আমার প্রিয় পোস্ট

এনামুল আজিমঃ অকালে ঝরে পড়া একটি প্রতিভা

২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২

শেয়ারঃ
0 9 0

এনামুল আজিমঃ অকালে ঝরে পড়া একটি প্রতিভা
(ভোরের কাগজ, ৩০শে জুন, ২০০৩)

ডঃ মোহাম্মদ কায়কোবাদ,
অধ্যাপক, কম্পিউটার বিজ্ঞান, বুয়েট

সপ্তাহ তিনেক আগে অফিসে বসে আছি। পোস্ট গ্রাজুয়েট ছাত্ররা হয় কোর্স না হয় থিসিস রেজিস্ট্রেশন করার জন্য স্বাক্ষর নিয়ে যাচ্ছে। ভালো হোক আর মন্দ হোক এই স্বাক্ষর দেবার ব্যাপারে আমি বরাবরই বেশী নমনীয়। বিগত বছরগুলিতে আমার অভিজ্ঞতা বলে ৫-৭% এর বেশি ছাত্র ডিগ্রি করে না। পোস্ট গ্রাজুয়েট পোগ্রামে একদিকে বৃত্তির পরিমাণ কম অন্যদিকে কম্পিউটারের চাকরি তুলনামুলকভাবে সহজলভ্য। এই দুইয়ে মিলে ছাত্রদের ডিগ্রি করতে নিরুৎসাহিত করছে।
যাহোক, এনামুল আজিম আমাদের বিভাগ থেকে গত বছররের এপ্রিল মাসে পাস করেছে। এসেছে থিসিস রেজিস্ট্রেশন করতে। প্রথম বর্ষে ভর্তি হবার পরপরই ন্যাশনাল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের নির্বাচনীতে সে ভালো করেছিল। পরবর্তী সময়ে আর প্রোগ্রামিং নিয়ে ততোটা তৎপর ছিল না। সেই সুবাদে যোগাযোগ খুব বেশী না থাকলেও তাকে ভালোভাবে চিনি। আমাকে সম্ভাব্য থিসিস সুপারভাইজার হিসাবে থিসিসের রেজিস্ট্রেশনের সাক্ষর করার জন্য অনুরোধ করলো। দুয়েকটি কথা যেমন কোন বিষয়ে থিসিস করবে, প্রকৃত আগ্রহ কোন বিষয়ে এগুলো জিজ্ঞাসা করে সাক্ষরও দিয়েছি। এরমধ্যে ব্রিফকেস থেকে হাতে লেখা কয়েক পৃষ্ঠা বের করে আমাকে দিয়ে বললো," স্যার, আমি এই ধরণের কাজ করি, যদি একটু দেখতেন।" নিজের কাজ দেখিয়ে যোগ্যতার স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা সম্ভবত এটাই প্রথম। আমি কাগজগুলো পাখির মতো দেখে ফেললাম। প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় নানা ধরণের সিরিজের যোগফল কোনো প্রমাণ ছাড়াই। মুহূর্তের মধ্যে আমার মহাপ্রতিভাধর রামানুজনের কথা মনে পড়ে গেলো। যাহোক, সিরিজগুলো জটিল ছিল বলে আগ্রহ প্রকাশ করার ধৈর্য এবং সাহস আমার মধ্যে ছিল না। ছেলেটি আমার অফিস থেকে বের হবার পর কাগজগুলো আবার আমি উল্টিয়ে দেখলাম। আমার সাধারণ বুদ্ধিতে সমীকরণগুলো অর্থবোধক এবং সুন্দর মনে হলো। দুয়েকটির বাউম্ডারি কন্ডিশনও মিলিয়ে দেখলাম। ভাবলাম এরকম একটা বিযয়েই তো সে সহজে তার পোস্ট গ্রাজুয়েট থিসিস লিখতে পারে।
সপ্তাহ দুয়েক পর এনামুল আজিম আমার বাসায় চলে এসেছে। তখন মনে হলো ছেলেটি বছরের পর বছর এই কাজগুলি করে এসেছে সম্ভবত কারো স্বীকৃতি অর্জন করতে পারেনি কিংবা ভাবের বিনিময় ও করতে পারেনি। ঐ দিন আমার সঙ্গে আলোচনার পর মনে হয়েছে আমার সঙ্গে এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা যাবে, তারপর বসে তার আবিষ্কৃত সমীকরণ গুলো দেখাতে লাগলো। আমি দুয়েকটি প্রমাণ করতে