আমার প্রিয় পোস্ট

ইহুদী, খৃষ্ট ও ইসলাম ধর্মের তুলনামূলক বিচার‍‍: প্রসঙ্গ অবৈধ যৌনাচার

০৭ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

শেয়ারঃ
0 1 0

ইহুদি ধর্ম:
মূল গ্রন্থ : তাওরাত ( Torah, Old Testament)
ভাষা : হিব্রু

איה היבא-תא תונזל לחת יכ ןהכ שיא תבו ט
:ףרשת שאב תללחמ
কোন পুরোহিতের মেয়ের যদি বেশ্যাগিরির দরুন পতন হয় তবে সে তার বাবাকেই আলাদা করা অবস্থা থেকে সাধারণ অবস্থায় নামিয়ে আনে। সেই মেয়েকে আগুনে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। লেবীয় পুস্তক ২১:৯

ץראה הנזת-אלו התונזהל ךתב-תא ללחת-לא טכ
:המז ץראה האלמו
নিজের মেয়েকে বেশ্যা বানিয়ে তাকে নীচে নামানো চলবে না। তা করলে দেশে বেশ্যাগিরি বেড়ে যাবে এবং শেষে দেশ নোংরামিতে ভরে যাবে। লেবীয় পুস্তক ১৯:২৯

םילותב ואצמנ-אל הזה רבדה היה תמא-םאו כ
:רענל הולקסו היבא-תיב חתפ-לא רענה-תא ואיצוהו אכ 21
הלבנ התשע-יכ התמו םינבאב הריע ישנא
“কিন্তু কথাটা যদি সত্যি হয় এবং মেয়েটির কুমারী অবস্থার কোন প্রমাণ পাওয়া না যায়, ২১ তবে মেয়েটিকে তার বাবার বাড়ীর দরজার কাছে নিয়ে যেতে হবে। সেই জায়গার পুরুষ লোকেরা সেখানে পাথর ছুঁড়ে তাকে মেরে ফেলবে। বাবার বাড়ীতে থাকবার সময়ে ব্যভিচার করে সে ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে ভীষণ ঘৃণার কাজ করেছে। তোমরা তোমাদের মধ্য থেকে এই রকম মন্দতা শেষ করে দেবে।----বাইবেল: দ্বিতীয় বিবরণ

ותמו לעב-תלעב השא-םע בכש שיא אצמי-יכ בכ
תרעבו השאהו השאה-םע בכשה שיאה םהינש-םג :לארשימ ערה שיא האצמו שיאל השראמ הלותב רענ היהי יכ גכ 23 :המע בכשו ריעב םתלקסו אוהה ריעה רעש-לא םהינש-תא םתאצוהו דכ 24 רשא רבד-לע רענה-תא ותמו םינבאב םתא הנע-רשא רבד-לע שיאה-תאו ריעב הקעצ-אל :ךברקמ ערה תרעבו והער תשא-תא
কোন লোককে যদি অন্য কারও স্ত্রীর সংগে শুতে দেখা যায় তবে যে তার সংগে শুয়েছে সেই পুরুষ ও সেই স্ত্রীলোক দু’জনকেই মেরে ফেলতে হবে। তোমরা ইস্রায়েলীয়দের মধ্য থেকে এই রকম মন্দতা শেষ করে দেবে। ২৩ “বিয়ে ঠিক হয়ে আছে এমন কোন কুমারী মেয়েকে গ্রাম বা শহরের মধ্যে পেয়ে যদি কেউ তার সংগে শোয়, ২৪ তবে তাদের দু’জনকেই সেখানকার ফটকের কাছে নিয়ে গিয়ে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলতে হবে। মেয়েটিকে মেরে ফেলতে হবে কারণ গ্রাম বা শহরের মধ্যে থেকেও সে সাহায্যের জন্য চিৎকার করে নি, আর পুরুষটিকে মেরে ফেলতে হবে কারণ সে অন্যের স্ত্রীকে নষ্ট করেছে। তোমাদের মধ্য থেকে এই রকম মন্দতা তোমরা শেষ করে দেবে। -------বাইবেল: দ্বিতীয় বিবরণ

השראמה רענה-תא שיאה אצמי הדשב-םאו הכ:ודבל המע יכ תומ אטח רענל ןיא רבד השעת-אל רענלו וכ 26 רבדה ןכ שפנ וחצרו והער-לע שיא םוקי רשאכ :הזה עישומ ןיאו השראמה רענה הקעצ האצמ הדשב יכ זכ 27 :הל השפתו השרא-אל רשא הלותב רענ שיא אצמי-יכ חכ 28 :ואצמנו המע בכשו ףסכ םישמח רענה יבאל המע בכשה שיאה ןתנו טכ 29 החלש לכוי-אל הנע רשא תחת השאל היהת-ולו :וימי-לכ
বিয়ে ঠিক হয়ে আছে এমন কোন মেয়েকে নির্জন খোলা মাঠে পেয়ে যদি কেউ জোর করে তার সংগে শোয় তবে যে লোকটি তা করবে কেবল তাকেই মেরে ফেলতে হবে। ২৬. মেয়েটির প্রতি তোমরা কিছু করবে না; মৃত্যুর শাস্তি পাবার মত কোন পাপ সে করে নি। এটা একজন আর একজনকে ধরে মেরে ফেলবার মতই, ২৭. কারণ লোকটি মেয়েটিকে খোলা মাঠে পেয়েছিল আর বিয়ের কথা দেওয়া মেয়েটি যদিও চিৎকার করেছিল তবুও তাকে রক্ষা করবার মত কেউ সেখানে ছিল না। ২৮. “বিয়ে ঠিক হয় নি এমন কোন কুমারী মেয়েকে পেয়ে যদি কেউ জোর করে তার সংগে শোয় আর যদি তারা ধরা পড়ে, ২৯. তবে লোকটিকে মেয়ের বাবাকে আধা কেজি রূপা দিতে হবে। মেয়েটিকে নষ্ট করেছে বলে তাকে তার বিয়ে করতে হবে। সে জীবনে কখনও তাকে ছেড়ে দিতে পারবে না।-------বাইবেল: দ্বিতীয় বিবরণ

