আমার প্রিয় পোস্ট

ঘ্রাণ- ছোট গল্প

০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

শেয়ারঃ
0 0 0

আজব আজব সব গন্ধ পাচ্ছি!
সম্ভবত জ্বর কাটার ঘোরেই সব উল্টা পাল্টা লাগছে!
তিনদিন ধরে বিছানাতেই পড়ে ছিলাম। ভাইরাস জনিত সর্দি জ্বর ছাড়া আর কিছুই না। এটাই যে এতোটা ভোগাবে , কে জানতো?!
নাক বন্ধ হয়ে প্রায় শ্বাস কষ্ট শুরু হয়ে গেছিলো। কালকে কিছুটা ভালো লাগায় আজ বের হয়েছিলাম অফিসের দিকে।
সকালেও কিছুটা অস্বস্তি লাগছিলো কেন যেন। সারা ঘর জুড়ে কেমন একটা আতর- তেজপাতা মেশানো গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছিল। অথচ আমি যেই কোলনটা ব্যবহার করি সেটা 'জিলেট' এর। শেষমেশ একগাদা স্প্রে করায় মনে হলো গন্ধটা দূর হয়েছে।
যাচ্ছিলাম বাসে করে। পথের মধ্যে এখন আবার এই বিপত্তি।
কপালে হাত দিয়ে দেখলাম; জ্বর আছে বলে তো মনে হচ্ছেনা!
অনেকে হয়তো ভাবছেন, এ আর এমনটা কি! রাস্তায় তো কতো গন্ধই ভেসে বেড়ায়! ( তেজগাঁও এর নাবিস্কোর কাছে বিস্কিটের গন্ধটাতো আমার নিজেরই খুব ই প্রিয়! ) তাছাড়া সর্দি সারলে ঘ্রাণ শক্তি অনেক সময় একটু তীক্ষ্ণ বোধ হয় বৈকি!
কিন্তু তাই বলে এমন চমৎকার এসি বাসের ভেতর ফার্মের মুরগীর তীব্র গন্ধ ভেসে বেড়াবে?! আর গন্ধটা কোন প্যাকেট বা বস্তা থেকেও আসলে হতো। গন্ধটা বেশী আসছে পাশের সীটের ভদ্রমহিলার কাছ থেকে! চারপাশে সুবেশী সব ভদ্রলোকেরা অফিসে পৌছানোর জন্য ব্যগ্র হয়ে বসে আছেন। কাউকে মুরগীর ব্যাপারী বলে তো মনে হচ্ছেনা। শুধু কি তাই। আরো কিছু গন্ধ আছে যা চেনা কিছুর সাথে মেলাতেই পারছিলাম না। একবার মনে হলো সামনের সীটের টেকো ভদ্রলোকের গাঁ থেকে কাঁঠালের তীব্র ঘ্রাণ পাচ্ছি। কিছুটা হতবুদ্ধি হয়ে বসে থাকলাম। সামনের সিটের টেঁকো লোকটা নামার সাথে সাথেই কাঁঠালের গন্ধটা হারিয়ে গেলো! আজব তো! লোকটার হাতে কিন্তু কোন কাঁঠাল দেখিনি, হতে পারে সকালে ঠেসে কাঁঠাল খেয়ে এসেছে। তবে, ব্যাটা যে এক নাম্বারের মিথ্যেবাদী সেটা আমি নিশ্চিত! আমার সামনে টিকেট কাটলো ফার্মগেটের, নেমেছে মহাখালীতে।
কনডাক্‌টর এসে ভাড়া চাইলো পাশে মহিলার কাছে। সে আরেক দৃশ্য! উনি দশ মিনিট ধরে ব্যাগ খুলে ঝেরে ঝুরে চারআনা আটানা মিলিয়ে ৯ টাকা ৫০ পয়সা ভাড়া দিলেন। কনডাক্‌টারও ততক্ষণে অধৈর্য্য হয়ে পড়েছিল নিশ্চই। বাকি আটআনা আর চাইলোই না! কত আজব আজব লোক যে দুনিয়ায় আছে! মহিলাকে দেখলেই বুঝা যায় মহা কৃপণ! একটা টিস্যুকে চারটুকরা করলো বাসে বসে বসেই! সেখান থেকে একটা টুকরা নিয়ে নাক মুছলো, বাকি তিনটা ব্যাগের পকেটে! মহিলার কাজকর্ম হয়তো
আরো কিছুক্ষণ ফলো করতাম। কিন্তু ততক্ষণে বাসের ভেতরে ভাড়া নিয়ে তুলকালাম বেঁধে গেছে কনডাক্‌টার আর একটা কলেজ ছাত্রের ভেতরে! কেউ কাউকে ছাড়তে রাজী না। এই হট্টগোলের ভেতরেও আলাডা করে টের পেলাম কনডাক্‌টার আর সেই ঝগড়াটে ছাত্রের শরীর থেকে তেলাপোকার তীব্র গন্ধ পাচ্ছি। ঝগড়ার দাপটের সাথে সাথে গন্ধটাও যেন বাড়ছিল!