বলায় প্রমাণ ও করে ফেললো আবার দুয়েকটির ক্ষেত্রে বললো প্রমাণ জটিল ও সময়সাপেক্ষ তবে তা তার আছে। আমাদের দেশে আমরা রেফারেন্সের অভাবে অনেক সময় এমন কাজ করে থাকি যা হয়তো অনেক আগেই হয়ে গেছে। তখন আমি তাকে বললাম সে ম্যাপল কিংবা ম্যাথমেটিকার মতো সফটওয়্যার দিয়ে এই সিরিজগুলোর যোগফল নির্ণয় করার চেষ্টা করেছে কিনা। সম্মতিসূচক উত্তর দিয়ে সে আমাকে আরো জানালো, ইন্টারনেটের কোনো কোনো সাইটে সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যগুলো ডাউনলোডও করে রেখেছে। প্রিন্ট করেছে কিনা জিজ্ঞাসা করতে বললো, এগুলো গণিতের বিষয় তাই ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এম্ড টেকনোলজি চিটাগাং যেখানে সে কর্মরত সেখান থেকে এগুলি প্রিন্ট করেনি। আমি তাকে সিডি করে দিতে বললাম যা থেকে প্রিন্ট করে দেবো। তার সঙ্গে ঘন্টাখানেক আলোচনায় মনে হলো সিরিজের যোগফল বের করা নিয়ে সে অনেক লেখাপড়া করেছে। সে অবশ্য বললো, তার দুয়েকটি ফলাফল লিটারেচারে পাওয়া গেছে কিন্তু বাকিগুলো এখনো নতুন মনে হচ্ছে। আমি দুয়েকটি ওয়েব সাইট এবং বইয়ের নাম বললাম যাতে তা দেখার চেষ্টা করে। আমাকে একেকটি সমীকরণ করে তার বর্ণনা দিচ্ছিল কিভাবে সে যোগফল অনুমান করেছে। মোটের উপর সম্ভবত গত ৫-৬ বছর যাবৎ এই সিরিজ যোগফলের ভূবনেই যে তার বিচরণ ছিল এটা অনুধাবন করতে আমার বেগ পেতে হলো না!
আমি তাকে ম্যাথ এনালাইসিস ফর কম্পিউটার সায়েন্স পড়িয়েছি। বিভিন্ন সিরিজের যোগফল কিভাবে বের করতে হয় তা এর মধ্যে ছিল। লজ্জাই লাগছিল এই ভেবে যে, এ রকম একজন ছাত্র আমার ক্লাশে ছিল অথচ তার সঙ্গে আমার এ বিষয়ে আলাপ হয়নি। উপরন্তু আমি ক্লাশে যা শেখানোর চেষ্টা করেছি ওগুলো তার জন্য শেখার বিষয়ও ছিল না। সে কিন্তু কোনোদিন আমাকে বলেনি এই বিষয়গুলো খুবই সহজ কিংবা তার কাছাকাছি যে কাজগুলো করেছে তা নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনাও করেনি। নিশ্চয়ই একটি দূরত্ব তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যার ফলে আমাকে বলারও প্রয়োজনীয়তা বোধ করেনি। যাহোক, আমি তাকে খুব উৎসাহিত করলাম। এও বললাম এসব বিষয়ে আমি বিশেষজ্ঞ নই। তাকে দ্রুত এই সমীকরণ গুলোর প্রমাণ করে আনতে বললাম যাতে প্রকাশনায় পাঠানো যায়। এই ফাঁকে সে তার জীবনের উদ্দেশ্যও বলে ফেললো। রামানুজন কিভাবে চিন্তা করেছেন তা বের করাই তার জীবনের উদ্দেশ্য। রামানুজন সম্পর্কেও সে বেশ কিছু পড়ালেখা করেছে। সে নিজেও কিভাবে কিছু কিছু সমীকরণ অনুমান করেছে তাও বললো। অত্যন্ত সহজ একটি সমীকরণ লিখে তাতে নতুন নতুন প্যারামিটার যোগ করে সমীকরণের শুদ্ধতা নিশ্চিত করা। আমার মনে হলো এই ধরনের করতে পারলে আমি অনেক আগেই প্রকাশনার জন্য পাঠিয়ে দিতাম।