רהמכ לקשי ףסכ ול התתל היבא ןאמי ןאמ-םא זט
:תלותבה
কারও সংগে বিয়ের সম্মন্ধ হয় নি এমন কোন কুমারী মেয়েকে যদি কেউ ভুলিয়ে এনে তার সংগে ব্যভিচার করে, তবে সেই লোকটাকে তার বিয়ের পণ দিতে হবে এবং মেয়েটা তার স্ত্রী হবে।---যাত্রা পুস্তক: ২২:১৬

ודבל הוהיל יתלב םרחי םיהלאל חבז טי
“কোন পশুর সংগে যদি কেউ ব্যভিচার করে তবে অবশ্যই তাকে মেরে ফেলতে হবে।------যাত্রা পুস্তক: ২২:১৯

খৃষ্ট ধর্ম:
মূল গ্রন্থ : ইন্জিল ( New Testament)
ভাষা : গ্রিক

Ἠκούσατε ὅτι ἐρρέθη τοῖς ἀρχαίοις, Οὐ μοιχεύσεις. 28 ἐγὼ δὲ λέγω ὑμῖν ὅτι πᾶς ὁ βλέπων γυναῖκα πρὸς τὸ ἐπιθυμῆσαι αὐτὴν ἤδη ἐμοίχευσεν αὐτὴν ἐν τῇ καρδίᾳ αὐτοῦ.
তোমরা শুনেছ, আগে (মুসা: এর আইনে) এই কথা বলা হয়েছে 'ব্যাভিচার করো না' কিন্তু আমি (ঈসা আ.) বলছি যে কেউ-ই কোন নারীর দিকে কামনার চোখে তাকায় সে তখন-ই মনে মনে তাঁর সঙ্গে ব্যাভিচার করল।" NT: Matthew: 5:27-28

λέγω δὲ ὑμῖν ὅτι ὃς ἂν ἀπολύσῃ τὴν γυναῖκα αὐτοῦ μὴ ἐπὶ πορνείᾳ καὶ γαμήσῃ ἄλλην, μοιχᾶται· καὶ ὁ ἀπολελυμένην γαμήσας μοιχᾶται.
আমি আপনাদের বলছি, যে কেউ ব্যভিচার দোষ ছাড়া অন্য কোন কারণে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে অন্যকে বিয়ে করে সে ব্যভিচার করে। NT: Matthew: 19:09

ἦν δέ τις ἄνθρωπος ἐκεῖ τριάκοντα καὶ ὀκτὼ ἔτη ἔχων ἐν τῇ ἀσθενείᾳ αὐτοῦ.
“তৌরাত শরীফে মূসা এই রকম ব্যভিচারী স্ত্রীলোকদের পাথর ছুঁড়ে হত্যা করতে আমাদের হুকুম দিয়েছেন।” NT: John: 8:5

ἀλλὰ ἐπιστεῖλαι αὐτοῖς τοῦ ἀπέχεσθαι ἀπὸ τῶν ἀλισγημάτων τῶν εἰδώλων καὶ τῆς πορνείας καὶ τοῦ πνικτοῦ καὶ τοῦ αἵματος. NT: ACT: 15:20
তার চেয়ে বরং আমরা তাদের কাছে এই কথা লিখি যে, তারা যেন প্রতিমার সংগে যুক্ত সব কিছু থেকে এবং সমস্ত রকম ব্যভিচার থেকে দূরে থাকে, আর গলা টিপে মারা পশুর
গোশ্ত এবং রক্ত যেন তারা না খায়। NT: ACT: 15:20

ἀπέχεσθαι εἰδωλοθύτων καὶ αἵματος καὶ πνικτοῦ καὶ πορνείας· ἐξ ὧν διατηροῦντες ἑαυτοὺς εὖ πράξετε. ἔρρωσθε.
“সেই দরকারী বিষয়গুলো হল, আপনারা মূর্তির কাছে উৎসর্গ করা খাবার খাবেন না, রক্ত খাবেন না, গলা টিপে মারা পশুর গোশ্ত খাবেন না এবং কোন রকম জেনা করবেন না। এই সব করা থেকে দূরে থাকলে আপনারা ভাল করবেন। বিদায়।” NT:ACT:15:29