হঠাৎ করে বিদ্যুত চমকের মতো একটা চিন্তা খেলে গেলো মাথার ভেতর! আচ্ছা, এমনটা কি হতে পারে, কোন কারণে আমি মানুষের চরিত্রের গন্ধ পাচ্ছি?!
তবে ধারণাটা নিয়ে খুব বেশী ভাবনার সুযোগ পেলাম না। আমার স্টপেজ চলে এসেছে ততোক্ষণে। মাথায় তখন বসের চিন্তা। তিন দিন অফিস মিস দেয়ায়, বদ লোকটা কিভাবে ঝাড়িটা দিবে সেটাই ভাবছি।
যা ভেবেছিলাম ঠিক তাই!
ডেস্কে বসতে না বসতেই তলব এলো ভেতর থেকে!
এসি করা রুম; অথচ ঢুকতেই পাঁঠার বিকট বোঁটকা গন্ধে বমি পেয়ে গেলো। মুখটা বোধকরি বিকৃত করে ফেলেছিলাম-
"থাক থাক, আর মুখ না বাঁকালেও চলবে; বুঝেছি; খুব অসুস্থ ছিলেন গতকদিন!" - তীব্র শ্লেষ মাখানো লোকটার প্রতিটা উচ্চারণে!
"জী, মানে স্যার, আমি এটা পাওনা ছুটির সাথে এ্যাড্‌জাস্ট করে নিবো নাহয়।"- ভাড়টাকে থামানোর একটাই উপায়।
"সেটা দেখা যাবে!"- গলার সুরটা একটু নরম হলো মনে হয়! "সামনের শীপমেন্টের আগে যেন আর কোন অযুহাত শুনতে না হয়। এখন বিদেয় হন!"
এক প্রকার ধমক দিয়েই বিদেয় করে দিলো ব্যাটা আমাকে। তবে রুম থেকে বের হবার আগেই আসলে আমি তার ধাঁতানির কথা ভুলে গেলাম। মাথায় তখন আবার ঘ্রাণ বিষয়ক ভাবনা।
আমি ঠিকই ধরেছিলাম! মানুষের চরিত্রের গন্ধ পাচ্ছি আমি! এটা নিশ্চই মানসিক কোন ব্যাপার। কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে, সেটা জানিনা। কিন্তু আমি পাচ্ছি!
একটু পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম!
আমাদের ডাইনিং এর বুয়া তার ঝগড়ার জন্য বিখ্যাত। চা দিয়ে যেতে বলেছিলাম। টেবিলে চা রাখার আগেই পেলাম তেলাপোকার গন্ধটা! ঠিক বাসের ভেতর পাওয়া কনডাক্‌টার আর কলেজের ছেলেটার মতো!
আমার পাশে বসেন একাউন্টসের রমিজ সাহেব। কাছে না গিয়েও বাসী টক দৈ এর মতো যে ঘ্রাণটা পাচ্ছিলাম, আমি নিশ্চিত আমাদের এমডির কাছ থেকেও এমন গন্ধই পাবো; লোভী মানুষের গন্ধ!
পিয়ন শামছু যখন সিগারেটের ভাংতি টাকা দিয়ে গেলো, না গুনেই টের পেলাম কিছু টাকা সরিয়েছে চোট্টাটা। রসুনের গন্ধটাতাহলে চোরদের !?
দুপুরে লান্চের আগ পর্যন্ত এইসব ঘ্রাণ শুঁকে শুঁকেই অনেকটা সময় কেটে গেলো। অস্থির লাগছিলো।
নাঃ! কাউকে খুলে বলতেই হবে।
মওকাটা পেলাম ক্যাফেতে। আমি, অসিত আর রিমু বরাবর একসাথে লাঞ্চ করি। অসিত আমার সেকশনেই কাজ করে। রিমু এইচ আরডিতে। কিন্তু আমাদের দুজনের সাথেই ওর খাতিরটা বেশী। আড়ালে লোকজন কিছুটা ফিসফিস করে টের পাই। পাত্তা দেইনা। রিমু আমার খুব ভালো বন্ধু আর অসিতের সাথে কিছু আছে বলে তো মনে হয়না।
দুজনকে খুলে বল্লাম সকাল থেকে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা।
প্রশ্নটা কেন যেন আশা করছিলাম রিমুর কাছ থেকে; করলো অসিত।
"দোস্ত, আমার কাছ থেকে কোন ঘ্রাণ পাচ্ছিস?"
"হুম; লবঙ্গের! "
"মজার ব্যাপার তো!" অবাক দেখালো রিমুকে! "মাসীর কাছে গেলে কিন্তু আমি এমন একটা ঘ্রাণ পাই!"
মাসী মানে অসিতের মা; আমরা সুযোগ পেলেই অসিতের বাসায় আড্ডা দেই। আমার মনে পড়লো, মাসীর সাথে অসিতের মিলটুকু। মায়ের সরলতার সবটুকুই পেয়েছে সে। এমন প্রতিভাবান একটা ছেলে এতোটা সাদাসিধে, না মিশলে কেউই বিশ্বাস করবে না।