এনামুল আজিম আমার বাসা থেকে চলে যাওয়ার আগে আমার ছোট ছেলে সুমিতকে ডেকে পরিচয় করিয়ে দিলাম একজন রামানুজনের সঙ্গে। এনামুল আজিমের এই চলে যাওয়া যে মহাপ্রস্থান হবে তা কখনো আমি ভাবতে পারিনি। বরং ঐ দিনের আলাপের পর মনে হচ্ছিল আমি দীর্ঘদিন এনামুল আজিমের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পারবো, তাকে উৎসাহিত করবো। তার মেধার, দক্ষতার যথাযথ বিকাশ ঘটাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবো। এর মধ্যে আমার বন্ধু ড. ইফতেখারকেই এই ছেলেটি সম্পর্কে বলেছি, তার প্রশংসা করেছি। কয়েকদিন পর তার মোবাইলে ফোন করেও কাজের তাড়া দিয়েছি। সে আমাকে বলেছে কাজগুলো ঠিকমতো করছে। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি কবে এনামুল আসবে। তার প্রমাণ গুলো কেমন হবে, ফলাফলগুলো যদি সত্যিই সব নতুন হয় তাহলে কেমন হবে ইত্যাদি।
শুক্রবার সকালে পত্রিকা আসার সঙ্গে সঙ্গেই পড়া শুরু করলাম। প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় খবর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ ২২ জনের মৃত্যু। একটু ভিতরে ইউএসটিসি-এর শিক্ষক এনামুল আজিমের নাম। সম্পূর্ণ বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। বাসায় এই খবরটা কাউকে বলিনি। এনামুল আজিম বাসায় একদিন আসাতে সবাই তাকে চেনে কারণ আমি সবাইকে বলেছি এনামুল আজিম একজন রামানুজন। আমার এই লেখাটি বের হওয়ার পর আমার বাসার সবাই ধরবে কেন এই দুঃসংবাদের কথা তাদের বলিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক জাফর ইকবালকে বলেছি। শনিবার সকালে যখন লিখতে বসেছি এনামুল আজিমের সহপাঠী আমাদের বিভাগের শিক্ষক সোহেলের সাথে কথা বলেছি। তার গণিতপ্রীতি এবং দক্ষতা ক্লাশের সবাইকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের শিক্ষক ড. মোস্তফা আকবরকে বলায় তিনিও আফসোস করেছেন। এনামুলকে আমার সঙ্গে থিসিস করার উপদেশ তিনিই দিয়েছিলেন।
১৯৯৩ সালে এসএসসি পাস করা এনামুল আজিম জীবনটাকে মনে হয় কখনো উপভোগ করতে পারেনি। তার আবিষ্কৃত সমীকরণগুলো নিয়ে হয়তো কারো সঙ্গে তেমন আলাপও করতে পারেনি, মেধার স্বীকৃতির কথা না হয় বাদই দিলাম। পাস করার পর ছাত্ররা সাধারণত চাকরির সুযোগ খোঁজে, জিজ্ঞাসা করে, অনুরোধ করে। এনামুল মনে হয় কাউকেই চাকরির বিষয়ে অনুরোধ করেনি। লোহাগড়া উপজেলার রশিদের ঘোনা গ্রামের ছেলে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজের ফার্স্ট বয় ছোটবেলা থেকেই কোনো স্বীকৃতির জন্য নয় মনের আনন্দে গণিতের চর্চা করেছে। ঢাকায় ৬ বছরের বিদেশী জীবনযাপন করে চট্টগ্রামে নিজের বাসভবনে চলে গিয়েছিল চিরনিদ্রায় শয়নের জন্য ঠিক যে রকমটি রামানুজন করেছিলেন। রামানুজনের ক্ষেত্রে হার্ডি বিলাতে থাকতে অনুনয় বিনয় করেছিল। বাংলাদেশে কোনো হার্ডি নেই তাই এনামুল আজিমের পক্ষে নীরবে-নিভৃতে তার বাসস্থানে যাওয়া সম্ভব হলো চিরকালের জন্য।