περὶ δὲ τῶν πεπιστευκότων ἐθνῶν ἡμεῖς ἐπεστείλαμεν κρίναντες μηδὲν τοιοῦτον τηρεῖν αὐτοὺς, εἰ μὴ φυλάσσεσθαι αὐτοὺς τό τε εἰδωλόθυτον καὶ τὸ αἷμα καὶ πνικτὸν καὶ πορνείαν.
২৫ কিন্তু যে অ-ইহুদীরা ঈমানদার হয়েছে তাদের জন্য আমরা যা ঠিক করেছি সেই স¤¦ন্ধে তাদের কাছে এই কথা লিখে জানিয়েছি যে, মূর্তির কাছে উৎসর্গ করা খাবার তারা খাবে না, রক্ত খাবে না, গলা টিপে মারা কোন পশুর গোশ্ত খাবে না আর কোন রকম জেনা করবে না NT:ACT:21:25

Ὅλως ἀκούεται ἐν ὑμῖν πορνεία, καὶ τοιαύτη πορνεία, ἥτις οὐδὲ ἐν τοῖς ἔθνεσιν ὀνομάζεται, ὥστε γυναῖκά τινα τοῦ πατρὸς ἔχειν.
শোনা যাচ্ছে, তোমাদের মধ্যে ব্যভিচারের পাপ আছে, আর সেই ব্যভিচার এমন জঘন্য রকমের যে, অযিহূদীরা পর্যন্ত তা করে না। এমন কি, একজন তার সৎমাকে নিজের স্ত্রীর মত করে রেখেছে। NT:1 CORINTHIANS : 5:1

τὰ βρώματα τῇ κοιλίᾳ, καὶ ἡ κοιλία τοῖς βρώμασιν· ὁ δὲ Θεὸς καὶ ταύτην καὶ ταῦτα καταργήσει. τὸ δὲ σῶμα οὐ τῇ πορνείᾳ, ἀλλὰ τῷ Κυρίῳ, καὶ ὁ Κύριος τῷ σώματι·
আবার কেউ কেউ এই কথাও বলে, “খাবার পেটের জন্য আর পেট খাবারের জন্য।”বেশ ভাল কথা, কিন্তু এই দু’টাই একদিন ঈশ্বর বাতিল করে দেবেন। দেহ ব্যভিচার করবার জন্য নয় বরং তা প্রভুরই জন্য, আর প্রভু দেহের জন্য। NT:1 CORINTHIANS : 6:13

φεύγετε τὴν πορνείαν. πᾶν ἁμάρτημα ὃ ἐὰν ποιήσῃ ἄνθρωπος ἐκτὸς τοῦ σώματός ἐστιν, ὁ δὲ πορνεύων εἰς τὸ ἴδιον σῶμα ἁμαρτάνει.
সমস্ত রকম ব্যভিচার থেকে পালিয়ে যাও। মানুষ অন্য যে সব পাপ করে তা তার দেহের বাইরে করে, কিন্তু যে ব্যভিচার করে সে নিজের দেহের বিরুদ্ধেই পাপ করে।
NT:1 CORINTHIANS : 6:18

διὰ δὲ τὰς πορνείας ἕκαστος τὴν ἑαυτοῦ γυναῖκα ἐχέτω, καὶ ἑκάστη τὸν ἴδιον ἄνδρα ἐχέτω.
কিন্তু চারদিকে অনেক ব্যভিচার হচ্ছে, সেইজন্য প্রত্যেক পুরুষের নিজের স্ত্রী থাকুক আর প্রত্যেক স্ত্রীর নিজের স্বামী থাকুক। NT:1 CORINTHIANS : 7:2

μηδὲ πορνεύωμεν, καθώς τινες αὐτῶν ἐπόρνευσαν καὶ ἔπεσον ἐν μιᾷ ἡμέρᾳ εἰκοσιτρεῖς χιλιάδες.
তাঁদের মধ্যে অনেকে ব্যভিচার করবার ফলে একই দিনে তেইশ হাজার লোক মারা গিয়েছিলেন।আমরা যেন সেইভাবে ব্যভিচার না করি। NT:1 CORINTHIANS : 10:8

μὴ πάλιν ἐλθόντα με ταπεινώσῃ ὁ Θεός μου πρὸς ὑμᾶς καὶ πενθήσω πολλοὺς τῶν προημαρτηκότων καὶ μὴ μετανοησάντων ἐπὶ τῇ ἀκαθαρσίᾳ καὶ πορνείᾳ καὶ ἀσελγείᾳ ᾗ ἔπραξαν..
আমার ভয় হচ্ছে যে, আমি যখন আবার তোমাদের কাছে যাব তখন আমার ঈশ্বর তোমাদের সামনে আমাকে লজ্জা দেবেন, আর যারা আগে পাপ করেছিল অথচ তাদের অশুচিতা, ব্যভিচার ও লম্পটতা থেকে মন ফিরায় নি, তাদের অনেকের জন্য আমি দুঃখ পাব। NT:2 CORINTHIANS : 12:21

φανερὰ δέ ἐστι τὰ ἔργα τῆς σαρκός, ἅτινά ἐστι μοιχεία πορνεία, ἀκαθαρσία, ἀσέλγεια, 20 εἰδωλολατρία, φαρμακεία, ἔχθραι, ἔρεις, ζῆλοι, θυμοί, ἐριθεῖαι, διχοστασίαι, αἱρέσεις, 21 φθόνοι, φόνοι, μέθαι, κῶμοι καὶ τὰ ὅμοια τούτοις, ἃ προλέγω ὑμῖν καθὼς καὶ προεῖπον, ὅτι οἱ τὰ τοιαῦτα πράσσοντες βασιλείαν Θεοῦ οὐ κληρονομήσουσιν.
পাপ-স্বভাবের কাজগুলো পষ্টই দেখা যায়। সেগুলো হল, ব্যভিচার, অশুচিতা, লম্পটতা,২০ প্রতিমা-পূজা, যাদুবিদ্যা, শত্রুতা, ঝগড়া, লোভ, রাগ, স্বার্থপরতা, অমিল, দলাদলি, ২১ হিংসা, মাতলামি, হৈ- হুল্লার করে মদ খাওয়া, আর এই রকম আরও অনেক কিছু। NT: GALATIANS: 5:19-21

