আমার প্রিয় পোস্ট

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না):২

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩০

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি আমার প্রথম পোস্টে আমি আমার চিন্তা ভাবনার কথা শেয়ার করেছিলাম যেখানে মূলত কিছু মানুষের জীবন পদ্ধতি সম্পর্কে। আমার মনে হয়েছিলো এই লেখার দ্বিতীয় সিরিজ বের করবো না, কিন্তু না বের করেও পারলাম না।

আমি এখনও মাঝে মাঝে স্বপ্নে দেখি পুরোনো সেই দিন গুলির কথা। ৮৬'-৮৮' এর দিকেও বাংলাদেশে ফুটবল খেলার বেশ জোয়ার ছিলো। তখন আবাহনী-মোহামেডানের খেলা মানে চারিদিকে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্হিতি। যারা আবাহনীর সাপোর্টার তারা রেডী রাখতো লাঠি-বাশ আর যারা মোহামেডান সাপোর্টার তারা রেডী রাখতো হকি-ডেগার, যেনো অবশম্ভাবী কোনো রায়টের অপেক্ষা। খেলা দেখা হতো সেই চরম উত্তেজনাগুলোকে মাথায় রেখেই। কিন্তু খেলা শেষ হলে যে দল হারতো তারা খুব বেশী হলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া করতো খেতো। আমি আমার পুরো শৈশবই কাটিয়েছি ফরিদপুরের পূর্ব খাবাস পুরে। তখন তাল তলার মাঠে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটো দলের খেলা হতো প্রতিবছর, লালদল আর এসি মিলান। এদল গুলোর বেশীর ভাগ খেলোয়াড় থাকতো পূর্বখাবাস পুর আর ঝিলটুলিতে।অনেকে বলতো এদের খেলা মানে প্রচুর দর্শক, পাড়ায় একটা ঈদ উতসব। ফরিদপুরের স্টেডিয়ামেও এত লোক হয়না। নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এসে জুটতো এ খেলা দেখতে। তখন খেলা ধুলার একটা বেশ ট্রেন্ড ছিলো।

বিকেল হলেই মাঠ জুড়ে যুবক কিশোরেরা কেউ ক্রিকেট কেউ ফুটবল নিয়ে নেমে পড়তো। বিকেলটা খুব সুন্দর কাটতো কারন অন্তত যেকোনো খেলাই খেলি না কেন লোকের অভাব হতো না। কিন্তু এখন পরিস্হিতি ভিন্ন। বিকেল হলে এলাকাটা শূন্য হয়ে যায়। যুবক শ্রেনীর ছেলেপেলেগুলো আর মাঠে জড়ো হয় না। জড়ো হয় নির্দিস্ট জায়গায়। তাদের কারো হাতে থাকে ডিপি, অথবা টিক্সি, অথবা টাকা পয়সা বেশী থাকলে ফেন্সিডিলের বোতল। পুলিশ মাঝে মাঝে রেইড দেয়। কিন্তু কিছু দিন পর যা ছিলো তাই থেকে যায়।

এসব নেশার উপদ্রব শুরু হয়েছিলো ৯৩'-৯৪' এর দিকে আর প্রকট আকার ধারন করে ৯৬'-৯৭' এর দিকে। প্রথমে শুরু হয় ফেন্সিডিল দিয়ে যার মূল আখড়া ছিলো আলিপুর আর পূর্ব খাবাসপুরের বাশতলা। যারা এসব নিয়মিত খেতো তাদের মধ্যে কিছু কিছু লক্ষন ছিলো সুস্পস্ট। ফেন্সিডিলে উচ্চামাত্রায় কোডিন ফসফেট থাকার কারনে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যেতে থাকে। এতে হজম বা পরিপাক তন্ত্রে অসুবিধার সৃস্টি করে, ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙ্গে পড়ে। এছাড়া অন্যান্য কেমিক্যালের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারনে যৌন ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পরে ভয়াবহ শরীরিক জটিলতায় ভুগতে হয়। এই নেশার বদৌলতে ফরিদপুর শহরের পুরো একটা প্রজন্ম নস্ট হয়ে গেছে আর এখনও হচ্ছে। আমি এখনও যখন ফরিদপুরে যাই, দেখি যুবক ছেলেগুলো ডিপি, ড্রাই জীন, বাংলা মদ বা স্পিরিটে ডুবে আছে। এরা সব কিন্তু আমারই পরিচিত। এরা কেউ হয়তো রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ডিগ্রি বা অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছে। অথবা কেউ ইন্ডিয়া থেকে ডিগ্রি এনেছে, অথবা কেউ এখনও ঢাকায় পড়া লেখা করছে। কিন্তু বেশীর ভাগের একটাই সমস্যা এই নেশা যার মূলে হচ্ছে বেকারত্ব থেকে সন্ঞ্চিত হতাশা।
ইকোনমিক্সের ভাষায় বেকারত্ব হচ্ছে কর্মক্ষম কেউ নিজের চাহিদা অনুযায়ী বেতনের কাজ না পেলে সে কর্মহীন বা বেকার থাকছে। আসলে কথাটা এখানে এভাবে এ্যাপ্লাই করা যায় যে পাশ করার পর এরা প্রাসন্গিক কোনো কাজ খুজে পাচ্ছেনা। এরা যা শিখেছে তা এ্যাপ্লাই করার জায়গা পাচ্ছে না। ফলে তাদের মধ্যে একটা চরম হতাশা বিরাজ করে যার ফলে একটা অজানা হীনমন্যতায় তারা ভুগে। প্রতিদিন কর্মহীন এক পৃথিবীতে একই মানুষের অন্যরকম দৃস্টি যা তাদের মনে বারে বারে ক্ষতের সৃস্টি করে। ফলে তারা তাদের নিঃসঙ্গতা বা হতাশা ঢাকবার জন্য ফিরে যায় এসব নেশাকর ওষুধের কাছে।

