আমার প্রিয় পোস্ট
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জাতিসংঘে কিভাবে চাকরি পাবেন বা করবেন? মাসে ৫,০০০-১৫,০০০ ডলার বেতন! - ডিসকো বান্দর
- বিভিন্ন কোম্পানির লোগোতে গোপন বার্তা > - খন্ডকাব্য
- ডায়েরীর পাতা থেকেঃ যুদ্ধশিশু এরিনা ও তার বীরাঙ্গনা মায়ের যন্ত্রণা গাঁথা - ড়ৎশড়
- হৈমন্তি ২০১০ - জিকসেস
- একটি সাইফাই গল্প গ্রন্থের কথা - সাদা কালো এবং ধূসর
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (১ম অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- গল্প: পাপ - ৭ - স্বদেশ হাসনাইন
- ছবি ব্লগঃ পাহাড় ডাকে আজ আমায় - আহমেদ রাকিব
- অবাস্তব পরাবাস্তববাদ (শেষ পর্ব) - আকাশ অম্বর
- নির্বাসিতের আপনজন। পর্ব-১। - নির্বাসিত
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব-১ - ত্রিশোনকু
- তুমি জানবেও না যে এই লেখাটা তোমায় নিয়ে... - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: অন্য পাতায় বিছায়ে রাখি শরীর - আশরাফ মাহমুদ
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- স্মৃতির পাতা থেকে - ১: প্রিয় বন্ধু এনামুল আজিম (যে হতে পারতো আরেক রামানুজন) - আনন্দ-উল্লাস
- আমার বান্দরবেলা............৯ - তামিম ইরফান
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল: পানির নীচে অন্য এক জগত - রাব্বি !
- নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারবেন না - লেখাজোকা শামীম
- কুয়াকাটার ছবি - ফয়সাল আকরাম
- স্নানক্লান্তি - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- সুন্দরবন মুহূর্ত - আকাশ অম্বর
- কখনো আমি কেউ ছিলামনা - নাজনীন খলিল
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- একটি ট্রেন ভ্রমণ। - তারার হাসি
- (কল্প গল্প) --- রোবসেপিয়ান্সের ভালোবাসা - শান্তির দেবদূত
- বাংলার ভূত-পেত্নী - ম্যাভেরিক
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- জাম্বো সাইজ ব্লগঃ বঙ্গের গল্প - সৌম্য
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- জল টলমল - অনাহুত আগন্তুক
- গল্প: খুন - ইমন জুবায়ের
- মান্ধাতার আমলের গল্প...যা থেকে আমরা কিছুই শিখবোনা... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- অত্যন্ত অনন্ত ১ - অনাহুত আগন্তুক
- চলে যাবার পংক্তিমালা - আমার আমি
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- Words Forever..... - রানা
- স্মৃতির প্রদীপ জ্বালি - অপ্সরা
- ব্লগের প্রিয় কবিতা --বার। - বিলাল
- একেই বলে পেইন্টিং - আমার এই মন
- পাপবোধ সংক্রান্ত টুকিটাকি বা হেনো তেনো - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- রুবিকস কিউব (শেষ পর্ব ) : রুবিকস সমাধানের আরও কিছু কৌশল... - গণিত পাগল
- প্রণয় এবং বিচ্ছেদের অবশ্যম্ভাবিতাঃ একটি ময়নাতদন্ত - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- বিচ্ছেদের আগে - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ......
এক ডজন খাওয়া দাওয়া
.......... - মাহবুবা আখতার
- প্রার্থনা - ফয়সাল আকরাম
- আমার পঞ্চবিংশতি প্রেম... - নীলাঞ্জনা
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- চাচামিঞার জাবর কাটা!! - চাচামিঞা
- সামহয়ার ইন উক্তিপিডিয়া - নাফিস ইফতেখার
ঘ্রাণ- ছোট গল্প
০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
আজব আজব সব গন্ধ পাচ্ছি!