πορνεία δὲ καὶ πᾶσα ἀκαθαρσία ἢ πλεονεξία μηδὲ ὀνομαζέσθω ἐν ὑμῖν, καθὼς πρέπει ἁγίοις,
কোন রকম ব্যভিচার, অশুচিতা আর লোভের কথা পর্যন্ত যেন তোমাদের মধ্যে শোনা না যায়, কারণ এই সব কথা ঈশ্বরের লোকদের মানায় না। NT: EPHESIANS: 5:3

আরো দেখুন NT: Col 3:5; 1 Thess. 4:3; Jude 1:7; Rev. 2:14, 20-21; 9:21; 14:8; 17:2,4).


ইসলাম:
মূল গ্রন্থ : কোরআন
ভাষা : আরবী

وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَا ۖ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا]
আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ। বনী ইসরাইল: ৩২

الزَّانِي لَا يَنْكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَالزَّانِيَةُ لَا يَنْكِحُهَا إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ ۚ وَحُرِّمَ ذَٰلِكَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ
ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। আন-নুর: আয়াত:৩

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ ۖ وَلَا تَأْخُذْكُمْ بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۖ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ]
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। আন-নুর: আয়াত:২

إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ۚ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ]
যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না। আন-নুর: আয়াত ১৯

وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَٰلِكَ يَلْقَ أَثَامًا ]
এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের এবাদত করে না, আল্লাহ যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সঙ্গত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে। ফুরকান: ৬৮

وَاللَّاتِي يَأْتِينَ الْفَاحِشَةَ مِنْ نِسَائِكُمْ فَاسْتَشْهِدُوا عَلَيْهِنَّ أَرْبَعَةً مِنْكُمْ ۖ فَإِنْ شَهِدُوا فَأَمْسِكُوهُنَّ فِي الْبُيُوتِ حَتَّىٰ يَتَوَفَّاهُنَّ الْمَوْتُ أَوْ يَجْعَلَ اللَّهُ لَهُنَّ سَبِيلًا]
আর তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচারিণী তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে চার জন পুরুষকে সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ নির্দেশ না করেন। নিসা: আয়াত ১৫


يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَىٰ أَنْ لَا يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا وَلَا يَسْرِقْنَ وَلَا يَزْنِينَ وَلَا يَقْتُلْنَ أَوْلَادَهُنَّ وَلَا يَأْتِينَ بِبُهْتَانٍ يَفْتَرِينَهُ بَيْنَ أَيْدِيهِنَّ وَأَرْجُلِهِنَّ وَلَا يَعْصِينَكَفِي مَعْرُوفٍ ۙ فَبَايِعْهُنَّ وَاسْتَغْفِرْ لَهُنَّ اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
হে নবী, ঈমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবী করবে না এবং ভাল কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু। সূরা: মুমতাহিনা: আয়াত ১২

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্ম ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:০৩
তানভীর রাতুল বলেছেন: সবই সমান প্রায়, কাছাকাছি সময়ের দৃষ্টিভঙ্গি
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:০৫
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়াল। সহমত

৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১০
ডিজিটালভূত বলেছেন: আল কুরআন থাকতে তাওরাত ইনজীল পড়ার কোন দরকার নেই।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: সহমত।

০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: হুমম

৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৩
স্মরন বলেছেন: অসাধারণ। আমি ওল্ড টেস্টামেন্ট খুঁজতেছি অনেক দিন ধরে। আপনার কাছে কোন সফট্‌ কপি থাকলে দেবেন দয়া করে।

০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: কোনটা লাগবে। বাংলা না ইংলিশ ?

০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: ?@?

৭. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৬
বিনলাদিন বলেছেন: ইহুদি খ্রষ্টান ইসলাম এ ৩ ধর্মের উৎস একই (আল্লাহ থেকে)। হাজার বছর আগে মানুষের সংখ্যা অথবা অন্য কোনো কারণে (আল্লাহ জানেন কি কারণ) তখনকার ইসলাম ধর্ম ছিল তখনকার ইহুদি ধর্ম (তখনকার জন্য ওটাই ইসলাম ধর্ম)। এটা আমরা অনেকেই জানি। আল্লাহর পাঠানো ৪ টি পুস্তকেই মুর্তি বানিয়ে পূজা করার বিধান নাই। এবং একটাতে অন্য পুস্তকের কথা ও নবী সম্বন্ধে লেখা থাকে।

মুহাম্মদ (স) যদি নিজে ধর্মটা বানাতো তাহলে তিনি পূর্বের ধর্মগুলির রিফারেন্স টানলেন কেন? এবং ওগুলো যে সত্য ছিল তাও বিশ্বাস করতে হবে। কিন্তু হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্ম যেহেতু মানুষ বানিয়েছে তাই ওই দুইটা ধর্ম এক রকম।