এখন বাজারে এক বোতল ফেন্সিডিলের দাম অফটাইমে ৫০০ টাকা প্রতি বোতল আর পিক টাইমে ৭০০ টাকা যার হয়তো আসল মূল্য ৩৫-৪০ টাকা। আর টিক্সির একটা ৩৫ টাকার বোতল ১৬০ টাকা যা মাঝে মাঝে পাওয়াও যায় না। প্রতিদিন না হলেও দু বা তিন দিন পর পর এসব তাদের খেতে হয়।এসব খেয়ে হাতে থাকা মাল্টিমিডিয়া সেল ফোনে এক্সটেন্ডেড মোমোরী লাগিয়ে আদান প্রদান করছে সস্তা পর্ন। এবং এগুলো চলছে রাস্তার পাশে বসেই। মাঝে মধ্যে নেশা একটু বেশী চড়ে গেলেই মোবাইলে ফুল সাউন্ড দিয়েই দেখছে। রাস্তা দিয়ে কে হেটে যাচ্ছে তার কোনো খেয়াল নাই। এগুলো অবশ্য আসে ইন্টারনেট থেকেই। এভাবেই নস্ট হচ্ছে একটা উজ্জল প্রজন্ম।
এঘটনা শুধু ফরিদপুরের না। আমি চট্টগ্রামে যখন ছিলাম, তখন দেখতাম জিএসই এর মোড়ে গেলে বা নিউমার্কেটের চিপায় গেলে এই ডাইল বেশ সস্তায় পাওয়া যায় তবে লুকে চুপে। বরিশাল শহরের পশ্চিম দিকে এলাকার নামটা মনে আসছে ওখানেও দেখলাম এগুলো বিক্রি হচ্ছে। আমাকে আমার প্রফেশনগত কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হয়। মিশতে হয় নানা মানুষের সাথে প্রয়োজনে- অপ্রয়োজনে। অপ্রয়োজন এজন্য যে আমি নিঃসঙ্গতা পছন্দ করি না। যেখানেই যাই কাউকে না কাউকে খুজে নেই। তাই দেখা যায় সমাজের উচু থেকে শুরু করে নীচু স্তরের অনেকের সাথেই পরিচয় হতে পারি। পরিচয় হতে গিয়ে দেখি সমাজ বা পুজিবাদের কালো রূপ।
আমার এক বন্ধুকে বলেছিলাম এ কথা, সে একটা সুন্দর কথা বলেছিলো আমায়," এখনও ছেলে পেলে ৫ পায় , এখনও ছেলেপেলে অস্ট্রেলিয়াকে হারায়, এখনও বাইরের বড় বড় স্কলারশীপে ভালো কম্পিটিশন দেয়।" আসলেই তো তাই। ও ঠিকই তো বলেছে, তবেই কেনইবা আমার চোখে এসব অসঙ্গতি ধরা পড়ে? আমি তখন চিন্তা করলাম, এবং পরক্ষনেই ধরতে পারলাম সমস্যাটা কোথায়! আমাদের ৯৬'এর ম্যাট্রিকের ব্যাচের প্রায় ১২৫ জনের ছাত্র ছিলো জিলা স্কুলে। একটা ওভার অল হিসাব করলে দেখা যায় এর মধ্যে ৩০ থেক ৪০% ছেলে কিছু না কিছু করে খাচ্ছে যেমন চাকরি বা ব্যাবসা। এদের মধ্যে এডিকশনের হার ধরা যায় ২০ থেকে ২৫% ছেলে। আর যারা বাকী বেকার ৬০ থেকে ৭০%, এদের মধ্যে একটা বড় অংশ মোটামুটিভাবে ৭০ থেকে ৭৫% ছেলে নেশা বা জুয়ায় বা উভয়েই আসক্ত। এই চিত্রটা কিন্তু আসলেই ভয়ন্কর। এই প্রজন্মটা দেখা যাচ্ছে এই নেশাটার কারনে ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে প্রশাসন মাঝে মাঝে টাইট দেয় আবার বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে লুজ দেয়। কিন্তু এসবের বিক্রি কখনো থেমে থাকেনা। কারন একজন নেশাখোর জানে এগুলো কিভাবে জোগাড় করতে হয়। তাহলে এ থেকে বুঝা যাচ্ছে বেকারত্ব থেকে আসা চরম হতাশা কিভাবে নস্ট করে ফেলছে কতগুলো জীবন!

আমি ইন্টারে থাকতে একটা জিনিস চিন্তা করেছিলাম যদি প্রতি পাড়ায় একটা জীম করে যায়, তাহলে এ থেকে অনেকখানি মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। সেটা হলো যখন একটা ছেলের মধ্যে শরীর গঠনকে নেশা হিসেবে ঢুকিয়ে দেয়া যাবে তখন সে কখনো সিগারেট টানার কথাও চিন্তা করতে পারবে না। কারন সিগারেট টানলে সে পুশ আপ বেশি মারতে পারবে না জাস্ট দমের অভাবের কারনে। তার তখন পিওর ফুড যেমন কলা, ডিম, গোস্ত দরকার আর দরকার নিয়ম শৃঙ্খলার জীবন। কিন্তু পাড়ায় পাড়ায় জীমের কনসেপ্টটা এখনও বাংলাদেশে অতটা গ্রো করেনাই। ঢাকায় অলিত গলিতে যত জীম দেখা যায়, ঢাকার বাইরে এগুলো বেশ রেয়ার!