সম্ভবত জ্বর কাটার ঘোরেই সব উল্টা পাল্টা লাগছে!
তিনদিন ধরে বিছানাতেই পড়ে ছিলাম। ভাইরাস জনিত সর্দি জ্বর ছাড়া আর কিছুই না। এটাই যে এতোটা ভোগাবে , কে জানতো?!
নাক বন্ধ হয়ে প্রায় শ্বাস কষ্ট শুরু হয়ে গেছিলো। কালকে কিছুটা ভালো লাগায় আজ বের হয়েছিলাম অফিসের দিকে।
সকালেও কিছুটা অস্বস্তি লাগছিলো কেন যেন। সারা ঘর জুড়ে কেমন একটা আতর- তেজপাতা মেশানো গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছিল। অথচ আমি যেই কোলনটা ব্যবহার করি সেটা 'জিলেট' এর। শেষমেশ একগাদা স্প্রে করায় মনে হলো গন্ধটা দূর হয়েছে।
যাচ্ছিলাম বাসে করে। পথের মধ্যে এখন আবার এই বিপত্তি।
কপালে হাত দিয়ে দেখলাম; জ্বর আছে বলে তো মনে হচ্ছেনা!
অনেকে হয়তো ভাবছেন, এ আর এমনটা কি! রাস্তায় তো কতো গন্ধই ভেসে বেড়ায়! ( তেজগাঁও এর নাবিস্কোর কাছে বিস্কিটের গন্ধটাতো আমার নিজেরই খুব ই প্রিয়! ) তাছাড়া সর্দি সারলে ঘ্রাণ শক্তি অনেক সময় একটু তীক্ষ্ণ বোধ হয় বৈকি!
কিন্তু তাই বলে এমন চমৎকার এসি বাসের ভেতর ফার্মের মুরগীর তীব্র গন্ধ ভেসে বেড়াবে?! আর গন্ধটা কোন প্যাকেট বা বস্তা থেকেও আসলে হতো। গন্ধটা বেশী আসছে পাশের সীটের ভদ্রমহিলার কাছ থেকে! চারপাশে সুবেশী সব ভদ্রলোকেরা অফিসে পৌছানোর জন্য ব্যগ্র হয়ে বসে আছেন। কাউকে মুরগীর ব্যাপারী বলে তো মনে হচ্ছেনা। শুধু কি তাই। আরো কিছু গন্ধ আছে যা চেনা কিছুর সাথে মেলাতেই পারছিলাম না। একবার মনে হলো সামনের সীটের টেকো ভদ্রলোকের গাঁ থেকে কাঁঠালের তীব্র ঘ্রাণ পাচ্ছি। কিছুটা হতবুদ্ধি হয়ে বসে থাকলাম। সামনের সিটের টেঁকো লোকটা নামার সাথে সাথেই কাঁঠালের গন্ধটা হারিয়ে গেলো! আজব তো! লোকটার হাতে কিন্তু কোন কাঁঠাল দেখিনি, হতে পারে সকালে ঠেসে কাঁঠাল খেয়ে এসেছে। তবে, ব্যাটা যে এক নাম্বারের মিথ্যেবাদী সেটা আমি নিশ্চিত! আমার সামনে টিকেট কাটলো ফার্মগেটের, নেমেছে মহাখালীতে।
কনডাক্টর এসে ভাড়া চাইলো পাশে মহিলার কাছে। সে আরেক দৃশ্য! উনি দশ মিনিট ধরে ব্যাগ খুলে ঝেরে ঝুরে চারআনা আটানা মিলিয়ে ৯ টাকা ৫০ পয়সা ভাড়া দিলেন। কনডাক্টারও ততক্ষণে অধৈর্য্য হয়ে পড়েছিল নিশ্চই। বাকি আটআনা আর চাইলোই না! কত আজব আজব লোক যে দুনিয়ায় আছে! মহিলাকে দেখলেই বুঝা যায় মহা কৃপণ! একটা টিস্যুকে চারটুকরা করলো বাসে বসে বসেই! সেখান থেকে একটা টুকরা নিয়ে নাক মুছলো, বাকি তিনটা ব্যাগের পকেটে! মহিলার কাজকর্ম হয়তো
আরো কিছুক্ষণ ফলো করতাম। কিন্তু ততক্ষণে বাসের ভেতরে ভাড়া নিয়ে তুলকালাম বেঁধে গেছে কনডাক্টার আর একটা কলেজ ছাত্রের ভেতরে! কেউ কাউকে ছাড়তে রাজী না। এই হট্টগোলের ভেতরেও আলাডা করে টের পেলাম কনডাক্টার আর সেই ঝগড়াটে ছাত্রের শরীর থেকে তেলাপোকার তীব্র গন্ধ পাচ্ছি। ঝগড়ার দাপটের সাথে সাথে গন্ধটাও যেন বাড়ছিল!
