আমার প্রিয় পোস্ট
- ইলেক্ট্রনিক্স কত সোজা
- ধূসর গাংচিল
- আমার 'মেয়ে মানুষ' মা! - রোকসানা রশীদ
- হুজুরদের রাজনীতি: হারাম! হারাম!! ইসলামে রাজনীতি হারাম!!! থুক্কু হালাল!!!! - পাললিক মন
- পাপগল্প : অপদেবতা - পাপী ০০৭
- পঞ্চাশ টাকা - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- ২৪ বছর ধরে আমি যা ভুল জানতাম..শেখ কামাল কি কারনে মেজর ডালিমের বউকে হাইজ্যাক করেছিল !!!???? - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- এলোমেলো ০২:তোমার বুকের রক্তে লাল আমার চোখ - পাপী ০০৭
- ইন্জিনিয়ারস:: সামহোয়্যার ইন ব্লগ - নিরব হাসি
- কানাডায় উচ্চশিক্ষা- কিছু তথ্য - _তানজীর_
- আপনি কি বাংলাদেশের সবগুলা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জানেন...?? বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা ওয়েবসাইট লিংক ও ক্যাম্পাসের ছবি সহ..। - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- কেনো হেভী মেটাল শুনি......... - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- আবেগী পোষ্ট ( উৎসর্গঃ দেশী পোলা ভাইজান ) - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- এক হাসি খুশি সুখি রিক্সাওয়ালার সাক্ষাৎকার। - অন্যরকম
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- CooL রাশিয়ান Models in উপ-মহাদেশীয় ঈদ ও পুজোর সাজে ...


- সেতূ
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- আমি তোমাদের চোখ হব - সোহায়লা রিদওয়ান
- আর্টসেলের কনসার্টের ১০০ ছবি - ফয়সাল আকরাম
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য জমাকৃত পোস্টসমূহের শ্রেণীবিন্যস্ত সংকলন (চলমান) - দুরন্ত স্বপ্নচারী
- তুলনামূলক হাত ------ - সুমি
- উদাসীর ব্যাপক ইংরেজী ভাবের বাংলা ভাবানুবাদ

- শ।মসীর
- গান ব্লগ : কাভি কাভি মেরে দিল মে খ্যায়াল আতা হ্যায় - মুকেশ/লতা মুংগেশকর - কাঙাল মামা
- Belated Happy Birthday to an unborn leader : শেখ হাসিনা - মেঘ
- আর্টসেলের একটি গানের মিউজিক ভিডিও (উৎসর্গ- ফিলিস্তিনের সকল নাগরিক) - আমি এবং আঁধার
- আমাদের এক চিলতে উঠোন....চুয়েটের ষষ্ঠ জন্মোৎসব - পাপী ০০৭
- দুর্্ন্ত স্বপ্নচারী - বাংলার দর্পণ
- কবিতা থেকে গান- ২ - ইমন জুবায়ের
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- সামুব্লগ তারকাদের একটুকরো ঈদরঙ্গ - কঁাকন
- আমাদের কবি ... আমাদের অবহেলা ... - বাগসবানি
- বর্তমান পদার্থবিদ্যার এক বিতর্কিত বিস্ময় LHC - সালাহউদ্দীন আহমদ
- একটি শিশু উদ্ধারের কাহিনী - আশীফ এন্তাজ রবি
- টাইম স্পেস প্যারাডক্স। - ব্রাইট
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- চলে যাওয়াই প্রস্থান নয়। ছোড়দা (উদাসী) চলেই গেল?
- গোয়েবলস
- আমার আমাকে আমি। - ভোর
- দ্বিচারিনী একজন......[চতুর্থ] - ত্রেয়া
- কাকরাইলের লবণ - জ্যাক স্প্যারো
- তিন দশকের রাজনীতি ও আমাদের বিধাতাগণ-৫ - দুরন্ত স্বপ্নচারী
- তারাবির নামাযে আমার ভবিষ্যত চিন্তা - সব যদি আজ বদলে যেত
- কপি পেস্ট কপি পেস্ট - সাদা কালো এবং ধূসর
- একজন তথাকথিত আস্তিকের চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়ার প্রমাণ দেয়ার জবাব - সিউল রায়হান
- প্রথম প্রেম এবং অতপঃর------ - সামছা আকিদা জাহান
- দ্বীচারিনী একজন....... [দ্বিতীয়] - ত্রেয়া
- ~~বাচ্চা ........কাচ্চা ..........~~ - অপ্সরা
- নবীনদের জন্য - নাদান
- বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর-৫ - ভোর
- সে এবং সেইসব দিন-৯, এবারের পর্ব, চলো নির্বাসনে যাই - লীনা দিলরূবা
- ইবনে সিনা: একজন কাফের? - উম্মু আবদুল্লাহ
- সে এবং সেইসব দিন-৭, এবারের পর্ব, জটিল দাম্পত্যজীবন - লীনা দিলরূবা
- সে এবং সেইসব দিন-৪, এবারের পর্ব-অন্যজীবনের শুরুর আগে - লীনা দিলরূবা
- সে এবং সেইসব দিন-৫, এবারের পর্ব, বিবাহিত জীবনের নানা ঘটনা - লীনা দিলরূবা
- সে এবং সেইসব দিন-৬, এবারের পর্ব, নিজেকে জানা, নতুন দিগন্তের খোঁজ - লীনা দিলরূবা
- সে এবং সেইসব দিন-২, এবারের পর্ব- তার কথা - লীনা দিলরূবা
- ছুঁয়ে থেকো -- Keep in touch - সহেলী
- বিবর্ণ রংধনু আর আমি............ - ত্রেয়া
- বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর-৪ - ভোর
- আউলাপুর জন্মদিনে একটা দুই পয়সার ব্লগারের একটা দুই পয়সার পোস্ট .... - টোনা
- বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর -২ - ভোর
- অশউইৎস- বিরকেনিঊ, নাজী কনসেনস্ট্রেশান গ্যাস চেম্বারের গনহত্যা, আমাদের বিষণ্ণ যাত্রা... - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- ফিরে দেখা...... - দীপান্বিতা
- আমার যত মিঁয়াও-৪ - বড় বিলাই
- আমার দোস্ত উদাসীর মন উদাস কেন???
