আমার প্রিয় পোস্ট
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জাতিসংঘে কিভাবে চাকরি পাবেন বা করবেন? মাসে ৫,০০০-১৫,০০০ ডলার বেতন! - ডিসকো বান্দর
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- ডায়েরীর পাতা থেকেঃ যুদ্ধশিশু এরিনা ও তার বীরাঙ্গনা মায়ের যন্ত্রণা গাঁথা - ড়ৎশড়
- হৈমন্তি ২০১০ - জিকসেস
- একটি সাইফাই গল্প গ্রন্থের কথা - সাদা কালো এবং ধূসর
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (১ম অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- গল্প: পাপ - ৭ - স্বদেশ হাসনাইন
- ছবি ব্লগঃ পাহাড় ডাকে আজ আমায় - আহমেদ রাকিব
- অবাস্তব পরাবাস্তববাদ (শেষ পর্ব) - আকাশ অম্বর
- নির্বাসিতের আপনজন। পর্ব-১। - নির্বাসিত
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব-১ - ত্রিশোনকু
- তুমি জানবেও না যে এই লেখাটা তোমায় নিয়ে... - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: অন্য পাতায় বিছায়ে রাখি শরীর - আশরাফ মাহমুদ
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- স্মৃতির পাতা থেকে - ১: প্রিয় বন্ধু এনামুল আজিম (যে হতে পারতো আরেক রামানুজন) - আনন্দ-উল্লাস
- আমার বান্দরবেলা............৯ - তামিম ইরফান
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল: পানির নীচে অন্য এক জগত - রাব্বি !
- নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারবেন না - লেখাজোকা শামীম
- কুয়াকাটার ছবি - ফয়সাল আকরাম
- স্নানক্লান্তি - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- সুন্দরবন মুহূর্ত - আকাশ অম্বর
- কখনো আমি কেউ ছিলামনা - নাজনীন খলিল
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- একটি ট্রেন ভ্রমণ। - তারার হাসি
- (কল্প গল্প) --- রোবসেপিয়ান্সের ভালোবাসা - শান্তির দেবদূত
- বাংলার ভূত-পেত্নী - ম্যাভেরিক
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- জাম্বো সাইজ ব্লগঃ বঙ্গের গল্প - সৌম্য
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- জল টলমল - অনাহুত আগন্তুক
- গল্প: খুন - ইমন জুবায়ের
- মান্ধাতার আমলের গল্প...যা থেকে আমরা কিছুই শিখবোনা... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- অত্যন্ত অনন্ত ১ - অনাহুত আগন্তুক
- চলে যাবার পংক্তিমালা - আমার আমি
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- Words Forever..... - রানা
- স্মৃতির প্রদীপ জ্বালি - অপ্সরা
- ব্লগের প্রিয় কবিতা --বার। - বিলাল
- একেই বলে পেইন্টিং - আমার এই মন
- পাপবোধ সংক্রান্ত টুকিটাকি বা হেনো তেনো - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- রুবিকস কিউব (শেষ পর্ব ) : রুবিকস সমাধানের আরও কিছু কৌশল... - গণিত পাগল
- প্রণয় এবং বিচ্ছেদের অবশ্যম্ভাবিতাঃ একটি ময়নাতদন্ত - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বিচ্ছেদের আগে - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ......