হঠাৎ করে বিদ্যুত চমকের মতো একটা চিন্তা খেলে গেলো মাথার ভেতর! আচ্ছা, এমনটা কি হতে পারে, কোন কারণে আমি মানুষের চরিত্রের গন্ধ পাচ্ছি?!
তবে ধারণাটা নিয়ে খুব বেশী ভাবনার সুযোগ পেলাম না। আমার স্টপেজ চলে এসেছে ততোক্ষণে। মাথায় তখন বসের চিন্তা। তিন দিন অফিস মিস দেয়ায়, বদ লোকটা কিভাবে ঝাড়িটা দিবে সেটাই ভাবছি।
যা ভেবেছিলাম ঠিক তাই!
ডেস্কে বসতে না বসতেই তলব এলো ভেতর থেকে!
এসি করা রুম; অথচ ঢুকতেই পাঁঠার বিকট বোঁটকা গন্ধে বমি পেয়ে গেলো। মুখটা বোধকরি বিকৃত করে ফেলেছিলাম-
"থাক থাক, আর মুখ না বাঁকালেও চলবে; বুঝেছি; খুব অসুস্থ ছিলেন গতকদিন!" - তীব্র শ্লেষ মাখানো লোকটার প্রতিটা উচ্চারণে!
"জী, মানে স্যার, আমি এটা পাওনা ছুটির সাথে এ্যাড্জাস্ট করে নিবো নাহয়।"- ভাড়টাকে থামানোর একটাই উপায়।
"সেটা দেখা যাবে!"- গলার সুরটা একটু নরম হলো মনে হয়! "সামনের শীপমেন্টের আগে যেন আর কোন অযুহাত শুনতে না হয়। এখন বিদেয় হন!"
এক প্রকার ধমক দিয়েই বিদেয় করে দিলো ব্যাটা আমাকে। তবে রুম থেকে বের হবার আগেই আসলে আমি তার ধাঁতানির কথা ভুলে গেলাম। মাথায় তখন আবার ঘ্রাণ বিষয়ক ভাবনা।
আমি ঠিকই ধরেছিলাম! মানুষের চরিত্রের গন্ধ পাচ্ছি আমি! এটা নিশ্চই মানসিক কোন ব্যাপার। কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে, সেটা জানিনা। কিন্তু আমি পাচ্ছি!
একটু পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম!
আমাদের ডাইনিং এর বুয়া তার ঝগড়ার জন্য বিখ্যাত। চা দিয়ে যেতে বলেছিলাম। টেবিলে চা রাখার আগেই পেলাম তেলাপোকার গন্ধটা! ঠিক বাসের ভেতর পাওয়া কনডাক্টার আর কলেজের ছেলেটার মতো!
আমার পাশে বসেন একাউন্টসের রমিজ সাহেব। কাছে না গিয়েও বাসী টক দৈ এর মতো যে ঘ্রাণটা পাচ্ছিলাম, আমি নিশ্চিত আমাদের এমডির কাছ থেকেও এমন গন্ধই পাবো; লোভী মানুষের গন্ধ!