দ্বিতীয় চিন্তা হিসেবে ধরা যায় ইন্টারনেট। সিটিসেলের জুম, ওয়ারিদের জিপিআরএস, গ্রামীন ফোনের এজ আর সিআইসি, লোকাল আইএসপি, দেশে খুব দ্রুত ইন্টারনেট ছড়িয়ে দিচ্ছে।কিন্তু বাস্তবতা হলো এদের আইপি বা ম্যাক এড্রেস থেকে যেসব সাইটে হিট বেশী পাওয়া যায় ,তাহলো পর্ন সাইট গুলো। ইন্টারনেটের মজা বলতে এটাই বুঝে তারা। কিন্তু তারা সবাই শিক্ষিত, ক্ষেত্র বিশেষে মেধাবীও বটে। তাহলে আমরা একটা কাজ করি না কেন, আমাদের বাংলা ব্লগিং সাইট গুলো যেমন সামহোয়্যার ইন, সচলায়তন, প্যাচালী ইত্যাদি গুলো তাদের হাতে তুলে দেই না কেন?
আমি একটা কথা বিশ্বাস করি: দুঃখ গুলো ছড়ি্য়ে দিলে তা অনেক কমে যায় আর সুখ হাসিগুলো ছড়িয়ে দিলে তা বাড়তে থাকে। যত বেশী ইন্টারেকটিভ হতে পারবে তারা, তাদের মধ্যে থেকে স্কিতজোফ্রনিক মনোভাব ততবেশী কাটবে। তখন এই ব্লগগুলো হবে তাদের নিত্য দিনের ডায়েরী। এক্ষেত্রে বলা যায় তারা অন্তত নেশার পিছনে সময় নস্ট আর অসতসঙ্গে আড্ডা না দিয়ে এই ব্লগের মাধ্যমে বিশ্বের সব জায়গা থেকে ছড়ি্য়ে ছিটিয়ে থাকা বাঙ্গালীদের মাধ্যমে পরিচিত হতে পারবে। ফলে এখান থেকে আমরা একটা ক্রিয়েটিভ প্রজন্ম পাবো বলে মনে হয়।
আসলে আমাদের বেকার যুবসমাজের জন্য আমাদের একটা ভালো হাতিয়াড় দরকার যার মাধ্যমে তারা তাদের মনের কথা গুলো বলতে পারে, কিছু একটা সাহস দেখাতে পারে মহত কিছু করে দেখানোর!

আশা করি সবাই আমার ইচ্ছেটা বুঝতে পেরেছেন?

ধন্যবাদ সবাইকে আমার এই বাউক্কা কথা পড়নের লিগা!

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৬
চতুরভূজ বলেছেন: আপনার ইচ্ছেটা বুঝতে পেরেছি কিন্তু বাউক্কা কথার মানেটা বুঝতে পারলামনা!
২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৬
রাশেদ বলেছেন: হুমম...বুঝলাম। জিমে যাইয়া শরীরের বারোটা বাজানোর শখ নাই আমার।



ব্লগিং এর ব্যাপারটা...পেপারে অ্যাড বা বেশি করে ফিচার লেখা উচিত এই ব্লগিং সাইটগুলার ব্যাপারে।
৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৯
প্রচেত্য বলেছেন: ছবিতে যেভাবে বিদ্যুতের ঝলকানি দেখালেন তাতে শিরোনাম পড়ে প্রথমে ভড়কে গিয়েছিলাম, না আবার জরুরীর মধ্যে আন্দোলনের ডাক দেন
না তেমন কিছু ঘটেনাই
আলহামদুলিল্লাহ
৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কারন আমার লেখার টাইটেলটা হচ্ছে:একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না):২
তাই এসব নীতিভরা কথা আমার নিজের কাছেই বাউক্কা মানে মাকাল টাইপের মনে হয় যতক্ষন এগুলোর ইমপ্লিমেন্ট না হচ্ছে এ সমাজে!
@রাশু, জীমের ব্যাপরটা ছিলো আমার প্রাথমিক আইডিয়া, আর পেপারে এ্যাডের ব্যাপারটা ওয়েব ব্লগের কনসেপ্টের সাথে যায় না। সবচেয়ে ভালো হয় স্কুল কলেজে এই কনসেপ্টটা ঢুকিয়ে দেয়া!ফলে রুট লেভেল থেকেই এসব অবক্ষয় গুলো ঠেকানো সম্ভব। অনেকটা আলোকিত মানুষ বানানোর মতো ব্যাপার!
৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪১
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: উদু বাই হঠাৎ সিরিয়াস কাঞ্চন হইয়া গেলেন বুজলাম না ।।। ৫

