখক এই দায় দায়িত্ব বহন করবে না <img src=" style="border:0;" />) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28823139 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28823139 2008-07-22 23:15:34
ভাবছি, এই সৎলোকেরা যদি কোনভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে - তা হলে বাংলাদেশের অবস্থা কি হবে।
আরেকজন নির্বাচন না করেই টেবিলে নীচ দিয়ে গিয়ে মন্ত্রী হয় - তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী আর কয়লাখনির টেন্ডারের অনিয়মের অভিযোগ আছে।

ঘটনা চক্রে এই দুইজনই কুখ্যাত আলবদর বাহিনীর কমান্ডার - একজন পুরো পাকিস্থানের আর একজন প্রদেশের প্রধান ছিলো। যারা ৭১ বুদ্ধিজীবি নিধনের সাথে জড়িত।

এই দলঠির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ৭৬% দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত - বিচারাধীন এবং সাজাপ্রাপ্ত।

সাম্প্রতিক আরেকটা খবর দেখলাম - তা হলো প্রধানের যোগসাজসে সৎলোকের জেলার নেতার বিরুদ্ধে জনগনের ট্যাক্সের টাকা আত্নসাদের মামলা হয়েছে।

খবর দিচ্ছে বিডিনিউজ২৪.কম - ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি রাজস্বের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক, জেলা সাব রেজিস্ট্রার, এক জামায়াত নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযুক্তরা হলো <img src=" style="border:0;" />br />
১) সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব) আবুল হোসেন;
২)সিলেট সদরের সাবেক সাব রেজিস্ট্রার (বর্তমানে মেহেরপুর সদরের সাব রেজিস্ট্রার) ৩)দেওয়ান মোজাহার হোসেন; ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন টাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান
৪)সিলেট মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান এবং
৫)গোল্ডেন টাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল ইসলাম খানকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।


.
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নগরীর আম্বরখানা এলাকায় ১৮ কোটি টাকা দামের ৯২ শতক জমির দাম ৪০ লাখ টাকা দেখিয়ে গোল্ডেন টাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের নামে নিবন্ধন করেন। এর মাধ্যমে তারা সরকারকে দুই কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করে নিজেরা আত্মসাৎ করেছেন।


যুদ্ধাপরাধী ও ধর্মব্যবসায়ী সৎলোকের এই দলে পরজীবির মতো অন্যের কাঁধে চড়ে ক্ষমতার ছিঁটো ফোঁটা স্বাদ পেয়েই যদি এই অবস্থা হয় - তা হলে যদি কোনভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে - তা হলে বাংলাদেশের অবস্থা কি হবে!

ভাবছি!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28822771 http://www.somewhereinblog.net/blog/eskimoblog/28822771 2008-07-21 23:33:25
সীমান্তে বিডিআরসহ বাংলাদেশী হত্যা - কিছু প্রশ্নসহ একটি প্রস্তাব।
প্রায়ই খবরে দেখি সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশী নিহত। তারপর পতাকা বৈঠক - কিছু দিন বিরতি। আবার গুলি। দেখেশুনে মনে হচ্ছে - বিএসএফ তাদের টার্গেট প্রাকটিসের জন্যে সীমান্তে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের ব্যবহার করছে। বিগত জোট সরকারসহ অন্যান্য সরকারের আমলেও যে ঘটনার সংখ্যা কম ছিলো - তা কিন্তু নয়। কিন্তু সেই সরকারগুলো তেমন কোন বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছিলো কি? এই সরকারই বা কি করছে?

এই প্রশ্নের জবার অবশ্যই চাইবো সরকারের কাছে।

আপাতত ব্লগের বিষয়ে থাকি। ব্লগে যারা অতি দুঃখে পোস্ট দিয়ে নিজেদের কষ্টের কথা প্রকাশ করছেন - তাদের কাছে প্রশ্ন -

১) বিডিআর এর প্রশিক্ষনের মান কোন পর্যায়ে, গ্রাম পুলিশ, আনসার, পুলিশ না সেনাসদস্যদের পর্যায়ে?

২) বিডিআরের যে সকল সদস্য সীমান্ত অঞ্চলে কর্তব্য পালন করে তাদের কি কোন উন্নত মানের অস্ত্র দেওয়া হয় - নাকি আনসারদের মতো ৩০৩ বন্দুক বা লাঠি দেওয়া হয়?