পিয়ন শামছু যখন সিগারেটের ভাংতি টাকা দিয়ে গেলো, না গুনেই টের পেলাম কিছু টাকা সরিয়েছে চোট্টাটা। রসুনের গন্ধটাতাহলে চোরদের !?
দুপুরে লান্চের আগ পর্যন্ত এইসব ঘ্রাণ শুঁকে শুঁকেই অনেকটা সময় কেটে গেলো। অস্থির লাগছিলো।
নাঃ! কাউকে খুলে বলতেই হবে।
মওকাটা পেলাম ক্যাফেতে। আমি, অসিত আর রিমু বরাবর একসাথে লাঞ্চ করি। অসিত আমার সেকশনেই কাজ করে। রিমু এইচ আরডিতে। কিন্তু আমাদের দুজনের সাথেই ওর খাতিরটা বেশী। আড়ালে লোকজন কিছুটা ফিসফিস করে টের পাই। পাত্তা দেইনা। রিমু আমার খুব ভালো বন্ধু আর অসিতের সাথে কিছু আছে বলে তো মনে হয়না।
দুজনকে খুলে বল্লাম সকাল থেকে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা।
প্রশ্নটা কেন যেন আশা করছিলাম রিমুর কাছ থেকে; করলো অসিত।
"দোস্ত, আমার কাছ থেকে কোন ঘ্রাণ পাচ্ছিস?"
"হুম; লবঙ্গের! "
"মজার ব্যাপার তো!" অবাক দেখালো রিমুকে! "মাসীর কাছে গেলে কিন্তু আমি এমন একটা ঘ্রাণ পাই!"
মাসী মানে অসিতের মা; আমরা সুযোগ পেলেই অসিতের বাসায় আড্ডা দেই। আমার মনে পড়লো, মাসীর সাথে অসিতের মিলটুকু। মায়ের সরলতার সবটুকুই পেয়েছে সে। এমন প্রতিভাবান একটা ছেলে এতোটা সাদাসিধে, না মিশলে কেউই বিশ্বাস করবে না।
অসিতকে কিছুটা চিন্তিত দেখালেও রিমু দেখলাম হাসছে মুখটিপে।
"যাক বাবা, ভালোই হলো; এখন থেকে তোমাকে নিয়ে মিটিং এ গেলেই হবে, কে কেমন লোক সেটা শুঁকে শুঁকে আগে থেকে জানিয়ে দিবে আমাদের!" রিমুর গলার স্বরে দুষ্টুমীটুকু টের পাই।
রসিকতাটা কেন যেন পছন্দ হলো না।
"আচ্ছা, রিমুর কাছ থেকে কোন গন্ধ পাচ্ছিস?"
আগ্রহটা অসিতেরই বেশী মনে হলো। রিমু প্রশ্ন শুনে মুখ টিপে হাসলো; কোন কথা বললো না। উৎসুখ তার চোখও।
একটু ভেবে নিয়েই বল্লাম।
"গোলাপের পাপড়ির সাথে কেমন যেন একটা স্পিরিটের গন্ধ। ঐ যে নেল পলিশ রিমুভার আছে না? তেমন।"!
আসল কথাটা চেপে গেলাম; ওটা স্পিরিট না, একদম ওয়াইনের মাতাল করা সুবাস!
রিমু হাসতে গিয়ে বিষম খেলো।
অসিতের নিস্পাপ চাউনিটা একটু বোকা বোকা হয়ে গেলো।
আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না।
রিমু হাসি থামিয়ে বললো," তুমি দেখছি আমাকে কক্টেল বানিয়ে ফেল্লে!"