এটা সংসদে যেমন সংশোধনী আনা হয়, তেমনি অতিতের ধর্ম গ্রন্থকে আল্লাহ নতুনভাবে পাঠিয়েছিলেন মানুষের মধ্যে আর যখন নতুনটা এসেছে তখন পুরাতনটা বাদ বলেছেন। কিন্তু অনেক মানুষ পুরাতনটাকে ধরে রেখেছে।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আল্লাহর পাঠানো ৪ টি পুস্তকেই মুর্তি বানিয়ে পূজা করার বিধান নাই। সহমত। গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এর পরের পর্বে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের তুলনামূলক আলোচনা থাকবে।

৮. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৫
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: ধর্মতে তার এলাকা প্রকাশ পায় ।

ইসলাম-খ্রিষ্টান-ইয়াহুদি

এবার আসেন আপনার উপমহাদেশ/হিমালয় উপতক্যার

সনাতন-বৌদ্ধ-শিখ-জৈন

প্রথম তিনটায় অনেক মিল ,

শেষের চারটায় ও অনেক মিল
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: সহমত। সনাতন বৌদ্ধ শিখ ও জৈন ধর্মের মধ্যে অমিলের চেয়ে মিল-ই বেশি। বিশেষ করে বৌদ্ধ, হিন্দু ও জৈন ধর্মের মধ্যে অনেক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

৯. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: লিঙ্গের মাথায় ঈমানের অবস্হান। লিঙ্গ নিয়ে সবারই ভাল আগ্রহ ছিল দেখতে পাচ্ছি।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: ইদানিং অবাধ যৌনাচারের কালচারটা সব জায়গায় ছেয়ে যাচ্ছে। সেই বিচারে বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি যদি আরেকটু মনোযোগী হতেন তাহলে হয়তো পাঠকেরা সহসা অপ্রস্তুত হবে না।

১০. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৯
স্মরন বলেছেন: বাংলা এবং ইংলিশ ২ টাই দেবেন ভাইজান। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।


বিপ্লব, সনাতন-বৌদ্ধ-শিখ-জৈন ধর্মে কি ঈশ্বর/সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু আছে!! থাকলে তার ধরণ কি!! :P
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি আজ কাল এর মধ্যে পাঠিয়ে দিব।

১১. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩১
রাখালছেলে বলেছেন: নতুন কিছু জানলাম, নতুন কিছু বুঝলাম ।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৭
কালীদাস বলেছেন: আমি যতটুকু জানতাম তাওরাত বলতে আমরা যেটা পড়ি বা জানি এখন সেটা ঈশা (আঃ) এর সময় তৎকালীন ধর্মগুরুরা বিকৃত করেছিল নিজেদের সুবিধার জন্য এবং ঈশা (আঃ) কে ফাসানোর জন্য। তারপরও দেখলাম ভাষা মুটামুটি একই তিনটার গ্রন্হের।

ভাল পোস্ট।++++++++
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: "আমি যতটুকু জানতাম তাওরাত বলতে আমরা যেটা পড়ি বা জানি এখন সেটা ঈশা (আঃ) এর সময় তৎকালীন ধর্মগুরুরা বিকৃত করেছিল নিজেদের সুবিধার জন্য এবং ঈশা (আঃ) কে ফাসানোর জন্য।"

আপনি ঠিক-ই ধরেছেন। এ ব্যাপারে অনেক খৃষ্টান পণ্ডিত ও ইতিহাসবেত্তাও একমত।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৭
বালক বন্ধু বলেছেন: চমৎকার লিখনি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশা করি ভবিষ্যতে এমন লিখা আরো পাবো।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বালকবন্ধু। ভাল থাকবেন।

১৪. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪১
পরপুরুষ বলেছেন: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ।
যাযাক আল্লাহ
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: যাযাকাল্লাহ।

১৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৫
হোরাস্‌ বলেছেন: কোরানকে উপরে তুলতে যেয়ে আল্লাহকে এভাবে বাঁশ দেয়া ঠিক হয়নি। আফটার অল সবগুলাই সে লিখছে।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না আপনি কি বলতে চাইছেন!!

০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, যে কোন ধর্ম সংক্রান্ত কথা বলার সময় সংযত ও সভ্য ভাষা ব্যবহার করা উচিৎ।

১৬. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৪
জাহিদ নীল আকাশ বলেছেন: কুরআন আসলেই এটি এমন একটি কিতাব, যাতে সব সমস্যার সমাধান আছে। এখন প্রশ্ন হল আমরা কতটুকু কুরআন পড়ি ও মানি। এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা বুঝি কিন্তু ঠিকমত পালন করি না। সহীহ্ হাদিস শরীফ গুলোতে কুরআন পাঠের অজস্র নেয়ামতের কথা বলা আছে। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিকভাবে কুরআন বুঝার ও পাঠ করার তৌফিক দিন। আমিন। আমিন। আমিন।

বিন লাদেনের কথার সাথে একমত। ইহুদি খ্রষ্টান ইসলাম এ ৩ ধর্মের উৎস একই (আল্লাহ থেকে)। আল্লাহর পাঠানো ৪ টি পুস্তকেই মুর্তি বানিয়ে পূজা করার বিধান নাই। তাই অন্য ধর্মের লোকদের প্রতিও আমার আবেদন, আপনারা কুরআন পড়ুন এবং সত্য ও মিথ্যাকে পার্থক্য করুন।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

