রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
রান্নার কিছু প্রয়োজনীয় টুকিটাকি তথ্য
কড়াইতে তেল দেওয়ার আগে যদি খালি কড়াই ভালো করে গরম করে নেওয়া হয় তাহলে পোড়ার দাগ ধরে না সহজে।
পাউডার দুধ তাড়াতাড়ি গুলতে শুকনো ডিশে পাউডার দুধের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে নিয়ে তারপর ঠান্ডা বা গরম যে কোন পানি দিয়ে দুধ গোলা যায় সহজে।
ওল, কচু বা কচু শাক রাধার সহজ উপায় সামান্য তেঁতুল ব্যবহার করা বা ওল ভাতের সঙ্গে খাবার সময় লেবুর রস ব্যবহার করলে গলা চুলকানির কোনো ভয় থাকে না।
প্রেসার কুকার ছাড়া তাড়াতাড়ি মাংস সেদ্ধ করার সহজ উপায় কয়েক ফোঁটা পেঁপের আঠা বা কয়েক টুকরো কাঁচা পেঁপে অথবা একটা গোটা সুপারি দিয়ে মাংস রান্না করা।
সুজি ভালো করে রাখতে শুকনো খোলায় যদি সুজিকে ভেজে রাখা হয় তাহলে পোকা ধরে না।
বিস্কুটকে মুচমুচে রাখতে মুড়ির টিনে ভরে রাখুন।
হাতে মাছের আঁশটে গন্ধ দূর করতে হাতে সরষের তেল মেখে নিলে গন্ধ থাকে না।
পাতিলেবু টাটকা রাখতে হলে ঠান্ডা পানির মধ্যে রাখা লেবুকে মাটির নিচে পুঁতে রাখলে লেবু কয়েকদিন টাটকা থাকে।
গরম চা বা কফি খেতে গিয়ে অনেক সময় জিভে ছ্যাঁকা লাগে তখন যদি মুখে কিছুটা চিনি দিয়ে রাখা যায় বিশেষ উপকার পাবেন।
চাল ও ডালে শুকনো নিমপাতা বা মরিচ রাখলে পোকা ধরে না।
করলা বা পটলের মাঝখানটা কেটে দু টুকরো করে রাখলে বেশি দিন ভালো থাকে (রান্না ঘরে)।
পেঁয়াজ কাটার আগে দুফালি করে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে চোখে যন্ত্রণা দেবে নাএবং পানি গড়াবে না।
দেশলাই বাক্সে কয়েকটা চাল রাখলে বর্ষাকালে কাঠির বারুদ ঠিক থাকে।
কাঁচের গ্লাসে গরম কিছু নিতে গেলে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গরম কিছু ঢালার আগে চামচ রাখলে গ্লাস সহজে ফাটে না।
ফ্রিজের মধ্যে খাবার সোডা এক প্যাকেট রেখে দিলে ফ্রিজের ভেতর আর গন্ধ থাকবে না।
গরম মসলার গুঁড়া এয়ার টাইট প্যাকেটে ভরে রাখলে ভালো থাকবে অনেক দিন।
আচার তৈরি করার আরও একটি ভালো উপায় হলো তেল প্রথমে গরম করে নিয়ে তারপর ঠান্ডা করে ব্যবহার করা, এতে ছাতা পড়ার সম্ভাবনা থাকে না। কাঁচা তেল ব্যবহার না করাই ভালো।
আলু সেদ্ধ করার পর এ পানি দিয়ে যদি প্লেট ধোওয়া যায় তাহলে প্লেট ঝকঝকে হবে।
লেখক বলেছেন: রান্না করার আগে দেখতে হবে কড়াইতে পানি আছে কিনা। পানি থাকলে তেল ছিটে পড়ার সম্ভবনা থাকে। চুলার জ্বাল কমিয়ে দিতে হবে।
রান্না করার পর ছ্যাঁকা লাগলে বা গরম তেল ছিটে হাতে বা অন্য কোথাও পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গায় লবণ দিয়ে চেপে কিছুক্ষণ বেঁধে রাখলে ফোসকা পড়ে না। লবণ ও মাটি একত্রে
মোটা করে লাগালে জ্বালা কমে, ফোসকা পড়ে না।
সেলিম তাহের বলেছেন:
হায় হায়! আপনার ব্লগটি দেখছি একটি মিনি রান্নাঘর! প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মীতু বলেছেন:
আমি কড়াই ভাল করে শুকিয়ে তেল গরম করি । তেল ভাল করে গরম করে তারপর মাছ দেই । আমিতো সব মাছ ভাজা খাই । তবে পাতলা চমড়ার মাছে এমন হয় না । মোটা চামড়া ওয়ালা বড় মাছগুলোতে এমন হয় ।
লেখক বলেছেন: মাছটা কি মসলা ছাড়াই তেলের মধ্যে দেওয়া হয় নাকি। মসলা দিয়ে তারপর তেলে রাখা হয়।
লিপিকার বলেছেন:
এটা ফাটাফাটি কাজে লাগবে +"পাতিলেবু টাটকা রাখতে হলে ঠান্ডা পানির মধ্যে রাখা লেবুকে মাটির নিচে পুঁতে রাখলে লেবু কয়েকদিন টাটকা থাকে।"..........
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
আরেকটা যোগ করিঃপায়েস রান্না করতে গেলে চিনি কখনোই আগে দেয়া উচিত নয়, এতে চাল সিদ্ধ হতে সমস্যা হবে।
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
খুব ভাল এবং দরকারি পোষ্ট +++++ অনেক ধন্যবাদ,কাজে লাগবে।



















আরেকটা ব্যাপার আপু ,
আমি মাছ ভাজতে গেলে গরম তেল ছিটে এসে হাতে, মুখে লাগে । চশমা পড়ি বলে চোখটা রক্ষা । আমার ভাইয়া আমাকে খুব বকা দেয় । বলে "তোর আর মাছ খেতে হবে না" । তেলে মাছ দেওয়ার ৩/৪ মিনিট পর থেকেই এই কাহিনী হয় । এ থেকে রক্ষার উপায় কি ?
এ নিয়ে আমি খুব কষ্টে আছি ।
প্লিজ হেল্প মি ।
ধন্যবাদ ।