১) ছোটকালে যখন অ্যডাল্ট ম্যাগাজিনগুলো পড়তাম তখন মনে হতো দারুন, আরো চাই। এসব পড়তে যখন এত মজা করতে না জানি কি?
এখন ইরাকের দিকে তাকালে দেখা যায় প্রতিদিন কত নারী পেটের তাড়নায় সম্ভ্রম হারায় দলেদলে,কখনও গনধর্ষন, কখনওবা ব্যাথার তাড়নায় নগ্ন হয়ে অচেতন আকাশের নীচে পরে থাকা। চেয়ে থাকে আর সময় গুনে কখন পাবে কিছু টাকা, কখন মুখে ঢুকবে খাবার ছোট ছেলেটার মুখে!কত দিন ধরে ও খায়না! বর্তমানে ও বেশ রাগ করতে শিখেছে!
২) জীমে হেভী ওয়েট দিয়ে এক্সারসাইজের আলাদা একটা ভাব-মজাই আলাদা। পাম্পড আপ মাসলে আলাদা এনার্জী, আলাদা ভাবSeems i am the king of the world।
ইরাকে প্রতিদিন খুজে বেড়ায় কোনো না কোনো পিতা তার হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে কোনো এক ধ্বংসস্তুপে যেখানে একটু আগে ঘটে গেছে সুইসাইড এ্যাটাক। কারো হাত কারো পায়ের সাথে, কারো দেহ ছিন্নভিন্ন।কিভাবে চিনবে তাকে?অথবা কোনো পিতা হয়তো অপেক্ষা করছে তার সুন্দর ছেলেটার লাশের জন্য, গিয়েছিলো বর্ডারে দেশ রক্ষার জন্য। সে তার নিজের কাধের ভার সইতে পারছে না, তার ছেলের লাশ কিভাবে বইবে? এ্যাভরেস্টের ওজনও বোধ হয় এত নয়!
৩) Westin এ বসে প্রিয়জনের সাথে সামান্য লান্ঞ্চ, চোখে চোখ রেখে মনের ভাষা পড়া, লঙ ড্রাইভে কোথাও গিয়ে উইন্ডশিল্ডে মেঘলা আকাশ দেখা, দারুন রোমান্টিক!
পিচ্চি মেয়েটা চেয়ে থাকে ডাস্টবিনে পড়ে থাকা পচা আপেলটার দিকে, কখন তুলবে কখন খাবে। আজকে সকালে তো কিছুই পেটে যায়নি, কালে রাতেও না। অথবা তার ক্ষুধার্ত ছোট ভাইটা! খাবে না নিয়ে যাবে?-ডিসিশন নিতে পারছে না।
আপনারা একটু ডিসিশন দেন ব্লগবাসী পিচ্চি টোকাইটার জন্য!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