- চানাচুর
- যৌনতা বিষয়ে ভাবনা ০২ - অপ বাক
- জ্বরুনুন - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার যত মিঁয়াও-২ - বড় বিলাই
- একটা অসাধারন চিঠি... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- ব্লগীয় দ্বান্দ্বিকতা - চিলে কোঠার সেপাই
- moving forwards - building a better blog together - আরিল
- আজেবাজে কাজে কিছু সময় নষ্ট - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
সামু ব্লগারদের দরজায় আন্টিদের কাছে যে কথাগুলো শুনলাম
(ইহা একটি কাল্পনিক রিয়েলিটি পোষ্ট)
- অনন্ত দিগন্ত
- সামুব্লগ বিবাহ -৪ - আউলা
- সামুব্লগ বিবাহ -৩ - আউলা
- বাস্তবের পাটাতনে স্বপ্ন দেখার অপরাধ ( ব্লগার শয়তান ভাইয়ের প্রতি নিবেদিত ) - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- তোমার ফিরে না আসা বার্ষিকী আজ - ইলা
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- সামুব্লগ বিবাহ - ২ - আউলা
- ০০১ - প্রথম বাংলা
- মহাকাশের খোশ খবর, বাস্তব রূপকথা - সাঈফ শেরিফ
- Ode to Water - হারুন আল নাসিফ
- Butterfly Effect: Song of Being - হারুন আল নাসিফ
- প্রেমাবেগ
(লিখেছেন: চানাচুর) - চানাচুর
- অসৎ উদ্দেশ্যে রেটিং সুবিধার অপব্যবহার প্রসঙ্গে..... - নোটিশবোর্ড
- Angry IP Scanner : ইন্টারনেট বা ইন্ট্রানেটে লাইভ আই-পি ও হোষ্টনেম বের করার একটি কার্যকরী ছোট্ট টুল - বিপ্লব কান্তি
- আমার N73 তে একই জায়গায়,একই সময়ে আমার দোস্তের 5800 থেকে নেটের পীক স্পীড কম - কারণ কি??টেকনিক্যাল ব্যাখা.. - ধূসর মানচিত্র
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছিঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ - নির্বাক হাসান
- ওয়াইফাই কী ও কিভাবে কাজ করে - জোবাইর
- পোষ্টে বা মন্তব্যে ছবি যুক্ত করার এর চেয়ে সহজ নিয়ম আর কি হইতে পারে?
- নির্জন রহমান
- হ্যাকিং টিউটোরিয়াল - লংকার রাজা
- রোজনামচা - ফ্রুলিংক্স
- গাছভুদাই না হইলে কেউ জঙ্গী হয় না - লেখাজোকা শামীম
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- ৭দশ১’একাত্তর (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- দেখে এলাম SCORPIONS!!!! - রুপান
- তাবলীগে মজার কুকৃর্তি - অনিকেত প্রান্তর
- weL¨vZ †jLKMY I Avðh© evwZK দুইটা ভাষায়...... - সায়েন্স জোন
- ছবি ব্লগ : ফুলগুলো অথবা পাতা (রাজামশাই নামগুলা বইলা দেন) - যীশূ
- মধ্যরাত্রির প্রলাপ - মুনিয়া
- আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা - প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
- অমিত-লাবন্য(কবিগুরুর উদ্দেশ্যে লিখা) - ফরিদুল ইসলাম শাওন
- বৃষ্টির গল্প ! (চলছে...) - পিয়াল
- Why people meet actually! - ব্লাডি ডে
- অনন্তের প্রার্থনায়......... - মাহবুবা আখতার
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- Sorry can't make a dead man alive ! - সারিয়া তাসনিম
- .... অবশেষে পিকনিক - ক্যামেরাম্যান
- জেবতিক এই উপন্যাস না লিখলেও পারতেন - বাকী বিল্লাহ
- আসুন, অনিনের গল্প শুনি...(৪) - পিয়াল
- আসুন, অনিনের গল্প শুনি... (৩) - পিয়াল
- আসুন, অনিনের গল্প শুনি....(২) - পিয়াল
- আসুন, অনিনের গল্প শুনি.... - পিয়াল
- মেয়ে, তুমি আজ একজন পুরুষ পেয়েছ, কোন মানুষ পাওনি..... - সামী মিয়াদাদ
- হাসিব ভাইয়া কি পছন্দ করে কেউ কইতে পারলে ১০ ট্যাকা দিমু।
- পিচ্চি
- রসুল হামজাটফের কবিতা - মাইবম সাধন
- ভাই ! একটু চাপেন, সমুদ্রটা দেখি !! - ঝড়ো হাওয়া
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- হায়রে ভালবাসা(= ভয়াবহ কষ্ট)! ভ্যালেন্টাইন চ্যাটিং আর কেমনে কি বলি... - মুনিয়া
- গানালাপ: রিচার্ড মার্ক্সের - মাহবুবা আখতার
- নাস্তিকতার বিরুদ্ধে কিছু মিথ - দিগন্ত
- অপরবাস্তব-২ এর মোড়ক উন্মোচন। যে ব্লগ গুলো প্রকাশিত হলো। - কৌশিক
- ব্লগের বই "অপরবাস্তব-২" এর সংকলকদের পরিচিতি - কৌশিক
- আমার দোস্তর কাছে আমি পরাজিত - যেমন ইকোনোমিক্স
- যুক্তরাষ্ট্রে তাবলীগ!!! - নরাধম
- গদ্য কবিতার ছন্দ - শেখ জলিল
- পদ্য রচনা ও আধুনিক কবিতা - শেখ জলিল
- কবিতার প্রাথমিক ছন্দ - শেখ জলিল
- কেয়ার্ণের ব্যর্থতা, গ্যাসের মজুদ এবং আমাদের জ্বালানী ভবিষ্যত, সময় এসেছে সচেতন হবার, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবার - মিরাজ
- ব্ল্যাক হোলের সাথে ম্যানহোলের এবং হোয়াইট হোলের সাথে সুড়ঙ্গমুখের মিল আছে- সত্যি কথা কিন্তু! - অনিশ্চিত
- Sometimes i need to run! - উদাসী স্বপ্ন
- I'm asking why; Nobody gives an answer - আইরিন সুলতানা
- কি কমু দু:খের কতা...জোনাক দিলো মনে ব্যাথা - জয়িতা
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- মিথ্যা হতে চলেছে ধর্মে বর্নিত পৃথিবী তৈরির কাহিনীঃ ৬ বিলিয়ন ডলার এক্সপেরিমেন্ট - জেনারেল
- বান্দরীয় ছড়া(উৎসর্গ উদুল কুতকুত) - জয়িতা
- একটা শালিক (উদাসী স্বপ্নের জন্য-আমার মন্তব্যের ঘরে উদাসীর কবিতা দেখে) - মাছরাঙ্গা
- বৃষ্টি ঝড়ে, মন আসমানে উড়ে - জয়িতা
- আবালেরে জুতা দিয়া স্বাগতম জানাইও। (আমি কৌতুক বলতে পারি না) +১৮ - মাথামোটা
- ফেমিনিন - মুনিয়া
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- দিন যায়..ব্যাথা থাকে!! - জোনাকি
- দু টাকার গল্প - মাছরাঙ্গা
- গুপ্ত হৃদয় - মাছরাঙ্গা
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- চিন্হিত করে দাও (নির্বাচিত কুকুরের পদাবলী) - মাছরাঙ্গা
- আমি নাকি আমার ভাইরে জালাই কনতো আমি কি হেরে ছত্যিই জালাই? - যেমন ইকোনোমিক্স
- ভালোবাসা: ছেলেরা যেমন চায়, মেয়েরা যেমন হয়.... (শ্যাষ) - মাহবুবা আখতার
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- মরি নাই মরি নাই!! এখনও বাইচা আছি!!(বান্দর গ্রুপের জন্য) - জোনাকি
- প্যাথেটিক হোমিওপ্যাথি - দিগন্ত
- কিছু পুংটা পোলাপাইনের আলাম ভাইয়ের রোদ চশমা ষড়যন্ত্র ও তদ্বিষয়ক আমার ভীতিকর অভিজ্ঞতা - সংস্থাপক
- দূর্গা পূজার একাল সেকাল (পুজোর রোজ নামচা-১ম পর্ব) - মনের কথা
- বান্দর কুলের চারিকোন প্রেম (রাগুপার জন্য ধারাবিবরনী) - মনের কথা
- একটি বিভত্স খুনের পূর্বপরিকল্পনা! (ক্লোজআপহাসি) - অন্যরকম
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- জোনাকির উরাধুরা ঈদ!! ঈদ কমু না ইদ কমু বুঝে আসছে না! - জোনাকি
- পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষদের কথা - মাথামোটা
- কোলাকুলি ফ্রম ঢালকানগর!