আমিও কইলাম ৯৬''
৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৪
রাশেদ বলেছেন: স্কুল কলেজের কয়জন তোমার কম্পুর ব্যবহার জানে, কয়েকটা শহরের কথা বাদ দিলে। ইনফ্রাস্ট্রাকচার তো আগে ডেভেলপ করতে হবে।
১০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
পথহারা বলেছেন: ছুডো ভাই, ভালোই তো লেখো.......৫
১১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @প্রচুদা, এটা আন্দোলন না, এটা একটা অনুচিন্তা। প্রযুক্তি দিয়ে সমাজের অবক্ষয় থেকে বেড়োনোর একটা রাস্তা!
@বিষাক্ত, এটা আমার অনুচিন্টা ঘটিতো ইচ্ছাও বলা যায়!
@ রাশু, সুন্দর একটা কথা বলছো। এ ব্যাপারে বেসরকারী প্রতিস্ঠান গুলো সরকারের সাহায্য নিয়ে বা নিজেরাই এই ইনফ্রাস্টাকচার গড়ে তুলতে পারে। আর কম্পিউটারটা হচ্ছে এখন বই খাতার মতোই প্রয়োজন, যদিও অনেক দরিদ্র এটা কিনতে পারেনা। তবে বেশীর ভাগ দরিদ্র মেধাবীরাই আবার নেশার মধ্যে কম ঝুকে। নেশার কড়াল থাবা এখন মধ্যবিত্তকেই গ্রাস করছে! একবার যদি অটোমেটিক্যালি মানুষ বুঝতে পারে এটা তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের মানসিক বিকাশের জন্য দরকার,তাহলে তারা এ সুযোগ মিস করবে কেন?
১২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাকী সবাইকে ধন্যবাদ!
১৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫৬
প্রচেত্য বলেছেন: পড়ে সেটাই বুঝেছি
১৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০১
সাইফুর বলেছেন: অবশ্যই খুব ভালো লেগেছে....
১৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৩
মানুষ বলেছেন: ৫
পরে কমেন্ট করব
১৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৬
আউলা বলেছেন: আজকাল সূর্য কোন দিক থেকে উঠে?@ উজকুম্বা
অনেকদিন পর দেখা, আছো কেমন?
১৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৮
নাহিন বলেছেন: বাড়ির বড় ছেলে হয়ে তিন বছর বেকার ঘুরে হতাশ যে ছেলেটা, তার হতাশা দূর করতে জিম/ইন্টারনেট/ব্লগিং কতখানি সফল হতে পারে?
১৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫১
অেমাঘ অনল বলেছেন: সমস্যাখানির গভীরে প্রবেশ করিতে না পারিলে, উহার কারণ অনুসন্ধান না করিতে পারিলে, সমস্যার ভয়াবহতায় তাত্ক্ষণিকভাবে বা তড়িঘড়ি করিয়া সমাধান খুঁজিয়া বেড়াইলে- 'টিউমারে মলম লাগানোর' মতো সমাধানই পাওয়া যাইবে। কাজের কাজ কিছুই হইবে না।
নাহিনের প্রশ্নখানা ভাবিয়া দেখিবেন।
২০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: বাবা-মা ছেলে-মেয়েদের মঙ্গল চায়; এটা চিরন্তন সত্যি ; তবে বাবা-মা কিনবা অভিভাবক হওয়াটা একটা প্রাকটিসের মত...একটু একটু করে । অনেক পরিবারই তাদের ছেলে-মেয়েদের অতিরিক্ত শাষন করে- এতে ছেলে-মেয়েরা নিজেদের গুটিয়ে ফেলে পরিবার থেকে; আবার কেউ অতিরিক্ত গা ছাড়া - তাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উচ্ছন্নতা আসে। তাই কোনটাই শুভ নয়।

কিছু পরিবার আছে "যুগ খারাপ" বলে ছেলে-মেয়েদের ঘরে বসায় রাখার পক্ষপাতি। আরেকটা ব্যাপার আমাদের দেশে এন্টারটেইনমেন্টের প্রয়োজনীয়তা এখনও মানুষের মগজে ঢুকে নাই সঠিকভাবে । শব্দটা উচ্চারনের পর কারো কারো ভ্রুকুটি হতে পারে হয়তবা...

সরকারেরও সুস্থ বিনোদনের ক্ষেত্র তৈরীতে তেমন লক্ষণ নেই; যদিও 'এখনকার' কথা ভিন্ন। পরিবর্তন হচ্ছে তবে ধীরে ।

যাই হোক, আমার মনে হয় পরিবার ভিত্তিক বিনোদনের ব্যবস্থা বেশী গুরুত্বপূর্ন । তাতে একটা বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী হয়।
২১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: মিডিয়াগুলাতে মোবাইল আর ইন্টারনেটরে যেভাবে তুইলা ধরে,তাতে ব্লগিং করার চেয়ে কেমনে ডিজুস হওয়া যায় ঐটাই পোলাপান আগে ভাবে। যাক,লেখসেন ভালো,চিন্তা করার মত।
২২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৮
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @নাহিন, আপনের কমেন্ট খানে ৩ চুম্মা(আমি কিন্তু গে না!)!
আসেন আমরা একটু এভাবে চিন্তা করি।মনে করুন জিম ইন্টারনেট কিছুই নাই। বাড়ীর বড় ছেলে লেখাপড়া শিখছে। তার উপর পরিবারের অনেক ভরসা। সে পাশ করে বের হয়ে কোনো চাকরি পেল কি না পেল না, সেটার গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না! এখন ধরেন ইন্টারনেট বা জিম আছে। ধরুন বাড়ীর বড় ছেলে পড়াশুনার ফাকে ফাকে জীম করা শুরু করলো, তার কুটিকাটি ভাইদেরও ঢুকলো। জীম প্রাকটিস বাংলাদেশে এখনও খুব সস্তা। আর এটার ফলে শরীর সুস্হতার পাশাপাশি মনে যে কি প্রভাব তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সাথে আছে ইন্টারনেট। একটা উদাহরন দেই, সামহোয়্যার ইনে কিছু দিন আগে একটা সার্কুলার হয়েছিলো রিক্রুটম্যান্টের। সেই খবরটা ফাস্ট দেয় প্রচেত্য নামের এক ব্লগার।
আপনার কথায় আমি শুধু ইন্টারনেট বলি নাই, বলেছি ব্লগিংটাকে। আপনি ব্লগিং করেন দেখেন, যদি এটাকে ক্যারিয়ারের কাজে লাগাতে চান দেখেন এটা কি কাজে আসে। আর আপনি যদি অনার্সে পড়ে থাকেন তাহলে দেখবেন আপনার ফোর্থ ইয়ারের প্রজেক্টের রিসোর্সের বেশীর ভাগ অংশই কিন্তু ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত।
@আইরিন, ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত বিজ্ঞিত মতামতের জন্য। আসলে আমি জ্ঞান হতে শত হাত দুরে থাকলেও জ্ঞান আমার চারপাশেই ঘুরে আমার মাথাতেই আগে এন্ট্রি মারার চেস্টা করে। আমি পল্টি মারতে চাইলেও পারি নাই। আপনি যেটা বলেছেন সুস্হ এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে পরিবারের ইন্ট্যারেক্টিভিটি বাড়ানো। আসলে এটারও দরকার আছে।