"আমার যেটা মনে হলো, সেটাই বল্লাম" -অসহায়তা আমার গলার স্বরেও।
রিমু আর কিছু বল্লো না। রহস্যের হাসির ছটা তার চোখে মুখে খেলা করছে।
লাঞ্চের পর কাজে একটুও মন বসাতে পারছিলাম না। চারদিকের নিত্যনতুন ঘ্রাণ তো আছেই, সেই সাথে মাথায় খেলা করছিলো রিমুর হাসির ছটা। কেন যেন ওর কথা ভাবতে ভালো লাগছিলো।
আচ্ছা, রিমুও কি..........?
নাহ! মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল্লাম ভাবনাটা। ও আমার খুব ভালো বন্ধু; কখনোতো কিছু বলেনি। আভাসে ইঙ্গিতেও তো কিছু বুঝায়নি। এটা আমারই বোঝার ভুল।
কিন্তু, কেন যেন ভাবনাটা মাথা থেকে একেবারে দুর করতে পারছিলাম না। তার উপর আশে পাশের নানা ঘ্রাণের আনাগোনা মনটাকে একেবারেই স্থির হতে দিচ্ছিলো না। এক ফাঁকে চলে গেলাম এইচ আর ডি তে। রিমু ডেস্কে একাই ছিল। আমাকে দেখে আবার মুখটিপে হাসলো।
মেয়েটা আজকে এতো রহস্যময়ী হয়ে উঠলো কেন?!
"আচ্ছা, প্লিজ বলবে, তোমার কাছ থেকে পাওয়া এই ঘ্রাণটা এমন হচ্ছে কেন?" অনুনয়ের সুর আমার কন্ঠে।
ও উঠে দাড়ালো ডেস্ক ছেড়ে।পূর্ণ চোখে তাকালো আমার দিকে।
"এটা ভালোবাসার মহুয়া গন্ধ!" আরেকবার মুখ টিপে হাসলো সে।
আমি কিছু বলার শক্তি হারিয়ে ফেল্লাম।
চকিত পায়ে বসের রুমের দিকে এগিয়ে যেতে থাকা রিমুর চমৎকার দেহবল্লরীর দিকে বিমুঢ় ভাবে তাকিয়ে থাকলাম।
কি বলে গেলো মেয়েটা?!
তবে একটা জিনিষ, বেশ বুঝতে পারছি! সকাল থেকে আমার নিজের দেহে যে হালকা ঘ্রাণটা পাচ্ছিলাম, সেটা আসলে কিসের গন্ধ!
আমি নিশ্চিত, বোকা- গাধা টাইপ লোকেদের গায়ের গন্ধটা, হালকা আতর- তেজপাতা মেশানো হয়!!!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোট গল্প, ছোট গল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বড় বিলাই বলেছেন:
আপনি কি পারফিউম ছবিটা দেখেছেন?
লেখক বলেছেন: না, দেখা হয়নি; নেট এ সার্চ করে দেখলাম। থ্রিলার টাইপ কিছু মনে হলো।
সহেলী বলেছেন:
হালকা তেজপাতার মত হালকা ঘ্রানের লেখা !আমি নিশ্চিত, বোকা- গাধা টাইপ লোকেদের গায়ের গন্ধটা, হালকা আতর- তেজপাতা মেশানো হয়!!!
..............................কিভাবে নিশ্চাত হলেন ?
লেখক বলেছেন: আমি তো নিশ্চিত হয়নি! ![]()
গল্পটা যে বলছে সে হয়েছে ![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
ফাটাফাটি। ওহে লেখক ভক্তের ঘ্রাণ কেমন হয়?
আর বুদ্ধিমান লেখকের ঘ্রাণ কেমন হয় তাড়াতাড়ি জানান।
লেখক বলেছেন: দুটোই স্বাদ, গন্ধ ও বর্ণহীন ![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
আচ্ছা ছন্নকে বেশ কিছুদিন পাইনা। ওর কোন খবর জানেন?
