ঈ, ঊ , ণ , শ ,ং
সাধারনত বাঙলা বানান ভুল হয়ে থাকে ঈ, ঊ , ণ , শ ,ং এই পাঁচটি অক্ষরের জন্যে। ঈ, ঊ, ণ যতদিন জিবিত থাকবে বানান ভুল থেকে বাঁচার কোন উপায় নেই। তাছাড়া শ এবং ং এর বদলে স আর ং দিয়ে যখন দিব্যি কাজ চালানো যায় , তখন ওদুটো বোঝাকে ধরে রেখে ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি? তাহলে বাঙলা ভাষা সহজ ও সরলভাবে লিখতে ও পড়তে আর বানান ভুলের হাত থেকে বাঁচতে এই পাঁচটি অক্ষর বাদ দেয়াইতো ভাল। ধুলো থেকে পা বাঁচাতে পুরো দেসের ধুলো ঝেটিয়ে বিদেয় করতে গিয়ে মহা বিপত্তি ঘটানোর চেয়ে মুচির পরামর্স মত জুতো দিয়ে পা মুড়িয়ে নেয়াইতো বুদ্ধিমানের কাজ। বলতে আর সুনতে যদি বানান কোন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় তবে লিখতে বা পড়তে কেন সমস্যা হবে। বাঙলা ভাষায় এমন বহু সব্দ আছে যার বানান এক , কিন্তু মানে একাধিক। যেমন , ময়না মানে ময়না পাখি হতে পারে আবার ময়না তদন্তও হতে পারে। তুলা মানে কার্পাস বা সিমুল হতে পারে , আবার দাড়ি পাল্লাও হতে পারে। তাহলে ঈ এর বদলে ই , ঊ এর বদলে উ, ণ এর বদলে ন , শ এর বদলে স আর ং এর বদলে ং দিয়ে লিখলে মানে বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া উচ্চারনের বেলায় স বা শর উচ্চারন যদি কোন সময় ছ'র মত হতে পারে তবে ই'র উচ্চারন ঈর মত আর উ'র উচ্চারন ঊ'র মত হতে দোষ কোথায়। তবে স'র উচ্চারন ছ'র মত হওয়া বাঞ্ছনিয় নয়। কারণ ছ উচ্চারনের জন্য ছ'তো আছেই। এরপর ণ'র কথা। ণ'র বদলে ন ব্যবহারে একেবারেই সমস্যা নেই। এই অক্ষরটি যে এতকাল টিকে আছে কিভাবে , ভাবলে অবাক হতে হয়! সমস্যা ভাবলেই সমস্যা। মেনে নিলে সব ঠিক। একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে , ওই পাঁচটি অক্ষরের কারনে যে সমস্ত সব্দ যিনি ভুল বলে মনে করেন, তিনি কিন্তু সব্দটির মানে প্রথমেই বুঝে নিয়েছেন, পরে বানানের ভুল ধরেছেন। মানে বুঝতে না পারলে ভুল ধরলেন কিভাবে? তাই সাধারন মানুষকে স্বস্তি দিতে, প্রতিটি বাঙলা ভাষাভাষির কাছে সহজ ও নির্ভুল বানান উপহার দিতে ঈ,ঊ,ণ,ং, শ এই পাঁচটি অক্ষর বাদ দিয়ে বাঙলা ভাষা চর্চা করাই ভাল। নয়ত সবাইকে বাঙলা অভিধান একটা বোগলদাবা করে চলাফেরা করতে হবে।
( আমার পোস্টটিতে " ঈ,ঊ,ণ,ং ও শ " ব্যবহার করা হয়নি)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