- ঢালী!
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- ব্লগের খুটিনাটি ১ - আহমাদ মুজতবা
- জোনাকির গেরাম ভোরমন! দেখে নেব কে কারে হারাই! সাবটারে ধইরা জবাই জবাই জবাই!! - জোনাকি
- যেদিন গোলাম আযম মারা যাবে - সূফি
- এলোমেলো অবয়বের ঠোঁটে জন্মদাগের কষ্ট - রাগ ইমন
- "সখী ভালবাসা কারে কয়?"... - নীলাঞ্জনা
- চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড়ে ধরা (দাদা-ভাইদের কীর্তিকলাপ) - মনের কথা
- ডঃ জাকির নায়েকের @ হমপগ্রের বন্দনা - মারিজুয়ানার_বড়_ভাই
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- আলো - মাথামোটা
- উদাসীর কি ব্যান হবার দরকার? - উদাসী স্বপ্ন
- নারীরা কথা বলছেন,আপনি কেন শুনবেন না?কেন করবেন অন্যায় আচরন ?কেন করবেন নোংরা কাজে সমর্থন ? - ঠোটকাটা ব্লগার
- বান্দরের (কিউট) ছড়া - জয়িতা
- একাত্তুরের যুদ্ধে বাবা পা দু'টি হারিয়েছেন - শাপলা
- ঘৃণাসহ তীব্র প্রতিবাদ করেন - জয়িতা
- প্রসঙ্গ : আলী ও ঢালী! - রিজভী
- গোলাম আযম : একজন খুনীর প্রতিকৃতি - অমি রহমান পিয়াল
- গোলাম আযম : একজন খুনীর প্রতিকৃতি ২ - অমি রহমান পিয়াল
- = ....! - এক প্রযুক্তিবিদ
- আমাদের সেনাবাহিনী। - অন্যরকম
- জীবনের কিছু আজাব নামা - কোপা সামছু
- তোমাকে ভালবাসি, হ্যাঁ ভালবাসি তাই মেনে নেই সব। হারাতে চাই না তবে এটা দূর্বলতা নয়। - মনের কথা
- একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না) - উদাসী স্বপ্ন
- আমার গ্রামের গর্ব - কেমিকেল আলী
- ছবি কথা বলে - কেমিকেল আলী
- আমেরিকার চামচামি এবং আমাদের মানসিকতা! - মানবী
- রুবাই - রাগ ইমন
- বিবর্তনবাদ ও ধর্ম - দিগন্ত
- কৃত্রিম মাংস - দিগন্ত
- কিভাবে এল জীবন? - ১ - দিগন্ত
- বিবর্তনবাদের কয়েকটি প্রশ্ন - দিগন্ত
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
উদাসী কথন: আমার বাবা-মা যত গরীবই হোক না কেন আমার বাবা মা, আমার দেশ যত খারাপই হোকনা কেন আমারি দেশ!
১১ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৪
ছোটবেলায় স্কুল লাইব্রেরীতে পড়া একটা গল্পের কথা খুব মনে পড়ছে।
কম্বোডিয়ার এক পাদ্রীকে নিয়ে লেখা। জন্ম আমেরিকায়, এমসময় বিটলস আর এলএসডির ভক্ত পরে চার্চে গিয়ে হাতে পায়ে ধরে তওবা করে কম্বোডিয়ায় চলে আসেন। ওখানটার এক গরীব পাহাড়ী গ্রামের চার্চে ধর্ম প্রচার আর মানবতার সেবায় লিপ্ত হন। ভালো গীটার বাজাতে পারতেন। খুব রাতে আনমনে পুরোনো দিনের কথা মনে করতেন আর গান গাইতেন।
তখন দেশের সময়টা খুব সঙ্গীন। তার উপর বছরের একটা দিন খুব খারাপ যেতো। তার সামনে ঘটে যেতো সরকারী বাহিনীর অনাচার, সে কিছুই বলতে পারতো না। স্হানীয় একটি স্কুলে আসতো পুরো আর্মির বহর। প্রধান শিক্ষক লাইন ধরে ঐ দিনের মধ্যে ১২ বছরে অবতীর্ণ ছেলেদের ডাকতেন। ডাকা শেষ হলে ঐ ব্যাটেলিয়নের ক্যাপটেন একটা লম্বা চওড়া ভাষন দিতেন দেশপ্রেমের। তারপর গাড়ীতে করে নিয়ে যেতেন ঐসব শিশুদের নিয়ে। এদেরকে আর্মি ট্রেনিং দেওয়ানো হবে তারপর যুদ্ধক্ষেত্রে নামানো হবে বিদ্রোহী দমনের নামে । এক সময় দেখা গেলো পুরো গ্রামে কোনো যুবক নেই, শুধু আর্মিদের বহর যারা পুরো গ্রামটা টহল দিচ্ছে বিদ্রোহী দমনের নামে। কোনো এক বছর এই পাদ্রী দেখলো গ্রামে এ্যাম্বুসের সময় ক্রশফায়ারে পরে গ্রামের একটা শিশু সে রাতে মারা যেতে। তার মাথাটা ঘুরে গেলো। তারপরের দিন সেই বিশেষ দিন-রিক্রুটম্যান্ট ডে। আর্মির বহর বড় জীপে করে ক্রন্দনরত শিশুদের নিয়ে যাচ্ছে। পাদ্রী সোজা এসে ক্যাপটেনের পথ আটকে দাড়ালো," এসব কি হচ্ছে?"
-সরে দাড়ান, মহাশয়!
-এই অসহায় আত্মাদের একটু দয়া করো!
-আমি শেষবারের মতো বলছি সরে দাড়ান।
সিগারেটে শেষ ফুটা দিয়ে পাদ্রী বলে বসলো,"কি করবেন, মেরে ফেলবেন? মেরে ফেলেন আমাকে, তাও এদের রেহাই দেন!"