১৭. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৯
এস. এম. রায়হান বলেছেন: বাঁশটা মনে হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী 'হোরাস' নিজেই খাইছেন। তা না হলে এত্ত জ্বলবে ক্যান!
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: হোরাসের কথা আমি বুঝি নি। তবে তার মন্তব্যের কায়দা দেখে আপনার " ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী হোরাস" কথাটার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারছি না। ধন্যবাদ।

০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। যারা তুলনামূলক গবেষণা করতে চান তাদের জন্য লিঙ্কটি যথেষ্ট উপকারে আসবে।

১৯. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০১
এস. এম. রায়হান বলেছেন: @লেখক, কিছু মনে করবেন না। এই ব্লগে তো কেউ হিব্রু বা অ্যারাবিক বুঝে না! ফলে অযথা হিব্রু আর অ্যারাবিক দিয়ে লেখার আকার বড় না করে শুধু বাংলা দিলে পাঠকদের জন্য পড়তে অনেক সুবিধা হতো। পাঠকদের ব্যাপারটা মাথায় রেখে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে লিখতে হয়। তা না হলে অনেক ভাল লেখাও পাঠকদের জন্য বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। পাঠক হিসেবে ব্যক্তিগত মতামত জানালাম।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: সহমত। ব্যাপারটা আমিও ভেবেছিলাম। যেহেতু কোরআন শরীফের ক্ষেত্রে মেইন টেক্সট ব্যবহার করেছি তাই তাওরাত ও ইন্জিলের ক্ষেত্রেও মূল ভাষা ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেই। তাছাড়া গ্রন্থগুলোর মূল ভাষা সম্পর্কেও পাঠকদের অভিজ্ঞতা হবে। যদিও ঈসা. আ. ভাষা গ্রিক ছিল না কিন্তু পরবর্তীতে ইন্জিল লেখকরা তা গ্রীক ভাষাতেই সর্বপ্রথম লিপিবদ্ধ করেন। গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

২০. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০৫
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: শেষ পর্যন্ত মাইনাস ই দিলাম ।

আপনার বলা আল্লাহর তিন পুতে (ইসলাম-ইহায়ুদি-খ্রিস্টান) এত মারামারি করে কেন ? এর কোন উত্তর দিতে পারবেন ? একজন আরেকজনকে ঘৃনা করে কেন ?
ইহাহুদিরা মুসলমানদের মানুষ মনে করে না কেন ? আবার মুসলমানরা ইয়াহুদিদের কাফের বলে কেন ?

আসলে তিনটিই এক এলাকার লোকজনের দ্বারা লেখা ও প্রচারিত বলে এমন হয় । একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে লেগে থাকে ।

ধর্ম বুঝতে হলে আগে সমাজটা বুঝতে হবে । আপনার দ্বারা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের তুলনামূলক লেখা না লেখাই ভাল । এগুলো অনেক কঠিন কর্ম ।

আপনি কি মনে করেন না , এই তিনটির (ইসলাম-ইহায়ুদি-খ্রিস্টান) প্রিষ্টরা এক হয়ে গেলে পৃথিবিতে মারামারি কমে যাবে !!!!! বুশ আর ক্রুসেড বলে আফগান - ইরাক আক্রমন করবে না। ইসরায়েল ফিলিস্তিন মারবে না। ইরান শান্ত হয়ে যাবে । আত্নঘাতি হামলা কমে যাবে ।

এ বিষয়ে আপনার কি মত । আমি তো বলছি তিনটি মতের প্রিষ্টরা এক হয়ে যাক । হানাহানি কমুক ।

চরম ধূর্ত রাজনীতি তিনটির মধ্যেই অবস্হান । এক এলাকার বলে ওদের সংবিধানগুলো ও একই রকম । তাই কখন ও এক হতে পারবে না ।



০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আমি আসলে শুধু তিনটি ধর্মের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর তুলনামূলক অবস্থান তুলে ধরেছি। এতে আমি নিজের কোন মত দেই নি। ধর্মগুলোর স্ব স্ব গ্রন্থ থেকে উদ্বৃতি দিয়েছি মাত্র।

২১. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:১৭
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আর কোন অবিশ্বাসীকে সনাতন ধর্ম নিয়ে বুঝতে হবে না। কারন অবিশ্বাসীরা সব সময়ই ধূর্ত। সনাতন ধর্ম কখন ও কোন মার্কেটিং করে না যে আমার দলে আসো। পৃথীবির কয়েকটি ধূর্ত রাজনৈতিক মত এমনই করে । করে বিষেদাগার । নিজেদের মধ্যে তুলনামূলক পর্যালোচনা করে । নিজেকে শ্রেষ্ট বলে । বলে , ওদের জন্মহার বেশি তাই ওরা বেশি। আমাদের জন্মহার কম , কিন্তু কনভার্টে আমরা অগ্রভাগে । (তথ্য: ইন্টারনেট)


আসলে তারা মিথ্যা ও হিংসার ভান্ডার নিয়ে বসে আছে । লোভ-কাম ইত্যাদিই শেষ মত ওদের কাছে । মানুষ হত্যা, পশু হত্যা ইত্যাদি শেষ কর্ম । আর দখলের পরিমান বাড়ানোর জন্য আছে সুমধুর মার্কেটিং । এটিকে নিজের করে নিয়ে নিয়েছে । কখন ও অস্র দিয়ে আবার কখন ও সুই হয়ে ঢুকে , ওরা নিজের মতের সমালোচনা সহ্য করে না কখনই । মিথ্যার উপাসকরা তা কখন ও তা করতে পারে না। ।

আসলে ঈশ্বর পৃথিবিকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য এদের জনম দিয়েছে । ওদের একটি বিশেষ নাম ও আছে তা ও ঈশ্বর বলে দিয়েছে । ওরা আসলেই ভীষন । ঈশ্বরের দেয়া নাম ঈশ্বরেই থাক। আমি বলছি না ওদের আসল নামটা কি ?