(এনাম আমার ছোট ভাই। ২৬ শে জুন ২০০৩ এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। স্যারের এ লেখাটি এখানে দিলাম ওর সহপাঠিদের জন্য যারা দেশে ও দেশের বাইরে আছে।)
(নিউজপেপার ফিড: Click This Link)

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫
খালিদ মাহমুদ বলেছেন: মন্তব্য করার মত ভাষা আমার নাই। আল্লাহ তাকে জান্নতুল ফেরদাউস প্রদান করুক এই কামনা।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: দোয়া করবেন

২. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
অ্যামাটার বলেছেন: কি আ বলব, এ'রকম একটা প্রতিভা হারানো, বিরাট ক্ষতি দেশের জন্য...
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করব কোন ভাবে কাজগুলোকে কারো উপকারে লাগানো যায় কিনা। ধন্যবাদ

৩. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: বলার আসলে কিছু পাচ্ছি না। আল্লাহ তাঁর আত্মাকে শান্তি দিন।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই এই কামনা করি

৪. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
মেঘনাদ বলেছেন: তার সাথে প্রচুর সময় কাটানোর সুযোগ অামার হয়েছিল। শেরে বাংলা হলে ৪০১০ বা ৪০১১ এই রকম কোন একটা রুমে থাকতেন।
প্রচণ্ড ছিলেন সাইন্স ফিকশনের পোকা। তার মাধ্যমেই অামার পরিচয় ঘটে ফ্র্যাংক হার্বাটের ডিউন সিরিজের সাথে। তার কয়েকটা কপি এখনো অামার সাথে অাছে। ফেরত দেবার সুযোগ হয়নি।
তার প্রচণ্ড প্রতিভার সাক্ষর পাই তার নিউম্যারিক্যাল ইকুয়েশন পরীক্ষার অাগের দিন। এই কোর্সে প্রচুর বিশাল বিশাল সিরিজ মুখস্থ করতে হয় আর পরীক্ষায় সেগুলো এই প্রয়োগ করতে হয়। যেহেতু সিরিজ মুখস্থ করার মতো নিয়মিত ছাত্র তিনি ছিলেন না, তিনি পরীক্ষার হলে সবগুলো সিরিজ বের করে তার পর সেগুলো এপ্লাই করে এ প্লাস পেয়েছিলেন।
সংখ্যাতত্ত্বে তার প্রচুর মৌলিক কাজ ছিল, অন্তত আমার তা মনে হয়েছিল, অসংখ্যবার তাকে বলেছিলাম পাবলিশ করার উদ্যোগ নিতে, কিন্তু শেষের দিকে তিনি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন।
শুধু বিরাট প্রতিভা বলেই নয়, আমি সারা জীবনে তার মতো সরল, প্রাণখোলা মানুষ খুব কম দেখেছি। তার এই রকম একটা জঘন্য মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশের ভাষা আমার নেই।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: ওর কিছু খসড়া লেখা আমি অনুবাদ করে ব্লগে দিয়েছি। আরো কিছু আছে। ওর ইশ্বর ভাবনা আবর্তিত হতো সব সাইন্স ফিকশনের ধারণা থেকে। লেখাগুলিতে একটু আঁচ পাওয়া যায়।

৫. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
সুরভিছায়া বলেছেন: এটা পড়বার শক্তি এ মুহূর্তে নেই।তবে ভাই হবার জন্য আপনার যে গৌরব সেটা অটুট থাক।ডঃ মোঃ কায়কোবাদের মত ব্যক্তিত্ব যাকে নিয়ে এমন লিখেছেন সে সবার কাছে চিরন্জীব।অনেক অনেক ভাল থাকুন।বাস্তবে আমাদের ভাল থাকতে হয় সবদিক সামলে।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
মেঘনাদ বলেছেন: ভালো ছাত্র হয়তো অনেকে হয়, কিন্তু জ্ঞানজগতের বিভিন্ন শাখায় দখল আমি খুব কম ভাল ছাত্রের মধ্যেই পেয়েছি। পদার্থবিদ্যা, ইতিহাস, দর্শনে তিনি আমার মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু অধ্যাপককে পড়ানোর যোগ্যতা রাখতেন।
বাংলাদেশে যে কি পরিমাণ প্রতিভার অপমৃত্যু ঘটে এনাম ভাই তার সবচেয়ে ভাল উদাহরণ। তাওতো কায়কোবাদ স্যার ছিলেন তিনি অন্তত তার কাজগুলো দেখানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। অনেকের তো সেই সৌভাগ্য হয়না।
৮. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
মেঘনাদ বলেছেন: পারভেজ ভাই, আপনি আছেন কোথায়?
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: আমি বের হয়েছি ১৯৯৯ এর শুরুর দিকে, ও তখন লেভেল ২ টার্ম ২ বোধকরি। আমার সাথেও ওর দেখা হতো কালে ভদ্রে। আমি ছিলাম নজরুল ইসলাম হলে, লেভেল ৫ এর কাজের প্রেশার, আর এডমিশন টেস্ট নিয়ে আন্দোলন -এই দুই এর কারণে এই পুরো দেড় বছরে ক্যাম্পাসে ওর সাথে আমার দেখা হয়েছিল মাত্র দুবার। মাঝে মাঝে শেরে বাংলা হলে দেখা করতে যেতাম। আমি এখন ঢাকাতেই আছি! একটু গুছিয়ে উঠে ওর কাজগুলি নিয়ে বসবো। ম্যাথ এ একসময় আমার আগ্রহ থাকলেও ওর কাজ বুঝা অসম্ভব। কিন্তু যেহেতু কিছু কাজ শেষ করে এনেছিল, আশা করি অন্য কারো কাজে দেবে কোথাও না কোথাও। যারা ওকে জানত, তাদের কে খুঁজার জন্যই মুলত এই পোস্টিং। ভাল লাগছে তোমাদেরকে দেখে।