অসিতকে কিছুটা চিন্তিত দেখালেও রিমু দেখলাম হাসছে মুখটিপে।
"যাক বাবা, ভালোই হলো; এখন থেকে তোমাকে নিয়ে মিটিং এ গেলেই হবে, কে কেমন লোক সেটা শুঁকে শুঁকে আগে থেকে জানিয়ে দিবে আমাদের!" রিমুর গলার স্বরে দুষ্টুমীটুকু টের পাই।
রসিকতাটা কেন যেন পছন্দ হলো না।
"আচ্ছা, রিমুর কাছ থেকে কোন গন্ধ পাচ্ছিস?"
আগ্রহটা অসিতেরই বেশী মনে হলো। রিমু প্রশ্ন শুনে মুখ টিপে হাসলো; কোন কথা বললো না। উৎসুখ তার চোখও।
একটু ভেবে নিয়েই বল্লাম।
"গোলাপের পাপড়ির সাথে কেমন যেন একটা স্পিরিটের গন্ধ। ঐ যে নেল পলিশ রিমুভার আছে না? তেমন।"!
আসল কথাটা চেপে গেলাম; ওটা স্পিরিট না, একদম ওয়াইনের মাতাল করা সুবাস!
রিমু হাসতে গিয়ে বিষম খেলো।
অসিতের নিস্পাপ চাউনিটা একটু বোকা বোকা হয়ে গেলো।
আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না।
রিমু হাসি থামিয়ে বললো," তুমি দেখছি আমাকে কক্‌টেল বানিয়ে ফেল্‌লে!"
"আমার যেটা মনে হলো, সেটাই বল্লাম" -অসহায়তা আমার গলার স্বরেও।
রিমু আর কিছু বল্লো না। রহস্যের হাসির ছটা তার চোখে মুখে খেলা করছে।
লাঞ্চের পর কাজে একটুও মন বসাতে পারছিলাম না। চারদিকের নিত্যনতুন ঘ্রাণ তো আছেই, সেই সাথে মাথায় খেলা করছিলো রিমুর হাসির ছটা। কেন যেন ওর কথা ভাবতে ভালো লাগছিলো।
আচ্ছা, রিমুও কি..........?
নাহ! মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল্লাম ভাবনাটা। ও আমার খুব ভালো বন্ধু; কখনোতো কিছু বলেনি। আভাসে ইঙ্গিতেও তো কিছু বুঝায়নি। এটা আমারই বোঝার ভুল।
কিন্তু, কেন যেন ভাবনাটা মাথা থেকে একেবারে দুর করতে পারছিলাম না। তার উপর আশে পাশের নানা ঘ্রাণের আনাগোনা মনটাকে একেবারেই স্থির হতে দিচ্ছিলো না। এক ফাঁকে চলে গেলাম এইচ আর ডি তে। রিমু ডেস্কে একাই ছিল। আমাকে দেখে আবার মুখটিপে হাসলো।
মেয়েটা আজকে এতো রহস্যময়ী হয়ে উঠলো কেন?!
"আচ্ছা, প্লিজ বলবে, তোমার কাছ থেকে পাওয়া এই ঘ্রাণটা এমন হচ্ছে কেন?" অনুনয়ের সুর আমার কন্ঠে।
ও উঠে দাড়ালো ডেস্ক ছেড়ে।পূর্ণ চোখে তাকালো আমার দিকে।
"এটা ভালোবাসার মহুয়া গন্ধ!" আরেকবার মুখ টিপে হাসলো সে।
আমি কিছু বলার শক্তি হারিয়ে ফেল্লাম।
চকিত পায়ে বসের রুমের দিকে এগিয়ে যেতে থাকা রিমুর চমৎকার দেহবল্লরীর দিকে বিমুঢ় ভাবে তাকিয়ে থাকলাম।
কি বলে গেলো মেয়েটা?!
তবে একটা জিনিষ, বেশ বুঝতে পারছি! সকাল থেকে আমার নিজের দেহে যে হালকা ঘ্রাণটা পাচ্ছিলাম, সেটা আসলে কিসের গন্ধ!
আমি নিশ্চিত, বোকা- গাধা টাইপ লোকেদের গায়ের গন্ধটা, হালকা আতর- তেজপাতা মেশানো হয়!!!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোট গল্পছোট গল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
বড় বিলাই বলেছেন: আপনি কি পারফিউম ছবিটা দেখেছেন?
০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: না, দেখা হয়নি; নেট এ সার্চ করে দেখলাম। থ্রিলার টাইপ কিছু মনে হলো।