ক্যাপটেন কোনো কথা না বলে হাতে থাকা রাইফেলের বেয়নেট দিয়ে আচমকা গুতো দিয়ে বসলো সজোড়ে বুকের পাজড়ে।সে তখনই লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। আনুমানিক দু'সপ্তাহ পর হুশ আসে। প্রচন্ড জ্বরে আবিস্কার করে তার বুকের একটা পাজড় ভেঙ্গে ফেলেছে। উনি সেদিনই চার্চ ছেড়ে চলে যান নিরুদ্দেশ তার সহকারীর হাতে কাজকর্ম বুঝিয়ে দিয়ে।
তার কয়েকমাস পর সরকারী বাহিনীর হিটলিস্টে তার নাম আসে। তখন সে কোনো এক জঙ্গলে একটা বড় এ্যাম্বুশ করছিলো। প্লানটা ছিলো ২ সপ্তাহের। প্রধান সমস্যা হলো তাদের খাবার আর রসদ ফুরিয়ে গেছে আর এই বনের মধ্য দিয়ে পার হতে হবে মেইন সাপ্লাইয়ের দিকে, কিন্তু মাঝে সরকারী বাহিনীর শক্তিশালী ক্যাম্প। প্রচন্ড এ্যাম্বুশ হয় সে রাতে, প্রকৃতিও ছিলো বেশ দুর্যোগপূর্ণ। বৃস্টির সাথে দমকা হাওয়া, তাই স্নাইপার গুলো কাজ করছিলো না, কিন্তু ওদের ট্যান্কের সামনে দাড়ানো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছিলো। একটা জিনিস খুব আশ্চর্য্যের শত্রু পক্ষের অস্ত্র আর তাদের অস্ত্রগুলো একই দেশের- আমেরিকা!
তখন পাদ্রী একটা ডিসিশন নেয়। বুকে বেধে নেয় ছয়টা সিফোর। কেউ মানছিলো না কিন্তু বাধাও দিতে পারছিলো না। একজন শুধু আলিঙ্গন করে বললো," কেনো এই ডিসিশনটা আমি নিলাম না?"
পাদ্রী এগিয়ে যায় এবং সেনাবাহিনীর পুরো অস্ত্রের গুদাম সহ কয়েকটি ট্যান্কের সামনে প্রচন্ড বিস্ফোরন ঘটিয়ে পঙ্গু করে দেয় ওদের। পাদ্রীর লাশটা পরে কেউ খুজে পায়নি। এখনও যুদ্ধ চলছে, হয়তো সামনে চলবে, তবে ভাবতে আশ্চর্য লাগে, আমরা যারা আমেরিকা যাবার স্বপ্নে বিভোর, হয়তোবা সেদেশ সব পেয়েছির দেশ, সেদেশের কেউ অন্যদেশের অনাচারের বিরুদ্ধে লড়েছিলো।
সেদিন সাভারে গিয়েছিলাম- আপনগায়।আমেরিকান ব্রাদারকে দেখে সেরকম একজন লোকের কথাই মনে পড়লো। আমাদের গরীব দেশ, অনিয়ম নোংরামী ছাড়া কিছুই নেই, কিন্তু এরকম কিছু মানুষ যখন চোখে আঙ্গুল দিয়ে কিছু দেখিয়ে দিতে চায় তখন মনে হয় আমরা ভুল করছি কোনো একটা বিষয়ে!
তবে এসব কথার উপর আমার মনে পড়ে তামাটে বর্ণের জংলি টুপি পরা স্বাধীনতা প্রেমী এক পাগল বিপ্লবী- চে গুয়েভেরা!
ছোটবেলায় সবারই একজন আদর্শ থাকে। আমারও একজন ছিলেন। না তেমন কোনো বড় কেউ নয়, আমার বাবা। একটু বাউন্ডুলে টাইপের। সবসময় অন্যের সমস্যাগুলোর সমাধান করা তার একটা পেশন ছিলো আর ছিলো বন্ধুদের নিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতভর সিনেমা দেখা আর আড্ডা দেয়া। মনে পড়ে একবার কাউকে না বলে ১ মাসের জন্য উধাও। যখন ফিরলেন হাতে ছিলো দুটো বড় লাগেজ, কোথায় গিয়েছিলেন- বৈদেশ ভ্রমন- সিঙ্গাপুর, শারজাহ প্রভৃতি। সবাই সালিশ বসালেন, বিচার করলেন কিন্তু তিনি নেই, থোড়াই কেয়ার।
যতদূর জানি উনি বুকে প্রচন্ড ব্যাথা নিয়ে ফরিদপুর ছাড়েন,প্রায় সবকিছুই বিলি করে আসেন। ঢাকায় এসে প্রায় শূন্য হাতে শুরু করেন সবকিছু। হয়তো আমরা এরকম পরিস্হিতির সাথে পরিচিত ছিলাম না, তাই অনেক কিছু চেয়েও পাইনি, অথবা উনি যা করেছেন বা যেভাবে করছেন তাতে আর আগের পজিশনে আর ফিরে আসা হবে না, ফলে মাঝে মাঝে তুমুল ঝগড়া লাগতো আমার সাথে। কিন্তু উনি মোটেও কন্টিনিউ করতেন না। আমি কথা বলা বন্ধ রাখলেও সে কিছুক্ষন পরে সব স্বাভাবিক করে ফেলতেন।
একবার আমার প্রচন্ড জ্বর আসলো। টানা দুদিন ১০৫ এর উপরে জ্বর। উনি রাত ভর জেগে পানি ঢাললেন। আমি জ্বরের মাঝে অবচেতনে তাকে প্রচুর বকাবাজী করলাম। দুদিন পর জ্বর কমলে আমি খুলনা যেতে চাইছিলাম। সে আমার হাত ধরে বসলেন, জানালেন পড়ালেখার দরকার নেই, চান্সেরও দরকার নেই, এই শরীর নিয়ে কখনোই খুলনা যেতে দেবেন না। আমার ঘাড়ের রগ মহা ত্যাড়া, তাই গোমড়া মুখে পরীক্ষা দিতে আসি। আমি যখন চট্টগ্রামে ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরু করি, তখন কিছুদিন পর চিঠি লেখা আর টাকা নেয়া বন্ধ করে দিলাম। বাবা মামাকে নিয়ে ছুটে আসলেন। ক্যাম্পাসে হৈ চৈ পড়ে গেলো আমার বাবা এসেছেন। উল্লেখ্য প্রথম দিকে গিয়েই যেকোনো কারনেই হোক ক্যাম্পাসের তিন হলে বেশ পরিচিত হয়ে উঠি। বাবা মামাকে নিয়ে আসার পর আমার সাথে, আমার রুম মেটের, ক্লাশ মেটের সাথে কথা বললেন, আমার কাছে মনে হলো আমাদের সবকিছুই বোধ হয় আগের পজিশনে ফিরে এসেছে। দীর্ঘ ৮ মাসের বরফ গললেও দূরত্ব থেকেই যায়। তবুও এখন মাঝে মাঝে মনে হয় তাকে একটা সরি বলি বা বলি একটা থ্যান্কস। কখনো বলা হয় নি, সে কখনো এসবের ধারও ধারেননি। এখনও মনে হয় সে এখনও এমন কিছু করছে যা আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব না। তার মতো আমি কখনোই হতে পারবো না।
সে আমার কাছে আরেক চে গুয়েভেরা, অথবা আমার ছোটকালের দেখা গুরু গুজরান খার আরেক রূপ।
আর এটাও বুঝি, হয়তো আমার বাবা অনেক কিছু আমাদের দিতে পারেন নি, অথবা পারেননি দিতে পৃথিবীর সমস্ট সুখ, অথবা যেরকমই হোক না কেন, সে আমার বাবা!