এক ডজন খাওয়া দাওয়া
.......... - মাহবুবা আখতার
- প্রার্থনা - ফয়সাল আকরাম
- আমার পঞ্চবিংশতি প্রেম... - নীলাঞ্জনা
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- চাচামিঞার জাবর কাটা!! - চাচামিঞা
- সামহয়ার ইন উক্তিপিডিয়া - নাফিস ইফতেখার
বসুন্ধরা অগ্নিকান্ড ও আমাদের সচেতনতা
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
দুপুর থেকেই দেখানো হচ্ছিল সব চ্যানেলে। বিকেলের দিকে মনে হলো আগুনটা তার সর্বোচ্চ বিস্তৃতি পেয়েছে। এর ভেতরে ভবনের মূল স্থপতির একজন- ফয়েজ ভাই এর মন্তব্যও শুনলাম দুইটি চ্যানেলে। সাংবাদিকদের নানান মন্তব্যে মনে হলো কিছু বিভ্রান্তির অবকাশ থেকে গেছে।
বসুন্ধরা কমপ্লেক্সে বা যে কোন অনুমোদিত বহুতল ভবনে যে কয়টি অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা নেয়া হয়, তার মধ্যে থাকতে হয়-
১। ফায়ার ডিটেকশন এলার্ম ইভ্যাকুয়েশন এলার্ম,
২। ফায়ার হাইড্রেন্ট প্রতিটি ফ্লোরের জন্য, এবং এর আলাদা ওভারহেড ট্যাংক ও আলাদা মোটর, যেখানে সবকটি নল পানিতে পূর্ণ থাকতে হবে সবসময়।
৩। সব লবিতে ফায়ার একস্টিংগুইশার- co2 ও পাউডার বেইজড ।
৪। মনিটরিং সিস্টেম ( এটা বাধ্যতামুলক নয়)
৫। ওয়াটার স্প্রিংলার সিস্টেম । যেটা এলার্মের সাথে সাথে নিজ থেকে পানি ছিটানো শুরু করবে (এটাও বাধ্যতামুলক নয়)
৬। ফায়ার এক্সিট সিড়ি; যেটা ফ্লোরে আগুন ধরলেও ব্যবহার যোগ্য থাকবে।
৭। ফায়ারম্যান লিফ্ট, যেটা আগুন নিভানোর কাজে অগ্নি নির্বাপক কর্মিরা ব্যবহার করবেন। (এটাও বাধ্যতামুলক নয়)
বসুন্ধরায় ১,২,৩,৪, ৬, ৭ এই সব কয়টি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। ৫নং টা জানা যায়নি।
কিন্তু সমস্যা বড় হয়ে দেখা দেয় যখন ডিটেকশন এর পর, আগুন নেভানোর ব্যবস্থা নেয়ার মাঝখানের সময়টা - কত টুকু পাওয়া যাচ্ছে। এই সব ক্ষেত্রে, প্রশিক্ষণ এর অভাব আমাদের জন্য খুব বড় সমস্যা হয়ে বার বার দেখা দিচ্ছে। কারণ আগুন ছড়িয়ে পড়তে এক দেড় মিনিটের বেশী না ও লাগতে পারে। একটু অবহেলাও অনেক প্রাণঘাতী হতে পারে।
তাই বসুন্ধরা ভবনে, ১০ তালায় অবস্থিত মনিটরিং সিস্টেম থেকে দেখে, ১৮ তালায় পৌঁছানো কতটুকু বাস্তবতা সম্পন্ন- প্রশ্ন থেকেই যায়।
আগুন না ছড়ানোর আরেকটা প্রসেস হচ্ছে 'কম্পার্টমেন্ট করে ফেলা। এতে কোন ফ্লোরে আগুন লাগলে তা যেন পরের ফ্লোরে না যায়, সেই ভাবে ডিজাইন করা হয়। বসুন্ধরা ভবনে এই ব্যাপারটি কিছুটা ছিল। কিন্তু বাহ্যিক সৌন্দর্যের খাতিরে এলুমিনিয়াম ক্ল্যাডিং বা আবরণ যেটা করা হয়েছিল; সেটা আগুনটাকে -পরের ফ্লোরগুলিতেও ছড়াতে সাহায্য করলো।
যেটা হয়তো আগে আমলে নেয়া হয়নি।
যাই হোক, এ ধরণের পরিস্থিতিতে আমাদের করনীয় আসলে নিম্নরূপ-
১। ফায়ার কোড মেনে বিল্ডিং ডিজাইন ও তার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ।
২। ফায়ার এলার্মের সাথে সাথে কেবল মাত্র ফায়ার এক্সিট সিড়ি ব্যবহার করে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হবে।
৩। কোনভাবেই তাড়াহুড়া বা শৃংখলা ভঙ্গ করা যাবেনা।
৪। অফিসের সবাইকে জানতে হবে অগ্নি নির্বাপনের কোন সুবিধাটা রাখা হয়েছে এবং কোথায় আছে, এর ব্যবহারই বা কিভাবে করতে হবে।
৫। নিয়মিত ফায়ার ড্রিল এ অংশ নেয়া এবং এ ব্যপারে কর্তৃপক্ষকে সচেতন রাখা।