লেখক বলেছেন: মনে হলো তো আজকেও লগিন দেখলাম, কার কবিতায় যেন কমেন্ট দিল।
বিষন্নময়ী বলেছেন:
ভালোই তো লাগলো পড়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিষন্নময়ীকে।
শুভকামনা।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
দারুণ ণ ণ ণ ণ ণ।++++++কিন্তু, কাহিনী(মানে শুধু থিম আর কি !) মনে হয় আগে শুনেছি।
পারফিউম ছবিটা দেইখেন। সুপারব।
লেখক বলেছেন: ছবিটা সুযোগ পেলে দেখে নিব।
ধন্যবাদ তোমাকে।
অদৃশ্য বলেছেন:
পারভেজ ভাই.................আশা করছি ভালো আছে। আপনার লেখাটি আমার খুব ভালো লাগলো।আপাতত গন্ধটা নিয়েই ভাবছি.........
শুভকামনা.........
লেখক বলেছেন: শুভকামনা তোমার জন্যেও।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সাইফাইটা খসড়া লেখা না হওয়ায় এগুনো যাচ্ছে না। কাহিনীটা আগে ফ্রেমে গাঁথতে চাই।
ধন্যবাদ কঁাকন।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
এম্নি কি কইলাম, লেখক দারুণ বুদ্ধিমান। ঘটনা হইল - আপ্নে কইলেনভক্তরো স্বাদ গন্ধ আর বর্ণহীন। মানে পানির মত। যে পাত্রে ঢালবেন, সেই পাত্রের আকার ধারণ করবে।
মানে কি দাঁড়াইলো--- লেখকরা যেমনই লিখুক না কেন? ভক্তেরা পড়বে আর প্রশংসা করবে---আফসুস!
লেখক বলেছেন: উল্টা বুঝলি রাম ![]()
ভক্ত আর লেখক দুইই এক জাতীয় বস্তু ![]()
কেউ মন্তব্য লেখে - কেউ জবাব দেয়
এপাড় আর ওপাড়- ইতরবিশেষ নাই ![]()
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
চমৎকার ১টা গল্প অনেকক্ষন লাগিয়ে পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ভালোলাগা জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
কি আর বলবো। এত ভালো লেখা। এত সুন্দর আইডিয়া। তবে শেষটা এমন হবে ভাবি নাই। এমন ইন্টারেস্টিং শুরুর পর রোমান্টিক শেষ। তবে এমন করতে পারতেন। বেশির ভাগের চরিত্র সম্পর্কে সে যা জানত মিলে গেল। তার খুব কাছের একটা চরিত্রের কাছে গেলে এমন একটা গন্ধ পেতে শুরু করল যেটা তার চরিত্রের সাথে একেবারেই যায় না। তখন তার হিসেবের প্যাঁচ লাগে। তারপর একসময় সে ওই মানুষের গন্ধযুক্ত চরিত্রটা আবিষ্কার করে। ধূর কি সব বলছি। আলগা পাকনামী।
লেখক বলেছেন:
একদিক থেকে চমৎকার পর্যবেক্ষণ করেছো। লেখাটা থ্রিলার বা ফ্যান্টাসী হতে পারতো; কিন্তু ব্লগে সবসময় গল্পের দৈর্ঘ্যটা খোঁচাতে থাকে। তাই এক ভাবনা থেকে অন্য ভাবনায় সরে আসতে হয় কলেবরের কথা ভেবে। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
হুম,নিজের গায়ের গন্ধ নিয়ে চিন্তায় পড়লাম, তেজপাতা শুঁকে দেখতে হবে আগে,আর আতরটা কোন ব্র্যান্ডের এইটা জানায়েন।
গন্ধপুরাণ ব্যাপক হইসে,একদম মন থেকে বললাম। গল্পটা আসলেই ভাল।
লেখক বলেছেন: মুল চরিত্রের লোকটার মতো জ্বর জারি না হলে তো এই গন্ধ পাওয়া যাবে না! ![]()
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ মাহমুদ
জুল ভার্ন বলেছেন:
পারভেজ ভাই, সরি! আপনার এই সুন্দর লেখাটা জানিনা কি ভাবে আমার চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল।চমতকার লিখেছেন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপানাকে।
আপনার লেখাগুলি বেশ ইনফরমেশন ভিত্তিক হচ্ছে।
অন্তিম বলেছেন:
কিছু পড়ে মনে হচ্ছে অনেক জটিল হবে তাই এখন না পড়ে আরেকদিন মজা করে পড়ব।মনযোগ দিয়ে। আজ মনযোগ বেড়াতে গিয়েছে
লেখক বলেছেন: মনযোগ বেড়ানো শেষ করে ফেরার সময় কিছু কবিতাও নিয়ে আসুক ![]()
লেখক বলেছেন: জটিল অনুভুতি জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা।
চিন্তার বিষয় ...