যদি বলা যায় দেশ বা বাবা- যেকোনো একজনকে বেছে নাও: তাহলে আমি বেশ সমস্যায় পড়বো। কারন দুটোই আমার কাছে সমান আর এটাও বিশ্বাস করি আল্লাহ কখনোই আমাকে এ পরিস্হিতিতে ফেলবেন না কখনোই না! কারন আমার কাছে দুটোই সমান প্রিয় যেমন প্রিয় আমার দুটো হাত, বা কিডনী, বা চোখ। হতে পারে আমার দেশ খুব গরীব, চারিদিকে অরাজকতা, নোংরা-ময়লায় ভর্তি, আপনি বলেন আমার দেশকে কখনো খারাপ বলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত অথবা কখনো কি উচিত হবে তাকে একা ফেলে যাওয়া?
সকল সমস্যার বোগাদাদী-ইউনানী-কবিরাজী সমাধান:
সবকিছুরই সমাধান আছে, সবকিছুরই। হ্যাকারের ভাষায়: Nothing is impossible। আমিও এটা বলতে চাই। হ্যাকররা সমস্যার সমাধান করে প্রিসাইস প্রোবাবিলিস্টিক ক্যালকুলেশন আর এ্যালগোরিদমের মারপ্যাচে। কারন তাদের কাছে আছে হাজারো অপশন আর একটা ট্যাক্টফুল প্লান।
ধরা যেতে পারে একটা নিউক্লিয়ার রিএ্যাকশন এ্যাকসিডেন্টলি আউট অফ কন্ট্রোল হয়ে গেলো, মডারেটর আর কুলার কাজ করছে না মোটেও। শুধু সময় গুনতে হচ্ছে হিরোশিমা-নাগাসাকির চাইতেও শক্তিশালী নিউক্লিয়ার ব্লাস্টের। কি করা যায়?
Trust me: science has the solution!
আমাদের দেশও সেরকম একটা বিস্ফোরন মুখে, শুধু শুধু কিছু প্রক্রিয়া বিস্ফোরনটাকে দীর্ঘায়িত করছে। কিন্তু সমাধান আছে, অবশ্যই আছে এবং এটা আমাদের কাছেই। আর তাই বিস্ফোরনটা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। হয়তোবা হতে পারে অথবা নাও হতে পারে- এতেই কাজ হবে।
তবে তার আগে আমাদের একটা সত্য কথা বুকে গেথে ফেলতে হবে," কোনো কিছুর মূল্য বা অন্য কিছু কোনোদিনও আগের অবস্হায় ফিরবে না, বরংচ প্রতিদিন উর্ধ্বগতির দ্রব্যমূল্যের ঘোড়া কখনোই টেনে ধরা যাবে না।"
এই ফলাফলটা মেনে এগুতে হবে। আমাদের মতো দেশে সবসময় ব্যায়টাকে কন্ট্রোল করতে শিখানো হয় আয়টাকে ধ্রবক ধরে-এটা হলো প্রথম ভুল। শুধরে নেই, ব্যায় যা আছে তাই থাকবে, তবে আয়ের বাড়াটাকে শক্তভাবে বাড়তে দিতে হবে আপন গতীতে বা ত্বরনায়িত। তাহলেই সমস্যার সমাধান। এটা সামস্টিক ভাবে হতে পারে অথবা হতে পারে ব্যাক্তিগত। তবে সামস্টিক ভাবে করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।বুঝিয়ে বলার দরকার বোধ হয়।
ধরা যাক আমার ইনকাম মাসে ৩০ টাকা ছিলো আর দশ বছর আগে আমার ব্যায় ছিলো মাসে ১০ টাকা। এখন আমার আয় বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা কিন্তু ব্যায় হচ্ছে ৩৩ টাকা। একবছর পর এই ব্যায় দাড়াবে ৩৫.৩ টাকা কিন্তু আয় হবে ৩৫.০৫ টাকা (যদি প্রোমোশন ফীবছর হয় আর পরিবারের সংখ্যাও না বাড়ে)। কিন্তু আমরা যদি সামস্টিক ভাবে এটাকে ৩৫+১০+৫=৫০ টাকায় নিয়ে আসি, আর চেস্টা করি এটাকে বাড়াবার ধান্ধায়, তাহলে ১০ বছর পর এটা আর সমস্যা থাকে না, বরংচ মানুষ তখন ছোট ছোট আশা আকাঙ্খাগুলো নিয়ে চিন্তা করতে খুব একটা কস্ট বোধ করবে না। তার মানে আমরা ব্যায়ের দিকে খেয়াল না করে আয়ের দিকে খেয়াল করি আর চেস্টা করি কিছু একটা করার (তবে ভাই, ডেসটিনি মোটেও না; শেয়ার বাজার, কনসালটেন্সী, প্রোফেশনাল ক্ষ্যাপ দেয়া ইত্যাদি)।
সরকার যেটা করতে পারে ডিসেন্ট্রালাইজ করার ব্যাপারটাকে তরান্বিত করা। তবে এটা সরকারের জন্য মোটেও সহজ নয়। একমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া সবকিছুতেই দরকার স্হানীয় সরকার আর এডিপিতে হিউজ ইনভেস্টমেন্ট, যেটা আরো বড় প্রেসার। আমাদের এখানে অল্টারনেটিভ কিছু চিন্তা করতে হবে কিন্তু প্লান একই।
আরেকটা সমাধান আছে, অতি সস্তা শব্দের সমাধান- বাইরে চলে গিয়ে ফরেন কারেন্সিতে কিছু কামানো(এটা করতে গিয়ে যেনো নিমকহারাম না হয়ে যাই)।
তবে যাই করা হোউক না কেন, সবকিছুই আমাদেরকে একটা ভয়ন্কর দিকে ঠেলে দিচ্ছে অতিমাত্রায় পুজিবাদের পদধ্বনি। আমরা এটাকে ঠেকাতে পারবো না। এটা মনে রাখতে হবে পুজিবাদ কায়েম হবার ৭০-৮০ বছর পরেও আমেরিকায় হত্যা, দুর্নীতি, লুট, ধর্ষন ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এমনকি আমরা মালয়েশিয়ার দিকে তাকাই, প্রতিবছর ধর্ষনের পরিমান যেভাবে বাড়ছে সেটা সত্যিই আশন্কাজনক। সেখানকার স্বাস্হ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেন কারন সে নাকি একজন পর্নস্টার ছিলেন। সেখানকরা প্রধানমন্ত্রী নাকি কিছুমাত্রার গে। টিআইবির মানের দিক থেকেও বাড়ছে কয়েকবছর, যদি তাদের টার্গেট শীর্ষ দশে আসার, কিন্তু কর্পোরেট করাপশনগুলোর লবিং খুবই শক্তিশালী হয়ে উঠছে।ইন্ডিয়া আবার এসব দিক থেকে বেশ সুবিধা জনক পর্যায়ে, তবুই সেখানকার এক আদালতে রায় দাবার সময় বলেছে এসিড সন্ত্রাস রুখবার জন্য বাংলাদেশের আইন আর পরিস্হিতির কথা তুলনা করে ওগুলো এ্যাডোপ্ট সুপারিশ করেন।
এগুলো আমার আলোচনার উদ্দেশ্য নয়: এ্যান্টার্কটিকার বরফ গলবেই, অনাচার চলবেই এদেশে- বড্ড দেরী করে ফেলেছি আমরা। তবে হতাশ হলে চলবে না।
সমাধান পেতে হলে দেখতে হবে আমি কি করছি আর আমার ফোকাসটা কোনদিকে!