২২. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৭
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: এখন যাব : যাবার আগে বলে যাই , উপরে যারা সনাতন ধর্মকে টেনে এনেছেন ।

পোষ্টের বিষয় ছিল : মধ্যপৃথীবির ও মধ্যযুগের মত/ধর্ম/রাজনীতি সংবিধান । সনাতন এখানে বিষয় ছিল না । নিজের আল্লাহ কে বড় করার জন্য অন্যকে মিথ্যা বলার চেষ্টা করেছেন ।

আপনার আল্লাহ কি বলেছে , হিন্দু - বৌদ্ধ মিথ্যা ?

উনি যদি এগুলো বলে থাকে , আর উনার কথা যদি আপনি লাফ দেন তাহলে শুনেন , হিন্দুদের দ্বাপরের অবতার শ্রিকৃষ্ণের একটি লীলাতে
উনার সম্বন্ধে ও একটি খারাপ কথা লেখা আছে, শ্রীকৃষ্ণ নিজেই বলেছেন । আমি কথাটি এখানে বলে আপনাদের দু:খ দিতে চাই না :) :) :) :) হাহা

বেশি বুইঝেন না । নিজের টা নিয়ে নিজেই থাকুন । নিজেরটা পর্যলোচনা করতে থাকুন , অন্যের টাতে হাত দিতে যাইয়েন না। হাত দিলে অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে । মনে রাখুন , এটি শুক্রবারের মাইকে কথা বলা নয় ।
এখানে হিন্দু ও অন্য মতের বিপক্ষে আগে থেকে বললে তার জন্য কলম ধরবে এমন একদুজন আছে ।

কি বুঝলেন : বেশি না বুঝতে , আর নিজেরটা নিয়ে নিজে থাকতে । অন্যেরটা টানাটানি করা ঠিক না ।



২৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৩
অয়ন031 বলেছেন: খুব ভাল লাগল আপনার লেখা পড়ে।মুসলিমদের জন্য পূর্ববর্তী কিতাবী ধর্ম গুলিতে বিশ্বাস ইমানের অংশ, আর সব ধর্মই সততার কথা বলে, কারণ মহাণ আল্লাহই যুগের প্রয়োজনে বিভিন্ন ধর্মের অবতারণা করেছেন পবিত্র ধর্মগ্রন্থ সহ।


বিপ্লব কান্তি বলেছেন(লেখককে): আপনার দ্বারা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের তুলনামূলক লেখা না লেখাই ভাল । এগুলো অনেক কঠিন কর্ম ।

ভাই বিপ্লব কান্তি, আমরা যারা হিন্দু বৌদ্ধ সহ সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা করি , তাদের জন্য এই কঠিন কর্মটি আপনি নিজেই করুন না, আমরা উপকৃত হব।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার বস্তুনিষ্ঠ মতামতের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। বিপ্লব কান্তি কেন ব্যাপারটাকে অযথা ঘুরিয়ে দেখছেন তা আমার বোধগম্য না। একটি তুলনামূলক উপস্থাপনাকে তিনি পক্ষপাতপুষ্ট মনে করে অনেক কিছুই বলে ফেললেন।

০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুবেল।

২৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৯
হোরাস্‌ বলেছেন: @ লেখক, আপনার টাইটেল বলছে "ইহুদী, খৃষ্ট ও ইসলাম ধর্মের তুলনামূলক বিচার‍‍: ইহুদী, খৃষ্ট ও ইসলাম ধর্মের তুলনামূলক বিচার‍‍:"। তার মানে আপনি একটিকে অন্যগুলোর তুলনায় ভালো বলছেন। এখন তিনটা বই-ই একজনই লিখেছেন। তাইলে ব্যাপারটা কি দাড়াইলো? আশা করি এর থেকে বেশি ব্যাখ্যা দেয়ার দরকার নেই।

যদি বলেন বাকি দুইটা বই করাপ্ট হইছে তাইলে তো তুলনা করার কিছু নাই। আপনি নিজেই তো জানেন সেগুলা করাপ্ট। একটা করাপ্ট বইয়ের সাথে তুলনা করার কি অর্থ থাকতে পারে?