২. ০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
সহেলী বলেছেন: হালকা তেজপাতার মত হালকা ঘ্রানের লেখা !

আমি নিশ্চিত, বোকা- গাধা টাইপ লোকেদের গায়ের গন্ধটা, হালকা আতর- তেজপাতা মেশানো হয়!!!
..............................কিভাবে নিশ্চাত হলেন ?

০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: আমি তো নিশ্চিত হয়নি! :-*
গল্পটা যে বলছে সে হয়েছে :)

৩. ০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
ফেরারী পাখি বলেছেন: ফাটাফাটি।

ওহে লেখক ভক্তের ঘ্রাণ কেমন হয়?

আর বুদ্ধিমান লেখকের ঘ্রাণ কেমন হয় তাড়াতাড়ি জানান।
০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: দুটোই স্বাদ, গন্ধ ও বর্ণহীন ;)

৪. ০৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
ফেরারী পাখি বলেছেন: আচ্ছা ছন্নকে বেশ কিছুদিন পাইনা। ওর কোন খবর জানেন?
০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: মনে হলো তো আজকেও লগিন দেখলাম, কার কবিতায় যেন কমেন্ট দিল।

০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিষন্নময়ীকে।
শুভকামনা।

৬. ০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৪
আকাশ_পাগলা বলেছেন: দারুণ ণ ণ ণ ণ ণ।++++++
কিন্তু, কাহিনী(মানে শুধু থিম আর কি !) মনে হয় আগে শুনেছি।
পারফিউম ছবিটা দেইখেন। সুপারব।
০৯ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ছবিটা সুযোগ পেলে দেখে নিব।
ধন্যবাদ তোমাকে।

৭. ০৯ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
অদৃশ্য বলেছেন: পারভেজ ভাই.................আশা করছি ভালো আছে। আপনার লেখাটি আমার খুব ভালো লাগলো।

আপাতত গন্ধটা নিয়েই ভাবছি.........

শুভকামনা.........
০৯ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: শুভকামনা তোমার জন্যেও।
ধন্যবাদ।

৮. ০৯ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
কঁাকন বলেছেন: জটিল

কিন্তু আপনার সাইফাই এর পরের পর্ব কই?
০৯ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: সাইফাইটা খসড়া লেখা না হওয়ায় এগুনো যাচ্ছে না। কাহিনীটা আগে ফ্রেমে গাঁথতে চাই।
ধন্যবাদ কঁাকন।

৯. ০৯ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
ফেরারী পাখি বলেছেন: এম্নি কি কইলাম, লেখক দারুণ বুদ্ধিমান। ঘটনা হইল - আপ্নে কইলেন