৩) বিডিআর তাদের প্রতি গুলি বর্ষনের উপযুক্ত জবাব দেয় না কেন?

আমার যতটুকু জানা আছে - বিডিআর এ কোন কমিশনড অফিসার নেই। সেনা কর্তারা প্রেষনে বিডিআর এ যায়। কথিত আছে - সেনা কর্তাদের বিশেষ আয়ের পোস্টিং হলো বিডিআর। বিডিআরে দুই বছর চাকুরী করার পর অনেক সেনা কর্তঅকে দেখা গেছে অগ্রীম অবসর গ্রহন করতে। বাংলাদেশের সেনা বাহিনীর তিন তিনবার নিজভুমি দখলের যে গৌরোজ্জ্বল ইতিহাস আছে - তার ছিটেফোটাও যদি বিডিআর এ থাকা কালীন দেখাতো ( মে.জে ফজলুর রহমান ছাড়া) তা হলে হয়তো পতাকা বৈঠকগুলো ভারতের ডাকেই হতো।

নিজের জীবনের থেকে একটা ঘটনার আলোকে বিষটাকে দেখতে চাই। ছোট কালে একদিন খেলার মাঠে দুষ্ট ছেলেদের হাতে মার খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় আসলে মা আমার গালে একটা প্রচন্ড চড় কষিয়ে বলেছিলেন - যদি মনে করো তোমার অন্যায় ছিলো না - তাইলে ওদের মার না দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় এলে কেন?

আমি বিডিআরসহ সীমান্ত রক্ষায় দায়িত্বে নিয়োজিত কর্তাদের প্রশ্ন করতে চাই - আর কতকাল বিডিআরের লাশের ছবি আমাদের দেখতে হবে? কেন আমরা প্রতিপক্ষের কোর্টে বলটা ছোড়ে দিচ্ছি না? কিসে ভয় পান আপনারা - ১৫ কোটি মানুষ আছে আপনাদের সাথে।

(২)

ব্লগে এই বিষয়ের উপর আলোচনা-নিন্দা আর সমালোচনা দেখে মনে হলো রাজাকার-আর তাদের অনুসারীরা বিপুল ভাবে উৎসাহিত হয় - যখন সীমান্তে কোন বাংলাদেশী মারা যায়। এরা দ্রুত নিন্দা জানায়, প্রমান করার চেষ্টা করে এরা কতো বড় দেশপ্রেমিক(!) আর চিহ্নিত করতে থাকে কারা কারা ভারতের দালাল। এইটা অবশ্য নতুন কিছু না - দালালরা সব সময়ই সবাইকে দালাল মনে করবে। আর ব্লগে লিখে নিন্দার ঝড় তোলে যদি কেউ শর্টকার্টে দেশপ্রেমিক হতে চায় - তাতে আমার সমস্যা নেই।

কিন্তু রাজাকার আর জামাতী পন্থীদের নিজেদের কৃতকর্ম আড়াল করার জন্যে যখন বিডিআরসহ বাংলাদেশীদের মৃত্যুর মতো দুঃখজনক ঘটনাকে ব্যবহারের চেষ্টা করে - তখন কিছু প্রশ্নতো অবশ্যই মাথায় আসে - তখন সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানানো দায়িত্ব মনে করি।

একটা মন্তব্য বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করার মতো -

আশরাফ রহমান বলেছেন: আজ যাদেরকে রাজাকার বলা হচ্ছে তারাও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে কিন্তু যারা মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্সে খুলে বসে আছে তাদের মুখে কুলুপ আঁটা। এসব ইন্ডিয়ান রাজাকার ৭১-এর রাজাকারদের চেয়েও গাদ্দার।
Click This Link

একটু খেয়াল করলেই বুঝা যাবে - জামাতের সমর্থক ব্লগার সুকৌশলে ৩০ লক্ষ বাঙালী হত্যা আর ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম হারানো মতো কুখ্যাত ঘটনাকে হালকা করার মাধ্যমে রাজাকারদের কৃতকর্মকে আড়ালের চেষ্টা করছেন। এই কৌশল পুরোনো। রাজাকার আর তাদের অনুসারী