@ হুজুরে পাক হয়রান বাবা কেবলামুখী, আপনার কমেন্ট আমার কাছে আশীর্বাদের মত। আপনার মহান দিলে আমার জন্যে একটুখানি জায়গা আছে দেইখ্যা আমি যারপর নাই প্রীত হইলাম।

০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: প্রচলিত অর্থে ইহুদি, খৃষ্টান ও ইসলাম ধর্মের অনুসারিরা যে গ্রন্থের উপর বিশ্বাস করে আমি সেগুলোর উদ্ধৃতি দিয়েছি। সেটা করাপ্ট না ইনট্যাক্ট সেরকম কোন প্রসঙ্গে এখানে আসে নি আসার অবকাশও নেই। তবু বলছি, করাপ্ট আর বাতিল শব্দ দুটোর মানে এক নয়। শব্দ দুটির মধ্যে পার্থক্য আছে। খৃষ্টান আর ইহুদিরা সেটা মেনে নিয়েই ধর্ম চর্চা করছে। ক্যাথলিকদের তাওরাতের ভূমিকায় স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে বিভিন্ন লেখক বিভিন্ন সময়ে এ গ্রন্থগুলোর মধ্যে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন এবং অনেক সময় তা থেকে মূল শ্লোকাগুলো আলাদা করা কঠিন হয়ে যায়। তারপরও ইহুদিরা শুধু তাওরাতকে আর খৃষ্টানরা তাওরাত ও বাইবেল উভয়কেই মেনে নিয়েছে। পুরোপুরি বাতিল করে দেয় নি। অনেকেই প্রাণান্তকর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে মূল শ্লোকাগুলো আলাদা করার জন্য। তাই করাপ্ট ও বাতিল শব্দটির পার্থক্য ভালমত নজরে রাখতে হব।

কোন ধর্মের অনুসারিদের যখন বুঝতে চাইবেন তখন তাদের ধর্মের মূল গ্রন্থটি আপনাকে অবশ্যই আমলে আনতে হবে তা যতই করাপ্ট হোক না কেন। যেমন আপনি যদি ইহুদি ধর্মকে বুঝতে চান তাহলে তাওরাত বাদ দিয়ে সে ধর্মকে বোঝার আর কোন উপায় নেই। অন্যান্য আস্তিবাদী বা নাস্তিবাদী যে কোন ধর্মের বেলায় এক-ই কথা প্রযোজ্য।

২৬. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০০
শয়তান হন্তারক বলেছেন: এইচ.এস. খান ভাই, আপনার অনুরোধে কমেন্টগুলো মুছে দিলাম। ধন্যবাদ।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: :-< =p~ |-)

২৮. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৩১
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হয়রান আর বিপ্লবকান্তির লম্ফে মজাক পাইলাম।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: তারা ব্যাপারটাকে এভাবে দেখছেন কেন বোধগম্য না। ধন্যবাদ।

২৯. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৩৭
অলস ছেলে বলেছেন: সুন্দর। কয়েকটা অজানা বিষয় পড়লাম। ধন্যবাদ।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৩৫
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: তাহাদের উভয়েরই ব্যপক চুলকানি ব্যারাম।:)
৩১. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১
রিজওয়ান খান বলেছেন: সালাম, ভাই খুব ভালো পোষ্ট পাঠিয়েছেন, দয়া করে আমাকে একটু বাংলা ইংলিশ দুটোই সফ্ট কপি পাঠিয়ে দিন। ধন্যবাদ।
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: সালাম।
ধন্যবাদ। আমি আজ কালের মধ্যে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

৩২. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: একটা মজার অবজারভেশন আপনার পোস্ট কন্টেন্ট থেকে-

যে ইহুদিবাদিদের মুসলিমরা এত ঘৃণা করে সেই ইহুদিবাদেই ব্যাভিচারের শাস্তির সমবন্টন ঘটেছে, এবং বিশদভাবে।

খ্রীস্টানরা তাদের মহাপ্রভুর কাছে সপে দিয়েছে ব্যাভিচারি কে।

ইসলামেও এটাকে প্রায় পুরোপুরি ভাবেই তাদের আল্লার হাতে ছেড়ে দিয়েছে।


অফঃ-আমার মেইল আইডি দিলাম raehatuzzahar@gmail কাইন্ডলি ওল্ড টেস্টামেন্টের দুইটা ভার্সনই দিয়েন।
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: খৃষ্টানরা আসলে ইহুদিদের আইন গ্রন্থ তাওরাতকেই (পেন্টাটিউক) অনুসরণ করে। কারণ ঈসা আ. হাতে গোনা কয়েকটি রদবদল ছাড়া ইহুদিদের মধ্যে মুসার আইন-ই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।

"ইসলামেও এটাকে প্রায় পুরোপুরি ভাবেই তাদের আল্লার হাতে ছেড়ে দিয়েছে।"
আপনার এ কথাটি বুঝলাম না। কোরআনে এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র বিধান আছে।

আজকালের মধ্যেই বাইবেলগুলো পাঠিয়ে দিব। ধন্যবাদ।

৩৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫১
জেবাল বলেছেন: বিপ্লব কান্তিরে মাইনাস
৩৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:৪১
জামিল আহমেদ জামি বলেছেন: জেবাল বলেছেন: বিপ্লব কান্তিরে মাইনাস
৩৫. ১২ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:৪৯
মুসা ভাই বলেছেন: বিগত ৫ বছর যাবত আমি এই ধরনের তথ্য খুজতেছি....
অনেক বেশি উপকার করলেন...অনেক অনেক ধন্যবাদ....
১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ

৩৬. ১২ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:০০
টিয়া ময়না বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম
১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯২৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লজ্জা
আদিত্য অনীক

পাখিটা উড়ে গেল নির্বিঘ্নে সীমানা পেরিয়ে
বনের বাঘ বা হরিণও যেতে পারে
পাসপোর্ট ভিসার প্রয়োজন হয় না।
সারি বাঁধা পিপড়া বা দল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই