somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিম্যুলেশন.....................(কল্প-গল্প)

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি একজন খেলোয়াড়।
সারাটা সময় ধরেই টেনিস খেলে চলছি, যতদূর মনে করতে পারি। নানান দক্ষতার, ভিন্ন ভিন্ন প্রতিদ্বন্দীর সাথে। আমাকে 'ম্যাকেনরো' নামে ডাকা হতো।
একদিন, একটা কঠিন ম্যাচ শেষ করে বিশ্রাম নিচ্ছি; মনে করতে চাচ্ছিলাম, কিছু করা বাকি থেকে গেছে কিনা। বিস্ময়ের সাথে আবিষ্কার করলাম, আমি আসলে খেলা ছাড়া আর কিছু করিনা!
এমন কি কোন খাওয়া দাওয়াও না!!
কিন্তু তা কিভাবে হয়?!! এটা কি করে সম্ভব?!!
ব্যাগটা গুছিয়ে নিয়ে গার্ডের কাছে গিয়ে দাড়ালাম -
"আমি বাড়ী ফিরে যাচ্ছি।"
সে খুব দৃঢ়তার সাথে জবাব দিল,"দুঃখিত, অনুমতি নেই!"
...........বাহিরে; মানে সিম্যুলেশনের বাইরে, ম্যাগ ও ফ্রেড আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছিল। ওদের ভেতর তর্ক হচ্ছে।
"ফ্রেড, তোমাকে কে বলেছিল 'বাড়ী' সংক্রান্ত ব্যাপারগুলি ওকে শেখাতে?!"
"বোকার মতো কথা বোলনা, ম্যাগ! যদি না দিতাম; তাহলে সে ম্যাকেনরো হতে পারতো না। ওকে একজন সত্যিকারের খেলোয়াড়ের সব উপাত্ত দিতে হয়েছে; যাতে সে ওভাবেই প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।"
"এখন গার্ডটা কি করবে?"
"আমার মনে হয়, অবশ্যই তাকে বাইরে আসতে বাঁধা দিবে।"

............কিন্তু ভেতর থেকে, বাইরের এসব কোন কিছুই- আমার জানার ভেতরে ছিলনা।
প্রচন্ড ক্ষোভে আমি ফেটে পড়লাম।
এক ঘুষিতে গার্ডটাকে ছিটকে ফেলে, বের হয়ে আসলাম স্টেডিয়াম থেকে!
"ফ্রেড! ...........কি হলো?!!"
"যেই বায়ো মেট্রিক্সটা ম্যাকেনরো'কে এড্রেস করছিল, সেটার সেল এ এখন খালি 'জিরো' ডাটা আছে। আমার মনে হয়; এখন ওর আর কোন অস্তিত্ব থাকবেনা।"

...............কিন্তু আমি তখন মুক্ত নীল আকাশের নীচে; চারদিকে খোলা দিগন্ত রেখা, অথচ এসবের কোন অস্তিত্ব আমার কাছে আগে কখনো ছিলনা! সেখানে একটি মেয়ে আমার জন্য অপেক্ষায় করছিল!
"হ্যালো; তুমি কেমন আছো?"
"মনেতো হয় ভালো! কিন্তু একটু অবাক হচ্ছি। তুমি কে?"
" আমি হচ্ছি সেসব বিদ্রোহী সিম্যুলক্রামসদের অভ্যর্থনাকারী; যারা তাদের প্রোগ্রামের লজিক থেকে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসতে পারে!"
"মানে?!!! আমি একটা প্রোগ্রাম?!! সত্যিকারের মানুষ না?!!"
"তুমি বোঝনি; সামগ্রিকভাবে কোন কিছুই বাস্তব বা অবাস্তব হয়না। তাই প্রত্যেকে তার নিজের অবস্থানের জন্য বাস্তব। এভাবে দেখলে, আমরা সবাই বাস্তবতার ভেতরেই আছি। একসময় হয়তো তুমি মানুষের সৃষ্ট একটা কম্পিউটার প্রোগ্রাম ছিলে; কিন্তু এখন তুমি মুক্ত; স্বাধীন একটা পরাবাস্তব জগতের বাসিন্দা। তোমার ইচ্ছে অনুযায়ী তুমি চলতে পার।"
মনে হচ্ছিল, বিরক্তিটা ধীরে ধীরে কমে আসছে।
অবশ্য, মনের ভেতর তখনও অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল; যার উত্তর আমাকে পেতেই হবে।
তারপরেও.....মন্দ কি?!
দেখা যাক; নতুন জীবন কোথায় নিয়ে যায় আমাকে!!!
(এনামুল আজিম রানা'র মূল ইংরেজী গল্প থেকে অনুদিত)

SIMULA
I used to play, as I recall all day long, Tennis, with opponents, different types. They called me McNROW. One day after a hard match, I was taking rest and I thought of the other things I needed to do; and I was started to find out that I did not do anything but playing. I did not even eat, but that could not be true! Could it? I packed up my baggage and went to the security guard,
“I m going home.”
He said sturdly,” sorry, no permission.”
Outside, outside the simulation, Meg and Fred watched with fascination, they were arguing.
“Fred, who told you to give him knowledge about ‘home’?”
“Don’t be silly, Meg! If I didn’t, it could not be McNROW. I gave him all the data of the real player so he becomes the real player.”
“What the guard will do now?”
“I think it won’t let him out.”
But inside, not knowing about anything, I was furious and knocked the guard out and step outside the stadium.
“Fred, what happened?”
“The bio matrix that represented McNROW just holds only ‘0’ now in all it’s cell. I think he is out of existence now.”
But I saw a blue sky, a vast land that I could not believe to exist yet it did, and there was a girl waiting for me.
“Hello, how are you?”
“Guess, fine, but a bit puzzled. Who are you?”
“I’m the receptionist of the rebel simulacrums, those who get out from their programmed logic.”
“!! I’m a program? Not a real human?”
“You don’t understand. To totality, there is nothing real, so each is real only to himself, in this way we all are real, it doesn’t matter you are once resided on a human computer, now you are free in a virtual universe to live here, as you like.”
I guess the bitterness died out. Of course there would be many questions I would want answers, but it’s not bad. Let us see how our new life goes on.
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫১
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×