৯. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কিছুই বলার নেই ....... বাকরুদ্ধ !!!

দোয়া করি আল্লাহতায়ালা যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন ....... আমিন
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা থাকলো

১০. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮
অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: খুব মন খারাপ হলো ...ওনার অনেক গল্প শুনেছি আমার খুব কাছের এক মানুষের কাছে
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: পড়াশোনা আর কর্মজীবনের কারণে ওর বেড়ে উঠা, বড় হয়ে উঠা, কিম্বা ভাবনার এতো গভীরতা গুলি কখনো বুঝতে পারিনি! তাই ওকে যারা জানে বা চিনতো তাদের জন্য একটা অনুভুতি কাজ করে। জানানোর জন্য ধন্যবাদ

১১. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
বোকামাষ্টার বলেছেন: এমন একটি প্রতিভা অকালে ঝড়ে যাওয়া আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চিনতাম না, আপনাকেও চিনিনা, তবু লেখাটা পড়ে যেন আত্মীয়তা অনুভব করছি।
আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করলেন

১২. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: আজ ১টা কথা বলি আপনি হ্য়তো নাও জেনে থাকতে পারেন তাই বলছি...।উনি দুষ্টামি করে ওনার কাছের বন্ধুদের কে বলতেন যে আপনি হচ্ছেন সোনার ডিম পাড়া রাজ হাস..।তাই একবারেই উনি আপনার কাছ থেকে কখনও বেশী টাকা নিতেন না হাত খরচের জন্য
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: তখন আমিও সবে শুরু করেছি, তাই ইচ্ছে থাকলেও পারতাম না, মাঝে মাঝে রাগ হতো, যখন হল এ গিয়ে টাকা দিয়ে আসতে হতো, এতো বড় হবার পরও দুনিয়াদারী শিখলোনা দেখে; আমার ধানমন্ডি অফিসে আসতেও ছিল অনীহা! এখন বুঝি, ওর এসব ব্যাপারে কোন মনযোগই ছিলনা। এক অংক ছাড়া কিছুকেই ইমপর্টেন্ট মনে করতো না! অনেক ধন্যবাদ জানানোর জন্য।

১৩. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৯
গণিত পাগল বলেছেন: সারা বাংলাদেশের সব "গণিত পাগল"দের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাচ্ছি।

আমাদের দেশের জন্য আসলেই একটা বিরাট ক্ষতি.... :(
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১৪. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৯
রাজর্ষী বলেছেন: দুঃখ পেলাম। আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি

২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৪
সুরভিছায়া বলেছেন: প্রিয়তে থাক যত্নে।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা থাকলো

১৭. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: কি লিখব বুঝতে পারছি না। আল্লাহ উনার আত্মার শান্তি দিন।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: দোয়া করবেন ওর জন্য

১৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: আমি উনার সম্পকর্ে আরও জানতে চাই.....তবে একটা সান্ত্তবনা নিয়ে কিছুটা হলেও তৃপ্তি পাচ্ছি: আমিও বুয়েট শেরে বাংলা হলে থাকি যেখানে একদিন অনেক বড়মাপের একজন মানুষ থাকতেন.....
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: কথাগুলি মন ছুঁয়ে গেলো। ধন্যবাদ

১৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
নুশেরা বলেছেন: বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। নিয়তির কী অবিচার! এই অকালপ্রয়াত প্রতিভার সমস্ত সৃষ্টি-সাধনা সযত্নে চর্চিত হোক। তার আত্মার শান্তি কামনা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই...
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

২০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
সুখী মানুষ বলেছেন: রামানুজনের নাম শুনেছি আমার বড় ভাই এর কাছে। তিনি অংকে অনার্স মাষ্টার্স করেছেন। আর এক রামানুজনের নাম শুনলাম আপনার লেখায়। কিন্তু আমাদের এই রামানুজন শুধু অংকেরই নন তিনি ছিলেন দর্শণেরও!

