somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধ এবং ভালোবাসা............(গল্প) - প্রথমাংশ

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই অদ্ভুত শব্দটা - আগে কোথায় যেন শুনেছিলাম?! দাড়ান, মনে করি!
ছোটবেলায় খুব সাধাসিধে ভাবেই বেড়ে উঠছিলাম। পড়াশোনায় মোটেই খারাপ ছিলাম না। কিন্তু সেই সব দিনে পড়াশোনা নিয়ে, কেউই খুব একটা মাথা ঘামাতো না। আমার এখনো ভাবতে অবাক লাগে; প্রফেসর জোনাথন কিভাবে স্কুলটা চালিয়ে যাচ্ছিলেন! অধিকাংশ ছেলেমেয়েরাই (আমি সহ) টাকা পয়সা দিতে পারতো না। সে সময়ে, সারা দিনে- আধপেটা খেতে পারাটাই ছিল, অনেক ভাগ্যের ব্যাপার।
যুদ্ধ জিনিষটা মোটেই ছেলেখেলা নয়। তারপরও আমি একটা দিনও মনে আনতে পারিনা যখন যুদ্ধ বন্ধ ছিল কিংবা তার প্রভাব টা টের পাইনি। আমরা যুদ্ধের অভিশাপ নিয়ে বেড়ে উঠেছি। তাই আপনাদের সময় যুদ্ধ ছিল না বলে আফসোসের কিছু নেই; যে, হায়- দেশের জন্য জীবন দেয়ার সুযোগ পেলাম না! কারণ, গুলি যখন চলতে থাকে- পেটের মধ্যে কি যেনো একটা মোচড় দিয়ে উঠে! ঠিক তখনই বুঝতে পারা যায় যুদ্ধ আসলে একটা অভিশাপ ছাড়া আর কিছুই না!
এখনকার কথাটাই ভাবুন; যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশে একটা শিশু বেড়ে উঠছে-যেখানে মৌলিক চাহিদাই হচ্ছে মারা না পড়া। আর খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠা, যাতে একটা এ কে-৪৭ জোগাড় করতে পারে! যেন খুন করতে পারে , ভিন প্রজাতির বেজন্মা শত্রু গুলো -যারা দেশটাকে ছাড়খার করে দিচ্ছে। আমিও সেভাবে বড় হয়েছি- আমার চাওয়াটাও তাই।
কিন্তু চাইলেই তো আর ইচ্ছে মতো সবকিছু হয়না! আমি একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম! অপুস্টি আর উপবাসের মধ্যে থেকে মেয়েটা ছিল একদমই ক্ষীণকায়। তার মধ্যে একমাত্র আকর্ষনীয় ব্যাপারটা ছিল তার সাহস আর প্রাণ প্রাচুর্য। এমন কি ঐ সময়ে একজন পূর্ণ বয়স্ক লোকও মেয়েটির মতো এতো শান্ত, স্থির হতে পারতো না! সে আমাকে বিমান আক্রমণ থেকে বাঁচিয়েছিল। রাস্তায় যখন এ্যাটাকটা হয় তখন ও ছিল আমার পেছনে। নিমেষেই আমাকে টেনে ধরে- একটা বন্ধপ্রায় দোকানের ভেতর ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ও না থাকলে আমি মারাও যেতে পারতাম। সেটাই ছিল আমাদের সম্পর্কের শুরু।
সে, একটা বই এর খুব গল্প শোনাতো- তার একমাত্র সম্পদ বলতে ছিল ঐ বইটাই! "আমেরিকার ভ্রমণ বিত্তান্ত"। সে আমাকে বলতো সুন্দর সব রাস্তা ঘাটের কথা। বিল্ডিং, দোকান পাট আর নানান জাতের লোকজনের গল্প! শুনে- আমি যে খুব আকর্ষণ বোধ করতাম তা কিন্তু নয়! কারণ, এসব আমার কাছে - ভীন গ্রহের উপকথার মতোই অজানা! আমার খুব একটা বিশ্বাস ও হতোনা যে- এরকম কিছু কখনো ছিল! কিন্তু এখন আমি বুঝতে পারি কেন সে আমাকে সেই সব গল্প শুনাতো।
(দ্বিতীয় পর্বে সমাপ্য)

(এনামুল আজিম রানার গল্প থেকে অনুদিত)
War sweet war
When did I hear that strange sound? Let me recall it. As a boy I was almost normal. I wasn’t bad in education. But, in those days nobody cared much about education. I still wonder how pro. Jonathon kept our school going. Most of the students including me could not pay. In those times you were fortunate, if you could eat half a belly a day. War, was not child’s play, yet I could not remember a time when war wasn’t with us or the treat of it. We lived through the curse of war, so don’t tell me that there’s no war in your time, so that you could sacrifice your life for your country, for when the shooting would have started, you would have felt the unnerving sensation in your bowels, only then you would have guessed was nothing but a curse. But consider now; a moment, a child growing in a war torn country, whose basic motive in life to remain alive and grow big enough to get an AK-47, so that he could kill the alien bastards who were ravaging his country! So was I ; and so I was hoping. But, of course, thing never goes as they were planned. I felt in love with a girl. She was skinny from starvation; the only remarkable thing about her was the spirit she showed, even a grown man, at that time, could hardly remain calm as she could be. She saved me from air raid; she was walking behind me on the road when the attack came. She grabbed me with a force and almost dragged me to a half opened shop she knew. I could have been killed but for her. That was the beginning of our relation ship. She liked to talk about a book, her only treasure, an American travel guide. She used to tell me about beautiful roads, buildings, shops and people. Hearing those things never attracted me. For, they to me were so alien, so furlong, I could not even believe that such thing could exist! But now I know, why she told me about those things.
(end of first part)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৭
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×