বেশ কিছু দিন যাবত আমার নিজের নির্বূদ্ধিতার কারণে এই ব্লগে ব্যান না হইয়াও ব্যানের মতো ছিলাম। ব্লগের ধারে কাছেই ঘুরতাম কিন্তু আমি আমার পোষ্ট দেখতে পারতাম না।
দুঃখে বাড়ীতে অফিসে বইসা গাইতাম, "বুকটা ফাইটা যায়।" আমার বসে কয়," বান্ধবী ছ্যাক দিছে?" আমি কিছুই কইতে পারি নাই। কারন কোন বান্ধবীর নাম কইতে যাইয়া কেমনে ঠেকি আল্লা মালুম। বাসায় বাপে কয়, "কি হইছে?"আমি কি কইতে পারি আমি আর বলগাইতে পারিনা, তাইলে ঝাড়ুপড়া (ঝাড়ুর বাড়ী) কনফার্ম। পিতাজী তাতে আবার সিদ্ধহস্ত।
ব্লগ পিতার কাছে মেইল পাঠাইলাম। এদিকে দেখলাম চানাচুর নামক এক অবুঝ শিশু আমারে নিয়া কান্নাকাটি। আহারে! বাচ্চাটার কান্না দেইখা খোদার আরশ পর্যন্ত কাইনদা উঠলো আর অরিল আর মোর্শেদ ভাইয়ের মনে দয়া জাগ্রত হইলো। শুরু হইলো আমাগো চিঠি চালাচলি। একদিন শুভক্ষণে দেখি মুর্শেদ ভাইয়ের কেলায়িত মেইল। আমি তো কিছুক্ষণ হতবাক হইয়া কথাই বন্ধ করতে পারলাম না। যখন অফিসে অনেক কলিগ জমা হইলো আমি উতফুল্ল চিত্তে দেখিলাম আমি আবার আমার খোচানোর অস্ত্র খুজিয়া পাইয়াছি। আহ কি আনন্দ ঘরে ঘরে!
তো হাজার খানি ধন্যবাদ ব্লগ টিম এবং আমাদের সদ্যপড়ুয়া বান্ধবীহীন চানাচুররে। দোয়া করি ওর যেন এত বান্ধবী হ্য় যাতে ওর চানাচুরের প্যাকেট শেষ হইয়া যায়।
এবং এই ব্লগে এই পূণর্জন্মের সুবাদে কথা দিলাম সবাইকে খুচাইয়া হাসানোর মতো কঠিন দায়িত্ব করো না বলা সত্তেও নিজ ঘাড়ে অর্ধেক তুলিয়া লইলাম।
ব্লগবাসী হাসিনা-খালেদা-নিজামী গংদের জন্য দোয়ার পাশাপাশি আমর জন্যও দোয়া করিয়া বাধিত হোন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