১) আমাকে বাচতে হলে আমার আয়ের উৎস বাড়াতে হবে, সেটা যেকোনো ভাবেই হোক। এটা প্রথমেই দরকার।
২) আমার পজিশন রক্ষিত হবার পর আমার নীচে যারা আছে তাদেরকে একটা টান দিতে হবে। আমরা অনেকেই একটা ভুল করছি, উপরে উঠার পর স্বার্থপর থুক্কু স্বার্থনিজের মতো সবকিছু ভুলে যাই যারা আমার নীচে আছে। ভুলটা করি এখানেই, আমার সাফল্যের স্ট্যাবিলিটি কখনোই এতে থাকে না, একসময় আমার হাতে গড়া আমার ক্যারিয়ারে ধ্বস নামবেই।আমি যদি আমার পজিশনটা ভালো জায়গায় বা অবস্হানে এনে তারপর আমার নীচের পজিশনে বা দিকে যারা আছে তাদেরকে টেনে উপরে উঠাই, তাহলে তখন আমার পজিশন বলে কিছু থাকবে না, হবে আমাদের পজিশন। আর যখন আমাদের পজিশন আসবে তখন টিম লীডার হিসেবে আমার নামই আগে আসবে উপরে উঠার বেলায়। উপরে উঠার হারটা স্ট্যাবল হবে। অমর্ত্যের কথাই ধরি, সে তার কর্মজীবনে প্রায় ৪০০০ ইন্ডিয়ানকে বাইরে নিয়ে গেছেন, রিসার্চ করিয়েছেন, কাজ দিয়েছেন। মনে হয় তার নোবেল পাবার ব্যাপারে বা লবিং এর ব্যাপারে এটাও একটা কনসার্ন!
৩) উপরের দুটো করার পর নিজেদের অবস্হানে থেকে সামস্টিক ভাবে নিজের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করা। মাতব্বরী কথা বা ফালতু দোষারোপ না করে দেশের যেকোনো ইস্যু নিয়ে লবিং করা। আমাদের দেশ যতই জঘন্য হোক, যতই নোংরা হোক- এটা নিয়ে আফসোস বা মায়াকান্না না করে বরংচ সত্য জিনসটাকে রিপ্রেজেন্ট করা যেখানে আমাদের সফলতার সাথে সাথে পিছিয়ে থাকার কারনটাও জানানো।
কিছু বোকার দল একটা কথা ভুলে যায়-সমস্যা যত আছে কাজ করার সুযোগ তত আছে। আর যত কাজ করার সুযোগ আছে উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে কর্মসংস্হানের বিশাল সুযোগও বর্তমান। কিন্তু মাকাল বোকার দল এটা বুঝে না, আর তাই কোন জায়গার কোন বাহরাইন দু একজনের অপকর্মকে ফোকাস করে পুরো জাতিকে নিষিদ্ধ করে তখন আমার দেশেরই কিছু আবাল ভাই আমাদের দেশের সকল মানুষকে বাইরে বসে গাল মন্দ করে-যেটা আসলে উর্বর মস্তিস্কের পরিচায়ক। অথচ একজন দুজনকে দিয়ে পুরো জাতিকে বিচার করা আর তাদের সাথে গলা মেলানো কি রকম কাজ এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আমার এই পোস্টের একটাই অনুরোধ কেউ নিজের দেশকে কখনো বকবেন না, তাহলে তো নিজের বাবা-মাকে অস্বীকার করারই নামান্তর!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আজকে ব্লাকের নতুন এ্যালবাম আবার কিনলাম এবং শুনলাম। ওর টাইটেল কভারে কিছু অসাধারন কথা লেখা আছে। এটা পড়ে মনে হলো আসলেই কিছু লেখা উচিত, কিছু একটা করা উচিত। একটা কাজ করলাম যেটা শেয়ার করবো না, আর একটা কাজ হলো এই ব্লগটা লিখলাম।ইদানিং ব্লগে আসা হয় না, তবে হঠাৎ যখন ভুল করে ঢুকি তখন দেখি ফ্রন্ট পেজে কিছু ব্যার্থ আবাল বুড়াবুড়ি বৈদেশ থেকে দেশ কে গালাগাল করছে। মনে হয় দেশকে গালাগাল দেবার লাইসেন্স পেয়ে গেছে। খুব দুঃখ লাগে এরা আমার দেশের লোক। খুব কস্ট লাগে যখন দেখি আমার দেশকে কেউ বকা দেয়।
বেল ল্যাবরেটরীতে আমার মত এক পাগল কাজ যদিও সে আমার মতো সাধারন রক্তমাংসের মানুষ নন। তাকে কেউ একটা কথা বলেছিলো যেটাতে মনে হয়েছিলো তার দেশকে নিয়ে কিছু বলা। সে তাকে মুখের উপর বলে দেয় এবং কমপ্লেইন জানায়। যখন দেখা যায় এটা আসলে খুব হাল্কা ভাবে নিচ্ছে ওরা, তখন সে সিম্পলি তাদের ত্যাগ করে দেশে চলে আসেন। ভাবতে গর্ব বোধ করি এও আমার দেশের লোক।
শুধু একটাই দুঃখ, কিছু মানুষ সবসময়ই কস্ট দেবার জন্য কথা বলে!
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
দারুণ লিখেছেন আপনি......। অনেকদিনপর।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
১) আমাকে বাচতে হলে আমার আয়ের উৎস বাড়াতে হবে, সেটা যেকোনো ভাবেই হোক। এটা প্রথমেই দরকার।দুর্নীতি করে হলেও?