গত রাত থেকে আপনার পোষ্ট গুলো পড়ছি, আর বারবার ই মন খারাপ হচ্ছে। আমরা কেন এতবড় দুর্ভাগা জাতি? কেন তিনি এত কম বয়সে চলে গেলেন? কিছুইত করে যেতে পারেননি!! তিনিতো রামানুজনের মত কেই একজন এই স্বীকৃতিও পেয়ে যাননি?!

ভাইয়া, ব্লগারদের আড্ডা হলে আসবেন। আপনাকে দেখার খুব ইচ্ছা হচ্ছে। আপনাকে সালাম।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: সুযোগ হলে অবশ্যই দেখা হবে, ইনশাল্লাহ! ভালো থাকবেন

২১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০০
নিরক্ষর বলেছেন: আমার মন খুবই খুবই খারাপ হয়ে গেল। তাই কোন কমেন্ট করতে পারলাম না।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন

২২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১০
রাগিব বলেছেন: এনাম ভাই আমার স্কুল ও কলেজের ছেলে, বুয়েটে ভর্তির আগেই ওনাকে চিনতাম। ওনার অকাল মৃত্যুর খবরটা পড়ে খুবই খারাপ লেগেছিলো। জায়গাটিও আমাদের হালিশহরের বাসার খুব কাছে ... ওনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, রাগিব

২৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১০
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: এমন প্রতিভার কথা বুয়েটে থাকতেও জানতে পারিনি বলে খুব আফসোস হচ্ছে । তার অকাল মৃত্যুতে কোন স্বান্তনাতেই মনকে মানাতে পারছি না । এমন ভাইকে হারানোর কষ্ট আরো ভীষন। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন

২৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৫
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমি নির্বাক...মঙ্গলসূচক কথাগুলো মনে পড়ছে না।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থেকো।

২৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
সুরভিছায়া বলেছেন: রানার জন্মদিন আজ,একজন ক্ষনজন্মা মানুষের জন্মদিন এটি ;সে কথাটাই সবচেয়ে সত্য।তার পরিবারে গভীর ক্ষত তৈরী করে দিয়ে হাসিমুখে চলে গেছে তার গন্তব্যে,বিধাতার কোলে পরম আশ্রয়ে ।ভাল আছে রানা সেখানে সে আশা করছি।ভাল থাকুক অন্যরা সবাই ।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: সময় তার নিজের নিয়মেই বয়ে চলছে। ওর লেখাগুলির সংকলনটা যেদিন বের করতে পারবো; সেদিনটা হয়তো অন্যরকম একটা দিন হবে। ধন্যবাদ আবারও।

২৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১
মুনিয়া বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেল।
আল্লাহ ওনার আত্মাকে শান্তি দিন।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই ওর জন্য প্রার্থনা করি।
ওর লেখাগুলির ভেতর দিয়েই যেন ও থেকে যাক আমাদের চেতনায়।

২৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৬
রাশেদ বলেছেন: ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।


ভালো থাকুন আপনি।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ রাশেদ।

২৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
...অসমাপ্ত বলেছেন: লগআউট করেও আবার লগিন করতে বাধ্য হলাম।

...অনুবাদগুলো কার লেখা থেকে করছেন সেই আগ্রহেই লিংকে ঢুকেছিলাম। ...আমি নিজে রামানুজন এর একজন বড় ভক্ত। স্যারের লেখাটি এতক্ষন পড়ছিলাম আর আফসোস হচ্ছিল ...আরেকজন ...আমাদের নিজের অজানা রামানুজন এর জন্যে.... :(


...কিছু বলার নেই। কিছু ক্ষতি কখনোই পূরণ হবার না। ....এনামুল আজিমের কোন লেখার লিংক বা প্রকাশনা কি আছে। যদি থাকে ...তাহলে খুব খুশি হব।