৬। আগুনে পুড়ে মারা যাবার চাইতে বিষাক্ত গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে মারা যাবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। তাই যদি কোন রুমে ধোঁয়া দেখতে পান মাথাটা ফ্লোরের ২/ থেকে ২ ১/২ ফিটের ভেতর রাখার চেষ্টা করুন ও সেভাবে দ্রুত চলে বের হয়ে যান। কারণ বিষাক্ত গ্যাস হয় ভারী নয় হালকা হয় তাই শুয়ে পড়লে বা দাড়িয়ে থকলে ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
৭। আগুন লাগা ভবনের যে কোন রুমের দরজা খোলার আগে হাত দিয়ে স্পর্শ করে দেখুন উত্তপ্ত কিনা, অথবা নীচ দিয়ে ধূয়া বের হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখুন, প্রয়োজনে সেই দরজা এড়িয়ে চলুন।
৮। আগুন নিভে যাওয়ার লক্ষন- অল্প সময়ে না দেখলে, দ্রুত বেড়িয়ে পড়ুন। পানি কিংবা ফায়ার একস্টিংগুইসার সব সময়ে পর্যাপ্ত নাও হতে পারে; অযথা ঝুঁকি নিবেন না
ঢাকা শহরে ফায়ার ফাইটিং এর জন্য দুটি যান্ত্রিক সিড়ি আছে- একটি ১০০ ও অপরটি ১৫০ ফিট, যা ১৪/১৫ তলার উপরে কাজ করবে না। এটা নিয়েও সরকারকে ভাবতে হবে, আরো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায় কিনা। আগুনের দূর্ঘটনা উন্নত বিশ্বেও হয়ে থাকে, সেখানেও অনেক জটিলটা সৃষ্টি হয়। তবে সচেতন থাকাটাই দূর্ঘটনা এড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বুয়েট আর্কিটেকচার, ফয়েজ ভাই আমাদের ৫ ব্যাচ সিনিয়র, আবার আমাদের টিচারও ছিলেন ।
অপ্সরা বলেছেন:
যথাসময়ের যোগ্য পোস্ট।+++তবে বহুতল ভবন সপিং মলগুলোর ক্রেতা সাধারনকেও ফায়ার ড্রিল করানো দরকার। নাহলে হুড়াহুড়ি আর ভয় আতংকে আরো বিপদ ডেকে আনবে।
লেখক বলেছেন: ফায়ার ড্রিল আসলে বলে কয়ে করা হয়না। এলার্ম হলেই সরে যেতে হবে, সেটা টেস্ট হোক বা রিয়েল হোক। আজকাল কিছু কিছু গার্মেন্টস এ করা হয়, কিন্তু সেটাও বলে কয়ে ![]()
সরকারের সাধরন ভাবে প্রচারণা ও শপিং কমপ্লেক্স গুলির পক্ষ থেকে আলাদা করে নিয়মিত প্রচারণা হওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
নুশেরা বলেছেন:
থাম্বস আপ। এই পোস্টটাও স্টিকি করা দরকার।++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আসলে আরো অনেক কিছু বলার ছিল, স্বল্প পরিসরে গুছানো মুশকিল
। এটার উপর মাস্টার্সে একটা সাবজেক্টই আছে।
অলস ছেলে বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সচেতন বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
সেই সাথে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো পোস্টটাকে স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ; কয়েকটা পয়েন্ট যোগ করলাম। মন্তব্যেও কিছু কথা এসেছে।
লেখক বলেছেন: বড় বড় শহরে কিছু তো দূর্ঘটনার জন্য প্রস্তুতি থাকতেই হয়।
কিন্তু সময়টা খারাপই যাচ্ছে ![]()
অপ্সরা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ফায়ার ড্রিল আসলে বলে কয়ে করা হয়না। এলার্ম হলেই সরে যেতে হবে, সেটা টেস্ট হোক বা রিয়েল হোক। আজকাল কিছু কিছু গার্মেন্টস এ করা হয়, কিন্তু সেটাও বলে কয়ে সরকারের সাধরন ভাবে প্রচারণা ও শপিং কমপ্লেক্স গুলির পক্ষ থেকে আলাদা করে নিয়মিত প্রচারণা হওয়া উচিত।