লেখক বলেছেন: পুজিবাদের দৃস্টিতে যা বৈধ!
পুজিবাদ খুব খারাপ হলেও এর ভয়ন্কর ভালো রূপ দেখতে হলে আপনাকে অপেক্ষা করতে হতে পারে কয়েক দশক। পুজিবাদে সকল মানুষের মূল্য সমান নয়, তবে যখন ভয়ন্কর সুন্দর রূপটি সামনে আসবে তখন রাস্তার ফকিরের বাচ্চা বা টোকাইদেরও অনেক মূল্য!
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
পুজিবাদ খুব খারাপ হলেও এর ভয়ন্কর ভালো রূপ দেখতে হলে আপনাকে অপেক্ষা করতে হতে পারে কয়েক দশক।কিন্তু এই কয়েক দশকে যারা বৈষম্যের স্বীকার, তাদের কী হবে? তারা তো গিনিপিগ হয়ে থাকতে পারেনা।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো হচ্ছে- এই "কয়েক দশক"টা আসলে কয় দশক? এটা শুরু হবে কবে? নাকি শুরু হয়ে গেছে?
লেখক বলেছেন: ধরা যাক, আমি আমার সন্তান সবকিছু সেক্রিফাইস করলাম কারন কোনো উপায় নেই। কিন্তু আমার নাতি পুতি বা তাদের সন্তানেরা এরকম একটা সময়ে বাস করবে যেটা এখনকার আমেরিকা বা ইউরোপের বা ইন্ডিয়ার মতো কন্ডিশন বিরাজ করছে। বাংলাদেশ একটা ছোট দেশ তাই এটাতে উন্নয়নের ছোয়া লাগলে সর্বদা ছড়িয়ে পড়বে। আর সভ্যতা সবসময় সেক্রিফাইস চায়, সে বিশাল স্বার্থপর প্রকৃতির, হতে পারে এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
আর উন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কিনা সেটা আপনি আমি দেশে থেকে কখনোই বুঝতে পারবো না আর এটা নিতান্তই আপেক্ষিক ব্যাপার। আমি আপনি কখনোই বুঝবো না কারন একটা গাছ বড় হচ্ছে এটা এক নাগাড়ে তাকয়ে থাকলে কখনোই বুঝবেন না।
বুঝতে হলে আপনাকে কিছু প্যারামিটার নিয়ে কাজ করতে হবে যেগুলো আপনার কাছে মুখ্য মনে হবে। আমার কাছে মূখ্য প্যারামিটারের হিসাব নিয়ে যেটুকু মনে হচ্ছে দেশটা এখনও অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যাতে সফলতার হার এক্সপোনেনশিয়াল। যেহেতু হঠাৎ সেহেতু এটা বিশ্বাস করাটা বুদ্ধিমানের মতো কাজ নয়, আর স্ট্যাবিলিট যদি হয় তাহলে দ্রুত সে সময়টাও আসছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে এটা কতটুকু বজায় রাখতে পারে।
তবে আমি আবারও বলছি হাতের কাছে প্যারামিটারের স্ট্যাটিসকিস না থাকলে কিছুতেই উপর দিয়ে দেখে বলা সম্ভব না। আর আমার কাছে এই অল্প সময়ের পরিবর্তনটাকে মূখ্য ধরেই বলছি আমার সবে পা দিয়েছি এবং যদি এগুলো না কেউ পা দিয়ে মুচড়ে না দেয়, তাহলে শুধু আমাদের স্যাক্রিফাইস হলেই চলবে। আমাদের সন্তানরা একটা ভালো পরিবেশ দেখবে এই বাংলায়!
ভরসা রাখতে পারেন আপাতত! কিপ আপ ইউর গুড ওয়ার্ক!
দুঃখবিলাস বলেছেন:
হুমম!!!
লেখক বলেছেন: ঘুমাও মিয়া, স্বাস্হ্যডা তো মিয়া খাইয়া ভূত বানাইতাছো। আর বিড়ি খাওয়া ছাড়ো, বোতল ধরো! হা হা হা হা হা ![]()
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
জন এফ কেনেডির একটি বিখ্যাত উক্তি আছে - "Ask not what your country can do for you - ask what you can do for your country"অফিসের কিংবা সংসারের কাজে ফাঁকি দিলেও যে কাজটি আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে করি, সেটি হচ্ছে সরকার কিংবা উপরওয়ালার সমালোচনা। আমরা নিজেরাই যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি তারপর আবার সময়ে-অসময়ে গালি দেই সিটি কর্পোরেশনকে। বিশ্লেষন শুরু হয় কোন মেয়র কত টাকা পকেটে ভরল। তৃতীয় বিশ্বের একটি দরিদ্রতম দেশে তো কমবেশী দূর্নীতি তো থাকবেই। কিন্তু কিছুটা কি ভেবে দেখেছি নিজেদের সামান্য সচেতনতা কিংবা একটু বেশি পরিশ্রমে হয়ত অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব?
ব্যয় যেহেতু কমছে না, তাহলে অবশ্যই আয় বাড়ানোর উপায় খুঁজতে হবে। হয়ত কর্মক্ষেত্রেই কিছুটা বেশি পরিশ্রম করতে হবে নতুবা অবসর সময় কমিয়ে কিছুটা বাড়তি কাজ করে। আমার এক বন্ধুর বাবাকে দেখেছি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় কর্মকর্তা হওয়ার পরও বাড়িতে টিওশনি করতেন। এ নিয়ে তাঁর মধ্যে কোন দ্বিধা দেখতে পাইনি (অবশ্য বন্ধুটি কিছুটা সংকোচে থাকত সেরকম কোন সময় তার বাড়ি গেলে)
কিছুদিন ধরে মিডিয়াতে একটি কথা হচ্ছে, আমরা ডোনার (এখন গালভরা নাম - উন্নয়ন সহযোগী) দেশ বা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে যে বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করছি, তা তেমন আহামরি কিছু নয়। হয়ত আরেকটু বেশি রেমিট্যান্স আসলে, কিংবা একটু রপ্তানি বেশি হলেই সেটির অভাব পূরন হয়ে যায়। তবে কেন শুধু শুধু সেই স্বল্প সাহায্যের আশায় তাদের খবরদারি মেনে নিচ্ছি?