...আগ্রহের সাথে সংকলনটার অপেক্ষায় থাকব।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ওর লেখালেখির ব্যাপারে আমাকেও খুব একটা বলেনি কখনো। দু একটা গল্প দেখিয়েছিল; পড়ে খুব ভালো লেগেছিলো। উৎসাহও দিয়েছিলাম। দূর্ঘটনার পর, হার্ডডিস্ক আর হাতে লেখা খসড়া কাগজ থেকে এই গল্পগুলি পেয়েছিলাম। কিছু অসমাপ্ত লেখা আছে, আর আছে কিছু কনসেপ্ট; যা নিয়ে লিখতে চেয়েছিল।
আশা করছি সংকলনের কাজ খুব সহসাই শুরু করতে পারবো।

২৯. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
ম্যাভেরিক বলেছেন: আমার পাশের হলেই ছিল, পাশাপাশি রূমে ক্লাসও করেছি, কিন্তু প্রতিভাধর এই হৃদয়কে আরো ভালো চিনতে পারিনি দেখে খারাপ লাগছে।এনামের আত্মা গভীর প্রশান্তিতে ঘুমাক।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাভেরিক। যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক এনাম।
তোমার জন্যও শুভকামনা।

৩০. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
'লেনিন' বলেছেন: আহ! আরেক রামানুজান। ক্ষণজন্মারা ক্ষণিকের জন্য এসে নাড়া দিয়ে যায় যেমন সুকান্ত, সুকুমার।

এনামুল এর গবেষণা/লেখাগুলোর সংকলন কায়কোবাদ স্যার বা অন্যান্য গণিতজ্ঞদের সহায়তায় বের করার চেষ্টা করুন।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উৎসাহ দেয়ার জন্যে। ভালো থাকবেন।

৩১. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
ভুতের আড্ডা বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে গেল ভাই। আপনার মতো অভিজ্ঞতা আমারও আছে। ১৯৮৪ সালে এসএসসিতে ৭৮৪ নম্বর পেয়ে পাশ করার পর আমার বোনটি নৌকাডুবিতে মারা যায়। সেই কষ্ট এখনো আমাদের পরিবারের সবাইকে বয়ে বেড়াতে হচ্চে।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: আল্লাহ তার আত্মাকে শান্তি দিক। এই কষ্টগুলি কখনোই মুছে যায়না। মানুষের মনের বয়স বাড়িয়ে দেয় এই সব ঘটনাগুলি। তারপরও জীবন এভাবেই চলে।
ভালো থাকুন।

৩২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কি রকম কষ্ট লাগছে বোঝাতে পারবোনা ... আপনার ভাইয়ের আত্মার শান্তি কামনা করি

লেখাগুলো শেয়ার করুন যদি সমস্যা না থাকে। উনার নোটবুক কি আপনার কাছে আছে? প্রকাশের ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছেন?
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ওর অংকের রাফ খাতাগুলি আছে, বেশ অগোছালো। কিছুটা সময় নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে চেক করাতে চাই। আর গল্পগুলি মোটামুটি সব অনুবাদ হয়ে গেছে। গুছিয়ে নিয়ে সংকলনটা বের করতে চাই।
ধন্যবাদ।

৩৩. ১৪ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
আনন্দ-উল্লাস বলেছেন:
পারভেজ ভাই, আমি কোন মন্তব্য করছি না ........ এনাম কে নিয়ে একটা পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। ও আমার খুব প্রিয় বন্ধুদের একজন। আল্লাহ ওকে বেহেস্ত নসিব করুক।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: ব্লগের কারণে তোমাদের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে। এটাও একটা বড় প্রাপ্তি বৈকি।
ভালো থেকো।

৩৪. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন: কায়কোবাদ স্যার আমাদের ক্লাস নেন। উনি মনে হয় এ কারণেই আমাদেরকে সবসময় উৎসাহিত করার চেষ্টা করেন। আর আমাদের মাঝে গণিত এলগরিদম নিয়ে আমাদের কাজ করার জন্য তাড়া দেন, কারণ উনি হয়তো চাননা এরকম মেধাবী মানুষ যেন আর তার আড়াল না হয়। শ্রদ্ধা আপনার ভাইয়ের জন্য। উনার কথা শুনেছিলাম, আপনার এই লেখা উনার সম্বন্ধে আরো জানাল।
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

৩৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
রুবেল শাহ বলেছেন:
খবরটা পড়েছিলাম এত কাছের একজন মানুষ যার খোজ বের করতে এদিন লাগল আমার ................