একটা গল্প বলি!আমার এক বন্ধুর বোন বিয়ে করে কানাডায় চলে গিয়েছিলো। তার দুলাভাই পুরা তাবলীগ আর মাইক্রোসফটে চাকরি করে। কিন্তু তার মেয়েদের সাথে তার খুব ভালো একটা বন্ড নেই, কারন মেয়েগুলো ইসলামের ধারে কাছে একটু কম ঘেষে। তো বিবাহ যোগ্য মেয়েকে একদিন সকালে বাবা মেইল করলো, একটা ছেলেকে সে দেখেছে, যদি সময় হয় তাহলে সে যেনো দেখে, পছন্দ হয় কিনা। মেয়েটা পাশের ঘরে ইমেইলে রিপ্লাই জানায়,সে বোধ হয় টাইম দিতে পারবে এ ব্যাপারে।

আসলে এটাই হবে আমাদের অনাগত ভবিষ্যত যা আমরা কেউ ঠেকাতে পারবো না!
২৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাদের সবার সুন্দর চিন্তাটা শেয়ার করার জন্য। এটা লিখেছি এ জন্য যে আমি নিজেও চেস্টা করছি এভাবে এগোতে। শুনেছি সামহোয়্যার ইন নিজে থেকেও এর ব্যাবস্হা নিচ্ছে। তবে আপনারা যদি সবাই এটাকে প্রকাটিস করেন তাহলে আমরা বোধ হয় নীরবে কিছু পরিবর্তন আনতে পারবো!
২৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৫
ছায়ার আলো বলেছেন: উদাসী, ভালো লিখেছেন।
আমার মনে হয় ব্লগিং ফিভার এক্ষেত্রে ভলো কাজে দিবে :)
শোকেসে এ্যাড করলাম।
২৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: উদাসীদা, সুন্দর প্রস্তাব, অন্তত ভেবে দেখার মতো। কিন্তু, নেশার হাত থেকে না হয় ওদের বাচানো গেল জিম অথবা বাংলা ব্লগিংয়ের মাধ্যমে। কিন্তু ওদের পেটে অন্ন আসবে কোথা থেকে? সাধের একটা চাকরী তো এই জিম অথবা বাংলা ব্লগ দিতে পারবেনা। তাদের হতাশা হয়তো সাময়িক ভাবে কাটবে কিন্তু বেকারত্বের যে অভিশাপ তা থেকে তাদের মুক্ত করবে কে?

তবে বাংলা ব্লগিংকে আরও লোকজনের কাছে পৌছে দিতে হবে। এইদিক থেকে আমি আপনার সাথে সম্পূর্ন একমত। আছি সাথে....চালায়া যান....
২৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই, চাকরির সমস্যাটা হলো আমাদের বানী চিরন্তন টাইপ সমস্যা। তবে হ্যা, সে যদি মনের দিক থিকাই ভেঙ্গে পড়ে তাহলে সে সেটাও করতে পারবে না। আর নেশাটা তো তাকে আরো দ্রুত ধ্বংস করে দেবে।অন্তত: যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকুক সবাই! তবে সমাজ বদলের গান এখন শোনা যাচ্ছে। আমাদের তার জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার!
২৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সমাজ বদলের জন্য প্রস্তুত আছি সবসময়....তবে উদাসীদা এটার জন্য আমাদের ভার্চুয়াল থেকে আসল দুনিয়ায় গিয়া ঝাপাইয়া পড়তে হইবো...এইখান থেকে জনমত গড়ে তুলে কাম করতে হইবো বাইরে...লগে আছি সবসময় এইসব মানবিক কামে....
২৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সামহোয়া কর্তৃপক্ষ কি নিজেদের প্রচার করেনা? আমিতো আরেকজনের মুখে শুনে এসে দেখলাম ঘটনা কি। সেদিন বললেন প্রায় ৭০০০ নিক আছে, কিন্তু ৭০০০ নিকের পিছনে মানুষ দেখেন মোটে ১০০০। একবারে লগিং তো ১৫০ জনও করেনা। আরও প্রচার দরকার....এবং তার জন্য কি করতে হইবো এটা ঠিক করা জরুরী....অপরবাস্তবরে ইস্যু করা যায়...
২৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সেইটা করন যাইতে পারে। তয় ব্লগের কনসেপ্ট টা আসলে সোফিসটিক্যাটেড!কিন্তু কাজে লাগাতে পারলে ফল কিন্তু পাওয়া সম্ভব। আমরা অলরেডী ইন্টানেটের যুগে ঢুকে গেছি তবে বডি বিল্ডিং এর যুগ থেকে পিছিয়ে!
৩১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১২
মাহবুব সুমন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।
জীমের আইডিয়াটা মারাত্মক, আছি।
কম্পু আমার পেশা ও নেশা।
জিম আমার ভালোবাসা।
৩২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ইন্টারনেট নিয়া ক্যাম্পেইন করা যাইতে পারে...কিন্তু মানুষরে (আমাগো বয়েসী) স্বাস্হ্য সচেতন (মানে বডি বিল্ডিং যারে কয় আর কি) করে তুলাটা কঠিন হইতে পারে। হতাশা ভুলতে বডি বিল্ডিং, আইডিয়াটা যদিও ভাল.....
৩৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: উদাসীদা, যারা নেশা করে বা অন্যান্য সমাজবিরোধী কাজের সাথে যুক্ত তাদের আগে ঐ জগত থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্হা করতে হবে। আমাদের সমাজের বাস্তবতা কি বলে? সবাই ওদেরকে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখে, এড়িয়ে চলে, নিজেদের নিরাপত্তার কারনে বা সমাজের ভয়ে। কিন্তু ওদের এই অবস্হার জন্য কিন্তু এই সমাজই দায়ী। তখন আর সমাজ এদের দায়িত্ব নেয়না।