বলে কয়ে হোক বা না হোক তবুও নাহয় করানো হোক। অন্তত বসুন্ধরার লোকজনও যদি জানতো আগে থেকেই আর তাদের ফায়ার ড্রিল করানো হত। মার্কেটে জনসাধারণ থাকা অবস্থাতেই তাদেরকে নিয়েই না হয় করা হত। তাহলে অন্তত এত খারাপ অবস্থা হতনা আজকের মত।
এত সুব্যাবস্থা থাকা সত্বেও তো শুধুই প্রশিক্ষণের অভাবে এমন ঘটনা আবারও ঘটতে পারে।
লেখক বলেছেন: তবে চ্যানেলগুলোর প্রচারণা আমাদের সচেতনতা বাড়ানোতে কিছুটা সহায়তা করবে বলেই মনে হয়।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
দুর্ঘটনার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে কি আর বলবো.....প্রতিবারই বড় কোন দুর্ঘটনার পর শুনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে...কিন্তু তা আর কই হয়!আপনার লেখা পড়ে ফায়ার কোড সম্পর্কে বেশ কিছু বিষয় জানতে পারলাম। ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম।
এ ধরণের দূর্ঘটনা হয়তো অনেকের জীবনে একবারও ঘটার সম্ভাবনা নেই; তারপরেও সকলের পূর্ণ সচেতনতা ছাড়া এই ধরণের দূর্ঘটনা মোকাবেলা সম্ভব নয়।
লেখক বলেছেন: ![]()
খুব খারাপ লেগেছে বসুন্ধরার এই ঘটনায়। দেশে গেলে ওটাতে আমার বাচ্চারা যেত। কত পছন্দ করত।
আরো খারাপ লাগছে যে এখনও কেউ বলছে না, "উই উইল রিবিল্ড দ্য বসুন্ধরা।", যেটা বুশ বলেছিলেন টুইন টাওয়ার হামলার পরে (উই উইল রিবিল্ড দ্য টউইন টাওয়ার"। )
লেখক বলেছেন: বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ কিন্তু বলেছে, তারা এটা ঠিকঠাক করে ফেলবে, কারণ কাঠামোর কিছু তো হয়নি। কিন্তু দলিল দস্তাবেজের ক্ষতিটাই অনেক হয়ে গেলো। এটা কাটানো অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
জানলাম অনেক কিছু +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকেও ![]()
অদৃশ্য বলেছেন:
পারভেজ ভাই....................অনেক দেরিতে পড়লাম। লেখাগুলো ভালো লাগলো। সবসময় ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকেও
আরিয়ানা বলেছেন:
কেমন আছেন। ভাল ইনফরমেশন নিয়ে লেখা। আমার ভাগ্নে বসুন্ধরার আগুনের ছবি তুলে ফেসবুকে আমাকে পঠিয়ে ছিল তাতে দেখলাম আগুনের ভয়াহতা আর কতটা সময় ধরে তা জ্বলেছে। খুবই দুঃখজনক।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছো। তবে তার চাইতে ভয়াবহ হবে ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ। এটার জন্য কিন্তু আমরা অনেক অনেক বেশী অরক্ষিত অবস্থায় আছি।
লেখক বলেছেন: খারাপ লাগলো নিরাশ হলে দেখে। একটু ব্যস্ততা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। ঠিক মনোসংযোগ করা হয়ে উঠছে না।
শুভকামনা, ভালো থেকো।
আরিয়ানা বলেছেন:
খুবই চিন্তায় ফেলেছেন আপনি আমাকে ভুমিকম্পের ব্যপারটায়। কিছুই কি করার নেই সাবধানতা নেবার জন্য?
লেখক বলেছেন: ভূমি কম্পের প্রাথমিক ইম্প্যাক্ট এর চাইতে মানুষ বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে এর পরের ধাপে; ইন্ফ্রা স্ট্রাক্চার পুরপুরি বিদ্ধস্ত হয়ে শহর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে; লুটতরাজ নিরাপত্তার কারণে দূর্ঘটনা বাড়বে অনেক! ![]()
আর শহর এখন এমন একটা পর্যায়ে আছে যে, চাইলেও সহসা কিছু করা সম্ভব না। এখন একটাই আশা; বড় ধরণের ভূমিকম্প যেন না হয় ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















অফ টপিক: ভাইয়া কি বুয়েট সিভিল?