কি রকম কষ্ট লাগছে বোঝানোর ক্ষমতা আমার নেই..........

ভাই হারানোর কষ্টযে কি তা আমি ভাল করেই জানি ...............

ভাইয়ের আত্মার শান্তি পাক .............. আমিন
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: অসময়ে প্রিয়জন চলে যাবার কষ্ট টা শব্দে বোঝানো যায় না।
ভালো থাকুন সবাইকে নিয়ে।

৩৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৪
তারার হাসি বলেছেন:
আমি খুব কাছ থেকে তিনটি মৃত্যু দেখেছি...
আমার ছোট্ট ভাই, পুকুরে পড়ে গিয়ে।
আমার ভাইয়ের নবজাত সন্তান, যার জন্য দিন রাত দেখিনি।
আমার প্রিয় মানুষ !

শুভকামনা আপনার পরিবারের জন্য।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: একসময় মনে হতো এসব বুঝি অন্যদেরই হয়। একসময় আমরা নিজেরাই সেই 'অন্যদের ' সাথে মিশে যাই।
ভালো থাকুন সবসময়।

৩৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: ভাইয়া, আপনার ছোট ভাইয়ের লেখাটা পড়লাম খুজে। খুব খারাপ লাগলো। খবরটা মনে হচ্ছে শুনেছিলাম, এতদিন পরে মনে পড়ছে। আপনার কয় বছরের ছোট উনি?

@ তারার হাসি: আপনাকে কি বলতে হবে আমার জানা নেই।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: আমার ৫ বছরের ছোট ছিল।

৩৮. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
যীশূ বলেছেন: এমন প্রতিভাবান মানুষ আপনার ছোট ভাই। আপনি তো ভাগ্যবান!!!!!

তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক সে।
ধন্যবাদ যীশূ

৩৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
মুনির হাসান বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে গেল। কায়কোবাদ স্যারের কাছে মনে হয় ওর কথা শুনেছি, এক দুই বার। আমাদের ক্ষমতা সীমিত কিন্তু ইচ্ছে অসীম। এই বছর আমরা কোন উৎসব উৎসর্গ করছি না। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে রীতি ভেঙ্গে চট্টগ্রামের উৎসবটি আমরা এনামুল আজিমকে উৎসর্গ করি।

ওর নোটবুকটার ব্যাপারে আমার কিছু করার আছে কীনা জানাবে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ মুনির ভাই। ওর নোটবই আর খসড়াগুলি আমার কাছেই আছে। বাছাই করে কিছু লেখা আমি আপনার গোচরে আনার ইচ্ছা রাখি। সময় লাগলেও যেন কাজগুলো কিছুটা হলেও আলোকপাত হয় এটাই চাওয়া।
ভালো থাকুন।

৪০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৩
ভাঙ্গন বলেছেন: বাকরুদ্ধ।
প্রার্থনা করছি, আল্লাহ তাঁকে ভাল রাখুন।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: দোয়া করো ওর জন্য।
ধন্যবাদ ভাঙ্গন

৪১. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪২
চতুষ্কোণ বলেছেন: ভাইয়া লেখাটা পড়ে মনটা প্রচন্ড খারাপ হলো। আপনার ভাইয়ের আত্মার শান্তি কামনায়।
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চতুষ্কোণ

৪২. ১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: কিছু লেখায় পড়ে নিজেকে যুক্তি দিয়ে বোঝানো মুশকিল হয়ে যায়।
এই মেধাবী নির্জনপ্রাণ মঙ্গলময় থাকুন, যেখানেই থাকেন না কেন ।
প্রকাশিত হোক তার কাজ, সবাই অপার বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকুক সেইদিকে।
অন্তরের প্রার্থনা এই।
১১ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: শুভকামনা থাকলো আপনার জন্যেও

৪৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩০
নষ্টছেলে বলেছেন: আমার স্কুল এবং কলেজের প্রিয় বড় ভাইয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

পোস্ট প্রিয়তে নিলাম। মাঝে মাঝে ভাইয়াকে দেখে যাবো।
৩১ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: শুভকামনা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৩৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির অনেক ইচ্ছে হয়! হয়তো পড়তে ভালো লাগতো বলেই! তাই এই সব টুকটাক কথা নিয়ে শব্দ নিয়ে নাড়াচাড়া! ব্লগে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