এটা এদের জন্য আরও ক্ষতিকর। আপনি যেমন বললেন শিক্ষিত ছেলেরা হতাশার কারনে, বেকারত্বের অভিশাপে নেশার পথ ধরছে, জুয়ার পথ ধরছে। আগে তাদের ঐ অন্ধকার পথ থেকে ফেরত আনার ব্যবস্হা করতে হবে। ওদেরকে অবহেলা বা এড়িয়ে গেলে চলবেনা, বিভিন্ন ভাবে ওদের বুঝাতে হবে যে এটা নিজের তথা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র ধরনের কিছু স্হাপন করতে হবে আরও বেশী করে। অন্ধকার জগত থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে বাকি কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে। তখন তাদেরকে আবার জীবনটাকে ভালবাসার বন্দোবস্ত করতে হবে। এটা নানাভাবে করা যেতে পারে।
৩৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৪
জয়িতা বলেছেন: ভালো লিখেছ, ভালো কনসেপ্ট।এসব সমস্যা সমাধানে সবাইকেই উদ্যোগী হতে হবে, সচেতন হতে হবে।
৩৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বস, ইন্টারনেট নিয়া ক্যাম্পেইনের ব্যাপারে একটা সমস্যা আছে। সমস্যাটা হইলো আপনের কথা বাদ দিলাম, আমার মতো পুলাপান ইন্টারনেট পাইলেই এ্যাড্রেস বারে আগে ঐগুলানের ঠিকানা বসায়। যে জীবনে কম্পু চালাইবার পারে না, সেও কিন্তু এইসবের ভালা ভালা সাইটের খবর জানে।কিন্তু আপনে আমারে ঠেকাইতে পারবেন না। তাই কইছিলাম, একটা বদ জিনিশের নেশারে সরাইতে গিয়া একটা ভালো জিনিসের নেশা ধরায়া দেওন যাইতে পারে। যখন দেখবো এইখানে এতো ইন্টারেক্টিভিটি, সে আর চেয়ার থিকা উঠবো না ২টাকার গান্জা কিনতে, বা টিক্সির বোতলের পিছনে ঘুরতে। আর যখন বডি বিল্ডিং কি সেইটা বুঝবো, তখন ঐ গ্রুপের মধ্যে কম্পিটিশন লাগাই দিবো কার বাইসেপস আজকা কত ফুলাইলো আর কে এ্যাবস বাইর করলো। আর একবার যদি কেউ বডি বিল্ডিং এর মজা বুঝতে পারে , তাইলে আসেন দেখা হবে জীমের প্যাডে!
৩৬. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সামী ভাই আপনের নয়া মন্তব্য খান কিন্তু যারা অলরেডী এ্যাডিক্টেড, আর আমার ক্যাম্পেইনটা হচ্ছে যারা হতে পারে তাদেরকে নিয়ে যাতে নতুন করে আর এ্যাডিক্টেড না হয়। তবে হয় এক্সট্রিম পর্যায়ে আপনারটার বিকল্প নাই। কিন্তু পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর যেই খরচ, আর সরকারী গুলোর যে বেহাল দশা, টাই ভরসা খুব একটা করা যায় না!
৩৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এডিক্টদের কে বের করে আনাটা কষ্টকর। এইজন্যইতো কইতাছি পুনর্বাসন কেন্দ্র আরও বেশী বেশী হওয়া দরকার। আমাদের দেশে কত ক্লিনিক আছে, দেখতেছিনিতো। সেই রকম যদি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র করে ডাক্তারেরা, তাইলে সম্ভব হইবো। আসলে যারা এডিক্টেড তাদের কথা কেউ চিন্তা করেনা। ওদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনেরা ওদের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে।

তয় নতুন আর কাউরে নেশার পথ থেকে আটকানোর জন্য ইন্টারনেট অথবা জিম ভাল কাজ দিতে পারে। এইটারে আমি আগেই আমি হাড়ে হাড়ে টের পাইতাছি। একদিন সামহোয়ারে না আসলেই শরীর চুলকায় আর আপনেতো বস দুই নেশাতেই কাতর

৩৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৮
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: একটা নিশ্চিত জীবনের নিশ্চয়তা দেওয়া ছাড়া এই সমস্যা মিটবে না। ৫
৩৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৯
মানুষ বলেছেন: উদাসী, আসল সমস্যাটা আসলে চাকরী সমস্যা। হতাশা আসে কখোন? বুড়ো বাপের ঘাড়ে বসে জোয়ান মর্দ একটা ছেলের যখন চলতে হয়, তার সামনে আর কোন পথ খোলা থাকে না। তবে হ্যাঁ, খারাপ নেশার বদলে যদি একটা ভাল নেশা ধরিয়ে দেয়া যায় তো সেটা আলাদা কথা।
৪০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৮
মদন বলেছেন: সুন্দর চিন্তা, সহমত। ৫
৪১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২১
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় হঠাৎ করেই সব পাল্টে ফেলা যাবে না। জব মার্কেট খুবি বাজে। নিজের একটা নিরাপদ জব আছে বলে বাইরের অবস্থা অনুমান সহজ নয়।

তবে অনেক দিন এটা নিয়ে কাজ করতে হবে। উদাসীর ভাবনার জন্য সাধুবাদ। আমাদের এমন অনেক উদাসী প্রয়োজন। এরম পজেটিভ ভাবনা এবং তা ছড়িয়ে দেয়া। সামনে কঠিন সময়... হাল ধরার কেউ নেই। সব্বাই শুধু বড় বড় কথা কইতে ব্যাস্ত.. কাজের বেলায় কেউ নেই... (আমি সহ)
৪২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মাসুম আর মানু, কথাগুলো ঠিক।