নিজে উঠতে হলে যে আশে-পাশের সবাইকে নিয়েই উঠতে হয় - এর সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত
একাকী বালক বলেছেন:
রপ্তানি বাড়াতে হবে। শুধু পোশাক শিল্প না, আরও রপ্তানীমুখী শিল্প দরকার। আমরা চিপ ফেবরিকেট না করি, কিন্তু চিপ ডিজাইনে নামা দরকার জোরে সোরে।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
সেরম লেখা। উদা ইস ব্যাক।
নির্বাসিত বলেছেন:
আপনার অনেক গুলো কথার সাথে আমি ভীষণভাবে একমত। অনেক কথা বলেছি আমরা, এবারে সিরিয়াসলি বসে কাজ করতে হবে। মাথা খাটাতে হবে। আপনি একটা খুব সত্যি কথা বলেছেন যে আমাদের ব্যয় কমানোর কথা একটু কম চিন্তা করে আয় বাড়ানোর কথা বেশী করে চিন্তা করতে হবে। আমরা সবাই খুব চাকরি-চাকরি করে সময় নষ্ট করি। মাথা ঠিকমতো খাটালে ছোটখাটো ব্যবসাতেও ভালো রোজগার করা যায়।আমার কাছে মনে হয় যে যেহেতু আমাদের দেশের লোকসংখ্যা বেশী, আমাদের উচিত গোটা পৃথিবীর চাহিদা বুঝে সেই মোতাবেক যোগ্যতা-সম্পন্ন লোক সাপ্লাই দেয়া। সাথে সাথে উন্নত টেকনোলজি আমদানী করা।
আসল কথা একটাই, কাজ করতে হবে, এবং এক্ষুণি!
লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
উদা অন ফায়ার। লেখাটা খুব ভাল লেগেছে।
নতুন বলেছেন:
আমাদের দেশে পয`টন এবং বাইরের দেশে শিক্ষিত+দক্ষ কাজের লোক পাঠানো এবং বাইরের চাকুরির বাজার ধরার চেস্টা করতে হবে.... পয`টনে হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ খুবসহজেই আনা সম্ভব.... সরকার পদক্ষেপ নিতে হবে...
মালোয়েশিয়ার এখন প্রচুর আরব পয`টক এইখানে আসসে.... এরা এটাকে বলে আরব সিজান...
এদের আছে ৫তারা হোটেল... থিম পাক`...কয়েকটি দ্বীপ..সাগর সৈকত... এবং টুইন টাওয়ার...
এদেশে ৫/৭ দিন খুব সহজেই আপনি পার করে দিতে পারেন....
এদের নিতি সুন্দুর...
বিদেশিদের জন্য অনেক কিছুই জায়েজ..,..কিন্তু দেশি মুসলমানেরা তা হতে দুরে থাকে...
আমার মতে বাইরের হোটেল/রিসোটকে অনুমুতি দিলে প্রচুর কাজের সুযোহ হবে... তারা বিনিয়োগ করবে... আমাদের দেশের পন্য এরা ব্যাবহার করবে....
দরকার সরকারের উদ্দোগ+ আমাদের দেশৈর জনগনের ইচ্ছা+সহোযোগিতা..
চমৎকার লেখার জন্য ধন্যবাই উদা ভাইকে
রুপার পালকি বলেছেন:
খুব ভাল লিখেছেন। +
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
আমার একটা পোস্ট পড়ে আসতে পারেন উদাদা, দেখেন চিন্তাগুলো পছন্দ হয় কিনা- Click This Link
মুনিয়া বলেছেন:
জোস লিখেছেন।আমার কথাগুলো মাঝে মাঝে অন্য কেউ লিখে দেয়!
আবার লিখছেন দেখে খুব ভাল লাগল। আপনি ভাল আছেন তো ?
জোনাকি বলেছেন:
উদা আমি আমার আইডি চেন্জ করছি...ঐটা ছিনতায় হয়ে গেছে তো....।তুমি আমার নুতন আইডিতে এড কর...আগের টার মতই শুধু আন্ডার স্কর বাদ দিয়া এড দাও..
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
মৈথুনানন্দ বলেছেন: সেরম লেখা। উদা ইস ব্যাক।
ত্রিভুজ বলেছেন:
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: ১) আমাকে বাচতে হলে আমার আয়ের উৎস বাড়াতে হবে, সেটা যেকোনো ভাবেই হোক। এটা প্রথমেই দরকার।
দুর্নীতি করে হলেও?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৬
লেখক বলেছেন: পুজিবাদের দৃস্টিতে যা বৈধ!
---
পুঁজিবাদের দৃষ্টিতে কিন্তু অনেক কিছুই বৈধ 'উদাসী..'!
যাই হোক, অনেক দিন পর দেখলাম.. (আমিও অবশ্য নিয়মিত না)। কেমন চলছে? ব্লগে পুন:স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: পুজিবাদের দৃস্টিতে যা বৈধ!
যা বৈধ তার সবই। যদিও সরকার পরিবর্তন হলে বৈধতাও পরিবর্তন হয়। কিন্তু নিজেকে আগে বেচে থাকতে হবে। যে পিতা হেরে যায়, সে তার সন্তান আর প্রিয় মানুষদের কাছে প্রতিদিন হেয় হয়। যে ছেলে হেরে যায়, সেও তার সংসারে অনেকটা উচ্ছিস্টের মতোই পড়ে থাকে।
সাইকোলজী খুব খারাপ জিনিস। সাইকোলজি ঠিক রাখার জন্য দরকার প্রোডাক্টিভ কাজ। আমাদের দেশ একটা আনস্টেবল দেশ। কেউ এক রাতে কোটিপতী হয়, কেউ তার বংশের রেখে যাওয়া বিশাল সম্পত্তি এক লসে হারিয়ে ফেলে, একমাত্র মেয়ের বিয়ের জন্য ভিক্ষায় নেমে পড়ে!
এগুলোই জীবন, যখন ভিক্ষায় নামে তখন কোনো অবতার অবতীর্ণ হন না তাকে সাহায্য করার জন্য, তখন কোনো পুজিবাদীর গাড়ী এসে থামেও না তাকে বাচাবার জন্য। তখন তার মেয়ের ইজ্জত বিক্রি হয় টাকার বিনিময়ে সুশোভিত মোড়কে!
চানাচুর বলেছেন:
পড়লাম
লেখক বলেছেন: আপনে দেখি বস জটিল!
কেমনে খুইজা পাইলেন হেইডাই আমি টাস্কি খাইতাছি। আমার নিজের লেখা কিন্তু সেইদিন অফিস বিচাড়াইয়াও এইডা পাই নাই!
আপনের জন্য আমার বাটি চালানের বাটিখানা গিফট করবার মন চায়, মাগার আফসুস, আমার বাটিই হারাইয়া গেছে!![]()
লেখক বলেছেন: আউল ফাউল জিনিস পড়ার কেনো মানে হয় না!
জইন বলেছেন:
ভোর বলেছেন: অবশেষে লেখাটি খুঁজে পেলাম। অসাধারন! অবশ্যই প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: এইডা পালন করাটাই আসল কথা!
ধইন্যা!
*রেটিং দিতে পারিনি, দিতে গিয়ে দেখি আমার নাকী একবার দেয়া হয়ে গেছে!
লেখক বলেছেন: আমি নিজেও অনেক দিন পর পড়লাম। ব্লাকের লাস্ট এলবামটা শুননের পর লিখছিলাম মনে হয়। আজকে রাতে এলবামটা আবার শুনবো!