ভক্তরো স্বাদ গন্ধ আর বর্ণহীন। মানে পানির মত। যে পাত্রে ঢালবেন, সেই পাত্রের আকার ধারণ করবে।

মানে কি দাঁড়াইলো--- লেখকরা যেমনই লিখুক না কেন? ভক্তেরা পড়বে আর প্রশংসা করবে---আফসুস! ;)
০৯ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: উল্টা বুঝলি রাম :|
ভক্ত আর লেখক দুইই এক জাতীয় বস্তু :D
কেউ মন্তব্য লেখে - কেউ জবাব দেয় ;)
এপাড় আর ওপাড়- ইতরবিশেষ নাই :)

১০. ০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:০২
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: চমৎকার ১টা গল্প অনেকক্ষন লাগিয়ে পড়লাম।
০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: ভালোলাগা জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা।

১১. ০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৩
আহমেদ রাকিব বলেছেন: কি আর বলবো। এত ভালো লেখা। এত সুন্দর আইডিয়া। তবে শেষটা এমন হবে ভাবি নাই। এমন ইন্টারেস্টিং শুরুর পর রোমান্টিক শেষ। তবে এমন করতে পারতেন। বেশির ভাগের চরিত্র সম্পর্কে সে যা জানত মিলে গেল। তার খুব কাছের একটা চরিত্রের কাছে গেলে এমন একটা গন্ধ পেতে শুরু করল যেটা তার চরিত্রের সাথে একেবারেই যায় না। তখন তার হিসেবের প্যাঁচ লাগে। তারপর একসময় সে ওই মানুষের গন্ধযুক্ত চরিত্রটা আবিষ্কার করে। :)

ধূর কি সব বলছি। আলগা পাকনামী।:) লেখা বেশি ভালো লাগছে তাই বেশি সময় দিচ্ছি।
০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: :) একদিক থেকে চমৎকার পর্যবেক্ষণ করেছো। লেখাটা থ্রিলার বা ফ্যান্টাসী হতে পারতো; কিন্তু ব্লগে সবসময় গল্পের দৈর্ঘ্যটা খোঁচাতে থাকে। তাই এক ভাবনা থেকে অন্য ভাবনায় সরে আসতে হয় কলেবরের কথা ভেবে। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

১২. ১০ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: "আমি নিশ্চিত, বোকা- গাধা টাইপ লোকেদের গায়ের গন্ধটা, হালকা আতর- তেজপাতা মেশানো হয়!!!"
হুম,নিজের গায়ের গন্ধ নিয়ে চিন্তায় পড়লাম, তেজপাতা শুঁকে দেখতে হবে আগে,আর আতরটা কোন ব্র্যান্ডের এইটা জানায়েন।
গন্ধপুরাণ ব্যাপক হইসে,একদম মন থেকে বললাম। গল্পটা আসলেই ভাল।
১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: মুল চরিত্রের লোকটার মতো জ্বর জারি না হলে তো এই গন্ধ পাওয়া যাবে না! :)
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ মাহমুদ

১৪. ১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
জুল ভার্ন বলেছেন: পারভেজ ভাই, সরি! আপনার এই সুন্দর লেখাটা জানিনা কি ভাবে আমার চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল।

চমতকার লিখেছেন।
১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ আপানাকে।
আপনার লেখাগুলি বেশ ইনফরমেশন ভিত্তিক হচ্ছে।

১৫. ১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
অন্তিম বলেছেন: কিছু পড়ে মনে হচ্ছে অনেক জটিল হবে তাই এখন না পড়ে আরেকদিন মজা করে পড়ব।

মনযোগ দিয়ে। আজ মনযোগ বেড়াতে গিয়েছে:)
১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: মনযোগ বেড়ানো শেষ করে ফেরার সময় কিছু কবিতাও নিয়ে আসুক :)

১০ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: জটিল অনুভুতি জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা।

১৭. ১০ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩০
তারার হাসি বলেছেন:
চিন্তার বিষয় ...
বাস্তবে মানুষের চেহারার মত গন্ধের একটা ব্যাপার থাকলে ভালই হত, গন্ধ দিয়েই চেনা যেত মানুষগুলিকে।
১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: হয়তো বাস্তবে আছে। খুব কম সৌভাগ্যবান মানুষই তা বুঝতে পারে। আর সেটাকে আমরা ইনটুইশন মনে করি :)