মদন, প্রত্যুদা, আপানাদের ধন্যবাদ। আমি যেটা করছি সেটা হলো আমি বিভিন্ন গ্রুপে এটার এ্যাড্রেস ছড়িয়ে দিচ্ছি এবং রুট লেভেল থেকে ভালো রেসপন্সও পাচ্ছি। কারন টেলিকম কোম্পানীগুলোর কারনে এখন গ্রামে গন্জ্ঞ এটা ছড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবপেজে এটাকে ইনক্লুড করা হয়েছে। আরো যেটা করার পরিকল্পনা, যারা নেটে বিভিন্ন গ্রুপে সম্পৃক্ত তাদের ইমেইল এ্যাড্রেস যতখানি সম্ভব যোগার করে ইন্টারেকশনের মধ্যে থাকা! যদিও এটা বেশ সময়ের ব্যাপার তবে চেস্টা করছি এটা করতে। আর জীমের ব্যাপারটা হলো ফরিদপুরে রিসেন্টলি একটা জীম হয়েছে। সেখানে গিয়ে মাঝে মধ্যেই বন্ধুদের নিয়ে যাই। সবচেয়ে ভালো হয় একটা শো করার। কিন্তু টাইম পাচ্ছি না।
৪৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
জোনাকি বলেছেন: উদা
ভালো আছো তো? নাকি পটল তুলছ??
৪৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এইতো উদাসীদা, কামের কাম করতাছেন...সাধুবাদ জানাই...আমাগো কিছু করার থাকলে আওয়াজ দিয়েন....
৪৫. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জুনাক, পুটলের দাম বাইড়া আখাশে চড়ছে। টাই পুটল তুলবার সাহস পাইতাছি না। তুমার খবর কি? চানাচুর আইছে, দেখা হইছে?

সামী ভাই, ক্ষুধা লাগে খালি কিছু একটা করনের , মাগার ঝিমানিটাই সব খাইলো!
৪৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২০
েজবীন বলেছেন: ভালো চিন্তা। ভালো লিখছো।
কিন্তু গাজাঁর আড্ডায়, কিবা এন্টারটেইনমেন্টের অনান্য ক্ষেত্রে বলে দেখো, নির্ঘাত আছাড় দিবে।
হয়ত খুব খুবই ভালো বন্ধুটাকে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারবা, তবে সেটার হার খুব কম।
আর মিডিয়াগুলাতেও বাংলাব্লগিং এর ব্যাপারে কিছু দেখিনা। তাতেও কিন্তু কাজ হতো।
৪৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১০
ভুত বলেছেন: উদু মিয়া,তুমি তো আমাগোরে বাচাইলা।
গোরস্থানে ছাগলের সংখ্যা কমার জন্য তুমার পোষ্ট ভালাই হইছে।
তুমি কী জান ,এক দিনে ডাইল ,ইয়াবার কারনে কত জন ছাগল কবরের সদস্য হইতাছে!!!!
এইসব ছাগল কবরে আইলে আমাগো কবর ছাইরা ভাগতে হইব।তাই ৫দিলাম।
ভাউ ভাউ!!!!
৪৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @জেবীন, পুলাপান সেই রিস্কে যায় না, কারন সেইটা করার জন্য হইলেও গায়ে জোর লাগে। ছোটকালে আমার গায়ে গতরে শক্তি কম ছিলো। তখনকার মতো আমারে ট্রিট করলে আসলেই সমস্যায় পরবে। তবে হ্যা, মজা করলেই ওরা সব শুনে, শুধু সময়টা ভালো না,এই যা!
৫০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৬
দিগন্ত বলেছেন: উদাসী ভাই, সমস্যাটা কর্মসংস্থানের। আমার মনে পড়ে ছোটোবেলায় আমাদের পাড়ায় আমিও দেখেছি অনেক ছেলেকে মোড়ের মাথায় আড্ডা মারতে। এখনও দেখি, কিন্তু সংখ্যায় অনেক কমে গেছে। মোটামুটি চাকরির বাজার আগের থেকে অনেক ভাল হয়েছে বলে। একইভাবে দক্ষিণ ভারতে এই আড্ডাবাজ ছোকরার দলটা নেই, কারণ এখানে চাকরি অনেক বেশী, সবাই কিছু না কিছু করে খায়।
৫১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
দিগন্ত বলেছেন: এবার দ্বিতীয় প্রশ্ন হল চাকরি আসবে কোথা থেকে? আপনি যে প্ল্যানগুলো বলেন এগুলো হল টিপিক্যাল বাঙালী প্ল্যান - এতে বখাটে ছোকরারা রক ছাড়লেও কাজ ধরবেনা। বাঙালী মানসিকতায় একটা ব্যাপার খুব প্রকট, সবাই চাকরি করতে চায়, কেউ ব্যবসা করবেনা। "আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে" - মানসিকতা নিয়ে বড় করে বাবা-মা আর তাদের ছোটো থেকে স্বাবলম্বীতার কিছুই শেখানো হয় না। সমস্যার সমাধান করতে হলে আমার মনে হয় আরো ছোটো বয়স থেকে (ধরা যাক ক্লাস ১০) ছাত্রদের পার্টটাইম কাজে লেগে পড়তে হবে। সেটা ২ লাইন প্রোগ্রামিং শেখার কাজেই হোক বা ২টো টিভি/মোবাইল সারানোর কাজেই হোক। সামান্য কিছু আয় ছাড়াও পরে, বাইরে গিয়েও জীবনধারণের কাজে আসে এসব। আজকের পশ্চিমী দুনিয়া আমাদের থেকে এগিয়ে কারণ ওদের স্কিলসেট আমাদের থেকে এগিয়ে, পৃথিবীতে এই জ্ঞান আর স্কিলসেট-এর দাম চিরন্তন - থাকবেই।
৫২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: দিগু দা, আপনের কমেন্টে ৫!