বাস্তবে মানুষের চেহারার মত গন্ধের একটা ব্যাপার থাকলে ভালই হত, গন্ধ দিয়েই চেনা যেত মানুষগুলিকে।
লেখক বলেছেন: হয়তো বাস্তবে আছে। খুব কম সৌভাগ্যবান মানুষই তা বুঝতে পারে। আর সেটাকে আমরা ইনটুইশন মনে করি ![]()
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
পেলাস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভকামনা।
খুব ই ভাল লেগেছে গল্পটা।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা ![]()
লেখক বলেছেন: মজা তো!
তোমার হাত দেখা নিয়ে একটা ট্যাকনিক্যাল পোস্ট দাও ![]()
দুয়ার বলেছেন:
ভালো হৈসে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দুয়ার ভাই ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
শুভকামনা।
নাজনীন খলিল বলেছেন:
চরিত্রের সাথে গন্ধগুলো মিলিয়েছো তো চমৎকার! ঠিক যেমন হওয়া উচিত।+++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাজনীন আপা।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শিউলি গন্ধের কমেন্টের জন্য ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ; ভালো লাগা জানানোর জন্য।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন সবসময়।
মুনিয়া বলেছেন:
টেকি পোস্ট দিতে তো অনেক সময় লাগবে। কতকিছু ভুলে গেছি...সব ঝালাই করে নিয়ে দিতে হবে তো!
ব্লগে কত বস পাবলিক আছে- এলোমেলো বললে তো ধরা!
লেখক বলেছেন: ![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আরেকটা সুপার লেখা ......আপনার পোস্টের ফ্রিকোয়েন্সি কমে যাচ্ছে মনে হয় ! এই মাসে এখন পর্যন্ত মাত্র ২ টা পোস্ট
লেখক বলেছেন: জুন মাসটা আমার জন্য খুব কষ্টের সময় হয়ে দাড়াচ্ছে। রানা গিয়েছিল ২৬ তারিখে; আর আব্বা গেলেন ছ বছর পর ১৮ তারিখে।
আরিয়ানা বলেছেন:
খুব ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিয়ানা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশচুরি। দেখা পেয়ে অনেক ভালো লাগলো।
সবুজ বলেছেন:
গন্ধের নাকি ১২টা স্তর আছে। আর কিংবদন্তি ১৩ নাম্বার নোড়ের মিশেল দিতে পারলে ঐ সুবাস হয় অবিশ্বাস্য মাদকতাময়, স্বর্গীয়।
পারফিউম ছবিটা এই আশ্চর্য কাহিনী নিয়ে।
এমনই অস্বাবাভিক গন্ধ বিশারদের কাহিনী, যে ১২ নোড়ের সাথে ১৩তম নোড়ও খুজে বার করে। সবগুলো আতরের মিশেলে য হয় তার ১ ফোটার ছটার সারা শহরকে মাতাল করে দেয়। পালিয়ে যায় ফাঁসির কাঠগড়া থেকে ...
আপনার গল্পটায় তেমনই চমৎকার সুগন্ধ পেলাম।
লেখক বলেছেন: ছবিটা না দেখলেই নয় মনে হচ্ছে ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