১১ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভকামনা।

১৯. ১১ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: কি যে লিখলেন ?? গন্ধটা মাথার ভিতর ঢুকে গেল আর বের হচ্ছে না।

খুব ই ভাল লেগেছে গল্পটা।
১১ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: :) অনেক ধন্যবাদ
ভালো থাকবেন।

২০. ১১ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৬
আবু সালেহ বলেছেন:

আমার নাক বন্ধ....তাই কোন ঘ্রান পাচ্ছি না.....................
১১ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা :)

২১. ১২ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
মুনিয়া বলেছেন: হাহাহা...
অসুস্থ না থাকলেও আমি এইরকম পাই। তবে এত স্পেসিফিক না!
১২ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: মজা তো!
তোমার হাত দেখা নিয়ে একটা ট্যাকনিক্যাল পোস্ট দাও :)

১২ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দুয়ার ভাই :)

২৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: অসাধারণ গল্প।
মানুষের চরিত্রের গন্ধ বিষয়ক গল্পটি চমৎকার।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
শুভকামনা।

২৪. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৫০
নাজনীন খলিল বলেছেন:

চরিত্রের সাথে গন্ধগুলো মিলিয়েছো তো চমৎকার! ঠিক যেমন হওয়া উচিত।+++++++++++++++++++++++++++++++++
১৪ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাজনীন আপা।
শুভকামনা।

২৫. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
েজবীন বলেছেন: :) মজা লাগল 'গন্ধপুরাণ' পড়ে.... :)

১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শিউলি গন্ধের কমেন্টের জন্য :)

২৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
অদ্রোহ বলেছেন: শুরুতে রোমাঞ্চ, শেষে রোমান্স :), দারুণ!
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ; ভালো লাগা জানানোর জন্য।

২৭. ১৬ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: আমি কপি করে রাখলাম। সময় নিয়ে পড়বো। আশাকরি ভালো আছেন?
শুভেচ্ছা থাকলো।
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন সবসময়।

২৮. ১৮ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪০
মুনিয়া বলেছেন: টেকি পোস্ট দিতে তো অনেক সময় লাগবে। কতকিছু ভুলে গেছি...
সব ঝালাই করে নিয়ে দিতে হবে তো!

ব্লগে কত বস পাবলিক আছে- এলোমেলো বললে তো ধরা!
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: :)

২৯. ২১ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৭:০৫
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আরেকটা সুপার লেখা ......

আপনার পোস্টের ফ্রিকোয়েন্সি কমে যাচ্ছে মনে হয় ! এই মাসে এখন পর্যন্ত মাত্র ২ টা পোস্ট :( !!
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: জুন মাসটা আমার জন্য খুব কষ্টের সময় হয়ে দাড়াচ্ছে। রানা গিয়েছিল ২৬ তারিখে; আর আব্বা গেলেন ছ বছর পর ১৮ তারিখে।

২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিয়ানা।

৩১. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪১
আকাশচুরি বলেছেন: দারুন ঝরঝরে, একটানে পড়ে গেলাম।

খুব ভালো লাগলো পারভেজ ভাই:)
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশচুরি। দেখা পেয়ে অনেক ভালো লাগলো।

৩২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
সবুজ বলেছেন:
গন্ধের নাকি ১২টা স্তর আছে। আর কিংবদন্তি ১৩ নাম্বার নোড়ের মিশেল দিতে পারলে ঐ সুবাস হয় অবিশ্বাস্য মাদকতাময়, স্বর্গীয়।
পারফিউম ছবিটা এই আশ্চর্য কাহিনী নিয়ে।
এমনই অস্বাবাভিক গন্ধ বিশারদের কাহিনী, যে ১২ নোড়ের সাথে ১৩তম নোড়ও খুজে বার করে। সবগুলো আতরের মিশেলে য হয় তার ১ ফোটার ছটার সারা শহরকে মাতাল করে দেয়। পালিয়ে যায় ফাঁসির কাঠগড়া থেকে ...

আপনার গল্পটায় তেমনই চমৎকার সুগন্ধ পেলাম।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: ছবিটা না দেখলেই নয় মনে হচ্ছে :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির অনেক ইচ্ছে হয়! হয়তো পড়তে ভালো লাগতো বলেই! তাই এই সব টুকটাক কথা নিয়ে শব্দ নিয়ে নাড়াচাড়া! ব্লগে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