মাগার আমাদের দেশের অর্থনীতি একটা ভয়াবহ পরিবর্তনের মধ্যে যাচ্ছে। আমি ফরিদপুর শহরের কথাই বলি, এখানে গত ৩ দশকেথাতে গোনা মাত্র ৫ টা ইন্ডাস্ট্রি হতে দেখেছি সরকারি বা বেসরকারি ভাবে যেগুলো এখনো কোনো মতে চালু আছে। এর কারন হলো যোগাযোগ ব্যবস্হা। ফরিদপুরে ঘুরলে দেখা যায় এখানে লোকজনের ভালো টাকা পয়সা, কিন্তু মেইন সমস্যা হলো এখানে টাকার পরিমানটা স্হবির হয়ে আছে। অর্থনীতির মূল বক্তব্য হলো টাকা টাকে সচল রাখা। বাইরে থেকে এখানে টাকা আসছে খুবই সামান্য। ফলে কাজের স্কোপ দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এছাড়া মাইগ্রেশন, বিবাহ ইত্যাদির কারনে জনসংখ্যা বাড়ছে। তাই কর্মসংস্হানের সুযোগ কমছে আর বাড়ছে বেকারত্ব। এখানে ব্যাবসা করার স্কোপটা অন্যজায়গার মতো নেই। কারন ঐযে এখানে টাকা গুলো স্হবির অবস্হায় আছে। সরকার যখন কোনো প্রজেক্ট হাতে নেয় আর বাইরে থেকে যারা টাকা পাঠাচ্ছে তাদরটাই আউটসোর্স হিসেবে দেখা যায়। তবে হ্যা একটা লেভেল পর্যন্ত শিক্ষিত ছেলেরা এখান থেকে চলে যাচ্ছে ঢাকায় বা বাইরে।কিন্তু মেইন সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। আর ফ্রীজ টিভির বিজনেসের কথা বলছেন, এটা অবশ্য ভালো বুদ্ধি, কিন্তু যেখান থেকে ওগুলো শিখবে(সরকারি) তাদের অবস্হাই খারাপ, আর দ্বিতীয় ব্যাপার হলো এদেশে ফ্রীজ টিভির দাম কমে আর চাউল ডাউলের দাম প্রতিদিন বাড়ে। তাই ওগুলো সাড়ানোর চাইতে মানুষ ওগুলো ৬-৭ বছরের ওয়ারেন্টি ওয়ালা জিনিস কিনতেই পছন্দ করে। আর মুক্তবাজার অর্থনীতির ভয়াল প্রভাব তো আছেই।
৫৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৯
দিগন্ত বলেছেন: দেখেন আপনি যেমন বলছেন তাতে মনে হচ্ছে ম্যাক্রোইকোনমিকালি দেশের অবস্থা ভাল নয়। কিন্তু আমার ধারণা মাইক্রো লেভেলে আরো ভাল কিছু এন্টারপ্রেনারশিপ করার সুযোগ এখনও আছে। আমি সময় পেলে একটা পোস্ট দেব এ নিয়ে। আই-আই-টি চেন্নাই-এর এক অধ্যাপক এ নিয়ে কাজ করছেন - একে বলে রুরাল এন্টারপ্রেনারশিপ (ধার নিতেই হবে এ জন্য তার কোনো মানে নেই)। আমার ধারণা লেখার ভিডিও আর লেখা দুইই আমি দিতে পারব।
৫৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: দিগুদা, আপনে মহান
তাড়াতাড়ি পুস্টান! আবারও ৫ দিলাম আপনের কমেন্টে!
৫৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: যে কোন ভাল কামে সামী সাথে আছে উদাসীদা...সে ব্লগ কালচারই হোক আর জিম কালচারই হোক...আগায়া যান....
৫৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৮
মুনিয়া বলেছেন: ভাল লিখেছেন উদাসী।
৫৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৭
অনিশ্চিত বলেছেন: রেনেসাঁর সময় একটি বড় বিতর্ক হচ্ছিলো। শিল্প কি মানুষের কল্যাণের জন্য, নাকি শুধু শিল্পের জন্যই? বিতর্ক চলে প্রায় দু'শ বছর ধরে। পরে সবাই একমত হয়েছেন যে, শিল্প শুধু শিল্পের জন্যই নয়, শিল্পের লক্ষ মানুষের কল্যাণ। কিন্তু শিল্প সৃষ্টির জন্য মানুষের কল্যাণ বিষয়টাকে সামনে রাখার কোনো দরকারই নেই। কারণ সত্যিকার শিল্প কোনো না কোনোভাবে মানুষের কল্যাণে আসবেই।
ব্লগিং (লেখালেখি) এক প্রকার শিল্প। সমাজ বদলকে টার্গেট করে ব্লগিং করার দরকার নেই। ব্লগিং যদি সুস্থ হয়, জীবন্ত হয়, উজ্জীবিত হয়, তাহলে তা কোনো না কোনোভাবে সমাজ বদলের সহায়ক হবে।
৫৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬
তুষারমানব বলেছেন: উদা ভাই...জীমে নয়া যোগদান করসি।
চিনআপ, পুশআপ মারতে গিয়াতো আমার বডি সিস্টেম ডাউন...হাত লারাইতে পারিনা।
৫৯. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৯
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: হাইসেনবার্গ প্রেমী উদাসী(আমিও)
অসাধারন।
অনেক পরে পরেছি,স্যরি।
৫ তো দিতেই হবে।
৬০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৮
ফারজানা১৬ বলেছেন:

অনেক দিন পরে পড়লাম।
হুমম, চিন্তার আছে অনেক কিছু......

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৫৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছেলেটি পথে নেমেছিলো একদিন নীল মায়ার হাতছানিতে। নিঃসঙ্গতায় হেটে যেতে আবিস্কার করে নিঃশব্দ চাদ তার সঙ্গী। এখন সে হাতড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